সহিহ বুখারী > ‘উমরা আদায়কারী ‘উমরা’র তাওয়াফ করেই রওয়ানা হলে, তা কি তার জন্য বিদায়ী তাওয়াফের বদলে যথেষ্ট হবে?

সহিহ বুখারী ১৭৮৮

حدثنا أبو نعيم، حدثنا أفلح بن حميد، عن القاسم، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت خرجنا مهلين بالحج في أشهر الحج، وحرم الحج، فنزلنا سرف، فقال النبي صلى الله عليه وسلم لأصحابه ‏"‏ من لم يكن معه هدى، فأحب أن يجعلها عمرة، فليفعل ومن كان معه هدى فلا ‏"‏‏.‏ وكان مع النبي صلى الله عليه وسلم ورجال من أصحابه ذوي قوة الهدى، فلم تكن لهم عمرة، فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم وأنا أبكي فقال ‏"‏ ما يبكيك ‏"‏‏.‏ قلت سمعتك تقول لأصحابك ما قلت فمنعت العمرة‏.‏ قال ‏"‏ وما شأنك ‏"‏‏.‏ قلت لا أصلي‏.‏ قال ‏"‏ فلا يضرك أنت من بنات آدم، كتب عليك ما كتب عليهن، فكوني في حجتك عسى الله أن يرزقكها ‏"‏‏.‏ قالت فكنت حتى نفرنا من منى، فنزلنا المحصب فدعا عبد الرحمن، فقال ‏"‏ اخرج بأختك الحرم، فلتهل بعمرة، ثم افرغا من طوافكما، أنتظركما ها هنا ‏"‏‏.‏ فأتينا في جوف الليل‏.‏ فقال ‏"‏ فرغتما ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ فنادى بالرحيل في أصحابه، فارتحل الناس، ومن طاف بالبيت، قبل صلاة الصبح، ثم خرج موجها إلى المدينة‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে হজ্জের ইহ্‌রাম বেঁধে বের হলাম, হজ্জের মাসে এবং হজ্জের কার্যাদি পালনের উদ্দেশ্যে। যখন সারিফ নামক স্থানে অবতরণ করলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবাগণকে বললেনঃ যার সাথে কুরবানীর জানোয়ার নেই এবং সে এই ইহরামকে ‘উমরায় পরিণত করতে চায়, সে যেন তা করে নেয় (অর্থাৎ ‘উমরা করে হালাল হয়)। আর যার সাথে কুরবানীর জানোয়ার আছে সে এরূপ করবে না (অর্থাৎ হালাল হতে পারবে না)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর কয়েকজন সমর্থ সাহাবীর নিকট কুরবানীর জানোয়ার ছিল তাঁদের হজ্জ ‘উমরায় পরিণত হল না। [‘আয়িশা (রাঃ) বললেন] আমি কাঁদছিলাম, এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তোমাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? আমি বললাম, আপনি আপনার সাহাবীগণকে যা বলেছেন, আমি তা শুনেছি। আমি তো ‘উমরা হতে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে গেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার কী অবস্থা? আমি বললাম, আমি তো সালাত আদায় করছি না (ঋতুবতী অবস্থায়)। তিনি বললেনঃ এতে তোমার ক্ষতি হবে না। তুমি তো আদম কন্যাদেরই একজন। তাদের অদৃষ্টে যা লেখা ছিল তোমার জন্যেও তা লিখিত হয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার হজ্জ আদায় কর। সম্ভবতঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাকে ‘উমরাও দান করবেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি এ অবস্থায়ই থেকে গেলাম এবং পরে মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করে মুহাস্‌সাবে অবতরণ করলাম। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান [‘আয়িশা (রাঃ) -এর সহোদর ভাই] (রাঃ) -কে ডেকে বললেনঃ তুমি তোমার বোনকে হারামের বাইরে নিয়ে যাও। সেখান হতে যেন সে ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধে। অতঃপর তোমরা তাওয়াফ করে নিবে। আমি তোমাদের জন্য এখানে অপেক্ষা করব। আমরা মধ্যরাতে এলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা কি তাওয়াফ সমাধা করেছ? আমি বললাম, হাঁ। এ সময় তিনি সাহাবীগণকে রওয়ানা হওয়ার ঘোষণা দিলেন। তাই লোকজন এবং যাঁরা ফজরের পূর্বে তাওয়াফ করেছিলেন তাঁরা রওয়ানা হলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ অভিমুখে রওয়ানা হলেন।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে হজ্জের ইহ্‌রাম বেঁধে বের হলাম, হজ্জের মাসে এবং হজ্জের কার্যাদি পালনের উদ্দেশ্যে। যখন সারিফ নামক স্থানে অবতরণ করলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবাগণকে বললেনঃ যার সাথে কুরবানীর জানোয়ার নেই এবং সে এই ইহরামকে ‘উমরায় পরিণত করতে চায়, সে যেন তা করে নেয় (অর্থাৎ ‘উমরা করে হালাল হয়)। আর যার সাথে কুরবানীর জানোয়ার আছে সে এরূপ করবে না (অর্থাৎ হালাল হতে পারবে না)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর কয়েকজন সমর্থ সাহাবীর নিকট কুরবানীর জানোয়ার ছিল তাঁদের হজ্জ ‘উমরায় পরিণত হল না। [‘আয়িশা (রাঃ) বললেন] আমি কাঁদছিলাম, এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তোমাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? আমি বললাম, আপনি আপনার সাহাবীগণকে যা বলেছেন, আমি তা শুনেছি। আমি তো ‘উমরা হতে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে গেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার কী অবস্থা? আমি বললাম, আমি তো সালাত আদায় করছি না (ঋতুবতী অবস্থায়)। তিনি বললেনঃ এতে তোমার ক্ষতি হবে না। তুমি তো আদম কন্যাদেরই একজন। তাদের অদৃষ্টে যা লেখা ছিল তোমার জন্যেও তা লিখিত হয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার হজ্জ আদায় কর। সম্ভবতঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাকে ‘উমরাও দান করবেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি এ অবস্থায়ই থেকে গেলাম এবং পরে মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করে মুহাস্‌সাবে অবতরণ করলাম। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান [‘আয়িশা (রাঃ) -এর সহোদর ভাই] (রাঃ) -কে ডেকে বললেনঃ তুমি তোমার বোনকে হারামের বাইরে নিয়ে যাও। সেখান হতে যেন সে ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধে। অতঃপর তোমরা তাওয়াফ করে নিবে। আমি তোমাদের জন্য এখানে অপেক্ষা করব। আমরা মধ্যরাতে এলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা কি তাওয়াফ সমাধা করেছ? আমি বললাম, হাঁ। এ সময় তিনি সাহাবীগণকে রওয়ানা হওয়ার ঘোষণা দিলেন। তাই লোকজন এবং যাঁরা ফজরের পূর্বে তাওয়াফ করেছিলেন তাঁরা রওয়ানা হলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ অভিমুখে রওয়ানা হলেন।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا أفلح بن حميد، عن القاسم، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت خرجنا مهلين بالحج في أشهر الحج، وحرم الحج، فنزلنا سرف، فقال النبي صلى الله عليه وسلم لأصحابه ‏"‏ من لم يكن معه هدى، فأحب أن يجعلها عمرة، فليفعل ومن كان معه هدى فلا ‏"‏‏.‏ وكان مع النبي صلى الله عليه وسلم ورجال من أصحابه ذوي قوة الهدى، فلم تكن لهم عمرة، فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم وأنا أبكي فقال ‏"‏ ما يبكيك ‏"‏‏.‏ قلت سمعتك تقول لأصحابك ما قلت فمنعت العمرة‏.‏ قال ‏"‏ وما شأنك ‏"‏‏.‏ قلت لا أصلي‏.‏ قال ‏"‏ فلا يضرك أنت من بنات آدم، كتب عليك ما كتب عليهن، فكوني في حجتك عسى الله أن يرزقكها ‏"‏‏.‏ قالت فكنت حتى نفرنا من منى، فنزلنا المحصب فدعا عبد الرحمن، فقال ‏"‏ اخرج بأختك الحرم، فلتهل بعمرة، ثم افرغا من طوافكما، أنتظركما ها هنا ‏"‏‏.‏ فأتينا في جوف الليل‏.‏ فقال ‏"‏ فرغتما ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ فنادى بالرحيل في أصحابه، فارتحل الناس، ومن طاف بالبيت، قبل صلاة الصبح، ثم خرج موجها إلى المدينة‏.‏


সহিহ বুখারী > হজ্জে যে সকল কাজ করতে হয় ‘উমরাতেও তাই করবে।

সহিহ বুখারী ১৭৮৯

حدثنا أبو نعيم، حدثنا همام، حدثنا عطاء، قال حدثني صفوان بن يعلى بن أمية يعني، عن أبيه، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم وهو بالجعرانة وعليه جبة وعليه أثر الخلوق أو قال صفرة فقال كيف تأمرني أن أصنع في عمرتي فأنزل الله على النبي صلى الله عليه وسلم، فستر بثوب ووددت أني قد رأيت النبي صلى الله عليه وسلم وقد أنزل عليه الوحى‏.‏ فقال عمر تعال أيسرك أن تنظر إلى النبي صلى الله عليه وسلم وقد أنزل الله الوحى قلت نعم‏.‏ فرفع طرف الثوب، فنظرت إليه له غطيط وأحسبه قال كغطيط البكر‏.‏ فلما سري عنه قال ‏ "‏ أين السائل عن العمرة اخلع عنك الجبة واغسل أثر الخلوق عنك، وأنق الصفرة، واصنع في عمرتك كما تصنع في حجك ‏"‏‏.

ই‘য়ালা ইব্‌নু উমায়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জি‘রানাতে ছিলেন। এ সময় জুব্বা পরিহিত এক ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেন, আপনি ‘উমরাতে আমাকে কী কাজ করার নির্দেশ দেন? লোকটির জুব্বাতে খালূক বা হলদে রঙের দাগ ছিল। এ সময় আল্লাহ্‌ তা‘আলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর ওয়াহী নাযিল করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কাপড় দিয়ে আচ্ছাদিত করে দেয়া হল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ) -কে বললাম, আল্লাহ্‌ তাঁর নবীর প্রতি ওয়াহী নাযিল করছেন, এমতাবস্থায় আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখতে চাই। ‘উমর (রাঃ) বললেন, এসো, আল্লাহ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর প্রতি ওয়াহী নাযিল করছেন, এমতাবস্থায় তুমি কি তাঁকে দেখতে আগ্রহী? আমি বললাম, হাঁ। অতঃপর ‘উমর (রাঃ) কাপড়ের একটি কোণ উঁচু করে ধরলেন। আমি তাঁর দিকে নজর করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওয়াজ করছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছিলেন, উটের আওয়াজের মত আওয়াজ। এ অবস্থা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে দূরীভূত হলে তিনি বললেনঃ ‘উমরা সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার হতে জুব্বাটি খুলে ফেল, খালূকের চিহ্ন ধুয়ে ফেল এবং হলদে রঙ পরিষ্কার করে নাও। আর তোমার হজ্জে যা করেছ ‘উমরাতে তুমি তা-ই করবে।

ই‘য়ালা ইব্‌নু উমায়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জি‘রানাতে ছিলেন। এ সময় জুব্বা পরিহিত এক ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেন, আপনি ‘উমরাতে আমাকে কী কাজ করার নির্দেশ দেন? লোকটির জুব্বাতে খালূক বা হলদে রঙের দাগ ছিল। এ সময় আল্লাহ্‌ তা‘আলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর ওয়াহী নাযিল করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কাপড় দিয়ে আচ্ছাদিত করে দেয়া হল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ) -কে বললাম, আল্লাহ্‌ তাঁর নবীর প্রতি ওয়াহী নাযিল করছেন, এমতাবস্থায় আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখতে চাই। ‘উমর (রাঃ) বললেন, এসো, আল্লাহ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর প্রতি ওয়াহী নাযিল করছেন, এমতাবস্থায় তুমি কি তাঁকে দেখতে আগ্রহী? আমি বললাম, হাঁ। অতঃপর ‘উমর (রাঃ) কাপড়ের একটি কোণ উঁচু করে ধরলেন। আমি তাঁর দিকে নজর করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওয়াজ করছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছিলেন, উটের আওয়াজের মত আওয়াজ। এ অবস্থা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে দূরীভূত হলে তিনি বললেনঃ ‘উমরা সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার হতে জুব্বাটি খুলে ফেল, খালূকের চিহ্ন ধুয়ে ফেল এবং হলদে রঙ পরিষ্কার করে নাও। আর তোমার হজ্জে যা করেছ ‘উমরাতে তুমি তা-ই করবে।

حدثنا أبو نعيم، حدثنا همام، حدثنا عطاء، قال حدثني صفوان بن يعلى بن أمية يعني، عن أبيه، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم وهو بالجعرانة وعليه جبة وعليه أثر الخلوق أو قال صفرة فقال كيف تأمرني أن أصنع في عمرتي فأنزل الله على النبي صلى الله عليه وسلم، فستر بثوب ووددت أني قد رأيت النبي صلى الله عليه وسلم وقد أنزل عليه الوحى‏.‏ فقال عمر تعال أيسرك أن تنظر إلى النبي صلى الله عليه وسلم وقد أنزل الله الوحى قلت نعم‏.‏ فرفع طرف الثوب، فنظرت إليه له غطيط وأحسبه قال كغطيط البكر‏.‏ فلما سري عنه قال ‏ "‏ أين السائل عن العمرة اخلع عنك الجبة واغسل أثر الخلوق عنك، وأنق الصفرة، واصنع في عمرتك كما تصنع في حجك ‏"‏‏.


সহিহ বুখারী ১৭৯০

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، أنه قال قلت لعائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم وأنا يومئذ حديث السن أرأيت قول الله تبارك وتعالى ‏{‏إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما‏}‏ فلا أرى على أحد شيئا أن لا يطوف بهما‏.‏ فقالت عائشة كلا، لو كانت كما تقول كانت فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما‏.‏ إنما أنزلت هذه الآية في الأنصار كانوا يهلون لمناة، وكانت مناة حذو قديد، وكانوا يتحرجون أن يطوفوا بين الصفا والمروة، فلما جاء الإسلام سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك، فأنزل الله تعالى ‏{‏إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما‏}‏‏.‏ زاد سفيان وأبو معاوية عن هشام ما أتم الله حج امرئ ولا عمرته لم يطف بين الصفا والمروة‏.‏

‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বাল্যকালে একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্‌র বাণীঃ “সাফা ও মারওয়াহ্‌ আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কা‘বা গৃহের হজ্জ কিংবা ‘উমরা সম্পন্ন করে এ দু’টির মধ্যে সা‘য়ী করতে চায়, তার কোন গুনাহ্‌ নেই”- (আল-বাকারা : ১৫৮)। তাই সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী না করা আমি কারো পক্ষে অপরাধ মনে করি না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিষয়টি এমন নয়। কেননা, তুমি যেমন বলছ, ব্যাপারটি তেমন হলে আয়াতটি অবশ্যই এমন হতঃ “সাফা ও মারওয়াহ্‌ আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কা‘বা গৃহের হজ্জ কিংবা ‘উমরা সম্পন্ন করে এ দু’টির মধ্যে সা‘য়ী করে, তার কোন পাপ নেই”- (আল-বাকারা : ১৫৮)। অর্থাৎ এ দু’টির মাঝে তাওয়াফ করলে কোন পাপ নেই। এ আয়াত তো আনসারদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কেননা তারা মানাতের জন্য ইহ্‌রাম বাঁধত। আর মানাত কুদায়দের সামনে ছিল। তাই আনসাররা সাফা-মারওয়াহ্‌ তাওয়াফ করতে দ্বিধাবোধ করত। এরপর ইসলামের আবির্ভাবের পর তারা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আল্লাহ্‌ তা‘আলা নাযিল করলেনঃ ‘সাফা ও মারওয়াহ্‌ আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কা‘বা গৃহের হজ্জ কিংবা ‘উমরা করতে চায় তার জন্য এ দু’টির মধ্যে সা‘য়ী করায় কোন গুনাহ্‌ নেই’। সুফয়ান ও আবূ মু‘আবিয়া (রাঃ) হিশাম (রহঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাফা-মারওয়াহ্‌র মাঝে তাওয়াফ না করলে আল্লাহ্‌ কারো হজ্জ এবং ‘উমরাকে পূর্ণ করেন না।

‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বাল্যকালে একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্‌র বাণীঃ “সাফা ও মারওয়াহ্‌ আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কা‘বা গৃহের হজ্জ কিংবা ‘উমরা সম্পন্ন করে এ দু’টির মধ্যে সা‘য়ী করতে চায়, তার কোন গুনাহ্‌ নেই”- (আল-বাকারা : ১৫৮)। তাই সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী না করা আমি কারো পক্ষে অপরাধ মনে করি না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিষয়টি এমন নয়। কেননা, তুমি যেমন বলছ, ব্যাপারটি তেমন হলে আয়াতটি অবশ্যই এমন হতঃ “সাফা ও মারওয়াহ্‌ আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কা‘বা গৃহের হজ্জ কিংবা ‘উমরা সম্পন্ন করে এ দু’টির মধ্যে সা‘য়ী করে, তার কোন পাপ নেই”- (আল-বাকারা : ১৫৮)। অর্থাৎ এ দু’টির মাঝে তাওয়াফ করলে কোন পাপ নেই। এ আয়াত তো আনসারদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কেননা তারা মানাতের জন্য ইহ্‌রাম বাঁধত। আর মানাত কুদায়দের সামনে ছিল। তাই আনসাররা সাফা-মারওয়াহ্‌ তাওয়াফ করতে দ্বিধাবোধ করত। এরপর ইসলামের আবির্ভাবের পর তারা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আল্লাহ্‌ তা‘আলা নাযিল করলেনঃ ‘সাফা ও মারওয়াহ্‌ আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কা‘বা গৃহের হজ্জ কিংবা ‘উমরা করতে চায় তার জন্য এ দু’টির মধ্যে সা‘য়ী করায় কোন গুনাহ্‌ নেই’। সুফয়ান ও আবূ মু‘আবিয়া (রাঃ) হিশাম (রহঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাফা-মারওয়াহ্‌র মাঝে তাওয়াফ না করলে আল্লাহ্‌ কারো হজ্জ এবং ‘উমরাকে পূর্ণ করেন না।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، أنه قال قلت لعائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم وأنا يومئذ حديث السن أرأيت قول الله تبارك وتعالى ‏{‏إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما‏}‏ فلا أرى على أحد شيئا أن لا يطوف بهما‏.‏ فقالت عائشة كلا، لو كانت كما تقول كانت فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما‏.‏ إنما أنزلت هذه الآية في الأنصار كانوا يهلون لمناة، وكانت مناة حذو قديد، وكانوا يتحرجون أن يطوفوا بين الصفا والمروة، فلما جاء الإسلام سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك، فأنزل الله تعالى ‏{‏إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما‏}‏‏.‏ زاد سفيان وأبو معاوية عن هشام ما أتم الله حج امرئ ولا عمرته لم يطف بين الصفا والمروة‏.‏


সহিহ বুখারী > ‘উমরা আদায়কারী কখন হালাল হবে (ইহ্‌রাম খুলবে)?

সহিহ বুখারী ১৭৯২

See previous Hadith

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

প্রশ্নকারী তাঁকে বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদীজা (রাঃ) সম্বন্ধে কী বলেছেন? তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাদীজাকে বেহেশতের মাঝে মতি দিয়ে তৈরী এমন একটি ঘরের সুসংবাদ দাও যেখানে কোন শোরগোল থাকবে না এবং কোন প্রকার কষ্ট ক্লেশও থাকবে না।

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

প্রশ্নকারী তাঁকে বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাদীজা (রাঃ) সম্বন্ধে কী বলেছেন? তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাদীজাকে বেহেশতের মাঝে মতি দিয়ে তৈরী এমন একটি ঘরের সুসংবাদ দাও যেখানে কোন শোরগোল থাকবে না এবং কোন প্রকার কষ্ট ক্লেশও থাকবে না।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৭৯৪

See previous Hadith

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(রাবী) ‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) বলেছেন, জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) -কেও আমরা জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেছেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ তার স্ত্রীর নিকট কিছুতেই যাবে না।

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(রাবী) ‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) বলেছেন, জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) -কেও আমরা জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেছেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ তার স্ত্রীর নিকট কিছুতেই যাবে না।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৭৯১

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، عن جرير، عن إسماعيل، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم واعتمرنا معه فلما دخل مكة طاف وطفنا معه، وأتى الصفا والمروة وأتيناها معه، وكنا نستره من أهل مكة أن يرميه أحد‏.‏ فقال له صاحب لي أكان دخل الكعبة قال لا‏.‏ قال فحدثنا ما، قال لخديجة‏.‏ قال ‏ "‏ بشروا خديجة ببيت في الجنة من قصب لا صخب فيه ولا نصب ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরা করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে ‘উমরা করলাম। তিনি মক্কায় প্রবেশ করে তাওয়াফ করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে তাওয়াফ করলাম। এরপর তিনি সাফা-মারওয়ায় সা‘য়ী করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে সা‘য়ী করলাম। আর আমরা তাঁকে মক্কাবাসীদের হতে লুকিয়ে রাখছিলাম যাতে কোন মুশরিক তাঁর প্রতি কোন কিছু নিক্ষেপ করতে না পারে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার এক সাথী তাঁকে বললেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা‘বা শরীফে প্রবেশ করেছিলেন? তিনি বললেন, না।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরা করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে ‘উমরা করলাম। তিনি মক্কায় প্রবেশ করে তাওয়াফ করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে তাওয়াফ করলাম। এরপর তিনি সাফা-মারওয়ায় সা‘য়ী করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে সা‘য়ী করলাম। আর আমরা তাঁকে মক্কাবাসীদের হতে লুকিয়ে রাখছিলাম যাতে কোন মুশরিক তাঁর প্রতি কোন কিছু নিক্ষেপ করতে না পারে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার এক সাথী তাঁকে বললেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা‘বা শরীফে প্রবেশ করেছিলেন? তিনি বললেন, না।

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، عن جرير، عن إسماعيل، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم واعتمرنا معه فلما دخل مكة طاف وطفنا معه، وأتى الصفا والمروة وأتيناها معه، وكنا نستره من أهل مكة أن يرميه أحد‏.‏ فقال له صاحب لي أكان دخل الكعبة قال لا‏.‏ قال فحدثنا ما، قال لخديجة‏.‏ قال ‏ "‏ بشروا خديجة ببيت في الجنة من قصب لا صخب فيه ولا نصب ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৯৩

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن رجل، طاف بالبيت في عمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة سبعا، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ قال وسألنا جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমরা’র মাঝে বাইতুল্লাহ্‌র তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়াহ্‌র তাওয়াফ না করে যে স্ত্রীর নিকট গমন করে, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) এসে বায়তুল্লাহ’র সাতবার তাওয়াফ করে মাকামে ইব্‌রাহীমের পাশে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর সাতবার সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করেছেন। “আর তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ তো রয়েছে আল্লাহ্‌র রাসূলের মাঝেই”- (আল-আহযাব : ২১)।

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমরা’র মাঝে বাইতুল্লাহ্‌র তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়াহ্‌র তাওয়াফ না করে যে স্ত্রীর নিকট গমন করে, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) এসে বায়তুল্লাহ’র সাতবার তাওয়াফ করে মাকামে ইব্‌রাহীমের পাশে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর সাতবার সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করেছেন। “আর তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ তো রয়েছে আল্লাহ্‌র রাসূলের মাঝেই”- (আল-আহযাব : ২১)।

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن رجل، طاف بالبيت في عمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة سبعا، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ قال وسألنا جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.


সহিহ বুখারী ১৭৯৫

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن أبي موسى الأشعري ـ رضى الله عنه ـ قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بالبطحاء وهو منيخ فقال ‏"‏ أحججت ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ بما أهللت ‏"‏‏.‏ قلت لبيك بإهلال كإهلال النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أحسنت‏.‏ طف بالبيت وبالصفا والمروة ثم أحل ‏"‏‏.‏ فطفت بالبيت، وبالصفا والمروة، ثم أتيت امرأة من قيس، ففلت رأسي، ثم أهللت بالحج‏.‏ فكنت أفتي به، حتى كان في خلافة عمر فقال إن أخذنا بكتاب الله فإنه يأمرنا بالتمام، وإن أخذنا بقول النبي صلى الله عليه وسلم فإنه لم يحل حتى يبلغ الهدى محله‏.‏

আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার বাতহায় অবতরণ করলে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি হজ্জ করেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কিসের ইহ্‌রাম বেঁধেছিলে? আমি বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইহরামের মত আমিও ইহরামের তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেনঃ ভাল করেছ। এখন বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে হালাল হয়ে যাও। অতঃপর আমি বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে কায়স গোত্রের এক মহিলার কাছে গেলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম এবং ‘উমর (রাঃ) -এর খিলাফত পর্যন্ত আমি এভাবেই ফাতাওয়া দিতে থাকি। ‘উমর (রাঃ) বললেন, যদি আমরা আল্লাহ্‌র কিতাব গ্রহণ করি সেটা তো আমাদের পূর্ণ করার নির্দেশ দেয়। আর যদি আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণী গ্রহণ করি তাহলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশু তার স্থানে পৌঁছার (যবহ করার) পূর্ব পর্যন্ত হালাল হননি।

আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার বাতহায় অবতরণ করলে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি হজ্জ করেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কিসের ইহ্‌রাম বেঁধেছিলে? আমি বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইহরামের মত আমিও ইহরামের তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেনঃ ভাল করেছ। এখন বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে হালাল হয়ে যাও। অতঃপর আমি বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়াহ্‌র সা‘য়ী করে কায়স গোত্রের এক মহিলার কাছে গেলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম এবং ‘উমর (রাঃ) -এর খিলাফত পর্যন্ত আমি এভাবেই ফাতাওয়া দিতে থাকি। ‘উমর (রাঃ) বললেন, যদি আমরা আল্লাহ্‌র কিতাব গ্রহণ করি সেটা তো আমাদের পূর্ণ করার নির্দেশ দেয়। আর যদি আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণী গ্রহণ করি তাহলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশু তার স্থানে পৌঁছার (যবহ করার) পূর্ব পর্যন্ত হালাল হননি।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن أبي موسى الأشعري ـ رضى الله عنه ـ قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بالبطحاء وهو منيخ فقال ‏"‏ أحججت ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ بما أهللت ‏"‏‏.‏ قلت لبيك بإهلال كإهلال النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أحسنت‏.‏ طف بالبيت وبالصفا والمروة ثم أحل ‏"‏‏.‏ فطفت بالبيت، وبالصفا والمروة، ثم أتيت امرأة من قيس، ففلت رأسي، ثم أهللت بالحج‏.‏ فكنت أفتي به، حتى كان في خلافة عمر فقال إن أخذنا بكتاب الله فإنه يأمرنا بالتمام، وإن أخذنا بقول النبي صلى الله عليه وسلم فإنه لم يحل حتى يبلغ الهدى محله‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৯৬

حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرنا عمرو، عن أبي الأسود، أن عبد الله، مولى أسماء بنت أبي بكر حدثه أنه، كان يسمع أسماء تقول كلما مرت بالحجون صلى الله على محمد لقد نزلنا معه ها هنا، ونحن يومئذ خفاف، قليل ظهرنا، قليلة أزوادنا، فاعتمرت أنا وأختي عائشة والزبير وفلان وفلان، فلما مسحنا البيت أحللنا، ثم أهللنا من العشي بالحج‏.‏

আবুল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) -এর কন্যা আসমা (রাঃ) -এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, যখনই আসমা (রাঃ) হাজ্জূন এলাকা দিয়ে গমন করতেন তখনই তাঁকে বলতে শুনেছেন আল্লাহ্‌ তাঁর রসূলের প্রতি রহমত নাযিল করুন, এ স্থানে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে অবতরণ করেছিলাম। তখন আমাদের বোঝা ছিল খুব অল্প, যানবাহন ছিল একেবারে নগণ্য এবং সম্বল ছিল খুবই কম। আমি, আমার বোন ‘আয়িশা (রাঃ), যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরা আদায় করলাম। তারপর বায়তুল্লাহ্‌র তাওয়াফ করে আমরা সকলেই হালাল হয়ে গেলাম এবং সন্ধ্যাকালে হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম।

আবুল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) -এর কন্যা আসমা (রাঃ) -এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, যখনই আসমা (রাঃ) হাজ্জূন এলাকা দিয়ে গমন করতেন তখনই তাঁকে বলতে শুনেছেন আল্লাহ্‌ তাঁর রসূলের প্রতি রহমত নাযিল করুন, এ স্থানে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে অবতরণ করেছিলাম। তখন আমাদের বোঝা ছিল খুব অল্প, যানবাহন ছিল একেবারে নগণ্য এবং সম্বল ছিল খুবই কম। আমি, আমার বোন ‘আয়িশা (রাঃ), যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরা আদায় করলাম। তারপর বায়তুল্লাহ্‌র তাওয়াফ করে আমরা সকলেই হালাল হয়ে গেলাম এবং সন্ধ্যাকালে হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধলাম।

حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرنا عمرو، عن أبي الأسود، أن عبد الله، مولى أسماء بنت أبي بكر حدثه أنه، كان يسمع أسماء تقول كلما مرت بالحجون صلى الله على محمد لقد نزلنا معه ها هنا، ونحن يومئذ خفاف، قليل ظهرنا، قليلة أزوادنا، فاعتمرت أنا وأختي عائشة والزبير وفلان وفلان، فلما مسحنا البيت أحللنا، ثم أهللنا من العشي بالحج‏.‏


সহিহ বুখারী > হজ্জ, ‘উমরা ও যুদ্ধ হতে ফিরার পরে কি বলবে?

সহিহ বুখারী ১৭৯৭

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات، ثم يقول ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، آيبون تائبون عابدون ساجدون لربنا حامدون، صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই কোন যুদ্ধ, বা হজ্জ অথবা ‘উমরা হতে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনি প্রত্যেক উঁচু ভূমিতে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং পরে বলতেনঃ অর্থাৎ “আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী ও তাওবাহ্‌কারী, ‘ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর উদ্দেশ্যে সাজদাহ্‌কারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ্‌ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, স্বীয় বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল শত্রুদলকে পরাজিত করেছেন”।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই কোন যুদ্ধ, বা হজ্জ অথবা ‘উমরা হতে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনি প্রত্যেক উঁচু ভূমিতে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং পরে বলতেনঃ অর্থাৎ “আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী ও তাওবাহ্‌কারী, ‘ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর উদ্দেশ্যে সাজদাহ্‌কারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ্‌ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, স্বীয় বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল শত্রুদলকে পরাজিত করেছেন”।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات، ثم يقول ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، آيبون تائبون عابدون ساجدون لربنا حامدون، صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00