সহিহ বুখারী > সালাতে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা ।

সহিহ বুখারী ৭৪০

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة‏.‏ قال أبو حازم لا أعلمه إلا ينمي ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال إسماعيل ينمى ذلك‏.‏ ولم يقل ينمي‏.‏

সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকদের নির্দেশ দেয়া হত যে, সালাতে প্রত্যেকে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে। [১] আবূ হাযিম (রহঃ) বলেন, সাহল (রহঃ) এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন বলেই জানি। ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতেই বর্ণনা করা হতো। তবে তিনি এমন বলেননি যে, সাহল (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন।

সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকদের নির্দেশ দেয়া হত যে, সালাতে প্রত্যেকে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে। [১] আবূ হাযিম (রহঃ) বলেন, সাহল (রহঃ) এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন বলেই জানি। ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতেই বর্ণনা করা হতো। তবে তিনি এমন বলেননি যে, সাহল (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة‏.‏ قال أبو حازم لا أعلمه إلا ينمي ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال إسماعيل ينمى ذلك‏.‏ ولم يقل ينمي‏.‏


সহিহ বুখারী > সালাতে খুশু’ (বিনয়, নম্রতা, একাগ্রতা, নিষ্ঠা ও তন্ময়তা) ।

সহিহ বুখারী ৭৪১

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ هل ترون قبلتي ها هنا والله ما يخفى على ركوعكم ولا خشوعكم، وإني لأراكم وراء ظهري ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কি মনে কর যে, আমার কিবলা শুধুমাত্র এদিকে? আল্লাহ্‌র শপথ, তোমাদের রুকু’ তোমাদের খুশু’ কোন কিছুই আমার নিকট গোপন থাকে না। আর নিঃসন্দেহে আমি তোমাদের দেখি আমার পিছন দিক হতেও।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কি মনে কর যে, আমার কিবলা শুধুমাত্র এদিকে? আল্লাহ্‌র শপথ, তোমাদের রুকু’ তোমাদের খুশু’ কোন কিছুই আমার নিকট গোপন থাকে না। আর নিঃসন্দেহে আমি তোমাদের দেখি আমার পিছন দিক হতেও।

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ هل ترون قبلتي ها هنا والله ما يخفى على ركوعكم ولا خشوعكم، وإني لأراكم وراء ظهري ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭৪২

حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا غندر، قال حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أقيموا الركوع والسجود، فوالله إني لأراكم من بعدي ـ وربما قال من بعد ظهري ـ إذا ركعتم وسجدتم ‏"‏‏.

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রুকু’ ও সিজদাগুলোতে যথাযথভাবে আদায় করবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আমার পিছন হতে বা রাবী বলেন, আমার পিঠের পিছনে হতে তোমাদের দেখতে পাই, যখন তোমরা রুকু’ ও সিজদা কর।

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রুকু’ ও সিজদাগুলোতে যথাযথভাবে আদায় করবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আমার পিছন হতে বা রাবী বলেন, আমার পিঠের পিছনে হতে তোমাদের দেখতে পাই, যখন তোমরা রুকু’ ও সিজদা কর।

حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا غندر، قال حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أقيموا الركوع والسجود، فوالله إني لأراكم من بعدي ـ وربما قال من بعد ظهري ـ إذا ركعتم وسجدتم ‏"‏‏.


সহিহ বুখারী > তাকবীরে তাহরীমার পরে কি পড়বে ।

সহিহ বুখারী ৭৪৩

حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر ـ رضى الله عنهما ـ كانوا يفتتحون الصلاة ب ـ ‏{‏الحمد لله رب العالمين‏}‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বকর (রাঃ) এবং ‘উমর (রাঃ) –'الحَمدُ لِلَّهِ رَبِّ العالَمينَ ' দিয়ে সালাত শুরু করতেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বকর (রাঃ) এবং ‘উমর (রাঃ) –'الحَمدُ لِلَّهِ رَبِّ العالَمينَ ' দিয়ে সালাত শুরু করতেন।

حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر ـ رضى الله عنهما ـ كانوا يفتتحون الصلاة ب ـ ‏{‏الحمد لله رب العالمين‏}‏


সহিহ বুখারী ৭৪৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا عبد الواحد بن زياد، قال حدثنا عمارة بن القعقاع، قال حدثنا أبو زرعة، قال حدثنا أبو هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسكت بين التكبير وبين القراءة إسكاتة ـ قال أحسبه قال هنية ـ فقلت بابي وأمي يا رسول الله، إسكاتك بين التكبير والقراءة ما تقول قال ‏ "‏ أقول اللهم باعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب، اللهم نقني من الخطايا كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس، اللهم اغسل خطاياى بالماء والثلج والبرد ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাক্‌বীরে তাহ্‌রীমা ও কিরাআতের মধ্যে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতামাতা আপনার উপর কুরবান হোক, তাকবীর ও কিরাআত এর মধ্যে চুপ থাকার সময় আপনি কি পাঠ করে থাকেন? তিনি বললেনঃ এ সময় আমি বলি- “হে আল্লাহ্‌! আমার এবং আমার গুনাহের মধ্যে এমন ব্যবধান করে দাও যেমন ব্যবধান করেছ পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌ আমাকে আমার গুনাহ হতে এমনভাবে পবিত্র কর যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়। হে আল্লাহ্‌ আমার গোনাহকে বরফ, পানি ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও।”

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাক্‌বীরে তাহ্‌রীমা ও কিরাআতের মধ্যে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতামাতা আপনার উপর কুরবান হোক, তাকবীর ও কিরাআত এর মধ্যে চুপ থাকার সময় আপনি কি পাঠ করে থাকেন? তিনি বললেনঃ এ সময় আমি বলি- “হে আল্লাহ্‌! আমার এবং আমার গুনাহের মধ্যে এমন ব্যবধান করে দাও যেমন ব্যবধান করেছ পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌ আমাকে আমার গুনাহ হতে এমনভাবে পবিত্র কর যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়। হে আল্লাহ্‌ আমার গোনাহকে বরফ, পানি ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও।”

حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا عبد الواحد بن زياد، قال حدثنا عمارة بن القعقاع، قال حدثنا أبو زرعة، قال حدثنا أبو هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسكت بين التكبير وبين القراءة إسكاتة ـ قال أحسبه قال هنية ـ فقلت بابي وأمي يا رسول الله، إسكاتك بين التكبير والقراءة ما تقول قال ‏ "‏ أقول اللهم باعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب، اللهم نقني من الخطايا كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس، اللهم اغسل خطاياى بالماء والثلج والبرد ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > ১০/৯০. অধ্যায়ঃ

সহিহ বুখারী ৭৪৫

حدثنا ابن أبي مريم، قال أخبرنا نافع بن عمر، قال حدثني ابن أبي مليكة، عن أسماء بنت أبي بكر، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى صلاة الكسوف، فقام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم قام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم قام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فسجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود ثم انصرف فقال ‏"‏ قد دنت مني الجنة حتى لو اجترأت عليها لجئتكم بقطاف من قطافها، ودنت مني النار حتى قلت أى رب وأنا معهم فإذا امرأة ـ حسبت أنه قال ـ تخدشها هرة قلت ما شأن هذه قالوا حبستها حتى ماتت جوعا، لا أطعمتها، ولا أرسلتها تأكل ‏"‏‏.‏ قال نافع حسبت أنه قال ‏"‏ من خشيش أو خشاش الأرض ‏"‏‏.‏

আসমা বিন্‌ত আবু বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার সালাতুল কুসূফ (সূর্য গ্রহণের সালাত) আদায় করলেন। তিনি সালাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ থাকলেন। অতঃপর দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর আবার রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রুকু’তে থাকলেন। অতঃপর উঠলেন, পরে সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় রইলেন। আবার সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় থাকলেন। অতঃপর আবার দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। আবার রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রুকু’তে থাকলেন। অতঃপর রুকু’ হতে উঠে আবার দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন এবং আবার রুকু’তে থাকলেন। অতঃপর রুকু’ হতে উঠে আবার দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন এবং আবার রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ থাকলেন। অতঃপর রুকু’ হতে উঠে সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় থাকলেন। অতঃপর উঠে সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় থাকলেন। অতঃপর সালাত শেষ করে ফিরে বললেনঃ জান্নাত আমার খুবই নিকটে এসে গিয়েছিল এমনকি আমি যদি চেষ্টা করতাম তাহলে জান্নাতের একগুচ্ছ আঙ্গুর তোমাদের এনে দিতে পারতাম। আর জাহান্নামও আমার একেবারে নিকটবর্তী এসে গিয়েছিল। এমনকি আমি বলে উঠলাম, ইয়া রব! আমিও কি তাদের সাথে? আমি একজন স্ত্রীলোককে দেখতে পেলাম। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছিলেন, একটি বিড়াল তাকে খামচাচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ স্ত্রী লোকটির এমন অবস্থা কেন? মালাকগণ (ফেরেশতাগণ) জবাব দিলেন, সে একটি বিড়ালকে আটকিয়ে রেখেছিল, ফলে বিড়ালটি অনাহারে মারা যায়। উক্ত স্ত্রী লোকটি তাকে খেতেও দেয়নি এবং তাকে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে আহার করতে পারে। নাফি’ (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয়, ইব্‌নু আবূ মুলায়কাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছিলেন, যাতে সে যমীনের পোকামাকড় খেতে পারে।

আসমা বিন্‌ত আবু বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার সালাতুল কুসূফ (সূর্য গ্রহণের সালাত) আদায় করলেন। তিনি সালাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ থাকলেন। অতঃপর দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর আবার রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রুকু’তে থাকলেন। অতঃপর উঠলেন, পরে সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় রইলেন। আবার সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় থাকলেন। অতঃপর আবার দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। আবার রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রুকু’তে থাকলেন। অতঃপর রুকু’ হতে উঠে আবার দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন এবং আবার রুকু’তে থাকলেন। অতঃপর রুকু’ হতে উঠে আবার দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন এবং আবার রুকু’তে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ থাকলেন। অতঃপর রুকু’ হতে উঠে সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় থাকলেন। অতঃপর উঠে সিজদায় গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ সিজদায় থাকলেন। অতঃপর সালাত শেষ করে ফিরে বললেনঃ জান্নাত আমার খুবই নিকটে এসে গিয়েছিল এমনকি আমি যদি চেষ্টা করতাম তাহলে জান্নাতের একগুচ্ছ আঙ্গুর তোমাদের এনে দিতে পারতাম। আর জাহান্নামও আমার একেবারে নিকটবর্তী এসে গিয়েছিল। এমনকি আমি বলে উঠলাম, ইয়া রব! আমিও কি তাদের সাথে? আমি একজন স্ত্রীলোককে দেখতে পেলাম। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছিলেন, একটি বিড়াল তাকে খামচাচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ স্ত্রী লোকটির এমন অবস্থা কেন? মালাকগণ (ফেরেশতাগণ) জবাব দিলেন, সে একটি বিড়ালকে আটকিয়ে রেখেছিল, ফলে বিড়ালটি অনাহারে মারা যায়। উক্ত স্ত্রী লোকটি তাকে খেতেও দেয়নি এবং তাকে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে আহার করতে পারে। নাফি’ (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয়, ইব্‌নু আবূ মুলায়কাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছিলেন, যাতে সে যমীনের পোকামাকড় খেতে পারে।

حدثنا ابن أبي مريم، قال أخبرنا نافع بن عمر، قال حدثني ابن أبي مليكة، عن أسماء بنت أبي بكر، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى صلاة الكسوف، فقام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم قام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم قام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فسجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود ثم انصرف فقال ‏"‏ قد دنت مني الجنة حتى لو اجترأت عليها لجئتكم بقطاف من قطافها، ودنت مني النار حتى قلت أى رب وأنا معهم فإذا امرأة ـ حسبت أنه قال ـ تخدشها هرة قلت ما شأن هذه قالوا حبستها حتى ماتت جوعا، لا أطعمتها، ولا أرسلتها تأكل ‏"‏‏.‏ قال نافع حسبت أنه قال ‏"‏ من خشيش أو خشاش الأرض ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00