সহিহ বুখারী > মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের নিকট তার মৃত্যু সংবাদ পৌঁছানো।

সহিহ বুখারী ১২৪৫

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى النجاشي في اليوم الذي مات فيه، خرج إلى المصلى، فصف بهم وكبر أربعا‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাজাশী যেদিন মারা যান সেদিন-ই আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মৃত্যুর খবর দেন এবং জানযার স্থানে গিয়ে লোকদের কাতারবন্দী করে চার তাকবীর আদায় করলেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাজাশী যেদিন মারা যান সেদিন-ই আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মৃত্যুর খবর দেন এবং জানযার স্থানে গিয়ে লোকদের কাতারবন্দী করে চার তাকবীর আদায় করলেন।

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى النجاشي في اليوم الذي مات فيه، خرج إلى المصلى، فصف بهم وكبر أربعا‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৪৬

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أيوب، عن حميد بن هلال، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أخذ الراية زيد فأصيب، ثم أخذها جعفر فأصيب، ثم أخذها عبد الله بن رواحة فأصيب ـ وإن عينى رسول الله صلى الله عليه وسلم لتذرفان ـ ثم أخذها خالد بن الوليد من غير إمرة ففتح له ‏"‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মূতা যুদ্ধের অবস্থা বর্ণনায়) বললেনঃ যায়দ (রাঃ) পতাকা বহন করেছে অতঃপর শহীদ হয়েছে। অতঃপর জা'ফর (রাঃ) (পতাকা) হাতে নিয়েছে, সেও শহীদ হয়। অতঃপর 'আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌নু রাওয়াহা (রাঃ) (পতাকা) ধারণ করে এবং সেও শহীদ হয়। এ খবর বলছিলেন এবং আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু'চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল। অতঃপর খালিদ ইব্‌নু ওয়ালিদ (রাঃ) পরামর্শ ছাড়াই (পতাকা) হাতে তুলে নেন এবং তাঁর দ্বারাই বিজয় লাভ হয়।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মূতা যুদ্ধের অবস্থা বর্ণনায়) বললেনঃ যায়দ (রাঃ) পতাকা বহন করেছে অতঃপর শহীদ হয়েছে। অতঃপর জা'ফর (রাঃ) (পতাকা) হাতে নিয়েছে, সেও শহীদ হয়। অতঃপর 'আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌নু রাওয়াহা (রাঃ) (পতাকা) ধারণ করে এবং সেও শহীদ হয়। এ খবর বলছিলেন এবং আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু'চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল। অতঃপর খালিদ ইব্‌নু ওয়ালিদ (রাঃ) পরামর্শ ছাড়াই (পতাকা) হাতে তুলে নেন এবং তাঁর দ্বারাই বিজয় লাভ হয়।

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أيوب، عن حميد بن هلال، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أخذ الراية زيد فأصيب، ثم أخذها جعفر فأصيب، ثم أخذها عبد الله بن رواحة فأصيب ـ وإن عينى رسول الله صلى الله عليه وسلم لتذرفان ـ ثم أخذها خالد بن الوليد من غير إمرة ففتح له ‏"‏


সহিহ বুখারী > জানাযার সংবাদ পৌছানো।

সহিহ বুখারী ১২৪৭

حدثنا محمد، أخبرنا أبو معاوية، عن أبي إسحاق الشيباني، عن الشعبي، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال مات إنسان كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعوده فمات بالليل فدفنوه ليلا، فلما أصبح أخبروه فقال ‏ "‏ ما منعكم أن تعلموني ‏"‏‏.‏ قالوا كان الليل فكرهنا ـ وكانت ظلمة ـ أن نشق عليك‏.‏ فأتى قبره فصلى عليه‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মারা গেল। যার অসুস্থতার সময় আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খোঁজ-খবর রাখতেন। তার মৃত্যু হয় এবং রাতেই লোকেরা তাঁকে দাফন করেন। সকাল হলে তাঁরা (এ বিষয়ে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খবর দেন। তিনি বললেনঃ আমাকে খবর দিতে তোমাদের কিসে বাধা দিল? তাঁরা বলল, তখন ছিল রাত এবং গাঢ় অন্ধকার। তাই আপনাকে কস্ট দেয়া আমরা পছন্দ করিনি। তিনি ঐ ব্যক্তির কবরের নিকট গেলেন এবং তাঁর জন্য সালাতে জানাযা আদায় করলেন। [৬]

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মারা গেল। যার অসুস্থতার সময় আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খোঁজ-খবর রাখতেন। তার মৃত্যু হয় এবং রাতেই লোকেরা তাঁকে দাফন করেন। সকাল হলে তাঁরা (এ বিষয়ে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খবর দেন। তিনি বললেনঃ আমাকে খবর দিতে তোমাদের কিসে বাধা দিল? তাঁরা বলল, তখন ছিল রাত এবং গাঢ় অন্ধকার। তাই আপনাকে কস্ট দেয়া আমরা পছন্দ করিনি। তিনি ঐ ব্যক্তির কবরের নিকট গেলেন এবং তাঁর জন্য সালাতে জানাযা আদায় করলেন। [৬]

حدثنا محمد، أخبرنا أبو معاوية، عن أبي إسحاق الشيباني، عن الشعبي، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال مات إنسان كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعوده فمات بالليل فدفنوه ليلا، فلما أصبح أخبروه فقال ‏ "‏ ما منعكم أن تعلموني ‏"‏‏.‏ قالوا كان الليل فكرهنا ـ وكانت ظلمة ـ أن نشق عليك‏.‏ فأتى قبره فصلى عليه‏.‏


সহিহ বুখারী > সন্তানের মৃত্যুতে সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণের ফযীলত।

সহিহ বুখারী ১২৫০

See previous Hadith

আবূ সা’ঈদ ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, যারা বালিগ হয়নি।

আবূ সা’ঈদ ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, যারা বালিগ হয়নি।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ১২৪৮

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا عبد العزيز، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما من الناس من مسلم يتوفى له ثلاث لم يبلغوا الحنث، إلا أدخله الله الجنة بفضل رحمته إياهم ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলিমের তিনটি সন্তান সাবালিগ হবার পূর্বে মারা গেলে তাদের প্রতি তাঁর রহমত সরূপ অবশ্যই আল্লাহ্‌ তা'আলা ঐ ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। [৭]

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলিমের তিনটি সন্তান সাবালিগ হবার পূর্বে মারা গেলে তাদের প্রতি তাঁর রহমত সরূপ অবশ্যই আল্লাহ্‌ তা'আলা ঐ ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। [৭]

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا عبد العزيز، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما من الناس من مسلم يتوفى له ثلاث لم يبلغوا الحنث، إلا أدخله الله الجنة بفضل رحمته إياهم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৫১

حدثنا علي، حدثنا سفيان، قال سمعت الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يموت لمسلم ثلاثة من الولد، فيلج النار إلا تحلة القسم ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله ‏{‏وإن منكم إلا واردها‏}‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলিমের তিনটি (নাবালিগ) সন্তান মারা গেল, তবুও জাহান্নামে প্রবেশ করবে,এমন হবে না। তবে কেবল কসম পূর্ণ হবার পরিমাণ পর্যন্ত। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ وَاِنْ مِنْكُمْ الَّا وَارِدْهَا “তোমাদের প্রত্যেককেই তা অতিক্রম করতে হবে।”

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলিমের তিনটি (নাবালিগ) সন্তান মারা গেল, তবুও জাহান্নামে প্রবেশ করবে,এমন হবে না। তবে কেবল কসম পূর্ণ হবার পরিমাণ পর্যন্ত। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ وَاِنْ مِنْكُمْ الَّا وَارِدْهَا “তোমাদের প্রত্যেককেই তা অতিক্রম করতে হবে।”

حدثنا علي، حدثنا سفيان، قال سمعت الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يموت لمسلم ثلاثة من الولد، فيلج النار إلا تحلة القسم ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله ‏{‏وإن منكم إلا واردها‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১২৪৯

حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن ذكوان، عن أبي سعيد، رضى الله عنه أن النساء، قلن للنبي صلى الله عليه وسلم اجعل لنا يوما‏.‏ فوعظهن، وقال ‏"‏ أيما امرأة مات لها ثلاثة من الولد كانوا حجابا من النار ‏"‏‏.‏ قالت امرأة واثنان‏.‏ قال ‏"‏ واثنان ‏"‏‏.‏ وقال شريك عن ابن الأصبهاني، حدثني أبو صالح، عن أبي سعيد، وأبي، هريرة ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أبو هريرة ‏"‏ لم يبلغوا الحنث ‏"‏‏.‏

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহিলাগণ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট নিবেদন করলেন, আমাদের জন্য একটি দিন নির্দিষ্ট করে দিন। অতঃপর তিনি একদা তাদের ওয়ায-নসীহত করলেন এবং বললেনঃ যে স্ত্রীলোকের তিনটি সন্তান মারা যায়, তারা তার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হবে। তখন এক মহিলা প্রশ্ন করলেন, দু’টি সন্তান মারা গেলে? তিনি বললেন, দু’টি সন্তান মারা গেলেও।

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহিলাগণ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট নিবেদন করলেন, আমাদের জন্য একটি দিন নির্দিষ্ট করে দিন। অতঃপর তিনি একদা তাদের ওয়ায-নসীহত করলেন এবং বললেনঃ যে স্ত্রীলোকের তিনটি সন্তান মারা যায়, তারা তার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হবে। তখন এক মহিলা প্রশ্ন করলেন, দু’টি সন্তান মারা গেলে? তিনি বললেন, দু’টি সন্তান মারা গেলেও।

حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن ذكوان، عن أبي سعيد، رضى الله عنه أن النساء، قلن للنبي صلى الله عليه وسلم اجعل لنا يوما‏.‏ فوعظهن، وقال ‏"‏ أيما امرأة مات لها ثلاثة من الولد كانوا حجابا من النار ‏"‏‏.‏ قالت امرأة واثنان‏.‏ قال ‏"‏ واثنان ‏"‏‏.‏ وقال شريك عن ابن الأصبهاني، حدثني أبو صالح، عن أبي سعيد، وأبي، هريرة ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أبو هريرة ‏"‏ لم يبلغوا الحنث ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কবরের নিকট কোন মহিলাকে বলা, ধৈর্য ধর।

সহিহ বুখারী ১২৫২

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بامرأة عند قبر وهي تبكي فقال ‏ "‏ اتقي الله واصبري ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কবরের নিকট উপস্থিত এক মহিলার পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে তখন ক্রন্দন করছিল। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং ধৈর্য ধর।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কবরের নিকট উপস্থিত এক মহিলার পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে তখন ক্রন্দন করছিল। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং ধৈর্য ধর।

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بامرأة عند قبر وهي تبكي فقال ‏ "‏ اتقي الله واصبري ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00