সহিহ বুখারী > মদীনা অপবিত্র লোকদেরকে বের করে দেয় ।

সহিহ বুখারী ১৮৮৩

حدثنا عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ جاء أعرابي النبي صلى الله عليه وسلم فبايعه على الإسلام، فجاء من الغد محموما، فقال أقلني، فأبى ثلاث مرار، فقال ‏ "‏ المدينة كالكير، تنفي خبثها، وينصع طيبها ‏"‏‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একজন বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এসে ইসলামের উপর তাঁর কাছে বায়‘আত গ্রহণ করলো। পরদিন সে জ্বরাক্রান্ত অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বললো, আমার (বায়‘আত) ফিরিয়ে নিন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা প্রত্যাখ্যান করলেন। এভাবে তিনবার হল। অতঃপর বললেনঃ মদীনা কামারের হাপরের মত, যা তার আবর্জনা ও মরিচাকে দূরীভূত করে এবং খাঁটি ও নির্ভেজালকে পরিচ্ছন্ন করে।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একজন বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এসে ইসলামের উপর তাঁর কাছে বায়‘আত গ্রহণ করলো। পরদিন সে জ্বরাক্রান্ত অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বললো, আমার (বায়‘আত) ফিরিয়ে নিন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা প্রত্যাখ্যান করলেন। এভাবে তিনবার হল। অতঃপর বললেনঃ মদীনা কামারের হাপরের মত, যা তার আবর্জনা ও মরিচাকে দূরীভূত করে এবং খাঁটি ও নির্ভেজালকে পরিচ্ছন্ন করে।

حدثنا عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ جاء أعرابي النبي صلى الله عليه وسلم فبايعه على الإسلام، فجاء من الغد محموما، فقال أقلني، فأبى ثلاث مرار، فقال ‏ "‏ المدينة كالكير، تنفي خبثها، وينصع طيبها ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৮৪

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن عبد الله بن يزيد، قال سمعت زيد بن ثابت ـ رضى الله عنه ـ يقول لما خرج النبي صلى الله عليه وسلم إلى أحد رجع ناس من أصحابه فقالت فرقة نقتلهم‏.‏ وقالت فرقة لا نقتلهم‏.‏ فنزلت ‏{‏فما لكم في المنافقين فئتين‏}‏ وقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها تنفي الرجال كما تنفي

যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে উহুদ যুদ্ধে যাত্রা করে তাঁর কতিপয় সাথী ফিরে আসলে একদল লোক বলতে লাগল, আমরা তাদেরকে হত্যা করব, আর অন্য দলটি বলতে লাগলো, না, আমরা তাদেরকে হত্যা করব না। এ সময়ই (তোমাদের হল কী, তোমরা মুনাফিকদের ব্যাপারে দু’দল হয়ে গেলে?) (আন-নিসাঃ ৮৮) আয়াতটি নাযিল হয়। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মদীনা (বিশেষ কিছু) লোকদেরকে বহিষ্কার করে দেয়, যেমনভাবে আগুন লোহার মরিচাকে দূর করে দেয়।

যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে উহুদ যুদ্ধে যাত্রা করে তাঁর কতিপয় সাথী ফিরে আসলে একদল লোক বলতে লাগল, আমরা তাদেরকে হত্যা করব, আর অন্য দলটি বলতে লাগলো, না, আমরা তাদেরকে হত্যা করব না। এ সময়ই (তোমাদের হল কী, তোমরা মুনাফিকদের ব্যাপারে দু’দল হয়ে গেলে?) (আন-নিসাঃ ৮৮) আয়াতটি নাযিল হয়। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মদীনা (বিশেষ কিছু) লোকদেরকে বহিষ্কার করে দেয়, যেমনভাবে আগুন লোহার মরিচাকে দূর করে দেয়।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن عبد الله بن يزيد، قال سمعت زيد بن ثابت ـ رضى الله عنه ـ يقول لما خرج النبي صلى الله عليه وسلم إلى أحد رجع ناس من أصحابه فقالت فرقة نقتلهم‏.‏ وقالت فرقة لا نقتلهم‏.‏ فنزلت ‏{‏فما لكم في المنافقين فئتين‏}‏ وقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها تنفي الرجال كما تنفي


সহিহ বুখারী > ২৯/১১. অধ্যায়ঃ

সহিহ বুখারী ১৮৮৫

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي، سمعت يونس، عن ابن شهاب، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اللهم اجعل بالمدينة ضعفى ما جعلت بمكة من البركة ‏"‏‏.‏ تابعه عثمان بن عمر عن يونس‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! মক্কাতে তুমি যে বরকত দান করেছ, মদীনাতে এর দ্বিগুণ বরকত দাও। ‘উসমান বিন ‘উমর উক্ত হাদীস ইউনুস থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে জারীরের অনুসরণ করেছেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! মক্কাতে তুমি যে বরকত দান করেছ, মদীনাতে এর দ্বিগুণ বরকত দাও। ‘উসমান বিন ‘উমর উক্ত হাদীস ইউনুস থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে জারীরের অনুসরণ করেছেন।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي، سمعت يونس، عن ابن شهاب، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اللهم اجعل بالمدينة ضعفى ما جعلت بمكة من البركة ‏"‏‏.‏ تابعه عثمان بن عمر عن يونس‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৮৬

حدثنا قتيبة، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن حميد، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا قدم من سفر، فنظر إلى جدرات المدينة أوضع راحلته، وإن كان على دابة، حركها من حبها‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর হতে ফিরে আসার পথে যখন মদীনার প্রাচীরগুলোর দিকে তাকাতেন, তখন তিনি মদীনার প্রতি ভালবাসার কারণে তাঁর উটকে দ্রুত চালাতেন আর তিনি অন্য কোন জন্তুর উপর থাকলে তাকেও দ্রুত চালিত করতেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর হতে ফিরে আসার পথে যখন মদীনার প্রাচীরগুলোর দিকে তাকাতেন, তখন তিনি মদীনার প্রতি ভালবাসার কারণে তাঁর উটকে দ্রুত চালাতেন আর তিনি অন্য কোন জন্তুর উপর থাকলে তাকেও দ্রুত চালিত করতেন।

حدثنا قتيبة، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن حميد، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا قدم من سفر، فنظر إلى جدرات المدينة أوضع راحلته، وإن كان على دابة، حركها من حبها‏.‏


সহিহ বুখারী > মদীনার কোন এলাকা ছেড়ে দেয়া বা জনশূন্য করা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপছন্দ করতেন।

সহিহ বুখারী ১৮৮৭

حدثنا ابن سلام، أخبرنا الفزاري، عن حميد الطويل، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال أراد بنو سلمة أن يتحولوا، إلى قرب المسجد، فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تعرى المدينة، وقال ‏ "‏ يا بني سلمة‏.‏ ألا تحتسبون آثاركم ‏"‏‏.‏ فأقاموا‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বনূ সালামা গোত্রের লোকেরা মসজিদে নববীর নিকটে চলে যাওয়ার সংকল্প করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাকে জনশূন্য করা অপছন্দ করলেন, তাই তিনি বললেন হে বনূ সালামা! মসজিদে নববীর দিকে তোমাদের হাঁটার সওয়াব কি তোমরা হিসাব কর না? এরপর তাঁরা সেখানেই রয়ে গেলেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বনূ সালামা গোত্রের লোকেরা মসজিদে নববীর নিকটে চলে যাওয়ার সংকল্প করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাকে জনশূন্য করা অপছন্দ করলেন, তাই তিনি বললেন হে বনূ সালামা! মসজিদে নববীর দিকে তোমাদের হাঁটার সওয়াব কি তোমরা হিসাব কর না? এরপর তাঁরা সেখানেই রয়ে গেলেন।

حدثنا ابن سلام، أخبرنا الفزاري، عن حميد الطويل، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال أراد بنو سلمة أن يتحولوا، إلى قرب المسجد، فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تعرى المدينة، وقال ‏ "‏ يا بني سلمة‏.‏ ألا تحتسبون آثاركم ‏"‏‏.‏ فأقاموا‏.‏


সহিহ বুখারী > ২৯/১৩. অধ্যায়ঃ

সহিহ বুখারী ১৮৮৮

حدثنا مسدد، عن يحيى، عن عبيد الله بن عمر، قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة، ومنبري على حوضي ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি হল জান্নাতের বাগানের একটি বাগান, আর আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি হল জান্নাতের বাগানের একটি বাগান আর আমার মিম্বরটি হল আমার হাউয (কাউসার)- এর উপর অবস্থিত।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি হল জান্নাতের বাগানের একটি বাগান, আর আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি হল জান্নাতের বাগানের একটি বাগান আর আমার মিম্বরটি হল আমার হাউয (কাউসার)- এর উপর অবস্থিত।

حدثنا مسدد، عن يحيى، عن عبيد الله بن عمر، قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة، ومنبري على حوضي ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৯০

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر ـ رضى الله عنه ـ قال اللهم ارزقني شهادة في سبيلك، واجعل موتي في بلد رسولك صلى الله عليه وسلم‏.‏ وقال ابن زريع عن روح بن القاسم، عن زيد بن أسلم، عن أمه، عن حفصة بنت عمر ـ رضى الله عنهما ـ قالت سمعت عمر، نحوه‏.‏ وقال هشام عن زيد، عن أبيه، عن حفصة، سمعت عمر، رضى الله عنه‏.‏

‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ বলে দু’আ করতেন, হে আল্লাহ্‌! আমাকে তোমার রাস্তায় শাহাদাত লাভের তাওফীক দান কর এবং আমার মৃত্যু তোমার রাসূলের শহরে প্রদান কর। ইব্‌নু যুরাই’ (রহঃ) ..... হাফসা বিনতু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)- কে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি। হিশাম (রহ্‌ঃ) বলেন, যায়দ তাঁর পিতার সূত্রে হাফসা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)- কে (উপরোক্ত কথা) বলতে শুনেছি। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ বুখারী (রহঃ) বলেন, ‘রাওহ তাঁর মায়ের সূত্রে এরূপ বলেছেন।"

‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ বলে দু’আ করতেন, হে আল্লাহ্‌! আমাকে তোমার রাস্তায় শাহাদাত লাভের তাওফীক দান কর এবং আমার মৃত্যু তোমার রাসূলের শহরে প্রদান কর। ইব্‌নু যুরাই’ (রহঃ) ..... হাফসা বিনতু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)- কে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি। হিশাম (রহ্‌ঃ) বলেন, যায়দ তাঁর পিতার সূত্রে হাফসা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)- কে (উপরোক্ত কথা) বলতে শুনেছি। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ বুখারী (রহঃ) বলেন, ‘রাওহ তাঁর মায়ের সূত্রে এরূপ বলেছেন।"

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر ـ رضى الله عنه ـ قال اللهم ارزقني شهادة في سبيلك، واجعل موتي في بلد رسولك صلى الله عليه وسلم‏.‏ وقال ابن زريع عن روح بن القاسم، عن زيد بن أسلم، عن أمه، عن حفصة بنت عمر ـ رضى الله عنهما ـ قالت سمعت عمر، نحوه‏.‏ وقال هشام عن زيد، عن أبيه، عن حفصة، سمعت عمر، رضى الله عنه‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৮৯

حدثنا عبيد بن إسماعيل، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وعك أبو بكر وبلال، فكان أبو بكر إذا أخذته الحمى يقول كل امرئ مصبح في أهله والموت أدنى من شراك نعله وكان بلال إذا أقلع عنه الحمى يرفع عقيرته يقول ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل وهل أردن يوما مياه مجنة وهل يبدون لي شامة وطفيل قال اللهم العن شيبة بن ربيعة، وعتبة بن ربيعة، وأمية بن خلف، كما أخرجونا من أرضنا إلى أرض الوباء ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة أو أشد، اللهم بارك لنا في صاعنا، وفي مدنا، وصححها لنا وانقل حماها إلى الجحفة ‏"‏‏.‏ قالت وقدمنا المدينة، وهى أوبأ أرض الله‏.‏ قالت فكان بطحان يجري نجلا‏.‏ تعني ماء آجنا‏.‏

‘আয়িশা‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় শুভাগমন করলে আবূ বকর (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়লেন। আবূ বকর (রাঃ) জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়লে তিনি এ কবিতাংশটি আবৃত্তি করতেনঃ “প্রত্যেকেই স্বীয় পরিবারের মাঝে দিনাতিপাত করছে, অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতা অপেক্ষা সন্নিকটবর্তী।” আর বিলাল (রাঃ) জ্বর থেকে সেরে উঠলে উচ্চৈঃস্বরে এ কবিতাংশ আবৃত্তি করতেনঃ “হায়, আমি যদি কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে মক্কার প্রান্তরে একটি রাত কাটাতে পারতাম আর আমার চারদিকে থাকত ইযখির এবং জালীল ঘাস। মাজান্না ঝর্ণা পানি পানের সুযোগ কখনো হবে কি? আমার জন্য শামা এবং ত্বফীল পাহাড় প্রকাশিত হবে কি?” আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হে আল্লাহ্‌! তুমি শায়বা ইব্‌নু রাবী’আ, ‘উতবা ইব্‌নু রাবী’আ এবং উমায়্যাহ ইব্‌নু খালফের প্রতি লা’নত বর্ষণ কর; যেমনিভাবে তাঁরা আমাদের মাতৃভূমি হতে বের করে মহামারীর দেশে ঠেলে দিয়েছে। এরপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ্‌! মদীনাকে আমাদের নিকট মক্কার মত বা তার চেয়েও বেশি প্রিয় করে দাও। হে আল্লাহ্‌! আমাদের সা’ ও মুদে বরকত দান কর এবং মদীনাকে আমাদের জন্য স্বাস্থ্যকর বানিয়ে দাও। এর জ্বরের প্রকোপকে বা মহামারীকে জুহফায় স্থানান্তরিত করে দাও। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমরা যখন মদীনা এসেছিলাম তখন তা ছিল আল্লাহ্‌র যমীনে সর্বাপেক্ষা অধিক মহামারীর স্থান। তিনি আর বলেন, সে সময় মদীনায় বুতহান নামক স্থানে একটি ঝর্ণা ছিল যেখানে হতে বর্ণ ও বিকৃত স্বাদের পানি প্রবাহিত হত।

‘আয়িশা‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় শুভাগমন করলে আবূ বকর (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়লেন। আবূ বকর (রাঃ) জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়লে তিনি এ কবিতাংশটি আবৃত্তি করতেনঃ “প্রত্যেকেই স্বীয় পরিবারের মাঝে দিনাতিপাত করছে, অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতা অপেক্ষা সন্নিকটবর্তী।” আর বিলাল (রাঃ) জ্বর থেকে সেরে উঠলে উচ্চৈঃস্বরে এ কবিতাংশ আবৃত্তি করতেনঃ “হায়, আমি যদি কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে মক্কার প্রান্তরে একটি রাত কাটাতে পারতাম আর আমার চারদিকে থাকত ইযখির এবং জালীল ঘাস। মাজান্না ঝর্ণা পানি পানের সুযোগ কখনো হবে কি? আমার জন্য শামা এবং ত্বফীল পাহাড় প্রকাশিত হবে কি?” আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হে আল্লাহ্‌! তুমি শায়বা ইব্‌নু রাবী’আ, ‘উতবা ইব্‌নু রাবী’আ এবং উমায়্যাহ ইব্‌নু খালফের প্রতি লা’নত বর্ষণ কর; যেমনিভাবে তাঁরা আমাদের মাতৃভূমি হতে বের করে মহামারীর দেশে ঠেলে দিয়েছে। এরপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ্‌! মদীনাকে আমাদের নিকট মক্কার মত বা তার চেয়েও বেশি প্রিয় করে দাও। হে আল্লাহ্‌! আমাদের সা’ ও মুদে বরকত দান কর এবং মদীনাকে আমাদের জন্য স্বাস্থ্যকর বানিয়ে দাও। এর জ্বরের প্রকোপকে বা মহামারীকে জুহফায় স্থানান্তরিত করে দাও। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমরা যখন মদীনা এসেছিলাম তখন তা ছিল আল্লাহ্‌র যমীনে সর্বাপেক্ষা অধিক মহামারীর স্থান। তিনি আর বলেন, সে সময় মদীনায় বুতহান নামক স্থানে একটি ঝর্ণা ছিল যেখানে হতে বর্ণ ও বিকৃত স্বাদের পানি প্রবাহিত হত।

حدثنا عبيد بن إسماعيل، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وعك أبو بكر وبلال، فكان أبو بكر إذا أخذته الحمى يقول كل امرئ مصبح في أهله والموت أدنى من شراك نعله وكان بلال إذا أقلع عنه الحمى يرفع عقيرته يقول ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل وهل أردن يوما مياه مجنة وهل يبدون لي شامة وطفيل قال اللهم العن شيبة بن ربيعة، وعتبة بن ربيعة، وأمية بن خلف، كما أخرجونا من أرضنا إلى أرض الوباء ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة أو أشد، اللهم بارك لنا في صاعنا، وفي مدنا، وصححها لنا وانقل حماها إلى الجحفة ‏"‏‏.‏ قالت وقدمنا المدينة، وهى أوبأ أرض الله‏.‏ قالت فكان بطحان يجري نجلا‏.‏ تعني ماء آجنا‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00