সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি সাওয়ারীতে বসে থাকতে অক্ষম, তার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করা ।

সহিহ বুখারী ১৮৫৩

حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، عن ابن شهاب، عن سليمان بن يسار، عن ابن عباس، عن الفضل بن عباس ـ رضى الله عنهم ـ أن امرأة، ح‏.‏

ফাযল ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একজন মহিলা বললেন।

ফাযল ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একজন মহিলা বললেন।

حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، عن ابن شهاب، عن سليمان بن يسار، عن ابن عباس، عن الفضل بن عباس ـ رضى الله عنهم ـ أن امرأة، ح‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৫৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سليمان بن يسار، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال جاءت امرأة من خثعم، عام حجة الوداع، قالت يا رسول الله إن فريضة الله على عباده في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا، لا يستطيع أن يستوي على الراحلة فهل يقضي عنه أن أحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হাজ্জের বছর খাস’আম গোত্রের একজন মহিলা এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর তরফ হতে বান্দার উপর যে হজ্জ ফরয হয়েছে তা আমার বৃদ্ধ পিতার উপর এমন সময় ফর্‌য হয়েছে যখন তিনি সওয়ারীর উপর ঠিকভাবে বসে থাকতে সক্ষম নন। আমি তার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করলে তার হজ্জ আদায় হবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ (নিশ্চয়ই আদায় হবে)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হাজ্জের বছর খাস’আম গোত্রের একজন মহিলা এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর তরফ হতে বান্দার উপর যে হজ্জ ফরয হয়েছে তা আমার বৃদ্ধ পিতার উপর এমন সময় ফর্‌য হয়েছে যখন তিনি সওয়ারীর উপর ঠিকভাবে বসে থাকতে সক্ষম নন। আমি তার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করলে তার হজ্জ আদায় হবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ (নিশ্চয়ই আদায় হবে)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سليمان بن يسار، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال جاءت امرأة من خثعم، عام حجة الوداع، قالت يا رسول الله إن فريضة الله على عباده في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا، لا يستطيع أن يستوي على الراحلة فهل يقضي عنه أن أحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > পুরুষের পক্ষ হতে নারীর হজ্জ আদায় করা।

সহিহ বুখারী ১৮৫৫

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سليمان بن يسار، عن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال كان الفضل رديف النبي صلى الله عليه وسلم فجاءت امرأة من خثعم، فجعل الفضل ينظر إليها، وتنظر إليه فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر، فقالت إن فريضة الله أدركت أبي شيخا كبيرا، لا يثبت على الراحلة، أفأحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏‏.‏ وذلك في حجة الوداع‏.

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফযল (ইব্‌নু ‘আব্বাস) (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সওয়ারীতে তাঁর পেছনে বসা ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস’আম কবিলার এক মহিলা আগমন করলেন। ফযল (রাঃ) মহিলার দিকে তাকাতে লাগলেন এবং মহিলাও তার দিকে তাকাতে লাগলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফযল (রাঃ)- এর মুখটি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে লাগলেন। এ সময় মহিলাটি বললেন, বৃদ্ধ অবস্থায় আমার পিতার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে এমন সময় হজ্জ ফর্‌য হয়েছে, যখন তিনি সওয়ারীর উপর বসে থাকতে পারছেন না। আমি কি তার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করতে পারি? তিনি বললেনঃ হাঁ। এ ছিল বিদায় হজ্জের সময়কার ঘটনা।

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফযল (ইব্‌নু ‘আব্বাস) (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সওয়ারীতে তাঁর পেছনে বসা ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস’আম কবিলার এক মহিলা আগমন করলেন। ফযল (রাঃ) মহিলার দিকে তাকাতে লাগলেন এবং মহিলাও তার দিকে তাকাতে লাগলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফযল (রাঃ)- এর মুখটি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে লাগলেন। এ সময় মহিলাটি বললেন, বৃদ্ধ অবস্থায় আমার পিতার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে এমন সময় হজ্জ ফর্‌য হয়েছে, যখন তিনি সওয়ারীর উপর বসে থাকতে পারছেন না। আমি কি তার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করতে পারি? তিনি বললেনঃ হাঁ। এ ছিল বিদায় হজ্জের সময়কার ঘটনা।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سليمان بن يسار، عن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال كان الفضل رديف النبي صلى الله عليه وسلم فجاءت امرأة من خثعم، فجعل الفضل ينظر إليها، وتنظر إليه فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر، فقالت إن فريضة الله أدركت أبي شيخا كبيرا، لا يثبت على الراحلة، أفأحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏‏.‏ وذلك في حجة الوداع‏.


সহিহ বুখারী > বালকদের হজ্জ পালন করা ।

সহিহ বুখারী ১৮৫৬

حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن عبيد الله بن أبي يزيد، قال سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يقول بعثني ـ أو قدمني ـ النبي صلى الله عليه وسلم في الثقل من جمع بليل‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মালপত্রের সাথে মুযদালিফা হতে রাত্রিকালে প্রেরণ করেছিলেন।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মালপত্রের সাথে মুযদালিফা হতে রাত্রিকালে প্রেরণ করেছিলেন।

حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن عبيد الله بن أبي يزيد، قال سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يقول بعثني ـ أو قدمني ـ النبي صلى الله عليه وسلم في الثقل من جمع بليل‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৫৯

حدثنا عمرو بن زرارة، أخبرنا القاسم بن مالك، عن الجعيد بن عبد الرحمن، قال سمعت عمر بن عبد العزيز، يقول للسائب بن يزيد، وكان قد حج به في ثقل النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

‘উমার ইব্‌নু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সায়িব ইব্‌নু ইয়াযীদ সম্পর্কে বলতেন, সায়িবকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সফর সামগ্রীর কাছে বসিয়ে হজ্জ করানো হয়েছে।

‘উমার ইব্‌নু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সায়িব ইব্‌নু ইয়াযীদ সম্পর্কে বলতেন, সায়িবকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সফর সামগ্রীর কাছে বসিয়ে হজ্জ করানো হয়েছে।

حدثنا عمرو بن زرارة، أخبرنا القاسم بن مالك، عن الجعيد بن عبد الرحمن، قال سمعت عمر بن عبد العزيز، يقول للسائب بن يزيد، وكان قد حج به في ثقل النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৫৮

حدثنا عبد الرحمن بن يونس، حدثنا حاتم بن إسماعيل، عن محمد بن يوسف، عن السائب بن يزيد، قال حج بي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ابن سبع سنين‏.‏

সায়িব ইব্‌নু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার সাত বছর বয়সে আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে হজ্জ করানো হয়েছে।

সায়িব ইব্‌নু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার সাত বছর বয়সে আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে হজ্জ করানো হয়েছে।

حدثنا عبد الرحمن بن يونس، حدثنا حاتم بن إسماعيل، عن محمد بن يوسف، عن السائب بن يزيد، قال حج بي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ابن سبع سنين‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৫৭

حدثنا إسحاق، أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، أن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال أقبلت وقد ناهزت الحلم، أسير على أتان لي، ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يصلي بمنى، حتى سرت بين يدى بعض الصف الأول، ثم نزلت عنها فرتعت، فصففت مع الناس وراء رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ وقال يونس عن ابن شهاب بمنى في حجة الوداع‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার গাধীর পিঠে আরোহণ করে (মিনায়) আগমন করলাম। তখন আমি সাবালক হওয়ার নিকটবর্তী ছিলাম। ঐ সময়ে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করছিলেন। আমি চলতে চলতে প্রথম কাতারের কিছু অংশ অতিক্রম করে চলে যাই। এরপর সওয়ারী হতে নিচে অবতরণ করি। গাধীটি চরে খেতে লাগল। আর আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পেছনে লোকদের সাথে কাতারে শামিল হয়ে যাই। ইউনুস (রহঃ) ইব্‌নু শিহাব (রহঃ) সূত্রে তাঁর বর্ণনায় “মিনা” শব্দের পর “বিদায় হাজ্জের সময়” কথাটি বর্ণনা করেছেন।

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার গাধীর পিঠে আরোহণ করে (মিনায়) আগমন করলাম। তখন আমি সাবালক হওয়ার নিকটবর্তী ছিলাম। ঐ সময়ে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করছিলেন। আমি চলতে চলতে প্রথম কাতারের কিছু অংশ অতিক্রম করে চলে যাই। এরপর সওয়ারী হতে নিচে অবতরণ করি। গাধীটি চরে খেতে লাগল। আর আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পেছনে লোকদের সাথে কাতারে শামিল হয়ে যাই। ইউনুস (রহঃ) ইব্‌নু শিহাব (রহঃ) সূত্রে তাঁর বর্ণনায় “মিনা” শব্দের পর “বিদায় হাজ্জের সময়” কথাটি বর্ণনা করেছেন।

حدثنا إسحاق، أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، أن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال أقبلت وقد ناهزت الحلم، أسير على أتان لي، ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يصلي بمنى، حتى سرت بين يدى بعض الصف الأول، ثم نزلت عنها فرتعت، فصففت مع الناس وراء رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ وقال يونس عن ابن شهاب بمنى في حجة الوداع‏.‏


সহিহ বুখারী > মহিলাদের হজ্জ ।

সহিহ বুখারী ১৮৬০

وقال لي أحمد بن محمد حدثنا إبراهيم، عن أبيه، عن جده، أذن عمر ـ رضى الله عنه ـ لأزواج النبي صلى الله عليه وسلم في آخر حجة حجها، فبعث معهن عثمان بن عفان وعبد الرحمن بن عوف‏.‏

‘আবদুর রহমান ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে বছর ‘উমার (রাঃ) শেষবারের মত হজ্জ আদায় করেন সে বছর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সকল স্ত্রীকে হজ্জ আদায় করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তাঁদের সাথে ‘উসমান ইব্‌নু ‘আফফান (রাঃ) এবং ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ)- কে প্রেরণ করেছিলেন।

‘আবদুর রহমান ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে বছর ‘উমার (রাঃ) শেষবারের মত হজ্জ আদায় করেন সে বছর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সকল স্ত্রীকে হজ্জ আদায় করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তাঁদের সাথে ‘উসমান ইব্‌নু ‘আফফান (রাঃ) এবং ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ)- কে প্রেরণ করেছিলেন।

وقال لي أحمد بن محمد حدثنا إبراهيم، عن أبيه، عن جده، أذن عمر ـ رضى الله عنه ـ لأزواج النبي صلى الله عليه وسلم في آخر حجة حجها، فبعث معهن عثمان بن عفان وعبد الرحمن بن عوف‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৬১

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد، حدثنا حبيب بن أبي عمرة، قال حدثتنا عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين ـ رضى الله عنها ـ قالت قلت يا رسول الله ألا نغزوا ونجاهد معكم فقال ‏ "‏ لكن أحسن الجهاد وأجمله الحج، حج مبرور ‏"‏‏.‏ فقالت عائشة فلا أدع الحج بعد إذ سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনাদের সঙ্গে যুদ্ধ ও জিহাদে অংশগ্রহণ করব না? তিনি বললেন, তোমাদের জন্য উত্তম ও উৎকৃষ্ট জিহাদ হল হজ্জ, মাকবূল হজ্জ। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ কথা শোনার পর আমি আর কখনো হজ্জ ছাড়ব না।

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনাদের সঙ্গে যুদ্ধ ও জিহাদে অংশগ্রহণ করব না? তিনি বললেন, তোমাদের জন্য উত্তম ও উৎকৃষ্ট জিহাদ হল হজ্জ, মাকবূল হজ্জ। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ কথা শোনার পর আমি আর কখনো হজ্জ ছাড়ব না।

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد، حدثنا حبيب بن أبي عمرة، قال حدثتنا عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين ـ رضى الله عنها ـ قالت قلت يا رسول الله ألا نغزوا ونجاهد معكم فقال ‏ "‏ لكن أحسن الجهاد وأجمله الحج، حج مبرور ‏"‏‏.‏ فقالت عائشة فلا أدع الحج بعد إذ سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৬২

حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو، عن أبي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تسافر المرأة إلا مع ذي محرم، ولا يدخل عليها رجل إلا ومعها محرم ‏"‏‏.‏ فقال رجل يا رسول الله إني أريد أن أخرج في جيش كذا وكذا، وامرأتي تريد الحج‏.‏ فقال ‏"‏ اخرج معها ‏"‏‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ মেয়েরা মাহরাম (যার সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ) ব্যতীত অন্য কারো সাথে সফর করবে না। মাহরাম কাছে নেই এমতাবস্থায় কোন পুরুষ কোন মহিলার নিকট গমন করতে পারবে না। এ সময় এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি অমুক অমুক সেনাদলের সাথে জিহাদ করার জন্য যেতে চাচ্ছি। কিন্তু আমার স্ত্রী হজ্জ করতে যেতে চাচ্ছে। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার সাথেই যাও।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ মেয়েরা মাহরাম (যার সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ) ব্যতীত অন্য কারো সাথে সফর করবে না। মাহরাম কাছে নেই এমতাবস্থায় কোন পুরুষ কোন মহিলার নিকট গমন করতে পারবে না। এ সময় এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি অমুক অমুক সেনাদলের সাথে জিহাদ করার জন্য যেতে চাচ্ছি। কিন্তু আমার স্ত্রী হজ্জ করতে যেতে চাচ্ছে। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার সাথেই যাও।

حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو، عن أبي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تسافر المرأة إلا مع ذي محرم، ولا يدخل عليها رجل إلا ومعها محرم ‏"‏‏.‏ فقال رجل يا رسول الله إني أريد أن أخرج في جيش كذا وكذا، وامرأتي تريد الحج‏.‏ فقال ‏"‏ اخرج معها ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮৬৩

حدثنا عبدان، أخبرنا يزيد بن زريع، أخبرنا حبيب المعلم، عن عطاء، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال لما رجع النبي صلى الله عليه وسلم من حجته قال لأم سنان الأنصارية ‏"‏ ما منعك من الحج ‏"‏‏.‏ قالت أبو فلان ـ تعني زوجها ـ كان له ناضحان، حج على أحدهما، والآخر يسقي أرضا لنا‏.‏ قال ‏"‏ فإن عمرة في رمضان تقضي حجة معي ‏"‏‏.‏ رواه ابن جريج عن عطاء سمعت ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জ হতে ফিরে এসে উম্মে সিনান (রাঃ) নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ হজ্জ আদায় করাতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তিনি বললেন, অমুকের আব্বা অর্থাৎ তাঁর স্বামী, কারণ পানি টানার জন্য আমাদের মাত্র দু’টি উট আছে। একটিতে সাওয়ার হয়ে তিনি হজ্জ আদায় করতে গিয়েছেন। আর অন্যটি আমাদের জমিতে পানি সিঞ্চনের কাজ করছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রমাযান মাসে একটি ‘উমরাহ আদায় করা একটি ফারয্‌ হজ্জ আদায় করার সমান অথবা বলেছেনঃ আমার সাথে একটি হজ্জ আদায় করার সমান। এ হাদীসটি ইব্‌নু জুরাইজ ‘আতা থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ)- কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। আর ওবাইদুল্লাহ ইব্‌নু আবদুল কারীম থেকে তিনি ‘আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জ হতে ফিরে এসে উম্মে সিনান (রাঃ) নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ হজ্জ আদায় করাতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তিনি বললেন, অমুকের আব্বা অর্থাৎ তাঁর স্বামী, কারণ পানি টানার জন্য আমাদের মাত্র দু’টি উট আছে। একটিতে সাওয়ার হয়ে তিনি হজ্জ আদায় করতে গিয়েছেন। আর অন্যটি আমাদের জমিতে পানি সিঞ্চনের কাজ করছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রমাযান মাসে একটি ‘উমরাহ আদায় করা একটি ফারয্‌ হজ্জ আদায় করার সমান অথবা বলেছেনঃ আমার সাথে একটি হজ্জ আদায় করার সমান। এ হাদীসটি ইব্‌নু জুরাইজ ‘আতা থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ)- কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। আর ওবাইদুল্লাহ ইব্‌নু আবদুল কারীম থেকে তিনি ‘আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

حدثنا عبدان، أخبرنا يزيد بن زريع، أخبرنا حبيب المعلم، عن عطاء، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال لما رجع النبي صلى الله عليه وسلم من حجته قال لأم سنان الأنصارية ‏"‏ ما منعك من الحج ‏"‏‏.‏ قالت أبو فلان ـ تعني زوجها ـ كان له ناضحان، حج على أحدهما، والآخر يسقي أرضا لنا‏.‏ قال ‏"‏ فإن عمرة في رمضان تقضي حجة معي ‏"‏‏.‏ رواه ابن جريج عن عطاء سمعت ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.


সহিহ বুখারী ১৮৬৪

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن قزعة، مولى زياد قال سمعت أبا سعيد ـ وقد غزا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثنتى عشرة ـ غزوة ـ قال أربع سمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم أو قال يحدثهن عن النبي صلى الله عليه وسلم ـ فأعجبنني وآنقنني ‏ "‏ أن لا تسافر امرأة مسيرة يومين ليس معها زوجها أو ذو محرم، ولا صوم يومين الفطر والأضحى، ولا صلاة بعد صلاتين بعد العصر حتى تغرب الشمس، وبعد الصبح حتى تطلع الشمس، ولا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد مسجد الحرام، ومسجدي، ومسجد الأقصى ‏"‏‏.‏

যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা‘আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)- কে যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি (অথবা) তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়গুলো আমাকে আশ্চর্যান্বিত করে দিয়েছে এবং চমৎকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই), স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্‌র এবং ‘ঈদুল আযহা- এ দুই দিন কেউ সওম পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় পর্যন্ত কেউ কোন সলাত আদায় করবে না। আর মাসজিদে হারম (কা‘বা), আমার মাসজিদ (মাসজিদে নাববী) এবং মাসজিদে আকসা (বাইতুল মাকদিস)- এ তিন মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মাসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে না।

যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা‘আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)- কে যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি (অথবা) তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়গুলো আমাকে আশ্চর্যান্বিত করে দিয়েছে এবং চমৎকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই), স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্‌র এবং ‘ঈদুল আযহা- এ দুই দিন কেউ সওম পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় পর্যন্ত কেউ কোন সলাত আদায় করবে না। আর মাসজিদে হারম (কা‘বা), আমার মাসজিদ (মাসজিদে নাববী) এবং মাসজিদে আকসা (বাইতুল মাকদিস)- এ তিন মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মাসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে না।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن قزعة، مولى زياد قال سمعت أبا سعيد ـ وقد غزا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثنتى عشرة ـ غزوة ـ قال أربع سمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم أو قال يحدثهن عن النبي صلى الله عليه وسلم ـ فأعجبنني وآنقنني ‏ "‏ أن لا تسافر امرأة مسيرة يومين ليس معها زوجها أو ذو محرم، ولا صوم يومين الفطر والأضحى، ولا صلاة بعد صلاتين بعد العصر حتى تغرب الشمس، وبعد الصبح حتى تطلع الشمس، ولا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد مسجد الحرام، ومسجدي، ومسجد الأقصى ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00