সহিহ বুখারী > ‘উমরাহ্‌ আদায়কারী ব্যক্তি যদি পথে আটকে পড়েন।

সহিহ বুখারী ১৮০৮

حدثني موسى بن إسماعيل، حدثنا جويرية، عن نافع، أن بعض بني عبد الله، قال له لو أقمت‏.‏ بهذا‏.‏

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) -এর কোন এক ছেলে তাঁর পিতাকে বললেন, যদি আপনি এ বছর বাড়িতে অবস্থান করতেন (তাহলে আপনার জন্য কতই না কল্যাণকর হত)!

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) -এর কোন এক ছেলে তাঁর পিতাকে বললেন, যদি আপনি এ বছর বাড়িতে অবস্থান করতেন (তাহলে আপনার জন্য কতই না কল্যাণকর হত)!

حدثني موسى بن إسماعيل، حدثنا جويرية، عن نافع، أن بعض بني عبد الله، قال له لو أقمت‏.‏ بهذا‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮০৯

حدثنا محمد، قال حدثنا يحيى بن صالح، حدثنا معاوية بن سلام، حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن عكرمة، قال قال ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قد أحصر رسول الله صلى الله عليه وسلم فحلق رأسه وجامع نساءه، ونحر هديه، حتى اعتمر عاما قابلا‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হুদাইবিয়াতে) বাধাপ্রাপ্ত হন। তাই তিনি মাথা কামিয়ে নেন। স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হন এবং প্রেরিত জানোয়ার কুরবাণী করেন। অবশেষে পরবর্তী বছর ‘উমরাহ্‌ আদায় করেন।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হুদাইবিয়াতে) বাধাপ্রাপ্ত হন। তাই তিনি মাথা কামিয়ে নেন। স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হন এবং প্রেরিত জানোয়ার কুরবাণী করেন। অবশেষে পরবর্তী বছর ‘উমরাহ্‌ আদায় করেন।

حدثنا محمد، قال حدثنا يحيى بن صالح، حدثنا معاوية بن سلام، حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن عكرمة، قال قال ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قد أحصر رسول الله صلى الله عليه وسلم فحلق رأسه وجامع نساءه، ونحر هديه، حتى اعتمر عاما قابلا‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮০৬

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة قال إن صددت عن البيت صنعت كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأهل بعمرة، من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أهل بعمرة عام الحديبية‏.‏

নাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাঙ্গামা চলাকালে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) ‘উমরাহ্‌’র নিয়্যাত করে মক্কায় রওয়ানা হবার পর বললেন, বাইতুল্লাহ্‌র পথে বাধাগ্রস্ত হলে, তাই করব যা করেছিলাম আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে। তাই তিনি ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বাঁধলেন। কেননা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও হুদাইবিয়ার বছর ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বেঁধেছিলেন।

নাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাঙ্গামা চলাকালে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) ‘উমরাহ্‌’র নিয়্যাত করে মক্কায় রওয়ানা হবার পর বললেন, বাইতুল্লাহ্‌র পথে বাধাগ্রস্ত হলে, তাই করব যা করেছিলাম আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে। তাই তিনি ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বাঁধলেন। কেননা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও হুদাইবিয়ার বছর ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বেঁধেছিলেন।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة قال إن صددت عن البيت صنعت كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأهل بعمرة، من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أهل بعمرة عام الحديبية‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮০৭

حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء، حدثنا جويرية، عن نافع، أن عبيد الله بن عبد الله، وسالم بن عبد الله، أخبراه أنهما، كلما عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ ليالي نزل الجيش بابن الزبير فقالا لا يضرك أن لا تحج العام، وإنا نخاف أن يحال بينك وبين البيت‏.‏ فقال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فحال كفار قريش دون البيت، فنحر النبي صلى الله عليه وسلم هديه، وحلق رأسه، وأشهدكم أني قد أوجبت العمرة، إن شاء الله أنطلق، فإن خلي بيني وبين البيت طفت، وإن حيل بيني وبينه فعلت كما فعل النبي صلى الله عليه وسلم وأنا معه‏.‏ فأهل بالعمرة من ذي الحليفة، ثم سار ساعة، ثم قال ‏ "‏ إنما شأنهما واحد، أشهدكم أني قد أوجبت حجة مع عمرتي ‏"‏‏.‏ فلم يحل منهما حتى حل يوم النحر، وأهدى، وكان يقول لا يحل حتى يطوف طوافا واحدا يوم يدخل مكة‏.‏

নাফি‘ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উবায়দুল্লাহ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ ও সালিম ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) উভয়ই তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন, যে বছর হাজ্জাজ (ইব্‌নু ইউসুফ) বাহিনী ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) -এর বিরুদ্ধে অভিযান চালায়, সে সময়ে তাঁরা উভয়ে কয়েকদিন পর্যন্ত ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে বুঝালেন। তাঁরা বললেন, এ বছর হজ্জ না করলে আপনার কোন ক্ষতি হবে না। আমরা আশঙ্কা করছি, আপনার ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। তিনি বললেন, আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে রওয়ানা হয়েছিলাম। কিন্তু বাইতুল্লাহ্‌র পথে কাফির কুরাইশরা আমাদের বাধা হয়ে দাঁড়াল। তাই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবাণীর পশু যবেহ করে মাথা মুড়িয়ে নিয়েছিলেন। এখন আমি তোমাদের সাক্ষি রেখে বলছি, আমি আমার নিজের জন্যে ‘উমরাহ্‌ ওয়াজিব করে নিয়েছি। আল্লাহ্‌ চাহেন তো আমি এখন রওয়ানা হয়ে যাব। যদি আমার এবং বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা না আসে তাহলে আমি তাওয়াফ করে নিব। কিন্তু যদি আমার ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা সৃষ্টি করা হয় তাহলে আমি তখনই সেরূপ করব যেরূপ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন আর আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর তিনি যুল-হুলাইফা হতে ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বেঁধে কিছুক্ষণ চললেন, এরপরে বললেন, হজ্জ এবং ‘উমরাহ্‌’র ব্যাপার তো একই। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, নিশ্চয়ই আমি আমার ‘উমরাহ্‌’র সাথে হজ্জও নিজের জন্যে ওয়াজিব করে নিলাম। তাই তিনি হজ্জ ও ‘উমরাহ্‌ কোনটি হতেই হালাল হননি। অবশেষে কুরবাণীর দিন কুরবাণী করলেন এবং হালাল হলেন। তিনি বলতেন, আমরা হালাল হব না যতক্ষণ পর্যন্ত না মক্কায় প্রবেশ করে একটি তাওয়াফ করে নিই।

নাফি‘ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উবায়দুল্লাহ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ ও সালিম ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) উভয়ই তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন, যে বছর হাজ্জাজ (ইব্‌নু ইউসুফ) বাহিনী ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) -এর বিরুদ্ধে অভিযান চালায়, সে সময়ে তাঁরা উভয়ে কয়েকদিন পর্যন্ত ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে বুঝালেন। তাঁরা বললেন, এ বছর হজ্জ না করলে আপনার কোন ক্ষতি হবে না। আমরা আশঙ্কা করছি, আপনার ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। তিনি বললেন, আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে রওয়ানা হয়েছিলাম। কিন্তু বাইতুল্লাহ্‌র পথে কাফির কুরাইশরা আমাদের বাধা হয়ে দাঁড়াল। তাই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবাণীর পশু যবেহ করে মাথা মুড়িয়ে নিয়েছিলেন। এখন আমি তোমাদের সাক্ষি রেখে বলছি, আমি আমার নিজের জন্যে ‘উমরাহ্‌ ওয়াজিব করে নিয়েছি। আল্লাহ্‌ চাহেন তো আমি এখন রওয়ানা হয়ে যাব। যদি আমার এবং বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা না আসে তাহলে আমি তাওয়াফ করে নিব। কিন্তু যদি আমার ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা সৃষ্টি করা হয় তাহলে আমি তখনই সেরূপ করব যেরূপ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন আর আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর তিনি যুল-হুলাইফা হতে ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বেঁধে কিছুক্ষণ চললেন, এরপরে বললেন, হজ্জ এবং ‘উমরাহ্‌’র ব্যাপার তো একই। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, নিশ্চয়ই আমি আমার ‘উমরাহ্‌’র সাথে হজ্জও নিজের জন্যে ওয়াজিব করে নিলাম। তাই তিনি হজ্জ ও ‘উমরাহ্‌ কোনটি হতেই হালাল হননি। অবশেষে কুরবাণীর দিন কুরবাণী করলেন এবং হালাল হলেন। তিনি বলতেন, আমরা হালাল হব না যতক্ষণ পর্যন্ত না মক্কায় প্রবেশ করে একটি তাওয়াফ করে নিই।

حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء، حدثنا جويرية، عن نافع، أن عبيد الله بن عبد الله، وسالم بن عبد الله، أخبراه أنهما، كلما عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ ليالي نزل الجيش بابن الزبير فقالا لا يضرك أن لا تحج العام، وإنا نخاف أن يحال بينك وبين البيت‏.‏ فقال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فحال كفار قريش دون البيت، فنحر النبي صلى الله عليه وسلم هديه، وحلق رأسه، وأشهدكم أني قد أوجبت العمرة، إن شاء الله أنطلق، فإن خلي بيني وبين البيت طفت، وإن حيل بيني وبينه فعلت كما فعل النبي صلى الله عليه وسلم وأنا معه‏.‏ فأهل بالعمرة من ذي الحليفة، ثم سار ساعة، ثم قال ‏ "‏ إنما شأنهما واحد، أشهدكم أني قد أوجبت حجة مع عمرتي ‏"‏‏.‏ فلم يحل منهما حتى حل يوم النحر، وأهدى، وكان يقول لا يحل حتى يطوف طوافا واحدا يوم يدخل مكة‏.‏


সহিহ বুখারী > হজ্জে বাধাগ্রস্ত হওয়া।

সহিহ বুখারী ১৮১০

حدثنا أحمد بن محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، قال أخبرني سالم، قال كان ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول أليس حسبكم سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، إن حبس أحدكم عن الحج طاف بالبيت وبالصفا والمروة، ثم حل من كل شىء، حتى يحج عاما قابلا، فيهدي أو يصوم، إن لم يجد هديا‏.‏ وعن عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثني سالم، عن ابن عمر، نحوه‏.‏

সালিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বলতেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সুন্নাতই কি তোমাদের পক্ষে যথেষ্ট নয়? তোমাদের কেউ যদি হজ্জ আদায় করতে বাধাগ্রস্ত হয় সে যেন (‘উমরাহ্‌’র জন্য) বাইতুল্লাহ্‌র ও সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ করে সমস্ত কিছু হতে হালাল হয়ে যায়। অবশেষে পরবর্তী বৎসর হজ্জ আদায় করে নেয়। তখন সে কুরবাণী করবে আর কুরবাণী দিতে যদি না পারে তবে সিয়াম পালন করবে। ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ)....ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

সালিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বলতেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সুন্নাতই কি তোমাদের পক্ষে যথেষ্ট নয়? তোমাদের কেউ যদি হজ্জ আদায় করতে বাধাগ্রস্ত হয় সে যেন (‘উমরাহ্‌’র জন্য) বাইতুল্লাহ্‌র ও সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ করে সমস্ত কিছু হতে হালাল হয়ে যায়। অবশেষে পরবর্তী বৎসর হজ্জ আদায় করে নেয়। তখন সে কুরবাণী করবে আর কুরবাণী দিতে যদি না পারে তবে সিয়াম পালন করবে। ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ)....ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

حدثنا أحمد بن محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، قال أخبرني سالم، قال كان ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول أليس حسبكم سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، إن حبس أحدكم عن الحج طاف بالبيت وبالصفا والمروة، ثم حل من كل شىء، حتى يحج عاما قابلا، فيهدي أو يصوم، إن لم يجد هديا‏.‏ وعن عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثني سالم، عن ابن عمر، نحوه‏.‏


সহিহ বুখারী > বাধাপ্রাপ্ত হলে মাথা মুণ্ডনের পূর্বে কুরবাণী করা।

সহিহ বুখারী ১৮১১

حدثنا محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن المسور ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحر قبل أن يحلق، وأمر أصحابه بذلك‏.‏

মিসওয়ার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা কামানোর আগেই কুরবাণী করেন এবং সাহাবাদের অনুরূপ করার নির্দেশ দেন।

মিসওয়ার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা কামানোর আগেই কুরবাণী করেন এবং সাহাবাদের অনুরূপ করার নির্দেশ দেন।

حدثنا محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن المسور ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحر قبل أن يحلق، وأمر أصحابه بذلك‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮১২

حدثنا محمد بن عبد الرحيم، أخبرنا أبو بدر، شجاع بن الوليد عن عمر بن محمد العمري، قال وحدث نافع، أن عبد الله، وسالما، كلما عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ فقال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم معتمرين، فحال كفار قريش دون البيت، فنحر رسول الله صلى الله عليه وسلم بدنه، وحلق رأسه‏.‏

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্‌ এবং সালিম (রহঃ) উভয়েই ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ‘উমরাহ্‌’র নিয়ত করে আমরা রওয়ানা হলে যখন কুরায়শের কাফিররা বাইতুল্লাহ্‌র অনতিদূরে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উট কুরবাণী করেন ও মাথা কামিয়ে ফেলেন।

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্‌ এবং সালিম (রহঃ) উভয়েই ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ‘উমরাহ্‌’র নিয়ত করে আমরা রওয়ানা হলে যখন কুরায়শের কাফিররা বাইতুল্লাহ্‌র অনতিদূরে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উট কুরবাণী করেন ও মাথা কামিয়ে ফেলেন।

حدثنا محمد بن عبد الرحيم، أخبرنا أبو بدر، شجاع بن الوليد عن عمر بن محمد العمري، قال وحدث نافع، أن عبد الله، وسالما، كلما عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ فقال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم معتمرين، فحال كفار قريش دون البيت، فنحر رسول الله صلى الله عليه وسلم بدنه، وحلق رأسه‏.‏


সহিহ বুখারী > যারা বলেন, বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তির উপর কাযা আবশ্যক নয়।

সহিহ বুখারী ১৮১৩

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة، من أجل أن النبي صلى الله عليه وسلم كان أهل بعمرة عام الحديبية، ثم إن عبد الله بن عمر نظر في أمره فقال ما أمرهما إلا واحد‏.‏ فالتفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد، أشهدكم أني قد أوجبت الحج مع العمرة، ثم طاف لهما طوافا واحدا، ورأى أن ذلك مجزيا عنه، وأهدى‏.

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(মক্কা মুকার্‌রামায়) গোলযোগ চলাকালে ‘উমরাহ্‌’র নিয়ত করে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) যখন মক্কার দিকে রওয়ানা হলেন, তখন বললেন, বাইতুল্লাহ্‌ হতে যদি আমি বাধাপ্রাপ্ত হই তাহলে তাই করব যা করেছিলাম আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে। তাই তিনি ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বাঁধলেন। কারণ, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও হুদাইবিয়ার বছর ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বেঁধেছিলেন। অতঃপর ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) নিজের ব্যাপারে ভেবে চিন্তে বললেন, উভয়টিই (হজ্জ ও ‘উমরা) এক রকম। এরপর তিনি তাঁর সাথীদের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, উভয়টি তো একই রকম। আমি তোমাদের সাক্ষী করে বলছি, আমি আমার উপর ‘উমরাহ্‌’র সাথে হজ্জকে ওয়াজিব করে নিলাম। তিনি উভয়টির জন্য একই তাওয়াফ করলেন এবং এটাই তাঁর পক্ষ হতে যথেষ্ট মনে করেন, আর তিনি কুরবাণীর পশু সঙ্গে নিয়েছিলেন।

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(মক্কা মুকার্‌রামায়) গোলযোগ চলাকালে ‘উমরাহ্‌’র নিয়ত করে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) যখন মক্কার দিকে রওয়ানা হলেন, তখন বললেন, বাইতুল্লাহ্‌ হতে যদি আমি বাধাপ্রাপ্ত হই তাহলে তাই করব যা করেছিলাম আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে। তাই তিনি ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বাঁধলেন। কারণ, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও হুদাইবিয়ার বছর ‘উমরাহ্‌’র ইহরাম বেঁধেছিলেন। অতঃপর ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) নিজের ব্যাপারে ভেবে চিন্তে বললেন, উভয়টিই (হজ্জ ও ‘উমরা) এক রকম। এরপর তিনি তাঁর সাথীদের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, উভয়টি তো একই রকম। আমি তোমাদের সাক্ষী করে বলছি, আমি আমার উপর ‘উমরাহ্‌’র সাথে হজ্জকে ওয়াজিব করে নিলাম। তিনি উভয়টির জন্য একই তাওয়াফ করলেন এবং এটাই তাঁর পক্ষ হতে যথেষ্ট মনে করেন, আর তিনি কুরবাণীর পশু সঙ্গে নিয়েছিলেন।

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة، من أجل أن النبي صلى الله عليه وسلم كان أهل بعمرة عام الحديبية، ثم إن عبد الله بن عمر نظر في أمره فقال ما أمرهما إلا واحد‏.‏ فالتفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد، أشهدكم أني قد أوجبت الحج مع العمرة، ثم طاف لهما طوافا واحدا، ورأى أن ذلك مجزيا عنه، وأهدى‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00