সহিহ বুখারী > আলাদা আলাদা সম্পর্কে একত্রিত করা যাবে না। আর একত্রিতগুলো আলাদা করা যাবে না।

সহিহ বুখারী ১৪৫০

حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ولا يجمع بين متفرق، ولا يفرق بين مجتمع، خشية الصدقة ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট লিখে পাঠান, যাকাতের (পরিমাণ কম-বেশি হওয়ার) আশংকায় বিচ্ছিন্ন [৪০] (প্রাণী)-গুলোকে একত্রিত করা যাবে না এবং একত্রিতগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট লিখে পাঠান, যাকাতের (পরিমাণ কম-বেশি হওয়ার) আশংকায় বিচ্ছিন্ন [৪০] (প্রাণী)-গুলোকে একত্রিত করা যাবে না এবং একত্রিতগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ولا يجمع بين متفرق، ولا يفرق بين مجتمع، خشية الصدقة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > দুই অংশীদার (এর একজনের নিকট হতে সমুদয় মালের যাকাত উসুল করা হলে) একজন অপরজন হতে তার প্রাপ্য অংশ আদায় করে নিবে।

সহিহ বুখারী ১৪৫১

حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا، حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ وما كان من خليطين فإنهما يتراجعان بينهما بالسوية ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন আবূ বকর (রাঃ) তা তাকে লিখে জানালেন, এক অংশীদার অপর অংশীদারের নিকট হতে তার প্রাপ্য আদায় করে নিবে।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন আবূ বকর (রাঃ) তা তাকে লিখে জানালেন, এক অংশীদার অপর অংশীদারের নিকট হতে তার প্রাপ্য আদায় করে নিবে।

حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا، حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ وما كان من خليطين فإنهما يتراجعان بينهما بالسوية ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > উটের যাকাত

সহিহ বুখারী ১৪৫২

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن أعرابيا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الهجرة فقال ‏"‏ ويحك، إن شأنها شديد، فهل لك من إبل تؤدي صدقتها ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فاعمل من وراء البحار فإن الله لن يترك من عملك شيئا ‏"‏‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক বেদুঈন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হিজরত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ তোমার তো বড় সাহস! হিজরতের ব্যাপার কঠিন, বরং যাকাত দেয়ার মত তোমার কোন উট আছে কি? সে বলল, জী হ্যাঁ, আছে। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাগরের ওপারে হলেও (যেখানেই থাক) তুমি ‘আমল করবে। তোমার ন্যূনতম ‘আমলও আল্লাহ বিনষ্ট করবেন না।

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক বেদুঈন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হিজরত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ তোমার তো বড় সাহস! হিজরতের ব্যাপার কঠিন, বরং যাকাত দেয়ার মত তোমার কোন উট আছে কি? সে বলল, জী হ্যাঁ, আছে। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাগরের ওপারে হলেও (যেখানেই থাক) তুমি ‘আমল করবে। তোমার ন্যূনতম ‘আমলও আল্লাহ বিনষ্ট করবেন না।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن أعرابيا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الهجرة فقال ‏"‏ ويحك، إن شأنها شديد، فهل لك من إبل تؤدي صدقتها ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فاعمل من وراء البحار فإن الله لن يترك من عملك شيئا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > যার উপর বিনতু মাখায যাকাত দেয়া ওয়াজিব হয়েছে অথচ তার কাছে তা নেই

সহিহ বুখারী ১৪৫৩

حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له فريضة الصدقة التي أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من بلغت عنده من الإبل صدقة الجذعة، وليست عنده جذعة وعنده حقة، فإنها تقبل منه الحقة ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده الحقة وعنده الجذعة، فإنها تقبل منه الجذعة، ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا بنت لبون فإنها تقبل منه بنت لبون، ويعطي شاتين أو عشرين درهما، ومن بلغت صدقته بنت لبون وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده بنت مخاض، فإنها تقبل منه بنت مخاض ويعطي معها عشرين درهما أو شاتين ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) তাঁর কাছে আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা লিখে পাঠানঃ যে ব্যক্তির উপর উটের যাকাত হিসেবে জাযা’আ ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট জাযা’আহ [৪১] নেই বরং তার নিকট হিককা [৪২] রয়েছে, তখন হিককা গ্রহণ করা হবে। এর সাথে সম্ভব হলে (পরিপূরকরূপে) দু’টি বকরী দিবে, অথবা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার উপর যাকাত হিসেবে হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার কাছে হিককা নেই বরং জাযা’আ রয়েছে, তখন তার হতে জাযা’আ গ্রহণ করা হবে। আর যাকাত উসূলকারী (ক্ষতিপূরণ স্বরূপ) মালিককে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে। যার উপর হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট বিনত লাবূন রয়েছে, তখন বিনতে লাবূনই গ্রহণ করা হবে। তবে মালিক দুটি বকরী বা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে, কিন্তু তার কাছে হিককা রয়েছে, তখন তার হতে হিককা গ্রহণ করা হবে এবং আদায়কারী মালিককে বিশটি দিরহাম বা দুটি বকরী দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে কিন্তু তার নিকট তা নেই বরং বিনতে মাখায রয়েছে, তবে তাই গ্রহণ করা হবে, অবশ্য মালিক এর সঙ্গে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) তাঁর কাছে আল্লাহ তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা লিখে পাঠানঃ যে ব্যক্তির উপর উটের যাকাত হিসেবে জাযা’আ ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট জাযা’আহ [৪১] নেই বরং তার নিকট হিককা [৪২] রয়েছে, তখন হিককা গ্রহণ করা হবে। এর সাথে সম্ভব হলে (পরিপূরকরূপে) দু’টি বকরী দিবে, অথবা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার উপর যাকাত হিসেবে হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার কাছে হিককা নেই বরং জাযা’আ রয়েছে, তখন তার হতে জাযা’আ গ্রহণ করা হবে। আর যাকাত উসূলকারী (ক্ষতিপূরণ স্বরূপ) মালিককে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে। যার উপর হিককা ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট বিনত লাবূন রয়েছে, তখন বিনতে লাবূনই গ্রহণ করা হবে। তবে মালিক দুটি বকরী বা বিশটি দিরহাম দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে, কিন্তু তার কাছে হিককা রয়েছে, তখন তার হতে হিককা গ্রহণ করা হবে এবং আদায়কারী মালিককে বিশটি দিরহাম বা দুটি বকরী দিবে। আর যার ওপর বিনত লাবূন ফরয হয়েছে কিন্তু তার নিকট তা নেই বরং বিনতে মাখায রয়েছে, তবে তাই গ্রহণ করা হবে, অবশ্য মালিক এর সঙ্গে বিশটি দিরহাম বা দু’টি বকরী দিবে।

حدثنا محمد بن عبد الله، قال حدثني أبي قال، حدثني ثمامة، أن أنسا ـ رضى الله عنه ـ حدثه أن أبا بكر ـ رضى الله عنه ـ كتب له فريضة الصدقة التي أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من بلغت عنده من الإبل صدقة الجذعة، وليست عنده جذعة وعنده حقة، فإنها تقبل منه الحقة ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده الحقة وعنده الجذعة، فإنها تقبل منه الجذعة، ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا بنت لبون فإنها تقبل منه بنت لبون، ويعطي شاتين أو عشرين درهما، ومن بلغت صدقته بنت لبون وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده بنت مخاض، فإنها تقبل منه بنت مخاض ويعطي معها عشرين درهما أو شاتين ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00