সহিহ বুখারী > পাঁচ ওয়াক্তের সালাত (গুনাহসমূহের) কাফফারা
সহিহ বুখারী ৫২৮
حدثنا إبراهيم بن حمزة، قال حدثني ابن أبي حازم، والدراوردي، عن يزيد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم، يغتسل فيه كل يوم خمسا، ما تقول ذلك يبقي من درنه ". قالوا لا يبقي من درنه شيئا. قال " فذلك مثل الصلوات الخمس، يمحو الله بها الخطايا ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, “বলতো যদি তোমাদের কারো বাড়ির সামনে একটি নদী থাকে, আর সে তাতে প্রত্যহ পাঁচবার গোসল করে, তাহলে কি তাঁর দেহে কোন ময়লা থাকবে? তারা বললেন, তাঁর দেহে কোনরূপ ময়লা বাকী থাকবে না। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদহারণ। এর মাধ্যমে আল্লাহ্ তাআলা বান্দার গুনাহসমুহ মিটিয়ে দেন।”
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, “বলতো যদি তোমাদের কারো বাড়ির সামনে একটি নদী থাকে, আর সে তাতে প্রত্যহ পাঁচবার গোসল করে, তাহলে কি তাঁর দেহে কোন ময়লা থাকবে? তারা বললেন, তাঁর দেহে কোনরূপ ময়লা বাকী থাকবে না। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদহারণ। এর মাধ্যমে আল্লাহ্ তাআলা বান্দার গুনাহসমুহ মিটিয়ে দেন।”
حدثنا إبراهيم بن حمزة، قال حدثني ابن أبي حازم، والدراوردي، عن يزيد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم، يغتسل فيه كل يوم خمسا، ما تقول ذلك يبقي من درنه ". قالوا لا يبقي من درنه شيئا. قال " فذلك مثل الصلوات الخمس، يمحو الله بها الخطايا ".
সহিহ বুখারী > নির্ধারিত সময় হতে দেরিতে সালাত আদায় করে তার হক নষ্ট করা।
সহিহ বুখারী ৫২৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا مهدي، عن غيلان، عن أنس، قال ما أعرف شيئا مما كان على عهد النبي صلى الله عليه وسلم. قيل الصلاة. قال أليس ضيعتم ما ضيعتم فيها.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আজকাল কোনো জিনিসই সে অবস্থায় পাই না, যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে ছিল। প্রশ্ন করা হলো, সালাতও কি? তিনি বললেন, সে ক্ষেত্রেও যা হক নষ্ট করার তা-কি তোমরা করনি? [১]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আজকাল কোনো জিনিসই সে অবস্থায় পাই না, যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে ছিল। প্রশ্ন করা হলো, সালাতও কি? তিনি বললেন, সে ক্ষেত্রেও যা হক নষ্ট করার তা-কি তোমরা করনি? [১]
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا مهدي، عن غيلان، عن أنس، قال ما أعرف شيئا مما كان على عهد النبي صلى الله عليه وسلم. قيل الصلاة. قال أليس ضيعتم ما ضيعتم فيها.
সহিহ বুখারী ৫৩০
حدثنا عمرو بن زرارة، قال أخبرنا عبد الواحد بن واصل أبو عبيدة الحداد، عن عثمان بن أبي رواد، أخي عبد العزيز قال سمعت الزهري، يقول دخلت على أنس بن مالك بدمشق وهو يبكي فقلت ما يبكيك فقال لا أعرف شيئا مما أدركت إلا هذه الصلاة، وهذه الصلاة قد ضيعت. وقال بكر حدثنا محمد بن بكر البرساني أخبرنا عثمان بن أبي رواد نحوه.
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি দামেশ্কে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর এর নিকট উপস্থিত হলাম, তিনি তখন কাঁদছিলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাকে কোন বিষয়টি কাঁদাচ্ছে? তিনি বললেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে যা কিছু পেয়েছি তার মধ্যে কেবলমাত্র সালাত ছাড়া আর কিছুই বহাল নেই। কিন্তু সালাতকেও নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বক্র (রহঃ) বলেন, আমার নিকট মুহাম্মাদ ইবনু বক্র বুরসানি (রহঃ) এবং ‘উসমান ইবনু আবু রাওওয়াদ (রহঃ) অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি দামেশ্কে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর এর নিকট উপস্থিত হলাম, তিনি তখন কাঁদছিলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাকে কোন বিষয়টি কাঁদাচ্ছে? তিনি বললেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে যা কিছু পেয়েছি তার মধ্যে কেবলমাত্র সালাত ছাড়া আর কিছুই বহাল নেই। কিন্তু সালাতকেও নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বক্র (রহঃ) বলেন, আমার নিকট মুহাম্মাদ ইবনু বক্র বুরসানি (রহঃ) এবং ‘উসমান ইবনু আবু রাওওয়াদ (রহঃ) অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।
حدثنا عمرو بن زرارة، قال أخبرنا عبد الواحد بن واصل أبو عبيدة الحداد، عن عثمان بن أبي رواد، أخي عبد العزيز قال سمعت الزهري، يقول دخلت على أنس بن مالك بدمشق وهو يبكي فقلت ما يبكيك فقال لا أعرف شيئا مما أدركت إلا هذه الصلاة، وهذه الصلاة قد ضيعت. وقال بكر حدثنا محمد بن بكر البرساني أخبرنا عثمان بن أبي رواد نحوه.
সহিহ বুখারী > মুসল্লি সালাতে তার মহান প্রতিপালকের সাথে গোপনে কথোপকথন করে।
সহিহ বুখারী ৫৩১
حدثنا مسلم بن إبراهيم، قال حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن أحدكم إذا صلى يناجي ربه فلا يتفلن عن يمينه، ولكن تحت قدمه اليسرى ". وقال سعيد عن قتادة لا يتفل قدامه أو بين يديه، ولكن عن يساره أو تحت قدميه. وقال شعبة لا يبزق بين يديه ولا عن يمينه، ولكن عن يساره أو تحت قدمه. وقال حميد عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم " لا يبزق في القبلة ولا عن يمينه، ولكن عن يساره أو تحت قدمه ".
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে গোপনে কথা বলে। কাজেই, সে যেন ডানদিকে থুথু না ফেলে, তবে (প্রয়োজনে) বাম পায়ের নীচে ফেলতে পারে। তবে সা’ঈদ (রহঃ) ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, সে যেন সামনের দিকে থুথু না ফেলে, কিন্তু বাম দিকে অথবা পায়ের নীচে ফেলতে পারে। আর শু’বাহ (রহঃ) বলেন, সে যেন সামনের দিকে অথবা ডান দিকে থুথু না ফেলে, কিন্তু বামদিকে অথবা পায়ের তলায় ফেলতে পারে। আর হুমায়দ (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, সে যেন কিবলার দিকে অথবা ডানদিকে থুথু না ফেলে, কিন্তু বাম দিকে অথবা পায়ের নীচে ফেলতে পারে।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে গোপনে কথা বলে। কাজেই, সে যেন ডানদিকে থুথু না ফেলে, তবে (প্রয়োজনে) বাম পায়ের নীচে ফেলতে পারে। তবে সা’ঈদ (রহঃ) ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, সে যেন সামনের দিকে থুথু না ফেলে, কিন্তু বাম দিকে অথবা পায়ের নীচে ফেলতে পারে। আর শু’বাহ (রহঃ) বলেন, সে যেন সামনের দিকে অথবা ডান দিকে থুথু না ফেলে, কিন্তু বামদিকে অথবা পায়ের তলায় ফেলতে পারে। আর হুমায়দ (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, সে যেন কিবলার দিকে অথবা ডানদিকে থুথু না ফেলে, কিন্তু বাম দিকে অথবা পায়ের নীচে ফেলতে পারে।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، قال حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن أحدكم إذا صلى يناجي ربه فلا يتفلن عن يمينه، ولكن تحت قدمه اليسرى ". وقال سعيد عن قتادة لا يتفل قدامه أو بين يديه، ولكن عن يساره أو تحت قدميه. وقال شعبة لا يبزق بين يديه ولا عن يمينه، ولكن عن يساره أو تحت قدمه. وقال حميد عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم " لا يبزق في القبلة ولا عن يمينه، ولكن عن يساره أو تحت قدمه ".
সহিহ বুখারী ৫৩২
حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا يزيد بن إبراهيم، قال حدثنا قتادة، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اعتدلوا في السجود، ولا يبسط ذراعيه كالكلب، وإذا بزق فلا يبزقن بين يديه ولا عن يمينه، فإنه يناجي ربه ".
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সিজদায় ই’তিদাল বজায় রাখ। তোমাদের কেউ যেন তাঁর বাহুদ্বয় কুকুরের মত বিছিয়ে না দেয়। আর যদি থুথু ফেলতে হয়, তাহলে সে যেন সামনে ও ডানে না ফেলে। কেননা সে তখন তার প্রতিপালকের সাথে গোপন কথায় লিপ্ত থাকে।[১]
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সিজদায় ই’তিদাল বজায় রাখ। তোমাদের কেউ যেন তাঁর বাহুদ্বয় কুকুরের মত বিছিয়ে না দেয়। আর যদি থুথু ফেলতে হয়, তাহলে সে যেন সামনে ও ডানে না ফেলে। কেননা সে তখন তার প্রতিপালকের সাথে গোপন কথায় লিপ্ত থাকে।[১]
حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا يزيد بن إبراهيم، قال حدثنا قتادة، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اعتدلوا في السجود، ولا يبسط ذراعيه كالكلب، وإذا بزق فلا يبزقن بين يديه ولا عن يمينه، فإنه يناجي ربه ".
সহিহ বুখারী > প্রচন্ড গরমের সময় যুহরের সালাত ঠাণ্ডায় আদায় করা।
সহিহ বুখারী ৫৩৪
See previous Hadith
আবু হুরায়রা (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু 'উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন গরমের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায়, তখন গরম কমলে সালাত আদায় করবে। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ।
আবু হুরায়রা (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু 'উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন গরমের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায়, তখন গরম কমলে সালাত আদায় করবে। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ।
See previous Hadith
সহিহ বুখারী ৫৩৩
حدثنا أيوب بن سليمان، قال حدثنا أبو بكر، عن سليمان، قال صالح بن كيسان حدثنا الأعرج عبد الرحمن، وغيره، عن أبي هريرة.ونافع مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أنهما حدثاه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة، فإن شدة الحر من فيح جهنم ".
আবু হুরায়রা (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু 'উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন গরমের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায়, তখন গরম কমলে সালাত আদায় করবে। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ।
আবু হুরায়রা (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু 'উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন গরমের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায়, তখন গরম কমলে সালাত আদায় করবে। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ।
حدثنا أيوب بن سليمان، قال حدثنا أبو بكر، عن سليمان، قال صالح بن كيسان حدثنا الأعرج عبد الرحمن، وغيره، عن أبي هريرة.ونافع مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أنهما حدثاه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة، فإن شدة الحر من فيح جهنم ".
সহিহ বুখারী ৫৩৭
See previous Hadith
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
জাহান্নাম তার প্রতিপালকের নিকট এ বলে নালিশ করেছিলো, হে আমার প্রতিপালক! (দহনের প্রচন্ডতায়) আমার এক অংশ আর এক অংশকে গ্রাশ করে ফেলেছে। ফলে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে দু’টি শ্বাস ফেলার অনুমতি দিলেন, একটি শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। আর সে দু’টি হলো, তোমরা গ্রীষ্মকালে যে প্রচন্ড উত্তাপ এবং শীতকালে যে প্রচন্ড ঠাণ্ডা অনুভব কর তাই।
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
জাহান্নাম তার প্রতিপালকের নিকট এ বলে নালিশ করেছিলো, হে আমার প্রতিপালক! (দহনের প্রচন্ডতায়) আমার এক অংশ আর এক অংশকে গ্রাশ করে ফেলেছে। ফলে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে দু’টি শ্বাস ফেলার অনুমতি দিলেন, একটি শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। আর সে দু’টি হলো, তোমরা গ্রীষ্মকালে যে প্রচন্ড উত্তাপ এবং শীতকালে যে প্রচন্ড ঠাণ্ডা অনুভব কর তাই।
See previous Hadith
সহিহ বুখারী ৫৩৬
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، قال حفظناه من الزهري عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا اشتد الحر فأبردوا بالصلاة، فإن شدة الحر من فيح جهنم ". " واشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا. فأذن لها بنفسين نفس في الشتاء، ونفس في الصيف، فهو أشد ما تجدون من الحر، وأشد ما تجدون من الزمهرير ".
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন গরম বেড়ে যাবে তখন তোমরা তা কমে এলে যুহরের সালাত আদায় করো। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপের অংশ।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন গরম বেড়ে যাবে তখন তোমরা তা কমে এলে যুহরের সালাত আদায় করো। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপের অংশ।
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، قال حفظناه من الزهري عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا اشتد الحر فأبردوا بالصلاة، فإن شدة الحر من فيح جهنم ". " واشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا. فأذن لها بنفسين نفس في الشتاء، ونفس في الصيف، فهو أشد ما تجدون من الحر، وأشد ما تجدون من الزمهرير ".
সহিহ বুখারী ৫৩৫
حدثنا ابن بشار، قال حدثنا غندر، قال حدثنا شعبة، عن المهاجر أبي الحسن، سمع زيد بن وهب، عن أبي ذر، قال أذن مؤذن النبي صلى الله عليه وسلم الظهر فقال " أبرد أبرد ـ أو قال ـ انتظر انتظر ". وقال " شدة الحر من فيح جهنم، فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة ". حتى رأينا فىء التلول.
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুআযযিন যুহরের আযান দিলে তিনি বললেনঃ ঠাণ্ডা হতে দাও, ঠাণ্ডা হতে দাও। অথবা তিনি বললেন, অপেক্ষা কর, অপেক্ষা কর। তিনি আরও বলেন, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের ফলেই সৃষ্টি হয়। কাজেই গরম যখন বেড়ে যায় তখন গরম কমলেই সালাত আদায় করবে। এমনকি (বিলম্ব করতে বেলা এতটুকু গড়িয়ে গিয়েছিল যে) আমরা টিলাগুলোর ছায়া দেখতে পেলাম।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুআযযিন যুহরের আযান দিলে তিনি বললেনঃ ঠাণ্ডা হতে দাও, ঠাণ্ডা হতে দাও। অথবা তিনি বললেন, অপেক্ষা কর, অপেক্ষা কর। তিনি আরও বলেন, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের ফলেই সৃষ্টি হয়। কাজেই গরম যখন বেড়ে যায় তখন গরম কমলেই সালাত আদায় করবে। এমনকি (বিলম্ব করতে বেলা এতটুকু গড়িয়ে গিয়েছিল যে) আমরা টিলাগুলোর ছায়া দেখতে পেলাম।
حدثنا ابن بشار، قال حدثنا غندر، قال حدثنا شعبة، عن المهاجر أبي الحسن، سمع زيد بن وهب، عن أبي ذر، قال أذن مؤذن النبي صلى الله عليه وسلم الظهر فقال " أبرد أبرد ـ أو قال ـ انتظر انتظر ". وقال " شدة الحر من فيح جهنم، فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة ". حتى رأينا فىء التلول.
সহিহ বুখারী ৫৩৮
حدثنا عمر بن حفص، قال حدثنا أبي قال، حدثنا الأعمش، حدثنا أبو صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أبردوا بالظهر، فإن شدة الحر من فيح جهنم ". تابعه سفيان ويحيى وأبو عوانة عن الأعمش
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যুহরের সালাত গরম কমলে আদায় কর। কেননা, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ হতে। সুফিয়ান, ইয়াহইয়া এবং আবূ আওয়ানা (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যুহরের সালাত গরম কমলে আদায় কর। কেননা, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ হতে। সুফিয়ান, ইয়াহইয়া এবং আবূ আওয়ানা (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
حدثنا عمر بن حفص، قال حدثنا أبي قال، حدثنا الأعمش، حدثنا أبو صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أبردوا بالظهر، فإن شدة الحر من فيح جهنم ". تابعه سفيان ويحيى وأبو عوانة عن الأعمش