সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরা করেছেন?

সহিহ বুখারী ১৭৭৭

حدثنا أبو عاصم، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن عروة بن الزبير، قال سألت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت ما اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم في رجب‏.‏

‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজব মাসে কখনো ‘উমরা আদায় করেননি।

‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজব মাসে কখনো ‘উমরা আদায় করেননি।

حدثنا أبو عاصم، أخبرنا ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن عروة بن الزبير، قال سألت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت ما اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم في رجب‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৭৬

See previous Hadith

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আমরা উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) -এর হুজরার ভিতর হতে তাঁর মিসওয়াক করার আওয়াজ শুনতে পেলাম। তখন ‘উরওয়া (রাঃ) বললেন, হে আম্মাজান, হে উম্মুল মু’মিনীন! আবূ ‘আবদূর রহমান কী বলছেন, আপনি কি শুনেননি? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি কী বলছেন? ‘উরওয়া (রহঃ) বললেন, তিনি বলছেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরা আদায় করেছেন। এর মধ্যে একটি রজব মাসে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আবূ ‘আবদূর রহমানের প্রতি আল্লাহ রহম করুন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন কোন ‘উমরা আদায় করেননি যে, তিনি তাঁর সঙ্গে ছিলেন না। কিন্তু আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজব মাসে কখনো ‘উমরা আদায় করেন নি।

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আমরা উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) -এর হুজরার ভিতর হতে তাঁর মিসওয়াক করার আওয়াজ শুনতে পেলাম। তখন ‘উরওয়া (রাঃ) বললেন, হে আম্মাজান, হে উম্মুল মু’মিনীন! আবূ ‘আবদূর রহমান কী বলছেন, আপনি কি শুনেননি? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি কী বলছেন? ‘উরওয়া (রহঃ) বললেন, তিনি বলছেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরা আদায় করেছেন। এর মধ্যে একটি রজব মাসে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আবূ ‘আবদূর রহমানের প্রতি আল্লাহ রহম করুন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন কোন ‘উমরা আদায় করেননি যে, তিনি তাঁর সঙ্গে ছিলেন না। কিন্তু আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজব মাসে কখনো ‘উমরা আদায় করেন নি।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৭৭৮

حدثنا حسان بن حسان، حدثنا همام، عن قتادة، سألت أنسا ـ رضى الله عنه ـ كم اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم قال أربع عمرة الحديبية في ذي القعدة، حيث صده المشركون، وعمرة من العام المقبل في ذي القعدة، حيث صالحهم، وعمرة الجعرانة إذ قسم غنيمة أراه حنين‏.‏ قلت كم حج قال واحدة‏.‏

কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরা আদায় করেছেন? তিনি বললেন, চারবার। তন্মধ্যে হুদায়বিয়ার ‘উমরা যুল-কা‘দা মাসে যখন মুশরিকরা তাঁকে মক্কা প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছিল। পরবর্তী বছরের যুল-কা‘দা মাসের ‘উমরা, যখন মুশরিকদের সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল, জি‘রানার ‘উমরা, যেখানে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গনীমতের মাল, সম্ভবতঃ হুনায়নের যুদ্ধে বন্টন করেন। আমি বললাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার হজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, একবার।

কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরা আদায় করেছেন? তিনি বললেন, চারবার। তন্মধ্যে হুদায়বিয়ার ‘উমরা যুল-কা‘দা মাসে যখন মুশরিকরা তাঁকে মক্কা প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছিল। পরবর্তী বছরের যুল-কা‘দা মাসের ‘উমরা, যখন মুশরিকদের সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল, জি‘রানার ‘উমরা, যেখানে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গনীমতের মাল, সম্ভবতঃ হুনায়নের যুদ্ধে বন্টন করেন। আমি বললাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার হজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, একবার।

حدثنا حسان بن حسان، حدثنا همام، عن قتادة، سألت أنسا ـ رضى الله عنه ـ كم اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم قال أربع عمرة الحديبية في ذي القعدة، حيث صده المشركون، وعمرة من العام المقبل في ذي القعدة، حيث صالحهم، وعمرة الجعرانة إذ قسم غنيمة أراه حنين‏.‏ قلت كم حج قال واحدة‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৭৫

حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، قال دخلت أنا وعروة بن الزبير المسجد،، فإذا عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ جالس إلى حجرة عائشة، وإذا ناس يصلون في المسجد صلاة الضحى‏.‏ قال فسألناه عن صلاتهم‏.‏ فقال بدعة‏.‏ ثم قال له كم اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أربع إحداهن في رجب، فكرهنا أن نرد عليه‏.‏ قال وسمعنا استنان، عائشة أم المؤمنين في الحجرة، فقال عروة يا أماه، يا أم المؤمنين‏.‏ ألا تسمعين ما يقول أبو عبد الرحمن‏.‏ قالت ما يقول قال يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر أربع عمرات إحداهن في رجب‏.‏ قالت يرحم الله أبا عبد الرحمن، ما اعتمر عمرة إلا وهو شاهده، وما اعتمر في رجب قط‏.‏

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ) মসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পেলাম, “আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) -এর হুজরার পাশে বসে আছেন। ইতোমধ্যে কিছু লোক মসজিদে সলাতুয্‌যোহা আদায় করতে লাগল। আমরা তাঁকে এদের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এটা বিদ‘আত। এরপর ‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ) তাঁকে বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরা আদায় করেছেন? তিনি বললেন, চারবার। এর মধ্যে একটি রজব মাসে। আমরা তাঁর কথা রদ করা পছন্দ করলাম না।

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ) মসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পেলাম, “আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) -এর হুজরার পাশে বসে আছেন। ইতোমধ্যে কিছু লোক মসজিদে সলাতুয্‌যোহা আদায় করতে লাগল। আমরা তাঁকে এদের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এটা বিদ‘আত। এরপর ‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ) তাঁকে বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরা আদায় করেছেন? তিনি বললেন, চারবার। এর মধ্যে একটি রজব মাসে। আমরা তাঁর কথা রদ করা পছন্দ করলাম না।

حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، قال دخلت أنا وعروة بن الزبير المسجد،، فإذا عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ جالس إلى حجرة عائشة، وإذا ناس يصلون في المسجد صلاة الضحى‏.‏ قال فسألناه عن صلاتهم‏.‏ فقال بدعة‏.‏ ثم قال له كم اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أربع إحداهن في رجب، فكرهنا أن نرد عليه‏.‏ قال وسمعنا استنان، عائشة أم المؤمنين في الحجرة، فقال عروة يا أماه، يا أم المؤمنين‏.‏ ألا تسمعين ما يقول أبو عبد الرحمن‏.‏ قالت ما يقول قال يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر أربع عمرات إحداهن في رجب‏.‏ قالت يرحم الله أبا عبد الرحمن، ما اعتمر عمرة إلا وهو شاهده، وما اعتمر في رجب قط‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৭৯

حدثنا أبو الوليد، هشام بن عبد الملك حدثنا همام، عن قتادة، قال سألت أنسا ـ رضى الله عنه ـ فقال اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم حيث ردوه، ومن القابل عمرة الحديبية، وعمرة في ذي القعدة وعمرة مع حجته‏.‏

কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার ‘উমরা করেছেন যখন তাঁকে মুশরিকরা ফিরিয়ে দিয়েছিল। তার পরবর্তী বছর ছিল হুদাইবিয়ার (চুক্তি অনুযায়ী) ‘উমরা, (তৃতীয়) ‘উমরা (জি‘রানা) যুল-কা‘দা মাসে আর হজ্জের মাসে অপর একটি ‘উমরা করেছেন।

কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার ‘উমরা করেছেন যখন তাঁকে মুশরিকরা ফিরিয়ে দিয়েছিল। তার পরবর্তী বছর ছিল হুদাইবিয়ার (চুক্তি অনুযায়ী) ‘উমরা, (তৃতীয়) ‘উমরা (জি‘রানা) যুল-কা‘দা মাসে আর হজ্জের মাসে অপর একটি ‘উমরা করেছেন।

حدثنا أبو الوليد، هشام بن عبد الملك حدثنا همام، عن قتادة، قال سألت أنسا ـ رضى الله عنه ـ فقال اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم حيث ردوه، ومن القابل عمرة الحديبية، وعمرة في ذي القعدة وعمرة مع حجته‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৮০

حدثنا هدبة، حدثنا همام، وقال، اعتمر أربع عمر في ذي القعدة إلا التي اعتمر مع حجته عمرته من الحديبية، ومن العام المقبل، ومن الجعرانة، حيث قسم غنائم حنين، وعمرة مع حجته‏.‏

হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি ‘উমরা করেছেন। তন্মধ্যে হজ্জের মাসে যে ‘উমরা করেছেন তা ছাড়া বাকী সব ‘উমরাই যুল-কা‘দা মাসে করেছেন। অর্থাৎ হুদাইবিয়ার ‘উমরা, পরবর্তী বছরের ‘উমরা, জি‘রানার ‘উমরা, যেখানে তিনি হুনাইনের মালে গনীমত বণ্টন করেছিলেন এবং হজ্জের মাসে আদায়কৃত ‘উমরা।

হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি ‘উমরা করেছেন। তন্মধ্যে হজ্জের মাসে যে ‘উমরা করেছেন তা ছাড়া বাকী সব ‘উমরাই যুল-কা‘দা মাসে করেছেন। অর্থাৎ হুদাইবিয়ার ‘উমরা, পরবর্তী বছরের ‘উমরা, জি‘রানার ‘উমরা, যেখানে তিনি হুনাইনের মালে গনীমত বণ্টন করেছিলেন এবং হজ্জের মাসে আদায়কৃত ‘উমরা।

حدثنا هدبة، حدثنا همام، وقال، اعتمر أربع عمر في ذي القعدة إلا التي اعتمر مع حجته عمرته من الحديبية، ومن العام المقبل، ومن الجعرانة، حيث قسم غنائم حنين، وعمرة مع حجته‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৮১

حدثنا أحمد بن عثمان، حدثنا شريح بن مسلمة، حدثنا إبراهيم بن يوسف، عن أبيه، عن أبي إسحاق، قال سألت مسروقا وعطاء ومجاهدا‏.‏ فقالوا اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذي القعدة قبل أن يحج‏.‏ وقال سمعت البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ يقول اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذي القعدة، قبل أن يحج مرتين‏.‏

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাসরূক, ‘আত্বা এবং মুজাহিদ (রহঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, তাঁরা বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুল-কা‘দা মাসে হজ্জের আগে ‘উমরা করেছেন। রাবী বলেন, আমি বারা’ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জ করার আগে দু’বার যুল-কা‘দা মাসে ‘উমরা করেছেন।

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাসরূক, ‘আত্বা এবং মুজাহিদ (রহঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, তাঁরা বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুল-কা‘দা মাসে হজ্জের আগে ‘উমরা করেছেন। রাবী বলেন, আমি বারা’ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জ করার আগে দু’বার যুল-কা‘দা মাসে ‘উমরা করেছেন।

حدثنا أحمد بن عثمان، حدثنا شريح بن مسلمة، حدثنا إبراهيم بن يوسف، عن أبيه، عن أبي إسحاق، قال سألت مسروقا وعطاء ومجاهدا‏.‏ فقالوا اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذي القعدة قبل أن يحج‏.‏ وقال سمعت البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ يقول اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذي القعدة، قبل أن يحج مرتين‏.‏


সহিহ বুখারী > রমযান মাসে ‘উমরা আদায় করা।

সহিহ বুখারী ১৭৮২

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، عن عطاء، قال سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يخبرنا يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لامرأة من الأنصار سماها ابن عباس، فنسيت اسمها ‏"‏ ما منعك أن تحجي معنا ‏"‏‏.‏ قالت كان لنا ناضح فركبه أبو فلان وابنه ـ لزوجها وابنها ـ وترك ناضحا ننضح عليه قال ‏"‏ فإذا كان رمضان اعتمري فيه فإن عمرة في رمضان حجة ‏"‏‏.‏ أو نحوا مما قال‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ আমাদের সঙ্গে হজ্জ করতে তোমার বাধা কিসের? ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) মহিলার নাম বলেছিলেন কিন্তু আমি ভুলে গিয়েছি। মহিলা বলল, আমাদের একটি পানি বহনকারী উট ছিল। কিন্তু তাতে অমুকের পিতা ও তার পুত্র (অর্থাৎ মহিলার স্বামী ও ছেলে) আরোহণ করে চলে গেছেন। আর আমাদের জন্য রেখে গেছেন পানি বহনকারী আরেকটি উট যার দ্বারা আমরা পানি বহন করে থাকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আচ্ছা, রমাযান এলে তখন ‘উমরা করে নিও। কেননা, রমযানের একটি ‘উমরা একটি হজ্জের সমতুল্য। অথবা এরূপ কোন কথা তিনি বলেছিলেন।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ আমাদের সঙ্গে হজ্জ করতে তোমার বাধা কিসের? ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) মহিলার নাম বলেছিলেন কিন্তু আমি ভুলে গিয়েছি। মহিলা বলল, আমাদের একটি পানি বহনকারী উট ছিল। কিন্তু তাতে অমুকের পিতা ও তার পুত্র (অর্থাৎ মহিলার স্বামী ও ছেলে) আরোহণ করে চলে গেছেন। আর আমাদের জন্য রেখে গেছেন পানি বহনকারী আরেকটি উট যার দ্বারা আমরা পানি বহন করে থাকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আচ্ছা, রমাযান এলে তখন ‘উমরা করে নিও। কেননা, রমযানের একটি ‘উমরা একটি হজ্জের সমতুল্য। অথবা এরূপ কোন কথা তিনি বলেছিলেন।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، عن عطاء، قال سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يخبرنا يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لامرأة من الأنصار سماها ابن عباس، فنسيت اسمها ‏"‏ ما منعك أن تحجي معنا ‏"‏‏.‏ قالت كان لنا ناضح فركبه أبو فلان وابنه ـ لزوجها وابنها ـ وترك ناضحا ننضح عليه قال ‏"‏ فإذا كان رمضان اعتمري فيه فإن عمرة في رمضان حجة ‏"‏‏.‏ أو نحوا مما قال‏.‏


সহিহ বুখারী > মুহাসসাবের রাত্রিতে ও অন্য সময়ে ‘উমরা আদায় করা।

সহিহ বুখারী ১৭৮৩

حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا أبو معاوية، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم موافين لهلال ذي الحجة فقال لنا ‏"‏ من أحب منكم أن يهل بالحج فليهل ومن أحب أن يهل بعمرة فليهل بعمرة، فلولا أني أهديت لأهللت بعمرة ‏"‏‏.‏ قالت فمنا من أهل بعمرة، ومنا من أهل بحج، وكنت ممن أهل بعمرة، فأظلني يوم عرفة، وأنا حائض، فشكوت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ارفضي عمرتك، وانقضي رأسك وامتشطي، وأهلي بالحج ‏"‏‏.‏ فلما كان ليلة الحصبة أرسل معي عبد الرحمن إلى التنعيم، فأهللت بعمرة مكان عمرتي‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম যখন যুলহজ্জ আগত প্রায়। তখন তিনি আমাদের বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যে হজ্জের ইহরাম বাঁধতে চায়, সে যেন হজ্জের ইহরাম বেঁধে নেয়। আর যে ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধতে চায় সে যেন ‘উমরা’র ইহরাম বেঁধে নেয়। আমি যদি কুরবানীর জানোয়ার সঙ্গে না আনতাম তাহলে অবশ্যই আমি ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধতাম। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমাদের মধ্যে কেউ ‘উমরা’র ইহরাম বাঁধলেন, আবার কেউ হজ্জের। যারা ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন, আমি তাদের একজন। ‘আরাফার দিন এল, তখন আমি ঋতুবতী ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট তা জানালাম। তিনি বললেনঃ ‘উমরা ছেড়ে দাও এবং মাথার বেণী খুলে মাথা আঁচড়িয়ে নাও। অতঃপর হজ্জের ইহরাম বাঁধ। যখন মুহাসসাবের রাত হল, তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সঙ্গে (আমার ভাই) ‘আবদুর রহমানকে তান‘ঈমে পাঠালেন এবং আমি ছেড়ে দেয়া ‘উমরা’র স্থলে নতুনভাবে ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধলাম।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম যখন যুলহজ্জ আগত প্রায়। তখন তিনি আমাদের বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যে হজ্জের ইহরাম বাঁধতে চায়, সে যেন হজ্জের ইহরাম বেঁধে নেয়। আর যে ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধতে চায় সে যেন ‘উমরা’র ইহরাম বেঁধে নেয়। আমি যদি কুরবানীর জানোয়ার সঙ্গে না আনতাম তাহলে অবশ্যই আমি ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধতাম। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমাদের মধ্যে কেউ ‘উমরা’র ইহরাম বাঁধলেন, আবার কেউ হজ্জের। যারা ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন, আমি তাদের একজন। ‘আরাফার দিন এল, তখন আমি ঋতুবতী ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট তা জানালাম। তিনি বললেনঃ ‘উমরা ছেড়ে দাও এবং মাথার বেণী খুলে মাথা আঁচড়িয়ে নাও। অতঃপর হজ্জের ইহরাম বাঁধ। যখন মুহাসসাবের রাত হল, তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সঙ্গে (আমার ভাই) ‘আবদুর রহমানকে তান‘ঈমে পাঠালেন এবং আমি ছেড়ে দেয়া ‘উমরা’র স্থলে নতুনভাবে ‘উমরা’র ইহ্‌রাম বাঁধলাম।

حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا أبو معاوية، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم موافين لهلال ذي الحجة فقال لنا ‏"‏ من أحب منكم أن يهل بالحج فليهل ومن أحب أن يهل بعمرة فليهل بعمرة، فلولا أني أهديت لأهللت بعمرة ‏"‏‏.‏ قالت فمنا من أهل بعمرة، ومنا من أهل بحج، وكنت ممن أهل بعمرة، فأظلني يوم عرفة، وأنا حائض، فشكوت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ارفضي عمرتك، وانقضي رأسك وامتشطي، وأهلي بالحج ‏"‏‏.‏ فلما كان ليلة الحصبة أرسل معي عبد الرحمن إلى التنعيم، فأهللت بعمرة مكان عمرتي‏.‏


সহিহ বুখারী > তান‘ঈম হতে ‘উমরা করা।

সহিহ বুখারী ১৭৮৪

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع عمرو بن أوس، أن عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم أمره أن يردف عائشة، ويعمرها من التنعيم‏.‏ قال سفيان مرة سمعت عمرا، كم سمعته من عمرو‏.‏

‘আবদুর রহমান ইব্‌নু আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে তাঁর সওয়ারীর পিঠে ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বসিয়ে তান’ঈম হতে ‘উমরা করানোর নির্দেশ দেন। রাবী সুফিয়ান (রহঃ) একদা বলেন, এ হাদীস আমি ‘আমরের কাছে বহুবার শুনেছি।

‘আবদুর রহমান ইব্‌নু আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে তাঁর সওয়ারীর পিঠে ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বসিয়ে তান’ঈম হতে ‘উমরা করানোর নির্দেশ দেন। রাবী সুফিয়ান (রহঃ) একদা বলেন, এ হাদীস আমি ‘আমরের কাছে বহুবার শুনেছি।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع عمرو بن أوس، أن عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم أمره أن يردف عائشة، ويعمرها من التنعيم‏.‏ قال سفيان مرة سمعت عمرا، كم سمعته من عمرو‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৮৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب بن عبد المجيد، عن حبيب المعلم، عن عطاء، حدثني جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم أهل وأصحابه بالحج وليس مع أحد منهم هدى، غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة، وكان علي قدم من اليمن، ومعه الهدى فقال أهللت بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ وإن النبي صلى الله عليه وسلم أذن لأصحابه أن يجعلوها عمرة، يطوفوا بالبيت، ثم يقصروا ويحلوا، إلا من معه الهدى، فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت، ولولا أن معي الهدى لأحللت ‏"‏‏.‏ وأن عائشة حاضت فنسكت المناسك كلها، غير أنها لم تطف بالبيت قال فلما طهرت وطافت، قالت يا رسول الله أتنطلقون بعمرة وحجة، وأنطلق بالحج فأمر عبد الرحمن بن أبي بكر أن يخرج معها إلى التنعيم، فاعتمرت بعد الحج في ذي الحجة، وأن سراقة بن مالك بن جعشم لقي النبي صلى الله عليه وسلم وهو بالعقبة، وهو يرميها، فقال ألكم هذه خاصة، يا رسول الله قال ‏"‏ لا، بل للأبد ‏"‏‏.

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত কারো সাথে কুরবানীর পশু ছিলনা। আর ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে এলেন এবং তাঁর সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল। তিনি বলেছিলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে বিষয়ে ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তার ইহ্‌রাম বাঁধলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ইহ্‌রামকে 'উমরায় পরিণত করতে এবং তাওয়াফ করে এরপরে মাথার চুল ছোট করে হালাল হয়ে যেতে নির্দেশ দিলেন। তবে যাদের সঙ্গে কুরবানীর জানোয়ার রয়েছে (তারা হালাল হবে না)। তাঁরা বললেন, আমরা মিনার দিকে রওয়ানা হবো এমতাবস্থায় আমাদের কেউ স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এসেছে। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকটে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ যদি আমি এ ব্যাপার পূর্বে জানতাম, যা পরে জানতে পারলাম, তাহলে কুরবানীর জানোয়ার সঙ্গে আনতাম না। আর যদি কুরবানীর পশু আমার সাথে না থাকত অবশ্যই আমি হালাল হয়ে যেতাম। আর ‘আয়িশা (রাঃ) -এর ঋতু দেখা দিল। তিনি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত হজ্জের সব কাজই সম্পন্ন করে নিলেন। রাবী বলেন, এরপর যখন তিনি পাক হলেন এবং তাওয়াফ করলেন, তখন বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনারা তো হজ্জ এবং ‘উমরা ইভয়টি পালন করে ফিরছেন, আমি কি শুধু হজ্জ করেই ফিরব? তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু আবূ বকর (রাঃ) -কে নির্দেশ দিলেন তাকে সঙ্গে নিয়ে তান‘ঈম যেতে। অতঃপর যুলহজ্জ মাসেই হজ্জ আদায়ের পর ‘আয়িশা (রাঃ) ‘উমরা আদায় করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জামরাতুল ‘আকাবায় কঙ্কর মারছিলেন তখন সুরাকা ইব্‌নু মালিক ইব্‌নু জু‘শুম (রাঃ) -এর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ হজ্জের মাসে ‘উমরা আদায় করা কি আপনাদের জন্য খাস? আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, এতো চিরদিনের (সকলের) জন্য।

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত কারো সাথে কুরবানীর পশু ছিলনা। আর ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে এলেন এবং তাঁর সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল। তিনি বলেছিলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে বিষয়ে ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তার ইহ্‌রাম বাঁধলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ইহ্‌রামকে 'উমরায় পরিণত করতে এবং তাওয়াফ করে এরপরে মাথার চুল ছোট করে হালাল হয়ে যেতে নির্দেশ দিলেন। তবে যাদের সঙ্গে কুরবানীর জানোয়ার রয়েছে (তারা হালাল হবে না)। তাঁরা বললেন, আমরা মিনার দিকে রওয়ানা হবো এমতাবস্থায় আমাদের কেউ স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এসেছে। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকটে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ যদি আমি এ ব্যাপার পূর্বে জানতাম, যা পরে জানতে পারলাম, তাহলে কুরবানীর জানোয়ার সঙ্গে আনতাম না। আর যদি কুরবানীর পশু আমার সাথে না থাকত অবশ্যই আমি হালাল হয়ে যেতাম। আর ‘আয়িশা (রাঃ) -এর ঋতু দেখা দিল। তিনি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত হজ্জের সব কাজই সম্পন্ন করে নিলেন। রাবী বলেন, এরপর যখন তিনি পাক হলেন এবং তাওয়াফ করলেন, তখন বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনারা তো হজ্জ এবং ‘উমরা ইভয়টি পালন করে ফিরছেন, আমি কি শুধু হজ্জ করেই ফিরব? তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু আবূ বকর (রাঃ) -কে নির্দেশ দিলেন তাকে সঙ্গে নিয়ে তান‘ঈম যেতে। অতঃপর যুলহজ্জ মাসেই হজ্জ আদায়ের পর ‘আয়িশা (রাঃ) ‘উমরা আদায় করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জামরাতুল ‘আকাবায় কঙ্কর মারছিলেন তখন সুরাকা ইব্‌নু মালিক ইব্‌নু জু‘শুম (রাঃ) -এর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ হজ্জের মাসে ‘উমরা আদায় করা কি আপনাদের জন্য খাস? আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, এতো চিরদিনের (সকলের) জন্য।

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب بن عبد المجيد، عن حبيب المعلم، عن عطاء، حدثني جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم أهل وأصحابه بالحج وليس مع أحد منهم هدى، غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة، وكان علي قدم من اليمن، ومعه الهدى فقال أهللت بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ وإن النبي صلى الله عليه وسلم أذن لأصحابه أن يجعلوها عمرة، يطوفوا بالبيت، ثم يقصروا ويحلوا، إلا من معه الهدى، فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت، ولولا أن معي الهدى لأحللت ‏"‏‏.‏ وأن عائشة حاضت فنسكت المناسك كلها، غير أنها لم تطف بالبيت قال فلما طهرت وطافت، قالت يا رسول الله أتنطلقون بعمرة وحجة، وأنطلق بالحج فأمر عبد الرحمن بن أبي بكر أن يخرج معها إلى التنعيم، فاعتمرت بعد الحج في ذي الحجة، وأن سراقة بن مالك بن جعشم لقي النبي صلى الله عليه وسلم وهو بالعقبة، وهو يرميها، فقال ألكم هذه خاصة، يا رسول الله قال ‏"‏ لا، بل للأبد ‏"‏‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00