সহিহ বুখারী > যমযম সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।

সহিহ বুখারী ১৬৩৬

وقال عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال أنس بن مالك كان أبو ذر يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فرج سقفي وأنا بمكة فنزل جبريل عليه السلام ففرج صدري ثم غسله بماء زمزم ثم جاء بطست من ذهب ممتلئ حكمة وإيمانا فأفرغها في صدري ثم أطبقه ثم أخذ بيدي فعرج إلى السماء الدنيا قال جبريل لخازن السماء الدنيا افتح قال من هذا قال جبريل

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি মক্কায় অবস্থানকালে ঘরের ছাদ ফাঁক করা হল এবং জিবরাঈল (‘আঃ) অবতরণ করলেন। এরপর তিনি আমার বক্ষ বিদারণ করলেন এবং তা যমযমের পানি দ্বারা ধুলেন, এরপর ঈমান ও হিক্‌মতে পরিপূর্ণ একটি সোনার পেয়ালা নিয়ে এলেন এবং তা আমার বুকে ঢেলে দিয়ে জোড়া লাগিয়ে দিলেন। অতঃপর আমার হাত ধরে আমাকে নিয়ে দুনিয়ার আসমানে গেলেন এবং জিবরাঈল (‘আঃ) এই আসমানের তত্ত্বাবধানকারী ফেরেশ্‌তাকে বললেন, (দরজা) খোল। তিনি বললেন কে? তিনি বললেন, আমি জিবরাঈল। (৩৪৯) (আঃপ্রঃ ৭৫, ইঃফাঃ অনুচ্ছেদ ১০৩৬)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি মক্কায় অবস্থানকালে ঘরের ছাদ ফাঁক করা হল এবং জিবরাঈল (‘আঃ) অবতরণ করলেন। এরপর তিনি আমার বক্ষ বিদারণ করলেন এবং তা যমযমের পানি দ্বারা ধুলেন, এরপর ঈমান ও হিক্‌মতে পরিপূর্ণ একটি সোনার পেয়ালা নিয়ে এলেন এবং তা আমার বুকে ঢেলে দিয়ে জোড়া লাগিয়ে দিলেন। অতঃপর আমার হাত ধরে আমাকে নিয়ে দুনিয়ার আসমানে গেলেন এবং জিবরাঈল (‘আঃ) এই আসমানের তত্ত্বাবধানকারী ফেরেশ্‌তাকে বললেন, (দরজা) খোল। তিনি বললেন কে? তিনি বললেন, আমি জিবরাঈল। (৩৪৯) (আঃপ্রঃ ৭৫, ইঃফাঃ অনুচ্ছেদ ১০৩৬)

وقال عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال أنس بن مالك كان أبو ذر يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فرج سقفي وأنا بمكة فنزل جبريل عليه السلام ففرج صدري ثم غسله بماء زمزم ثم جاء بطست من ذهب ممتلئ حكمة وإيمانا فأفرغها في صدري ثم أطبقه ثم أخذ بيدي فعرج إلى السماء الدنيا قال جبريل لخازن السماء الدنيا افتح قال من هذا قال جبريل


সহিহ বুখারী ১৬৩৭

حدثنا محمد هو ابن سلام أخبرنا الفزاري عن عاصم عن الشعبي أن ابن عباس حدثه قال سقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم من زمزم فشرب وهو قائم قال عاصم فحلف عكرمة ما كان يومئذ إلا على بعير

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যমযমের পানি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলাম। তিনি তা দাঁড়িয়ে পান করলেন। (রাবী’) ‘আসিম বলেন, ‘ইকরিমা (রাঃ) হলফ করে বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন উটের পিঠে আরোহী অবস্থায়ই ছিলেন। (৫৬১৭, মুসলিম ৩৬/১৫, হাঃ ২০২৭, আহমাদ ২৬০৮) (আঃপ্রঃ ১৫২৭, ইঃফাঃ ১৫৩৩)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যমযমের পানি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলাম। তিনি তা দাঁড়িয়ে পান করলেন। (রাবী’) ‘আসিম বলেন, ‘ইকরিমা (রাঃ) হলফ করে বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন উটের পিঠে আরোহী অবস্থায়ই ছিলেন। (৫৬১৭, মুসলিম ৩৬/১৫, হাঃ ২০২৭, আহমাদ ২৬০৮) (আঃপ্রঃ ১৫২৭, ইঃফাঃ ১৫৩৩)

حدثنا محمد هو ابن سلام أخبرنا الفزاري عن عاصم عن الشعبي أن ابن عباس حدثه قال سقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم من زمزم فشرب وهو قائم قال عاصم فحلف عكرمة ما كان يومئذ إلا على بعير


সহিহ বুখারী > কিরান হজ্জকারীর তাওয়াফ।

সহিহ বুখারী ১৬৩৮

حدثنا عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع فأهللنا بعمرة ثم قال من كان معه هدي فليهل بالحج والعمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما فقدمت مكة وأنا حائض فلما قضينا حجنا أرسلني مع عبد الرحمٰن إلى التنعيم فاعتمرت فقال هذه مكان عمرتك فطاف الذين أهلوا بالعمرة ثم حلوا ثم طافوا طوافا آخر بعد أن رجعوا من منى وأما الذين جمعوا بين الحج والعمرة فإنما طافوا طوافا واحدا

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বিদায় হজ্জে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বের হলাম এবং ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধলাম। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যার সাথে হাদী-এর জানোয়ার আছে সে যেন হজ্জ ও উমরাহ উভয়ের ইহ্‌রাম বেঁধে নেয়। অতঃপর উভয় কাজ সমাপ্ত না করা পর্যন্ত সে হালাল হবে না। আমি মক্কায় উপনীত হয়ে ঋতুবতী হলাম। যখন আমরা হজ্জ সমাপ্ত করলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রাহমান (রাঃ)-এর সঙ্গে আমাকে তান’ঈম প্রেরণ করলেন। এরপর আমি ‘উমরাহ পালন করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ হলো তোমার পূর্ববর্তী (অসমাপ্ত) ‘উমরাহ’র স্থলবর্তী। ঐ হজ্জের সময় যাঁরা (কেবল) ‘উমরাহ’র নিয়্যাতে ইহ্‌রাম বেঁধে এসেছিলেন, তাঁরা তাওয়াফ করে হালাল হয়ে গেলেন। এরপর তাঁরা মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করে দ্বিতীয়বার তাওয়াফ করেন। আর যাঁরা একসাথে ‘উমরাহ ও হজ্জের নিয়্যাত করেছিলেন, তাঁরা একবার তাওয়াফ করলেন। (২৯৪) (আঃপ্রঃ ১৫২৮, ইঃফাঃ ১৫৩৪)

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বিদায় হজ্জে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বের হলাম এবং ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধলাম। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যার সাথে হাদী-এর জানোয়ার আছে সে যেন হজ্জ ও উমরাহ উভয়ের ইহ্‌রাম বেঁধে নেয়। অতঃপর উভয় কাজ সমাপ্ত না করা পর্যন্ত সে হালাল হবে না। আমি মক্কায় উপনীত হয়ে ঋতুবতী হলাম। যখন আমরা হজ্জ সমাপ্ত করলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রাহমান (রাঃ)-এর সঙ্গে আমাকে তান’ঈম প্রেরণ করলেন। এরপর আমি ‘উমরাহ পালন করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ হলো তোমার পূর্ববর্তী (অসমাপ্ত) ‘উমরাহ’র স্থলবর্তী। ঐ হজ্জের সময় যাঁরা (কেবল) ‘উমরাহ’র নিয়্যাতে ইহ্‌রাম বেঁধে এসেছিলেন, তাঁরা তাওয়াফ করে হালাল হয়ে গেলেন। এরপর তাঁরা মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করে দ্বিতীয়বার তাওয়াফ করেন। আর যাঁরা একসাথে ‘উমরাহ ও হজ্জের নিয়্যাত করেছিলেন, তাঁরা একবার তাওয়াফ করলেন। (২৯৪) (আঃপ্রঃ ১৫২৮, ইঃফাঃ ১৫৩৪)

حدثنا عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع فأهللنا بعمرة ثم قال من كان معه هدي فليهل بالحج والعمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما فقدمت مكة وأنا حائض فلما قضينا حجنا أرسلني مع عبد الرحمٰن إلى التنعيم فاعتمرت فقال هذه مكان عمرتك فطاف الذين أهلوا بالعمرة ثم حلوا ثم طافوا طوافا آخر بعد أن رجعوا من منى وأما الذين جمعوا بين الحج والعمرة فإنما طافوا طوافا واحدا


সহিহ বুখারী ১৬৩৯

حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا ابن علية عن أيوب عن نافع أن ابن عمر دخل ابنه عبد الله بن عبد الله وظهره في الدار فقال إني لا آمن أن يكون العام بين الناس قتال فيصدوك عن البيت فلو أقمت فقال قد خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فحال كفار قريش بينه وبين البيت فإن حيل بيني وبينه أفعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم {لقد كان لكم في رسول الله إسوة حسنة} ثم قال أشهدكم أني قد أوجبت مع عمرتي حجا قال ثم قدم فطاف لهما طوافا واحدا

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তাঁর ছেলে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌-এর নিকট গেলেন, যখন তাঁর (হজ্জ যাত্রার) বাহন প্রস্তুত, তখন তাঁর ছেলে বললেন, আমার আশঙ্কা হয়। এ বছর মানুষের মধ্যে লড়াই হবে, তারা আপনাকে কা’বায় যেতে বাধা দিবে। কাজেই এবার নিবৃত্ত হওয়াটাই উত্তম। তখন ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা রওনা হয়েছিলেন, কুরায়শ কাফিররা তাঁকে বাইতুল্লাহ যেতে বাধা দিয়েছিল। আমাকেও যদি বাইতুল্লাহ যেতে বাধা দেয়া হয়, তবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছিলেন, আমিও তাই করব। “কেননা, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(আল-আযহাব ২১)। এরপর তিনি বললেন, তোমরা সাক্ষী থেকো, আমি ‘উমরাহ’র সাথে হজ্জ-এর সংকল্প করছি। (রাবী) নাফি’ (রহঃ) বলেন, তিনি মক্কায় উপনীত হয়ে উভয়টির জন্য মাত্র একটি তাওয়াফ করলেন। (১৬৪০, ১৬৯৩, ১৭০৮, ১৭২৯, ১৮০৬, ১৮০৭, ১৮০৮, ১৮১০, ১৮১২, ১৮১৩, ৪১৮৩, ৪১৮৪, ৪১৮৫, মুসলিম ১৫/২৬, হাঃ ১২৩০, আহমাদ ১৮১৩) (আঃপ্রঃ ১৫২৯, ইঃফাঃ ১৫৩৫)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তাঁর ছেলে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌-এর নিকট গেলেন, যখন তাঁর (হজ্জ যাত্রার) বাহন প্রস্তুত, তখন তাঁর ছেলে বললেন, আমার আশঙ্কা হয়। এ বছর মানুষের মধ্যে লড়াই হবে, তারা আপনাকে কা’বায় যেতে বাধা দিবে। কাজেই এবার নিবৃত্ত হওয়াটাই উত্তম। তখন ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা রওনা হয়েছিলেন, কুরায়শ কাফিররা তাঁকে বাইতুল্লাহ যেতে বাধা দিয়েছিল। আমাকেও যদি বাইতুল্লাহ যেতে বাধা দেয়া হয়, তবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছিলেন, আমিও তাই করব। “কেননা, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(আল-আযহাব ২১)। এরপর তিনি বললেন, তোমরা সাক্ষী থেকো, আমি ‘উমরাহ’র সাথে হজ্জ-এর সংকল্প করছি। (রাবী) নাফি’ (রহঃ) বলেন, তিনি মক্কায় উপনীত হয়ে উভয়টির জন্য মাত্র একটি তাওয়াফ করলেন। (১৬৪০, ১৬৯৩, ১৭০৮, ১৭২৯, ১৮০৬, ১৮০৭, ১৮০৮, ১৮১০, ১৮১২, ১৮১৩, ৪১৮৩, ৪১৮৪, ৪১৮৫, মুসলিম ১৫/২৬, হাঃ ১২৩০, আহমাদ ১৮১৩) (আঃপ্রঃ ১৫২৯, ইঃফাঃ ১৫৩৫)

حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا ابن علية عن أيوب عن نافع أن ابن عمر دخل ابنه عبد الله بن عبد الله وظهره في الدار فقال إني لا آمن أن يكون العام بين الناس قتال فيصدوك عن البيت فلو أقمت فقال قد خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فحال كفار قريش بينه وبين البيت فإن حيل بيني وبينه أفعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم {لقد كان لكم في رسول الله إسوة حسنة} ثم قال أشهدكم أني قد أوجبت مع عمرتي حجا قال ثم قدم فطاف لهما طوافا واحدا


সহিহ বুখারী ১৬৪০

حدثنا قتيبة حدثنا الليث عن نافع أن ابن عمر أراد الحج عام نزل الحجاج بابن الزبير فقيل له إن الناس كائن بينهم قتال وإنا نخاف أن يصدوك فقال {لقد كان لكم في رسول الله إسوة حسنة} إذا أصنع كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أشهدكم أني قد أوجبت عمرة ثم خرج حتى إذا كان بظاهر البيداء قال ما شأن الحج والعمرة إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت حجا مع عمرتي وأهدى هديا اشتراه بقديد ولم يزد على ذلك فلم ينحر ولم يحل من شيء حرم منه ولم يحلق ولم يقصر حتى كان يوم النحر فنحر وحلق ورأى أن قد قضى طواف الحج والعمرة بطوافه الأول وقال ابن عمر كذلك فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে বছর হাজ্জাজ ইব্‌নু ইউসুফ ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু যুবাইর (রাঃ)-এর সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য মক্কায় আসেন, ঐ বছর ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হজ্জের এরাদা করেন। তখন তাঁকে বলা হলো, (বিবদমান দু’ দল) মানুষের মধ্যে যুদ্ধ হতে পারে। আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে যে, আপনাকে তারা বাধা দিবে। তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”-(আযহাবঃ ২১)। কাজেই এমন কিছু হলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছিলেন আমিও তাই করব। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি ‘উমরাহ’র সংকল্প করলাম। এরপর তিনি বের হলেন এবং বায়দার উঁচু অঞ্চলে পৌছার পর তিনি বললেন, হজ্জ ও ‘উমরাহ’র বিধান একই, আমি তোমাদের সাক্ষী করে বলছি, আমি ‘উমরাহ’র সঙ্গে হজ্জেরও নিয়্যাত করলাম এবং তিনি কুদায়দ হতে ক্রয় করা একটি হাদী পাঠালেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি। এরপর তিনি কুরবানী করেননি এবং ইহ্‌রামও ত্যাগ করেন নি এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা কোনটাই করেননি। অবশেষে কুরবানীর দিন এলে তিনি কুরবানী করলেন, মাথা মুন্ডালেন। তাঁর অভিমত হলো, প্রথম তাওয়াফ-এর মাধ্যমেই তিনি হজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়ের তাওয়াফ সেরে নিয়েছেন। ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনই করেছেন। (১৬৩৯, মুসলিম ১৫/২৬, হাঃ ১২৩০) (আঃপ্রঃ ১৫৩০, ইঃফাঃ ১৫৩৬)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে বছর হাজ্জাজ ইব্‌নু ইউসুফ ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু যুবাইর (রাঃ)-এর সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য মক্কায় আসেন, ঐ বছর ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হজ্জের এরাদা করেন। তখন তাঁকে বলা হলো, (বিবদমান দু’ দল) মানুষের মধ্যে যুদ্ধ হতে পারে। আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে যে, আপনাকে তারা বাধা দিবে। তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”-(আযহাবঃ ২১)। কাজেই এমন কিছু হলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছিলেন আমিও তাই করব। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি ‘উমরাহ’র সংকল্প করলাম। এরপর তিনি বের হলেন এবং বায়দার উঁচু অঞ্চলে পৌছার পর তিনি বললেন, হজ্জ ও ‘উমরাহ’র বিধান একই, আমি তোমাদের সাক্ষী করে বলছি, আমি ‘উমরাহ’র সঙ্গে হজ্জেরও নিয়্যাত করলাম এবং তিনি কুদায়দ হতে ক্রয় করা একটি হাদী পাঠালেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি। এরপর তিনি কুরবানী করেননি এবং ইহ্‌রামও ত্যাগ করেন নি এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা কোনটাই করেননি। অবশেষে কুরবানীর দিন এলে তিনি কুরবানী করলেন, মাথা মুন্ডালেন। তাঁর অভিমত হলো, প্রথম তাওয়াফ-এর মাধ্যমেই তিনি হজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়ের তাওয়াফ সেরে নিয়েছেন। ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনই করেছেন। (১৬৩৯, মুসলিম ১৫/২৬, হাঃ ১২৩০) (আঃপ্রঃ ১৫৩০, ইঃফাঃ ১৫৩৬)

حدثنا قتيبة حدثنا الليث عن نافع أن ابن عمر أراد الحج عام نزل الحجاج بابن الزبير فقيل له إن الناس كائن بينهم قتال وإنا نخاف أن يصدوك فقال {لقد كان لكم في رسول الله إسوة حسنة} إذا أصنع كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أشهدكم أني قد أوجبت عمرة ثم خرج حتى إذا كان بظاهر البيداء قال ما شأن الحج والعمرة إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت حجا مع عمرتي وأهدى هديا اشتراه بقديد ولم يزد على ذلك فلم ينحر ولم يحل من شيء حرم منه ولم يحلق ولم يقصر حتى كان يوم النحر فنحر وحلق ورأى أن قد قضى طواف الحج والعمرة بطوافه الأول وقال ابن عمر كذلك فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী > অযূ সহকারে তাওয়াফ করা।

সহিহ বুখারী ১৬৪২

وقد أخبرتنيأمي أنها أهلت هي وأختها والزبير وفلان وفلان بعمرة فلما مسحوا الركن حلوا

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর বোন [‘আয়েশা (রাঃ) ও (আমার পিতা) যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরাহ’র নিয়্যাতে ইহ্‌রাম বাঁধেন। এরপর তাওয়াফ (ও সা’য়ী) শেষে হালাল হয়ে যান। (১৬১৫, মুসলিম ১৫/২৯, হাঃ ১২৩৫) (আঃপ্রঃ ১৫৩১, ইঃফাঃ ১৫৩৭ শেষাংশ)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর বোন [‘আয়েশা (রাঃ) ও (আমার পিতা) যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরাহ’র নিয়্যাতে ইহ্‌রাম বাঁধেন। এরপর তাওয়াফ (ও সা’য়ী) শেষে হালাল হয়ে যান। (১৬১৫, মুসলিম ১৫/২৯, হাঃ ১২৩৫) (আঃপ্রঃ ১৫৩১, ইঃফাঃ ১৫৩৭ শেষাংশ)

وقد أخبرتنيأمي أنها أهلت هي وأختها والزبير وفلان وفلان بعمرة فلما مسحوا الركن حلوا


সহিহ বুখারী ১৬৪১

حدثنا أحمد بن عيسى حدثنا ابن وهب قال أخبرني عمرو بن الحارث عن محمد بن عبد الرحمٰن بن نوفل القرشي أنه سأل عروة بن الزبير فقال قد حج النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرتني عائشة أنه أول شيء بدأ به حين قدم أنه توضأ ثم طاف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم حج أبو بكر فكان أول شيء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم عمر مثل ذلك ثم حج عثمان فرأيته أول شيء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم معاوية وعبد الله بن عمر ثم حججت مع أبي الزبير بن العوام فكان أول شيء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم رأيت المهاجرين والأنصار يفعلون ذلك ثم لم تكن عمرة ثم آخر من رأيت فعل ذلك ابن عمر ثم لم ينقضها عمرة وهذا ابن عمر عندهم فلا يسألونه ولا أحد ممن مضى ما كانوا يبدءون بشيء حتى يضعوا أقدامهم من الطواف بالبيت ثم لا يحلون وقد رأيت أمي وخالتي حين تقدمان لا تبتدئان بشيء أول من البيت تطوفان به ثم إنهما لا تحلان

মুহাম্মদ ইব্‌নু ‘আবদুর রাহমান ইব্‌নু নাওফাল কুরাশী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ বিষয়ে জিজ্জেস করলেন। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ-এর বিষয়টি ‘আয়েশা (রাঃ) আমাকে এরূপে বর্ণনা দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে সর্বপ্রথম অযূ করে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেন। তা ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। পরে আবূ বকর (রাঃ) হজ্জ করেছেন, তিনিও হজ্জের প্রথম কাজ বাইতুল্লাহ তাওয়াফ দ্বারাই শুরু করতেন, তা ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। তাঁরপর ‘উমর (রাঃ)-ও অনুরূপ করতেন। এরপর ‘উসমান (রাঃ) হজ্জ করেন। আমি তাঁকেও ( হজ্জের কাজ) বাইতুল্লাহ তাওয়াফ দ্বারাই শুরু করতে দেখেছি, তাঁর এই তাওয়াফও ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। মু’আবিয়া এবং ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) (অনুরূপ করেন)। এরপর আমি আমার পিতা যুবাইর ইব্‌নু ‘আওয়াম (রাঃ)-এর সঙ্গে হজ্জ করলাম। তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ হতেই শুরু করেন, আর তাঁর এ তাওয়াফ ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। মুহাজির ও আনসার সাহাবীগণ (রাঃ)-কে আমি এরূপ করতে দেখেছি। তাদের সে তাওয়াফও ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। সবশেষে আমি ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কেও অনুরূপ করতে দেখেছি। তিনিও সে তাওয়াফ ‘উমরাহ’র তাওয়াফ হিসেবে করেননি। ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তো তাঁদের নিকটেই আছেন তাঁর কাছে জেনে নিন না কেন? সাহাবীগণের মধ্যে যাঁরা অতীত হয়ে গেছেন তাঁদের কেউই মাসজিদে হারামে প্রবেশ করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সমাধান করার পূর্বে অন্য কোন কাজ করতেন না এবং তাওয়াফ করে ইহ্‌রাম ভঙ্গ করতেন না। আমার মা (আসমা) ও খালা (‘আয়েশা) (রাঃ)-কে দেখেছি, তাঁরা উভয়ে মাসজিদুল হারামে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম তাওয়াফ সমাধা করেন, কিন্তু তাওয়াফ করে ইহ্‌রাম ভঙ্গ করেননি। (১৬১৪) (আঃপ্রঃ , ইঃফাঃ ১৫৩৭)

মুহাম্মদ ইব্‌নু ‘আবদুর রাহমান ইব্‌নু নাওফাল কুরাশী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রহঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ বিষয়ে জিজ্জেস করলেন। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ-এর বিষয়টি ‘আয়েশা (রাঃ) আমাকে এরূপে বর্ণনা দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে সর্বপ্রথম অযূ করে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেন। তা ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। পরে আবূ বকর (রাঃ) হজ্জ করেছেন, তিনিও হজ্জের প্রথম কাজ বাইতুল্লাহ তাওয়াফ দ্বারাই শুরু করতেন, তা ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। তাঁরপর ‘উমর (রাঃ)-ও অনুরূপ করতেন। এরপর ‘উসমান (রাঃ) হজ্জ করেন। আমি তাঁকেও ( হজ্জের কাজ) বাইতুল্লাহ তাওয়াফ দ্বারাই শুরু করতে দেখেছি, তাঁর এই তাওয়াফও ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। মু’আবিয়া এবং ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) (অনুরূপ করেন)। এরপর আমি আমার পিতা যুবাইর ইব্‌নু ‘আওয়াম (রাঃ)-এর সঙ্গে হজ্জ করলাম। তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ হতেই শুরু করেন, আর তাঁর এ তাওয়াফ ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। মুহাজির ও আনসার সাহাবীগণ (রাঃ)-কে আমি এরূপ করতে দেখেছি। তাদের সে তাওয়াফও ‘উমরাহ’র তাওয়াফ ছিল না। সবশেষে আমি ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কেও অনুরূপ করতে দেখেছি। তিনিও সে তাওয়াফ ‘উমরাহ’র তাওয়াফ হিসেবে করেননি। ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তো তাঁদের নিকটেই আছেন তাঁর কাছে জেনে নিন না কেন? সাহাবীগণের মধ্যে যাঁরা অতীত হয়ে গেছেন তাঁদের কেউই মাসজিদে হারামে প্রবেশ করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সমাধান করার পূর্বে অন্য কোন কাজ করতেন না এবং তাওয়াফ করে ইহ্‌রাম ভঙ্গ করতেন না। আমার মা (আসমা) ও খালা (‘আয়েশা) (রাঃ)-কে দেখেছি, তাঁরা উভয়ে মাসজিদুল হারামে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম তাওয়াফ সমাধা করেন, কিন্তু তাওয়াফ করে ইহ্‌রাম ভঙ্গ করেননি। (১৬১৪) (আঃপ্রঃ , ইঃফাঃ ১৫৩৭)

حدثنا أحمد بن عيسى حدثنا ابن وهب قال أخبرني عمرو بن الحارث عن محمد بن عبد الرحمٰن بن نوفل القرشي أنه سأل عروة بن الزبير فقال قد حج النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرتني عائشة أنه أول شيء بدأ به حين قدم أنه توضأ ثم طاف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم حج أبو بكر فكان أول شيء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم عمر مثل ذلك ثم حج عثمان فرأيته أول شيء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم معاوية وعبد الله بن عمر ثم حججت مع أبي الزبير بن العوام فكان أول شيء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم رأيت المهاجرين والأنصار يفعلون ذلك ثم لم تكن عمرة ثم آخر من رأيت فعل ذلك ابن عمر ثم لم ينقضها عمرة وهذا ابن عمر عندهم فلا يسألونه ولا أحد ممن مضى ما كانوا يبدءون بشيء حتى يضعوا أقدامهم من الطواف بالبيت ثم لا يحلون وقد رأيت أمي وخالتي حين تقدمان لا تبتدئان بشيء أول من البيت تطوفان به ثم إنهما لا تحلان


সহিহ বুখারী > সাফা ও মারওয়া মাঝে সা’য়ী করা অবশ্য কর্তব্য এবং এ দু’টিকে আল্লাহুর নিদর্শন বানানো হয়েছে।

সহিহ বুখারী ১৬৪৩

حدثنا أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال عروة سألت عائشة فقلت لها أرأيت قول الله تعالى : {إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} فوالله ما على أحد جناح أن لا يطوف بالصفا والمروة قالت بئس ما قلت يا ابن أختي إن هذه لو كانت كما أولتها عليه كانت لا جناح عليه أن لا يتطوف بهما ولكنها أنزلت في الأنصار كانوا قبل أن يسلموا يهلون لمناة الطاغية التي كانوا يعبدونها عند المشلل فكان من أهل يتحرج أن يطوف بالصفا والمروة فلما أسلموا سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا كنا نتحرج أن نطوف بين الصفا والمروة فأنزل الله تعالى : {إن الصفا والمروة من شعائر الله} الآية قالت عائشة وقد سن رسول الله صلى الله عليه وسلم الطواف بينهما فليس لأحد أن يترك الطواف بينهما ثم أخبرت أبا بكر بن عبد الرحمٰن فقال إن هذا لعلم ما كنت سمعته ولقد سمعت رجالا من أهل العلم يذكرون أن الناس إلا من ذكرت عائشة ممن كان يهل بمناة كانوا يطوفون كلهم بالصفا والمروة فلما ذكر الله تعالى الطواف بالبيت ولم يذكر الصفا والمروة في القرآن قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم كنا نطوف بالصفا والمروة وإن الله أنزل الطواف بالبيت فلم يذكر الصفا فهل علينا من حرج أن نطوف بالصفا والمروة فأنزل الله تعالى {إن الصفا والمروة من شعائر الله} الآية قال أبو بكر فأسمع هذه الآية نزلت في الفريقين كليهما في الذين كانوا يتحرجون أن يطوفوا بالجاهلية بالصفا والمروة والذين يطوفون ثم تحرجوا أن يطوفوا بهما في الإسلام من أجل أن الله تعالى أمر بالطواف بالبيت ولم يذكر الصفا حتى ذكر ذلك بعد ما ذكر الطواف بالبيت

‘উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্জেস করলাম যে, মহান আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? “সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। কাজেই যে কেও কা’বা ঘরে হজ্জ বা ‘উমরাহ সম্পন্ন করে, এ দু’টির মাঝে যাতায়াত করলে তার কোন দোষ নেই”-(আল-বাকারাঃ ১৫৮)। (আমার ধারোণা যে,) সাফা-মারওয়ার মাঝে কেও সা’ঈ না করলে তার কোন দোষ নেই। তখন তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বললেন, ওহে বোনপো! তুমি যা বললে, তা ঠিক নয়। কেননা, যা তুমি তাফসীর করলে, যদি আয়াতের মর্ম তা-ই হতো, তাহলে আয়াতের শব্দ বিন্যাস এভাবে হতো (আরবি) -“দু’টোর মাঝে সা’ঈ না করায় কোন দোষ নেই।” কিন্তু আয়াতটি আনসারদের সম্পর্কে অবতীর্ন হয়েছে, যারা ইসলাম গ্রহনের পূর্বে মুশাল্লাহ নামক স্থানে স্থাপিত মানাত নামের মূর্তির পূজা করত, তার নামেই তারা ইহ্‌রাম বাঁধত। সে মূর্তির নামে যারা ইহ্‌রাম বাঁধত তারা সাফা-মারওয়া সা’ঈ করাকে দোষবহ মনে করত। ইসলাম গ্রহণের পর তাঁরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এ সম্পর্কে জিজ্জেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! পূর্বে আমরা সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করাকে দোষবহ মনে করতাম (এখন কি করবো?) এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা (আরবি) অবতীর্ণ করেন। ‘আয়েশা (রাঃ) বলেন, (সাফা ও মারওয়ার মাঝে) উভয় পাহাড়ের মাঝে সা’ঈ করা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিধান দিয়েছেন। কাজেই কারো পক্ষে এ দু’য়ের সা’ঈ পরিত্যাগ করা ঠিক নয়। (রাবী বলেন) এ বছর আবূ বকর ইব্‌নু ‘আবদুর রাহমান (রাঃ)-কে ঘটনাটি জানালাম। তখন তিনি বললেন, আমি তো এ কথা শুনিনি, তবে ‘আয়েশা (রাঃ) ব্যাতীত বহু ‘আলিমকে উল্লেখ করতে শুনেছি যে, মানাতের নামে যারা ইহ্‌রাম বাঁধত তারা সকলেই সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করত, যখন আল্লাহ কুরআনে বাইতুল্লাহ তাওয়াফের কথা উল্লেখ করলেন, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার আলোচনা তাতে হলো না, তখন সাহাবাগন বলতে লাগলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করতাম, এখন দেখি আল্লাহ কেবল বাইতুল্লাহ তাওয়াফের কথা অবতীর্ন করেছেন, সাফার উল্লেখ করেননি। কাজেই সাফা ও মারওয়ার মাঝে সা’য়ী করলে আমাদের দোষ হবে কি? এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ন করেন- (আরবি) আবূ বকর (রাঃ) আরো বলেন, আমি শুনতে পেয়েছি, আয়াতটি দু’ প্রকার লোকদের উভয়ের প্রতি লক্ষ করেই অবতীর্ন হয়েছে, অর্থাৎ যারা জাহিলী যুগে সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করা হতে বিরত থাকতেন, আর যারা তৎকালে সা’য়ী করত বটে, কিন্তু ইসলাম গ্রহনের পর সা’য়ী করার বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তাঁদের দ্বিধার কারণ ছিল আল্লাহ বাইতুল্লাহ তাওয়াফের নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার কথা উল্লেখ করেননি? অবশেষে বাইতুল্লাহ তাওয়াফের কথা আলোচনার পর আল্লাহ সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করার কথা উল্লেখ করেন। (১৭৯০, ৪৪৯৫, ৪৭৬১, মুসলিম ১৫/৪৩, হাঃ ১২৭৭) (আঃপ্রঃ ১৫৩২, ইঃফাঃ ১৫৩৮)

‘উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্জেস করলাম যে, মহান আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? “সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। কাজেই যে কেও কা’বা ঘরে হজ্জ বা ‘উমরাহ সম্পন্ন করে, এ দু’টির মাঝে যাতায়াত করলে তার কোন দোষ নেই”-(আল-বাকারাঃ ১৫৮)। (আমার ধারোণা যে,) সাফা-মারওয়ার মাঝে কেও সা’ঈ না করলে তার কোন দোষ নেই। তখন তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বললেন, ওহে বোনপো! তুমি যা বললে, তা ঠিক নয়। কেননা, যা তুমি তাফসীর করলে, যদি আয়াতের মর্ম তা-ই হতো, তাহলে আয়াতের শব্দ বিন্যাস এভাবে হতো (আরবি) -“দু’টোর মাঝে সা’ঈ না করায় কোন দোষ নেই।” কিন্তু আয়াতটি আনসারদের সম্পর্কে অবতীর্ন হয়েছে, যারা ইসলাম গ্রহনের পূর্বে মুশাল্লাহ নামক স্থানে স্থাপিত মানাত নামের মূর্তির পূজা করত, তার নামেই তারা ইহ্‌রাম বাঁধত। সে মূর্তির নামে যারা ইহ্‌রাম বাঁধত তারা সাফা-মারওয়া সা’ঈ করাকে দোষবহ মনে করত। ইসলাম গ্রহণের পর তাঁরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এ সম্পর্কে জিজ্জেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! পূর্বে আমরা সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করাকে দোষবহ মনে করতাম (এখন কি করবো?) এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা (আরবি) অবতীর্ণ করেন। ‘আয়েশা (রাঃ) বলেন, (সাফা ও মারওয়ার মাঝে) উভয় পাহাড়ের মাঝে সা’ঈ করা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিধান দিয়েছেন। কাজেই কারো পক্ষে এ দু’য়ের সা’ঈ পরিত্যাগ করা ঠিক নয়। (রাবী বলেন) এ বছর আবূ বকর ইব্‌নু ‘আবদুর রাহমান (রাঃ)-কে ঘটনাটি জানালাম। তখন তিনি বললেন, আমি তো এ কথা শুনিনি, তবে ‘আয়েশা (রাঃ) ব্যাতীত বহু ‘আলিমকে উল্লেখ করতে শুনেছি যে, মানাতের নামে যারা ইহ্‌রাম বাঁধত তারা সকলেই সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করত, যখন আল্লাহ কুরআনে বাইতুল্লাহ তাওয়াফের কথা উল্লেখ করলেন, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার আলোচনা তাতে হলো না, তখন সাহাবাগন বলতে লাগলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করতাম, এখন দেখি আল্লাহ কেবল বাইতুল্লাহ তাওয়াফের কথা অবতীর্ন করেছেন, সাফার উল্লেখ করেননি। কাজেই সাফা ও মারওয়ার মাঝে সা’য়ী করলে আমাদের দোষ হবে কি? এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ন করেন- (আরবি) আবূ বকর (রাঃ) আরো বলেন, আমি শুনতে পেয়েছি, আয়াতটি দু’ প্রকার লোকদের উভয়ের প্রতি লক্ষ করেই অবতীর্ন হয়েছে, অর্থাৎ যারা জাহিলী যুগে সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করা হতে বিরত থাকতেন, আর যারা তৎকালে সা’য়ী করত বটে, কিন্তু ইসলাম গ্রহনের পর সা’য়ী করার বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তাঁদের দ্বিধার কারণ ছিল আল্লাহ বাইতুল্লাহ তাওয়াফের নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার কথা উল্লেখ করেননি? অবশেষে বাইতুল্লাহ তাওয়াফের কথা আলোচনার পর আল্লাহ সাফা ও মারওয়া সা’ঈ করার কথা উল্লেখ করেন। (১৭৯০, ৪৪৯৫, ৪৭৬১, মুসলিম ১৫/৪৩, হাঃ ১২৭৭) (আঃপ্রঃ ১৫৩২, ইঃফাঃ ১৫৩৮)

حدثنا أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال عروة سألت عائشة فقلت لها أرأيت قول الله تعالى : {إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} فوالله ما على أحد جناح أن لا يطوف بالصفا والمروة قالت بئس ما قلت يا ابن أختي إن هذه لو كانت كما أولتها عليه كانت لا جناح عليه أن لا يتطوف بهما ولكنها أنزلت في الأنصار كانوا قبل أن يسلموا يهلون لمناة الطاغية التي كانوا يعبدونها عند المشلل فكان من أهل يتحرج أن يطوف بالصفا والمروة فلما أسلموا سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا كنا نتحرج أن نطوف بين الصفا والمروة فأنزل الله تعالى : {إن الصفا والمروة من شعائر الله} الآية قالت عائشة وقد سن رسول الله صلى الله عليه وسلم الطواف بينهما فليس لأحد أن يترك الطواف بينهما ثم أخبرت أبا بكر بن عبد الرحمٰن فقال إن هذا لعلم ما كنت سمعته ولقد سمعت رجالا من أهل العلم يذكرون أن الناس إلا من ذكرت عائشة ممن كان يهل بمناة كانوا يطوفون كلهم بالصفا والمروة فلما ذكر الله تعالى الطواف بالبيت ولم يذكر الصفا والمروة في القرآن قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم كنا نطوف بالصفا والمروة وإن الله أنزل الطواف بالبيت فلم يذكر الصفا فهل علينا من حرج أن نطوف بالصفا والمروة فأنزل الله تعالى {إن الصفا والمروة من شعائر الله} الآية قال أبو بكر فأسمع هذه الآية نزلت في الفريقين كليهما في الذين كانوا يتحرجون أن يطوفوا بالجاهلية بالصفا والمروة والذين يطوفون ثم تحرجوا أن يطوفوا بهما في الإسلام من أجل أن الله تعالى أمر بالطواف بالبيت ولم يذكر الصفا حتى ذكر ذلك بعد ما ذكر الطواف بالبيت


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00