সহিহ বুখারী > সাধ্যানুসারে সদকা করা।
সহিহ বুখারী ১৪৩৪
حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، وحدثني محمد بن عبد الرحيم، عن حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال أخبرني ابن أبي مليكة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، أخبره عن أسماء بنت أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ أنها جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لا توعي فيوعي الله عليك، ارضخي ما استطعت ".
আসমা বিনতু আবূ বক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি সম্পদ জমা করে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহ তোমা হতে তা আটকে রাখবেন। কাজেই সাধ্যানুসারে দান করতে থাক।
আসমা বিনতু আবূ বক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি সম্পদ জমা করে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহ তোমা হতে তা আটকে রাখবেন। কাজেই সাধ্যানুসারে দান করতে থাক।
حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، وحدثني محمد بن عبد الرحيم، عن حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال أخبرني ابن أبي مليكة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، أخبره عن أسماء بنت أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ أنها جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لا توعي فيوعي الله عليك، ارضخي ما استطعت ".
সহিহ বুখারী > সদকা গুনাহ মিটিয়ে দেয়।
সহিহ বুখারী ১৪৩৫
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن حذيفة ـ رضى الله عنه ـ قال قال عمر ـ رضى الله عنه ـ أيكم يحفظ حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الفتنة قال قلت أنا أحفظه كما قال. قال إنك عليه لجريء فكيف قال قلت فتنة الرجل في أهله وولده وجاره تكفرها الصلاة والصدقة والمعروف. قال سليمان قد كان يقول " الصلاة والصدقة، والأمر بالمعروف والنهى عن المنكر ". قال ليس هذه أريد، ولكني أريد التي تموج كموج البحر. قال قلت ليس عليك بها يا أمير المؤمنين بأس، بينك وبينها باب مغلق. قال فيكسر الباب أو يفتح. قال قلت لا. بل يكسر. قال فإنه إذا كسر لم يغلق أبدا. قال قلت أجل. فهبنا أن نسأله من الباب فقلنا لمسروق سله. قال فسأله. فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ. قال قلنا فعلم عمر من تعني قال نعم، كما أن دون غد ليلة، وذلك أني حدثته حديثا ليس بالأغاليط.
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, তোমাদের মধ্যে কে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ফিতনা সম্পর্কিত হাদীস মনে রেখেছ? হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেভাবে বলেছেন, আমি ঠিক সেভাবেই তা স্মরণ রেখেছি। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তুমি [আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে] বড় দুঃসাহসী ছিলে, তিনি কিভাবে বলেছেন (বলতো)? তিনি বলেন, আমি বললাম, (হাদীসটি হলোঃ) মানুষ পরিবার-পরিজন, সন্তান-সন্ততি ও প্রতিবেশী নিয়ে ফিতনায় পতিত হবে আর সালাত, সদকা ও নেক কাজ সেই ফিতনা মুছে দিবে। সুলাইমান [অর্থাৎ আমাশ (রহঃ)] বলেন, আবূ ওয়াইল কোন কোন সময় সালাত, সদকা ও সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করতে বলতেন। ‘উমর (রাঃ) বলেন, আমি এ ধরনের ফিতনার কথা অবগত হতে চাইনি, বরং যে ফিতনা সাগরের ঢেউয়ের মত প্রবল বেগে ছুটে আসবে। হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমীরুল মু’মিনীন। আপনার জীবনকালে ঐ ফিতনার কোন ভয় নেই। সেই ফিতনা ও আপনার মাঝে বদ্ধ দরজা রয়েছে। ‘উমর (রাঃ) প্রশ্ন করলেন, দরজা কি ভেঙ্গে দেয়া হবে না কি খুলে দেয়া হবে? হুযাইফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না বরং ভেঙ্গে দেয়া হবে। ‘উমর (রাঃ) বললেন, দরজা ভেঙ্গে দেয়া হলে কোন দিন তা আর বন্ধ করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, আমি বললাম, সত্যই বলেছেন। আবূ ওয়াইল (রাঃ) বলেন, দরজা বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে- এ কথা হুযাইফা (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করে জানতে আমরা কেউ সাহসী হলাম না। তাই প্রশ্ন করতে মাসরূককে অনুরোধ করলাম। মাসরূক (রহঃ) হুযাইফা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করায় তিনি উত্তর দিলেনঃ দরজা হলেন ‘উমর (রাঃ)। আমরা বললাম, আপনি দরজা বলে যাকে উদ্দেশ করেছেন, ‘উমর (রাঃ) কি তা অনুধাবন করতে পেরেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগামীকালের পূর্বে রাতের আগমন যেমন সুনিশ্চিত (তেমনি নিঃসন্দেহে তিনি তা উপলব্ধি করতে পেরেছেন)। এর কারণ হলো, আমি তাঁকে এমন হাদীস বর্ণনা করেছি, যাতে কোন ভুল ছিল না।
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, তোমাদের মধ্যে কে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ফিতনা সম্পর্কিত হাদীস মনে রেখেছ? হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেভাবে বলেছেন, আমি ঠিক সেভাবেই তা স্মরণ রেখেছি। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তুমি [আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে] বড় দুঃসাহসী ছিলে, তিনি কিভাবে বলেছেন (বলতো)? তিনি বলেন, আমি বললাম, (হাদীসটি হলোঃ) মানুষ পরিবার-পরিজন, সন্তান-সন্ততি ও প্রতিবেশী নিয়ে ফিতনায় পতিত হবে আর সালাত, সদকা ও নেক কাজ সেই ফিতনা মুছে দিবে। সুলাইমান [অর্থাৎ আমাশ (রহঃ)] বলেন, আবূ ওয়াইল কোন কোন সময় সালাত, সদকা ও সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করতে বলতেন। ‘উমর (রাঃ) বলেন, আমি এ ধরনের ফিতনার কথা অবগত হতে চাইনি, বরং যে ফিতনা সাগরের ঢেউয়ের মত প্রবল বেগে ছুটে আসবে। হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমীরুল মু’মিনীন। আপনার জীবনকালে ঐ ফিতনার কোন ভয় নেই। সেই ফিতনা ও আপনার মাঝে বদ্ধ দরজা রয়েছে। ‘উমর (রাঃ) প্রশ্ন করলেন, দরজা কি ভেঙ্গে দেয়া হবে না কি খুলে দেয়া হবে? হুযাইফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না বরং ভেঙ্গে দেয়া হবে। ‘উমর (রাঃ) বললেন, দরজা ভেঙ্গে দেয়া হলে কোন দিন তা আর বন্ধ করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, আমি বললাম, সত্যই বলেছেন। আবূ ওয়াইল (রাঃ) বলেন, দরজা বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে- এ কথা হুযাইফা (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করে জানতে আমরা কেউ সাহসী হলাম না। তাই প্রশ্ন করতে মাসরূককে অনুরোধ করলাম। মাসরূক (রহঃ) হুযাইফা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করায় তিনি উত্তর দিলেনঃ দরজা হলেন ‘উমর (রাঃ)। আমরা বললাম, আপনি দরজা বলে যাকে উদ্দেশ করেছেন, ‘উমর (রাঃ) কি তা অনুধাবন করতে পেরেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগামীকালের পূর্বে রাতের আগমন যেমন সুনিশ্চিত (তেমনি নিঃসন্দেহে তিনি তা উপলব্ধি করতে পেরেছেন)। এর কারণ হলো, আমি তাঁকে এমন হাদীস বর্ণনা করেছি, যাতে কোন ভুল ছিল না।
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن حذيفة ـ رضى الله عنه ـ قال قال عمر ـ رضى الله عنه ـ أيكم يحفظ حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الفتنة قال قلت أنا أحفظه كما قال. قال إنك عليه لجريء فكيف قال قلت فتنة الرجل في أهله وولده وجاره تكفرها الصلاة والصدقة والمعروف. قال سليمان قد كان يقول " الصلاة والصدقة، والأمر بالمعروف والنهى عن المنكر ". قال ليس هذه أريد، ولكني أريد التي تموج كموج البحر. قال قلت ليس عليك بها يا أمير المؤمنين بأس، بينك وبينها باب مغلق. قال فيكسر الباب أو يفتح. قال قلت لا. بل يكسر. قال فإنه إذا كسر لم يغلق أبدا. قال قلت أجل. فهبنا أن نسأله من الباب فقلنا لمسروق سله. قال فسأله. فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ. قال قلنا فعلم عمر من تعني قال نعم، كما أن دون غد ليلة، وذلك أني حدثته حديثا ليس بالأغاليط.
সহিহ বুখারী > মুশরিক থাকাকালে সদকা করার পর যে ইসলাম গ্রহণ করে (তার সদকা কবূল হবে কি না)
সহিহ বুখারী ১৪৩৬
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن حكيم بن حزام ـ رضى الله عنه ـ قال قلت يا رسول الله أرأيت أشياء كنت أتحنث بها في الجاهلية من صدقة أو عتاقة وصلة رحم فهل فيها من أجر فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أسلمت على ما سلف من خير ".
হাকীম ইব্নু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! ঈমান আনয়নের পূর্বে (সওয়াব লাভের উদ্দেশ্যে) আমি সদকা প্রদান, দাসমুক্ত করা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার ন্যায় যত কাজ করেছি, সেগুলোতে সওয়াব হবে কি? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যে সব ভালো কাজ করেছ তা নিয়েই ইসলাম গ্রহণ করেছ (তুমি সেসব কাজের সওয়াব পাবে)।
হাকীম ইব্নু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! ঈমান আনয়নের পূর্বে (সওয়াব লাভের উদ্দেশ্যে) আমি সদকা প্রদান, দাসমুক্ত করা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার ন্যায় যত কাজ করেছি, সেগুলোতে সওয়াব হবে কি? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যে সব ভালো কাজ করেছ তা নিয়েই ইসলাম গ্রহণ করেছ (তুমি সেসব কাজের সওয়াব পাবে)।
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن حكيم بن حزام ـ رضى الله عنه ـ قال قلت يا رسول الله أرأيت أشياء كنت أتحنث بها في الجاهلية من صدقة أو عتاقة وصلة رحم فهل فيها من أجر فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أسلمت على ما سلف من خير ".
সহিহ বুখারী > মালিকের নির্দেশে ফাসাদের উদ্দেশ্য ব্যতীত খাদিমের সদকা করার প্রতিদান
সহিহ বুখারী ১৪৩৭
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا تصدقت المرأة من طعام زوجها غير مفسدة كان لها أجرها، ولزوجها بما كسب، وللخازن مثل ذلك ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্ত্রী তার স্বামীর খাদ্য সামগ্রী হতে বিপর্যয়ের উদ্দেশ্য ব্যতীত সদকা করলে সে সদকা করার সওয়াব পাবে, উপার্জন করার কারণে স্বামীও এর সওয়াব পাবে এবং খাজাঞ্চীও অনুরূপ সওয়াব পাবে।
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্ত্রী তার স্বামীর খাদ্য সামগ্রী হতে বিপর্যয়ের উদ্দেশ্য ব্যতীত সদকা করলে সে সদকা করার সওয়াব পাবে, উপার্জন করার কারণে স্বামীও এর সওয়াব পাবে এবং খাজাঞ্চীও অনুরূপ সওয়াব পাবে।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا تصدقت المرأة من طعام زوجها غير مفسدة كان لها أجرها، ولزوجها بما كسب، وللخازن مثل ذلك ".
সহিহ বুখারী ১৪৩৮
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الخازن المسلم الأمين الذي ينفذ ـ وربما قال يعطي ـ ما أمر به كاملا موفرا طيب به نفسه، فيدفعه إلى الذي أمر له به، أحد المتصدقين ".
আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যে বিশ্বস্ত মুসলিম খাজাঞ্চী (আপন মালিক কর্তৃক) নির্দেশিত পরিমাণ সদকার সবটুকুই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সানন্দচিত্তে আদায় করে, কোন কোন সময় তিনি - (বাস্তবায়িত করে) শব্দের স্থলে - (আদায় করে) শব্দ বলেছেন, সে খাজাঞ্চীও নির্দেশদাতার ন্যায় সদকা দানকারী হিসেবে গণ্য।
আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যে বিশ্বস্ত মুসলিম খাজাঞ্চী (আপন মালিক কর্তৃক) নির্দেশিত পরিমাণ সদকার সবটুকুই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সানন্দচিত্তে আদায় করে, কোন কোন সময় তিনি - (বাস্তবায়িত করে) শব্দের স্থলে - (আদায় করে) শব্দ বলেছেন, সে খাজাঞ্চীও নির্দেশদাতার ন্যায় সদকা দানকারী হিসেবে গণ্য।
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الخازن المسلم الأمين الذي ينفذ ـ وربما قال يعطي ـ ما أمر به كاملا موفرا طيب به نفسه، فيدفعه إلى الذي أمر له به، أحد المتصدقين ".