সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মক্কায় অবতরণ।
সহিহ বুখারী ১৫৮৯
حدثنا أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني أبو سلمة أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أراد قدوم مكة منزلنا غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মিনা হতে ফিরে) যখন মক্কা প্রবেশের ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ আগামীকাল খায়ফ বনী কেনানায় (মুহাসসাবে) ইনশাআল্লাহ আমাদের অবস্থানস্থল হবে যেখানে তারা (বনূ খায়ফ ও কুরাইশরা) কুফরীর উপর শপথ করেছিল। (১৫৯০, ৩৮৮২, ৪২৮৩, ৪২৮৫, ৭৪৭৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ৭২৪৪) (আঃপ্রঃ ১৪৮৫, ইঃফাঃ ১৪৯১)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মিনা হতে ফিরে) যখন মক্কা প্রবেশের ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ আগামীকাল খায়ফ বনী কেনানায় (মুহাসসাবে) ইনশাআল্লাহ আমাদের অবস্থানস্থল হবে যেখানে তারা (বনূ খায়ফ ও কুরাইশরা) কুফরীর উপর শপথ করেছিল। (১৫৯০, ৩৮৮২, ৪২৮৩, ৪২৮৫, ৭৪৭৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ৭২৪৪) (আঃপ্রঃ ১৪৮৫, ইঃফাঃ ১৪৯১)
حدثنا أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني أبو سلمة أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أراد قدوم مكة منزلنا غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر
সহিহ বুখারী ১৫৯০
حدثنا الحميدي حدثنا الوليد حدثنا الأوزاعي قال حدثني الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من الغد يوم النحر وهو بمنى نحن نازلون غدا بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر يعني ذلك المحصب وذلك أن قريشا وكنانة تحالفت على بني هاشم وبني عبد المطلب أو بني المطلب أن لا يناكحوهم ولا يبايعوهم حتى يسلموا إليهم النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরবানীর দিনে মিনায় অবস্থানকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমরা আগামীকাল (ইনশাআল্লাহ) খায়ফ বনী কিনানায় অবতরণ করব, যেখানে তারা কুফরীর উপরে শপথ নিয়েছিল। (রাবী বলেন) খায়ফ বনী কিনানাই হলো মুহাসসাব। কুরায়শ ও কিনানা গোত্র বনূ হাশিম ও বনূ আবদুল মুত্তালিব-এর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল, যে পর্যন্ত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাদের হাতে সমর্পণ করবে না সে পর্যন্ত তাদের সাথে বিয়ে-শাদী ও বেচা-কেনা বন্ধ থাকবে। সালামাহ (রহঃ) ‘উকাইল (রহঃ) সূত্রে এবং ইয়াহ্ইয়া ইব্নু যাহ্হাক (রহঃ) আওযায়ী (রহঃ) সূত্রে ইব্নু শিহাব যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত এবং তাঁরা উভয়ে [সালামাহ ও ইয়াহইয়া (রহঃ)] বনূ হাশিম ও ইব্নুল মুত্তালিব বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, বনী মুত্তালিব হওয়াই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। (১৫৮৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ১০৯৬৯) (আঃপ্রঃ ১৪৮৬, ইঃফাঃ ১৪৯২)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরবানীর দিনে মিনায় অবস্থানকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমরা আগামীকাল (ইনশাআল্লাহ) খায়ফ বনী কিনানায় অবতরণ করব, যেখানে তারা কুফরীর উপরে শপথ নিয়েছিল। (রাবী বলেন) খায়ফ বনী কিনানাই হলো মুহাসসাব। কুরায়শ ও কিনানা গোত্র বনূ হাশিম ও বনূ আবদুল মুত্তালিব-এর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল, যে পর্যন্ত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাদের হাতে সমর্পণ করবে না সে পর্যন্ত তাদের সাথে বিয়ে-শাদী ও বেচা-কেনা বন্ধ থাকবে। সালামাহ (রহঃ) ‘উকাইল (রহঃ) সূত্রে এবং ইয়াহ্ইয়া ইব্নু যাহ্হাক (রহঃ) আওযায়ী (রহঃ) সূত্রে ইব্নু শিহাব যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত এবং তাঁরা উভয়ে [সালামাহ ও ইয়াহইয়া (রহঃ)] বনূ হাশিম ও ইব্নুল মুত্তালিব বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, বনী মুত্তালিব হওয়াই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। (১৫৮৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ১০৯৬৯) (আঃপ্রঃ ১৪৮৬, ইঃফাঃ ১৪৯২)
حدثنا الحميدي حدثنا الوليد حدثنا الأوزاعي قال حدثني الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من الغد يوم النحر وهو بمنى نحن نازلون غدا بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر يعني ذلك المحصب وذلك أن قريشا وكنانة تحالفت على بني هاشم وبني عبد المطلب أو بني المطلب أن لا يناكحوهم ولا يبايعوهم حتى يسلموا إليهم النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ “স্মরণ কর, ইব্রাহীম বলেছিলেনঃ হে আমার প্রতিপালক! এ নগরীকে নিরাপত্তাময় করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তান-সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন। হে আমার রব! এসব মূর্তি অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে; তাই যে ব্যক্তি আমার অনুসরণ করবে সে তো আমার দলভুক্ত, কিন্তু যে আমার কথা অমান্য করবে, আপনি তো পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। হে আমাদের রব! আমি আমার বংশধরদের মধ্য থেকে কতককে কৃষি অনুপযোগী অনুর্বর উপত্যকায় আপনার পবিত্র ঘরের কাছে আবাদ করেছি।
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহ মানুষের কল্যাণের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছেন মহা সম্মানিত ঘর কা‘বাকে, সম্মানিত মাসকে, কুরবানীর জন্য কা‘বায় প্রেরিত পশুকে এবং গলায় মালা পরিহিত পশুকে। এর কারণ এই যে, তোমরা যেন জানতে পার যে, অবশ্যই আল্লাহ জানেন যা কিছু আছে আসমানে এবং যা কিছু আছে জমিনে, আর আল্লাহ তো সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ। (আল-মায়িদাহঃ ৯৭)
সহিহ বুখারী ১৫৯১
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا زياد بن سعد عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي قال يخرب الكعبة ذو السويقتين من الحبشة
আবূ হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, হাবাশার অধিবাসী পায়ের সরু নলা বিশিষ্ট লোকেরা কা‘বাগৃহ ধ্বংস করবে। (১৫৯৬, মুসলিম ৫২/১৮, হাঃ ২৯০৯) (আঃপ্রঃ ১৪৮৭, ইঃফাঃ ১৪৯৩)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, হাবাশার অধিবাসী পায়ের সরু নলা বিশিষ্ট লোকেরা কা‘বাগৃহ ধ্বংস করবে। (১৫৯৬, মুসলিম ৫২/১৮, হাঃ ২৯০৯) (আঃপ্রঃ ১৪৮৭, ইঃফাঃ ১৪৯৩)
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا زياد بن سعد عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي قال يخرب الكعبة ذو السويقتين من الحبشة
সহিহ বুখারী ১৫৯২
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة ح و حدثني محمد بن مقاتل قال أخبرني عبد الله هو ابن المبارك قال أخبرنا محمد بن أبي حفصة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت كانوا يصومون عاشوراء قبل أن يفرض رمضان وكان يوما تستر فيه الكعبة فلما فرض الله رمضان قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من شاء أن يصومه فليصمه ومن شاء أن يتركه فليتركه
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযানের সওম ফর্য হওয়ার পূর্বে মুসলিমগণ ‘আশূরার সওম পালন করতেন। সে দিনই কা‘বা ঘর (গিলাফে) আবৃত করা হত। অতঃপর আল্লাহ যখন রমাযানের সওম ফর্য করলেন, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘আশূরার সওম যার ইচ্ছা সে পালন করবে আর যার ইচ্ছা সে ছেড়ে দিবে। (১৮৯৩, ২০০১, ২০০২, ৩৮৩১, ৪৫০২, ৪৫০৪) (আঃপ্রঃ ১৪৮৮, ইঃফাঃ ১৪৯৪)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযানের সওম ফর্য হওয়ার পূর্বে মুসলিমগণ ‘আশূরার সওম পালন করতেন। সে দিনই কা‘বা ঘর (গিলাফে) আবৃত করা হত। অতঃপর আল্লাহ যখন রমাযানের সওম ফর্য করলেন, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘আশূরার সওম যার ইচ্ছা সে পালন করবে আর যার ইচ্ছা সে ছেড়ে দিবে। (১৮৯৩, ২০০১, ২০০২, ৩৮৩১, ৪৫০২, ৪৫০৪) (আঃপ্রঃ ১৪৮৮, ইঃফাঃ ১৪৯৪)
حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة ح و حدثني محمد بن مقاتل قال أخبرني عبد الله هو ابن المبارك قال أخبرنا محمد بن أبي حفصة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت كانوا يصومون عاشوراء قبل أن يفرض رمضان وكان يوما تستر فيه الكعبة فلما فرض الله رمضان قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من شاء أن يصومه فليصمه ومن شاء أن يتركه فليتركه
সহিহ বুখারী ১৫৯৩
حدثنا أحمد حدثنا أبي حدثنا إبراهيم عن الحجاج بن حجاج عن قتادة عن عبد الله بن أبي عتبة عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليحجن البيت وليعتمرن بعد خروج يأجوج ومأجوج تابعه أبان وعمران عن قتادة وقال عبد الرحمٰن عن شعبة قال لا تقوم الساعة حتى لا يحج البيت والأول أكثر سمع قتادة عبد الله وعبد الله أبا سعيد
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়াজূজ ও মাজূজ বের হওয়ার পরও বাইতুল্লাহর হজ্জ ও ‘উমরাহ পালিত হবে। আবান ও ইমরান (রহঃ) কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় হাজ্জাজ ইব্নু হাজ্জাজের অনুসরণ করেছেন। ‘আবদুর রাহমান (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, “বাইতুল্লাহর হজ্জ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না।” প্রথম রিওয়ায়াতটি অধিক গ্রহণযোগ্য। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, কাতাদাহ্ (রহঃ) রিওয়ায়াতটি ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে এবং ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে শুনেছেন। (আঃপ্রঃ ১৪৮৯, ইঃফাঃ ১৪৯৫)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়াজূজ ও মাজূজ বের হওয়ার পরও বাইতুল্লাহর হজ্জ ও ‘উমরাহ পালিত হবে। আবান ও ইমরান (রহঃ) কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় হাজ্জাজ ইব্নু হাজ্জাজের অনুসরণ করেছেন। ‘আবদুর রাহমান (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, “বাইতুল্লাহর হজ্জ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না।” প্রথম রিওয়ায়াতটি অধিক গ্রহণযোগ্য। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, কাতাদাহ্ (রহঃ) রিওয়ায়াতটি ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে এবং ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে শুনেছেন। (আঃপ্রঃ ১৪৮৯, ইঃফাঃ ১৪৯৫)
حدثنا أحمد حدثنا أبي حدثنا إبراهيم عن الحجاج بن حجاج عن قتادة عن عبد الله بن أبي عتبة عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليحجن البيت وليعتمرن بعد خروج يأجوج ومأجوج تابعه أبان وعمران عن قتادة وقال عبد الرحمٰن عن شعبة قال لا تقوم الساعة حتى لا يحج البيت والأول أكثر سمع قتادة عبد الله وعبد الله أبا سعيد
সহিহ বুখারী > কা‘বা গিলাফ দ্বারা আবৃত করা।
সহিহ বুখারী ১৫৯৪
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا خالد بن الحارث حدثنا سفيان حدثنا واصل الأحدب عن أبي وائل قال جئت إلى شيبة ح و حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن واصل عن أبي وائل قال جلست مع شيبة على الكرسي في الكعبة فقال لقد جلس هذا المجلس عمر فقال لقد هممت أن لا أدع فيها صفراء ولا بيضاء إلا قسمته قلت إن صاحبيك لم يفعلا قال هما المرءان أقتدي بهما
আবূ ওয়াইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কা‘বার সামনে আমি শাইবাহ্র সাথে কুরসীতে বসলাম। তখন তিনি বললেন, ‘উমর (রাঃ) এখানে বসেই বলেছিলেন, আমি কা‘বা ঘরে রক্ষিত সোনা ও রূপা বণ্টন করে দেয়ার ইচ্ছা করেছি। (শাইবাহ্ বলেন) আমি বললাম, আপনার উভয় সঙ্গী [আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ)] তো এরূপ করেননি। তিনি বললেন, তাঁরা এমন দু’ ব্যক্তিত্ব যাঁদের অনুসরণ আমি করব। (৭২৭৫) (আঃপ্রঃ ১৪৯০, ইঃফাঃ ১৪৯৬)
আবূ ওয়াইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কা‘বার সামনে আমি শাইবাহ্র সাথে কুরসীতে বসলাম। তখন তিনি বললেন, ‘উমর (রাঃ) এখানে বসেই বলেছিলেন, আমি কা‘বা ঘরে রক্ষিত সোনা ও রূপা বণ্টন করে দেয়ার ইচ্ছা করেছি। (শাইবাহ্ বলেন) আমি বললাম, আপনার উভয় সঙ্গী [আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ)] তো এরূপ করেননি। তিনি বললেন, তাঁরা এমন দু’ ব্যক্তিত্ব যাঁদের অনুসরণ আমি করব। (৭২৭৫) (আঃপ্রঃ ১৪৯০, ইঃফাঃ ১৪৯৬)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا خالد بن الحارث حدثنا سفيان حدثنا واصل الأحدب عن أبي وائل قال جئت إلى شيبة ح و حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن واصل عن أبي وائل قال جلست مع شيبة على الكرسي في الكعبة فقال لقد جلس هذا المجلس عمر فقال لقد هممت أن لا أدع فيها صفراء ولا بيضاء إلا قسمته قلت إن صاحبيك لم يفعلا قال هما المرءان أقتدي بهما