সহিহ বুখারী > কবরকে লাহ্‌দ ও শাক্‌ক বানানো।

সহিহ বুখারী ১৩৫৩

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الليث بن سعد، قال حدثني ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يجمع بين رجلين من قتلى أحد ثم يقول ‏"‏ أيهم أكثر أخذا للقرآن ‏"‏‏.‏ فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد فقال ‏"‏ أنا شهيد على هؤلاء يوم القيامة ‏"‏‏.‏ فأمر بدفنهم بدمائهم ولم يغسلهم‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদের শহীদগণের দু’ দু’জনকে একত্র করে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কুরআন সম্পর্কে কে অধিক জ্ঞাত? দুজনের কোন একজনের দিকে ইঙ্গিত করা হলে প্রথমে তাঁকে কবরে রাখতেন। অতঃপর ইরশাদ করেনঃ কিয়ামাতের দিন আমি তাঁদের জন্য সাক্ষী হব। তিনি রক্ত-মাখা অবস্থায়ই তাঁদের দাফন করার আদেশ করলেন এবং তাঁদের গোসলও দেননি।

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদের শহীদগণের দু’ দু’জনকে একত্র করে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কুরআন সম্পর্কে কে অধিক জ্ঞাত? দুজনের কোন একজনের দিকে ইঙ্গিত করা হলে প্রথমে তাঁকে কবরে রাখতেন। অতঃপর ইরশাদ করেনঃ কিয়ামাতের দিন আমি তাঁদের জন্য সাক্ষী হব। তিনি রক্ত-মাখা অবস্থায়ই তাঁদের দাফন করার আদেশ করলেন এবং তাঁদের গোসলও দেননি।

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الليث بن سعد، قال حدثني ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يجمع بين رجلين من قتلى أحد ثم يقول ‏"‏ أيهم أكثر أخذا للقرآن ‏"‏‏.‏ فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد فقال ‏"‏ أنا شهيد على هؤلاء يوم القيامة ‏"‏‏.‏ فأمر بدفنهم بدمائهم ولم يغسلهم‏.‏


সহিহ বুখারী > কোন বালক ইসলাম গ্রহণ করে মারা গেলে তার জন্য (জানাযার) সালাত আদায় করা যাবে কি? বালকের নিকট ইসলামের দাওয়াত দেয়া যাবে কি?

সহিহ বুখারী ১৩৫৫

See previous Hadith

রাবী সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, অতঃপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) ঐ খেজুরের বাগানের দিকে গমন করলেন যেখানে ইব্‌নু সাইয়াদ ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদ তাকে দেখে ফেলার পূর্বেই ইব্‌নু সাইয়াদের কিছু কথা তিনি শুনে নিতে চাচ্ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে একটি চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে দেখলেন। যার ভিতর হতে তার গুনগুন আওয়াজ শোনা [১] যাচ্ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদের মা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল যে, তিনি খেজুর (গাছের) কাণ্ডের আড়ালে আত্মগোপন করে চলছেন। সে তখন ইব্‌নু সাইয়াদকে ডেকে বলল, ও সাফ ! (এটি ইব্‌নু সাইয়াদের ডাক নাম) এই যে মুহাম্মাদ ! তখন ইব্‌নু সাইয়াদ লাফিয়ে উঠল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ সে (ইব্‌নু সাইয়াদের মা) তাকে (যথাবস্থায়) থাকতে দিলে (ব্যাপারটি) স্পষ্ট হয়ে যেত। শুআইব (রহঃ) তাঁর হাদীসে (فَرَفَضَهُ) বলেন, এবং সন্দেহের সাথে বলেন, (رَمْرَمَةُ) অথবা (زَمْزَمَةُ) এবং উকাইল (র.) বলেছেন, (رَمْزَةُ) আর মা’মার বলেছেন, (আরবী)।

রাবী সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, অতঃপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) ঐ খেজুরের বাগানের দিকে গমন করলেন যেখানে ইব্‌নু সাইয়াদ ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদ তাকে দেখে ফেলার পূর্বেই ইব্‌নু সাইয়াদের কিছু কথা তিনি শুনে নিতে চাচ্ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে একটি চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে দেখলেন। যার ভিতর হতে তার গুনগুন আওয়াজ শোনা [১] যাচ্ছিল। ইব্‌নু সাইয়াদের মা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল যে, তিনি খেজুর (গাছের) কাণ্ডের আড়ালে আত্মগোপন করে চলছেন। সে তখন ইব্‌নু সাইয়াদকে ডেকে বলল, ও সাফ ! (এটি ইব্‌নু সাইয়াদের ডাক নাম) এই যে মুহাম্মাদ ! তখন ইব্‌নু সাইয়াদ লাফিয়ে উঠল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ সে (ইব্‌নু সাইয়াদের মা) তাকে (যথাবস্থায়) থাকতে দিলে (ব্যাপারটি) স্পষ্ট হয়ে যেত। শুআইব (রহঃ) তাঁর হাদীসে (فَرَفَضَهُ) বলেন, এবং সন্দেহের সাথে বলেন, (رَمْرَمَةُ) অথবা (زَمْزَمَةُ) এবং উকাইল (র.) বলেছেন, (رَمْزَةُ) আর মা’মার বলেছেন, (আরবী)।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১৩৫৪

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، أن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن عمر انطلق مع النبي صلى الله عليه وسلم في رهط قبل ابن صياد، حتى وجدوه يلعب مع الصبيان عند أطم بني مغالة، وقد قارب ابن صياد الحلم فلم يشعر حتى ضرب النبي صلى الله عليه وسلم بيده ثم قال لابن صياد ‏"‏ تشهد أني رسول الله ‏"‏‏.‏ فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين‏.‏ فقال ابن صياد للنبي صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فرفضه وقال آمنت بالله وبرسله‏.‏ فقال له ‏"‏ ماذا ترى ‏"‏‏.‏ قال ابن صياد يأتيني صادق وكاذب‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خلط عليك الأمر ‏"‏ ثم قال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني قد خبأت لك خبيئا ‏"‏‏.‏ فقال ابن صياد هو الدخ‏.‏ فقال ‏"‏ اخسأ، فلن تعدو قدرك ‏"‏‏.‏ فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ دعني يا رسول الله أضرب عنقه‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكنه فلن تسلط عليه، وإن لم يكنه فلا خير لك في قتله ‏"‏‏.‏ وقال سالم سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب إلى النخل التي فيها ابن صياد وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه ابن صياد فرآه النبي صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع، يعني في قطيفة له فيها رمزة أو زمرة، فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل فقالت لابن صياد يا صاف ـ وهو اسم ابن صياد ـ هذا محمد صلى الله عليه وسلم‏.‏ فثار ابن صياد فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو تركته بين ‏"‏‏.‏ وقال شعيب في حديثه فرفصه رمرمة، أو زمزمة‏.‏ وقال إسحاق الكلبي وعقيل رمرمة‏.‏ وقال معمر رمزة‏.‏

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে ইব্‌নু সাইয়াদ-এর (বাড়ির) দিকে গেলেন। তাঁরা তাঁকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) বনূ মাগালা দুর্গের পাশে অন্যান্য বালকদের সাথে খেলাধূলারত পেলেন। তখন ইব্‌নু সাইয়াদ বালিগ হবার নিকটবর্তী হয়েছিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমন অনুভব করার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত ধরে ফেললেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আমি আল্লাহর রসূল? ইব্‌নু সাইয়াদ তাঁর দিকে দৃষ্টি করে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মীদের রসূল। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দিবেন যে, আমি আল্লাহর রসূল? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বললেনঃ আমি আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি। অতঃপর তিনি তাকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কী দেখে থাক? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, আমার নিকট সত্যবাদী ও মিথ্যাবাদী আগমন করে থাকে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ ব্যাপারটি তোমার নিকট বিভ্রান্তিকর করা হয়েছে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি একটি বিষয় তোমার হতে (আমার মনের মধ্যে) গোপন রেখেছি। বলতো সেটি কী? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, তা হচ্ছে (الدُّخُّ) 'আদ্-দুখখু। তখন তিনি ইরশাদ করলেনঃ তুমি লাঞ্ছিত হও ! তুমি কখনো তোমার (জন্য নির্ধারিত) সীমা অতিক্রম করতে পারবে না। তখন ‘উমর (রাঃ) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন, হে আল্লাহর রসূল ! আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই [২৬]। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ যদি সে সে-ই (অর্থাৎ মাসীহ্‌ দাজ্জাল) হয়ে থাকে, তাহলে তাকে কাবু করার ক্ষমতা তোমাকে দেয়া হবে না। আর যদি সে-ই (দাজ্জাল) না হয়, তাহলে তাকে হত্যা করার মধ্যে তোমার কোন কল্যাণ নেই।

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে ইব্‌নু সাইয়াদ-এর (বাড়ির) দিকে গেলেন। তাঁরা তাঁকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) বনূ মাগালা দুর্গের পাশে অন্যান্য বালকদের সাথে খেলাধূলারত পেলেন। তখন ইব্‌নু সাইয়াদ বালিগ হবার নিকটবর্তী হয়েছিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমন অনুভব করার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত ধরে ফেললেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আমি আল্লাহর রসূল? ইব্‌নু সাইয়াদ তাঁর দিকে দৃষ্টি করে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মীদের রসূল। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দিবেন যে, আমি আল্লাহর রসূল? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বললেনঃ আমি আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি। অতঃপর তিনি তাকে (ইব্‌নু সাইয়াদকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কী দেখে থাক? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, আমার নিকট সত্যবাদী ও মিথ্যাবাদী আগমন করে থাকে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ ব্যাপারটি তোমার নিকট বিভ্রান্তিকর করা হয়েছে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি একটি বিষয় তোমার হতে (আমার মনের মধ্যে) গোপন রেখেছি। বলতো সেটি কী? ইব্‌নু সাইয়াদ বলল, তা হচ্ছে (الدُّخُّ) 'আদ্-দুখখু। তখন তিনি ইরশাদ করলেনঃ তুমি লাঞ্ছিত হও ! তুমি কখনো তোমার (জন্য নির্ধারিত) সীমা অতিক্রম করতে পারবে না। তখন ‘উমর (রাঃ) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন, হে আল্লাহর রসূল ! আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই [২৬]। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ যদি সে সে-ই (অর্থাৎ মাসীহ্‌ দাজ্জাল) হয়ে থাকে, তাহলে তাকে কাবু করার ক্ষমতা তোমাকে দেয়া হবে না। আর যদি সে-ই (দাজ্জাল) না হয়, তাহলে তাকে হত্যা করার মধ্যে তোমার কোন কল্যাণ নেই।

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، أن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أن عمر انطلق مع النبي صلى الله عليه وسلم في رهط قبل ابن صياد، حتى وجدوه يلعب مع الصبيان عند أطم بني مغالة، وقد قارب ابن صياد الحلم فلم يشعر حتى ضرب النبي صلى الله عليه وسلم بيده ثم قال لابن صياد ‏"‏ تشهد أني رسول الله ‏"‏‏.‏ فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين‏.‏ فقال ابن صياد للنبي صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فرفضه وقال آمنت بالله وبرسله‏.‏ فقال له ‏"‏ ماذا ترى ‏"‏‏.‏ قال ابن صياد يأتيني صادق وكاذب‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خلط عليك الأمر ‏"‏ ثم قال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني قد خبأت لك خبيئا ‏"‏‏.‏ فقال ابن صياد هو الدخ‏.‏ فقال ‏"‏ اخسأ، فلن تعدو قدرك ‏"‏‏.‏ فقال عمر ـ رضى الله عنه ـ دعني يا رسول الله أضرب عنقه‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكنه فلن تسلط عليه، وإن لم يكنه فلا خير لك في قتله ‏"‏‏.‏ وقال سالم سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب إلى النخل التي فيها ابن صياد وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه ابن صياد فرآه النبي صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع، يعني في قطيفة له فيها رمزة أو زمرة، فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل فقالت لابن صياد يا صاف ـ وهو اسم ابن صياد ـ هذا محمد صلى الله عليه وسلم‏.‏ فثار ابن صياد فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو تركته بين ‏"‏‏.‏ وقال شعيب في حديثه فرفصه رمرمة، أو زمزمة‏.‏ وقال إسحاق الكلبي وعقيل رمرمة‏.‏ وقال معمر رمزة‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৭

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال قال عبيد الله سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يقول كنت أنا وأمي، من المستضعفين أنا من الولدان، وأمي، من النساء‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং আমার মা (লুবাবাহ্‌ বিন্‌ত হারিস) মুসতায’আফীন (দুর্বল, অসহায়) এর অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি ছিলাম না-বালিগ শিশুদের মধ্যে আর আমার মা ছিলেন মহিলাদের মধ্যে।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং আমার মা (লুবাবাহ্‌ বিন্‌ত হারিস) মুসতায’আফীন (দুর্বল, অসহায়) এর অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি ছিলাম না-বালিগ শিশুদের মধ্যে আর আমার মা ছিলেন মহিলাদের মধ্যে।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال قال عبيد الله سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ يقول كنت أنا وأمي، من المستضعفين أنا من الولدان، وأمي، من النساء‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৬

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد ـ وهو ابن زيد ـ عن ثابت، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال كان غلام يهودي يخدم النبي صلى الله عليه وسلم فمرض، فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم يعوده، فقعد عند رأسه فقال له ‏"‏ أسلم ‏"‏‏.‏ فنظر إلى أبيه وهو عنده فقال له أطع أبا القاسم صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأسلم، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏"‏ الحمد لله الذي أنقذه من النار ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী বালক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাত করত, সে একবার অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখার জন্য আসলেন। তিনি তার মাথার নিকট বসে তাকে বললেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহণ কর, সে তখন তার পিতার দিকে তাকাল, সে তার নিকটেই ছিল, পিতা তাকে বলল, আবুল কাসেম (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুনিয়াত) এর কথা মেনে নাও, তখন সে ইসলাম গ্রহণ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখান হতে বের হয়ে যাওয়ার সময় ইরশাদ করলেনঃ যাবতীয় প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দিলেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী বালক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাত করত, সে একবার অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখার জন্য আসলেন। তিনি তার মাথার নিকট বসে তাকে বললেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহণ কর, সে তখন তার পিতার দিকে তাকাল, সে তার নিকটেই ছিল, পিতা তাকে বলল, আবুল কাসেম (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুনিয়াত) এর কথা মেনে নাও, তখন সে ইসলাম গ্রহণ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখান হতে বের হয়ে যাওয়ার সময় ইরশাদ করলেনঃ যাবতীয় প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দিলেন।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد ـ وهو ابن زيد ـ عن ثابت، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال كان غلام يهودي يخدم النبي صلى الله عليه وسلم فمرض، فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم يعوده، فقعد عند رأسه فقال له ‏"‏ أسلم ‏"‏‏.‏ فنظر إلى أبيه وهو عنده فقال له أطع أبا القاسم صلى الله عليه وسلم‏.‏ فأسلم، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏"‏ الحمد لله الذي أنقذه من النار ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৯

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء، هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها لا تبديل لخلق الله ذلك الدين القيم‏}‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নবজাতকই ফিত্‌রাতের উপর জন্মলাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী, নাসারা বা মাজূসী (অগ্নিপূজারী) রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু একটি পূর্নাঙ্গ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাকে কোন (জন্মগত) কানকাটা দেখতে পাও? অতঃপর আবূ হুরায়রা তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا لا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ اللَّهِ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ) (যার অর্থ) “আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরণ কর, যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন, এটাই সরল সুদৃঢ় দ্বীন”- (সূরা রুমঃ ৩০)।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নবজাতকই ফিত্‌রাতের উপর জন্মলাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী, নাসারা বা মাজূসী (অগ্নিপূজারী) রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু একটি পূর্নাঙ্গ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাকে কোন (জন্মগত) কানকাটা দেখতে পাও? অতঃপর আবূ হুরায়রা তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا لا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ اللَّهِ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ) (যার অর্থ) “আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরণ কর, যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন, এটাই সরল সুদৃঢ় দ্বীন”- (সূরা রুমঃ ৩০)।

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء، هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها لا تبديل لخلق الله ذلك الدين القيم‏}‏


সহিহ বুখারী ১৩৫৮

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، قال ابن شهاب يصلى على كل مولود متوفى وإن كان لغية، من أجل أنه ولد على فطرة الإسلام، يدعي أبواه الإسلام أو أبوه خاصة، وإن كانت أمه على غير الإسلام، إذا استهل صارخا صلي عليه، ولا يصلى على من لا يستهل من أجل أنه سقط، فإن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ كان يحدث قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه – ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها‏}‏ الآية‏.‏

শুআইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু শিহাব (রহঃ) বলেছেন, নবজাত শিশু মারা গেলে তাঁদের প্রত্যেকের জানাযার সালাত আদায় করা হবে। যদিও সে কোন ভ্রষ্টা মায়ের সন্তানও হয়। এ কারণে যে, সে সন্তানটি ইসলামী ফিত্‌রাহ্‌র (তাওহীদ) এর উপর জন্মলাভ করেছে। তার পিতামাতা ইসলামের দাবীদার হোক বা বিশেষভাবে তার পিতা। যদিও তার মা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের অনুসারী হয়। নবজাত শিশু সরবে কেঁদে থাকলে তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে। আর যে শিশু না কাঁদবে, তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে না। কেননা, সে অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। কারণ, আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রতিটি নবজাতকই জন্মলাভ করে ফিত্‌রাতের (তাওহীদের) উপর। অতঃপর তার মা-বাপ তাকে ইয়াহূদী বা খ্রিস্টান বা অগ্নিপূজারী রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু নিখুঁত বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাদের মধ্যে কোন কান কাটা দেখতে পাও? (বরং মানুষরাই তার নাক কান কেটে দিয়ে বা ছিদ্র করে তাকে বিকৃত করে থাকে। অনুরূপ ইসলামের ফিত্‌রাহ্‌তে ভূমিষ্ট সন্তানকে মা-বাপ তাদের শিক্ষা-দীক্ষা ও জীবন ধারায় প্রবাহিত করে ভ্রান্ত ধর্মী বানিয়ে ফেলে) পড়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا) "আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরন কর যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন -" (সূরা রূমঃ ৩০)

শুআইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু শিহাব (রহঃ) বলেছেন, নবজাত শিশু মারা গেলে তাঁদের প্রত্যেকের জানাযার সালাত আদায় করা হবে। যদিও সে কোন ভ্রষ্টা মায়ের সন্তানও হয়। এ কারণে যে, সে সন্তানটি ইসলামী ফিত্‌রাহ্‌র (তাওহীদ) এর উপর জন্মলাভ করেছে। তার পিতামাতা ইসলামের দাবীদার হোক বা বিশেষভাবে তার পিতা। যদিও তার মা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের অনুসারী হয়। নবজাত শিশু সরবে কেঁদে থাকলে তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে। আর যে শিশু না কাঁদবে, তার জানাযার সালাত আদায় করা হবে না। কেননা, সে অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। কারণ, আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রতিটি নবজাতকই জন্মলাভ করে ফিত্‌রাতের (তাওহীদের) উপর। অতঃপর তার মা-বাপ তাকে ইয়াহূদী বা খ্রিস্টান বা অগ্নিপূজারী রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু নিখুঁত বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাদের মধ্যে কোন কান কাটা দেখতে পাও? (বরং মানুষরাই তার নাক কান কেটে দিয়ে বা ছিদ্র করে তাকে বিকৃত করে থাকে। অনুরূপ ইসলামের ফিত্‌রাহ্‌তে ভূমিষ্ট সন্তানকে মা-বাপ তাদের শিক্ষা-দীক্ষা ও জীবন ধারায় প্রবাহিত করে ভ্রান্ত ধর্মী বানিয়ে ফেলে) পড়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ (فِطْرَةَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا) "আল্লাহর দেয়া ফিত্‌রাতের অনুসরন কর যে ফিত্‌রাতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন -" (সূরা রূমঃ ৩০)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، قال ابن شهاب يصلى على كل مولود متوفى وإن كان لغية، من أجل أنه ولد على فطرة الإسلام، يدعي أبواه الإسلام أو أبوه خاصة، وإن كانت أمه على غير الإسلام، إذا استهل صارخا صلي عليه، ولا يصلى على من لا يستهل من أجل أنه سقط، فإن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ كان يحدث قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من مولود إلا يولد على الفطرة، فأبواه يهودانه أو ينصرانه أو يمجسانه، كما تنتج البهيمة بهيمة جمعاء هل تحسون فيها من جدعاء ‏"‏‏.‏ ثم يقول أبو هريرة ـ رضى الله عنه – ‏{‏فطرة الله التي فطر الناس عليها‏}‏ الآية‏.‏


সহিহ বুখারী > মৃত্যুকালে কোন মুশরিক ব্যক্তি ‘লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু’ বললে।

সহিহ বুখারী ১৩৬০

حدثنا إسحاق، أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثني أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبيه، أنه أخبره أنه، لما حضرت أبا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجد عنده أبا جهل بن هشام، وعبد الله بن أبي أمية بن المغيرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي طالب ‏"‏ يا عم، قل لا إله إلا الله، كلمة أشهد لك بها عند الله ‏"‏‏.‏ فقال أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية يا أبا طالب، أترغب عن ملة عبد المطلب فلم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرضها عليه، ويعودان بتلك المقالة، حتى قال أبو طالب آخر ما كلمهم هو على ملة عبد المطلب، وأبى أن يقول لا إله إلا الله‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما والله لأستغفرن لك، ما لم أنه عنك ‏"‏‏.‏ فأنزل الله تعالى فيه ‏{‏ما كان للنبي‏}‏ الآية‏.‏

সাঈদ ইব্‌নু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ তালিব এর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট আসলেন। তিনি সেখানে আবূ জাহ্‌ল ইব্‌নু হিশাম ও ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ উমায়্যা ইব্‌নু মুগীরাকে উপস্থিত দেখতে পেলেন। (রাবী বলেন) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালিবকে লক্ষ্য করে বললেনঃ চাচাজান! ‘লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু’ কালিমা পাঠ করুন, তাহলে এর অসীলায় আমি আল্লাহর সমীপে আপনার জন্য সাক্ষী দিতে পারব। আবূ জাহ্‌ল ও ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ উমায়্যা বলে উঠল, ওহে আবূ তালিব! তুমি কি আবদুল মুত্তালিবের ধর্ম হতে বিমুখ হবে? অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট কালিমাহ পেশ করতে থাকেন, আর তারা দু’জনও তাদের উক্তি পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। অবশেষে আবূ তালিব তাদের সামনে শেষ কথাটি যা বলল, তা এই যে, সে আবদুল মুত্তালিবের ধর্মের উপর অবিচল রয়েছে, সে ‘লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু’ বলতে অস্বীকার করল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর কসম! তবুও আমি আপনার জন্য মাগফিরাত কামনা করতে থাকব, যতক্ষণ না আমাকে তা হতে নিষেধ করা হয়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা নাযিল করেনঃ - (নবীর জন্য সঙ্গত নয়......) مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ.. (সূরা আত্‌-তাওবাহ্ঃ ১১৩)।

সাঈদ ইব্‌নু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ তালিব এর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট আসলেন। তিনি সেখানে আবূ জাহ্‌ল ইব্‌নু হিশাম ও ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ উমায়্যা ইব্‌নু মুগীরাকে উপস্থিত দেখতে পেলেন। (রাবী বলেন) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালিবকে লক্ষ্য করে বললেনঃ চাচাজান! ‘লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু’ কালিমা পাঠ করুন, তাহলে এর অসীলায় আমি আল্লাহর সমীপে আপনার জন্য সাক্ষী দিতে পারব। আবূ জাহ্‌ল ও ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ উমায়্যা বলে উঠল, ওহে আবূ তালিব! তুমি কি আবদুল মুত্তালিবের ধর্ম হতে বিমুখ হবে? অতঃপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট কালিমাহ পেশ করতে থাকেন, আর তারা দু’জনও তাদের উক্তি পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। অবশেষে আবূ তালিব তাদের সামনে শেষ কথাটি যা বলল, তা এই যে, সে আবদুল মুত্তালিবের ধর্মের উপর অবিচল রয়েছে, সে ‘লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু’ বলতে অস্বীকার করল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর কসম! তবুও আমি আপনার জন্য মাগফিরাত কামনা করতে থাকব, যতক্ষণ না আমাকে তা হতে নিষেধ করা হয়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা নাযিল করেনঃ - (নবীর জন্য সঙ্গত নয়......) مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ.. (সূরা আত্‌-তাওবাহ্ঃ ১১৩)।

حدثنا إسحاق، أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثني أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبيه، أنه أخبره أنه، لما حضرت أبا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجد عنده أبا جهل بن هشام، وعبد الله بن أبي أمية بن المغيرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي طالب ‏"‏ يا عم، قل لا إله إلا الله، كلمة أشهد لك بها عند الله ‏"‏‏.‏ فقال أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية يا أبا طالب، أترغب عن ملة عبد المطلب فلم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرضها عليه، ويعودان بتلك المقالة، حتى قال أبو طالب آخر ما كلمهم هو على ملة عبد المطلب، وأبى أن يقول لا إله إلا الله‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما والله لأستغفرن لك، ما لم أنه عنك ‏"‏‏.‏ فأنزل الله تعالى فيه ‏{‏ما كان للنبي‏}‏ الآية‏.‏


সহিহ বুখারী > কবরের উপর খেজুরের ডাল গেড়ে দেয়া।

সহিহ বুখারী ১৩৬১

حدثنا يحيى، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه مر بقبرين يعذبان فقال ‏"‏ إنهما ليعذبان وما يعذبان في كبير أما أحدهما فكان لا يستتر من البول، وأما الآخر فكان يمشي بالنميمة ‏"‏‏.‏ ثم أخذ جريدة رطبة فشقها بنصفين، ثم غرز في كل قبر واحدة‏.‏ فقالوا يا رسول الله، لم صنعت هذا فقال ‏"‏ لعله أن يخفف عنهما ما لم ييبسا ‏"‏‏.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন দু’টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে কবর দু’টির বাসিন্দাদের উপর আযাব দেয়া হচ্ছিল। তখন তিনি বললেনঃ এদের দুজনকে আযাব দেয়া হচ্ছে অথচ তাদের এমন গুনাহর জন্য আযাব দেয়া হচ্ছে না (যা হতে বিরত থাকা) দুরূহ ছিল। তাদের একজন পেশাবের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করত না, আর অপরজন চোগলখুরী করে বেড়াত। অতঃপর তিনি খেজুরের একটি তাজা ডাল নিয়ে তা দু’ভাগে বিভক্ত করলেন, অতঃপর প্রতিটি কবরে একটি করে পুঁতে দিলেন। সাহাবীগন জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কেন এরূপ করলেন? তিনি বললেনঃ ডাল দুটি না শুকানো পর্যন্ত আশা করি তাদের আযাব হালকা করা হবে।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন দু’টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে কবর দু’টির বাসিন্দাদের উপর আযাব দেয়া হচ্ছিল। তখন তিনি বললেনঃ এদের দুজনকে আযাব দেয়া হচ্ছে অথচ তাদের এমন গুনাহর জন্য আযাব দেয়া হচ্ছে না (যা হতে বিরত থাকা) দুরূহ ছিল। তাদের একজন পেশাবের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করত না, আর অপরজন চোগলখুরী করে বেড়াত। অতঃপর তিনি খেজুরের একটি তাজা ডাল নিয়ে তা দু’ভাগে বিভক্ত করলেন, অতঃপর প্রতিটি কবরে একটি করে পুঁতে দিলেন। সাহাবীগন জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কেন এরূপ করলেন? তিনি বললেনঃ ডাল দুটি না শুকানো পর্যন্ত আশা করি তাদের আযাব হালকা করা হবে।

حدثنا يحيى، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه مر بقبرين يعذبان فقال ‏"‏ إنهما ليعذبان وما يعذبان في كبير أما أحدهما فكان لا يستتر من البول، وأما الآخر فكان يمشي بالنميمة ‏"‏‏.‏ ثم أخذ جريدة رطبة فشقها بنصفين، ثم غرز في كل قبر واحدة‏.‏ فقالوا يا رسول الله، لم صنعت هذا فقال ‏"‏ لعله أن يخفف عنهما ما لم ييبسا ‏"‏‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00