সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার এ বাণী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে (ইরশাদ করেছেন): ‎

সহিহ বুখারী ২০৪৭

حدثنا أبو اليمان، حدثنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال إنكم تقولون إن أبا هريرة يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ وتقولون ما بال المهاجرين والأنصار لا يحدثون عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث أبي هريرة وإن إخوتي من المهاجرين كان يشغلهم صفق بالأسواق، وكنت ألزم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني، فأشهد إذا غابوا وأحفظ إذا نسوا، وكان يشغل إخوتي من الأنصار عمل أموالهم، وكنت امرأ مسكينا من مساكين الصفة أعي حين ينسون، وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في حديث يحدثه ‏ "‏ إنه لن يبسط أحد ثوبه حتى أقضي مقالتي هذه، ثم يجمع إليه ثوبه إلا وعى ما أقول ‏"‏‏.‏ فبسطت نمرة على، حتى إذا قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم مقالته جمعتها إلى صدري، فما نسيت من مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم تلك من شىء‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা বলে থাক, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বেশি বেশি হাদীস বর্ণনা করে থাকে এবং আরো বলেন, মুহাজির ও আনসারদের কী হলো যে, তারা তো আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)‌-এর হাদীস বর্ণনা করে না? আমার মুহাজির ভাইয়েরা বাজারে ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত থাকত আর আমি কোন প্রকারে আমার পেটের চাহিদা মিটিয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর দরবারে পড়ে থাকতাম। তাঁরা যখন অনুপস্থিত থাকত তখন আমি উপস্থিত থাকতাম। তাঁরা যা ভুলে যেত আমি তা মুখস্থ করতাম। আর আমার আনসার ভাইয়েরা নিজেদের ক্ষেত-খামারের কাজে ব্যস্ত থাকতেন। আমি ছিলাম সুফ্‌ফার মিসকীনদের একজন মিসকীন। তাঁরা যা ভুলে যেতো, আমি তা মুখস্থ রাখতাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক বর্ণনায় বললেন, আমার এ কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যে কেউ তার কাপড় বিছিয়ে দিবে এবং পরে নিজের শরীরের সাথে তার কাপড় জড়িয়ে নেবে, আমি যা বলছি সে তা স্মরণ রাখতে পারবে। [আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন] আমি আমার গায়ের চাদরখানা বিছিয়ে দিলাম যতক্ষণ না আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কথা শেষ করলেন, পরে আমি তা আমার বুকের সাথে জড়িয়ে ধরলাম। ফলে আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সে কথার কিছুই ভুলে যাইনি।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা বলে থাক, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বেশি বেশি হাদীস বর্ণনা করে থাকে এবং আরো বলেন, মুহাজির ও আনসারদের কী হলো যে, তারা তো আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)‌-এর হাদীস বর্ণনা করে না? আমার মুহাজির ভাইয়েরা বাজারে ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত থাকত আর আমি কোন প্রকারে আমার পেটের চাহিদা মিটিয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর দরবারে পড়ে থাকতাম। তাঁরা যখন অনুপস্থিত থাকত তখন আমি উপস্থিত থাকতাম। তাঁরা যা ভুলে যেত আমি তা মুখস্থ করতাম। আর আমার আনসার ভাইয়েরা নিজেদের ক্ষেত-খামারের কাজে ব্যস্ত থাকতেন। আমি ছিলাম সুফ্‌ফার মিসকীনদের একজন মিসকীন। তাঁরা যা ভুলে যেতো, আমি তা মুখস্থ রাখতাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক বর্ণনায় বললেন, আমার এ কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যে কেউ তার কাপড় বিছিয়ে দিবে এবং পরে নিজের শরীরের সাথে তার কাপড় জড়িয়ে নেবে, আমি যা বলছি সে তা স্মরণ রাখতে পারবে। [আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন] আমি আমার গায়ের চাদরখানা বিছিয়ে দিলাম যতক্ষণ না আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কথা শেষ করলেন, পরে আমি তা আমার বুকের সাথে জড়িয়ে ধরলাম। ফলে আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সে কথার কিছুই ভুলে যাইনি।

حدثنا أبو اليمان، حدثنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال إنكم تقولون إن أبا هريرة يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ وتقولون ما بال المهاجرين والأنصار لا يحدثون عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث أبي هريرة وإن إخوتي من المهاجرين كان يشغلهم صفق بالأسواق، وكنت ألزم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني، فأشهد إذا غابوا وأحفظ إذا نسوا، وكان يشغل إخوتي من الأنصار عمل أموالهم، وكنت امرأ مسكينا من مساكين الصفة أعي حين ينسون، وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في حديث يحدثه ‏ "‏ إنه لن يبسط أحد ثوبه حتى أقضي مقالتي هذه، ثم يجمع إليه ثوبه إلا وعى ما أقول ‏"‏‏.‏ فبسطت نمرة على، حتى إذا قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم مقالته جمعتها إلى صدري، فما نسيت من مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم تلك من شىء‏.‏


সহিহ বুখারী ২০৪৮

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن جده، قال قال عبد الرحمن بن عوف ـ رضى الله عنه ـ لما قدمنا المدينة آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بيني وبين سعد بن الربيع فقال سعد بن الربيع إني أكثر الأنصار مالا، فأقسم لك نصف مالي، وانظر أى زوجتى هويت نزلت لك عنها، فإذا حلت تزوجتها‏.‏ قال فقال عبد الرحمن لا حاجة لي في ذلك، هل من سوق فيه تجارة قال سوق قينقاع‏.‏ قال فغدا إليه عبد الرحمن، فأتى بأقط وسمن ـ قال ـ ثم تابع الغدو، فما لبث أن جاء عبد الرحمن عليه أثر صفرة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تزوجت ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ ومن ‏"‏‏.‏ قال امرأة من الأنصار‏.‏ قال ‏"‏ كم سقت ‏"‏‏.‏ قال زنة نواة من ذهب أو نواة من ذهب‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন মদীনায় আসি, তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার এবং সা‘দ ইবনু রাবী’ (রাঃ) এর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সৃষ্টি করে দেন। পরে সা‘দ ইবনু রাবী’ বললেন, আমি আনসারদের মধ্যে অধিক ধনাঢ্য ছিলাম। আমার অর্ধেক সম্পত্তি তোমাকে বন্টন করে দিচ্ছি এবং আমার উভয় স্ত্রীকে দেখে যাকে তোমার পছন্দ হয়, বল আমি তাকে তোমার জন্য পরিত্যাগ করব। যখন সে (ইদ্দত পূর্ণ করবে) তখন তুমি বিবাহ করবে। আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, এ সবে আমার কোন প্রয়োজন নেই। বরং (আপনি বলুন) ব্যবসা-বানিজ্য করার মতো কোন বাজার আছে কি? তিনি বললেন, কায়নুকার বাজার আছে। পরদিন ‘আবদুর রহমান (রাঃ) সে বাজারে গিয়ে পনীর ও ঘি (খরিদ করে) নিয়ে আসলেন। এরপর ক্রমাগত যাওয়া-আসা করতে থাকেন। কিছুকাল পরে ‘আবদুর রহমান (রাঃ) এর কাপড়ে বিয়ের হলুদ রঙের চিহ্ন দেখা গেল। এরপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি বিবাহ করেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কে? তিনি বললেন, জনৈকা আনসারী মহিলা। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী পরিমাণ মোহর দিয়েছ? ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর।

‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন মদীনায় আসি, তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার এবং সা‘দ ইবনু রাবী’ (রাঃ) এর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সৃষ্টি করে দেন। পরে সা‘দ ইবনু রাবী’ বললেন, আমি আনসারদের মধ্যে অধিক ধনাঢ্য ছিলাম। আমার অর্ধেক সম্পত্তি তোমাকে বন্টন করে দিচ্ছি এবং আমার উভয় স্ত্রীকে দেখে যাকে তোমার পছন্দ হয়, বল আমি তাকে তোমার জন্য পরিত্যাগ করব। যখন সে (ইদ্দত পূর্ণ করবে) তখন তুমি বিবাহ করবে। আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, এ সবে আমার কোন প্রয়োজন নেই। বরং (আপনি বলুন) ব্যবসা-বানিজ্য করার মতো কোন বাজার আছে কি? তিনি বললেন, কায়নুকার বাজার আছে। পরদিন ‘আবদুর রহমান (রাঃ) সে বাজারে গিয়ে পনীর ও ঘি (খরিদ করে) নিয়ে আসলেন। এরপর ক্রমাগত যাওয়া-আসা করতে থাকেন। কিছুকাল পরে ‘আবদুর রহমান (রাঃ) এর কাপড়ে বিয়ের হলুদ রঙের চিহ্ন দেখা গেল। এরপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি বিবাহ করেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কে? তিনি বললেন, জনৈকা আনসারী মহিলা। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী পরিমাণ মোহর দিয়েছ? ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর।

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن جده، قال قال عبد الرحمن بن عوف ـ رضى الله عنه ـ لما قدمنا المدينة آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بيني وبين سعد بن الربيع فقال سعد بن الربيع إني أكثر الأنصار مالا، فأقسم لك نصف مالي، وانظر أى زوجتى هويت نزلت لك عنها، فإذا حلت تزوجتها‏.‏ قال فقال عبد الرحمن لا حاجة لي في ذلك، هل من سوق فيه تجارة قال سوق قينقاع‏.‏ قال فغدا إليه عبد الرحمن، فأتى بأقط وسمن ـ قال ـ ثم تابع الغدو، فما لبث أن جاء عبد الرحمن عليه أثر صفرة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تزوجت ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ ومن ‏"‏‏.‏ قال امرأة من الأنصار‏.‏ قال ‏"‏ كم سقت ‏"‏‏.‏ قال زنة نواة من ذهب أو نواة من ذهب‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২০৪৯

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا حميد، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قدم عبد الرحمن بن عوف المدينة فآخى النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبين سعد بن الربيع الأنصاري، وكان سعد ذا غنى، فقال لعبد الرحمن أقاسمك مالي نصفين، وأزوجك‏.‏ قال بارك الله لك في أهلك ومالك، دلوني على السوق‏.‏ فما رجع حتى استفضل أقطا وسمنا، فأتى به أهل منزله، فمكثنا يسيرا ـ أو ما شاء الله ـ فجاء وعليه وضر من صفرة، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مهيم ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله تزوجت امرأة من الأنصار‏.‏ قال ‏"‏ ما سقت إليها ‏"‏‏.‏ قال نواة من ذهب، أو وزن نواة من ذهب‏.‏ قال ‏"‏ أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) মদীনায় আগমন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও সা‘দ ইবনু রাবী’ আনসারীর মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন করে দেন। সা‘দ (রাঃ) ধনী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ‘আবদুর রহমান (রাঃ)-কে বললেন, আমি তোমার উদ্দেশ্যে আমার সম্পত্তি অর্ধেক অর্ধেক ভাগ করে নিতে চাই এবং তোমাকে বিবাহ করিয়ে দিতে চাই। তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা তোমার পরিবার ও সম্পদে বরকত দান করুন। আমাকে বাজার দেখিয়ে দাও। তিনি বাজার হতে মুনাফা করে নিয়ে আসলেন পনীর ও ঘি। এভাবে কিছুকাল কাটালেন। একদিন তিনি এভাবে আসলেন যে, তাঁর গায়ে বিয়ের হলুদ রঙের চিহ্ন লেগে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি জনৈকা আনসারী মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কী দিয়েছ? তিনি বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেন, একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) মদীনায় আগমন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও সা‘দ ইবনু রাবী’ আনসারীর মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন করে দেন। সা‘দ (রাঃ) ধনী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ‘আবদুর রহমান (রাঃ)-কে বললেন, আমি তোমার উদ্দেশ্যে আমার সম্পত্তি অর্ধেক অর্ধেক ভাগ করে নিতে চাই এবং তোমাকে বিবাহ করিয়ে দিতে চাই। তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা তোমার পরিবার ও সম্পদে বরকত দান করুন। আমাকে বাজার দেখিয়ে দাও। তিনি বাজার হতে মুনাফা করে নিয়ে আসলেন পনীর ও ঘি। এভাবে কিছুকাল কাটালেন। একদিন তিনি এভাবে আসলেন যে, তাঁর গায়ে বিয়ের হলুদ রঙের চিহ্ন লেগে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি জনৈকা আনসারী মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কী দিয়েছ? তিনি বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেন, একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর।

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا حميد، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قدم عبد الرحمن بن عوف المدينة فآخى النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبين سعد بن الربيع الأنصاري، وكان سعد ذا غنى، فقال لعبد الرحمن أقاسمك مالي نصفين، وأزوجك‏.‏ قال بارك الله لك في أهلك ومالك، دلوني على السوق‏.‏ فما رجع حتى استفضل أقطا وسمنا، فأتى به أهل منزله، فمكثنا يسيرا ـ أو ما شاء الله ـ فجاء وعليه وضر من صفرة، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مهيم ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله تزوجت امرأة من الأنصار‏.‏ قال ‏"‏ ما سقت إليها ‏"‏‏.‏ قال نواة من ذهب، أو وزن نواة من ذهب‏.‏ قال ‏"‏ أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২০৫০

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال كانت عكاظ ومجنة وذو المجاز أسواقا في الجاهلية، فلما كان الإسلام فكأنهم تأثموا فيه فنزلت ‏{‏ليس عليكم جناح أن تبتغوا فضلا من ربكم ‏}‏ في مواسم الحج، قرأها ابن عباس‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উকায, মাজিন্না ও যুল-মাজায জাহিলীয়্যাতের যুগে বাজার ছিল। ইসলামের আগমনের পরে লোকেরা ঐ সমস্ত বাজারে যেতে গুনাহ মনে করতে লাগল। ফলে অবতীর্ণ হলঃ “তোমাদের প্রভুর অনুগ্রহ তালাশে তোমাদের কোন গুনাহ নেই”- (আল-বাকারা ১৯৮)। ইবনু আব্বাস (রাঃ) (আয়াতের সঙ্গে) হাজ্জের মওসুমে কথাটুকুও পড়লেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উকায, মাজিন্না ও যুল-মাজায জাহিলীয়্যাতের যুগে বাজার ছিল। ইসলামের আগমনের পরে লোকেরা ঐ সমস্ত বাজারে যেতে গুনাহ মনে করতে লাগল। ফলে অবতীর্ণ হলঃ “তোমাদের প্রভুর অনুগ্রহ তালাশে তোমাদের কোন গুনাহ নেই”- (আল-বাকারা ১৯৮)। ইবনু আব্বাস (রাঃ) (আয়াতের সঙ্গে) হাজ্জের মওসুমে কথাটুকুও পড়লেন।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال كانت عكاظ ومجنة وذو المجاز أسواقا في الجاهلية، فلما كان الإسلام فكأنهم تأثموا فيه فنزلت ‏{‏ليس عليكم جناح أن تبتغوا فضلا من ربكم ‏}‏ في مواسم الحج، قرأها ابن عباس‏.‏


সহিহ বুখারী > হালাল সুস্পষ্ট, হারামও সুস্পষ্ট এবং এ দু‘য়ের মধ্যখানে রয়েছে সন্দেহজনক বিষয়।

সহিহ বুখারী ২০৫১

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، عن الشعبي، سمعت النعمان بن بشير ـ رضى الله عنه ـ سمعت النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا ابن عيينة، عن أبي فروة، عن الشعبي، قال سمعت النعمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن أبي فروة، سمعت الشعبي، سمعت النعمان بن بشير ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي فروة، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الحلال بين، والحرام بين وبينهما أمور مشتبهة، فمن ترك ما شبه عليه من الإثم كان لما استبان أترك، ومن اجترأ على ما يشك فيه من الإثم أوشك أن يواقع ما استبان، والمعاصي حمى الله، من يرتع حول الحمى يوشك أن يواقعه ‏"‏‏.‏

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, উভয়ের মাঝে বহু অস্পষ্ট বিষয় রয়েছে। যে ব্যক্তি গুনাহের সন্দেহযুক্ত কাজ পরিত্যাগ করে, সে ব্যক্তি যে বিষয়ে গুনাহ হওয়া সুস্পষ্ট, সে বিষয়ে অধিকতর পরিত্যাগকারী হবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি গুনাহের সন্দেহযুক্ত কাজ করতে দুঃসাহস করে, সে ব্যক্তির সুস্পষ্ট গুনাহের কাজে পতিত হবার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। গুনাহসমূহ আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা, যে জানোয়ার সংরক্ষিত এলাকার চারপাশে চরতে থাকে, তার ঐ সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, উভয়ের মাঝে বহু অস্পষ্ট বিষয় রয়েছে। যে ব্যক্তি গুনাহের সন্দেহযুক্ত কাজ পরিত্যাগ করে, সে ব্যক্তি যে বিষয়ে গুনাহ হওয়া সুস্পষ্ট, সে বিষয়ে অধিকতর পরিত্যাগকারী হবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি গুনাহের সন্দেহযুক্ত কাজ করতে দুঃসাহস করে, সে ব্যক্তির সুস্পষ্ট গুনাহের কাজে পতিত হবার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। গুনাহসমূহ আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা, যে জানোয়ার সংরক্ষিত এলাকার চারপাশে চরতে থাকে, তার ঐ সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، عن الشعبي، سمعت النعمان بن بشير ـ رضى الله عنه ـ سمعت النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا ابن عيينة، عن أبي فروة، عن الشعبي، قال سمعت النعمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن أبي فروة، سمعت الشعبي، سمعت النعمان بن بشير ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي فروة، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الحلال بين، والحرام بين وبينهما أمور مشتبهة، فمن ترك ما شبه عليه من الإثم كان لما استبان أترك، ومن اجترأ على ما يشك فيه من الإثم أوشك أن يواقع ما استبان، والمعاصي حمى الله، من يرتع حول الحمى يوشك أن يواقعه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মুতাশাবিহাত বা সন্দেহজনক বিষয়সমূহের বিশ্লেষণ।

সহিহ বুখারী ২০৫২

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين، حدثنا عبد الله بن أبي مليكة، عن عقبة بن الحارث ـ رضى الله عنه ـ أن امرأة، سوداء جاءت، فزعمت أنها أرضعتهما، فذكر للنبي فأعرض عنه، وتبسم النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال ‏ "‏ كيف وقد قيل ‏"‏‏.‏ وقد كانت تحته ابنة أبي إهاب التميمي‏.

উকবা ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজন কালো মেয়েলোক এসে দাবী করলো যে, সে তাদের উভয় (উকবা ও তার স্ত্রী)-কে দুধপান করিয়েছে। তিনি এ কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হতে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং মুচকি হেসে বললেন, কিভাবে? অথচ এমনটি বলা হয়ে গেছে। তাঁর স্ত্রী ছিলেন আবূ ইহাব তামীমীর মেয়ে।

উকবা ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজন কালো মেয়েলোক এসে দাবী করলো যে, সে তাদের উভয় (উকবা ও তার স্ত্রী)-কে দুধপান করিয়েছে। তিনি এ কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হতে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং মুচকি হেসে বললেন, কিভাবে? অথচ এমনটি বলা হয়ে গেছে। তাঁর স্ত্রী ছিলেন আবূ ইহাব তামীমীর মেয়ে।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين، حدثنا عبد الله بن أبي مليكة، عن عقبة بن الحارث ـ رضى الله عنه ـ أن امرأة، سوداء جاءت، فزعمت أنها أرضعتهما، فذكر للنبي فأعرض عنه، وتبسم النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال ‏ "‏ كيف وقد قيل ‏"‏‏.‏ وقد كانت تحته ابنة أبي إهاب التميمي‏.


সহিহ বুখারী ২০৫৪

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم ـ رضى الله عنه ـ قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن المعراض فقال ‏"‏ إذا أصاب بحده فكل، وإذا أصاب بعرضه فلا تأكل، فإنه وقيذ ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله أرسل كلبي وأسمي، فأجد معه على الصيد كلبا آخر لم أسم عليه، ولا أدري أيهما أخذ‏.‏ قال ‏"‏ لا تأكل، إنما سميت على كلبك ولم تسم على الآخر ‏"‏‏.‏

আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পার্শ্বফলাবিহীন তীর (দ্বারা শিকার) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, যদি তীরের ধারালো পার্শ্ব আঘাত করে, তবে সে (শিকারকৃত জানোয়ারের গোশত) খাবে, আর যদি এর ধারহীন পার্শ্বের আঘাতে মারা যায়, তবে তা খাবে না। কেননা তা প্রহারের মৃত যবহকৃত নয়। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি বিসমিল্লাহ পড়ে আমার (শিকারী) কুকুর ছেড়ে দিয়ে থাকি। পরে তার সাথে শিকারের কাছে (অনেক সময়) অন্য কুকুর দেখতে পাই যার উপর আমি বিসমিল্লাহ পড়িনি এবং আমি জানি না, উভয়ের মধ্যে কে শিকার ধরেছে। তিনি বললেন, তুমি তা খাবে না। তুমি তো তোমার কুকুরের উপর বিসমিল্লাহ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি।

আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পার্শ্বফলাবিহীন তীর (দ্বারা শিকার) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, যদি তীরের ধারালো পার্শ্ব আঘাত করে, তবে সে (শিকারকৃত জানোয়ারের গোশত) খাবে, আর যদি এর ধারহীন পার্শ্বের আঘাতে মারা যায়, তবে তা খাবে না। কেননা তা প্রহারের মৃত যবহকৃত নয়। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি বিসমিল্লাহ পড়ে আমার (শিকারী) কুকুর ছেড়ে দিয়ে থাকি। পরে তার সাথে শিকারের কাছে (অনেক সময়) অন্য কুকুর দেখতে পাই যার উপর আমি বিসমিল্লাহ পড়িনি এবং আমি জানি না, উভয়ের মধ্যে কে শিকার ধরেছে। তিনি বললেন, তুমি তা খাবে না। তুমি তো তোমার কুকুরের উপর বিসমিল্লাহ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি।

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم ـ رضى الله عنه ـ قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن المعراض فقال ‏"‏ إذا أصاب بحده فكل، وإذا أصاب بعرضه فلا تأكل، فإنه وقيذ ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله أرسل كلبي وأسمي، فأجد معه على الصيد كلبا آخر لم أسم عليه، ولا أدري أيهما أخذ‏.‏ قال ‏"‏ لا تأكل، إنما سميت على كلبك ولم تسم على الآخر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২০৫৩

حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه‏.‏ قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد بن أبي وقاص وقال ابن أخي، قد عهد إلى فيه‏.‏ فقام عبد بن زمعة، فقال أخي، وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فتساوقا إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال سعد يا رسول الله، ابن أخي، كان قد عهد إلى فيه‏.‏ فقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد بن زمعة ‏"‏‏.‏ ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الولد للفراش، وللعاهر الحجر ‏"‏‏.‏ ثم قال لسودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احتجبي منه ‏"‏‏.‏ لما رأى من شبهه بعتبة، فما رآها حتى لقي الله‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উতবা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস তার ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) কে ওয়াসীয়াত করে যান যে, যাম‘আর বাঁদীর গর্ভস্থিত পুত্র আমার ঔরসজাত; তুমি তাকে (ভ্রাতুষ্পুত্র রূপে) তোমার অধীনে নিয়ে আসবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের কালে ঐ ছেলেটিকে সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) নিয়ে নিলেন এবং বললেন, এ আমার ভাইয়ের পুত্র। তিনি আমাকে এর সম্পর্কে ওয়াসীয়াত করে গেছেন। এদিকে যাম‘আর পুত্র ‘আব্‌দ দাবী করে যে, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পুত্র। তার শয্যা সঙ্গিনীর গর্ভে জন্মগ্রহন করেছে। তারপর উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ আমার ভাইয়ের পুত্র, সে এর ব্যাপারে আমাকে ওয়াসীয়াত করে গেছে এবং ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ বললেন, আমার ভাই। আমার পিতার দাসীর পুত্র, তাঁর সঙ্গে শায়িনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ! এ ছেলেটি তোমার প্রাপ্য। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, শয্যা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারী যে, বঞ্চিত সে। এরপর তিনি নবী সহধর্মিনী সাওদা বিনতে যাম‘আ (রাঃ)-কে বললেন, তুমি ঐ ছেলেটি হতে পর্দা করবে। কারণ তিনি ঐ ছেলেটির মধ্যে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পান। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঐ ছেলেটি আর সাওদাহ (রাঃ)-কে দেখেনি।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উতবা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস তার ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) কে ওয়াসীয়াত করে যান যে, যাম‘আর বাঁদীর গর্ভস্থিত পুত্র আমার ঔরসজাত; তুমি তাকে (ভ্রাতুষ্পুত্র রূপে) তোমার অধীনে নিয়ে আসবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের কালে ঐ ছেলেটিকে সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) নিয়ে নিলেন এবং বললেন, এ আমার ভাইয়ের পুত্র। তিনি আমাকে এর সম্পর্কে ওয়াসীয়াত করে গেছেন। এদিকে যাম‘আর পুত্র ‘আব্‌দ দাবী করে যে, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পুত্র। তার শয্যা সঙ্গিনীর গর্ভে জন্মগ্রহন করেছে। তারপর উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ আমার ভাইয়ের পুত্র, সে এর ব্যাপারে আমাকে ওয়াসীয়াত করে গেছে এবং ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ বললেন, আমার ভাই। আমার পিতার দাসীর পুত্র, তাঁর সঙ্গে শায়িনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘আব্‌দ ইবনু যাম‘আ! এ ছেলেটি তোমার প্রাপ্য। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, শয্যা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারী যে, বঞ্চিত সে। এরপর তিনি নবী সহধর্মিনী সাওদা বিনতে যাম‘আ (রাঃ)-কে বললেন, তুমি ঐ ছেলেটি হতে পর্দা করবে। কারণ তিনি ঐ ছেলেটির মধ্যে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পান। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঐ ছেলেটি আর সাওদাহ (রাঃ)-কে দেখেনি।

حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه‏.‏ قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد بن أبي وقاص وقال ابن أخي، قد عهد إلى فيه‏.‏ فقام عبد بن زمعة، فقال أخي، وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فتساوقا إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال سعد يا رسول الله، ابن أخي، كان قد عهد إلى فيه‏.‏ فقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي، ولد على فراشه‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد بن زمعة ‏"‏‏.‏ ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الولد للفراش، وللعاهر الحجر ‏"‏‏.‏ ثم قال لسودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احتجبي منه ‏"‏‏.‏ لما رأى من شبهه بعتبة، فما رآها حتى لقي الله‏.‏


সহিহ বুখারী > সন্দেহজনক বিষয় থেকে বিরত থাকা।

সহিহ বুখারী ২০৫৫

حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن منصور، عن طلحة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بتمرة مسقوطة فقال ‏"‏ لولا أن تكون صدقة لأكلتها ‏"‏‏.‏ وقال همام عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أجد تمرة ساقطة على فراشي ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) পথ অতিক্রমকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পড়ে থাকা একটি খেজুর দেখে বললেন, এটা যদি সদাকার খেজুর বলে সংশয় না থাকতো, তবে আমি তা খেতাম। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে হাম্মাম (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন আমার বিছানায় পড়ে থাকা খেজুর আমি পাই।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) পথ অতিক্রমকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পড়ে থাকা একটি খেজুর দেখে বললেন, এটা যদি সদাকার খেজুর বলে সংশয় না থাকতো, তবে আমি তা খেতাম। আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে হাম্মাম (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন আমার বিছানায় পড়ে থাকা খেজুর আমি পাই।

حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن منصور، عن طلحة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بتمرة مسقوطة فقال ‏"‏ لولا أن تكون صدقة لأكلتها ‏"‏‏.‏ وقال همام عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أجد تمرة ساقطة على فراشي ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00