সহিহ বুখারী > লজ্জাস্থান আবৃত করা।

সহিহ বুখারী ৩৬৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي سعيد الخدري، أنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد، ليس على فرجه منه شىء

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশতিমালে সাম্মা [১] এবং এক কাপড়ে ইয়াহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশতিমালে সাম্মা [১] এবং এক কাপড়ে ইয়াহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০)

حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي سعيد الخدري، أنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد، ليس على فرجه منه شىء


সহিহ বুখারী ৩৬৮

حدثنا قبيصة بن عقبة، قال حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيعتين عن اللماس والنباذ، وأن يشتمل الصماء، وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল লিমাস [৩] ও নিবায [৪] আর ইশতিমালে সাম্মা এবং এক কাপড়ে ইহতিবা করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬১)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল লিমাস [৩] ও নিবায [৪] আর ইশতিমালে সাম্মা এবং এক কাপড়ে ইহতিবা করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬১)

حدثنا قبيصة بن عقبة، قال حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيعتين عن اللماس والنباذ، وأن يشتمل الصماء، وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৬৯

حدثنا إسحاق، قال حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أبا هريرة، قال بعثني أبو بكر في تلك الحجة في مؤذنين يوم النحر نؤذن بمنى أن لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان‏.‏ قال حميد بن عبد الرحمن ثم أردف رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا، فأمره أن يؤذن ببراءة قال أبو هريرة فأذن معنا علي في أهل منى يوم النحر لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আবূ বকর (রাঃ) [যখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে তাঁকে হজ্জের আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানির দিন ঘোষকদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহ্‌র হজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ্‌ ত্বওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইব্‌নু ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) কে আবূ বক্‌র এর পিছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সূরা বারা’আতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে ‘আলী (রাঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর হতে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও আর ত্বওয়াফ করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আবূ বকর (রাঃ) [যখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে তাঁকে হজ্জের আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানির দিন ঘোষকদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহ্‌র হজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ্‌ ত্বওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইব্‌নু ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) কে আবূ বক্‌র এর পিছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সূরা বারা’আতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে ‘আলী (রাঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর হতে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও আর ত্বওয়াফ করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬২)

حدثنا إسحاق، قال حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أبا هريرة، قال بعثني أبو بكر في تلك الحجة في مؤذنين يوم النحر نؤذن بمنى أن لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان‏.‏ قال حميد بن عبد الرحمن ثم أردف رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا، فأمره أن يؤذن ببراءة قال أبو هريرة فأذن معنا علي في أهل منى يوم النحر لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان‏.‏


সহিহ বুখারী > চাদর গায়ে না দিয়ে সালাত আদায় করা।

সহিহ বুখারী ৩৭০

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني ابن أبي الموالي، عن محمد بن المنكدر، قال دخلت على جابر بن عبد الله وهو يصلي في ثوب ملتحفا به ورداؤه موضوع، فلما انصرف قلنا يا أبا عبد الله تصلي ورداؤك موضوع قال نعم، أحببت أن يراني الجهال مثلكم، رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يصلي هكذا‏.‏

মুহাম্মাদ ইব্‌নুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে দেখি তিনি একটি মাত্র কাপড় নিজের শরীরে জড়িয়ে সালাত আদায় করছেন অথচ তাঁর একটি চাদর সেখানে রাখা ছিল। সালাতের পর আমরা বললাম, হে আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌। আপনি সালাত আদায় করেছেন, অথচ আপনার চাদর তুলে রেখেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, তোমাদের মত নির্বোধদের দেখানোর জন্য আমি এমন করেছি। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৩)

মুহাম্মাদ ইব্‌নুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে দেখি তিনি একটি মাত্র কাপড় নিজের শরীরে জড়িয়ে সালাত আদায় করছেন অথচ তাঁর একটি চাদর সেখানে রাখা ছিল। সালাতের পর আমরা বললাম, হে আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌। আপনি সালাত আদায় করেছেন, অথচ আপনার চাদর তুলে রেখেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, তোমাদের মত নির্বোধদের দেখানোর জন্য আমি এমন করেছি। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৩)

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني ابن أبي الموالي، عن محمد بن المنكدر، قال دخلت على جابر بن عبد الله وهو يصلي في ثوب ملتحفا به ورداؤه موضوع، فلما انصرف قلنا يا أبا عبد الله تصلي ورداؤك موضوع قال نعم، أحببت أن يراني الجهال مثلكم، رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يصلي هكذا‏.‏


সহিহ বুখারী > ঊরু সম্পর্কে বর্ণনা।

সহিহ বুখারী ৩৭১

حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثنا إسماعيل ابن علية، قال حدثنا عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر، فصلينا عندها صلاة الغداة بغلس، فركب نبي الله صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة، وأنا رديف أبي طلحة، فأجرى نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر، وإن ركبتي لتمس فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم، ثم حسر الإزار عن فخذه حتى إني أنظر إلى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم، فلما دخل القرية قال ‏"‏ الله أكبر، خربت خيبر، إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين ‏"‏‏.‏ قالها ثلاثا‏.‏ قال وخرج القوم إلى أعمالهم فقالوا محمد ـ قال عبد العزيز وقال بعض أصحابنا ـ والخميس‏.‏ يعني الجيش، قال فأصبناها عنوة، فجمع السبى، فجاء دحية فقال يا نبي الله، أعطني جارية من السبى‏.‏ قال ‏"‏ اذهب فخذ جارية ‏"‏‏.‏ فأخذ صفية بنت حيى، فجاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله، أعطيت دحية صفية بنت حيى سيدة قريظة والنضير، لا تصلح إلا لك‏.‏ قال ‏"‏ ادعوه بها ‏"‏‏.‏ فجاء بها، فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ خذ جارية من السبى غيرها ‏"‏‏.‏ قال فأعتقها النبي صلى الله عليه وسلم وتزوجها‏.‏ فقال له ثابت يا أبا حمزة، ما أصدقها قال نفسها، أعتقها وتزوجها، حتى إذا كان بالطريق جهزتها له أم سليم فأهدتها له من الليل، فأصبح النبي صلى الله عليه وسلم عروسا فقال ‏"‏ من كان عنده شىء فليجئ به ‏"‏‏.‏ وبسط نطعا، فجعل الرجل يجيء بالتمر، وجعل الرجل يجيء بالسمن ـ قال وأحسبه قد ذكر السويق ـ قال فحاسوا حيسا، فكانت وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার অভিযানে বের হয়েছিলেন। সেখানে আমরা খুব ভোরে ফজরের সালাত আদায় করলাম। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওয়ার হলেন। আবূ তাল্‌হা (রাঃ)-ও সওয়ার হলেন, আর আমি আবূ তালহার পিছনে উপবিষ্ট ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীকে খায়বারের পথে চালিত করলেন। আমার হাঁটু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঊরুতে লাগছিল। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঊরু হতে ইযার সরে গেল। এমনকি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উজ্জ্বলতা যেন এখনও আমি দেখছি। তিনি যখন নগরে প্রবেশ করলেন তখন বললেনঃ আল্লাহু আকবার। খায়বার ধ্বংস হোক। আমরা যখন কোন কওমের প্রাঙ্গনে অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃতদের ভোর হবে কতই না মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার উচ্চারণ করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, খায়বারের অধিবাসীরা নিজেদের কাজে বেরিয়েছিল। তারা বলে উঠল, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কোন কোন সাথী “পুর্ণ বাহিণীসহ” (ওয়াল খামীস) শব্দও যোগ করেছেন। পরে যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা খায়বার জয় করলাম। তখন যুদ্ধবন্দীদের সমবেত করা হল। দিহ্‌য়া (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র নবী! বন্দীদের হতে আমাকে একটি দাসী দিন। তিনি বললেন, যাও, তুমি একটি দাসী নিয়ে যাও। তিনি সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই (রাঃ)-কে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললঃ ইয়া নবীয়াল্লাহ! বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীরের অন্যতম নেত্রী সাফিয়্যা বিনতে হুয়াইকে আপনি দিহ্‌য়াকে দিচ্ছেন? তিনি তো একমাত্র আপনারই যোগ্য। তিনি বললেন, দিহ্‌য়াকে সাফিয়্যা সহ ডেকে আন। তিনি সাফিয়্যাসহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে দেখলেন তখন (দিহ্‌য়াকে) বললেন, তুমি বন্দীদের হতে অন্য একটি দাসী দেখে নাও। রাবী বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে আযাদ করে দিলেন এবং তাঁকে বিয়ে করলেন। রাবী সাবিত (রহঃ) আবূ হামযা (আনাস) (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে কি মাহর দিলেন? আনাস (রাঃ) জবাব দিলেনঃ তাঁকে আযাদ করাই তাঁর মাহর। এর বিনিময়ে তিনি তাঁকে বিয়ে করেছেন। অতঃপর পথে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে সাজিয়ে রাতে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল্লাহু)-এর খিদমতে পেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাসর রাত যাপন করে ভোরে উঠলেন। তিনি ঘোষণা দিলেনঃ যার নিকট খাবার কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আসে। এ বলে তিনি একটি চামড়ার দস্তরখান বিছালেন। কেউ খেজুর নিয়ে আসলো, কেউ ঘি আনলো। ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমার মনে হয় আনাস (রাঃ) ছাতুর কথাও উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তাঁরা এসব মিশিয়ে খাবার তৈরি করলেন। এ-ই ছিল রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়ালীমাহ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার অভিযানে বের হয়েছিলেন। সেখানে আমরা খুব ভোরে ফজরের সালাত আদায় করলাম। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওয়ার হলেন। আবূ তাল্‌হা (রাঃ)-ও সওয়ার হলেন, আর আমি আবূ তালহার পিছনে উপবিষ্ট ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীকে খায়বারের পথে চালিত করলেন। আমার হাঁটু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঊরুতে লাগছিল। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঊরু হতে ইযার সরে গেল। এমনকি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উজ্জ্বলতা যেন এখনও আমি দেখছি। তিনি যখন নগরে প্রবেশ করলেন তখন বললেনঃ আল্লাহু আকবার। খায়বার ধ্বংস হোক। আমরা যখন কোন কওমের প্রাঙ্গনে অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃতদের ভোর হবে কতই না মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার উচ্চারণ করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, খায়বারের অধিবাসীরা নিজেদের কাজে বেরিয়েছিল। তারা বলে উঠল, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কোন কোন সাথী “পুর্ণ বাহিণীসহ” (ওয়াল খামীস) শব্দও যোগ করেছেন। পরে যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা খায়বার জয় করলাম। তখন যুদ্ধবন্দীদের সমবেত করা হল। দিহ্‌য়া (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র নবী! বন্দীদের হতে আমাকে একটি দাসী দিন। তিনি বললেন, যাও, তুমি একটি দাসী নিয়ে যাও। তিনি সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই (রাঃ)-কে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললঃ ইয়া নবীয়াল্লাহ! বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীরের অন্যতম নেত্রী সাফিয়্যা বিনতে হুয়াইকে আপনি দিহ্‌য়াকে দিচ্ছেন? তিনি তো একমাত্র আপনারই যোগ্য। তিনি বললেন, দিহ্‌য়াকে সাফিয়্যা সহ ডেকে আন। তিনি সাফিয়্যাসহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে দেখলেন তখন (দিহ্‌য়াকে) বললেন, তুমি বন্দীদের হতে অন্য একটি দাসী দেখে নাও। রাবী বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে আযাদ করে দিলেন এবং তাঁকে বিয়ে করলেন। রাবী সাবিত (রহঃ) আবূ হামযা (আনাস) (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে কি মাহর দিলেন? আনাস (রাঃ) জবাব দিলেনঃ তাঁকে আযাদ করাই তাঁর মাহর। এর বিনিময়ে তিনি তাঁকে বিয়ে করেছেন। অতঃপর পথে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে সাজিয়ে রাতে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল্লাহু)-এর খিদমতে পেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাসর রাত যাপন করে ভোরে উঠলেন। তিনি ঘোষণা দিলেনঃ যার নিকট খাবার কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আসে। এ বলে তিনি একটি চামড়ার দস্তরখান বিছালেন। কেউ খেজুর নিয়ে আসলো, কেউ ঘি আনলো। ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমার মনে হয় আনাস (রাঃ) ছাতুর কথাও উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তাঁরা এসব মিশিয়ে খাবার তৈরি করলেন। এ-ই ছিল রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়ালীমাহ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪)

حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثنا إسماعيل ابن علية، قال حدثنا عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر، فصلينا عندها صلاة الغداة بغلس، فركب نبي الله صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة، وأنا رديف أبي طلحة، فأجرى نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر، وإن ركبتي لتمس فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم، ثم حسر الإزار عن فخذه حتى إني أنظر إلى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم، فلما دخل القرية قال ‏"‏ الله أكبر، خربت خيبر، إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين ‏"‏‏.‏ قالها ثلاثا‏.‏ قال وخرج القوم إلى أعمالهم فقالوا محمد ـ قال عبد العزيز وقال بعض أصحابنا ـ والخميس‏.‏ يعني الجيش، قال فأصبناها عنوة، فجمع السبى، فجاء دحية فقال يا نبي الله، أعطني جارية من السبى‏.‏ قال ‏"‏ اذهب فخذ جارية ‏"‏‏.‏ فأخذ صفية بنت حيى، فجاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله، أعطيت دحية صفية بنت حيى سيدة قريظة والنضير، لا تصلح إلا لك‏.‏ قال ‏"‏ ادعوه بها ‏"‏‏.‏ فجاء بها، فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ خذ جارية من السبى غيرها ‏"‏‏.‏ قال فأعتقها النبي صلى الله عليه وسلم وتزوجها‏.‏ فقال له ثابت يا أبا حمزة، ما أصدقها قال نفسها، أعتقها وتزوجها، حتى إذا كان بالطريق جهزتها له أم سليم فأهدتها له من الليل، فأصبح النبي صلى الله عليه وسلم عروسا فقال ‏"‏ من كان عنده شىء فليجئ به ‏"‏‏.‏ وبسط نطعا، فجعل الرجل يجيء بالتمر، وجعل الرجل يجيء بالسمن ـ قال وأحسبه قد ذكر السويق ـ قال فحاسوا حيسا، فكانت وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী > নারীগণ সালাত আদায় করতে কয়টি কাপড় পরবে?

সহিহ বুখারী ৩৭২

حدثنا أبو اليمان، قال أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عروة، أن عائشة، قالت لقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الفجر، فيشهد معه نساء من المؤمنات متلفعات في مروطهن ثم يرجعن إلى بيوتهن ما يعرفهن أحد‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করতেন আর তাঁর সঙ্গে অনেক মু’মিন মহিলা চাদর দিয়ে গা ঢেকে শরীক হত। অতঃপর তারা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যেতো। আর তাদেরকে কেউ চিনতে পারতো না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করতেন আর তাঁর সঙ্গে অনেক মু’মিন মহিলা চাদর দিয়ে গা ঢেকে শরীক হত। অতঃপর তারা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যেতো। আর তাদেরকে কেউ চিনতে পারতো না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৫)

حدثنا أبو اليمان، قال أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عروة، أن عائشة، قالت لقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الفجر، فيشهد معه نساء من المؤمنات متلفعات في مروطهن ثم يرجعن إلى بيوتهن ما يعرفهن أحد‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00