সহিহ বুখারী > মুযদালিফা থেকে কখন যাত্রা করবে?
সহিহ বুখারী ১৬৮৪
حدثنا حجاج بن منهال حدثنا شعبة عن أبي إسحاق سمعت عمرو بن ميمون يقول شهدت عمر صلى بجمع الصبح ثم وقف فقال إن المشركين كانوا لا يفيضون حتى تطلع الشمس ويقولون أشرق ثبير وأن النبي صلى الله عليه وسلم خالفهم ثم أفاض قبل أن تطلع الشمس
‘আমর ইব্নু মায়মূন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি, ‘উমর (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম। তিনি মুযদালিফাতে ফজরের সালাত আদায় করে (মাশ‘আরে হারামে) উকূফ করলেন এবং তিনি বললেন, মুশরিকরা সূর্য না উঠা পর্যন্ত রওয়ানা হত না। তারা বলত, হে সাবীর! আলোকিত হও। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিপরীত করলেন এবং তিনি সূর্য উঠার আগেই রওয়ানা হলেন। (৩৮৩৮) (আঃপ্রঃ ১৫৭০, ইঃফাঃ ১৫৭৬)
‘আমর ইব্নু মায়মূন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি, ‘উমর (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম। তিনি মুযদালিফাতে ফজরের সালাত আদায় করে (মাশ‘আরে হারামে) উকূফ করলেন এবং তিনি বললেন, মুশরিকরা সূর্য না উঠা পর্যন্ত রওয়ানা হত না। তারা বলত, হে সাবীর! আলোকিত হও। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিপরীত করলেন এবং তিনি সূর্য উঠার আগেই রওয়ানা হলেন। (৩৮৩৮) (আঃপ্রঃ ১৫৭০, ইঃফাঃ ১৫৭৬)
حدثنا حجاج بن منهال حدثنا شعبة عن أبي إسحاق سمعت عمرو بن ميمون يقول شهدت عمر صلى بجمع الصبح ثم وقف فقال إن المشركين كانوا لا يفيضون حتى تطلع الشمس ويقولون أشرق ثبير وأن النبي صلى الله عليه وسلم خالفهم ثم أفاض قبل أن تطلع الشمس
সহিহ বুখারী > কুরবানীর দিবসে সকালে জামরায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপের সময় তাকবীর ও তালবিয়া পাঠ করা এবং চলার পথে কাউকে সওয়ারীতে পেছনে বসানো
সহিহ বুখারী ১৬৮৬
حدثنا زهير بن حرب حدثنا وهب بن جرير حدثنا أبي عن يونس الأيلي عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس أن أسامة بن زيد كان ردف النبي صلى الله عليه وسلم من عرفة إلى المزدلفة ثم أردف الفضل من المزدلفة إلى منى قال فكلاهما قالا لم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى جمرة العقبة
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আরাফা হতে মুযদালিফা আসার পথে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সওয়ারীর পেছনে উসামাহ (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর মুযদালিফা হতে মিনার পথে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাযলকে সওয়ারীর পেছনে বসালেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তারা উভয়েই বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামারায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর না মারা পর্যন্ত অনবরত তালবিয়া পাঠ করছিলেন। (১৫৪৪) (আঃপ্রঃ ১৫৭২, ইঃফাঃ ১৫৭৮)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আরাফা হতে মুযদালিফা আসার পথে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সওয়ারীর পেছনে উসামাহ (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর মুযদালিফা হতে মিনার পথে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাযলকে সওয়ারীর পেছনে বসালেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তারা উভয়েই বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামারায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর না মারা পর্যন্ত অনবরত তালবিয়া পাঠ করছিলেন। (১৫৪৪) (আঃপ্রঃ ১৫৭২, ইঃফাঃ ১৫৭৮)
حدثنا زهير بن حرب حدثنا وهب بن جرير حدثنا أبي عن يونس الأيلي عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس أن أسامة بن زيد كان ردف النبي صلى الله عليه وسلم من عرفة إلى المزدلفة ثم أردف الفضل من المزدلفة إلى منى قال فكلاهما قالا لم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى جمرة العقبة
সহিহ বুখারী ১৬৮৫
حدثنا أبو عاصم الضحاك بن مخلد أخبرنا ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم أردف الفضل فأخبر الفضل أنه لم يزل يلبي حتى رمى الجمرة
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাযল (রাঃ) -কে তাঁর সওয়ারীর পেছনে বসিয়েছিলেন। সেই ফাযল (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় পৌঁছে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করেছিলেন। (১৫৪৪) (আঃপ্রঃ ১৫৭১, ইঃফাঃ ১৫৭৭)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাযল (রাঃ) -কে তাঁর সওয়ারীর পেছনে বসিয়েছিলেন। সেই ফাযল (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় পৌঁছে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করেছিলেন। (১৫৪৪) (আঃপ্রঃ ১৫৭১, ইঃফাঃ ১৫৭৭)
حدثنا أبو عاصم الضحاك بن مخلد أخبرنا ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم أردف الفضل فأخبر الفضل أنه لم يزل يلبي حتى رمى الجمرة
সহিহ বুখারী ১৬৮৭
حدثنا زهير بن حرب حدثنا وهب بن جرير حدثنا أبي عن يونس الأيلي عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس أن أسامة بن زيد كان ردف النبي صلى الله عليه وسلم من عرفة إلى المزدلفة ثم أردف الفضل من المزدلفة إلى منى قال فكلاهما قالا لم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى جمرة العقبة
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আরাফা হতে মুযদালিফা আসার পথে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সওয়ারীর পেছনে উসামাহ (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর মুযদালিফা হতে মিনার পথে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাযলকে সওয়ারীর পেছনে বসালেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তারা উভয়েই বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামারায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর না মারা পর্যন্ত অনবরত তালবিয়া পাঠ করছিলেন। (১৫৪৪) (আঃপ্রঃ ১৫৭২, ইঃফাঃ ১৫৭৮)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আরাফা হতে মুযদালিফা আসার পথে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সওয়ারীর পেছনে উসামাহ (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর মুযদালিফা হতে মিনার পথে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাযলকে সওয়ারীর পেছনে বসালেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তারা উভয়েই বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামারায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর না মারা পর্যন্ত অনবরত তালবিয়া পাঠ করছিলেন। (১৫৪৪) (আঃপ্রঃ ১৫৭২, ইঃফাঃ ১৫৭৮)
حدثنا زهير بن حرب حدثنا وهب بن جرير حدثنا أبي عن يونس الأيلي عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس أن أسامة بن زيد كان ردف النبي صلى الله عليه وسلم من عرفة إلى المزدلفة ثم أردف الفضل من المزدلفة إلى منى قال فكلاهما قالا لم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى جمرة العقبة
সহিহ বুখারী > “আর তোমাদের মধ্যে যারা হজ্জ ও ‘উমরাহ একত্রে একই সঙ্গে পালন করতে চাও, তাহলে যা কিছু সহজলভ্য, তা দিয়ে কুরবানী করাই তার উপর কর্তব্য। বস্তুত যারা কুরবানীর পশু পাবে না, তারা হজ্জের দিনগুলোর মধ্যে তিনটি সওম পালন করবে এবং সাতটি পালন করবে ফিরে যাবার পর। এভাবে দশটি সিয়াম পূর্ণ হয়ে যাবে। এ নির্দেশটি তাদের জন্য যাদের পরিবার-পরিজন মাসজিদুল হারামের আশেপাশে বসবাস করে না।” (আল-বাকারা : ১৯৬)
সহিহ বুখারী ১৬৮৮
حدثنا إسحاق بن منصور أخبرنا النضر أخبرنا شعبة حدثنا أبو جمرة قال سألت ابن عباسعن المتعة فأمرني بها وسألته عن الهدي فقال فيها جزور أو بقرة أو شاة أو شرك في دم قال وكأن ناسا كرهوها فنمت فرأيت في المنام كأن إنسانا ينادي حج مبرور ومتعة متقبلة فأتيت ابن عباس فحدثته فقال الله أكبر سنة أبي القاسم قال وقال آدم ووهب بن جرير وغندر عن شعبة عمرة متقبلة وحج مبرور
আবূ জামরাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে তামাত্তু‘ হজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে তা আদায় করতে আদেশ দিলেন। এরপর আমি তাঁকে কুরবানী সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তামাত্তু‘র কুরবানী হলো একটি উট, গরু বা বকরী অথবা এক কুরবানীর পশুর মধ্যে শরীকানা এক অংশ। আবূ জামরাহ (রহঃ) বলেন, লোকেরা তামাত্তু‘ হজ্জকে যেন অপছন্দ করত। একদা আমি ঘুমালাম তখন দেখলাম, একটি লোক যেন (আমাকে লক্ষ্য করে) ঘোষণা দিচ্ছে, উত্তম হজ্জ এবং মাকবূল তামাত্তু‘। এরপর আমি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) -এর কাছে এসে স্বপ্নের কথা বললাম। তিনি আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করে বললেন, এটাই তো আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত। আদম, ওয়াহাব ইব্নু জারীর এবং গুনদার (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ) হতে মাকবূল ‘উমরাহ এবং উত্তম হজ্জ বলে উল্লেখ করেছেন। (১৫৬৭) (আঃপ্রঃ অনুচ্ছেদ ১০২, ইঃফাঃ ১৫৭৯)
আবূ জামরাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে তামাত্তু‘ হজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে তা আদায় করতে আদেশ দিলেন। এরপর আমি তাঁকে কুরবানী সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তামাত্তু‘র কুরবানী হলো একটি উট, গরু বা বকরী অথবা এক কুরবানীর পশুর মধ্যে শরীকানা এক অংশ। আবূ জামরাহ (রহঃ) বলেন, লোকেরা তামাত্তু‘ হজ্জকে যেন অপছন্দ করত। একদা আমি ঘুমালাম তখন দেখলাম, একটি লোক যেন (আমাকে লক্ষ্য করে) ঘোষণা দিচ্ছে, উত্তম হজ্জ এবং মাকবূল তামাত্তু‘। এরপর আমি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) -এর কাছে এসে স্বপ্নের কথা বললাম। তিনি আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করে বললেন, এটাই তো আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত। আদম, ওয়াহাব ইব্নু জারীর এবং গুনদার (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ) হতে মাকবূল ‘উমরাহ এবং উত্তম হজ্জ বলে উল্লেখ করেছেন। (১৫৬৭) (আঃপ্রঃ অনুচ্ছেদ ১০২, ইঃফাঃ ১৫৭৯)
حدثنا إسحاق بن منصور أخبرنا النضر أخبرنا شعبة حدثنا أبو جمرة قال سألت ابن عباسعن المتعة فأمرني بها وسألته عن الهدي فقال فيها جزور أو بقرة أو شاة أو شرك في دم قال وكأن ناسا كرهوها فنمت فرأيت في المنام كأن إنسانا ينادي حج مبرور ومتعة متقبلة فأتيت ابن عباس فحدثته فقال الله أكبر سنة أبي القاسم قال وقال آدم ووهب بن جرير وغندر عن شعبة عمرة متقبلة وحج مبرور
সহিহ বুখারী > কুরবানীর উটের পিঠে আরোহণ করা। আল্লাহর বাণীঃ
সহিহ বুখারী ১৬৮৯
حدثنا عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال اركبها فقال إنها بدنة فقال اركبها قال إنها بدنة قال اركبها ويلك في الثالثة أو في الثانية
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হ্যাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর। সে বলল, এ-তো কুরবানীর উট। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর পিঠে সওয়ার হয়ে চল। এবারও লোকটি বলল, এ-তো কুরবানীর উট। এরপরও আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর, তোমার সর্বনাশ! এ কথাটি দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারে বলেছেন। (১৭০৬, ২৭৫৫, ৬১৬০, মুসলিম ১৫/৬৫, হাঃ ১৩২২, আহমাদ ১০৩১৯) (আঃপ্রঃ ১৫৭৩, ইঃফাঃ ১৫৮০)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হ্যাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর। সে বলল, এ-তো কুরবানীর উট। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর পিঠে সওয়ার হয়ে চল। এবারও লোকটি বলল, এ-তো কুরবানীর উট। এরপরও আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর, তোমার সর্বনাশ! এ কথাটি দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারে বলেছেন। (১৭০৬, ২৭৫৫, ৬১৬০, মুসলিম ১৫/৬৫, হাঃ ১৩২২, আহমাদ ১০৩১৯) (আঃপ্রঃ ১৫৭৩, ইঃফাঃ ১৫৮০)
حدثنا عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال اركبها فقال إنها بدنة فقال اركبها قال إنها بدنة قال اركبها ويلك في الثالثة أو في الثانية
সহিহ বুখারী ১৬৯০
حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا هشام وشعبة قالا حدثنا قتادة عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال اركبها قال إنها بدنة قال اركبها قال إنها بدنة قال اركبها ثلاثا
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হ্যাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। সে বলল, এ তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। লোকটি বলল, এ তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। (২৭৫৪, ৬১৫৯, মুসলিম ১৫/৬৫, হাঃ ১২২৩, আহমাদ ১২০৪০) (আঃপ্রঃ ১৫৭৪, ইঃফাঃ ১৫৮১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হ্যাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। সে বলল, এ তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। লোকটি বলল, এ তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। (২৭৫৪, ৬১৫৯, মুসলিম ১৫/৬৫, হাঃ ১২২৩, আহমাদ ১২০৪০) (আঃপ্রঃ ১৫৭৪, ইঃফাঃ ১৫৮১)
حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا هشام وشعبة قالا حدثنا قتادة عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال اركبها قال إنها بدنة قال اركبها قال إنها بدنة قال اركبها ثلاثا