সহিহ বুখারী > উটের যাকাত
সহিহ বুখারী ১৪৫২
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن أعرابيا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الهجرة فقال " ويحك، إن شأنها شديد، فهل لك من إبل تؤدي صدقتها ". قال نعم. قال " فاعمل من وراء البحار فإن الله لن يترك من عملك شيئا ".
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক বেদুঈন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হিজরত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ তোমার তো বড় সাহস! হিজরতের ব্যাপার কঠিন, বরং যাকাত দেয়ার মত তোমার কোন উট আছে কি? সে বলল, জী হ্যাঁ, আছে। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাগরের ওপারে হলেও (যেখানেই থাক) তুমি ‘আমল করবে। তোমার ন্যূনতম ‘আমলও আল্লাহ বিনষ্ট করবেন না।
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক বেদুঈন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হিজরত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ তোমার তো বড় সাহস! হিজরতের ব্যাপার কঠিন, বরং যাকাত দেয়ার মত তোমার কোন উট আছে কি? সে বলল, জী হ্যাঁ, আছে। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাগরের ওপারে হলেও (যেখানেই থাক) তুমি ‘আমল করবে। তোমার ন্যূনতম ‘আমলও আল্লাহ বিনষ্ট করবেন না।
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن أعرابيا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الهجرة فقال " ويحك، إن شأنها شديد، فهل لك من إبل تؤدي صدقتها ". قال نعم. قال " فاعمل من وراء البحار فإن الله لن يترك من عملك شيئا ".
সহিহ বুখারী > যার উপর বিনতু মাখায যাকাত দেয়া ওয়াজিব হয়েছে অথচ তার কাছে তা নেই
সহিহ বুখারী ১৪৫৩
حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له فريضة الصدقة التي أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم " من بلغت عنده من الإبل صدقة الجذعة، وليست عنده جذعة وعنده حقة، فإنها تقبل منه الحقة ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده الحقة وعنده الجذعة، فإنها تقبل منه الجذعة، ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا بنت لبون فإنها تقبل منه بنت لبون، ويعطي شاتين أو عشرين درهما، ومن بلغت صدقته بنت لبون وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده بنت مخاض، فإنها تقبل منه بنت مخاض ويعطي معها عشرين درهما أو شاتين ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর (রাঃ) তাঁর কাছে আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা লিখে পাঠানঃ যে ব্যক্তির উপর উটের যাকাত হিসেবে জাযা’আ ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট জাযা’আহ [৪১] নেই বরং তার নিকট হিককা [৪২] রয়েছে, তখন হিককা গ্রহণ করা হবে। এর সাথে সম্ভব হলে (পরিপূরকরূপে) দু’টি বকরী দিবে, অথবা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার উপর যাকাত হিসেবে হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার কাছে হিককা নেই বরং জাযা’আ রয়েছে, তখন তার হতে জাযা’আ গ্রহণ করা হবে। আর যাকাত উসূলকারী (ক্ষতিপূরণ স্বরূপ) মালিককে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে। যার উপর হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট বিনত লাবূন রয়েছে, তখন বিনতে লাবূনই গ্রহণ করা হবে। তবে মালিক দুটি বকরী বা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে, কিন্তু তার কাছে হিককা রয়েছে, তখন তার হতে হিককা গ্রহণ করা হবে এবং আদায়কারী মালিককে বিশটি দিরহাম বা দুটি বকরী দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে কিন্তু তার নিকট তা নেই বরং বিনতে মাখায রয়েছে, তবে তাই গ্রহণ করা হবে, অবশ্য মালিক এর সঙ্গে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর (রাঃ) তাঁর কাছে আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা লিখে পাঠানঃ যে ব্যক্তির উপর উটের যাকাত হিসেবে জাযা’আ ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট জাযা’আহ [৪১] নেই বরং তার নিকট হিককা [৪২] রয়েছে, তখন হিককা গ্রহণ করা হবে। এর সাথে সম্ভব হলে (পরিপূরকরূপে) দু’টি বকরী দিবে, অথবা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার উপর যাকাত হিসেবে হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার কাছে হিককা নেই বরং জাযা’আ রয়েছে, তখন তার হতে জাযা’আ গ্রহণ করা হবে। আর যাকাত উসূলকারী (ক্ষতিপূরণ স্বরূপ) মালিককে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে। যার উপর হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট বিনত লাবূন রয়েছে, তখন বিনতে লাবূনই গ্রহণ করা হবে। তবে মালিক দুটি বকরী বা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে, কিন্তু তার কাছে হিককা রয়েছে, তখন তার হতে হিককা গ্রহণ করা হবে এবং আদায়কারী মালিককে বিশটি দিরহাম বা দুটি বকরী দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে কিন্তু তার নিকট তা নেই বরং বিনতে মাখায রয়েছে, তবে তাই গ্রহণ করা হবে, অবশ্য মালিক এর সঙ্গে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে।
حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له فريضة الصدقة التي أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم " من بلغت عنده من الإبل صدقة الجذعة، وليست عنده جذعة وعنده حقة، فإنها تقبل منه الحقة ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده الحقة وعنده الجذعة، فإنها تقبل منه الجذعة، ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا بنت لبون فإنها تقبل منه بنت لبون، ويعطي شاتين أو عشرين درهما، ومن بلغت صدقته بنت لبون وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده بنت مخاض، فإنها تقبل منه بنت مخاض ويعطي معها عشرين درهما أو شاتين ".
সহিহ বুখারী > বকরীর যাকাত
সহিহ বুখারী ১৪৫৪
حدثنا محمد بن عبد الله بن المثنى الأنصاري، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة بن عبد الله بن أنس، أن أنسا، حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له هذا الكتاب لما وجهه إلى البحرين بسم الله الرحمن الرحيم " هذه فريضة الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم على المسلمين، والتي أمر الله بها رسوله، فمن سئلها من المسلمين على وجهها فليعطها، ومن سئل فوقها فلا يعط في أربع وعشرين من الإبل فما دونها من الغنم من كل خمس شاة، إذا بلغت خمسا وعشرين إلى خمس وثلاثين ففيها بنت مخاض أنثى، فإذا بلغت ستا وثلاثين إلى خمس وأربعين ففيها بنت لبون أنثى، فإذا بلغت ستا وأربعين إلى ستين ففيها حقة طروقة الجمل، فإذا بلغت واحدة وستين إلى خمس وسبعين ففيها جذعة، فإذا بلغت ـ يعني ـ ستا وسبعين إلى تسعين ففيها بنتا لبون، فإذا بلغت إحدى وتسعين إلى عشرين ومائة ففيها حقتان طروقتا الجمل، فإذا زادت على عشرين ومائة ففي كل أربعين بنت لبون، وفي كل خمسين حقة، ومن لم يكن معه إلا أربع من الإبل فليس فيها صدقة، إلا أن يشاء ربها، فإذا بلغت خمسا من الإبل ففيها شاة، وفي صدقة الغنم في سائمتها إذا كانت أربعين إلى عشرين ومائة شاة، فإذا زادت على عشرين ومائة إلى مائتين شاتان، فإذا زادت على مائتين إلى ثلاثمائة ففيها ثلاث، فإذا زادت على ثلاثمائة ففي كل مائة شاة، فإذا كانت سائمة الرجل ناقصة من أربعين شاة واحدة فليس فيها صدقة، إلا أن يشاء ربها، وفي الرقة ربع العشر، فإن لم تكن إلا تسعين ومائة فليس فيها شىء، إلا أن يشاء ربها ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে বাহরাইনে প্রেরণকালে অত্র বিধানটি তাঁর জন্য লিখে দেনঃ পরম দয়ালু করুণাময় আল্লাহর নামে। এটাই যাকাতের নিসাব-যা নির্ধারণ করেছেন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদের প্রতি এবং যা আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূলকে নির্দেশ দিয়েছেন। মুসলিমদের মধ্যে যার নিকট হতে নিয়মানুযায়ী চাওয়া হয়, সে যেন তা আদায় করে দেয় আর তার চেয়ে অধিক চাওয়া হলে তা যেন আদায় না করে। চব্বিশ ও তার চেয়ে কম সংখ্যক উটের যাকাত বকরী দ্বারা আদায় করা হবে। প্রতিটি পাঁচটি উটে একটি বকরী এবং উটের সংখ্যা পঁচিশ হতে পয়ত্রিশ পর্যন্ত হলে একটি মাদী বিনতে মাখায। ছত্রিশ হতে পয়তাল্লিশ পর্যন্ত একটি মাদী বিনতে লাবূন। ছয়চল্লিশ হতে ষাট পর্যন্ত ষাড়ের পালযোগ্য একটি হিককা, একষট্টি হতে পচাত্তর পর্যন্ত একটি জাযা’আ, ছিয়াত্তর হতে নব্বই পর্যন্ত দুটি বিনতে লাবূন, একানব্বইটি হতে একশ বিশ পর্যন্ত ষাড়ের পালযোগ্য দুটি হিককা আর একশ বিশের অধিক হলে (অতিরিক্ত) প্রতি চল্লিশটিতে একটি করে বিনতে লাবূন এবং (অতিরিক্ত) প্রতি পঞ্চাশটিতে একটি করে হিককা। যার চারটির বেশি উট নেই, সেগুলোর উপর কোন যাকাত নেই, তবে মালিক স্বেচ্ছায় কিছু দিতে চাইলে দিতে পারবে। কিন্তু যখন পাঁচে পৌঁছে তখন একটি বকরী ওয়াজিব। আর বকরীর যাকাত সম্পর্কেঃ গৃহপালিত বকরী চল্লিশটি হতে একশ বিশটি পর্যন্ত একটি বকরী। এর বেশি হলে দু’শটি পর্যন্ত দু’টি বকরী। দু’শর অধিক হলে তিনশ পর্যন্ত তিনটি বকরী। তিনশ-র অধিক হলে প্রতি একশ-তে একটি করে বকরী। কারো গৃহপালিত বকরীর সংখ্যা চল্লিশ হতে একটিও কম হলে তার উপর যাকাত নেই। তবে স্বেচ্ছায় দান করলে তা করতে পারে। রৌপ্যের যাকাত চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। একশ নব্বই দিরহাম হলে সেক্ষেত্রে যাকাত নেই [৪৩], তবে মালিক স্বেচ্ছায় কিছু দিলে দিতে পারে।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে বাহরাইনে প্রেরণকালে অত্র বিধানটি তাঁর জন্য লিখে দেনঃ পরম দয়ালু করুণাময় আল্লাহর নামে। এটাই যাকাতের নিসাব-যা নির্ধারণ করেছেন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদের প্রতি এবং যা আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূলকে নির্দেশ দিয়েছেন। মুসলিমদের মধ্যে যার নিকট হতে নিয়মানুযায়ী চাওয়া হয়, সে যেন তা আদায় করে দেয় আর তার চেয়ে অধিক চাওয়া হলে তা যেন আদায় না করে। চব্বিশ ও তার চেয়ে কম সংখ্যক উটের যাকাত বকরী দ্বারা আদায় করা হবে। প্রতিটি পাঁচটি উটে একটি বকরী এবং উটের সংখ্যা পঁচিশ হতে পয়ত্রিশ পর্যন্ত হলে একটি মাদী বিনতে মাখায। ছত্রিশ হতে পয়তাল্লিশ পর্যন্ত একটি মাদী বিনতে লাবূন। ছয়চল্লিশ হতে ষাট পর্যন্ত ষাড়ের পালযোগ্য একটি হিককা, একষট্টি হতে পচাত্তর পর্যন্ত একটি জাযা’আ, ছিয়াত্তর হতে নব্বই পর্যন্ত দুটি বিনতে লাবূন, একানব্বইটি হতে একশ বিশ পর্যন্ত ষাড়ের পালযোগ্য দুটি হিককা আর একশ বিশের অধিক হলে (অতিরিক্ত) প্রতি চল্লিশটিতে একটি করে বিনতে লাবূন এবং (অতিরিক্ত) প্রতি পঞ্চাশটিতে একটি করে হিককা। যার চারটির বেশি উট নেই, সেগুলোর উপর কোন যাকাত নেই, তবে মালিক স্বেচ্ছায় কিছু দিতে চাইলে দিতে পারবে। কিন্তু যখন পাঁচে পৌঁছে তখন একটি বকরী ওয়াজিব। আর বকরীর যাকাত সম্পর্কেঃ গৃহপালিত বকরী চল্লিশটি হতে একশ বিশটি পর্যন্ত একটি বকরী। এর বেশি হলে দু’শটি পর্যন্ত দু’টি বকরী। দু’শর অধিক হলে তিনশ পর্যন্ত তিনটি বকরী। তিনশ-র অধিক হলে প্রতি একশ-তে একটি করে বকরী। কারো গৃহপালিত বকরীর সংখ্যা চল্লিশ হতে একটিও কম হলে তার উপর যাকাত নেই। তবে স্বেচ্ছায় দান করলে তা করতে পারে। রৌপ্যের যাকাত চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। একশ নব্বই দিরহাম হলে সেক্ষেত্রে যাকাত নেই [৪৩], তবে মালিক স্বেচ্ছায় কিছু দিলে দিতে পারে।
حدثنا محمد بن عبد الله بن المثنى الأنصاري، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة بن عبد الله بن أنس، أن أنسا، حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له هذا الكتاب لما وجهه إلى البحرين بسم الله الرحمن الرحيم " هذه فريضة الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم على المسلمين، والتي أمر الله بها رسوله، فمن سئلها من المسلمين على وجهها فليعطها، ومن سئل فوقها فلا يعط في أربع وعشرين من الإبل فما دونها من الغنم من كل خمس شاة، إذا بلغت خمسا وعشرين إلى خمس وثلاثين ففيها بنت مخاض أنثى، فإذا بلغت ستا وثلاثين إلى خمس وأربعين ففيها بنت لبون أنثى، فإذا بلغت ستا وأربعين إلى ستين ففيها حقة طروقة الجمل، فإذا بلغت واحدة وستين إلى خمس وسبعين ففيها جذعة، فإذا بلغت ـ يعني ـ ستا وسبعين إلى تسعين ففيها بنتا لبون، فإذا بلغت إحدى وتسعين إلى عشرين ومائة ففيها حقتان طروقتا الجمل، فإذا زادت على عشرين ومائة ففي كل أربعين بنت لبون، وفي كل خمسين حقة، ومن لم يكن معه إلا أربع من الإبل فليس فيها صدقة، إلا أن يشاء ربها، فإذا بلغت خمسا من الإبل ففيها شاة، وفي صدقة الغنم في سائمتها إذا كانت أربعين إلى عشرين ومائة شاة، فإذا زادت على عشرين ومائة إلى مائتين شاتان، فإذا زادت على مائتين إلى ثلاثمائة ففيها ثلاث، فإذا زادت على ثلاثمائة ففي كل مائة شاة، فإذا كانت سائمة الرجل ناقصة من أربعين شاة واحدة فليس فيها صدقة، إلا أن يشاء ربها، وفي الرقة ربع العشر، فإن لم تكن إلا تسعين ومائة فليس فيها شىء، إلا أن يشاء ربها ".
সহিহ বুখারী > অধিক বয়সে দাঁত পড়া বৃদ্ধ ও ত্রুটিপূর্ণ বকরী গ্রহণ করা যাবে না, পাঁঠাও গ্রহণ করা হবে না, তবে মালিক ইচ্ছা করলে (পাঁঠা) দিতে পারে।
সহিহ বুখারী ১৪৫৫
حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له {الصدقة} التي أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم " ولا يخرج في الصدقة هرمة، ولا ذات عوار، ولا تيس، إلا ما شاء المصدق ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি যাকাতের যে বিধান দিয়েছেন তা আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট লিখে পাঠান। তাতে রয়েছেঃ অধিক বয়সে দাঁত পরা বৃদ্ধ ও ত্রুটিযুক্ত বকরী এবং পাঁঠা যাকাত হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না, তবে যাকাত প্রদানকারী শেষোক্ত প্রাণী তথা পাঁঠা ইচ্ছা করলে দিতে পারেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি যাকাতের যে বিধান দিয়েছেন তা আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট লিখে পাঠান। তাতে রয়েছেঃ অধিক বয়সে দাঁত পরা বৃদ্ধ ও ত্রুটিযুক্ত বকরী এবং পাঁঠা যাকাত হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না, তবে যাকাত প্রদানকারী শেষোক্ত প্রাণী তথা পাঁঠা ইচ্ছা করলে দিতে পারেন।
حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له {الصدقة} التي أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم " ولا يخرج في الصدقة هرمة، ولا ذات عوار، ولا تيس، إلا ما شاء المصدق ".