সহিহ বুখারী > বৃষ্টির পানি ও প্রবাহিত পানি দ্বারা সিক্ত ভূমির উৎপাদিত ফসলের উপর ‘উশর।

সহিহ বুখারী ১৪৮৩

حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني يونس بن يزيد، عن الزهري، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ فيما سقت السماء والعيون أو كان عثريا العشر، وما سقي بالنضح نصف العشر ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله هذا تفسير الأول لأنه لم يوقت في الأول ـ يعني حديث ابن عمر ـ وفيما سقت السماء العشر وبين في هذا ووقت، والزيادة مقبولة، والمفسر يقضي على المبهم إذا رواه أهل الثبت، كما روى الفضل بن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يصل في الكعبة‏.‏ وقال بلال قد صلى‏.‏ فأخذ بقول بلال وترك قول الفضل‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বৃষ্টি ও প্রবাহিত পানি দ্বারা সিক্ত ভূমিতে উৎপাদিত ফসল বা সেচ ব্যতীত উর্বরতার ফলে উৎপন্ন ফসলের উপর (দশমাংশ) ‘উশর ওয়াজিব হয়। আর সেচ দ্বারা উৎপাদিত ফসলের উপর অর্ধ (বিশ ভাগের এক ভাগ) ‘উশর। (আ.প্র. ১৩৮৭) ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি প্রথম হাদীসের ব্যাখ্যাস্বরূপ। কেননা, প্রথম হাদীস অর্থাৎ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে ‘ঊশর বা অর্ধ ‘উশর-এর ক্ষেত্র নির্দিষ্টরূপে বর্ণিত হয়নি। আর এই হাদীসে তার নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বর্ণিত হয়েছে। রাবী নির্ভরযোগ্য হলে তাঁর বর্ণনায় অন্য সূত্রের বর্ণনা অপেক্ষা বর্ধিত অংশ থাকলে গ্রহণযোগ্য হয় এবং এ ধরনের বিস্তারিত বর্ণনা অস্পষ্ট বর্ণনার ফয়সালাকারী হয়। যেমন, উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ফাযল ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা গৃহে সালাত আদায় করেননি। বিলাল (রাঃ) বলেন, সালাত আদায় করেছেন। এক্ষেত্রে বিলাল (রাঃ)-এর বর্ণনা গৃহীত হয়েছে আর ফাযল (রাঃ)-এর বর্ণনা গৃহীত হয়নি।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বৃষ্টি ও প্রবাহিত পানি দ্বারা সিক্ত ভূমিতে উৎপাদিত ফসল বা সেচ ব্যতীত উর্বরতার ফলে উৎপন্ন ফসলের উপর (দশমাংশ) ‘উশর ওয়াজিব হয়। আর সেচ দ্বারা উৎপাদিত ফসলের উপর অর্ধ (বিশ ভাগের এক ভাগ) ‘উশর। (আ.প্র. ১৩৮৭) ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি প্রথম হাদীসের ব্যাখ্যাস্বরূপ। কেননা, প্রথম হাদীস অর্থাৎ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে ‘ঊশর বা অর্ধ ‘উশর-এর ক্ষেত্র নির্দিষ্টরূপে বর্ণিত হয়নি। আর এই হাদীসে তার নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বর্ণিত হয়েছে। রাবী নির্ভরযোগ্য হলে তাঁর বর্ণনায় অন্য সূত্রের বর্ণনা অপেক্ষা বর্ধিত অংশ থাকলে গ্রহণযোগ্য হয় এবং এ ধরনের বিস্তারিত বর্ণনা অস্পষ্ট বর্ণনার ফয়সালাকারী হয়। যেমন, উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ফাযল ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা গৃহে সালাত আদায় করেননি। বিলাল (রাঃ) বলেন, সালাত আদায় করেছেন। এক্ষেত্রে বিলাল (রাঃ)-এর বর্ণনা গৃহীত হয়েছে আর ফাযল (রাঃ)-এর বর্ণনা গৃহীত হয়নি।

حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني يونس بن يزيد، عن الزهري، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ فيما سقت السماء والعيون أو كان عثريا العشر، وما سقي بالنضح نصف العشر ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله هذا تفسير الأول لأنه لم يوقت في الأول ـ يعني حديث ابن عمر ـ وفيما سقت السماء العشر وبين في هذا ووقت، والزيادة مقبولة، والمفسر يقضي على المبهم إذا رواه أهل الثبت، كما روى الفضل بن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يصل في الكعبة‏.‏ وقال بلال قد صلى‏.‏ فأخذ بقول بلال وترك قول الفضل‏.‏


সহিহ বুখারী > পাঁচ ওয়াসাক-এর কম উৎপাদিত পণ্যের যাকাত নেই।

সহিহ বুখারী ১৪৮৪

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، حدثنا مالك، قال حدثني محمد بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ليس فيما أقل من خمسة أوسق صدقة، ولا في أقل من خمسة من الإبل الذود صدقة، ولا في أقل من خمس أواق من الورق صدقة ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله هذا تفسير الأول إذا قال ‏"‏ ليس فيما دون خمسة أوسق صدقة ‏"‏‏.‏ ويؤخذ أبدا في العلم بما زاد أهل الثبت أو بينوا‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচ ওয়াসাক-এর কম উৎপন্ন দ্রব্যের যাকাত নেই এবং পাঁচটির কম উটের যাকাত নেই। এমনিভাবে পাঁচ উকিয়ার কম পরিমাণ রৌপ্যেরও যাকাত নেই। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, এটি প্রথমটির ব্যাখ্যায়, যখন বলা হয় পাঁচ ওয়াসাক-এর কম উৎপাদিত পণ্যের যাকাত নেই। জ্ঞানের ক্ষেত্রে জ্ঞানের অধিকারীগণ যা কিছু বৃদ্ধি করেছেন অথবা বর্ণনা করেছেন তা সর্বদা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত।

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচ ওয়াসাক-এর কম উৎপন্ন দ্রব্যের যাকাত নেই এবং পাঁচটির কম উটের যাকাত নেই। এমনিভাবে পাঁচ উকিয়ার কম পরিমাণ রৌপ্যেরও যাকাত নেই। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, এটি প্রথমটির ব্যাখ্যায়, যখন বলা হয় পাঁচ ওয়াসাক-এর কম উৎপাদিত পণ্যের যাকাত নেই। জ্ঞানের ক্ষেত্রে জ্ঞানের অধিকারীগণ যা কিছু বৃদ্ধি করেছেন অথবা বর্ণনা করেছেন তা সর্বদা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، حدثنا مالك، قال حدثني محمد بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ليس فيما أقل من خمسة أوسق صدقة، ولا في أقل من خمسة من الإبل الذود صدقة، ولا في أقل من خمس أواق من الورق صدقة ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله هذا تفسير الأول إذا قال ‏"‏ ليس فيما دون خمسة أوسق صدقة ‏"‏‏.‏ ويؤخذ أبدا في العلم بما زاد أهل الثبت أو بينوا‏.‏


সহিহ বুখারী > যখন খেজুর সংগ্রহ করা হবে তখন যাকাত দিতে হবে এবং শিশুকে যাকাতের খেজুর নেওয়ার অনুমতি দেয়া যাবে কি?

সহিহ বুখারী ১৪৮৫

حدثنا عمر بن محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبي، حدثنا إبراهيم بن طهمان، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤتى بالتمر عند صرام النخل فيجيء هذا بتمره وهذا من تمره حتى يصير عنده كوما من تمر، فجعل الحسن والحسين ـ رضى الله عنهما ـ يلعبان بذلك التمر، فأخذ أحدهما تمرة، فجعلها في فيه، فنظر إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخرجها من فيه فقال ‏ "‏ أما علمت أن آل محمد صلى الله عليه وسلم لا يأكلون الصدقة ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খেজুর কাটার মৌসুমে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে (সদকার) খেজুর আনা হতো। অমুকে তার খেজুর নিয়ে আসতো, অমুক এর খেজুর নিয়ে আসতো। এভাবে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে খেজুর স্তূপ হয়ে গেলো। হাসান ও হুসাইন (রাঃ) সে খেজুর নিয়ে খেলতে লাগলেন, তাদের একজন একটি খেজুর নিয়ে তা মুখে দিলেন। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকালেন, এবং তার মুখ হতে খেজুর বের করে বললেন, তুমি কি জান না যে, মুহাম্মাদের বংশধর (বনূ হাশিম) সদকা ভক্ষণ করে না।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খেজুর কাটার মৌসুমে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে (সদকার) খেজুর আনা হতো। অমুকে তার খেজুর নিয়ে আসতো, অমুক এর খেজুর নিয়ে আসতো। এভাবে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে খেজুর স্তূপ হয়ে গেলো। হাসান ও হুসাইন (রাঃ) সে খেজুর নিয়ে খেলতে লাগলেন, তাদের একজন একটি খেজুর নিয়ে তা মুখে দিলেন। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকালেন, এবং তার মুখ হতে খেজুর বের করে বললেন, তুমি কি জান না যে, মুহাম্মাদের বংশধর (বনূ হাশিম) সদকা ভক্ষণ করে না।

حدثنا عمر بن محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبي، حدثنا إبراهيم بن طهمان، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤتى بالتمر عند صرام النخل فيجيء هذا بتمره وهذا من تمره حتى يصير عنده كوما من تمر، فجعل الحسن والحسين ـ رضى الله عنهما ـ يلعبان بذلك التمر، فأخذ أحدهما تمرة، فجعلها في فيه، فنظر إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخرجها من فيه فقال ‏ "‏ أما علمت أن آل محمد صلى الله عليه وسلم لا يأكلون الصدقة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > এমন ফল বা গাছ (ফলসহ) অথবা (ফসল সহ) জমি, কিংবা শুধু (জমির) ফসল বিক্রয় করা, যেগুলোর উপর যাকাত বা ‘উশর ফরয হয়েছে, অতঃপর ঐ যাকাত বা ‘উশর অন্য ফল বা ফসল দ্বারা আদায় করা বা এমন ধরনের ফল বিক্রয় করা যেগুলোর উপর সদকা ফরয হয়নি।

সহিহ বুখারী ১৪৮৬

حدثنا حجاج، حدثنا شعبة، أخبرني عبد الله بن دينار، سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيع الثمرة حتى يبدو صلاحها‏.‏ وكان إذا سئل عن صلاحها قال حتى تذهب عاهته‏.‏

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর ব্যবহারযোগ্য না হওয়া পর্যন্ত বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। যখন তাঁকে ব্যবহারযোগ্যতা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলো, তখন তিনি বললেনঃ ফল নষ্ট হওয়া হতে নিরাপদ হওয়া।

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর ব্যবহারযোগ্য না হওয়া পর্যন্ত বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। যখন তাঁকে ব্যবহারযোগ্যতা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলো, তখন তিনি বললেনঃ ফল নষ্ট হওয়া হতে নিরাপদ হওয়া।

حدثنا حجاج، حدثنا شعبة، أخبرني عبد الله بن دينار، سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيع الثمرة حتى يبدو صلاحها‏.‏ وكان إذا سئل عن صلاحها قال حتى تذهب عاهته‏.‏


সহিহ বুখারী ১৪৮৭

حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثني الليث، حدثني خالد بن يزيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ‏.‏ نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফল ব্যবহারযোগ্য না হওয়া পর্যন্ত তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন।

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফল ব্যবহারযোগ্য না হওয়া পর্যন্ত তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন।

حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثني الليث، حدثني خالد بن يزيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ‏.‏ نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها‏.‏


সহিহ বুখারী ১৪৮৮

حدثنا قتيبة، عن مالك، عن حميد، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي، قال حتى تحمار‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রং ধরার আগে ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, - এর অর্থ লালচে হওয়া।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রং ধরার আগে ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, - এর অর্থ লালচে হওয়া।

حدثنا قتيبة، عن مالك، عن حميد، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي، قال حتى تحمار‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00