সহিহ বুখারী > বাতন ওয়াদী তথা (উপত্যকার নীচুস্থান) হতে কঙ্কর নিক্ষেপ।
সহিহ বুখারী ১৭৪৭
حدثنا محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن الأعمش عن إبراهيم عن عبد الرحمٰن بن يزيد قال رمى عبد الله من بطن الوادي فقلت يا أبا عبد الرحمٰن إن ناسا يرمونها من فوقها فقال والذي لا إلٰه غيره هذا مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة وقال عبد الله بن الوليد حدثنا سفيان حدثنا الأعمش بهذا
আবদুর রহমান ইব্নু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ (রাঃ) বাতন ওয়াদী হতে কঙ্কর মারেন। তখন আমি তাকে বললাম, হে আবু ‘আবদুর রহমান! লোকেরা তো এর উচ্চস্থান হতে কঙ্কর মারে। তিনি বললেন, সে সত্তার কসম! যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, এটা সে স্থান, যেখানে সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ওয়ালীদ (রহঃ).......আ’মাশ (রহঃ) হতে এরূপ বর্ণনা করেন। (১৭৪৮,১৭৮৯,১১৭৫০, মুসলিম ১৫/৫০, হাঃ ১২৯৬) (আঃপ্রঃ ১৬২৫, ইঃফাঃ ১৬৩৩)
আবদুর রহমান ইব্নু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ (রাঃ) বাতন ওয়াদী হতে কঙ্কর মারেন। তখন আমি তাকে বললাম, হে আবু ‘আবদুর রহমান! লোকেরা তো এর উচ্চস্থান হতে কঙ্কর মারে। তিনি বললেন, সে সত্তার কসম! যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, এটা সে স্থান, যেখানে সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ওয়ালীদ (রহঃ).......আ’মাশ (রহঃ) হতে এরূপ বর্ণনা করেন। (১৭৪৮,১৭৮৯,১১৭৫০, মুসলিম ১৫/৫০, হাঃ ১২৯৬) (আঃপ্রঃ ১৬২৫, ইঃফাঃ ১৬৩৩)
حدثنا محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن الأعمش عن إبراهيم عن عبد الرحمٰن بن يزيد قال رمى عبد الله من بطن الوادي فقلت يا أبا عبد الرحمٰن إن ناسا يرمونها من فوقها فقال والذي لا إلٰه غيره هذا مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة وقال عبد الله بن الوليد حدثنا سفيان حدثنا الأعمش بهذا
সহিহ বুখারী > জামারায় সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ।
সহিহ বুখারী ১৭৪৮
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الحكم عن إبراهيم عن عبد الرحمٰن بن يزيد عن عبد الله أنه انتهى إلى الجمرة الكبرى جعل البيت عن يساره ومنى عن يمينه ورمى بسبع وقال هكذا رمى الذي أنزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জামারাতুল কুবরা বা বড় জামারার কাছে গিয়ে বায়তুল্লাহকে বামে ও মিনাকে ডানে রেখে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। আর বলেন, যাঁর প্রতি সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে তিনিও এরূপ কঙ্কর মেরেছেন। (১৭৪৭) (আঃপ্রঃ ১৬২৬, ইঃফাঃ১৬৩৪)
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জামারাতুল কুবরা বা বড় জামারার কাছে গিয়ে বায়তুল্লাহকে বামে ও মিনাকে ডানে রেখে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। আর বলেন, যাঁর প্রতি সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে তিনিও এরূপ কঙ্কর মেরেছেন। (১৭৪৭) (আঃপ্রঃ ১৬২৬, ইঃফাঃ১৬৩৪)
حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الحكم عن إبراهيم عن عبد الرحمٰن بن يزيد عن عبد الله أنه انتهى إلى الجمرة الكبرى جعل البيت عن يساره ومنى عن يمينه ورمى بسبع وقال هكذا رمى الذي أنزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী > বাইতুল্লাহকে বাম দিকে রেখে জামারায়ে ‘আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ।
সহিহ বুখারী ১৭৪৯
حدثنا آدم حدثنا شعبة حدثنا الحكم عن إبراهيم عن عبد الرحمٰن بن يزيد أنه حج مع ابن مسعود فرآه يرمي الجمرة الكبرى بسبع حصيات فجعل البيت عن يساره ومنى عن يمينه ثم قال هذا مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة
‘আবদূর রাহমান ইব্নু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ)-এর সঙ্গে হজ্জ আদায় করলেন। তখন তিনি বায়তুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে জামারাকে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে দেখেছেন। এরপর তিনি বললেন, এ তাঁর দাঁড়াবার স্থান যাঁর প্রতি সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে। (১৭৪৭) (আঃপ্রঃ ১৬২৭, ইঃফাঃ১৬৩৫)
‘আবদূর রাহমান ইব্নু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ)-এর সঙ্গে হজ্জ আদায় করলেন। তখন তিনি বায়তুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে জামারাকে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে দেখেছেন। এরপর তিনি বললেন, এ তাঁর দাঁড়াবার স্থান যাঁর প্রতি সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে। (১৭৪৭) (আঃপ্রঃ ১৬২৭, ইঃফাঃ১৬৩৫)
حدثنا آدم حدثنا شعبة حدثنا الحكم عن إبراهيم عن عبد الرحمٰن بن يزيد أنه حج مع ابن مسعود فرآه يرمي الجمرة الكبرى بسبع حصيات فجعل البيت عن يساره ومنى عن يمينه ثم قال هذا مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة
সহিহ বুখারী > প্রতিটি কঙ্কর এর সঙ্গে তাকবীর পাঠ।
সহিহ বুখারী ১৭৫০
حدثنا مسدد عن عبد الواحد حدثنا الأعمش قال سمعت الحجاج يقول على المنبر السورة التي يذكر فيها البقرة والسورة التي يذكر فيها آل عمران والسورة التي يذكر فيها النساء قال فذكرت ذلك لإبراهيم فقال حدثني عبد الرحمٰن بن يزيد أنه كان مع ابن مسعود حين رمى جمرة العقبة فاستبطن الوادي حتى إذا حاذى بالشجرة اعترضها فرمى بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة ثم قال من ها هنا والذي لا إلٰه غيره قام الذي أنزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বরের উপর এরূপ বলতে শুনেছি, যে সূরার মধ্যে বাকারাহ’র উল্লেখ রয়েছে, সে সূরার মধ্যে আল-ইমরানের উল্লেখ রয়েছে এবং যে সূরার মধ্যে নিসা-এর উল্লেখ রয়েছে অর্থাৎ সে সূরা আল-বাকারাহ সূরা আল ‘ইমরান ও সূরা আল নিসা বলা পছন্দ করতো না। বর্ণনাকারী আ’মাশ (রহঃ) বলেন, এ ব্যাপারটি আমি ইব্রাহীম (রহঃ)-কে বললাম। তিনি বললেন, আমার কাছে ‘আবদূর রহমান ইব্নু ইয়াযীদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, জামারায়ে আকাবাতে কঙ্কর মারার সময় তিনি ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) এর সঙ্গে ছিলেন। ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) বাতেন ওয়াদীতে গাছটির বরাবর এসে জামারাকে সামনে রেখে দাঁড়ালেন এবং তাকবীর সহকারে কঙ্কর মারলেন। এরপর বললেন, সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, এ স্থানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি, যাঁর উপর নাযিল হয়েছে সূরা বাকারাহ (অর্থাৎ সূরা বাকারাহ বলা বৈধ) (১৭৪৭) (আঃপ্রঃ ১৬২৮, ইঃফাঃ১৬৩৬)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বরের উপর এরূপ বলতে শুনেছি, যে সূরার মধ্যে বাকারাহ’র উল্লেখ রয়েছে, সে সূরার মধ্যে আল-ইমরানের উল্লেখ রয়েছে এবং যে সূরার মধ্যে নিসা-এর উল্লেখ রয়েছে অর্থাৎ সে সূরা আল-বাকারাহ সূরা আল ‘ইমরান ও সূরা আল নিসা বলা পছন্দ করতো না। বর্ণনাকারী আ’মাশ (রহঃ) বলেন, এ ব্যাপারটি আমি ইব্রাহীম (রহঃ)-কে বললাম। তিনি বললেন, আমার কাছে ‘আবদূর রহমান ইব্নু ইয়াযীদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, জামারায়ে আকাবাতে কঙ্কর মারার সময় তিনি ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) এর সঙ্গে ছিলেন। ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) বাতেন ওয়াদীতে গাছটির বরাবর এসে জামারাকে সামনে রেখে দাঁড়ালেন এবং তাকবীর সহকারে কঙ্কর মারলেন। এরপর বললেন, সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, এ স্থানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি, যাঁর উপর নাযিল হয়েছে সূরা বাকারাহ (অর্থাৎ সূরা বাকারাহ বলা বৈধ) (১৭৪৭) (আঃপ্রঃ ১৬২৮, ইঃফাঃ১৬৩৬)
حدثنا مسدد عن عبد الواحد حدثنا الأعمش قال سمعت الحجاج يقول على المنبر السورة التي يذكر فيها البقرة والسورة التي يذكر فيها آل عمران والسورة التي يذكر فيها النساء قال فذكرت ذلك لإبراهيم فقال حدثني عبد الرحمٰن بن يزيد أنه كان مع ابن مسعود حين رمى جمرة العقبة فاستبطن الوادي حتى إذا حاذى بالشجرة اعترضها فرمى بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة ثم قال من ها هنا والذي لا إلٰه غيره قام الذي أنزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم