সহিহ বুখারী > শামী জুব্বা পরে সালাত আদায় করা।
সহিহ বুখারী ৩৬৩
حدثنا يحيى، قال حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن مغيرة بن شعبة، قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فقال " يا مغيرة، خذ الإداوة ". فأخذتها فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى توارى عني فقضى حاجته، وعليه جبة شأمية، فذهب ليخرج يده من كمها فضاقت، فأخرج يده من أسفلها، فصببت عليه فتوضأ وضوءه للصلاة، ومسح على خفيه، ثم صلى.
মুগীরা ইব্নু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি কোন এক সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বললেনঃ হে মুগীরা! বদনাটি নাও। আমি তা নিলাম। তিনি আমার দৃষ্টির অগোচরে গিয়ে প্রয়োজন সারলেন। তখন তার শরীরে ছিল শামী জুব্বা। তিনি জুব্বার আস্তিন হতে হাত বের করতে চাইলেন। কিন্তু আস্তিন সংকীর্ণ হবার ফলে তিনি নীচের দিক দিয়ে হাত বের করলেন। আমি পানি ঢেলে দিলাম এবং তিনি সালাতের উযূর ন্যায় উযূ করলেন। আর তাঁর উভয় মোজার উপর মাস্হ করলেন ও পরে সালাত আদায় করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৬)
মুগীরা ইব্নু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি কোন এক সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বললেনঃ হে মুগীরা! বদনাটি নাও। আমি তা নিলাম। তিনি আমার দৃষ্টির অগোচরে গিয়ে প্রয়োজন সারলেন। তখন তার শরীরে ছিল শামী জুব্বা। তিনি জুব্বার আস্তিন হতে হাত বের করতে চাইলেন। কিন্তু আস্তিন সংকীর্ণ হবার ফলে তিনি নীচের দিক দিয়ে হাত বের করলেন। আমি পানি ঢেলে দিলাম এবং তিনি সালাতের উযূর ন্যায় উযূ করলেন। আর তাঁর উভয় মোজার উপর মাস্হ করলেন ও পরে সালাত আদায় করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৬)
حدثنا يحيى، قال حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن مغيرة بن شعبة، قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فقال " يا مغيرة، خذ الإداوة ". فأخذتها فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى توارى عني فقضى حاجته، وعليه جبة شأمية، فذهب ليخرج يده من كمها فضاقت، فأخرج يده من أسفلها، فصببت عليه فتوضأ وضوءه للصلاة، ومسح على خفيه، ثم صلى.
সহিহ বুখারী > সালাতে ও তার বাইরে উলঙ্গ হওয়া অপছন্দনীয়।
সহিহ বুখারী ৩৬৪
حدثنا مطر بن الفضل، قال حدثنا روح، قال حدثنا زكرياء بن إسحاق، حدثنا عمرو بن دينار، قال سمعت جابر بن عبد الله، يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينقل معهم الحجارة للكعبة وعليه إزاره. فقال له العباس عمه يا ابن أخي، لو حللت إزارك فجعلت على منكبيك دون الحجارة. قال فحله فجعله على منكبيه، فسقط مغشيا عليه، فما رئي بعد ذلك عريانا صلى الله عليه وسلم.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (নবুওয়াতের পূর্বে) কুরাইশদের সাথে কা’বার (মেরামতের) জন্যে পাথর তুলে দিচ্ছিলেন। তাঁর পরিধানে ছিল লুঙ্গি। তাঁর চাচা আ’ব্বাস (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ ভাতিজা! তুমি লুঙ্গি খুলে কাঁধে পাথরের নীচে রাখলে ভাল হ’ত। জাবির (রাঃ) বলেনঃ তিনি লুঙ্গি খুলে কাঁধে রাখলেন এবং তৎক্ষণাৎ বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। এরপর তাঁকে আর কখনো নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়নি। (১৫৮২, ৩৮২৯; মুসলিম ৩/১৯, হাঃ ৩৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (নবুওয়াতের পূর্বে) কুরাইশদের সাথে কা’বার (মেরামতের) জন্যে পাথর তুলে দিচ্ছিলেন। তাঁর পরিধানে ছিল লুঙ্গি। তাঁর চাচা আ’ব্বাস (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ ভাতিজা! তুমি লুঙ্গি খুলে কাঁধে পাথরের নীচে রাখলে ভাল হ’ত। জাবির (রাঃ) বলেনঃ তিনি লুঙ্গি খুলে কাঁধে রাখলেন এবং তৎক্ষণাৎ বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। এরপর তাঁকে আর কখনো নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়নি। (১৫৮২, ৩৮২৯; মুসলিম ৩/১৯, হাঃ ৩৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭)
حدثنا مطر بن الفضل، قال حدثنا روح، قال حدثنا زكرياء بن إسحاق، حدثنا عمرو بن دينار، قال سمعت جابر بن عبد الله، يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينقل معهم الحجارة للكعبة وعليه إزاره. فقال له العباس عمه يا ابن أخي، لو حللت إزارك فجعلت على منكبيك دون الحجارة. قال فحله فجعله على منكبيه، فسقط مغشيا عليه، فما رئي بعد ذلك عريانا صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > জামা, পায়জামা, জাঙ্গিয়া ও কাবা [১] পরে সালাত আদায় করা।
সহিহ বুখারী ৩৬৬
حدثنا عاصم بن علي، قال حدثنا ابن أبي ذئب، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما يلبس المحرم فقال " لا يلبس القميص ولا السراويل ولا البرنس ولا ثوبا مسه الزعفران ولا ورس، فمن لم يجد النعلين فليلبس الخفين وليقطعهما حتى يكونا أسفل من الكعبين ". وعن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله.
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, ইহরামকারী কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, সে জামা পরবে না, পায়জামা পরবে না, টুপি পরবে না, যাফরান বা ওয়ার্স [১] রঙের রঞ্জিত কাপড় পরবে না। আর জুতা না পেলে মোজা পরবে। তবে তা কর্তন করে পায়ের গিরার নীচ পর্যন্ত নেবে। নাফি’ (রহঃ), ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯)
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, ইহরামকারী কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, সে জামা পরবে না, পায়জামা পরবে না, টুপি পরবে না, যাফরান বা ওয়ার্স [১] রঙের রঞ্জিত কাপড় পরবে না। আর জুতা না পেলে মোজা পরবে। তবে তা কর্তন করে পায়ের গিরার নীচ পর্যন্ত নেবে। নাফি’ (রহঃ), ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯)
حدثنا عاصم بن علي، قال حدثنا ابن أبي ذئب، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما يلبس المحرم فقال " لا يلبس القميص ولا السراويل ولا البرنس ولا ثوبا مسه الزعفران ولا ورس، فمن لم يجد النعلين فليلبس الخفين وليقطعهما حتى يكونا أسفل من الكعبين ". وعن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله.
সহিহ বুখারী ৩৬৫
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن محمد، عن أبي هريرة، قال قام رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن الصلاة في الثوب الواحد فقال " أوكلكم يجد ثوبين ". ثم سأل رجل عمر فقال إذا وسع الله فأوسعوا، جمع رجل عليه ثيابه، صلى رجل في إزار ورداء، في إزار وقميص، في إزار وقباء، في سراويل ورداء، في سراويل وقميص، في سراويل وقباء، في تبان وقباء، في تبان وقميص ـ قال وأحسبه قال ـ في تبان ورداء.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দাঁড়িয়ে এক কাপড়ে সালাত আদায়ের হুকুম জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের নিকট কি দু’খানা করে কাপড় আছে? অতঃপর এক ব্যক্তি ‘উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ যখন তোমাদের সামর্থ্য দিয়েছেন তখন তোমরাও নিজেদের সামর্থ্য প্রকাশ কর। লোকেরা যেন পুরো পোশাক একত্রে পরিধান করে অর্থাৎ মানুষ লুঙ্গি ও চাদর, লুঙ্গি ও জামা, লুঙ্গি ও কাবা, পায়জামা ও চাদর, পায়জামা ও জামা, পায়জামা ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও জামা পরে সালাত আদায় করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন যে, আমার মনে হয় ‘উমর (রাঃ) জাঙ্গিয়া ও চাদরের কথাও বলেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দাঁড়িয়ে এক কাপড়ে সালাত আদায়ের হুকুম জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের নিকট কি দু’খানা করে কাপড় আছে? অতঃপর এক ব্যক্তি ‘উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ যখন তোমাদের সামর্থ্য দিয়েছেন তখন তোমরাও নিজেদের সামর্থ্য প্রকাশ কর। লোকেরা যেন পুরো পোশাক একত্রে পরিধান করে অর্থাৎ মানুষ লুঙ্গি ও চাদর, লুঙ্গি ও জামা, লুঙ্গি ও কাবা, পায়জামা ও চাদর, পায়জামা ও জামা, পায়জামা ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও জামা পরে সালাত আদায় করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন যে, আমার মনে হয় ‘উমর (রাঃ) জাঙ্গিয়া ও চাদরের কথাও বলেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৮)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن محمد، عن أبي هريرة، قال قام رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن الصلاة في الثوب الواحد فقال " أوكلكم يجد ثوبين ". ثم سأل رجل عمر فقال إذا وسع الله فأوسعوا، جمع رجل عليه ثيابه، صلى رجل في إزار ورداء، في إزار وقميص، في إزار وقباء، في سراويل ورداء، في سراويل وقميص، في سراويل وقباء، في تبان وقباء، في تبان وقميص ـ قال وأحسبه قال ـ في تبان ورداء.
সহিহ বুখারী > লজ্জাস্থান আবৃত করা।
সহিহ বুখারী ৩৬৭
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي سعيد الخدري، أنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد، ليس على فرجه منه شىء
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশতিমালে সাম্মা [১] এবং এক কাপড়ে ইয়াহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশতিমালে সাম্মা [১] এবং এক কাপড়ে ইয়াহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০)
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي سعيد الخدري، أنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد، ليس على فرجه منه شىء
সহিহ বুখারী ৩৬৮
حدثنا قبيصة بن عقبة، قال حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيعتين عن اللماس والنباذ، وأن يشتمل الصماء، وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল লিমাস [৩] ও নিবায [৪] আর ইশতিমালে সাম্মা এবং এক কাপড়ে ইহতিবা করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল লিমাস [৩] ও নিবায [৪] আর ইশতিমালে সাম্মা এবং এক কাপড়ে ইহতিবা করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬১)
حدثنا قبيصة بن عقبة، قال حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيعتين عن اللماس والنباذ، وأن يشتمل الصماء، وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد.
সহিহ বুখারী ৩৬৯
حدثنا إسحاق، قال حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أبا هريرة، قال بعثني أبو بكر في تلك الحجة في مؤذنين يوم النحر نؤذن بمنى أن لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان. قال حميد بن عبد الرحمن ثم أردف رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا، فأمره أن يؤذن ببراءة قال أبو هريرة فأذن معنا علي في أهل منى يوم النحر لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আবূ বকর (রাঃ) [যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে তাঁকে হজ্জের আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানির দিন ঘোষকদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহ্র হজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ্ ত্বওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইব্নু ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) কে আবূ বক্র এর পিছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সূরা বারা’আতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে ‘আলী (রাঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর হতে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও আর ত্বওয়াফ করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬২)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আবূ বকর (রাঃ) [যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে তাঁকে হজ্জের আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানির দিন ঘোষকদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহ্র হজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ্ ত্বওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইব্নু ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) কে আবূ বক্র এর পিছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সূরা বারা’আতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে ‘আলী (রাঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর হতে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও আর ত্বওয়াফ করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬২)
حدثنا إسحاق، قال حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أبا هريرة، قال بعثني أبو بكر في تلك الحجة في مؤذنين يوم النحر نؤذن بمنى أن لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان. قال حميد بن عبد الرحمن ثم أردف رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا، فأمره أن يؤذن ببراءة قال أبو هريرة فأذن معنا علي في أهل منى يوم النحر لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان.