সহিহ বুখারী > যদি ইমাম সালাত সম্পূর্ণভাবে আদায় না করেন আর মুক্তাদীগণ তা সম্পূর্ণভাবে আদায় করেন।
সহিহ বুখারী ৬৯৪
حدثنا الفضل بن سهل، قال حدثنا الحسن بن موسى الأشيب، قال حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يصلون لكم، فإن أصابوا فلكم، وإن أخطئوا فلكم وعليهم ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তারা তোমাদের ইমামত করে। যদি তারা সঠিকভাবে আদায় করে তাহলে তার সওয়াব তোমরা পাবে। আর যদি তারা ভুল করে, তাহলে তোমাদের জন্য সওয়াব আছে, আর ভুলত্রুটির দায়িত্ব তাদের (ইমামের) উপরই বর্তাবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তারা তোমাদের ইমামত করে। যদি তারা সঠিকভাবে আদায় করে তাহলে তার সওয়াব তোমরা পাবে। আর যদি তারা ভুল করে, তাহলে তোমাদের জন্য সওয়াব আছে, আর ভুলত্রুটির দায়িত্ব তাদের (ইমামের) উপরই বর্তাবে।
حدثنا الفضل بن سهل، قال حدثنا الحسن بن موسى الأشيب، قال حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يصلون لكم، فإن أصابوا فلكم، وإن أخطئوا فلكم وعليهم ".
সহিহ বুখারী > ফিত্নাবাজ ও বিদ্’আতীর ইমামত।
সহিহ বুখারী ৬৯৫
قال أبو عبد الله وقال لنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي، حدثنا الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن عبيد الله بن عدي بن خيار، أنه دخل على عثمان بن عفان ـ رضى الله عنه ـ وهو محصور فقال إنك إمام عامة، ونزل بك ما ترى ويصلي لنا إمام فتنة ونتحرج. فقال الصلاة أحسن ما يعمل الناس، فإذا أحسن الناس فأحسن معهم، وإذا أساءوا فاجتنب إساءتهم. وقال الزبيدي قال الزهري لا نرى أن يصلى خلف المخنث إلا من ضرورة لا بد منها.
আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী রহঃ) বলেন, আমাকে মুহাম্মাদ ইব্নু ইউসুফ (রহঃ) ‘উবাইদুল্লাহ ইব্নু আদী ইব্নু খিয়ার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উসমান ইব্নু ‘আফ্ফান (রাঃ) অবরুদ্ধ থাকার সময় তাঁর নিকট গিয়ে বললেন, আসলে আপনিই জনগণের ইমাম। আর আপনার বিপদ কী তা নিজেই বুঝতে পারছেন। আর আমাদের ইমামত করছে বিদ্রোহীদের নেতা। ফলে আমরা গুনাহগার হবার ভয় করছি। তিনি বললেন, মানুষের ‘আমলের মধ্যে সালাতই সবোর্ত্তম। কাজেই লোকেরা যখন উত্তম কাজ করে, তখন তুমিও তাদের সাথে উত্তম কাজে অংশ নিবে, আর যখন তারা মন্দ কাজে লিপ্ত হয়, তখন তাদের মন্দ কাজ হতে বেঁচে থাকবে। যুবাইদী (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, যুহরী (রহঃ) বলেছেন, যারা ইচ্ছে করে হিজড়া সাজে, তাদের পিছনে বিশেষ জরুরী ছাড়া সালাত আদায় করা উচিত বলে মনে করি না।
আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী রহঃ) বলেন, আমাকে মুহাম্মাদ ইব্নু ইউসুফ (রহঃ) ‘উবাইদুল্লাহ ইব্নু আদী ইব্নু খিয়ার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উসমান ইব্নু ‘আফ্ফান (রাঃ) অবরুদ্ধ থাকার সময় তাঁর নিকট গিয়ে বললেন, আসলে আপনিই জনগণের ইমাম। আর আপনার বিপদ কী তা নিজেই বুঝতে পারছেন। আর আমাদের ইমামত করছে বিদ্রোহীদের নেতা। ফলে আমরা গুনাহগার হবার ভয় করছি। তিনি বললেন, মানুষের ‘আমলের মধ্যে সালাতই সবোর্ত্তম। কাজেই লোকেরা যখন উত্তম কাজ করে, তখন তুমিও তাদের সাথে উত্তম কাজে অংশ নিবে, আর যখন তারা মন্দ কাজে লিপ্ত হয়, তখন তাদের মন্দ কাজ হতে বেঁচে থাকবে। যুবাইদী (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, যুহরী (রহঃ) বলেছেন, যারা ইচ্ছে করে হিজড়া সাজে, তাদের পিছনে বিশেষ জরুরী ছাড়া সালাত আদায় করা উচিত বলে মনে করি না।
قال أبو عبد الله وقال لنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي، حدثنا الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن عبيد الله بن عدي بن خيار، أنه دخل على عثمان بن عفان ـ رضى الله عنه ـ وهو محصور فقال إنك إمام عامة، ونزل بك ما ترى ويصلي لنا إمام فتنة ونتحرج. فقال الصلاة أحسن ما يعمل الناس، فإذا أحسن الناس فأحسن معهم، وإذا أساءوا فاجتنب إساءتهم. وقال الزبيدي قال الزهري لا نرى أن يصلى خلف المخنث إلا من ضرورة لا بد منها.
সহিহ বুখারী ৬৯৬
حدثنا محمد بن أبان، حدثنا غندر، عن شعبة، عن أبي التياح، أنه سمع أنس بن مالك، قال النبي صلى الله عليه وسلم لأبي ذر " اسمع وأطع، ولو لحبشي كأن رأسه زبيبة ".
আনাস (ইব্নু মালিক) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ যার (রাঃ) -কে বলেন, শোন এবং আনুগত্য কর, যদিও কোন হাবশী আমীর হয় যার মাথা কিস্মিসের মতো।
আনাস (ইব্নু মালিক) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ যার (রাঃ) -কে বলেন, শোন এবং আনুগত্য কর, যদিও কোন হাবশী আমীর হয় যার মাথা কিস্মিসের মতো।
حدثنا محمد بن أبان، حدثنا غندر، عن شعبة، عن أبي التياح، أنه سمع أنس بن مالك، قال النبي صلى الله عليه وسلم لأبي ذر " اسمع وأطع، ولو لحبشي كأن رأسه زبيبة ".
সহিহ বুখারী > দু'জন সালাত আদায় করলে, মুক্তাদী ইমামের ডানপাশে সোজাসুজি দাঁড়াবে।
সহিহ বুখারী ৬৯৭
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت سعيد بن جبير، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال بت في بيت خالتي ميمونة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء، ثم جاء فصلى أربع ركعات ثم نام، ثم قام فجئت فقمت عن يساره، فجعلني عن يمينه، فصلى خمس ركعات، ثم صلى ركعتين، ثم نام حتى سمعت غطيطه ـ أو قال خطيطه ـ ثم خرج إلى الصلاة.
ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আমার খালা মায়মুনা (রাঃ) এর ঘরে রাত কাটালাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'ইশার সালাত আদায় করে আসলেন এবং চার রাক’আত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে সালাতে দাঁড়ালেন। তখন আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডানপাশে নিয়ে নিলেন এবং পাঁচ রাক'আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর আরও দু'রাক'আত সালাত আদায় করে নিদ্রা গেলেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। তারপর তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।
ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আমার খালা মায়মুনা (রাঃ) এর ঘরে রাত কাটালাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'ইশার সালাত আদায় করে আসলেন এবং চার রাক’আত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে সালাতে দাঁড়ালেন। তখন আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডানপাশে নিয়ে নিলেন এবং পাঁচ রাক'আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর আরও দু'রাক'আত সালাত আদায় করে নিদ্রা গেলেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। তারপর তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت سعيد بن جبير، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال بت في بيت خالتي ميمونة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء، ثم جاء فصلى أربع ركعات ثم نام، ثم قام فجئت فقمت عن يساره، فجعلني عن يمينه، فصلى خمس ركعات، ثم صلى ركعتين، ثم نام حتى سمعت غطيطه ـ أو قال خطيطه ـ ثم خرج إلى الصلاة.
সহিহ বুখারী > যদি কেউ ইমামের বাম পাশে দাঁড়ায় এবং ইমাম তাকে ডান পাশে নিয়ে আসেন, তবে কারো সালাত নষ্ট হয় না ।
সহিহ বুখারী ৬৯৮
حدثنا أحمد، قال حدثنا ابن وهب، قال حدثنا عمرو، عن عبد ربه بن سعيد، عن مخرمة بن سليمان، عن كريب، مولى ابن عباس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال نمت عند ميمونة والنبي صلى الله عليه وسلم عندها تلك الليلة، فتوضأ ثم قام يصلي، فقمت على يساره، فأخذني فجعلني عن يمينه، فصلى ثلاث عشرة ركعة، ثم نام حتى نفخ ـ وكان إذا نام نفخ ـ ثم أتاه المؤذن، فخرج فصلى ولم يتوضأ. قال عمرو فحدثت به بكيرا فقال حدثني كريب بذلك.
ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি (আমার খালা) মাইমুনা (রাঃ) এর ঘরে ঘুমালাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে রাতে তাঁর নিকট ছিলেন। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উযূ করলেন। অতঃপর সালাতে দাঁড়ালেন। আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিমি আমাকে ধরে তাঁর ডানপাশে নিয়ে আসলেন। আর তিনি তের রাক'আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন, এমনকি তাঁর নাক ডাকতে শুরু করল এবং তিনি যখন ঘুমাতেন তাঁর নাক ডাকত। অতঃপর তাঁর নিকট মুয়াজ্জিন এলেন, তিনি বেরিয়ে গিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন এবং (নতুন) উযূ করেননি। 'আম্র (রাঃ) বলেন, এ হাদীস আমি বুকায়র (রাঃ) কে শুনালে তিনি বলেন, কুরায়ব (রহঃ)-ও এ হাদীস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি (আমার খালা) মাইমুনা (রাঃ) এর ঘরে ঘুমালাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে রাতে তাঁর নিকট ছিলেন। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উযূ করলেন। অতঃপর সালাতে দাঁড়ালেন। আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিমি আমাকে ধরে তাঁর ডানপাশে নিয়ে আসলেন। আর তিনি তের রাক'আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন, এমনকি তাঁর নাক ডাকতে শুরু করল এবং তিনি যখন ঘুমাতেন তাঁর নাক ডাকত। অতঃপর তাঁর নিকট মুয়াজ্জিন এলেন, তিনি বেরিয়ে গিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন এবং (নতুন) উযূ করেননি। 'আম্র (রাঃ) বলেন, এ হাদীস আমি বুকায়র (রাঃ) কে শুনালে তিনি বলেন, কুরায়ব (রহঃ)-ও এ হাদীস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
حدثنا أحمد، قال حدثنا ابن وهب، قال حدثنا عمرو، عن عبد ربه بن سعيد، عن مخرمة بن سليمان، عن كريب، مولى ابن عباس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال نمت عند ميمونة والنبي صلى الله عليه وسلم عندها تلك الليلة، فتوضأ ثم قام يصلي، فقمت على يساره، فأخذني فجعلني عن يمينه، فصلى ثلاث عشرة ركعة، ثم نام حتى نفخ ـ وكان إذا نام نفخ ـ ثم أتاه المؤذن، فخرج فصلى ولم يتوضأ. قال عمرو فحدثت به بكيرا فقال حدثني كريب بذلك.