সহিহ বুখারী > জাহিলিয়্যাতের যুগে ই‘তিকাফ করার নযর মেনে পরে ইসলাম গ্রহণ করা।
সহিহ বুখারী ২০৪৩
حدثنا عبيد بن إسماعيل، حدثنا أبو أسامة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن عمر ـ رضى الله عنه ـ نذر في الجاهلية أن يعتكف في المسجد الحرام ـ قال أراه قال ـ ليلة قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أوف بنذرك ".
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমর (রাঃ) জাহিলিয়্যাতের যুগে মসজিদে হারামে ই‘তিকাফ করার মানত করেছিলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি এক রাতের কথা উল্লেখ করেছিলেন। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ তোমার মানত পুরা কর।
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমর (রাঃ) জাহিলিয়্যাতের যুগে মসজিদে হারামে ই‘তিকাফ করার মানত করেছিলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি এক রাতের কথা উল্লেখ করেছিলেন। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ তোমার মানত পুরা কর।
حدثنا عبيد بن إسماعيل، حدثنا أبو أسامة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن عمر ـ رضى الله عنه ـ نذر في الجاهلية أن يعتكف في المسجد الحرام ـ قال أراه قال ـ ليلة قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أوف بنذرك ".
সহিহ বুখারী > রমযানের মধ্যম দশকে ই‘তিকাফ করা।
সহিহ বুখারী ২০৪৪
حدثنا عبد الله بن أبي شيبة، حدثنا أبو بكر، عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعتكف في كل رمضان عشرة أيام، فلما كان العام الذي قبض فيه اعتكف عشرين يوما.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রমযানে দশ দিনের ই‘তিকাফ করতেন। যে বছর তিনি ইন্তিকাল করেন সে বছর তিনি বিশ দিনের ইতিকাফ করেছিলেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রমযানে দশ দিনের ই‘তিকাফ করতেন। যে বছর তিনি ইন্তিকাল করেন সে বছর তিনি বিশ দিনের ইতিকাফ করেছিলেন।
حدثنا عبد الله بن أبي شيبة، حدثنا أبو بكر، عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعتكف في كل رمضان عشرة أيام، فلما كان العام الذي قبض فيه اعتكف عشرين يوما.
সহিহ বুখারী > ই‘তিকাফ করার সংকল্প করে পরে কোন কারণবশতঃ তা হতে বেরিয়ে যাওয়া।
সহিহ বুখারী ২০৪৫
حدثنا محمد بن مقاتل أبو الحسن، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى بن سعيد، قال حدثتني عمرة بنت عبد الرحمن، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر أن يعتكف العشر الأواخر من رمضان، فاستأذنته عائشة فأذن لها، وسألت حفصة عائشة أن تستأذن لها ففعلت فلما رأت ذلك زينب ابنة جحش أمرت ببناء فبني لها قالت وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا صلى انصرف إلى بنائه فبصر بالأبنية فقال " ما هذا ". قالوا بناء عائشة وحفصة وزينب. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " آلبر أردن بهذا ما أنا بمعتكف ". فرجع، فلما أفطر اعتكف عشرا من شوال.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করার ইচ্ছে প্রকাশ করলে ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর কাছে ই‘তিকাফ করার অনুমতি চাইলে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। এরপর হাফসা (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকট অনুমতি চাইলে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। তা দেখে যায়নাব বিনতু জাহশ (রাঃ) নিজের জন্য তাঁবু লাগানোর নির্দেশ দিলে তা পালন করা হল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করে নিজের তাঁবুতে ফিরে এসে কয়েকটি তাঁবু দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেনঃ এ কী ব্যাপার? লোকেরা বলল, ‘আয়িশা, হাফসা , যায়নাব (রাঃ)- এর তাঁবু। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা কি নেকী পেতে চায়? আমি আর ই‘তিকাফ করবো না। এরপর তিনি ফিরে আসলেন। পরে সাওম শেষ করে শাওয়াল মাসের দশ দিন ই‘তিকাফ করেন।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করার ইচ্ছে প্রকাশ করলে ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর কাছে ই‘তিকাফ করার অনুমতি চাইলে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। এরপর হাফসা (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকট অনুমতি চাইলে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। তা দেখে যায়নাব বিনতু জাহশ (রাঃ) নিজের জন্য তাঁবু লাগানোর নির্দেশ দিলে তা পালন করা হল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করে নিজের তাঁবুতে ফিরে এসে কয়েকটি তাঁবু দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেনঃ এ কী ব্যাপার? লোকেরা বলল, ‘আয়িশা, হাফসা , যায়নাব (রাঃ)- এর তাঁবু। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা কি নেকী পেতে চায়? আমি আর ই‘তিকাফ করবো না। এরপর তিনি ফিরে আসলেন। পরে সাওম শেষ করে শাওয়াল মাসের দশ দিন ই‘তিকাফ করেন।
حدثنا محمد بن مقاتل أبو الحسن، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى بن سعيد، قال حدثتني عمرة بنت عبد الرحمن، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر أن يعتكف العشر الأواخر من رمضان، فاستأذنته عائشة فأذن لها، وسألت حفصة عائشة أن تستأذن لها ففعلت فلما رأت ذلك زينب ابنة جحش أمرت ببناء فبني لها قالت وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا صلى انصرف إلى بنائه فبصر بالأبنية فقال " ما هذا ". قالوا بناء عائشة وحفصة وزينب. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " آلبر أردن بهذا ما أنا بمعتكف ". فرجع، فلما أفطر اعتكف عشرا من شوال.
সহিহ বুখারী > ই‘তিকাফরত ব্যক্তি মাথা ধোয়ার নিমিত্তে তার মাথা ঘরে প্রবেশ করানো।
সহিহ বুখারী ২০৪৬
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أنها كانت ترجل النبي صلى الله عليه وسلم وهي حائض وهو معتكف في المسجد وهى في حجرتها، يناولها رأسه.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ঋতুবতী অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চুল আঁচড়িয়ে দিতেন। ঐ সময়ে তিনি মসজিদে ই‘তিকাফ অবস্থায় থাকতেন আর ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর হুজরায় অবস্থান করতেন। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর দিকে তাঁর মাথা বাড়িয়ে দিতেন।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ঋতুবতী অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চুল আঁচড়িয়ে দিতেন। ঐ সময়ে তিনি মসজিদে ই‘তিকাফ অবস্থায় থাকতেন আর ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর হুজরায় অবস্থান করতেন। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর দিকে তাঁর মাথা বাড়িয়ে দিতেন।
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أنها كانت ترجل النبي صلى الله عليه وسلم وهي حائض وهو معتكف في المسجد وهى في حجرتها، يناولها رأسه.