সহিহ বুখারী > ‘উমরা আদায়কারী কখন হালাল হবে (ইহ্‌রাম খুলবে)?

সহিহ বুখারী ১৭৯২

See previous Hadith

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

প্রশ্নকারী তাঁকে বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদীজা (রাঃ) সম্বন্ধে কী বলেছেন? তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাদীজাকে বেহেশতের মাঝে মতি দিয়ে তৈরী এমন একটি ঘরের সুসংবাদ দাও যেখানে কোন শোরগোল থাকবে না এবং কোন প্রকার কষ্ট ক্লেশও থাকবে না।

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

প্রশ্নকারী তাঁকে বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদীজা (রাঃ) সম্বন্ধে কী বলেছেন? তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাদীজাকে বেহেশতের মাঝে মতি দিয়ে তৈরী এমন একটি ঘরের সুসংবাদ দাও যেখানে কোন শোরগোল থাকবে না এবং কোন প্রকার কষ্ট ক্লেশও থাকবে না।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৭৯৪

See previous Hadith

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(রাবী) ‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) বলেছেন, জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) -কেও আমরা জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেছেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ তার স্ত্রীর নিকট কিছুতেই যাবে না।

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(রাবী) ‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) বলেছেন, জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) -কেও আমরা জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেছেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ তার স্ত্রীর নিকট কিছুতেই যাবে না।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৭৯১

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، عن جرير، عن إسماعيل، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم واعتمرنا معه فلما دخل مكة طاف وطفنا معه، وأتى الصفا والمروة وأتيناها معه، وكنا نستره من أهل مكة أن يرميه أحد‏.‏ فقال له صاحب لي أكان دخل الكعبة قال لا‏.‏ قال فحدثنا ما، قال لخديجة‏.‏ قال ‏ "‏ بشروا خديجة ببيت في الجنة من قصب لا صخب فيه ولا نصب ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরা করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে ‘উমরা করলাম। তিনি মক্কায় প্রবেশ করে তাওয়াফ করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে তাওয়াফ করলাম। এরপর তিনি সাফা-মারওয়ায় সা‘য়ী করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে সা‘য়ী করলাম। আর আমরা তাঁকে মক্কাবাসীদের হতে লুকিয়ে রাখছিলাম যাতে কোন মুশরিক তাঁর প্রতি কোন কিছু নিক্ষেপ করতে না পারে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার এক সাথী তাঁকে বললেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা‘বা শরীফে প্রবেশ করেছিলেন? তিনি বললেন, না।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরা করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে ‘উমরা করলাম। তিনি মক্কায় প্রবেশ করে তাওয়াফ করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে তাওয়াফ করলাম। এরপর তিনি সাফা-মারওয়ায় সা‘য়ী করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে সা‘য়ী করলাম। আর আমরা তাঁকে মক্কাবাসীদের হতে লুকিয়ে রাখছিলাম যাতে কোন মুশরিক তাঁর প্রতি কোন কিছু নিক্ষেপ করতে না পারে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার এক সাথী তাঁকে বললেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা‘বা শরীফে প্রবেশ করেছিলেন? তিনি বললেন, না।

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، عن جرير، عن إسماعيل، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم واعتمرنا معه فلما دخل مكة طاف وطفنا معه، وأتى الصفا والمروة وأتيناها معه، وكنا نستره من أهل مكة أن يرميه أحد‏.‏ فقال له صاحب لي أكان دخل الكعبة قال لا‏.‏ قال فحدثنا ما، قال لخديجة‏.‏ قال ‏ "‏ بشروا خديجة ببيت في الجنة من قصب لا صخب فيه ولا نصب ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৯৩

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن رجل، طاف بالبيت في عمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة سبعا، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ قال وسألنا جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমরা’র মাঝে বাইতুল্লাহ্‌র তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়াহ্‌র তাওয়াফ না করে যে স্ত্রীর নিকট গমন করে, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) এসে বায়তুল্লাহ’র সাতবার তাওয়াফ করে মাকামে ইব্‌রাহীমের পাশে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর সাতবার সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করেছেন। “আর তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ তো রয়েছে আল্লাহ্‌র রাসূলের মাঝেই”- (আল-আহযাব : ২১)।

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমরা’র মাঝে বাইতুল্লাহ্‌র তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়াহ্‌র তাওয়াফ না করে যে স্ত্রীর নিকট গমন করে, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) এসে বায়তুল্লাহ’র সাতবার তাওয়াফ করে মাকামে ইব্‌রাহীমের পাশে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর সাতবার সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করেছেন। “আর তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ তো রয়েছে আল্লাহ্‌র রাসূলের মাঝেই”- (আল-আহযাব : ২১)।

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن رجل، طاف بالبيت في عمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة سبعا، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ قال وسألنا جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.


সহিহ বুখারী ১৭৯৫

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن أبي موسى الأشعري ـ رضى الله عنه ـ قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بالبطحاء وهو منيخ فقال ‏"‏ أحججت ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ بما أهللت ‏"‏‏.‏ قلت لبيك بإهلال كإهلال النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أحسنت‏.‏ طف بالبيت وبالصفا والمروة ثم أحل ‏"‏‏.‏ فطفت بالبيت، وبالصفا والمروة، ثم أتيت امرأة من قيس، ففلت رأسي، ثم أهللت بالحج‏.‏ فكنت أفتي به، حتى كان في خلافة عمر فقال إن أخذنا بكتاب الله فإنه يأمرنا بالتمام، وإن أخذنا بقول النبي صلى الله عليه وسلم فإنه لم يحل حتى يبلغ الهدى محله‏.‏

আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার বাতহায় অবতরণ করলে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি হজ্জ করেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কিসের ইহ্‌রাম বেঁধেছিলে? আমি বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইহরামের মত আমিও ইহরামের তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেনঃ ভাল করেছ। এখন বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে হালাল হয়ে যাও। অতঃপর আমি বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে কায়স গোত্রের এক মহিলার কাছে গেলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম এবং ‘উমর (রাঃ) -এর খিলাফত পর্যন্ত আমি এভাবেই ফাতাওয়া দিতে থাকি। ‘উমর (রাঃ) বললেন, যদি আমরা আল্লাহ্‌র কিতাব গ্রহণ করি সেটা তো আমাদের পূর্ণ করার নির্দেশ দেয়। আর যদি আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণী গ্রহণ করি তাহলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশু তার স্থানে পৌঁছার (যবহ করার) পূর্ব পর্যন্ত হালাল হননি।

আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার বাতহায় অবতরণ করলে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি হজ্জ করেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কিসের ইহ্‌রাম বেঁধেছিলে? আমি বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইহরামের মত আমিও ইহরামের তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেনঃ ভাল করেছ। এখন বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে হালাল হয়ে যাও। অতঃপর আমি বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে কায়স গোত্রের এক মহিলার কাছে গেলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম এবং ‘উমর (রাঃ) -এর খিলাফত পর্যন্ত আমি এভাবেই ফাতাওয়া দিতে থাকি। ‘উমর (রাঃ) বললেন, যদি আমরা আল্লাহ্‌র কিতাব গ্রহণ করি সেটা তো আমাদের পূর্ণ করার নির্দেশ দেয়। আর যদি আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণী গ্রহণ করি তাহলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশু তার স্থানে পৌঁছার (যবহ করার) পূর্ব পর্যন্ত হালাল হননি।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن أبي موسى الأشعري ـ رضى الله عنه ـ قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بالبطحاء وهو منيخ فقال ‏"‏ أحججت ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ بما أهللت ‏"‏‏.‏ قلت لبيك بإهلال كإهلال النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أحسنت‏.‏ طف بالبيت وبالصفا والمروة ثم أحل ‏"‏‏.‏ فطفت بالبيت، وبالصفا والمروة، ثم أتيت امرأة من قيس، ففلت رأسي، ثم أهللت بالحج‏.‏ فكنت أفتي به، حتى كان في خلافة عمر فقال إن أخذنا بكتاب الله فإنه يأمرنا بالتمام، وإن أخذنا بقول النبي صلى الله عليه وسلم فإنه لم يحل حتى يبلغ الهدى محله‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৯৬

حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرنا عمرو، عن أبي الأسود، أن عبد الله، مولى أسماء بنت أبي بكر حدثه أنه، كان يسمع أسماء تقول كلما مرت بالحجون صلى الله على محمد لقد نزلنا معه ها هنا، ونحن يومئذ خفاف، قليل ظهرنا، قليلة أزوادنا، فاعتمرت أنا وأختي عائشة والزبير وفلان وفلان، فلما مسحنا البيت أحللنا، ثم أهللنا من العشي بالحج‏.‏

আবুল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) -এর কন্যা আসমা (রাঃ) -এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, যখনই আসমা (রাঃ) হাজ্জূন এলাকা দিয়ে গমন করতেন তখনই তাঁকে বলতে শুনেছেন আল্লাহ্‌ তাঁর রসূলের প্রতি রহমত নাযিল করুন, এ স্থানে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে অবতরণ করেছিলাম। তখন আমাদের বোঝা ছিল খুব অল্প, যানবাহন ছিল একেবারে নগণ্য এবং সম্বল ছিল খুবই কম। আমি, আমার বোন ‘আয়িশা (রাঃ), যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরা আদায় করলাম। তারপর বায়তুল্লাহ্‌র তাওয়াফ করে আমরা সকলেই হালাল হয়ে গেলাম এবং সন্ধ্যাকালে হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম।

আবুল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) -এর কন্যা আসমা (রাঃ) -এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, যখনই আসমা (রাঃ) হাজ্জূন এলাকা দিয়ে গমন করতেন তখনই তাঁকে বলতে শুনেছেন আল্লাহ্‌ তাঁর রসূলের প্রতি রহমত নাযিল করুন, এ স্থানে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে অবতরণ করেছিলাম। তখন আমাদের বোঝা ছিল খুব অল্প, যানবাহন ছিল একেবারে নগণ্য এবং সম্বল ছিল খুবই কম। আমি, আমার বোন ‘আয়িশা (রাঃ), যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরা আদায় করলাম। তারপর বায়তুল্লাহ্‌র তাওয়াফ করে আমরা সকলেই হালাল হয়ে গেলাম এবং সন্ধ্যাকালে হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম।

حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرنا عمرو، عن أبي الأسود، أن عبد الله، مولى أسماء بنت أبي بكر حدثه أنه، كان يسمع أسماء تقول كلما مرت بالحجون صلى الله على محمد لقد نزلنا معه ها هنا، ونحن يومئذ خفاف، قليل ظهرنا، قليلة أزوادنا، فاعتمرت أنا وأختي عائشة والزبير وفلان وفلان، فلما مسحنا البيت أحللنا، ثم أهللنا من العشي بالحج‏.‏


সহিহ বুখারী > হজ্জ, ‘উমরা ও যুদ্ধ হতে ফিরার পরে কি বলবে?

সহিহ বুখারী ১৭৯৭

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات، ثم يقول ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، آيبون تائبون عابدون ساجدون لربنا حامدون، صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই কোন যুদ্ধ, বা হজ্জ অথবা ‘উমরা হতে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনি প্রত্যেক উঁচু ভূমিতে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং পরে বলতেনঃ অর্থাৎ “আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী ও তাওবাহ্‌কারী, ‘ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর উদ্দেশ্যে সাজদাহ্‌কারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ্‌ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, স্বীয় বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল শত্রুদলকে পরাজিত করেছেন”।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই কোন যুদ্ধ, বা হজ্জ অথবা ‘উমরা হতে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনি প্রত্যেক উঁচু ভূমিতে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং পরে বলতেনঃ অর্থাৎ “আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী ও তাওবাহ্‌কারী, ‘ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর উদ্দেশ্যে সাজদাহ্‌কারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ্‌ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, স্বীয় বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল শত্রুদলকে পরাজিত করেছেন”।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات، ثم يقول ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، آيبون تائبون عابدون ساجدون لربنا حامدون، صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আগমনকারী হাজীদেরকে স্বাগত জানানো এবং এমতাবস্থায় এক সওয়ারীতে তিন জন আরোহণ করা।

সহিহ বুখারী ১৭৯৮

حدثنا معلى بن أسد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة استقبلته أغيلمة بني عبد المطلب، فحمل واحدا بين يديه وآخر خلفه‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় এলে ‘আবদুল মুত্তালিব গোত্রীয় কয়েকজন তরুণ তাঁকে স্বাগত জানায়। তিনি একজনকে তাঁর সাওয়ারীর সামনে ও অন্যজনকে পেছনে তুলে নেন।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় এলে ‘আবদুল মুত্তালিব গোত্রীয় কয়েকজন তরুণ তাঁকে স্বাগত জানায়। তিনি একজনকে তাঁর সাওয়ারীর সামনে ও অন্যজনকে পেছনে তুলে নেন।

حدثنا معلى بن أسد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة استقبلته أغيلمة بني عبد المطلب، فحمل واحدا بين يديه وآخر خلفه‏.‏


সহিহ বুখারী > সকাল বেলা বাড়িতে আগমন।

সহিহ বুখারী ১৭৯৯

حدثنا أحمد بن الحجاج، حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا خرج إلى مكة يصلي في مسجد الشجرة، وإذا رجع صلى بذي الحليفة ببطن الوادي وبات حتى يصبح‏.‏

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ‘মসজিদে শাজারাতে’ সালাত আদায় করতেন। আর যখন ফিরতেন, যুল-হুলাইফার বাতনুল-ওয়াদীতে সালাত আদায় করতেন এবং এখানে সকাল পর্যন্ত রাত যাপন করতেন।

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ‘মসজিদে শাজারাতে’ সালাত আদায় করতেন। আর যখন ফিরতেন, যুল-হুলাইফার বাতনুল-ওয়াদীতে সালাত আদায় করতেন এবং এখানে সকাল পর্যন্ত রাত যাপন করতেন।

حدثنا أحمد بن الحجاج، حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا خرج إلى مكة يصلي في مسجد الشجرة، وإذا رجع صلى بذي الحليفة ببطن الوادي وبات حتى يصبح‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00