সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ দাসমুক্তির জন্য, ঋণ ভারাক্রান্তদের জন্য ও আল্লাহর পথে। (আত-তাওবাঃ ৬০)

সহিহ বুখারী ১৪৬৮

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالصدقة فقيل منع ابن جميل وخالد بن الوليد وعباس بن عبد المطلب‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما ينقم ابن جميل إلا أنه كان فقيرا فأغناه الله ورسوله، وأما خالد فإنكم تظلمون خالدا، قد احتبس أدراعه وأعتده في سبيل الله، وأما العباس بن عبد المطلب فعم رسول الله صلى الله عليه وسلم فهى عليه صدقة ومثلها معها ‏"‏‏.‏ تابعه ابن أبي الزناد عن أبيه‏.‏ وقال ابن إسحاق عن أبي الزناد هي عليه ومثلها معها‏.‏ وقال ابن جريج حدثت عن الأعرج بمثله‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকাত দেয়ার নির্দেশ দিলে বলা হলো, ইব্‌নু জামীল, খালিদ ইব্‌নু ওয়ালীদ ও ‘আব্বাস ইব্‌নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) যাকাত প্রদানে অস্বীকার করছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইব্‌নু জামীলের যাকাত না দেয়ার কারণ এ ছাড়া কিছু নয় যে, সে দরিদ্র ছিল, পরে আল্লাহর অনুগ্রহে ও তাঁর রাসূলের বরকতে সম্পদশালী হয়েছে। আর খালিদের ব্যাপার হলো তোমরা খালিদের উপর অন্যায় করেছ, কারণ সে তার বর্ম ও অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র আল্লাহর পথে আবদ্ধ রেখেছে। আর ‘আব্বাস ইব্‌নু ‘আব্দুল মুত্তালিব (রাঃ) তো আল্লাহর রসূলের চাচা। তাঁর যাকাত তাঁর জন্য সদকা এবং সমপরিমাণও তার জন্য সদকা। ইব্‌নু আবুয যিনাদ (রহঃ) তাঁর পিতা হতে হাদীস বর্ণনায় শু’আইব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। আর ইব্‌নু ইসহাক (রহঃ) আবুয যিনাদ (রহঃ) হতে হাদীসের শেষাংশে ‘সদকা’ শব্দের উল্লেখ করেননি। ইব্‌নু জুরাইজ (রহঃ) বলেন, আ’রাজ (রহঃ) হতে অনুরূপ হাদীস আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকাত দেয়ার নির্দেশ দিলে বলা হলো, ইব্‌নু জামীল, খালিদ ইব্‌নু ওয়ালীদ ও ‘আব্বাস ইব্‌নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) যাকাত প্রদানে অস্বীকার করছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইব্‌নু জামীলের যাকাত না দেয়ার কারণ এ ছাড়া কিছু নয় যে, সে দরিদ্র ছিল, পরে আল্লাহর অনুগ্রহে ও তাঁর রাসূলের বরকতে সম্পদশালী হয়েছে। আর খালিদের ব্যাপার হলো তোমরা খালিদের উপর অন্যায় করেছ, কারণ সে তার বর্ম ও অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র আল্লাহর পথে আবদ্ধ রেখেছে। আর ‘আব্বাস ইব্‌নু ‘আব্দুল মুত্তালিব (রাঃ) তো আল্লাহর রসূলের চাচা। তাঁর যাকাত তাঁর জন্য সদকা এবং সমপরিমাণও তার জন্য সদকা। ইব্‌নু আবুয যিনাদ (রহঃ) তাঁর পিতা হতে হাদীস বর্ণনায় শু’আইব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। আর ইব্‌নু ইসহাক (রহঃ) আবুয যিনাদ (রহঃ) হতে হাদীসের শেষাংশে ‘সদকা’ শব্দের উল্লেখ করেননি। ইব্‌নু জুরাইজ (রহঃ) বলেন, আ’রাজ (রহঃ) হতে অনুরূপ হাদীস আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالصدقة فقيل منع ابن جميل وخالد بن الوليد وعباس بن عبد المطلب‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما ينقم ابن جميل إلا أنه كان فقيرا فأغناه الله ورسوله، وأما خالد فإنكم تظلمون خالدا، قد احتبس أدراعه وأعتده في سبيل الله، وأما العباس بن عبد المطلب فعم رسول الله صلى الله عليه وسلم فهى عليه صدقة ومثلها معها ‏"‏‏.‏ تابعه ابن أبي الزناد عن أبيه‏.‏ وقال ابن إسحاق عن أبي الزناد هي عليه ومثلها معها‏.‏ وقال ابن جريج حدثت عن الأعرج بمثله‏.‏


সহিহ বুখারী > চাওয়া হতে বিরত থাকা।

সহিহ বুখারী ১৪৭১

حدثنا موسى، حدثنا وهيب، حدثنا هشام، عن أبيه، عن الزبير بن العوام ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لأن يأخذ أحدكم حبله فيأتي بحزمة الحطب على ظهره فيبيعها فيكف الله بها وجهه، خير له من أن يسأل الناس أعطوه أو منعوه ‏"‏‏.‏

যুবাইর ইব্‌নু ‘আওয়াম (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ রশি নিয়ে তার পিঠে কাঠের বোঝা বয়ে আনা এবং তা বিক্রী করা, ফলে আল্লাহ তার চেহারাকে (যাচঞা করার লাঞ্ছনা হতে) রক্ষা করেন, তা মানুষের কাছে সওয়াল করার চেয়ে উত্তম, চাই তারা দিক বা না দিক।

যুবাইর ইব্‌নু ‘আওয়াম (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ রশি নিয়ে তার পিঠে কাঠের বোঝা বয়ে আনা এবং তা বিক্রী করা, ফলে আল্লাহ তার চেহারাকে (যাচঞা করার লাঞ্ছনা হতে) রক্ষা করেন, তা মানুষের কাছে সওয়াল করার চেয়ে উত্তম, চাই তারা দিক বা না দিক।

حدثنا موسى، حدثنا وهيب، حدثنا هشام، عن أبيه، عن الزبير بن العوام ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لأن يأخذ أحدكم حبله فيأتي بحزمة الحطب على ظهره فيبيعها فيكف الله بها وجهه، خير له من أن يسأل الناس أعطوه أو منعوه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৪৭০

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده لأن يأخذ أحدكم حبله فيحتطب على ظهره خير له من أن يأتي رجلا، فيسأله، أعطاه أو منعه ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার হাতে আমার জীবন, সেই সত্তার কসম! তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে কাঠ সংগ্রহ করে পিঠে করে বয়ে আনা, কোন লোকের কাছে এসে চাওয়া অপেক্ষা অনেক ভাল, চাই সে দিক বা না দিক।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার হাতে আমার জীবন, সেই সত্তার কসম! তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে কাঠ সংগ্রহ করে পিঠে করে বয়ে আনা, কোন লোকের কাছে এসে চাওয়া অপেক্ষা অনেক ভাল, চাই সে দিক বা না দিক।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده لأن يأخذ أحدكم حبله فيحتطب على ظهره خير له من أن يأتي رجلا، فيسأله، أعطاه أو منعه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৪৬৯

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن ناسا من الأنصار سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاهم، ثم سألوه فأعطاهم، حتى نفد ما عنده فقال ‏ "‏ ما يكون عندي من خير فلن أدخره عنكم، ومن يستعفف يعفه الله، ومن يستغن يغنه الله، ومن يتصبر يصبره الله، وما أعطي أحد عطاء خيرا وأوسع من الصبر ‏"‏‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কিছু সংখ্যক আনসারী সাহাবী আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন, পুনরায় তাঁরা চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন। এমনকি তাঁর নিকট যা ছিল সবই শেষ হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেনঃ আমার নিকট যে মাল থাকে তা তোমাদের না দিয়ে আমার নিকট জমা রাখি না। তবে যে চাওয়া হতে বিরত থাকে, আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে রাখেন আর যে পরমুখাপেক্ষী না হয়, আল্লাহ তাকে অভাবমুক্ত রাখেন। যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তাকে সবর দান করেন। সবরের চেয়ে উত্তম ও ব্যাপক কোন নি’আমত কাউকে দেয়া হয়নি।

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কিছু সংখ্যক আনসারী সাহাবী আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন, পুনরায় তাঁরা চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন। এমনকি তাঁর নিকট যা ছিল সবই শেষ হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেনঃ আমার নিকট যে মাল থাকে তা তোমাদের না দিয়ে আমার নিকট জমা রাখি না। তবে যে চাওয়া হতে বিরত থাকে, আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে রাখেন আর যে পরমুখাপেক্ষী না হয়, আল্লাহ তাকে অভাবমুক্ত রাখেন। যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তাকে সবর দান করেন। সবরের চেয়ে উত্তম ও ব্যাপক কোন নি’আমত কাউকে দেয়া হয়নি।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن ناسا من الأنصار سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاهم، ثم سألوه فأعطاهم، حتى نفد ما عنده فقال ‏ "‏ ما يكون عندي من خير فلن أدخره عنكم، ومن يستعفف يعفه الله، ومن يستغن يغنه الله، ومن يتصبر يصبره الله، وما أعطي أحد عطاء خيرا وأوسع من الصبر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৪৭২

وحدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، أن حكيم بن حزام ـ رضى الله عنه ـ قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاني، ثم سألته فأعطاني، ثم سألته فأعطاني ثم قال ‏ "‏ يا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة، فمن أخذه بسخاوة نفس بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف نفس لم يبارك له فيه كالذي يأكل ولا يشبع، اليد العليا خير من اليد السفلى ‏"‏‏.‏ قال حكيم فقلت يا رسول الله والذي بعثك بالحق لا أرزأ أحدا بعدك شيئا حتى أفارق الدنيا، فكان أبو بكر ـ رضى الله عنه ـ يدعو حكيما إلى العطاء فيأبى أن يقبله منه، ثم إن عمر ـ رضى الله عنه ـ دعاه ليعطيه فأبى أن يقبل منه شيئا‏.‏ فقال عمر إني أشهدكم يا معشر المسلمين على حكيم، أني أعرض عليه حقه من هذا الفىء فيأبى أن يأخذه‏.‏ فلم يرزأ حكيم أحدا من الناس بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى توفي‏.‏

হাকীম ইব্‌নু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু চাইলাম, তিনি আমাকে দিলেন, আবার চাইলাম, তিনি আমাকে দিলেন, আবার চাইলাম, তিনি আমাকে দিলেন। অতঃপর বললেনঃ হে হাকীম! এই সম্পদ শ্যামল সুস্বাদু। যে ব্যক্তি প্রশস্ত অন্তরে (লোভ ব্যতীত) তা গ্রহণ করে তার জন্য তা বরকতময় হয়। আর যে ব্যক্তি অন্তরের লোভসহ তা গ্রহণ করে তার জন্য তা বরকতময় করা হয় না। যেন সে এমন ব্যক্তির মত, যে খায় কিন্তু তার ক্ষুধা মেটে না। উপরের হাত নিচের হাত হতে উত্তম। হাকীম (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! হে আল্লাহর রাসূল! আপনার পর মৃত্যু পর্যন্ত (সওয়াল করে) আমি কাউকে সামান্যতমও ক্ষতিগ্রস্থ করবো না। এরপর আবূ বকর (রাঃ) হাকীম (রাঃ)-কে অনুদান গ্রহণের জন্য ডাকতেন, কিন্তু তিনি তাঁর কাছ হতে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করতেন। অত:পর ‘উমর (রাঃ) (তাঁর যুগে) তাঁকে কিছু দেয়ার জন্য ডাকলেন। তিনি তাঁর কাছ হতেও কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, মুসলিমগণ! হাকীম (রহঃ)-এর ব্যাপারে আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি। আমি তাঁর এই গণীমত হতে তাঁর প্রাপ্য পেশ করেছি, কিন্তু সে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে। (সত্য সত্যই) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পর হাকীম (রাঃ) মৃত্যু অবধি কারো নিকট কিছু চেয়ে কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করেননি।

হাকীম ইব্‌নু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু চাইলাম, তিনি আমাকে দিলেন, আবার চাইলাম, তিনি আমাকে দিলেন, আবার চাইলাম, তিনি আমাকে দিলেন। অতঃপর বললেনঃ হে হাকীম! এই সম্পদ শ্যামল সুস্বাদু। যে ব্যক্তি প্রশস্ত অন্তরে (লোভ ব্যতীত) তা গ্রহণ করে তার জন্য তা বরকতময় হয়। আর যে ব্যক্তি অন্তরের লোভসহ তা গ্রহণ করে তার জন্য তা বরকতময় করা হয় না। যেন সে এমন ব্যক্তির মত, যে খায় কিন্তু তার ক্ষুধা মেটে না। উপরের হাত নিচের হাত হতে উত্তম। হাকীম (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! হে আল্লাহর রাসূল! আপনার পর মৃত্যু পর্যন্ত (সওয়াল করে) আমি কাউকে সামান্যতমও ক্ষতিগ্রস্থ করবো না। এরপর আবূ বকর (রাঃ) হাকীম (রাঃ)-কে অনুদান গ্রহণের জন্য ডাকতেন, কিন্তু তিনি তাঁর কাছ হতে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করতেন। অত:পর ‘উমর (রাঃ) (তাঁর যুগে) তাঁকে কিছু দেয়ার জন্য ডাকলেন। তিনি তাঁর কাছ হতেও কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। ‘উমর (রাঃ) বললেন, মুসলিমগণ! হাকীম (রহঃ)-এর ব্যাপারে আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি। আমি তাঁর এই গণীমত হতে তাঁর প্রাপ্য পেশ করেছি, কিন্তু সে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে। (সত্য সত্যই) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পর হাকীম (রাঃ) মৃত্যু অবধি কারো নিকট কিছু চেয়ে কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করেননি।

وحدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، أن حكيم بن حزام ـ رضى الله عنه ـ قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاني، ثم سألته فأعطاني، ثم سألته فأعطاني ثم قال ‏ "‏ يا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة، فمن أخذه بسخاوة نفس بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف نفس لم يبارك له فيه كالذي يأكل ولا يشبع، اليد العليا خير من اليد السفلى ‏"‏‏.‏ قال حكيم فقلت يا رسول الله والذي بعثك بالحق لا أرزأ أحدا بعدك شيئا حتى أفارق الدنيا، فكان أبو بكر ـ رضى الله عنه ـ يدعو حكيما إلى العطاء فيأبى أن يقبله منه، ثم إن عمر ـ رضى الله عنه ـ دعاه ليعطيه فأبى أن يقبل منه شيئا‏.‏ فقال عمر إني أشهدكم يا معشر المسلمين على حكيم، أني أعرض عليه حقه من هذا الفىء فيأبى أن يأخذه‏.‏ فلم يرزأ حكيم أحدا من الناس بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى توفي‏.‏


সহিহ বুখারী > যাকে আল্লাহ সওয়াল ও অন্তরের লোভ ব্যতীত কিছু দান করেন।

সহিহ বুখারী ১৪৭৩

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن الزهري، عن سالم، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال سمعت عمر، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعطيني العطاء فأقول أعطه من هو أفقر إليه مني فقال ‏ "‏ خذه، إذا جاءك من هذا المال شىء، وأنت غير مشرف ولا سائل، فخذه، وما لا فلا تتبعه نفسك ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কিছু দান করতেন, তখন আমি বলতাম, যে আমার চেয়ে বেশি অভাবগ্রস্ত, তাকে দিন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা গ্রহণ কর। যখন তোমার কাছে এসব মালের কিছু আসে অথচ তার প্রতি তোমার অন্তরের লোভ নেই এবং তার জন্য তুমি প্রার্থী নও, তখন তা তুমি গ্রহণ করবে। এরূপ না হলে তুমি তার প্রতি অন্তর ধাবিত করবে না।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কিছু দান করতেন, তখন আমি বলতাম, যে আমার চেয়ে বেশি অভাবগ্রস্ত, তাকে দিন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা গ্রহণ কর। যখন তোমার কাছে এসব মালের কিছু আসে অথচ তার প্রতি তোমার অন্তরের লোভ নেই এবং তার জন্য তুমি প্রার্থী নও, তখন তা তুমি গ্রহণ করবে। এরূপ না হলে তুমি তার প্রতি অন্তর ধাবিত করবে না।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن الزهري، عن سالم، أن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال سمعت عمر، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعطيني العطاء فأقول أعطه من هو أفقر إليه مني فقال ‏ "‏ خذه، إذا جاءك من هذا المال شىء، وأنت غير مشرف ولا سائل، فخذه، وما لا فلا تتبعه نفسك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > সম্পদ বাড়ানোর জন্য যে মানুষের কাছে সওয়াল করে।

সহিহ বুখারী ১৪৭৫

See previous Hadith

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আরো বলেনঃ কিয়ামাতের দিন সূর্য তাদের অতি কাছে আসবে, এমনকি ঘাম কানের অর্ধেক পর্যন্ত পৌছবে। যখন তারা এই অবস্থায় থাকবে, তখন তারা সাহায্য চাইবে আদম (আঃ)-এর কাছে, অতঃপর মূসা (আঃ)-এর কাছে, তারপর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে। ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) লায়স (রহঃ)-এর মাধ্যমে ইব্‌নু আবূ জা’ফর (রহঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সৃষ্টির মধ্যে ফয়সালা করার জন্য সুপারিশ করবেন। তিনি যেতে যেতে জান্নাতের ফটকের কড়া ধরবেন। সেদিন আল্লাহ তাঁকে মাকামে মাহমূদে পৌছে দিবেন। হাশরের ময়দানে সমবেত সকলেই তাঁর প্রশংসা করবে। রাবী মু’আল্লা (রহঃ) ….. ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ভিক্ষাবৃত্তি সম্পর্কে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আরো বলেনঃ কিয়ামাতের দিন সূর্য তাদের অতি কাছে আসবে, এমনকি ঘাম কানের অর্ধেক পর্যন্ত পৌছবে। যখন তারা এই অবস্থায় থাকবে, তখন তারা সাহায্য চাইবে আদম (আঃ)-এর কাছে, অতঃপর মূসা (আঃ)-এর কাছে, তারপর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে। ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) লায়স (রহঃ)-এর মাধ্যমে ইব্‌নু আবূ জা’ফর (রহঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সৃষ্টির মধ্যে ফয়সালা করার জন্য সুপারিশ করবেন। তিনি যেতে যেতে জান্নাতের ফটকের কড়া ধরবেন। সেদিন আল্লাহ তাঁকে মাকামে মাহমূদে পৌছে দিবেন। হাশরের ময়দানে সমবেত সকলেই তাঁর প্রশংসা করবে। রাবী মু’আল্লা (রহঃ) ….. ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ভিক্ষাবৃত্তি সম্পর্কে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৪৭৪

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عبيد الله بن أبي جعفر، قال سمعت حمزة بن عبد الله بن عمر، قال سمعت عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما يزال الرجل يسأل الناس حتى يأتي يوم القيامة ليس في وجهه مزعة لحم ‏"‏‏.‏ وقال إن الشمس تدنو يوم القيامة حتى يبلغ العرق نصف الأذن، فبينا هم كذلك استغاثوا بآدم، ثم بموسى، ثم بمحمد صلى الله عليه وسلم ‏"‏‏.‏ وزاد عبد الله حدثني الليث حدثني ابن أبي جعفر ‏"‏ فيشفع ليقضى بين الخلق، فيمشي حتى يأخذ بحلقة الباب، فيومئذ يبعثه الله مقاما محمودا، يحمده أهل الجمع كلهم ‏"‏‏.‏ وقال معلى حدثنا وهيب، عن النعمان بن راشد، عن عبد الله بن مسلم، أخي الزهري عن حمزة، سمع ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم في المسألة‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সব সময় মানুষের কাছে চেয়ে থাকে, সে কিয়ামাতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় কোন গোশত থাকবে না।

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সব সময় মানুষের কাছে চেয়ে থাকে, সে কিয়ামাতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় কোন গোশত থাকবে না।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عبيد الله بن أبي جعفر، قال سمعت حمزة بن عبد الله بن عمر، قال سمعت عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما يزال الرجل يسأل الناس حتى يأتي يوم القيامة ليس في وجهه مزعة لحم ‏"‏‏.‏ وقال إن الشمس تدنو يوم القيامة حتى يبلغ العرق نصف الأذن، فبينا هم كذلك استغاثوا بآدم، ثم بموسى، ثم بمحمد صلى الله عليه وسلم ‏"‏‏.‏ وزاد عبد الله حدثني الليث حدثني ابن أبي جعفر ‏"‏ فيشفع ليقضى بين الخلق، فيمشي حتى يأخذ بحلقة الباب، فيومئذ يبعثه الله مقاما محمودا، يحمده أهل الجمع كلهم ‏"‏‏.‏ وقال معلى حدثنا وهيب، عن النعمان بن راشد، عن عبد الله بن مسلم، أخي الزهري عن حمزة، سمع ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم في المسألة‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00