সহিহ বুখারী > এমন বিছানা সামনে রেখে সালাত আদায় করা যাতে ঋতুবতী মহিলা রয়েছে।
সহিহ বুখারী ৫১৭
حدثنا عمرو بن زرارة، قال أخبرنا هشيم، عن الشيباني، عن عبد الله بن شداد بن الهاد، قال أخبرتني خالتي، ميمونة بنت الحارث قالت كان فراشي حيال مصلى النبي صلى الله عليه وسلم فربما وقع ثوبه على وأنا على فراشي.
মাইমুনা বিনতু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার বিছানা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এঁর মুসাল্লার বরাবর ছিল। আর আমি আমার বিছানায় থাকা অবস্থায় কোন কোন সময় তাঁর কাপড় আমার গায়ে এসে পড়তো। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৩)
মাইমুনা বিনতু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার বিছানা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এঁর মুসাল্লার বরাবর ছিল। আর আমি আমার বিছানায় থাকা অবস্থায় কোন কোন সময় তাঁর কাপড় আমার গায়ে এসে পড়তো। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৩)
حدثنا عمرو بن زرارة، قال أخبرنا هشيم، عن الشيباني، عن عبد الله بن شداد بن الهاد، قال أخبرتني خالتي، ميمونة بنت الحارث قالت كان فراشي حيال مصلى النبي صلى الله عليه وسلم فربما وقع ثوبه على وأنا على فراشي.
সহিহ বুখারী ৫১৮
حدثنا أبو النعمان، قال حدثنا عبد الواحد بن زياد، قال حدثنا الشيباني، سليمان حدثنا عبد الله بن شداد، قال سمعت ميمونة، تقول كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي وأنا إلى جنبه نائمة، فإذا سجد أصابني ثوبه، وأنا حائض. وزاد مسدد عن خالد قال حدثنا سليمان الشيباني، وأنا حائض.
মাইমুনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করতেন আর আমি তাঁর পাশে শুয়ে থাকতাম। তিনি যখন সিজদা করতেন তখন তাঁর কাপড় আমার গায়ে এসে পড়তো। সে সময় আমি ঋতুবতী ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৪)
মাইমুনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করতেন আর আমি তাঁর পাশে শুয়ে থাকতাম। তিনি যখন সিজদা করতেন তখন তাঁর কাপড় আমার গায়ে এসে পড়তো। সে সময় আমি ঋতুবতী ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৪)
حدثنا أبو النعمان، قال حدثنا عبد الواحد بن زياد، قال حدثنا الشيباني، سليمان حدثنا عبد الله بن شداد، قال سمعت ميمونة، تقول كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي وأنا إلى جنبه نائمة، فإذا سجد أصابني ثوبه، وأنا حائض. وزاد مسدد عن خالد قال حدثنا سليمان الشيباني، وأنا حائض.
সহিহ বুখারী > সিজদার সুবিধার্থে নিজ স্ত্রীকে সিজদার সময় স্পর্শ করা।
সহিহ বুখারী ৫১৯
حدثنا عمرو بن علي، قال حدثنا يحيى، قال حدثنا عبيد الله، قال حدثنا القاسم، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت بئسما عدلتمونا بالكلب والحمار، لقد رأيتني ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي، وأنا مضطجعة بينه وبين القبلة، فإذا أراد أن يسجد غمز رجلى فقبضتهما.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ তোমরা আমাদেরকে কুকুর ও গাধার সমান করে বড়ই খারাপ করেছ। অথচ আমি নিজেকে এ অবস্থায় দেখেছি যে, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায়ের সময় আমি তাঁর ও কিবলার মাঝখানে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতাম। তিনি যখন সিজদা করার ইচ্ছা করতেন তখন আমার পা দু’টোতে টোকা মারতেন আর আমি আমার পা গুটিয়ে নিতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৫)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ তোমরা আমাদেরকে কুকুর ও গাধার সমান করে বড়ই খারাপ করেছ। অথচ আমি নিজেকে এ অবস্থায় দেখেছি যে, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায়ের সময় আমি তাঁর ও কিবলার মাঝখানে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতাম। তিনি যখন সিজদা করার ইচ্ছা করতেন তখন আমার পা দু’টোতে টোকা মারতেন আর আমি আমার পা গুটিয়ে নিতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৮৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৫)
حدثنا عمرو بن علي، قال حدثنا يحيى، قال حدثنا عبيد الله، قال حدثنا القاسم، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت بئسما عدلتمونا بالكلب والحمار، لقد رأيتني ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي، وأنا مضطجعة بينه وبين القبلة، فإذا أراد أن يسجد غمز رجلى فقبضتهما.
সহিহ বুখারী > মুসল্লির দেহ হতে মহিলা কর্তৃক অপবিত্রতা পরিষ্কার করা।
সহিহ বুখারী ৫২০
حدثنا أحمد بن إسحاق السرماري، قال حدثنا عبيد الله بن موسى، قال حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يصلي عند الكعبة، وجمع قريش في مجالسهم إذ قال قائل منهم ألا تنظرون إلى هذا المرائي أيكم يقوم إلى جزور آل فلان، فيعمد إلى فرثها ودمها وسلاها فيجيء به، ثم يمهله حتى إذا سجد وضعه بين كتفيه فانبعث أشقاهم، فلما سجد رسول الله صلى الله عليه وسلم وضعه بين كتفيه، وثبت النبي صلى الله عليه وسلم ساجدا، فضحكوا حتى مال بعضهم إلى بعض من الضحك، فانطلق منطلق إلى فاطمة ـ عليها السلام ـ وهى جويرية، فأقبلت تسعى وثبت النبي صلى الله عليه وسلم ساجدا حتى ألقته عنه، وأقبلت عليهم تسبهم، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة قال " اللهم عليك بقريش، اللهم عليك بقريش، اللهم عليك بقريش ـ ثم سمى ـ اللهم عليك بعمرو بن هشام، وعتبة بن ربيعة، وشيبة بن ربيعة، والوليد بن عتبة، وأمية بن خلف، وعقبة بن أبي معيط، وعمارة بن الوليد ". قال عبد الله فوالله لقد رأيتهم صرعى يوم بدر، ثم سحبوا إلى القليب قليب بدر، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وأتبع أصحاب القليب لعنة ".
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন একদা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার নিকট দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আর কুরাইশের একদল তাদের মাজলিশে উপবিষ্ট ছিল। তাদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বললঃ তোমরা কি এই রিয়াকারকে লক্ষ্য করছ না? তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে, যে অমুক গোত্রের উট যবহ্ করার স্থান পর্যন্ত যেতে পার? সেখান হতে গোবর, রক্ত, ও নাড়িভুঁড়ি নিয়ে এসে অপেক্ষা করবে। যখন তিনি সিজদায় যাবেন, তখন এগুলো তাঁর দুই কাঁধের মাঝখানে রেখে দিবে। এ কাজের জন্য তাদের চরম দুর্ভাগা ব্যক্তি (‘উক্ববাহ ইব্নু আবু মু’আইত) উঠে দাঁড়াল (এবং তা নিয়ে আসলো)। যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদায় গেলেন তখন সে তাঁর দু’কাঁধের মাঝখানে সেগুলো রেখে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদায় স্থির রয়ে গেলেন। এতে তারা পরস্পর হাসাহাসি করতে লাগলো। এমনকি হাসতে হাসতে একজন আরেকজনের গায়ের উপর লুটোপুটি করতে লাগলো। এ অবস্থা দেখে এক ব্যক্তি ফাতিমা (রাঃ) এঁর নিকট গেলেন। তখন তিনি ছিলেন ছোট বালিকা। তিনি দৌড়ে চলে এলেন। তখনও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদায় স্থির ছিলেন। অবশেষে তিনি ফাতিমা (রাঃ) সেগুলো তাঁর উপর হতে ফেলে দিলেন এবং মুশরিকদের লক্ষ্য করে তিরস্কার করতে লাগলেন। যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত শেষ করলেন তখন তিনি বললেনঃ “হে আল্লাহ্! তুমি কুরাইশদের ধ্বংস কর।” “হে আল্লাহ্! তুমি কুরাইশদের ধ্বংস কর।” “আল্লাহ্! তুমি কুরাইশদের ধ্বংস কর।” অতঃপর তিনি নাম নিয়ে বললেনঃ “হে আল্লাহ্! তুমি আমার ইব্নু হিশাম, উত’বাহ ইব্নু রাবি’আহ, শায়বাহ ইব্নু রাবি’আহ, ওয়ালীদ ইব্নু উত’বাহ, উমায়্যাহ ইব্নু খালাফ, ‘উকবা ইব্নু আবু মু’আইত এবং ‘উমরাহ ইব্নু ওয়ালীদ কে ধ্বংস কর।” আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্র শপথ! আমি এদের সকলকেই বদরের দিন লাশ হয়ে পরে থাকতে দেখেছি। অতঃপর তাদেরকে টেনে হিঁচড়ে বদর কূপে নিক্ষেপ করা হয়। অতঃপর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ এই কুয়াবাসীদের উপর চিরস্থায়ী অভিসম্পাত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৯০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৬)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন একদা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার নিকট দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আর কুরাইশের একদল তাদের মাজলিশে উপবিষ্ট ছিল। তাদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বললঃ তোমরা কি এই রিয়াকারকে লক্ষ্য করছ না? তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে, যে অমুক গোত্রের উট যবহ্ করার স্থান পর্যন্ত যেতে পার? সেখান হতে গোবর, রক্ত, ও নাড়িভুঁড়ি নিয়ে এসে অপেক্ষা করবে। যখন তিনি সিজদায় যাবেন, তখন এগুলো তাঁর দুই কাঁধের মাঝখানে রেখে দিবে। এ কাজের জন্য তাদের চরম দুর্ভাগা ব্যক্তি (‘উক্ববাহ ইব্নু আবু মু’আইত) উঠে দাঁড়াল (এবং তা নিয়ে আসলো)। যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদায় গেলেন তখন সে তাঁর দু’কাঁধের মাঝখানে সেগুলো রেখে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদায় স্থির রয়ে গেলেন। এতে তারা পরস্পর হাসাহাসি করতে লাগলো। এমনকি হাসতে হাসতে একজন আরেকজনের গায়ের উপর লুটোপুটি করতে লাগলো। এ অবস্থা দেখে এক ব্যক্তি ফাতিমা (রাঃ) এঁর নিকট গেলেন। তখন তিনি ছিলেন ছোট বালিকা। তিনি দৌড়ে চলে এলেন। তখনও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদায় স্থির ছিলেন। অবশেষে তিনি ফাতিমা (রাঃ) সেগুলো তাঁর উপর হতে ফেলে দিলেন এবং মুশরিকদের লক্ষ্য করে তিরস্কার করতে লাগলেন। যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত শেষ করলেন তখন তিনি বললেনঃ “হে আল্লাহ্! তুমি কুরাইশদের ধ্বংস কর।” “হে আল্লাহ্! তুমি কুরাইশদের ধ্বংস কর।” “আল্লাহ্! তুমি কুরাইশদের ধ্বংস কর।” অতঃপর তিনি নাম নিয়ে বললেনঃ “হে আল্লাহ্! তুমি আমার ইব্নু হিশাম, উত’বাহ ইব্নু রাবি’আহ, শায়বাহ ইব্নু রাবি’আহ, ওয়ালীদ ইব্নু উত’বাহ, উমায়্যাহ ইব্নু খালাফ, ‘উকবা ইব্নু আবু মু’আইত এবং ‘উমরাহ ইব্নু ওয়ালীদ কে ধ্বংস কর।” আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্র শপথ! আমি এদের সকলকেই বদরের দিন লাশ হয়ে পরে থাকতে দেখেছি। অতঃপর তাদেরকে টেনে হিঁচড়ে বদর কূপে নিক্ষেপ করা হয়। অতঃপর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ এই কুয়াবাসীদের উপর চিরস্থায়ী অভিসম্পাত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৯০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯৬)
حدثنا أحمد بن إسحاق السرماري، قال حدثنا عبيد الله بن موسى، قال حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يصلي عند الكعبة، وجمع قريش في مجالسهم إذ قال قائل منهم ألا تنظرون إلى هذا المرائي أيكم يقوم إلى جزور آل فلان، فيعمد إلى فرثها ودمها وسلاها فيجيء به، ثم يمهله حتى إذا سجد وضعه بين كتفيه فانبعث أشقاهم، فلما سجد رسول الله صلى الله عليه وسلم وضعه بين كتفيه، وثبت النبي صلى الله عليه وسلم ساجدا، فضحكوا حتى مال بعضهم إلى بعض من الضحك، فانطلق منطلق إلى فاطمة ـ عليها السلام ـ وهى جويرية، فأقبلت تسعى وثبت النبي صلى الله عليه وسلم ساجدا حتى ألقته عنه، وأقبلت عليهم تسبهم، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة قال " اللهم عليك بقريش، اللهم عليك بقريش، اللهم عليك بقريش ـ ثم سمى ـ اللهم عليك بعمرو بن هشام، وعتبة بن ربيعة، وشيبة بن ربيعة، والوليد بن عتبة، وأمية بن خلف، وعقبة بن أبي معيط، وعمارة بن الوليد ". قال عبد الله فوالله لقد رأيتهم صرعى يوم بدر، ثم سحبوا إلى القليب قليب بدر، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وأتبع أصحاب القليب لعنة ".