সহিহ বুখারী > মুতাশাবিহাত বা সন্দেহজনক বিষয়সমূহের বিশ্লেষণ।

সহিহ বুখারী ২০৫২

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين، حدثنا عبد الله بن أبي مليكة، عن عقبة بن الحارث ـ رضى الله عنه ـ أن امرأة، سوداء جاءت، فزعمت أنها أرضعتهما، فذكر للنبي فأعرض عنه، وتبسم النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال ‏ "‏ كيف وقد قيل ‏"‏‏.‏ وقد كانت تحته ابنة أبي إهاب التميمي‏.

উকবা ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজন কালো মেয়েলোক এসে দাবী করলো যে, সে তাদের উভয় (উকবা ও তার স্ত্রী)-কে দুধপান করিয়েছে। তিনি এ কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হতে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং মুচকি হেসে বললেন, কিভাবে? অথচ এমনটি বলা হয়ে গেছে। তাঁর স্ত্রী ছিলেন আবূ ইহাব তামীমীর মেয়ে।

উকবা ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজন কালো মেয়েলোক এসে দাবী করলো যে, সে তাদের উভয় (উকবা ও তার স্ত্রী)-কে দুধপান করিয়েছে। তিনি এ কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হতে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং মুচকি হেসে বললেন, কিভাবে? অথচ এমনটি বলা হয়ে গেছে। তাঁর স্ত্রী ছিলেন আবূ ইহাব তামীমীর মেয়ে।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين، حدثنا عبد الله بن أبي مليكة، عن عقبة بن الحارث ـ رضى الله عنه ـ أن امرأة، سوداء جاءت، فزعمت أنها أرضعتهما، فذكر للنبي فأعرض عنه، وتبسم النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال ‏ "‏ كيف وقد قيل ‏"‏‏.‏ وقد كانت تحته ابنة أبي إهاب التميمي‏.


সহিহ বুখারী ২০৫৪

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم ـ رضى الله عنه ـ قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن المعراض فقال ‏"‏ إذا أصاب بحده فكل، وإذا أصاب بعرضه فلا تأكل، فإنه وقيذ ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله أرسل كلبي وأسمي، فأجد معه على الصيد كلبا آخر لم أسم عليه، ولا أدري أيهما أخذ‏.‏ قال ‏"‏ لا تأكل، إنما سميت على كلبك ولم تسم على الآخر ‏"‏‏.‏

আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পার্শ্বফলাবিহীন তীর (দ্বারা শিকার) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, যদি তীরের ধারালো পার্শ্ব আঘাত করে, তবে সে (শিকারকৃত জানোয়ারের গোশত) খাবে, আর যদি এর ধারহীন পার্শ্বের আঘাতে মারা যায়, তবে তা খাবে না। কেননা তা প্রহারের মৃত যবহকৃত নয়। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি বিসমিল্লাহ পড়ে আমার (শিকারী) কুকুর ছেড়ে দিয়ে থাকি। পরে তার সাথে শিকারের কাছে (অনেক সময়) অন্য কুকুর দেখতে পাই যার উপর আমি বিসমিল্লাহ পড়িনি এবং আমি জানি না, উভয়ের মধ্যে কে শিকার ধরেছে। তিনি বললেন, তুমি তা খাবে না। তুমি তো তোমার কুকুরের উপর বিসমিল্লাহ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি।

আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পার্শ্বফলাবিহীন তীর (দ্বারা শিকার) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, যদি তীরের ধারালো পার্শ্ব আঘাত করে, তবে সে (শিকারকৃত জানোয়ারের গোশত) খাবে, আর যদি এর ধারহীন পার্শ্বের আঘাতে মারা যায়, তবে তা খাবে না। কেননা তা প্রহারের মৃত যবহকৃত নয়। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি বিসমিল্লাহ পড়ে আমার (শিকারী) কুকুর ছেড়ে দিয়ে থাকি। পরে তার সাথে শিকারের কাছে (অনেক সময়) অন্য কুকুর দেখতে পাই যার উপর আমি বিসমিল্লাহ পড়িনি এবং আমি জানি না, উভয়ের মধ্যে কে শিকার ধরেছে। তিনি বললেন, তুমি তা খাবে না। তুমি তো তোমার কুকুরের উপর বিসমিল্লাহ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি।

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم ـ رضى الله عنه ـ قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن المعراض فقال ‏"‏ إذا أصاب بحده فكل، وإذا أصاب بعرضه فلا تأكل، فإنه وقيذ ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله أرسل كلبي وأسمي، فأجد معه على الصيد كلبا آخر لم أسم عليه، ولا أدري أيهما أخذ‏.‏ قال ‏"‏ لا تأكل، إنما سميت على كلبك ولم تسم على الآخر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২০৫৩

حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه‏.‏ قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد بن أبي وقاص وقال ابن أخي، قد عهد إلى فيه‏.‏ فقام عبد بن زمعة، فقال أخي، وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فتساوقا إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال سعد يا رسول الله، ابن أخي، كان قد عهد إلى فيه‏.‏ فقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد بن زمعة ‏"‏‏.‏ ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الولد للفراش، وللعاهر الحجر ‏"‏‏.‏ ثم قال لسودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احتجبي منه ‏"‏‏.‏ لما رأى من شبهه بعتبة، فما رآها حتى لقي الله‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উতবা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস তার ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) কে ওয়াসীয়াত করে যান যে, যাম‘আর বাঁদীর গর্ভস্থিত পুত্র আমার ঔরসজাত; তুমি তাকে (ভ্রাতুষ্পুত্র রূপে) তোমার অধীনে নিয়ে আসবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের কালে ঐ ছেলেটিকে সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) নিয়ে নিলেন এবং বললেন, এ আমার ভাইয়ের পুত্র। তিনি আমাকে এর সম্পর্কে ওয়াসীয়াত করে গেছেন। এদিকে যাম‘আর পুত্র ‘আব্‌দ দাবী করে যে, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পুত্র। তার শয্যা সঙ্গিনীর গর্ভে জন্মগ্রহন করেছে। তারপর উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ আমার ভাইয়ের পুত্র, সে এর ব্যাপারে আমাকে ওয়াসীয়াত করে গেছে এবং ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ বললেন, আমার ভাই। আমার পিতার দাসীর পুত্র, তাঁর সঙ্গে শায়িনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ! এ ছেলেটি তোমার প্রাপ্য। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, শয্যা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারী যে, বঞ্চিত সে। এরপর তিনি নবী সহধর্মিনী সাওদা বিনতে যাম‘আ (রাঃ)-কে বললেন, তুমি ঐ ছেলেটি হতে পর্দা করবে। কারণ তিনি ঐ ছেলেটির মধ্যে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পান। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঐ ছেলেটি আর সাওদাহ (রাঃ)-কে দেখেনি।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উতবা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস তার ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) কে ওয়াসীয়াত করে যান যে, যাম‘আর বাঁদীর গর্ভস্থিত পুত্র আমার ঔরসজাত; তুমি তাকে (ভ্রাতুষ্পুত্র রূপে) তোমার অধীনে নিয়ে আসবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের কালে ঐ ছেলেটিকে সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) নিয়ে নিলেন এবং বললেন, এ আমার ভাইয়ের পুত্র। তিনি আমাকে এর সম্পর্কে ওয়াসীয়াত করে গেছেন। এদিকে যাম‘আর পুত্র ‘আব্‌দ দাবী করে যে, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পুত্র। তার শয্যা সঙ্গিনীর গর্ভে জন্মগ্রহন করেছে। তারপর উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ আমার ভাইয়ের পুত্র, সে এর ব্যাপারে আমাকে ওয়াসীয়াত করে গেছে এবং ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ বললেন, আমার ভাই। আমার পিতার দাসীর পুত্র, তাঁর সঙ্গে শায়িনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ! এ ছেলেটি তোমার প্রাপ্য। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, শয্যা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারী যে, বঞ্চিত সে। এরপর তিনি নবী সহধর্মিনী সাওদা বিনতে যাম‘আ (রাঃ)-কে বললেন, তুমি ঐ ছেলেটি হতে পর্দা করবে। কারণ তিনি ঐ ছেলেটির মধ্যে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পান। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঐ ছেলেটি আর সাওদাহ (রাঃ)-কে দেখেনি।

حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه‏.‏ قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد بن أبي وقاص وقال ابن أخي، قد عهد إلى فيه‏.‏ فقام عبد بن زمعة، فقال أخي، وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فتساوقا إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال سعد يا رسول الله، ابن أخي، كان قد عهد إلى فيه‏.‏ فقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد بن زمعة ‏"‏‏.‏ ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الولد للفراش، وللعاهر الحجر ‏"‏‏.‏ ثم قال لسودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احتجبي منه ‏"‏‏.‏ لما رأى من شبهه بعتبة، فما رآها حتى لقي الله‏.‏


সহিহ বুখারী > সন্দেহজনক বিষয় থেকে বিরত থাকা।

সহিহ বুখারী ২০৫৫

حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن منصور، عن طلحة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بتمرة مسقوطة فقال ‏"‏ لولا أن تكون صدقة لأكلتها ‏"‏‏.‏ وقال همام عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أجد تمرة ساقطة على فراشي ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) পথ অতিক্রমকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পড়ে থাকা একটি খেজুর দেখে বললেন, এটা যদি সদাকার খেজুর বলে সংশয় না থাকতো, তবে আমি তা খেতাম। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে হাম্মাম (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন আমার বিছানায় পড়ে থাকা খেজুর আমি পাই।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) পথ অতিক্রমকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পড়ে থাকা একটি খেজুর দেখে বললেন, এটা যদি সদাকার খেজুর বলে সংশয় না থাকতো, তবে আমি তা খেতাম। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে হাম্মাম (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন আমার বিছানায় পড়ে থাকা খেজুর আমি পাই।

حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن منصور، عن طلحة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بتمرة مسقوطة فقال ‏"‏ لولا أن تكون صدقة لأكلتها ‏"‏‏.‏ وقال همام عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أجد تمرة ساقطة على فراشي ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > যারা ওয়াসওয়াসা সৃষ্টিকারী ও তদনুরূপ বিষয়কে সন্দেহজনক মনে করেন না।

সহিহ বুখারী ২০৫৬

حدثنا أبو نعيم، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، قال شكي إلى النبي صلى الله عليه وسلم الرجل يجد في الصلاة شيئا، أيقطع الصلاة قال ‏ "‏ لا، حتى يسمع صوتا أو يجد ريحا ‏"‏‏.‏ وقال ابن أبي حفصة عن الزهري لا وضوء إلا فيما وجدت الريح أو سمعت الصوت‏.‏

আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা (‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু আসিম) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হল যে, সালাত আদায়কালে তার অযু ভঙ্গের কিছু হয়েছে বলে মনে হয়, এতে কি সে সালাত ছেড়ে দেবে? তিনি বলেন, না, যতক্ষণ না সে আওয়াজ শোনে বা দুর্গন্ধ টের পায় অর্থাৎ নিশ্চিত না হয়। ইবনু আবূ হাফসা (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তুমি গন্ধ না পেলে অথবা আওয়াজ না শুনলে অযু করবে না।

আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা (‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু আসিম) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হল যে, সালাত আদায়কালে তার অযু ভঙ্গের কিছু হয়েছে বলে মনে হয়, এতে কি সে সালাত ছেড়ে দেবে? তিনি বলেন, না, যতক্ষণ না সে আওয়াজ শোনে বা দুর্গন্ধ টের পায় অর্থাৎ নিশ্চিত না হয়। ইবনু আবূ হাফসা (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তুমি গন্ধ না পেলে অথবা আওয়াজ না শুনলে অযু করবে না।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، قال شكي إلى النبي صلى الله عليه وسلم الرجل يجد في الصلاة شيئا، أيقطع الصلاة قال ‏ "‏ لا، حتى يسمع صوتا أو يجد ريحا ‏"‏‏.‏ وقال ابن أبي حفصة عن الزهري لا وضوء إلا فيما وجدت الريح أو سمعت الصوت‏.‏


সহিহ বুখারী ২০৫৭

حدثني أحمد بن المقدام العجلي، حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، حدثنا هشام بن عروة،، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن قوما، قالوا يا رسول الله، إن قوما يأتوننا باللحم لا ندري أذكروا اسم الله عليه أم لا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ سموا الله عليه وكلوه ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কিছু সংখ্যক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! বহু লোক আমাদের কাছে গোশত নিয়ে আসে আমরা জানি না, তারা বিসমিল্লাহ পড়ে যবহ করেছিল কিনা? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা এর উপর আল্লাহর নাম লও এবং তা খাও (ওয়াসওয়াসার শিকার হয়ো না)।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কিছু সংখ্যক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! বহু লোক আমাদের কাছে গোশত নিয়ে আসে আমরা জানি না, তারা বিসমিল্লাহ পড়ে যবহ করেছিল কিনা? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা এর উপর আল্লাহর নাম লও এবং তা খাও (ওয়াসওয়াসার শিকার হয়ো না)।

حدثني أحمد بن المقدام العجلي، حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، حدثنا هشام بن عروة،، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن قوما، قالوا يا رسول الله، إن قوما يأتوننا باللحم لا ندري أذكروا اسم الله عليه أم لا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ سموا الله عليه وكلوه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ তারা যখন কোন ব্যবসায়ের সুযোগ বা ক্রীড়া কৌতুক দেখে তখন আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তারা সে দিকে ছুটে যায়। (জুমুআহঃ ১১)

সহিহ বুখারী ২০৫৮

حدثنا طلق بن غنام، حدثنا زائدة، عن حصين، عن سالم، قال حدثني جابر ـ رضى الله عنه ـ قال بينما نحن نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم إذ أقبلت من الشأم عير، تحمل طعاما، فالتفتوا إليها، حتى ما بقي مع النبي صلى الله عليه وسلم إلا اثنا عشر رجلا فنزلت ‏{‏وإذا رأوا تجارة أو لهوا انفضوا إليها‏}

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সলাত আদায় করছিলাম। তখন সিরিয়া হতে একটি ব্যবসায়ী কাফেলা খাদ্য নিয়ে আগমন করল। লোকজন সকলেই সে দিকে চলে গেলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে মাত্র বারোজন থেকে গেলেন। এ প্রসঙ্গে নাযিল হলঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক তখন তারা সে দিকে ছুটে গেল”।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সলাত আদায় করছিলাম। তখন সিরিয়া হতে একটি ব্যবসায়ী কাফেলা খাদ্য নিয়ে আগমন করল। লোকজন সকলেই সে দিকে চলে গেলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে মাত্র বারোজন থেকে গেলেন। এ প্রসঙ্গে নাযিল হলঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক তখন তারা সে দিকে ছুটে গেল”।

حدثنا طلق بن غنام، حدثنا زائدة، عن حصين، عن سالم، قال حدثني جابر ـ رضى الله عنه ـ قال بينما نحن نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم إذ أقبلت من الشأم عير، تحمل طعاما، فالتفتوا إليها، حتى ما بقي مع النبي صلى الله عليه وسلم إلا اثنا عشر رجلا فنزلت ‏{‏وإذا رأوا تجارة أو لهوا انفضوا إليها‏}


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00