সহিহ বুখারী > ক্বিবলাহমুখী হবার ফযীলাত, পায়ের আঙ্গুলকেও ক্বিবলাহমুখী রাখবে।

সহিহ বুখারী ৩৯১

حدثنا عمرو بن عباس، قال حدثنا ابن المهدي، قال حدثنا منصور بن سعد، عن ميمون بن سياه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من صلى صلاتنا، واستقبل قبلتنا، وأكل ذبيحتنا، فذلك المسلم الذي له ذمة الله وذمة رسوله، فلا تخفروا الله في ذمته ‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, আমাদের ক্বিবলামুখী হয় আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সেই মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল যিম্মাদার। সুতরাং তোমরা আল্লাহ্‌র যিম্মাদারীতে বিশ্বাসঘাতকতা করো না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, আমাদের ক্বিবলামুখী হয় আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সেই মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল যিম্মাদার। সুতরাং তোমরা আল্লাহ্‌র যিম্মাদারীতে বিশ্বাসঘাতকতা করো না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪)

حدثنا عمرو بن عباس، قال حدثنا ابن المهدي، قال حدثنا منصور بن سعد، عن ميمون بن سياه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من صلى صلاتنا، واستقبل قبلتنا، وأكل ذبيحتنا، فذلك المسلم الذي له ذمة الله وذمة رسوله، فلا تخفروا الله في ذمته ‏


সহিহ বুখারী ৩৯২

حدثنا نعيم، قال حدثنا ابن المبارك، عن حميد الطويل، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله‏.‏ فإذا قالوها وصلوا صلاتنا، واستقبلوا قبلتنا، وذبحوا ذبيحتنا، فقد حرمت علينا دماؤهم وأموالهم إلا بحقها، وحسابهم على الله ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাকে লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা ‘লা– ইলা–হা ইল্লাল্লাহ” স্বীকার করবে। যখন তারা তা স্বীকার করে নেয়, আমাদের মত সালাত আদায় করে, আমাদের ক্বিবলামুখী হয় এবং আমাদের যবেহ করা প্রানী খায়, তখন তাদের জান-মালসমূহ আমাদের জন্য হারাম হয়ে যায়। অবশ্য রক্তের বা সম্পদের দাবীর কথা ভিন্ন। আর তাদের হিসাব আল্লাহ্‌র নিকট। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৫)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাকে লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা ‘লা– ইলা–হা ইল্লাল্লাহ” স্বীকার করবে। যখন তারা তা স্বীকার করে নেয়, আমাদের মত সালাত আদায় করে, আমাদের ক্বিবলামুখী হয় এবং আমাদের যবেহ করা প্রানী খায়, তখন তাদের জান-মালসমূহ আমাদের জন্য হারাম হয়ে যায়। অবশ্য রক্তের বা সম্পদের দাবীর কথা ভিন্ন। আর তাদের হিসাব আল্লাহ্‌র নিকট। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৫)

حدثنا نعيم، قال حدثنا ابن المبارك، عن حميد الطويل، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله‏.‏ فإذا قالوها وصلوا صلاتنا، واستقبلوا قبلتنا، وذبحوا ذبيحتنا، فقد حرمت علينا دماؤهم وأموالهم إلا بحقها، وحسابهم على الله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৯৩

قال ابن أبي مريم أخبرنا يحيى، حدثنا حميد، حدثنا أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ وقال علي بن عبد الله حدثنا خالد بن الحارث قال حدثنا حميد قال سأل ميمون بن سياه أنس بن مالك قال يا أبا حمزة، ما يحرم دم العبد وماله فقال من شهد أن لا إله إلا الله، واستقبل قبلتنا، وصلى صلاتنا، وأكل ذبيحتنا، فهو المسلم، له ما للمسلم، وعليه ما على المسلم‏.‏

‘আলী ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) হুমায়দ হতে (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ মায়মূন ইব্‌নু সিয়াহ আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আবূ হামযাহ ! কিসে মানুষের জান- মাল হারাম হয়? তিনি জবাব দিলেন, যে ব্যক্তি ‘লা– ইলা–হা ইল্লাল্লাহ’র সাক্ষ্য দেয়, আমাদের ক্বিবলামুখী হয়, আমাদের মত সালাত আদায় করে আর আমাদের যবহ্‌ করা প্রানী খায় , সেই মুসলিম। অন্য মুসলমানের মতই তার অধিকার রয়েছে। আর অন্য মুসলমানদের মতই তাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে। ইব্‌নু আবূ মারইয়াম, ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌নু আয়ুব (রহঃ)......... আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (অনুরূপ) বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৯ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৫ শোষংশ)

‘আলী ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) হুমায়দ হতে (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ মায়মূন ইব্‌নু সিয়াহ আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আবূ হামযাহ ! কিসে মানুষের জান- মাল হারাম হয়? তিনি জবাব দিলেন, যে ব্যক্তি ‘লা– ইলা–হা ইল্লাল্লাহ’র সাক্ষ্য দেয়, আমাদের ক্বিবলামুখী হয়, আমাদের মত সালাত আদায় করে আর আমাদের যবহ্‌ করা প্রানী খায় , সেই মুসলিম। অন্য মুসলমানের মতই তার অধিকার রয়েছে। আর অন্য মুসলমানদের মতই তাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে। ইব্‌নু আবূ মারইয়াম, ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌নু আয়ুব (রহঃ)......... আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (অনুরূপ) বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৯ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৫ শোষংশ)

قال ابن أبي مريم أخبرنا يحيى، حدثنا حميد، حدثنا أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏ وقال علي بن عبد الله حدثنا خالد بن الحارث قال حدثنا حميد قال سأل ميمون بن سياه أنس بن مالك قال يا أبا حمزة، ما يحرم دم العبد وماله فقال من شهد أن لا إله إلا الله، واستقبل قبلتنا، وصلى صلاتنا، وأكل ذبيحتنا، فهو المسلم، له ما للمسلم، وعليه ما على المسلم‏.‏


সহিহ বুখারী > মাদীনাহ, সিরিয়া ও (মাদীনাহর) পূর্ব দিকের অধিবাসীদের ক্বিবলাহ। পূর্বে বা পশ্চিমে ক্বিবলাহ নয়।

সহিহ বুখারী ৩৯৪

حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا الزهري، عن عطاء بن يزيد، عن أبي أيوب الأنصاري، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا أتيتم الغائط فلا تستقبلوا القبلة ولا تستدبروها، ولكن شرقوا أو غربوا ‏"‏‏.‏ قال أبو أيوب فقدمنا الشأم فوجدنا مراحيض بنيت قبل القبلة، فننحرف ونستغفر الله تعالى‏.‏ وعن الزهري عن عطاء قال سمعت أبا أيوب عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله‏.‏

আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা পায়খানা করতে যাও , তখন ক্বিবলার দিকে মুখ করবে না কিংবা পিঠও দিবে না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে। আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) বলেনঃ আমরা যখন সিরিয়ায় এলাম তখন পায়খানাগুলো ক্বিবলামুখী বানানো পেলাম। আমরা কিছুটা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট তাওবাহ ইসতিগফার করতাম। যুহরী (রহঃ) ‘আত্বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আমি আবূ আইয়ূব (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬)

আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা পায়খানা করতে যাও , তখন ক্বিবলার দিকে মুখ করবে না কিংবা পিঠও দিবে না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে। আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) বলেনঃ আমরা যখন সিরিয়ায় এলাম তখন পায়খানাগুলো ক্বিবলামুখী বানানো পেলাম। আমরা কিছুটা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট তাওবাহ ইসতিগফার করতাম। যুহরী (রহঃ) ‘আত্বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আমি আবূ আইয়ূব (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬)

حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا الزهري، عن عطاء بن يزيد، عن أبي أيوب الأنصاري، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا أتيتم الغائط فلا تستقبلوا القبلة ولا تستدبروها، ولكن شرقوا أو غربوا ‏"‏‏.‏ قال أبو أيوب فقدمنا الشأم فوجدنا مراحيض بنيت قبل القبلة، فننحرف ونستغفر الله تعالى‏.‏ وعن الزهري عن عطاء قال سمعت أبا أيوب عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর। (সূরা আল-বাক্বারাহ ২/১২৫)

সহিহ বুখারী ৩৯৬

حدثنا الحميدي، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر عن رجل، طاف بالبيت العمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ وسألنا جابر بن عبد الله فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ার সা’ঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর নিকটবর্তী (সহবাস) হবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭ শেষাংশ)

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ার সা’ঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর নিকটবর্তী (সহবাস) হবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭ শেষাংশ)

حدثنا الحميدي، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر عن رجل، طاف بالبيت العمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ وسألنا جابر بن عبد الله فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৯৫

حدثنا الحميدي، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر عن رجل، طاف بالبيت العمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ وسألنا جابر بن عبد الله فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.‏

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা ইব্‌নু উমর (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম – যে ব্যক্তি ‘উমরাহ্‌র ন্যায় বাইতুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ায় সা’ঈ করে নি, সে কি তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করতে পারবে? তিনি জবাব দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে সাতবার বায়তুল্লাহ্‌ তওয়াফ করেছেন, মাকামে ইবরাহীমের নিকট দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন আর সাফা-মারওয়ায় সা’ঈ করেছেন। তোমাদের জন্যে আল্লাহ্‌র রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (১৬২৩, ১৬২৭, ১৬৪৫, ১৬৪৭, ১৭৯৩ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩৮১, ই.ফা. ৩৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭)

‘আমর ইব্‌নু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা ইব্‌নু উমর (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম – যে ব্যক্তি ‘উমরাহ্‌র ন্যায় বাইতুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ায় সা’ঈ করে নি, সে কি তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করতে পারবে? তিনি জবাব দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে সাতবার বায়তুল্লাহ্‌ তওয়াফ করেছেন, মাকামে ইবরাহীমের নিকট দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন আর সাফা-মারওয়ায় সা’ঈ করেছেন। তোমাদের জন্যে আল্লাহ্‌র রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (১৬২৩, ১৬২৭, ১৬৪৫, ১৬৪৭, ১৭৯৩ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩৮১, ই.ফা. ৩৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭)

حدثنا الحميدي، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر عن رجل، طاف بالبيت العمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، أيأتي امرأته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة‏.‏ وسألنا جابر بن عبد الله فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৯৮

حدثنا إسحاق بن نصر، قال حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن عطاء، قال سمعت ابن عباس، قال لما دخل النبي صلى الله عليه وسلم البيت دعا في نواحيه كلها، ولم يصل حتى خرج منه، فلما خرج ركع ركعتين في قبل الكعبة وقال ‏ "‏ هذه القبلة ‏"‏‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বায় প্রবেশ করেন, তখন তার সকল দিকে দু’আ করেছেন, সালাত আদায় না করেই বেরিয়ে এসেছেন এবং বের হবার পর কা’বার সামনে দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন এবং বলেছেন, এটাই ক্কিবলা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৯)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বায় প্রবেশ করেন, তখন তার সকল দিকে দু’আ করেছেন, সালাত আদায় না করেই বেরিয়ে এসেছেন এবং বের হবার পর কা’বার সামনে দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন এবং বলেছেন, এটাই ক্কিবলা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৯)

حدثنا إسحاق بن نصر، قال حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن عطاء، قال سمعت ابن عباس، قال لما دخل النبي صلى الله عليه وسلم البيت دعا في نواحيه كلها، ولم يصل حتى خرج منه، فلما خرج ركع ركعتين في قبل الكعبة وقال ‏ "‏ هذه القبلة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৯৭

حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن سيف، قال سمعت مجاهدا، قال أتي ابن عمر فقيل له هذا رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة‏.‏ فقال ابن عمر فأقبلت والنبي صلى الله عليه وسلم قد خرج، وأجد بلالا قائما بين البابين، فسألت بلالا فقلت أصلى النبي صلى الله عليه وسلم في الكعبة قال نعم ركعتين بين الساريتين اللتين على يساره إذا دخلت، ثم خرج فصلى في وجه الكعبة ركعتين‏.‏

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-এর নিকট এলেন এবং বললেনঃ ইনি হলেন আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তিনি কা’বা ঘরে প্রবেশ করেছেন। ইব্‌নু ‘উমর বলেনঃ আমি সেদিকে এগিয়ে গেলাম এবং দেখলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা হতে বেরিয়ে পড়েছেন। আমি বিলাল (রাঃ) কে দুই কপাটের মাঝখানে দাঁড়ানো দেখে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা’বা ঘরের অভ্যন্তরে সালাত আদায় করেছেন? তিনি জবাব দিলেন, হ্যাঁ, কা’বায় প্রবেশ করার সময় তোমার বাঁ দিকের দুই স্তম্ভের মাঝখানে দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি বের হলেন এবং কা’বার সামনে দু’রাক’আত সালাত আদায় করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ,৩৮২ ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৮)

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-এর নিকট এলেন এবং বললেনঃ ইনি হলেন আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তিনি কা’বা ঘরে প্রবেশ করেছেন। ইব্‌নু ‘উমর বলেনঃ আমি সেদিকে এগিয়ে গেলাম এবং দেখলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা হতে বেরিয়ে পড়েছেন। আমি বিলাল (রাঃ) কে দুই কপাটের মাঝখানে দাঁড়ানো দেখে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা’বা ঘরের অভ্যন্তরে সালাত আদায় করেছেন? তিনি জবাব দিলেন, হ্যাঁ, কা’বায় প্রবেশ করার সময় তোমার বাঁ দিকের দুই স্তম্ভের মাঝখানে দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি বের হলেন এবং কা’বার সামনে দু’রাক’আত সালাত আদায় করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ,৩৮২ ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৮)

حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن سيف، قال سمعت مجاهدا، قال أتي ابن عمر فقيل له هذا رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة‏.‏ فقال ابن عمر فأقبلت والنبي صلى الله عليه وسلم قد خرج، وأجد بلالا قائما بين البابين، فسألت بلالا فقلت أصلى النبي صلى الله عليه وسلم في الكعبة قال نعم ركعتين بين الساريتين اللتين على يساره إذا دخلت، ثم خرج فصلى في وجه الكعبة ركعتين‏.‏


সহিহ বুখারী > যেখানেই হোক (সালাতে) ক্কিবলামুখী হওয়া।

সহিহ বুখারী ৪০০

حدثنا مسلم، قال حدثنا هشام، قال حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن عبد الرحمن، عن جابر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على راحلته حيث توجهت، فإذا أراد الفريضة نزل فاستقبل القبلة‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের সওয়ারীর উপর (নফল) সালাত আদায় করতেন- সওয়ারী তাঁকে নিয়ে যে দিকেই মুখ করত না কেন। কিন্তু যখন ফরয সালাত আদায়ের ইচ্ছা করতেন, তখন নেমে পড়তেন এবং ক্কিবলামুখী হতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১)

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের সওয়ারীর উপর (নফল) সালাত আদায় করতেন- সওয়ারী তাঁকে নিয়ে যে দিকেই মুখ করত না কেন। কিন্তু যখন ফরয সালাত আদায়ের ইচ্ছা করতেন, তখন নেমে পড়তেন এবং ক্কিবলামুখী হতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১)

حدثنا مسلم، قال حدثنا هشام، قال حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن عبد الرحمن، عن جابر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على راحلته حيث توجهت، فإذا أراد الفريضة نزل فاستقبل القبلة‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৯৯

حدثنا عبد الله بن رجاء، قال حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى نحو بيت المقدس ستة عشر أو سبعة عشر شهرا، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحب أن يوجه إلى الكعبة، فأنزل الله ‏{‏قد نرى تقلب وجهك في السماء‏}‏ فتوجه نحو الكعبة، وقال السفهاء من الناس ـ وهم اليهود ـ ما ولاهم عن قبلتهم التي كانوا عليها ‏{‏قل لله المشرق والمغرب يهدي من يشاء إلى صراط مستقيم‏}‏ فصلى مع النبي صلى الله عليه وسلم رجل ثم خرج بعد ما صلى، فمر على قوم من الأنصار في صلاة العصر نحو بيت المقدس فقال هو يشهد أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأنه توجه نحو الكعبة‏.‏ فتحرف القوم حتى توجهوا نحو الكعبة‏.‏

বারাআ ‘ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল মুকাদ্দাসমুখী হয়ে ষোল বা সতের মাস সালাত আদায় করেছেন। আর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার দিকে ক্কিবলা করা পছন্দ করতেন। মহান আল্লাহ্‌ নাযিল করেনঃ “আকাশের দিকে আপনার বারাবার তাকানোকে আমি অবশ্য লক্ষ্য করছি”- (সূরা আল-বাকারাহ ২/১৪৪)। অতঃপর তিনি কা’বার দিকে মুখ করেন। আর নির্বোধ লোকেরা- তারা ইয়াহুদি- বলতো, “তারা এ যাবত যে ক্কিবলা অনুসরণ করে আসছিল, তা হতে কিসে তাদেরকে ফিরিয়ে দিল? বলুনঃ (হে নবী) পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহ্‌রই। তিনি যাকে ইচ্ছা সঠিক পথে পরিচালিত করেন”- (সূরা আল-বাকারাহ ২/১৪২)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে এক ব্যক্তি সালাত আদায় করলেন এবং বেরিয়ে গেলেন। তিনি আসরের সালাতের সময় আনসারগণের এক গোত্রের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁরা বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছিলেন। তখন তিনি বললেন- (তিনি নিজেই) সাক্ষী যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে তিনি সালাত আদায় করেছেন, আর তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার দিকে মুখ করেছেন। তখন সে গোত্রের লোকজন ঘুরে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০)

বারাআ ‘ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল মুকাদ্দাসমুখী হয়ে ষোল বা সতের মাস সালাত আদায় করেছেন। আর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার দিকে ক্কিবলা করা পছন্দ করতেন। মহান আল্লাহ্‌ নাযিল করেনঃ “আকাশের দিকে আপনার বারাবার তাকানোকে আমি অবশ্য লক্ষ্য করছি”- (সূরা আল-বাকারাহ ২/১৪৪)। অতঃপর তিনি কা’বার দিকে মুখ করেন। আর নির্বোধ লোকেরা- তারা ইয়াহুদি- বলতো, “তারা এ যাবত যে ক্কিবলা অনুসরণ করে আসছিল, তা হতে কিসে তাদেরকে ফিরিয়ে দিল? বলুনঃ (হে নবী) পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহ্‌রই। তিনি যাকে ইচ্ছা সঠিক পথে পরিচালিত করেন”- (সূরা আল-বাকারাহ ২/১৪২)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে এক ব্যক্তি সালাত আদায় করলেন এবং বেরিয়ে গেলেন। তিনি আসরের সালাতের সময় আনসারগণের এক গোত্রের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁরা বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছিলেন। তখন তিনি বললেন- (তিনি নিজেই) সাক্ষী যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে তিনি সালাত আদায় করেছেন, আর তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার দিকে মুখ করেছেন। তখন সে গোত্রের লোকজন ঘুরে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০)

حدثنا عبد الله بن رجاء، قال حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى نحو بيت المقدس ستة عشر أو سبعة عشر شهرا، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحب أن يوجه إلى الكعبة، فأنزل الله ‏{‏قد نرى تقلب وجهك في السماء‏}‏ فتوجه نحو الكعبة، وقال السفهاء من الناس ـ وهم اليهود ـ ما ولاهم عن قبلتهم التي كانوا عليها ‏{‏قل لله المشرق والمغرب يهدي من يشاء إلى صراط مستقيم‏}‏ فصلى مع النبي صلى الله عليه وسلم رجل ثم خرج بعد ما صلى، فمر على قوم من الأنصار في صلاة العصر نحو بيت المقدس فقال هو يشهد أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأنه توجه نحو الكعبة‏.‏ فتحرف القوم حتى توجهوا نحو الكعبة‏.‏


সহিহ বুখারী ৪০১

حدثنا عثمان، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، قال قال عبد الله صلى النبي صلى الله عليه وسلم ـ قال إبراهيم لا أدري زاد أو نقص ـ فلما سلم قيل له يا رسول الله، أحدث في الصلاة شىء قال ‏"‏ وما ذاك ‏"‏‏.‏ قالوا صليت كذا وكذا‏.‏ فثنى رجليه واستقبل القبلة، وسجد سجدتين ثم سلم، فلما أقبل علينا بوجهه قال ‏"‏ إنه لو حدث في الصلاة شىء لنبأتكم به، ولكن إنما أنا بشر مثلكم، أنسى كما تنسون، فإذا نسيت فذكروني، وإذا شك أحدكم في صلاته فليتحرى الصواب، فليتم عليه ثم يسلم، ثم يسجد سجدتين

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন। রাবী ইবরাহীম (রহঃ) বলেনঃ আমার জানা নেই, তিনি বেশি করেছেন বা কম করেছেন, সালাম ফিরানোর পর তাঁকে বলা হল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সালাতের মধ্যে নতুন কিছু হয়েছে কি? তিনি বললেনঃ তা কি? তাঁরা বললেনঃ আপনি তো এরূপ সালাত আদায় করলেন। তিনি তখন তাঁর দু’পা ঘুরিয়ে ক্কিবলামুখী হলেন। আর দু’টি সিজদা আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরলেন। পরে তিনি আমাদের দিকে ফিরে বললেনঃ যদি সালাত সম্পর্কে নতুন কিছু হতো, তবে অবশ্যই তোমাদের তা জানিয়ে দিতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল করে থাক, আমিও তোমাদের মত ভুলে যাই। আমি কোন সময় ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হবার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দুটি সিজদা দেয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯২)

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন। রাবী ইবরাহীম (রহঃ) বলেনঃ আমার জানা নেই, তিনি বেশি করেছেন বা কম করেছেন, সালাম ফিরানোর পর তাঁকে বলা হল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সালাতের মধ্যে নতুন কিছু হয়েছে কি? তিনি বললেনঃ তা কি? তাঁরা বললেনঃ আপনি তো এরূপ সালাত আদায় করলেন। তিনি তখন তাঁর দু’পা ঘুরিয়ে ক্কিবলামুখী হলেন। আর দু’টি সিজদা আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরলেন। পরে তিনি আমাদের দিকে ফিরে বললেনঃ যদি সালাত সম্পর্কে নতুন কিছু হতো, তবে অবশ্যই তোমাদের তা জানিয়ে দিতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল করে থাক, আমিও তোমাদের মত ভুলে যাই। আমি কোন সময় ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হবার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দুটি সিজদা দেয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯২)

حدثنا عثمان، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، قال قال عبد الله صلى النبي صلى الله عليه وسلم ـ قال إبراهيم لا أدري زاد أو نقص ـ فلما سلم قيل له يا رسول الله، أحدث في الصلاة شىء قال ‏"‏ وما ذاك ‏"‏‏.‏ قالوا صليت كذا وكذا‏.‏ فثنى رجليه واستقبل القبلة، وسجد سجدتين ثم سلم، فلما أقبل علينا بوجهه قال ‏"‏ إنه لو حدث في الصلاة شىء لنبأتكم به، ولكن إنما أنا بشر مثلكم، أنسى كما تنسون، فإذا نسيت فذكروني، وإذا شك أحدكم في صلاته فليتحرى الصواب، فليتم عليه ثم يسلم، ثم يسجد سجدتين


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00