সহিহ বুখারী > মুনাফিকদের জন্য (জানাযার) সালাত আদায় করা এবং মুশরিকদের জন্য মাগফিরাত কামনা করা অপছন্দনীয় হওয়া।

সহিহ বুখারী ১৩৬৬

حدثنا يحيى بن بكير، حدثني الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنهم ـ أنه قال لما مات عبد الله بن أبى ابن سلول دعي له رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي عليه، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وثبت إليه فقلت يا رسول الله، أتصلي على ابن أبى وقد قال يوم كذا وكذا كذا وكذا ـ أعدد عليه قوله ـ فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏"‏ أخر عني يا عمر ‏"‏‏.‏ فلما أكثرت عليه قال ‏"‏ إني خيرت فاخترت، لو أعلم أني إن زدت على السبعين فغفر له لزدت عليها ‏"‏‏.‏ قال فصلى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم انصرف، فلم يمكث إلا يسيرا حتى نزلت الآيتان من ‏{‏براءة‏}‏ ‏{‏ولا تصل على أحد منهم مات أبدا‏}‏ إلى ‏{‏وهم فاسقون‏}‏ قال فعجبت بعد من جرأتي على رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ، والله ورسوله أعلم‏.‏

‘উমর ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (মুনাফিক সর্দার) ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উবাই ইব্‌নু সালূল [১] মারা গেলে জানাযার সালাতের জন্য আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আহবান করা হল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে) দাঁড়ালে আমি দ্রুত তাঁর নিকট গিয়ে বসলাম, হে আল্লাহর রসূল ! আপনি ইব্‌নু ‘উবাই’র জানাযার সালাত আদায় করতে যাচ্ছেন? অথচ সে অমুক অমুক দিন (আপনার শানে এবং ঈমানদারদের সম্পর্কে) এই এই কথা বলেছে। এ বলে আমি তার উক্তিগুলো গুণেগুণে পুনরাবৃত্তি করলাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, ‘উমর, সরে যাও ! আমি বারবার আপত্তি করলে তিনি বললেন, আমাকে (তার সালাত আদায় করার ব্যাপারে) ইখ্‌তিয়ার দেয়া হয়েছে। কাজেই আমি তা গ্রহণ করলাম। আমি যদি জানতাম যে, সত্তর বারের অধিক মাগফিরাত কামনা করলে তাকে মাফ করা হবে তা হলে আমি অবশ্যই তার চেয়ে অধিক বার মাফ চাইতাম। ‘উমর (রাঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযার সালাত আদায় করেন এবং ফিরে আসেন। এর কিছুক্ষণ পরেই সূরা বারা’আতের এ দু’টি আয়াত নাযিল হলঃ وَلَا تُصَلِّ .... مِنْهُم ماتَ اَبَدًا - “তাদের কেউ মারা গেলে আপনি কখনো তার জানাযার সালাত আদায় করবেন না। এমতাবস্থায় যে তারা ফাসিক” (সূরা আত্তাওবাহ (৯) : ৮৪)। রাবী বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে আমার ঐ দিনের দুঃসাহসিক আচরণ করায় আমি বিস্মিত হয়েছি। আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রসূলই সমধিক অবগত।

‘উমর ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (মুনাফিক সর্দার) ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উবাই ইব্‌নু সালূল [১] মারা গেলে জানাযার সালাতের জন্য আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আহবান করা হল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে) দাঁড়ালে আমি দ্রুত তাঁর নিকট গিয়ে বসলাম, হে আল্লাহর রসূল ! আপনি ইব্‌নু ‘উবাই’র জানাযার সালাত আদায় করতে যাচ্ছেন? অথচ সে অমুক অমুক দিন (আপনার শানে এবং ঈমানদারদের সম্পর্কে) এই এই কথা বলেছে। এ বলে আমি তার উক্তিগুলো গুণেগুণে পুনরাবৃত্তি করলাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, ‘উমর, সরে যাও ! আমি বারবার আপত্তি করলে তিনি বললেন, আমাকে (তার সালাত আদায় করার ব্যাপারে) ইখ্‌তিয়ার দেয়া হয়েছে। কাজেই আমি তা গ্রহণ করলাম। আমি যদি জানতাম যে, সত্তর বারের অধিক মাগফিরাত কামনা করলে তাকে মাফ করা হবে তা হলে আমি অবশ্যই তার চেয়ে অধিক বার মাফ চাইতাম। ‘উমর (রাঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযার সালাত আদায় করেন এবং ফিরে আসেন। এর কিছুক্ষণ পরেই সূরা বারা’আতের এ দু’টি আয়াত নাযিল হলঃ وَلَا تُصَلِّ .... مِنْهُم ماتَ اَبَدًا - “তাদের কেউ মারা গেলে আপনি কখনো তার জানাযার সালাত আদায় করবেন না। এমতাবস্থায় যে তারা ফাসিক” (সূরা আত্তাওবাহ (৯) : ৮৪)। রাবী বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে আমার ঐ দিনের দুঃসাহসিক আচরণ করায় আমি বিস্মিত হয়েছি। আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রসূলই সমধিক অবগত।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثني الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنهم ـ أنه قال لما مات عبد الله بن أبى ابن سلول دعي له رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي عليه، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وثبت إليه فقلت يا رسول الله، أتصلي على ابن أبى وقد قال يوم كذا وكذا كذا وكذا ـ أعدد عليه قوله ـ فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏"‏ أخر عني يا عمر ‏"‏‏.‏ فلما أكثرت عليه قال ‏"‏ إني خيرت فاخترت، لو أعلم أني إن زدت على السبعين فغفر له لزدت عليها ‏"‏‏.‏ قال فصلى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم انصرف، فلم يمكث إلا يسيرا حتى نزلت الآيتان من ‏{‏براءة‏}‏ ‏{‏ولا تصل على أحد منهم مات أبدا‏}‏ إلى ‏{‏وهم فاسقون‏}‏ قال فعجبت بعد من جرأتي على رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ، والله ورسوله أعلم‏.‏


সহিহ বুখারী > লোকজন কর্তৃক মৃত ব্যক্তির গুণাবলী বর্ণনা করা।

সহিহ বুখারী ১৩৬৭

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ يقول مروا بجنازة فأثنوا عليها خيرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وجبت ‏"‏‏.‏ ثم مروا بأخرى فأثنوا عليها شرا فقال ‏"‏ وجبت ‏"‏‏.‏ فقال عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ ما وجبت قال ‏"‏ هذا أثنيتم عليه خيرا فوجبت له الجنة، وهذا أثنيتم عليه شرا فوجبت له النار، أنتم شهداء الله في الأرض ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক সাহাবী জানাযার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তাঁরা তার প্রশংসা করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়াজিব হয়ে গেল। একটু পরে অপর একটি জানাযা অতিক্রম করলেন। তখন তাঁরা তার নিন্দাসূচক মন্তব্য করলেন। (এবারও) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়াজিব হয়ে গেল। তখন ‘উমর ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ) আরয করলেন, (হে আল্লাহর রসূল!) কি ওয়াজিব হয়ে গেল? তিনি বললেনঃ এ (প্রথম) ব্যক্তি সম্পর্কে তোমরা উত্তম মন্তব্য করলে, তাই তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেল। আর এ (দ্বিতীয়) ব্যক্তি সম্পর্কে তোমরা নিন্দাসূচক মন্তব্য করায় তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেল। তোমরা তো পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষী।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক সাহাবী জানাযার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তাঁরা তার প্রশংসা করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়াজিব হয়ে গেল। একটু পরে অপর একটি জানাযা অতিক্রম করলেন। তখন তাঁরা তার নিন্দাসূচক মন্তব্য করলেন। (এবারও) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়াজিব হয়ে গেল। তখন ‘উমর ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ) আরয করলেন, (হে আল্লাহর রসূল!) কি ওয়াজিব হয়ে গেল? তিনি বললেনঃ এ (প্রথম) ব্যক্তি সম্পর্কে তোমরা উত্তম মন্তব্য করলে, তাই তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেল। আর এ (দ্বিতীয়) ব্যক্তি সম্পর্কে তোমরা নিন্দাসূচক মন্তব্য করায় তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেল। তোমরা তো পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষী।

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ يقول مروا بجنازة فأثنوا عليها خيرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وجبت ‏"‏‏.‏ ثم مروا بأخرى فأثنوا عليها شرا فقال ‏"‏ وجبت ‏"‏‏.‏ فقال عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ ما وجبت قال ‏"‏ هذا أثنيتم عليه خيرا فوجبت له الجنة، وهذا أثنيتم عليه شرا فوجبت له النار، أنتم شهداء الله في الأرض ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৬৮

حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا داود بن أبي الفرات، عن عبد الله بن بريدة، عن أبي الأسود، قال قدمت المدينة وقد وقع بها مرض، فجلست إلى عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ فمرت بهم جنازة فأثني على صاحبها خيرا فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ وجبت‏.‏ ثم مر بأخرى فأثني على صاحبها خيرا، فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ وجبت‏.‏ ثم مر بالثالثة، فأثني على صاحبها شرا فقال وجبت‏.‏ فقال أبو الأسود فقلت وما وجبت يا أمير المؤمنين قال قلت كما قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أيما مسلم شهد له أربعة بخير أدخله الله الجنة ‏"‏‏.‏ فقلنا وثلاثة قال ‏"‏ وثلاثة ‏"‏‏.‏ فقلنا واثنان قال ‏"‏ واثنان ‏"‏‏.‏ ثم لم نسأله عن الواحد‏.‏

আবুল আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মদীনায় আসলাম, তখন সেখানে একটি রোগ (মহামারী আকারে) ছড়িয়ে পড়েছিল। আমি ‘উমর ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এ সময় তাদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা অতিক্রম করল। তখন জানাযার লোকটি সম্পর্কে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হল। ‘উমর (রাঃ) বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। অতঃপর অপর একটি (জানাযা) অতিক্রম করল। তখন সে লোকটি সম্পর্কেও প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হল। (এবারও) তিনি বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। অতঃপর তৃতীয় একটি (জানাযা) অতিক্রম করল, লোকটি সম্বন্ধে নিন্দাসূচক মন্তব্য করা হল। তিনি বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। আবুল আসওয়াদ (রাঃ) বললেনঃ আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! কি ওয়াজিব হয়ে গেল? তিনি বললেন, আমি তেমনই বলেছি, যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, যে কোন মুসলমান সম্পর্কে চার ব্যক্তি ভাল বলে সাক্ষ্য দিবে, আল্লাহ্‌ তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন। ‘উমর (রাঃ) বলেনঃ তখন আমরা বলেছিলাম, তিনজন হলে? তিনি বললেন, তিনজন হলেও। আমরা বললাম, দু’জন হলে? তিনি বললেন, দু’জন হলেও। অতঃপর আমরা একজন সম্পর্কে আর তাঁকে জিজ্ঞেস করিনি।

আবুল আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মদীনায় আসলাম, তখন সেখানে একটি রোগ (মহামারী আকারে) ছড়িয়ে পড়েছিল। আমি ‘উমর ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এ সময় তাদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা অতিক্রম করল। তখন জানাযার লোকটি সম্পর্কে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হল। ‘উমর (রাঃ) বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। অতঃপর অপর একটি (জানাযা) অতিক্রম করল। তখন সে লোকটি সম্পর্কেও প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হল। (এবারও) তিনি বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। অতঃপর তৃতীয় একটি (জানাযা) অতিক্রম করল, লোকটি সম্বন্ধে নিন্দাসূচক মন্তব্য করা হল। তিনি বললেন, ওয়াজিব হয়ে গেল। আবুল আসওয়াদ (রাঃ) বললেনঃ আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! কি ওয়াজিব হয়ে গেল? তিনি বললেন, আমি তেমনই বলেছি, যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, যে কোন মুসলমান সম্পর্কে চার ব্যক্তি ভাল বলে সাক্ষ্য দিবে, আল্লাহ্‌ তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন। ‘উমর (রাঃ) বলেনঃ তখন আমরা বলেছিলাম, তিনজন হলে? তিনি বললেন, তিনজন হলেও। আমরা বললাম, দু’জন হলে? তিনি বললেন, দু’জন হলেও। অতঃপর আমরা একজন সম্পর্কে আর তাঁকে জিজ্ঞেস করিনি।

حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا داود بن أبي الفرات، عن عبد الله بن بريدة، عن أبي الأسود، قال قدمت المدينة وقد وقع بها مرض، فجلست إلى عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ فمرت بهم جنازة فأثني على صاحبها خيرا فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ وجبت‏.‏ ثم مر بأخرى فأثني على صاحبها خيرا، فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ وجبت‏.‏ ثم مر بالثالثة، فأثني على صاحبها شرا فقال وجبت‏.‏ فقال أبو الأسود فقلت وما وجبت يا أمير المؤمنين قال قلت كما قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أيما مسلم شهد له أربعة بخير أدخله الله الجنة ‏"‏‏.‏ فقلنا وثلاثة قال ‏"‏ وثلاثة ‏"‏‏.‏ فقلنا واثنان قال ‏"‏ واثنان ‏"‏‏.‏ ثم لم نسأله عن الواحد‏.‏


সহিহ বুখারী > কবরের ‘আযাব সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।

সহিহ বুখারী ১৩৭১

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت إنما قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنهم ليعلمون الآن أن ما كنت أقول حق وقد قال الله تعالى ‏{‏إنك لا تسمع الموتى‏}‏‏"‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, নিশ্চয়ই তারা এখন ভালভাবে জানতে (ও বুঝতে) পেরেছে যে, (কবর আযাব প্রসঙ্গে) আমি তাদের যা বলতাম তা বাস্তব। আল্লাহ্‌ তা’আলা ঘোষণা করেছেনঃ “আপনি (হে নবী !) নিশ্চিতই মৃতদের (কোন কথা) শোনাতে পারেন না” - (সূরা আন-নামালঃ ৮০)।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, নিশ্চয়ই তারা এখন ভালভাবে জানতে (ও বুঝতে) পেরেছে যে, (কবর আযাব প্রসঙ্গে) আমি তাদের যা বলতাম তা বাস্তব। আল্লাহ্‌ তা’আলা ঘোষণা করেছেনঃ “আপনি (হে নবী !) নিশ্চিতই মৃতদের (কোন কথা) শোনাতে পারেন না” - (সূরা আন-নামালঃ ৮০)।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت إنما قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنهم ليعلمون الآن أن ما كنت أقول حق وقد قال الله تعالى ‏{‏إنك لا تسمع الموتى‏}‏‏"‏


সহিহ বুখারী ১৩৭৩

حدثنا يحيى بن سليمان، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، أنه سمع أسماء بنت أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ تقول قام رسول الله صلى الله عليه وسلم خطيبا فذكر فتنة القبر التي يفتتن فيها المرء، فلما ذكر ذلك ضج المسلمون ضجة‏.‏

‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আসমা বিন্‌ত আবূ বকর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একবার) দাঁড়িয়ে খুৎবাহ দিচ্ছিলেন তাতে তিনি কবরে মানুষ যে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হবে, তার বর্ণনা দিলে মুসলমানগণ ভয়ার্ত চিৎকার করতে লাগলেন।

‘উরওয়া ইব্‌নু যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আসমা বিন্‌ত আবূ বকর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একবার) দাঁড়িয়ে খুৎবাহ দিচ্ছিলেন তাতে তিনি কবরে মানুষ যে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হবে, তার বর্ণনা দিলে মুসলমানগণ ভয়ার্ত চিৎকার করতে লাগলেন।

حدثنا يحيى بن سليمان، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، أنه سمع أسماء بنت أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ تقول قام رسول الله صلى الله عليه وسلم خطيبا فذكر فتنة القبر التي يفتتن فيها المرء، فلما ذكر ذلك ضج المسلمون ضجة‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৬৯

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا أقعد المؤمن في قبره أتي، ثم شهد أن لا إله إلا الله، وأن محمدا رسول الله، فذلك قوله ‏{‏يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت‏}‏ ‏"‏‏.‏ حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة بهذا وزاد ‏{‏يثبت الله الذين آمنوaا‏}‏ نزلت في عذاب القبر‏.‏

বারা’আ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’মিন ব্যক্তিকে যখন তার কবরে বসানো হয় তখন উপস্থিত করা হয় ফেরেশতাগণকে। অতঃপর (ফেরেশতাগণের প্রশ্নের উত্তরে) সে সাক্ষ্য প্রদান করে যে, – لآ الهَ الَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُوْلُ اللهِ “আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল।” এটা আল্লাহর কালামঃ (যার অর্থ) “আল্লাহ্‌ পার্থিব জীবনে ও আখিরাতে অবিচল রাখবেন সে সকল লোককে যারা ঈমান এনেছে, প্রতিষ্ঠিত বাণীতে” - (সূরা ইব্‌রাহীমঃ ২৭)। শু’বাহ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি অতিরিক্ত বলেছেন যে, , يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا আল্লাহ অবিচল রাখবেন যারা ঈমান এনেছে - এ আয়াত কবরের আযাব সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল।

বারা’আ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’মিন ব্যক্তিকে যখন তার কবরে বসানো হয় তখন উপস্থিত করা হয় ফেরেশতাগণকে। অতঃপর (ফেরেশতাগণের প্রশ্নের উত্তরে) সে সাক্ষ্য প্রদান করে যে, – لآ الهَ الَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُوْلُ اللهِ “আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল।” এটা আল্লাহর কালামঃ (যার অর্থ) “আল্লাহ্‌ পার্থিব জীবনে ও আখিরাতে অবিচল রাখবেন সে সকল লোককে যারা ঈমান এনেছে, প্রতিষ্ঠিত বাণীতে” - (সূরা ইব্‌রাহীমঃ ২৭)। শু’বাহ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি অতিরিক্ত বলেছেন যে, , يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا আল্লাহ অবিচল রাখবেন যারা ঈমান এনেছে - এ আয়াত কবরের আযাব সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا أقعد المؤمن في قبره أتي، ثم شهد أن لا إله إلا الله، وأن محمدا رسول الله، فذلك قوله ‏{‏يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت‏}‏ ‏"‏‏.‏ حدثنا محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة بهذا وزاد ‏{‏يثبت الله الذين آمنوaا‏}‏ نزلت في عذاب القبر‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৭০

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثني أبي، عن صالح، حدثني نافع، أن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره قال اطلع النبي صلى الله عليه وسلم على أهل القليب فقال ‏"‏ وجدتم ما وعد ربكم حقا ‏"‏‏.‏ فقيل له تدعو أمواتا فقال ‏"‏ ما أنتم بأسمع منهم ولكن لا يجيبون ‏"‏‏.‏

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (বদরে নিহত) গর্তবাসীদের [১] দিকে ঝুঁকে দেখে বললেনঃ “তোমাদের সাথে রব যে ওয়াদা করেছিলেন, তা তোমরা বাস্তবে পেয়েছ তো?” - (সূরা আল-আ’রাফ (৭) : ৪৪)। তখন তাঁকে বলা হল, আপনি মৃতদের ডেকে কথা বলছেন? (ওরা কি শুনতে পায়?) তিনি বললেনঃ “তোমরা তাদের চেয়ে অধিক শুনতে পাও না, তবে তারা জবাব দিতে পারছে না”। [২]

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (বদরে নিহত) গর্তবাসীদের [১] দিকে ঝুঁকে দেখে বললেনঃ “তোমাদের সাথে রব যে ওয়াদা করেছিলেন, তা তোমরা বাস্তবে পেয়েছ তো?” - (সূরা আল-আ’রাফ (৭) : ৪৪)। তখন তাঁকে বলা হল, আপনি মৃতদের ডেকে কথা বলছেন? (ওরা কি শুনতে পায়?) তিনি বললেনঃ “তোমরা তাদের চেয়ে অধিক শুনতে পাও না, তবে তারা জবাব দিতে পারছে না”। [২]

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثني أبي، عن صالح، حدثني نافع، أن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره قال اطلع النبي صلى الله عليه وسلم على أهل القليب فقال ‏"‏ وجدتم ما وعد ربكم حقا ‏"‏‏.‏ فقيل له تدعو أمواتا فقال ‏"‏ ما أنتم بأسمع منهم ولكن لا يجيبون ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৭২

حدثنا عبدان، أخبرني أبي، عن شعبة، سمعت الأشعث، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن يهودية، دخلت عليها، فذكرت عذاب القبر، فقالت لها أعاذك الله من عذاب القبر‏.‏ فسألت عائشة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن عذاب القبر فقال ‏"‏ نعم عذاب القبر ‏"‏‏.‏ قالت عائشة ـ رضى الله عنها ـ فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد صلى صلاة إلا تعوذ من عذاب القبر‏.‏ زاد غندر ‏"‏ عذاب القبر حق ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহুদী স্ত্রীলোক ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এসে কবর আযাব সম্পর্কে আলোচনা করে তাঁকে (দু’আ করে) বলল, আল্লাহ্‌ আপনাকে কবর আযাব হতে রক্ষা করুন ! পরে ‘আয়িশা (রাঃ) কবর আযাব সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ হাঁ, কবর আযাব (সত্য)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, এরপর থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এমন কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি, যাতে তিনি কবর আযাব হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেননি। [এ হাদীসের বর্ণনায়] গুণদার (রহঃ) অধিক উল্লেখ করেছেন যে, ‘কবর ‘আযাব একেবারে বাস্তব’।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহুদী স্ত্রীলোক ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এসে কবর আযাব সম্পর্কে আলোচনা করে তাঁকে (দু’আ করে) বলল, আল্লাহ্‌ আপনাকে কবর আযাব হতে রক্ষা করুন ! পরে ‘আয়িশা (রাঃ) কবর আযাব সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ হাঁ, কবর আযাব (সত্য)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, এরপর থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এমন কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি, যাতে তিনি কবর আযাব হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেননি। [এ হাদীসের বর্ণনায়] গুণদার (রহঃ) অধিক উল্লেখ করেছেন যে, ‘কবর ‘আযাব একেবারে বাস্তব’।

حدثنا عبدان، أخبرني أبي، عن شعبة، سمعت الأشعث، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن يهودية، دخلت عليها، فذكرت عذاب القبر، فقالت لها أعاذك الله من عذاب القبر‏.‏ فسألت عائشة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن عذاب القبر فقال ‏"‏ نعم عذاب القبر ‏"‏‏.‏ قالت عائشة ـ رضى الله عنها ـ فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد صلى صلاة إلا تعوذ من عذاب القبر‏.‏ زاد غندر ‏"‏ عذاب القبر حق ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৭৪

حدثنا عياش بن الوليد، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أنه حدثهم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن العبد إذا وضع في قبره، وتولى عنه أصحابه، وإنه ليسمع قرع نعالهم، أتاه ملكان فيقعدانه فيقولان ما كنت تقول في الرجل لمحمد صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأما المؤمن فيقول أشهد أنه عبد الله ورسوله‏.‏ فيقال له انظر إلى مقعدك من النار، قد أبدلك الله به مقعدا من الجنة، فيراهما جميعا ‏"‏‏.‏ قال قتادة وذكر لنا أنه يفسح في قبره‏.‏ ثم رجع إلى حديث أنس قال ‏"‏ وأما المنافق والكافر فيقال له ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول لا أدري، كنت أقول ما يقول الناس‏.‏ فيقال لا دريت ولا تليت‏.‏ ويضرب بمطارق من حديد ضربة، فيصيح صيحة يسمعها من يليه، غير الثقلين ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দাকে যখন তার কবরে রাখা হয় এবং তার সাথীরা এতটুকু মাত্র দূরে যায় যে, সে তখনও তাদের জুতার আওয়াজ শুনতে পায়। [২৯] এ সময় দু’জন ফেরেশতা তার নিকট এসে তাকে বসান এবং তাঁরা বলেন, এ ব্যক্তি অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে তুমি কী বলতে? তখন মু’মিন ব্যক্তি বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রসূল। তখন তাঁকে বলা হবে, জাহান্নামে তোমার অবস্থান স্থলটির দিকে নযর কর, আল্লাহ্‌ তোমাকে তার বদলে জান্নাতের একটি অবস্থান স্থল দান করেছেন। তখন সে দুটি স্থলের দিকেই দৃষ্টি করে দেখবে। কাতাদা (রহঃ) বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, সে ব্যক্তির জন্য তাঁর কবর প্রশস্ত করে দেয়া হবে। অতঃপর তিনি (কাতাদা) পুনরায় আনাস (রাঃ)-এর হাদীসের বর্ণনায় ফিরে আসেন। তিনি [আনাস (রাঃ) ] বলেন, আর মুনাফিক বা কাফির ব্যক্তিকেও প্রশ্ন করা হবে তুমি এ ব্যক্তি (মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) সম্পর্কে কী বলতে? সে উত্তরে বলবে, আমি জানি না। লোকেরা যা বলত আমি তা-ই বললাম। তখন তাকে বলা হবে, তুমি না নিজে জেনেছ, না তিলাওয়াত করে শিখেছ। আর তাকে লোহার মুগুর দ্বারা এমনভাবে আঘাত করা হবে, যার ফলে সে এমন বিকট চিৎকার করে উঠবে যে, দু’ জাতি (মানুষ ও জ্বিন) ছাড়া তার আশপাশের সকলেই তা শুনতে পাবে।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দাকে যখন তার কবরে রাখা হয় এবং তার সাথীরা এতটুকু মাত্র দূরে যায় যে, সে তখনও তাদের জুতার আওয়াজ শুনতে পায়। [২৯] এ সময় দু’জন ফেরেশতা তার নিকট এসে তাকে বসান এবং তাঁরা বলেন, এ ব্যক্তি অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে তুমি কী বলতে? তখন মু’মিন ব্যক্তি বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রসূল। তখন তাঁকে বলা হবে, জাহান্নামে তোমার অবস্থান স্থলটির দিকে নযর কর, আল্লাহ্‌ তোমাকে তার বদলে জান্নাতের একটি অবস্থান স্থল দান করেছেন। তখন সে দুটি স্থলের দিকেই দৃষ্টি করে দেখবে। কাতাদা (রহঃ) বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, সে ব্যক্তির জন্য তাঁর কবর প্রশস্ত করে দেয়া হবে। অতঃপর তিনি (কাতাদা) পুনরায় আনাস (রাঃ)-এর হাদীসের বর্ণনায় ফিরে আসেন। তিনি [আনাস (রাঃ) ] বলেন, আর মুনাফিক বা কাফির ব্যক্তিকেও প্রশ্ন করা হবে তুমি এ ব্যক্তি (মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) সম্পর্কে কী বলতে? সে উত্তরে বলবে, আমি জানি না। লোকেরা যা বলত আমি তা-ই বললাম। তখন তাকে বলা হবে, তুমি না নিজে জেনেছ, না তিলাওয়াত করে শিখেছ। আর তাকে লোহার মুগুর দ্বারা এমনভাবে আঘাত করা হবে, যার ফলে সে এমন বিকট চিৎকার করে উঠবে যে, দু’ জাতি (মানুষ ও জ্বিন) ছাড়া তার আশপাশের সকলেই তা শুনতে পাবে।

حدثنا عياش بن الوليد، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أنه حدثهم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن العبد إذا وضع في قبره، وتولى عنه أصحابه، وإنه ليسمع قرع نعالهم، أتاه ملكان فيقعدانه فيقولان ما كنت تقول في الرجل لمحمد صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأما المؤمن فيقول أشهد أنه عبد الله ورسوله‏.‏ فيقال له انظر إلى مقعدك من النار، قد أبدلك الله به مقعدا من الجنة، فيراهما جميعا ‏"‏‏.‏ قال قتادة وذكر لنا أنه يفسح في قبره‏.‏ ثم رجع إلى حديث أنس قال ‏"‏ وأما المنافق والكافر فيقال له ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول لا أدري، كنت أقول ما يقول الناس‏.‏ فيقال لا دريت ولا تليت‏.‏ ويضرب بمطارق من حديد ضربة، فيصيح صيحة يسمعها من يليه، غير الثقلين ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কবরের ‘আযাব হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা।

সহিহ বুখারী ১৩৭৬

حدثنا معلى، حدثنا وهيب، عن موسى بن عقبة، قال حدثتني ابنة خالد بن سعيد بن العاص، أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يتعوذ من عذاب القبر‏.‏

খালিদ ইব্‌নু সাঈদ ইব্‌নু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কবরের শাস্তি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছেন।

খালিদ ইব্‌নু সাঈদ ইব্‌নু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কবরের শাস্তি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছেন।

حدثنا معلى، حدثنا وهيب، عن موسى بن عقبة، قال حدثتني ابنة خالد بن سعيد بن العاص، أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يتعوذ من عذاب القبر‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৭৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، حدثنا شعبة، قال حدثني عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، عن البراء بن عازب، عن أبي أيوب ـ رضى الله عنهم ـ قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم وقد وجبت الشمس، فسمع صوتا فقال ‏ "‏ يهود تعذب في قبورها ‏"‏‏.‏ وقال النضر أخبرنا شعبة، حدثنا عون، سمعت أبي، سمعت البراء، عن أبي أيوب ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

আবূ আইয়ুব [আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একবার) সূর্য ডুবে যাওয়ার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন। তখন তিনি একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে বলেনঃ ইয়াহূদীদের কবরে আযাব দেয়া হচ্ছে। (এটা আযাব দেয়ার বা আযাবের ফেরেশতাগণের বা ইয়াহূদীদের আওয়াজ।) [ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন] নযর (রহঃ) .......আবূ আইয়ুব (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (অনুরূপ) বলেছেন।

আবূ আইয়ুব [আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একবার) সূর্য ডুবে যাওয়ার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন। তখন তিনি একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে বলেনঃ ইয়াহূদীদের কবরে আযাব দেয়া হচ্ছে। (এটা আযাব দেয়ার বা আযাবের ফেরেশতাগণের বা ইয়াহূদীদের আওয়াজ।) [ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন] নযর (রহঃ) .......আবূ আইয়ুব (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (অনুরূপ) বলেছেন।

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، حدثنا شعبة، قال حدثني عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، عن البراء بن عازب، عن أبي أيوب ـ رضى الله عنهم ـ قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم وقد وجبت الشمس، فسمع صوتا فقال ‏ "‏ يهود تعذب في قبورها ‏"‏‏.‏ وقال النضر أخبرنا شعبة، حدثنا عون، سمعت أبي، سمعت البراء، عن أبي أيوب ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৭৭

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، حدثنا يحيى، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو ‏ "‏ اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر، ومن عذاب النار، ومن فتنة المحيا والممات، ومن فتنة المسيح الدجال ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করতেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার সমীপে পানাহ চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে, জাহান্নামের শাস্তি হতে, জীবন ও মরণের ফিতনা হতে এবং মাসীহ দাজ্জাল এর ফিতনা হতে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করতেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার সমীপে পানাহ চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে, জাহান্নামের শাস্তি হতে, জীবন ও মরণের ফিতনা হতে এবং মাসীহ দাজ্জাল এর ফিতনা হতে।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، حدثنا يحيى، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو ‏ "‏ اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر، ومن عذاب النار، ومن فتنة المحيا والممات، ومن فتنة المسيح الدجال ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00