সহিহ বুখারী > ত্বওয়াফে যিয়ারাতের পর স্ত্রীলোকের হায়েয শুরু হওয়া।
সহিহ বুখারী ৩২৮
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن أبيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله، إن صفية بنت حيى قد حاضت. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لعلها تحبسنا، ألم تكن طافت معكن ". فقالوا بلى. قال " فاخرجي ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! সফিয়্যাহ বিনতু হুয়াইয়ের হায়েয শুরু হয়েছে। তিনি বললেনঃ সে তো আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সঙ্গে তাওয়াফে-যিয়ারত করেনি? তাঁরা জবাব দিলেন, হ্যাঁ করেছেন। তিনি বললেনঃ তা হলে বের হও। (২৯৪) (আ.প্র. ৩১৭, ই.ফা. ৩২২)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! সফিয়্যাহ বিনতু হুয়াইয়ের হায়েয শুরু হয়েছে। তিনি বললেনঃ সে তো আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সঙ্গে তাওয়াফে-যিয়ারত করেনি? তাঁরা জবাব দিলেন, হ্যাঁ করেছেন। তিনি বললেনঃ তা হলে বের হও। (২৯৪) (আ.প্র. ৩১৭, ই.ফা. ৩২২)
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن أبيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله، إن صفية بنت حيى قد حاضت. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لعلها تحبسنا، ألم تكن طافت معكن ". فقالوا بلى. قال " فاخرجي ".
সহিহ বুখারী ৩৩০
See previous Hadith
ইব্নু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এর পূর্বে ইব্নু উমার (রাঃ) বলতেনঃ সে যেতে পারবে না। তারপর তাঁকে বলতে শুনেছি যে, সে যেতে পারে। কারণ, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের জন্য (যাওয়ার) অনুমতি দিয়েছিলেন। (১৭৬১ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩১৮ শেষাংশ, ই.ফা. ৩২৩ শেষাংশ)
ইব্নু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এর পূর্বে ইব্নু উমার (রাঃ) বলতেনঃ সে যেতে পারবে না। তারপর তাঁকে বলতে শুনেছি যে, সে যেতে পারে। কারণ, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের জন্য (যাওয়ার) অনুমতি দিয়েছিলেন। (১৭৬১ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩১৮ শেষাংশ, ই.ফা. ৩২৩ শেষাংশ)
See previous Hadith
সহিহ বুখারী ৩২৯
حدثنا معلى بن أسد، قال حدثنا وهيب، عن عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال رخص للحائض أن تنفر، إذا حاضت. وكان ابن عمر يقول في أول أمره إنها لا تنفر. ثم سمعته يقول تنفر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص لهن.
‘আবদুল্লাহ ইব্নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (তাওয়াফে যিয়ারতের পর) মহিলার হায়েয হলে তার চলে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। (১৭৫৫, ১৭৬০) (আ.প্র. ৩১৮, ই.ফা. ৩২৩)
‘আবদুল্লাহ ইব্নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (তাওয়াফে যিয়ারতের পর) মহিলার হায়েয হলে তার চলে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। (১৭৫৫, ১৭৬০) (আ.প্র. ৩১৮, ই.ফা. ৩২৩)
حدثنا معلى بن أسد، قال حدثنا وهيب، عن عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال رخص للحائض أن تنفر، إذا حاضت. وكان ابن عمر يقول في أول أمره إنها لا تنفر. ثم سمعته يقول تنفر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص لهن.
সহিহ বুখারী > ইস্তিহাযাগ্রস্তা নারীর পবিত্রতা দেখা।
সহিহ বুখারী ৩৩১
حدثنا أحمد بن يونس، عن زهير، قال حدثنا هشام، عن عروة، عن عائشة، قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة، وإذا أدبرت فاغسلي عنك الدم وصلي ".
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হায়েয দেখা দিলে সালাত ছেড়ে দাও আর হায়েযের সময় শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নাও এবং সালাত আদায় কর। (২২৮) (আ.প্র. ৩১৯, ই.ফা. ৩২৪)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হায়েয দেখা দিলে সালাত ছেড়ে দাও আর হায়েযের সময় শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নাও এবং সালাত আদায় কর। (২২৮) (আ.প্র. ৩১৯, ই.ফা. ৩২৪)
حدثنا أحمد بن يونس، عن زهير، قال حدثنا هشام، عن عروة، عن عائشة، قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة، وإذا أدبرت فاغسلي عنك الدم وصلي ".
সহিহ বুখারী > নিফাস অবস্থায় মৃত স্ত্রীলোকের জানাযার নামায ও তার পদ্ধতি।
সহিহ বুখারী ৩৩২
حدثنا أحمد بن أبي سريج، قال أخبرنا شبابة، قال أخبرنا شعبة، عن حسين المعلم، عن ابن بريدة، عن سمرة بن جندب، أن امرأة، ماتت في بطن، فصلى عليها النبي صلى الله عليه وسلم فقام وسطها.
সামুরাহ ইব্নু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একজন প্রসূতি মহিলা মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। সালাতে তিনি মহিলার দেহের মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন। (১৩৩১, ১৩৩২ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩২০, ই.ফা. ৩২৫)
সামুরাহ ইব্নু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একজন প্রসূতি মহিলা মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। সালাতে তিনি মহিলার দেহের মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন। (১৩৩১, ১৩৩২ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩২০, ই.ফা. ৩২৫)
حدثنا أحمد بن أبي سريج، قال أخبرنا شبابة، قال أخبرنا شعبة، عن حسين المعلم، عن ابن بريدة، عن سمرة بن جندب، أن امرأة، ماتت في بطن، فصلى عليها النبي صلى الله عليه وسلم فقام وسطها.
সহিহ বুখারী > ৬/৩০. অধ্যায়ঃ
সহিহ বুখারী ৩৩৩
حدثنا الحسن بن مدرك، قال حدثنا يحيى بن حماد، قال أخبرنا أبو عوانة ـ اسمه الوضاح ـ من كتابه قال أخبرنا سليمان الشيباني، عن عبد الله بن شداد، قال سمعت خالتي، ميمونة ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تكون حائضا لا تصلي، وهى مفترشة بحذاء مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي على خمرته، إذا سجد أصابني بعض ثوبه.
‘আবদুল্লাহ ইব্নু শাদ্দাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি আমার খালা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী মাইমূনা (রাঃ) হতে শুনেছি যে, তিনি হায়েয অবস্থায় সালাত আদায় করতেন না; তখন তিনি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সালাতের সিজদার জায়গায় সোজাসুজি শুয়ে থাকতেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার চাটাইয়ে সালাত আদায় করতেন। সিজদা করার সময় তাঁর কাপড়ের অংশ আমার (মাইমূনাহ্র) শরীর স্পর্শ করতো। (৩৭৯, ৩৮১, ৫১৭, ৫১৮ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩২১, ই.ফা. ৩২৬)
‘আবদুল্লাহ ইব্নু শাদ্দাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি আমার খালা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী মাইমূনা (রাঃ) হতে শুনেছি যে, তিনি হায়েয অবস্থায় সালাত আদায় করতেন না; তখন তিনি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সালাতের সিজদার জায়গায় সোজাসুজি শুয়ে থাকতেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার চাটাইয়ে সালাত আদায় করতেন। সিজদা করার সময় তাঁর কাপড়ের অংশ আমার (মাইমূনাহ্র) শরীর স্পর্শ করতো। (৩৭৯, ৩৮১, ৫১৭, ৫১৮ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩২১, ই.ফা. ৩২৬)
حدثنا الحسن بن مدرك، قال حدثنا يحيى بن حماد، قال أخبرنا أبو عوانة ـ اسمه الوضاح ـ من كتابه قال أخبرنا سليمان الشيباني، عن عبد الله بن شداد، قال سمعت خالتي، ميمونة ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تكون حائضا لا تصلي، وهى مفترشة بحذاء مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي على خمرته، إذا سجد أصابني بعض ثوبه.