সহিহ বুখারী > নজ্দবাসীদের ইহ্রাম বাঁধার স্থান।
সহিহ বুখারী ১৫২৭
حدثنا علي حدثنا سفيان حفظناه من الزهري عن سالم عن أبيه وقت النبي صلى الله عليه وسلم
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মীকাতের সীমা নির্ধারিত করেছেন। (১৩৩) (আঃপ্রঃ ১৪২৮, ইঃফাঃ ১৪৩৪)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মীকাতের সীমা নির্ধারিত করেছেন। (১৩৩) (আঃপ্রঃ ১৪২৮, ইঃফাঃ ১৪৩৪)
حدثنا علي حدثنا سفيان حفظناه من الزهري عن سالم عن أبيه وقت النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী ১৫২৮
حدثنا أحمد بن عيسى حدثنا ابن وهب قال أخبرني يونس عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول مهل أهل المدينة ذو الحليفة ومهل أهل الشأم مهيعة وهي الجحفة وأهل نجد قرن قال ابن عمر زعموا أن النبي قال ولم أسمعه ومهل أهل اليمن يلملم
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ মদীনাবাসীদের মীকাত হলো যুল-হুযায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের মীকাত (মাহইয়া’আহ) যার অপর নাম জুহফা এবং নাজদবাসীদের মীকাত হলো ক্বারন। ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন, আমি শুনিনি, তবে লোকেরা বলে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়ামেনবাসীদের মীকাত হলো ইয়ালামলাম। (১৩৩) (আঃপ্রঃ ১৪২৮ শেষাংশ, ইঃফাঃ ১৪৩৪ শেষাংশ)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ মদীনাবাসীদের মীকাত হলো যুল-হুযায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের মীকাত (মাহইয়া’আহ) যার অপর নাম জুহফা এবং নাজদবাসীদের মীকাত হলো ক্বারন। ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন, আমি শুনিনি, তবে লোকেরা বলে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়ামেনবাসীদের মীকাত হলো ইয়ালামলাম। (১৩৩) (আঃপ্রঃ ১৪২৮ শেষাংশ, ইঃফাঃ ১৪৩৪ শেষাংশ)
حدثنا أحمد بن عيسى حدثنا ابن وهب قال أخبرني يونس عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول مهل أهل المدينة ذو الحليفة ومهل أهل الشأم مهيعة وهي الجحفة وأهل نجد قرن قال ابن عمر زعموا أن النبي قال ولم أسمعه ومهل أهل اليمن يلملم
সহিহ বুখারী > মীকাতের অভ্যন্তরের অধিবাসীদের ইহ্রাম বাঁধার স্থান
সহিহ বুখারী ১৫২৯
حدثنا قتيبة حدثنا حماد عن عمرو عن طاوس عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم وقت لأهل المدينة ذا الحليفة ولأهل الشأم الجحفة ولأهل اليمن يلملم ولأهل نجد قرنا فهن لهن ولمن أتى عليهن من غير أهلهن ممن كان يريد الحج والعمرة فمن كان دونهن فمن أهله حتى إن أهل مكة يهلون منها
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাবাসীদের জন্য মীকাত নির্ধারন করেন যুল-হুযায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহফা, ইয়ামেনবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম ও নাজদবাসীদের জন্য ক্বারণ। উল্লিখিত স্থান সমূহ হজ্জ ও ‘উমরাহ’র নিয়্যাতকারী সে স্থানের অধিবাসী ও সে সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য এলাকার অধিবাসীদের জন্য ইহ্রাম বাঁধার স্থান। আর যে মিকাতের ভিতরের অধিবাসী সে নিজ বাড়ি হতে ইহ্রাম বাঁধবে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা হতেই ইহ্রাম বাঁধবে। (১৫২৪) (আঃপ্রঃ ১৪২৯, ইঃফাঃ ১৪৩৫)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাবাসীদের জন্য মীকাত নির্ধারন করেন যুল-হুযায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহফা, ইয়ামেনবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম ও নাজদবাসীদের জন্য ক্বারণ। উল্লিখিত স্থান সমূহ হজ্জ ও ‘উমরাহ’র নিয়্যাতকারী সে স্থানের অধিবাসী ও সে সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য এলাকার অধিবাসীদের জন্য ইহ্রাম বাঁধার স্থান। আর যে মিকাতের ভিতরের অধিবাসী সে নিজ বাড়ি হতে ইহ্রাম বাঁধবে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা হতেই ইহ্রাম বাঁধবে। (১৫২৪) (আঃপ্রঃ ১৪২৯, ইঃফাঃ ১৪৩৫)
حدثنا قتيبة حدثنا حماد عن عمرو عن طاوس عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم وقت لأهل المدينة ذا الحليفة ولأهل الشأم الجحفة ولأهل اليمن يلملم ولأهل نجد قرنا فهن لهن ولمن أتى عليهن من غير أهلهن ممن كان يريد الحج والعمرة فمن كان دونهن فمن أهله حتى إن أهل مكة يهلون منها
সহিহ বুখারী > ইয়ামেনবাসীদের মীকাত
সহিহ বুখারী ১৫৩০
حدثنا معلى بن أسد حدثنا وهيب عن عبد الله بن طاوس عن أبيه عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم وقت لأهل المدينة ذا الحليفة ولأهل الشأم الجحفة ولأهل نجد قرن المنازل ولأهل اليمن يلملم هن لأهلهن ولكل آت أتى عليهن من غيرهم ممن أراد الحج والعمرة فمن كان دون ذلك فمن حيث أنشأ حتى أهل مكة من مكة
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাবাসীদের জন্য যুল-হুযায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নাজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল-মানাযিল ও ইয়ামেনবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম মীকাত নির্ধারন করেছেন। [৫১] উক্ত মীকাতসমূহ হজ্জ ও উমরাহ’র উদ্দেশ্যে আগমনকারী সে স্থানের অধীবাসীদের জন্য এবং অন্য কোন এলাকার লোক ঐ সীমা দিয়ে অতিক্রম করবে তাদের জন্যও। এছাড়াও যারা মীকাতের ভিতরের অধিবাসী তারা যেখান হতে সফর আরম্ভ করবে সেখান হতেই (ইহ্রাম আরম্ভ করবে) এমন কি মক্কাবাসীগন মক্কা হতেই। (১৫২৪) (আঃপ্রঃ ১৪৩০, ইঃফাঃ ১৪৩৬)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাবাসীদের জন্য যুল-হুযায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নাজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল-মানাযিল ও ইয়ামেনবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম মীকাত নির্ধারন করেছেন। [৫১] উক্ত মীকাতসমূহ হজ্জ ও উমরাহ’র উদ্দেশ্যে আগমনকারী সে স্থানের অধীবাসীদের জন্য এবং অন্য কোন এলাকার লোক ঐ সীমা দিয়ে অতিক্রম করবে তাদের জন্যও। এছাড়াও যারা মীকাতের ভিতরের অধিবাসী তারা যেখান হতে সফর আরম্ভ করবে সেখান হতেই (ইহ্রাম আরম্ভ করবে) এমন কি মক্কাবাসীগন মক্কা হতেই। (১৫২৪) (আঃপ্রঃ ১৪৩০, ইঃফাঃ ১৪৩৬)
حدثنا معلى بن أسد حدثنا وهيب عن عبد الله بن طاوس عن أبيه عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم وقت لأهل المدينة ذا الحليفة ولأهل الشأم الجحفة ولأهل نجد قرن المنازل ولأهل اليمن يلملم هن لأهلهن ولكل آت أتى عليهن من غيرهم ممن أراد الحج والعمرة فمن كان دون ذلك فمن حيث أنشأ حتى أهل مكة من مكة
সহিহ বুখারী > যাতু ’ইরক হল ইরাকবাসীদের মীকাত
সহিহ বুখারী ১৫৩১
حدثني علي بن مسلم حدثنا عبد الله بن نمير حدثنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال لما فتح هذان المصران أتوا عمر فقالوا يا أمير المؤمنين إن رسول الله صلى الله عليه وسلم حد لأهل نجد قرنا وهو جور عن طريقنا وإنا إن أردنا قرنا شق علينا قال فانظروا حذوها من طريقكم فحد لهم ذات عرق
‘আবদুল্লাহ ‘ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ শহর দু’টি (কূফা ও বস্রা) বিজিত হলো, তখন সে স্থানের লোকগণ ‘উমর (রাঃ) এর নিকট এসে নিবেদন করলো, হে আমীরুল মু’মিনীন ! আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজদবাসীগণের জন্য (মীকাত হিসেবে) সীমা নির্ধারন করে দিয়েছেন ক্বারণ, কিন্তু তা আমাদের পথ হতে দূরে। কাজেই আমরা ক্বারণ-সীমা অতিক্রম করতে চাইলে তা হবে আমদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তা হলে তোমরা লক্ষ্য কর তোমাদের পথে ক্বারণ-এর সম-দূরত্বরেখা কোন স্থানটি? অতঃপর “যাতু ইরক্ব” মীকাতরূপে নির্ধারন করেছেন। (আঃপ্রঃ ১৪৩১, ইঃফাঃ ১৪৩৭)
‘আবদুল্লাহ ‘ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ শহর দু’টি (কূফা ও বস্রা) বিজিত হলো, তখন সে স্থানের লোকগণ ‘উমর (রাঃ) এর নিকট এসে নিবেদন করলো, হে আমীরুল মু’মিনীন ! আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজদবাসীগণের জন্য (মীকাত হিসেবে) সীমা নির্ধারন করে দিয়েছেন ক্বারণ, কিন্তু তা আমাদের পথ হতে দূরে। কাজেই আমরা ক্বারণ-সীমা অতিক্রম করতে চাইলে তা হবে আমদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তা হলে তোমরা লক্ষ্য কর তোমাদের পথে ক্বারণ-এর সম-দূরত্বরেখা কোন স্থানটি? অতঃপর “যাতু ইরক্ব” মীকাতরূপে নির্ধারন করেছেন। (আঃপ্রঃ ১৪৩১, ইঃফাঃ ১৪৩৭)
حدثني علي بن مسلم حدثنا عبد الله بن نمير حدثنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال لما فتح هذان المصران أتوا عمر فقالوا يا أمير المؤمنين إن رسول الله صلى الله عليه وسلم حد لأهل نجد قرنا وهو جور عن طريقنا وإنا إن أردنا قرنا شق علينا قال فانظروا حذوها من طريقكم فحد لهم ذات عرق