সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি কুরবানীর জন্তু সাথে নিয়ে যায়।

সহিহ বুখারী ১৬৯২

وعن عروة أن عائشة أخبرته عن النبي صلى الله عليه وسلم في تمتعه بالعمرة إلى الحج فتمتع الناس معه بمثل الذي أخبرني سالم عن ابن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উরওয়া (রহ.) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জের সাথে ‘উমরাহ পালন করেন এবং তাঁর সঙ্গে সাহাবীগণও তামাত্তু’ করেন, যেমনি বর্ণনা করেছেন সালিম (রহঃ) ইব্‌ন ‘উমর (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে। (মুসলিম ১৫/২৪, হাঃ ১২২৭, ১২২৮, আহমাদ ৬২৫৫) (আঃপ্রঃ নাই, ইঃফাঃ ১৫৮২ শেষাংশ)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উরওয়া (রহ.) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জের সাথে ‘উমরাহ পালন করেন এবং তাঁর সঙ্গে সাহাবীগণও তামাত্তু’ করেন, যেমনি বর্ণনা করেছেন সালিম (রহঃ) ইব্‌ন ‘উমর (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে। (মুসলিম ১৫/২৪, হাঃ ১২২৭, ১২২৮, আহমাদ ৬২৫৫) (আঃপ্রঃ নাই, ইঃফাঃ ১৫৮২ শেষাংশ)

وعن عروة أن عائشة أخبرته عن النبي صلى الله عليه وسلم في تمتعه بالعمرة إلى الحج فتمتع الناس معه بمثل الذي أخبرني سالم عن ابن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ১৬৯১

حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن ابن عمر قال تمتع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بالعمرة إلى الحج وأهدى فساق معه الهدي من ذي الحليفة وبدأ رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بالعمرة ثم أهل بالحج فتمتع الناس مع النبي بالعمرة إلى الحج فكان من الناس من أهدى فساق الهدي ومنهم من لم يهد فلما قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة قال للناس من كان منكم أهدى فإنه لا يحل لشيء حرم منه حتى يقضي حجه ومن لم يكن منكم أهدى فليطف بالبيت وبالصفا والمروة وليقصر وليحلل ثم ليهل بالحج فمن لم يجد هديا فليصم ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع إلى أهله فطاف حين قدم مكة واستلم الركن أول شيء ثم خب ثلاثة أطواف ومشى أربعا فركع حين قضى طوافه بالبيت عند المقام ركعتين ثم سلم فانصرف فأتى الصفا فطاف بالصفا والمروة سبعة أطواف ثم لم يحلل من شيء حرم منه حتى قضى حجه ونحر هديه يوم النحر وأفاض فطاف بالبيت ثم حل من كل شيء حرم منه وفعل مثل ما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهدى وساق الهدي من الناس

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের সময় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জ ও ‘উমরাহ একসাথে পালন করেছেন। তিনি হাদী পাঠান অর্থাৎ যুল-হুলাইফা হতে কুরবানীর জানোয়ার সাথে নিয়ে নেন। অত:পর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধেন, এরপর হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধেন। সাহাবীগণ তাঁর সঙ্গে ‘উমরাহ’র ও হজ্জের নিয়্যাতে তামাত্তু‘ করলেন। সাহাবীগণের কতেক হাদী সাথে নিয়ে চললেন, আর কেউ কেউ হাদী সাথে নেননি। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা পৌছে সাহাবীগণকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যারা হাদী সাথে নিয়ে এসেছ, তাদের জন্য হজ্জ সমাপ্ত করা পর্যন্ত কোন নিষিদ্ধ জিনিস হালাল হবে না। আর তোমাদের মধ্যে যারা হাদী সাথে নিয়ে আসনি, তারা বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়ার তাওয়াফ করে চুল কেটে হালাল হয়ে যাবে। এরপর হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধবে। তবে যারা কুরবানী করতে পারবে না তারা হজ্জের সময় তিনদিন এবং বাড়িতে ফিরে গিয়ে সাতদিন সওম পালন করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা পৌঁছেই তাওয়াফ করলেন। প্রথমে হাজরে আসওয়অদ চুম্বন করলেন এবং তিন চক্কর রামল করে আর চার চক্কর স্বাভাবিকভাবে হেঁটে তাওয়াফ করলেন। বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সম্পন্ন করে তিনি মাকামে ইব্রাহীমের নিকট দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন, সালাম ফিরিয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফায় আসলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাত চক্কর সা‘ঈ করলেন। হজ্জ সমাধান করা পর্যন্ত তিনি যা কিছু হারাম ছিল তা হতে হালাল হননি। তিনি কুরবানীর দিনে হাদী কুরবানী করলেন, সেখান হতে এসে তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন। অত:পর তাঁর উপর যা হারাম ছিল সে সব কিছু হতে তিনি হালাল হয়ে গেলেন। সাহাবীগণের মধ্যে যাঁরা হাদী সাথে নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা সেরূপ করলেন, যেরূপ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। (আঃপ্রঃ ১৫৭৫, ইঃফাঃ ১৫৮২)

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের সময় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জ ও ‘উমরাহ একসাথে পালন করেছেন। তিনি হাদী পাঠান অর্থাৎ যুল-হুলাইফা হতে কুরবানীর জানোয়ার সাথে নিয়ে নেন। অত:পর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধেন, এরপর হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধেন। সাহাবীগণ তাঁর সঙ্গে ‘উমরাহ’র ও হজ্জের নিয়্যাতে তামাত্তু‘ করলেন। সাহাবীগণের কতেক হাদী সাথে নিয়ে চললেন, আর কেউ কেউ হাদী সাথে নেননি। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা পৌছে সাহাবীগণকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যারা হাদী সাথে নিয়ে এসেছ, তাদের জন্য হজ্জ সমাপ্ত করা পর্যন্ত কোন নিষিদ্ধ জিনিস হালাল হবে না। আর তোমাদের মধ্যে যারা হাদী সাথে নিয়ে আসনি, তারা বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়ার তাওয়াফ করে চুল কেটে হালাল হয়ে যাবে। এরপর হজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধবে। তবে যারা কুরবানী করতে পারবে না তারা হজ্জের সময় তিনদিন এবং বাড়িতে ফিরে গিয়ে সাতদিন সওম পালন করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা পৌঁছেই তাওয়াফ করলেন। প্রথমে হাজরে আসওয়অদ চুম্বন করলেন এবং তিন চক্কর রামল করে আর চার চক্কর স্বাভাবিকভাবে হেঁটে তাওয়াফ করলেন। বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সম্পন্ন করে তিনি মাকামে ইব্রাহীমের নিকট দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন, সালাম ফিরিয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফায় আসলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাত চক্কর সা‘ঈ করলেন। হজ্জ সমাধান করা পর্যন্ত তিনি যা কিছু হারাম ছিল তা হতে হালাল হননি। তিনি কুরবানীর দিনে হাদী কুরবানী করলেন, সেখান হতে এসে তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন। অত:পর তাঁর উপর যা হারাম ছিল সে সব কিছু হতে তিনি হালাল হয়ে গেলেন। সাহাবীগণের মধ্যে যাঁরা হাদী সাথে নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা সেরূপ করলেন, যেরূপ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। (আঃপ্রঃ ১৫৭৫, ইঃফাঃ ১৫৮২)

حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن ابن عمر قال تمتع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بالعمرة إلى الحج وأهدى فساق معه الهدي من ذي الحليفة وبدأ رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بالعمرة ثم أهل بالحج فتمتع الناس مع النبي بالعمرة إلى الحج فكان من الناس من أهدى فساق الهدي ومنهم من لم يهد فلما قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة قال للناس من كان منكم أهدى فإنه لا يحل لشيء حرم منه حتى يقضي حجه ومن لم يكن منكم أهدى فليطف بالبيت وبالصفا والمروة وليقصر وليحلل ثم ليهل بالحج فمن لم يجد هديا فليصم ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع إلى أهله فطاف حين قدم مكة واستلم الركن أول شيء ثم خب ثلاثة أطواف ومشى أربعا فركع حين قضى طوافه بالبيت عند المقام ركعتين ثم سلم فانصرف فأتى الصفا فطاف بالصفا والمروة سبعة أطواف ثم لم يحلل من شيء حرم منه حتى قضى حجه ونحر هديه يوم النحر وأفاض فطاف بالبيت ثم حل من كل شيء حرم منه وفعل مثل ما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهدى وساق الهدي من الناس


সহিহ বুখারী > রাস্তা হতে কুরবানীর পশু ক্রয় করা।

সহিহ বুখারী ১৬৯৩

حدثنا أبو النعمان حدثنا حماد عن أيوب عن نافع قال قال عبد الله بن عبد الله بن عمر لأبيه أقم فإني لا آمنها أن ستصد عن البيت قال إذا أفعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد قال الله {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة} فأنا أشهدكم أني قد أوجبت على نفسي العمرة فأهل بالعمرة من الدار قال ثم خرج حتى إذا كان بالبيداء أهل بالحج والعمرة وقال ما شأن الحج والعمرة إلا واحد ثم اشترى الهدي من قديد ثم قدم فطاف لهما طوافا واحدا فلم يحل حتى حل منهما جميعا

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) -এর পুত্র ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তার পিতাকে বললেন, আপনি (এবার বাড়িতেই) অবস্থান করুন। কেননা, বাইতুল্লাহ হতে আপনার বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তাহলে আমি তাই করব যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ” - (আহযাবঃ ২১)। সুতরাং আমি তোমাদের সাক্ষী করে বলছি, (এবার) ‘উমরাহ আদায় করা আমি আমার উপর ওয়াজিব করে নিয়েছি। তাই তিনি ‘উমরাহ’র জন্য ইহ্‌রাম বাঁধলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি রওয়ানা হলেন, যখন বায়দা নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন তিনি হজ্জ এবং ‘উমরাহ উভয়টির জন্য ইহ্‌রাম বেঁধে বললেন, হজ্জ এবং ‘উমরাহ’র ব্যাপার তো একই। এরপর তিনি কুদাইদ নামক স্থান হতে কুরবানীর জানোয়ার কিনলেন এবং মক্কা পৌঁছে (হজ্জ ও ‘উমরাহ) উভয়টির জন্য তাওয়াফ করলেন। উভয়ের সব কাজ শেষ করা পর্যন্ত তিনি ইহ্‌রাম খুললেন না। (১৬৩৯) (আঃপ্রঃ ১৫৭৬, ইঃফাঃ ১৫৮৩)

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) -এর পুত্র ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তার পিতাকে বললেন, আপনি (এবার বাড়িতেই) অবস্থান করুন। কেননা, বাইতুল্লাহ হতে আপনার বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তাহলে আমি তাই করব যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ” - (আহযাবঃ ২১)। সুতরাং আমি তোমাদের সাক্ষী করে বলছি, (এবার) ‘উমরাহ আদায় করা আমি আমার উপর ওয়াজিব করে নিয়েছি। তাই তিনি ‘উমরাহ’র জন্য ইহ্‌রাম বাঁধলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি রওয়ানা হলেন, যখন বায়দা নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন তিনি হজ্জ এবং ‘উমরাহ উভয়টির জন্য ইহ্‌রাম বেঁধে বললেন, হজ্জ এবং ‘উমরাহ’র ব্যাপার তো একই। এরপর তিনি কুদাইদ নামক স্থান হতে কুরবানীর জানোয়ার কিনলেন এবং মক্কা পৌঁছে (হজ্জ ও ‘উমরাহ) উভয়টির জন্য তাওয়াফ করলেন। উভয়ের সব কাজ শেষ করা পর্যন্ত তিনি ইহ্‌রাম খুললেন না। (১৬৩৯) (আঃপ্রঃ ১৫৭৬, ইঃফাঃ ১৫৮৩)

حدثنا أبو النعمان حدثنا حماد عن أيوب عن نافع قال قال عبد الله بن عبد الله بن عمر لأبيه أقم فإني لا آمنها أن ستصد عن البيت قال إذا أفعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد قال الله {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة} فأنا أشهدكم أني قد أوجبت على نفسي العمرة فأهل بالعمرة من الدار قال ثم خرج حتى إذا كان بالبيداء أهل بالحج والعمرة وقال ما شأن الحج والعمرة إلا واحد ثم اشترى الهدي من قديد ثم قدم فطاف لهما طوافا واحدا فلم يحل حتى حل منهما جميعا


সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি যুল-হুলাইফা হতে (কুরবানীর পশুকে) ইশ্‘আর এবং কিলাদা করে পরে ইহ্‌রাম বাঁধে।

সহিহ বুখারী ১৬৯৪

حدثنا أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية من المدينة في بضع عشرة مائة من أصحابه حتى إذا كانوا بذي الحليفة قلد النبي الهدي وأشعر وأحرم بالعمرة

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামা ও মারওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়েই বলেছেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক হাজারেরও অধিক সাহাবী নিয়ে মদীনা হতে বের হয়ে যুর-হুলাইফা পৌঁছে কুরবানীর পশুটিকে কিলাদা পরালেন এবং ইশ‘আর করলেন। এরপর তিনি ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধলেন। (১৬৯৪=১৮১১. ২৭১২, ২৭৩১, ৪১৫৮, ৪১৭৮, ৪১৮১) (১৬৯৫=২৭১১, ২৭৩২, ৪১৫৭, ৪১৭৯, ৪১৮০) (আঃপ্রঃ ১৫৭৭, ইঃফাঃ ১৫৮৪)

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামা ও মারওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়েই বলেছেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক হাজারেরও অধিক সাহাবী নিয়ে মদীনা হতে বের হয়ে যুর-হুলাইফা পৌঁছে কুরবানীর পশুটিকে কিলাদা পরালেন এবং ইশ‘আর করলেন। এরপর তিনি ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধলেন। (১৬৯৪=১৮১১. ২৭১২, ২৭৩১, ৪১৫৮, ৪১৭৮, ৪১৮১) (১৬৯৫=২৭১১, ২৭৩২, ৪১৫৭, ৪১৭৯, ৪১৮০) (আঃপ্রঃ ১৫৭৭, ইঃফাঃ ১৫৮৪)

حدثنا أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية من المدينة في بضع عشرة مائة من أصحابه حتى إذا كانوا بذي الحليفة قلد النبي الهدي وأشعر وأحرم بالعمرة


সহিহ বুখারী ১৬৯৫

حدثنا أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية من المدينة في بضع عشرة مائة من أصحابه حتى إذا كانوا بذي الحليفة قلد النبي الهدي وأشعر وأحرم بالعمرة

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামা ও মারওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়েই বলেছেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক হাজারেরও অধিক সাহাবী নিয়ে মদীনা হতে বের হয়ে যুর-হুলাইফা পৌঁছে কুরবানীর পশুটিকে কিলাদা পরালেন এবং ইশ‘আর করলেন। এরপর তিনি ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধলেন। (১৬৯৪=১৮১১. ২৭১২, ২৭৩১, ৪১৫৮, ৪১৭৮, ৪১৮১) (১৬৯৫=২৭১১, ২৭৩২, ৪১৫৭, ৪১৭৯, ৪১৮০) (আঃপ্রঃ ১৫৭৭, ইঃফাঃ ১৫৮৪)

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামা ও মারওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়েই বলেছেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক হাজারেরও অধিক সাহাবী নিয়ে মদীনা হতে বের হয়ে যুর-হুলাইফা পৌঁছে কুরবানীর পশুটিকে কিলাদা পরালেন এবং ইশ‘আর করলেন। এরপর তিনি ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধলেন। (১৬৯৪=১৮১১. ২৭১২, ২৭৩১, ৪১৫৮, ৪১৭৮, ৪১৮১) (১৬৯৫=২৭১১, ২৭৩২, ৪১৫৭, ৪১৭৯, ৪১৮০) (আঃপ্রঃ ১৫৭৭, ইঃফাঃ ১৫৮৪)

حدثنا أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية من المدينة في بضع عشرة مائة من أصحابه حتى إذا كانوا بذي الحليفة قلد النبي الهدي وأشعر وأحرم بالعمرة


সহিহ বুখারী ১৬৯৬

حدثنا أبو نعيم حدثنا أفلح عن القاسم عن عائشة قالت فتلت قلائد بدن النبي صلى الله عليه وسلم بيدي ثم قلدها وأشعرها وأهداها فما حرم عليه شيء كان أحل له

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি তাকে কিলাদা পরিয়ে ইশ‘আর করার পর পাঠিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁর জন্য যা হালাল ছিল এতে তা হারাম হয়নি। (১৬৯৮, ১৬৯৯, ১৭০১ হতে ১৭০৫, ২৩১৭, ৫৫৬৬, মুসলিম ১৫/৬৪, হাঃ ১৩২১) (আঃপ্রঃ ১৫৭৮, ইঃফাঃ ১৫৮৫)

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি তাকে কিলাদা পরিয়ে ইশ‘আর করার পর পাঠিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁর জন্য যা হালাল ছিল এতে তা হারাম হয়নি। (১৬৯৮, ১৬৯৯, ১৭০১ হতে ১৭০৫, ২৩১৭, ৫৫৬৬, মুসলিম ১৫/৬৪, হাঃ ১৩২১) (আঃপ্রঃ ১৫৭৮, ইঃফাঃ ১৫৮৫)

حدثنا أبو نعيم حدثنا أفلح عن القاسم عن عائشة قالت فتلت قلائد بدن النبي صلى الله عليه وسلم بيدي ثم قلدها وأشعرها وأهداها فما حرم عليه شيء كان أحل له


সহিহ বুখারী > উট এবং গরুর জন্য কিলাদা পাকানো।

সহিহ বুখারী ১৬৯৭

حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله قال أخبرني نافع عن ابن عمر عن حفصة قالت قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت قال إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أحل من الحج

হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! লোকদের কী হল তারা হালাল হয়ে গেল আর আপনি হালাল হলেন না? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তো আমার মাথার তালবিদ করেছি এবং আমার কুরবানীর জানোয়ারকে কিলাদা পরিয়ে দিয়েছি, তাই হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত আমি হালাল হতে পারি না। (১৫৬৬) (আঃপ্রঃ ১৫৭৯, ইঃফাঃ ১৫৮৬)

হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! লোকদের কী হল তারা হালাল হয়ে গেল আর আপনি হালাল হলেন না? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তো আমার মাথার তালবিদ করেছি এবং আমার কুরবানীর জানোয়ারকে কিলাদা পরিয়ে দিয়েছি, তাই হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত আমি হালাল হতে পারি না। (১৫৬৬) (আঃপ্রঃ ১৫৭৯, ইঃফাঃ ১৫৮৬)

حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله قال أخبرني نافع عن ابن عمر عن حفصة قالت قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت قال إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أحل من الحج


সহিহ বুখারী ১৬৯৮

حدثنا عبد الله بن يوسف حدثنا الليث حدثنا ابن شهاب عن عروة وعن عمرة بنت عبد الرحمٰن أن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يهدي من المدينة فأفتل قلائد هديه ثم لا يجتنب شيئا مما يجتنبه المحرم

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনা হতে কুরবানীর পশু পাঠাতেন, আমি তার গলায় কিলাদার মালা পাকিয়ে দিতাম। এরপর মুহরিম যে কাজ বর্জন করে, তিনি তার কিছু বর্জন করতেন না। (১৬৯৬)(আঃপ্রঃ ১৫৮০, ইঃফাঃ ১৫৮৭)

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনা হতে কুরবানীর পশু পাঠাতেন, আমি তার গলায় কিলাদার মালা পাকিয়ে দিতাম। এরপর মুহরিম যে কাজ বর্জন করে, তিনি তার কিছু বর্জন করতেন না। (১৬৯৬)(আঃপ্রঃ ১৫৮০, ইঃফাঃ ১৫৮৭)

حدثنا عبد الله بن يوسف حدثنا الليث حدثنا ابن شهاب عن عروة وعن عمرة بنت عبد الرحمٰن أن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يهدي من المدينة فأفتل قلائد هديه ثم لا يجتنب شيئا مما يجتنبه المحرم


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00