সহিহ বুখারী > সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সা”ঈ করা প্রসঙ্গে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
সহিহ বুখারী ১৬৪৬
وسألنا جابر بن عبد الله فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে উক্ত বিষয়ে জিজ্জেস করলাম। তখন তিনি বললেন, সাফা ও মারয়ার সা’ঈ করার পূর্বে কারো পক্ষে স্ত্রী সহবাস মোটেই বৈধ হবে না। (৩৯৬) (আঃপ্রঃ ১৫৩৪ শেষাংশ, ইঃফাঃ ১৫৪০ শেষাংশ)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে উক্ত বিষয়ে জিজ্জেস করলাম। তখন তিনি বললেন, সাফা ও মারয়ার সা’ঈ করার পূর্বে কারো পক্ষে স্ত্রী সহবাস মোটেই বৈধ হবে না। (৩৯৬) (আঃপ্রঃ ১৫৩৪ শেষাংশ, ইঃফাঃ ১৫৪০ শেষাংশ)
وسألنا جابر بن عبد الله فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة
সহিহ বুখারী ১৬৪৭
حدثنا المكي بن إبراهيم عن ابن جريج قال أخبرني عمرو بن دينار قال سمعت ابن عمر قال قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة فطاف بالبيت ثم صلى ركعتين ثم سعى بين الصفا والمروة ثم تلا {لقد كان لكم في رسول الله إسوة حسنة}
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সম্পন্ন করলেন। এরপর দু’রাকা’রাত সালাত আদায় করলেন। এরপর সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করলেন। এরপর তিনি (ইব্নু ‘উমর) তিলাওয়াত করলেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ” – (আল আহযাবঃ২১)। (৩৯৫) (আঃপ্রঃ ১৫৩৫, ইঃফাঃ১৫৪১)
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সম্পন্ন করলেন। এরপর দু’রাকা’রাত সালাত আদায় করলেন। এরপর সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করলেন। এরপর তিনি (ইব্নু ‘উমর) তিলাওয়াত করলেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ” – (আল আহযাবঃ২১)। (৩৯৫) (আঃপ্রঃ ১৫৩৫, ইঃফাঃ১৫৪১)
حدثنا المكي بن إبراهيم عن ابن جريج قال أخبرني عمرو بن دينار قال سمعت ابن عمر قال قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة فطاف بالبيت ثم صلى ركعتين ثم سعى بين الصفا والمروة ثم تلا {لقد كان لكم في رسول الله إسوة حسنة}
সহিহ বুখারী ১৬৪৫
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو بن دينار قال سألنا ابن عمر عن رجل طاف بالبيت في عمرة ولم يطف بين الصفا والمروة أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا وصلى خلف المقام ركعتين فطاف بين الصفا والمروة سبعا {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة}
‘আমর ইব্নু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-এর নিকট জিজ্জেস করলাম, কোন ব্যক্তি ‘উমরাহ করতে গিয়ে শুধু বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করে, আর সাফা ও মারওয়া সা’ঈ না করে, তার পক্ষে কি স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে? তখন তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) উপনীত হয়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ সাত চক্করে সমাধা করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করলেন, এরপর সাত চক্করে সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করলেন। [এতটুকু বলে ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন] “তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(আল-আহযাবঃ ২১)।(৩৯৫)(আঃপ্রঃ ১৫৩৪, ইঃফাঃ ১৫৪০)
‘আমর ইব্নু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-এর নিকট জিজ্জেস করলাম, কোন ব্যক্তি ‘উমরাহ করতে গিয়ে শুধু বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করে, আর সাফা ও মারওয়া সা’ঈ না করে, তার পক্ষে কি স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে? তখন তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) উপনীত হয়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ সাত চক্করে সমাধা করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করলেন, এরপর সাত চক্করে সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করলেন। [এতটুকু বলে ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন] “তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(আল-আহযাবঃ ২১)।(৩৯৫)(আঃপ্রঃ ১৫৩৪, ইঃফাঃ ১৫৪০)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو بن دينار قال سألنا ابن عمر عن رجل طاف بالبيت في عمرة ولم يطف بين الصفا والمروة أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا وصلى خلف المقام ركعتين فطاف بين الصفا والمروة سبعا {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة}
সহিহ বুখারী ১৬৪৪
حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون حدثنا عيسى بن يونس عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا طاف الطواف الأول خب ثلاثا ومشى أربعا وكان يسعى بطن المسيل إذا طاف بين الصفا والمروة فقلت لنافع أكان عبد الله يمشي إذا بلغ الركن اليماني قال لا إلا أن يزاحم على الركن فإنه كان لا يدعه حتى يستلمه
ইবনে ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফ-ই-কুদূমের সময় প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন ও পরবর্তী চার চক্কর স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে চলতেন এবং সাফা ও মারওয়ার মাঝে সা’ঈর সময় বাতনে মসীলে দ্রত চলতেন। আমি (‘উবাইদুল্লাহ) না’ফিকে বললাম, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কি রুকন ইয়ামনীতে পৌছে হেঁটে চলতেন? তিনি বললেন, না। তবে হাজ্রে আসওয়াদের নিকট ভীড় হলে (একটুখানি মন্থর গতিতে চলতেন), কারণ তিনি তা চুম্বন না করে সরে যেতেন না। (১৬০৩) (আঃপ্রঃ ১৫৩৩, ইঃফাঃ ১৫৩৯)
ইবনে ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফ-ই-কুদূমের সময় প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন ও পরবর্তী চার চক্কর স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে চলতেন এবং সাফা ও মারওয়ার মাঝে সা’ঈর সময় বাতনে মসীলে দ্রত চলতেন। আমি (‘উবাইদুল্লাহ) না’ফিকে বললাম, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কি রুকন ইয়ামনীতে পৌছে হেঁটে চলতেন? তিনি বললেন, না। তবে হাজ্রে আসওয়াদের নিকট ভীড় হলে (একটুখানি মন্থর গতিতে চলতেন), কারণ তিনি তা চুম্বন না করে সরে যেতেন না। (১৬০৩) (আঃপ্রঃ ১৫৩৩, ইঃফাঃ ১৫৩৯)
حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون حدثنا عيسى بن يونس عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا طاف الطواف الأول خب ثلاثا ومشى أربعا وكان يسعى بطن المسيل إذا طاف بين الصفا والمروة فقلت لنافع أكان عبد الله يمشي إذا بلغ الركن اليماني قال لا إلا أن يزاحم على الركن فإنه كان لا يدعه حتى يستلمه
সহিহ বুখারী ১৬৪৮
حدثنا أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم قال قلت لأنس بن مالك أكنتم تكرهون السعي بين الصفا والمروة قال نعم لأنها كانت من شعائر الجاهلية حتى أنزل الله {إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما}
‘আসিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) কে বললাম, আপনারা কি সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করতে অপছন্দ করতেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। কেননা তা ছিল জাহিলী যুগের নিদর্শন। অবশেষে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেনঃ “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন। কাজেই হজ্জ বা ‘উমরাকারীদের জন্য এ দুইয়ের মধ্যে সা’ঈ করায় কোন দোষ নেই” – (আল-বাকারাঃ ১৫৮)। (৪৪৯৬, মুসলিম ১৫/৪৩, হাঃ ১২৭৮) (আঃপ্রঃ ১৫৩৬, ইঃফাঃ১৫৪২)
‘আসিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) কে বললাম, আপনারা কি সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করতে অপছন্দ করতেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। কেননা তা ছিল জাহিলী যুগের নিদর্শন। অবশেষে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেনঃ “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন। কাজেই হজ্জ বা ‘উমরাকারীদের জন্য এ দুইয়ের মধ্যে সা’ঈ করায় কোন দোষ নেই” – (আল-বাকারাঃ ১৫৮)। (৪৪৯৬, মুসলিম ১৫/৪৩, হাঃ ১২৭৮) (আঃপ্রঃ ১৫৩৬, ইঃফাঃ১৫৪২)
حدثنا أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم قال قلت لأنس بن مالك أكنتم تكرهون السعي بين الصفا والمروة قال نعم لأنها كانت من شعائر الجاهلية حتى أنزل الله {إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما}
সহিহ বুখারী ১৬৪৯
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو بن دينار عن عطاء عن ابن عباس قال إنما سعى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالبيت وبين الصفا والمروة ليري المشركين قوته زاد الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو سمعت عطاء عن ابن عباس مثله
ইব্নু ‘আব্বাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদেরকে নিজ শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশে বাইতুল্লাহ তাওয়াফে ও সাফা মারওয়া মধ্যেকার সা’ঈতে দ্রুত চলেছিলেন। (৪২৫৭, মুসলিম ১৫/৩৯, হাঃ ১২৬৬) (আঃপ্রঃ ১৫৩৭, ইঃফাঃ ১৫৪৩)
ইব্নু ‘আব্বাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদেরকে নিজ শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশে বাইতুল্লাহ তাওয়াফে ও সাফা মারওয়া মধ্যেকার সা’ঈতে দ্রুত চলেছিলেন। (৪২৫৭, মুসলিম ১৫/৩৯, হাঃ ১২৬৬) (আঃপ্রঃ ১৫৩৭, ইঃফাঃ ১৫৪৩)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو بن دينار عن عطاء عن ابن عباس قال إنما سعى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالبيت وبين الصفا والمروة ليري المشركين قوته زاد الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو سمعت عطاء عن ابن عباس مثله
সহিহ বুখারী > ঋতুবতী নারীর বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্য সকল কার্য সম্পাদন করা এবং অযূ ব্যতীত সাফা ও মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করা।
সহিহ বুখারী ১৬৫০
حدثنا عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت قدمت مكة وأنا حائض ولم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة قالت فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال افعلي كما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت حتى تطهري
‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মক্কা-য় আসার পর ঋতুবতী হওয়ার কারণে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা সা’ঈ করতে পারিনি। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ অসুবিধার কথা জানালে তিনি বললেনঃ পবিত্র হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত অন্য সকল কাজ অপর হাজীদের ন্যায় সম্পন্ন করে নাও। (২৯৪) (আঃপ্রঃ১৫৩৮, ইঃফাঃ১৫৪৪)
‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মক্কা-য় আসার পর ঋতুবতী হওয়ার কারণে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা সা’ঈ করতে পারিনি। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ অসুবিধার কথা জানালে তিনি বললেনঃ পবিত্র হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত অন্য সকল কাজ অপর হাজীদের ন্যায় সম্পন্ন করে নাও। (২৯৪) (আঃপ্রঃ১৫৩৮, ইঃফাঃ১৫৪৪)
حدثنا عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت قدمت مكة وأنا حائض ولم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة قالت فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال افعلي كما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت حتى تطهري
সহিহ বুখারী ১৬৫১
حدثنا محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال ح وقال لي خليفة حدثنا عبد الوهاب حدثنا حبيب المعلم عن عطاء عن جابر بن عبد الله قال أهل النبي صلى الله عليه وسلم هو وأصحابه بالحج وليس مع أحد منهم هدي غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة وقدم علي من اليمن ومعه هدي فقال أهللت بما أهل به النبي فأمر النبي أصحابه أن يجعلوها عمرة ويطوفوا ثم يقصروا ويحلوا إلا من كان معه الهدي فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت ولولا أن معي الهدي لأحللت وحاضت عائشة فنسكت المناسك كلها غير أنها لم تطف بالبيت فلما طهرت طافت بالبيت قالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم تنطلقون بحجة وعمرة وأنطلق بحج فأمر عبد الرحمٰن بن أبي بكر أن يخرج معها إلى التنعيم فاعتمرت بعد الحج
জাবির ইব্নু ‘আব্দুল্লাহর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ হজ্জ-এর ইহ্রাম বাঁধেন, তাঁদের মাঝে কেবল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল না। ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আগমন করে, তাঁর সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল। তিনি [আলী (রাঃ) ] বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ ইহ্রাম বেঁধেছেন, আমি ও সেরূপ ইহ্রাম বেঁধেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণের মধ্যে যাদের নিকট কুরবানীর পশু ছিল না, তাদের ইহ্রামকে ‘উমরায় পরিণত করার নির্দেশ দিলেন, তারা যেন তাওয়াফ করে, চুল ছেঁটে অথবা মাথা মুণ্ডিয়ে হালাল হয়ে যায়। তারা বলাবলি করতে লাগলেন, (যদি হালাল হয়ে যাই তা হলে) স্ত্রীর সাথে মিলনের পরপরই আমাদের পক্ষে মিনায় যাওয়াটা কেমন হবে! তা অবগত হয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি পরে যা জানতে পেরেছি তা যদি আগে জানতে পারতাম, তাহলে কুরবানীর পশু সাথে আনতাম না। আমার সাথে কুরবানীর পশু না থাকলে অবশ্যই ইহ্রাম ভঙ্গ করতাম। (হজ্জ এর সফরে) ‘আয়েশা (রাঃ) ঋতুবতী হওয়ার কারণে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ ব্যতীত হজ্জ-এর অন্য সকল কাজ সম্পন্ন করে নেন। পবিত্র হওয়ার পর তাওয়াফ আদায় করেন, (ফিরার পথে) ‘আয়েশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সকলেই হজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়টি আদায় করে ফিরছে, আর আমি কেবল হজ্জ আদায় করে ফিরছি, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইব্নু আবূ বকর (রাঃ) -কে নির্দেশ দিলেন, যেন ‘আয়েশা (রাঃ) -কে নিয়ে তান’ঈমে চলে যান, সেখানে গিয়ে ‘উমরাহর ইহ্রাম বাঁধবেন)। ‘আয়েশা (রাঃ) হজ্জের পর ‘উমরাহ আদায় করে নিলেন। (১৫৫৭) (আঃপ্রঃ১৫৩৯, ইঃফাঃ১৫৪৫)
জাবির ইব্নু ‘আব্দুল্লাহর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ হজ্জ-এর ইহ্রাম বাঁধেন, তাঁদের মাঝে কেবল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল না। ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আগমন করে, তাঁর সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল। তিনি [আলী (রাঃ) ] বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ ইহ্রাম বেঁধেছেন, আমি ও সেরূপ ইহ্রাম বেঁধেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণের মধ্যে যাদের নিকট কুরবানীর পশু ছিল না, তাদের ইহ্রামকে ‘উমরায় পরিণত করার নির্দেশ দিলেন, তারা যেন তাওয়াফ করে, চুল ছেঁটে অথবা মাথা মুণ্ডিয়ে হালাল হয়ে যায়। তারা বলাবলি করতে লাগলেন, (যদি হালাল হয়ে যাই তা হলে) স্ত্রীর সাথে মিলনের পরপরই আমাদের পক্ষে মিনায় যাওয়াটা কেমন হবে! তা অবগত হয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি পরে যা জানতে পেরেছি তা যদি আগে জানতে পারতাম, তাহলে কুরবানীর পশু সাথে আনতাম না। আমার সাথে কুরবানীর পশু না থাকলে অবশ্যই ইহ্রাম ভঙ্গ করতাম। (হজ্জ এর সফরে) ‘আয়েশা (রাঃ) ঋতুবতী হওয়ার কারণে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ ব্যতীত হজ্জ-এর অন্য সকল কাজ সম্পন্ন করে নেন। পবিত্র হওয়ার পর তাওয়াফ আদায় করেন, (ফিরার পথে) ‘আয়েশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সকলেই হজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়টি আদায় করে ফিরছে, আর আমি কেবল হজ্জ আদায় করে ফিরছি, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইব্নু আবূ বকর (রাঃ) -কে নির্দেশ দিলেন, যেন ‘আয়েশা (রাঃ) -কে নিয়ে তান’ঈমে চলে যান, সেখানে গিয়ে ‘উমরাহর ইহ্রাম বাঁধবেন)। ‘আয়েশা (রাঃ) হজ্জের পর ‘উমরাহ আদায় করে নিলেন। (১৫৫৭) (আঃপ্রঃ১৫৩৯, ইঃফাঃ১৫৪৫)
حدثنا محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال ح وقال لي خليفة حدثنا عبد الوهاب حدثنا حبيب المعلم عن عطاء عن جابر بن عبد الله قال أهل النبي صلى الله عليه وسلم هو وأصحابه بالحج وليس مع أحد منهم هدي غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة وقدم علي من اليمن ومعه هدي فقال أهللت بما أهل به النبي فأمر النبي أصحابه أن يجعلوها عمرة ويطوفوا ثم يقصروا ويحلوا إلا من كان معه الهدي فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت ولولا أن معي الهدي لأحللت وحاضت عائشة فنسكت المناسك كلها غير أنها لم تطف بالبيت فلما طهرت طافت بالبيت قالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم تنطلقون بحجة وعمرة وأنطلق بحج فأمر عبد الرحمٰن بن أبي بكر أن يخرج معها إلى التنعيم فاعتمرت بعد الحج
সহিহ বুখারী ১৬৫২
حدثنا مؤمل بن هشام حدثنا إسماعيل عن أيوب عن حفصة قالت كنا نمنع عواتقنا أن يخرجن فقدمت امرأة فنزلت قصر بني خلف فحدثت أن أختها كانت تحت رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قد غزا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثنتي عشرة غزوة وكانت أختي معه في ست غزوات قالت كنا نداوي الكلمى ونقوم على المرضى فسألت أختي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت هل على إحدانا بأس إن لم يكن لها جلباب أن لا تخرج قال لتلبسها صاحبتها من جلبابها ولتشهد الخير ودعوة المؤمنين فلما قدمت أم عطية سألنها أو قالت سألناها فقالت وكانت لا تذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبدا إلا قالت بأبي فقلنا أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كذا وكذا قالت نعم بأبي فقال لتخرج العواتق ذوات الخدور أو العواتق وذوات الخدور والحيض فيشهدن الخير ودعوة المسلمين ويعتزل الحيض المصلى فقلت أالحائض فقالت أوليس تشهد عرفة وتشهد كذا وتشهد كذا
হাফসাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আমাদের যুবতীদেরকে বের হতে নিষেধ করতাম। এক মহিলা বনূ খালীফা-এর দুর্গে এলেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, তাঁর বোন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক সাহাবীর সহধর্মিণী ছিলেন। যিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলেন, (সেগুলোর মধ্যে) ছয়টি যুদ্ধে আমার বোনও স্বামীর সঙ্গে ছিলেন। তাঁর বোন বলেন, আমরা আহত যোদ্ধা ও অসুস্থ সৈনিকদের সেবা করতাম। আমার বোন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমাদের মধ্যে যার (শরীর উত্তমরূপে আবৃত করার মত) চাদর নেই, সে বের না হলে অন্যায় হবে কি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের একজন অপরজনকে তাঁর প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাদরটি দিয়ে দেয়া উচিত এবং কল্যাণমূলক কাজে ও মু’মিনদের দু’আয় বের হওয়া উচিত। উম্মু ‘আতিয়া (রাঃ) উপস্থিত হলে এ বিষয়ে তাঁর নিকট আমি জিজ্ঞেস করলাম, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা (আমার পিতা উৎসর্গ হোন) ব্যতীত কখনও উচ্চারণ করতেন না। আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। আমার পিতা উৎসর্গ হোন। তিনি বললেনঃ যূবতী ও পর্দাশীলা নারীদেরও বের হওয়া উচিত। অথবা বললেনঃ পর্দাশীলা যুবতী ও ঋতুবতীদেরও বের হওয়া উচিত। তাঁরা কল্যাণমূলক কাজে এবং মুসলমানদের দু’আয় যথাস্থানে উপস্থিত হবে। তবে ঋতুবতী মহিলাগণ সলাতের স্থানে উপস্থিত হবে না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ঋতুবতী মহিলাও কি? তিনি বললেনঃ (কেন উপস্থিত হবে না?) তাঁরা কি ‘আরাফার ময়দানে এবং অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না? (৩২৪) (আঃপ্রঃ১৫৪০, ইঃফাঃ১৫৪৬)
হাফসাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আমাদের যুবতীদেরকে বের হতে নিষেধ করতাম। এক মহিলা বনূ খালীফা-এর দুর্গে এলেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, তাঁর বোন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক সাহাবীর সহধর্মিণী ছিলেন। যিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলেন, (সেগুলোর মধ্যে) ছয়টি যুদ্ধে আমার বোনও স্বামীর সঙ্গে ছিলেন। তাঁর বোন বলেন, আমরা আহত যোদ্ধা ও অসুস্থ সৈনিকদের সেবা করতাম। আমার বোন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমাদের মধ্যে যার (শরীর উত্তমরূপে আবৃত করার মত) চাদর নেই, সে বের না হলে অন্যায় হবে কি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের একজন অপরজনকে তাঁর প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাদরটি দিয়ে দেয়া উচিত এবং কল্যাণমূলক কাজে ও মু’মিনদের দু’আয় বের হওয়া উচিত। উম্মু ‘আতিয়া (রাঃ) উপস্থিত হলে এ বিষয়ে তাঁর নিকট আমি জিজ্ঞেস করলাম, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা (আমার পিতা উৎসর্গ হোন) ব্যতীত কখনও উচ্চারণ করতেন না। আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। আমার পিতা উৎসর্গ হোন। তিনি বললেনঃ যূবতী ও পর্দাশীলা নারীদেরও বের হওয়া উচিত। অথবা বললেনঃ পর্দাশীলা যুবতী ও ঋতুবতীদেরও বের হওয়া উচিত। তাঁরা কল্যাণমূলক কাজে এবং মুসলমানদের দু’আয় যথাস্থানে উপস্থিত হবে। তবে ঋতুবতী মহিলাগণ সলাতের স্থানে উপস্থিত হবে না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ঋতুবতী মহিলাও কি? তিনি বললেনঃ (কেন উপস্থিত হবে না?) তাঁরা কি ‘আরাফার ময়দানে এবং অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না? (৩২৪) (আঃপ্রঃ১৫৪০, ইঃফাঃ১৫৪৬)
حدثنا مؤمل بن هشام حدثنا إسماعيل عن أيوب عن حفصة قالت كنا نمنع عواتقنا أن يخرجن فقدمت امرأة فنزلت قصر بني خلف فحدثت أن أختها كانت تحت رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قد غزا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثنتي عشرة غزوة وكانت أختي معه في ست غزوات قالت كنا نداوي الكلمى ونقوم على المرضى فسألت أختي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت هل على إحدانا بأس إن لم يكن لها جلباب أن لا تخرج قال لتلبسها صاحبتها من جلبابها ولتشهد الخير ودعوة المؤمنين فلما قدمت أم عطية سألنها أو قالت سألناها فقالت وكانت لا تذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبدا إلا قالت بأبي فقلنا أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كذا وكذا قالت نعم بأبي فقال لتخرج العواتق ذوات الخدور أو العواتق وذوات الخدور والحيض فيشهدن الخير ودعوة المسلمين ويعتزل الحيض المصلى فقلت أالحائض فقالت أوليس تشهد عرفة وتشهد كذا وتشهد كذا
সহিহ বুখারী > মক্কার অধিবাসী এবং হজ্জ (তামাত্তু’) সম্পন্নকারীদের ইহ্রাম বাঁধার জায়গা বাতহা ও এ ছাড়া অন্যান্য স্থান অর্থাৎ মক্কার সমস্ত ভূমি এবং মক্কাবাসী হাজীগণ যখন মিনার দিকে রওয়ানা করবে তখন তাঁদের করণীয় কী?
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
সহিহ বুখারী > তারবিয়ার দিন (যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে) হাজী কোন্ স্থানে যুহরের সালাত আদায় করবে?
সহিহ বুখারী ১৬৫৩
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا إسحاق الأزرق حدثنا سفيان عن عبد العزيز بن رفيع قال سألت أنس بن مالك قلت أخبرني بشيء عقلته عن النبي صلى الله عليه وسلم أين صلى الظهر والعصر يوم التروية قال بمنى قلت فأين صلى العصر يوم النفر قال بالأبطح ثم قال افعل كما يفعل أمراؤك
‘আবদুল ‘আযীয ইব্নু রুফাইয়’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে আপনি যা উত্তমরূপে স্মরণ রেখেছেন তার কিছুটা বলুন। বলুন, যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে যুহর ও ‘আসরের সালাত তিনি কোথায় আদায় করতেন? তিনি বললেন, মিনায়। আমি বললাম, মিনা হতে ফিরার দিন ‘আসরের সালাত তিনি কোথায় আদায় করেছেন? তিনি বললেন, মুহাস্সাবে। এরপর আনাস (রাঃ) বললেন, তোমাদের আমীরগণ যেরূপ করবে, তোমরাও অনুরূপ কর। (১৬৫৪, ১৭৬৩, মুসলিম ১৫/৫৮, হাঃ ১৩০৯) (আঃপ্রঃ ১৫৪১, ইঃফাঃ ১৫৪৭)
‘আবদুল ‘আযীয ইব্নু রুফাইয়’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে আপনি যা উত্তমরূপে স্মরণ রেখেছেন তার কিছুটা বলুন। বলুন, যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে যুহর ও ‘আসরের সালাত তিনি কোথায় আদায় করতেন? তিনি বললেন, মিনায়। আমি বললাম, মিনা হতে ফিরার দিন ‘আসরের সালাত তিনি কোথায় আদায় করেছেন? তিনি বললেন, মুহাস্সাবে। এরপর আনাস (রাঃ) বললেন, তোমাদের আমীরগণ যেরূপ করবে, তোমরাও অনুরূপ কর। (১৬৫৪, ১৭৬৩, মুসলিম ১৫/৫৮, হাঃ ১৩০৯) (আঃপ্রঃ ১৫৪১, ইঃফাঃ ১৫৪৭)
حدثني عبد الله بن محمد حدثنا إسحاق الأزرق حدثنا سفيان عن عبد العزيز بن رفيع قال سألت أنس بن مالك قلت أخبرني بشيء عقلته عن النبي صلى الله عليه وسلم أين صلى الظهر والعصر يوم التروية قال بمنى قلت فأين صلى العصر يوم النفر قال بالأبطح ثم قال افعل كما يفعل أمراؤك
সহিহ বুখারী ১৬৫৪
حدثنا علي سمع أبا بكر بن عياش حدثنا عبد العزيز لقيت أنسا ح وحدثني إسماعيل بن أبان حدثنا أبو بكر عن عبد العزيز قال خرجت إلى منى يوم التروية فلقيت أنسا ذاهبا على حمار فقلت أين صلى النبي صلى الله عليه وسلم هذا اليوم الظهر فقال انظر حيث يصلي أمراؤك فصل
‘আবদুল ‘আযী্য (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে মিনার দিকে বের হলাম, তখন আনাস (রাঃ) -এর সাক্ষাৎ লাভ করি, তিনি গাধার পিঠে আরোহণ করে যাচ্ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, এ দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোথায় যুহরের সালাত আদায় করেছিলেন? তিনি বললেন, তুমি লক্ষ্য রাখবে যেখানে তোমার আমীরগণ সালাত আদায় করবে, তুমিও সেখানেই সালাত আদায় করবে। (১৬৫৩) (আঃপ্রঃ ১৫৪২, ইঃফাঃ ১৫৪৮)
‘আবদুল ‘আযী্য (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে মিনার দিকে বের হলাম, তখন আনাস (রাঃ) -এর সাক্ষাৎ লাভ করি, তিনি গাধার পিঠে আরোহণ করে যাচ্ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, এ দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোথায় যুহরের সালাত আদায় করেছিলেন? তিনি বললেন, তুমি লক্ষ্য রাখবে যেখানে তোমার আমীরগণ সালাত আদায় করবে, তুমিও সেখানেই সালাত আদায় করবে। (১৬৫৩) (আঃপ্রঃ ১৫৪২, ইঃফাঃ ১৫৪৮)
حدثنا علي سمع أبا بكر بن عياش حدثنا عبد العزيز لقيت أنسا ح وحدثني إسماعيل بن أبان حدثنا أبو بكر عن عبد العزيز قال خرجت إلى منى يوم التروية فلقيت أنسا ذاهبا على حمار فقلت أين صلى النبي صلى الله عليه وسلم هذا اليوم الظهر فقال انظر حيث يصلي أمراؤك فصل