সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দু’আ ইউসুফ (আ)-এর যমানার দুর্ভিক্ষের বছরগুলোর মত (এদের উপরেও) কয়েক বছর দুর্ভিক্ষ দিন।

সহিহ বুখারী ১০০৬

حدثنا قتيبة، حدثنا مغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رفع رأسه من الركعة الآخرة يقول ‏"‏ اللهم أنج عياش بن أبي ربيعة، اللهم أنج سلمة بن هشام، اللهم أنج الوليد بن الوليد، اللهم أنج المستضعفين من المؤمنين، اللهم اشدد وطأتك على مضر، اللهم اجعلها سنين كسني يوسف ‏"‏‏.‏ وأن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ غفار غفر الله لها، وأسلم سالمها الله ‏"‏‏.‏ قال ابن أبي الزناد عن أبيه هذا كله في الصبح‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শেষ রাকআ’ত হতে মাথা উঠালেন, তখন বললেন, হে আল্লাহ্‌! আইয়্যাশ ইব্‌নু আবু রাবী’আহ্‌কে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ্‌! সালামাহ্‌ ইব্‌নু হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ্‌! ওয়ালীদ ইব্‌নু ওয়ালীদকে রক্ষা কর। হে আল্লাহ্‌! দূর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি কর। হে আল্লাহ্‌! মুযার গোত্রের উপর তোমার শাস্তি কঠোর করে দাও। হে আল্লাহ্‌! ইউসুফ (আ)-এর সময়ের দুর্ভিক্ষের বছরগুলোর মত (এদের উপরে) ও কয়েক বছর দুর্ভিক্ষ দাও। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বললেন, গিফার গোত্র, আল্লাহ্‌ তাদেরকে ক্ষমা কর। আর আসলাম গোত্র, আল্লাহ্‌ তাদেরকে নিরাপদ রাখ। ইব্‌নু আবু যিনাদ (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বলেন, এ সমস্ত দু’আ ফজরের সালাতে ছিলো।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শেষ রাকআ’ত হতে মাথা উঠালেন, তখন বললেন, হে আল্লাহ্‌! আইয়্যাশ ইব্‌নু আবু রাবী’আহ্‌কে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ্‌! সালামাহ্‌ ইব্‌নু হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ্‌! ওয়ালীদ ইব্‌নু ওয়ালীদকে রক্ষা কর। হে আল্লাহ্‌! দূর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি কর। হে আল্লাহ্‌! মুযার গোত্রের উপর তোমার শাস্তি কঠোর করে দাও। হে আল্লাহ্‌! ইউসুফ (আ)-এর সময়ের দুর্ভিক্ষের বছরগুলোর মত (এদের উপরে) ও কয়েক বছর দুর্ভিক্ষ দাও। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বললেন, গিফার গোত্র, আল্লাহ্‌ তাদেরকে ক্ষমা কর। আর আসলাম গোত্র, আল্লাহ্‌ তাদেরকে নিরাপদ রাখ। ইব্‌নু আবু যিনাদ (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বলেন, এ সমস্ত দু’আ ফজরের সালাতে ছিলো।

حدثنا قتيبة، حدثنا مغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رفع رأسه من الركعة الآخرة يقول ‏"‏ اللهم أنج عياش بن أبي ربيعة، اللهم أنج سلمة بن هشام، اللهم أنج الوليد بن الوليد، اللهم أنج المستضعفين من المؤمنين، اللهم اشدد وطأتك على مضر، اللهم اجعلها سنين كسني يوسف ‏"‏‏.‏ وأن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ غفار غفر الله لها، وأسلم سالمها الله ‏"‏‏.‏ قال ابن أبي الزناد عن أبيه هذا كله في الصبح‏.‏


সহিহ বুখারী ১০০৭

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال كنا عند عبد الله فقال إن النبي صلى الله عليه وسلم لما رأى من الناس إدبارا قال ‏"‏ اللهم سبع كسبع يوسف ‏"‏‏.‏ فأخذتهم سنة حصت كل شىء حتى أكلوا الجلود والميتة والجيف، وينظر أحدهم إلى السماء فيرى الدخان من الجوع، فأتاه أبو سفيان فقال يا محمد إنك تأمر بطاعة الله وبصلة الرحم وإن قومك قد هلكوا، فادع الله لهم قال الله تعالى ‏{‏فارتقب يوم تأتي السماء بدخان مبين‏}‏ إلى قوله ‏{‏عائدون * يوم نبطش البطشة الكبرى‏}‏ فالبطشة يوم بدر، وقد مضت الدخان والبطشة واللزام وآية الروم‏.‏

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন লোকদেরকে ইসলাম বিমুখ ভূমিকায় দেখলেন, তখন দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! ইউসুফ (আ.)-এর সময়ের সাত বছরের (দুর্ভিক্ষের) ন্যায় তাদের উপর সাতটি বছর দুর্ভিক্ষ দাও। ফলে তাদের উপর এমন দুর্ভিক্ষ আপতিত হল যে, তা সব কিছু্ই ধ্বংস করে দিল। এমন কি মানুষ তখন চামড়া, মৃতদেহ এবং পচা ও গলিত জানোয়ারও খেতে লাগল। ক্ষুধার তাড়নায় অবস্থা এতদূর চরম আকার ধারণ করল যে, কেউ যখন আকাশের দিকে তাকাত তখন সে ধোঁয়া দেখতে পেত। এমতাবস্থায় আবূ সুফিয়ান (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! তুমি তো আল্লাহ্‌র আদেশ মেনে চল এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার আদেশ দান কর। কিন্তু তোমার কওমের লোকেরা তো মরে যাচ্ছে। তুমি তাদের জন্য আল্লাহ্‌র নিকট দু‘আ কর। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ “তুমি সে দিনটির অপেক্ষায় থাক যখন আকাশ সুস্পষ্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যাবে...সেদিন আমি প্রবলভাবে তোমাদের পাকড়াও করব”- (সূরা দুখান ৪৪/১০-১৬)। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, সে কঠিন আঘাতের দিন ছিল বদরের যুদ্ধের দিন। ধোঁয়াও দেখা গেছে, আঘাতও এসেছে। আর মক্কার মুশ্‌রিকদের নিহত ও গ্রেফতার হওয়ার যে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে, তাও সত্য হয়েছে। সত্য হয়েছে সূরা রূম-এর এ আয়াতও (রুমবাসী দশ বছরের মধ্যে পারসিকদের উপর আবার বিজয়ী হবে)।

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন লোকদেরকে ইসলাম বিমুখ ভূমিকায় দেখলেন, তখন দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! ইউসুফ (আ.)-এর সময়ের সাত বছরের (দুর্ভিক্ষের) ন্যায় তাদের উপর সাতটি বছর দুর্ভিক্ষ দাও। ফলে তাদের উপর এমন দুর্ভিক্ষ আপতিত হল যে, তা সব কিছু্ই ধ্বংস করে দিল। এমন কি মানুষ তখন চামড়া, মৃতদেহ এবং পচা ও গলিত জানোয়ারও খেতে লাগল। ক্ষুধার তাড়নায় অবস্থা এতদূর চরম আকার ধারণ করল যে, কেউ যখন আকাশের দিকে তাকাত তখন সে ধোঁয়া দেখতে পেত। এমতাবস্থায় আবূ সুফিয়ান (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! তুমি তো আল্লাহ্‌র আদেশ মেনে চল এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার আদেশ দান কর। কিন্তু তোমার কওমের লোকেরা তো মরে যাচ্ছে। তুমি তাদের জন্য আল্লাহ্‌র নিকট দু‘আ কর। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ “তুমি সে দিনটির অপেক্ষায় থাক যখন আকাশ সুস্পষ্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যাবে...সেদিন আমি প্রবলভাবে তোমাদের পাকড়াও করব”- (সূরা দুখান ৪৪/১০-১৬)। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, সে কঠিন আঘাতের দিন ছিল বদরের যুদ্ধের দিন। ধোঁয়াও দেখা গেছে, আঘাতও এসেছে। আর মক্কার মুশ্‌রিকদের নিহত ও গ্রেফতার হওয়ার যে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে, তাও সত্য হয়েছে। সত্য হয়েছে সূরা রূম-এর এ আয়াতও (রুমবাসী দশ বছরের মধ্যে পারসিকদের উপর আবার বিজয়ী হবে)।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال كنا عند عبد الله فقال إن النبي صلى الله عليه وسلم لما رأى من الناس إدبارا قال ‏"‏ اللهم سبع كسبع يوسف ‏"‏‏.‏ فأخذتهم سنة حصت كل شىء حتى أكلوا الجلود والميتة والجيف، وينظر أحدهم إلى السماء فيرى الدخان من الجوع، فأتاه أبو سفيان فقال يا محمد إنك تأمر بطاعة الله وبصلة الرحم وإن قومك قد هلكوا، فادع الله لهم قال الله تعالى ‏{‏فارتقب يوم تأتي السماء بدخان مبين‏}‏ إلى قوله ‏{‏عائدون * يوم نبطش البطشة الكبرى‏}‏ فالبطشة يوم بدر، وقد مضت الدخان والبطشة واللزام وآية الروم‏.‏


সহিহ বুখারী > অনাবৃষ্টির সময় ইমামের নিকট বৃষ্টির জন্য লোকদের দু‘আর আবেদন।

সহিহ বুখারী ১০০৮

حدثنا عمرو بن علي، قال حدثنا أبو قتيبة، قال حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، عن أبيه، قال سمعت ابن عمر، يتمثل بشعر أبي طالب وأبيض يستسقى الغمام بوجهه ثمال اليتامى عصمة للأرامل وقال عمر بن حمزة حدثنا سالم، عن أبيه، ربما ذكرت قول الشاعر وأنا أنظر، إلى وجه النبي صلى الله عليه وسلم يستسقي، فما ينزل حتى يجيش كل ميزاب‏.‏ وأبيض يستسقى الغمام بوجهه ثمال اليتامى عصمة للأرامل وهو قول أبي طالب‏.‏

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে আবূ ত্বালিব-এর এই কবিতা পাঠ করতে শুনেছিঃ তিনি শুভ্র, তাঁর চেহারার অসীলাহ দিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হতো। তিনি ইয়াতীমদের খাবার পরিবেশনকারী আর বিধবাদের তত্ত্বাবধায়ক।

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-কে আবূ ত্বালিব-এর এই কবিতা পাঠ করতে শুনেছিঃ তিনি শুভ্র, তাঁর চেহারার অসীলাহ দিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হতো। তিনি ইয়াতীমদের খাবার পরিবেশনকারী আর বিধবাদের তত্ত্বাবধায়ক।

حدثنا عمرو بن علي، قال حدثنا أبو قتيبة، قال حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، عن أبيه، قال سمعت ابن عمر، يتمثل بشعر أبي طالب وأبيض يستسقى الغمام بوجهه ثمال اليتامى عصمة للأرامل وقال عمر بن حمزة حدثنا سالم، عن أبيه، ربما ذكرت قول الشاعر وأنا أنظر، إلى وجه النبي صلى الله عليه وسلم يستسقي، فما ينزل حتى يجيش كل ميزاب‏.‏ وأبيض يستسقى الغمام بوجهه ثمال اليتامى عصمة للأرامل وهو قول أبي طالب‏.‏


সহিহ বুখারী ১০১০

حدثنا الحسن بن محمد، قال حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني أبي عبد الله بن المثنى، عن ثمامة بن عبد الله بن أنس، عن أنس، أن عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ كان إذا قحطوا استسقى بالعباس بن عبد المطلب فقال اللهم إنا كنا نتوسل إليك بنبينا فتسقينا وإنا نتوسل إليك بعم نبينا فاسقنا‏.‏ قال فيسقون‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) অনাবৃষ্টির সময় ‘আব্বাস ইব্‌নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)-এর ওয়াসীলাহ্‌ দিয়ে বৃষ্টির জন্য দু‘আ করতেন এবং বলতেন, হে আল্লাহ্! (আগে) আমরা আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়াসীলাহ্‌ দিয়ে দু‘আ করতাম এবং আপনি বৃষ্টি দান করতেন। এখন আমরা আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচার ওয়াসীলাহ্‌ দিয়ে দু‘আ করছি, আপনি আমাদেরকে বৃষ্টি দান করুন। বর্ণনাকারী বলেন, দু‘আর সাথে সাথেই বৃষ্টি বর্ষিত হত।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) অনাবৃষ্টির সময় ‘আব্বাস ইব্‌নু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)-এর ওয়াসীলাহ্‌ দিয়ে বৃষ্টির জন্য দু‘আ করতেন এবং বলতেন, হে আল্লাহ্! (আগে) আমরা আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়াসীলাহ্‌ দিয়ে দু‘আ করতাম এবং আপনি বৃষ্টি দান করতেন। এখন আমরা আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচার ওয়াসীলাহ্‌ দিয়ে দু‘আ করছি, আপনি আমাদেরকে বৃষ্টি দান করুন। বর্ণনাকারী বলেন, দু‘আর সাথে সাথেই বৃষ্টি বর্ষিত হত।

حدثنا الحسن بن محمد، قال حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني أبي عبد الله بن المثنى، عن ثمامة بن عبد الله بن أنس، عن أنس، أن عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ كان إذا قحطوا استسقى بالعباس بن عبد المطلب فقال اللهم إنا كنا نتوسل إليك بنبينا فتسقينا وإنا نتوسل إليك بعم نبينا فاسقنا‏.‏ قال فيسقون‏.‏


সহিহ বুখারী ১০০৯

See previous Hadith

সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বৃষ্টির জন্য দু‘আরত অবস্থায় আমি তাঁর পবিত্র চেহারার দিকে তাকালাম এবং কবির এ কবিতাটি আমার মনে পড়লো। আর তাঁর (মিম্বার হতে) নামতে না নামতেই প্রবলবেগে মীযাব [১] হতে পানি প্রবাহিত হতে দেখলাম। তিনি শুভ্র, তাঁর চেহারার অসীলাহ দিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হতো। তিনি ইয়াতীমদের খাবার পরিবেশনকারী আর বিধবাদের তত্ত্ববধায়ক। আর এটা হলো আবূ ত্বালিবের বাণী (কবিতা)।

সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বৃষ্টির জন্য দু‘আরত অবস্থায় আমি তাঁর পবিত্র চেহারার দিকে তাকালাম এবং কবির এ কবিতাটি আমার মনে পড়লো। আর তাঁর (মিম্বার হতে) নামতে না নামতেই প্রবলবেগে মীযাব [১] হতে পানি প্রবাহিত হতে দেখলাম। তিনি শুভ্র, তাঁর চেহারার অসীলাহ দিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হতো। তিনি ইয়াতীমদের খাবার পরিবেশনকারী আর বিধবাদের তত্ত্ববধায়ক। আর এটা হলো আবূ ত্বালিবের বাণী (কবিতা)।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী > বৃষ্টির পানি প্রার্থনায় নামাযের চাদর উল্টানো।

সহিহ বুখারী ১০১১

حدثنا إسحاق، قال حدثنا وهب، قال أخبرنا شعبة، عن محمد بن أبي بكر، عن عباد بن تميم، عن عبد الله بن زيد، أن النبي صلى الله عليه وسلم استسقى فقلب رداءه‏.‏

'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৃষ্টির জন্য দু'আ করেন এবং নিজের চাদর উল্টিয়ে দেন।

'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৃষ্টির জন্য দু'আ করেন এবং নিজের চাদর উল্টিয়ে দেন।

حدثنا إسحاق، قال حدثنا وهب، قال أخبرنا شعبة، عن محمد بن أبي بكر، عن عباد بن تميم، عن عبد الله بن زيد، أن النبي صلى الله عليه وسلم استسقى فقلب رداءه‏.‏


সহিহ বুখারী ১০১২

حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، قال عبد الله بن أبي بكر أنه سمع عباد بن تميم، يحدث أباه عن عمه عبد الله بن زيد، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج إلى المصلى فاستسقى، فاستقبل القبلة، وقلب رداءه، وصلى ركعتين‏.‏ قال أبو عبد الله كان ابن عيينة يقول هو صاحب الأذان، ولكنه وهم، لأن هذا عبد الله بن زيد بن عاصم المازني، مازن الأنصار‏.‏

'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহে গেলেন এবং বৃষ্টির জন্য দু'আ করলেন। অতঃপর কিব্‌লামুখী হয়ে নিজের চাদরখানি উল্টিয়ে নিলেন এবং দু' রাক'আত সালাত আদায় করলেন। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ইব্‌নু ‌‌'উয়াইনাহ (রহঃ) বলতেন, এ হাদীসের বর্ণনাকরী 'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) হলেন আযানের ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট সাহাবী। কিন্তু তা ঠিক নয়। কারণ ইনি হলেন, সেই 'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়দ ইব্‌নু 'আসিম মাযিনী, যিনি আনসারের মাযিন গোত্রের লোক।

'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহে গেলেন এবং বৃষ্টির জন্য দু'আ করলেন। অতঃপর কিব্‌লামুখী হয়ে নিজের চাদরখানি উল্টিয়ে নিলেন এবং দু' রাক'আত সালাত আদায় করলেন। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ইব্‌নু ‌‌'উয়াইনাহ (রহঃ) বলতেন, এ হাদীসের বর্ণনাকরী 'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) হলেন আযানের ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট সাহাবী। কিন্তু তা ঠিক নয়। কারণ ইনি হলেন, সেই 'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যায়দ ইব্‌নু 'আসিম মাযিনী, যিনি আনসারের মাযিন গোত্রের লোক।

حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، قال عبد الله بن أبي بكر أنه سمع عباد بن تميم، يحدث أباه عن عمه عبد الله بن زيد، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج إلى المصلى فاستسقى، فاستقبل القبلة، وقلب رداءه، وصلى ركعتين‏.‏ قال أبو عبد الله كان ابن عيينة يقول هو صاحب الأذان، ولكنه وهم، لأن هذا عبد الله بن زيد بن عاصم المازني، مازن الأنصار‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র সৃষ্টজীবের মধ্য হতে কেউ তাঁর হারামকৃত বিধানসমূহের সীমা অতিক্রম করলে মহিমাময় প্রতিপালক কর্তৃক দুর্ভিক্ষ দ্বারা শাস্তি প্রদান।

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00