সহিহ বুখারী > সালাতের সময় হলে উযূর পানি অনুসন্ধান করা।

সহিহ বুখারী ১৬৯

حدثنا عبد الله بن يوسف، قال أخبرنا مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، أنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وحانت صلاة العصر، فالتمس الناس الوضوء فلم يجدوه، فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوضوء، فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك الإناء يده، وأمر الناس أن يتوضئوا منه‏.‏ قال فرأيت الماء ينبع من تحت أصابعه حتى توضئوا من عند آخرهم‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখলাম, তখন আসরের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল। আর লোকজন উযূর পানি খুঁজতে লাগল কিন্তু পেল না। তারপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু পানি আনা হল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে পাত্রে তাঁর হাত রাখলেন এবং লোকজনকে তা থেকে উযূ করতে বললেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সে সময় আমি দেখলাম, তাঁর আঙ্গুলের নীচ থেকে পানি উপচে পড়ছে। এমনকি তাদের শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তার দ্বারা উযূ করল। (১৯৫, ২০০, ৩৫৭২ হতে ৩৫৭৫ পর্যন্ত; মুসলিম ৪৩/৩, হাঃ ২২৭৯, আহমাদ ১২৪৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭০)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখলাম, তখন আসরের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল। আর লোকজন উযূর পানি খুঁজতে লাগল কিন্তু পেল না। তারপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু পানি আনা হল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে পাত্রে তাঁর হাত রাখলেন এবং লোকজনকে তা থেকে উযূ করতে বললেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সে সময় আমি দেখলাম, তাঁর আঙ্গুলের নীচ থেকে পানি উপচে পড়ছে। এমনকি তাদের শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তার দ্বারা উযূ করল। (১৯৫, ২০০, ৩৫৭২ হতে ৩৫৭৫ পর্যন্ত; মুসলিম ৪৩/৩, হাঃ ২২৭৯, আহমাদ ১২৪৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭০)

حدثنا عبد الله بن يوسف، قال أخبرنا مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، أنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وحانت صلاة العصر، فالتمس الناس الوضوء فلم يجدوه، فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوضوء، فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك الإناء يده، وأمر الناس أن يتوضئوا منه‏.‏ قال فرأيت الماء ينبع من تحت أصابعه حتى توضئوا من عند آخرهم‏.‏


সহিহ বুখারী > যে পানি দিয়ে মানুষের চুল ধোয়া হয়।

সহিহ বুখারী ১৭০

حدثنا مالك بن إسماعيل، قال حدثنا إسرائيل، عن عاصم، عن ابن سيرين، قال قلت لعبيدة عندنا من شعر النبي صلى الله عليه وسلم أصبناه من قبل أنس، أو من قبل أهل أنس فقال لأن تكون عندي شعرة منه أحب إلى من الدنيا وما فيها‏.‏

ইব্‌নু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবীদাকে বললাম, আমাদের নিকট নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চুল রয়েছে যা আমরা আনাস (রাঃ)-এর নিকট হতে কিংবা আনাস (রাঃ)-এর পরিবারের নিকট হতে পেয়েছি। তিনি বললেন, তাঁর একটি চুল আমার নিকট থাকাটা দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে তা অর্জনের চেয়ে অধিক পছন্দের। (১৭১ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭১)

ইব্‌নু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবীদাকে বললাম, আমাদের নিকট নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চুল রয়েছে যা আমরা আনাস (রাঃ)-এর নিকট হতে কিংবা আনাস (রাঃ)-এর পরিবারের নিকট হতে পেয়েছি। তিনি বললেন, তাঁর একটি চুল আমার নিকট থাকাটা দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে তা অর্জনের চেয়ে অধিক পছন্দের। (১৭১ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭১)

حدثنا مالك بن إسماعيل، قال حدثنا إسرائيل، عن عاصم، عن ابن سيرين، قال قلت لعبيدة عندنا من شعر النبي صلى الله عليه وسلم أصبناه من قبل أنس، أو من قبل أهل أنس فقال لأن تكون عندي شعرة منه أحب إلى من الدنيا وما فيها‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭১

حدثنا محمد بن عبد الرحيم، قال أخبرنا سعيد بن سليمان، قال حدثنا عباد، عن ابن عون، عن ابن سيرين، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما حلق رأسه كان أبو طلحة أول من أخذ من شعره‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মাথা মুন্ডন করলে আবূ তালহা (রাঃ)-ই প্রথমে তাঁর চুল সংগ্রহ করেন। (১৭০; মুসলিম ১৫/৫৬, হাঃ ১৩০৫, আহমাদ ১২০৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মাথা মুন্ডন করলে আবূ তালহা (রাঃ)-ই প্রথমে তাঁর চুল সংগ্রহ করেন। (১৭০; মুসলিম ১৫/৫৬, হাঃ ১৩০৫, আহমাদ ১২০৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭২)

حدثنا محمد بن عبد الرحيم، قال أخبرنا سعيد بن سليمان، قال حدثنا عباد، عن ابن عون، عن ابن سيرين، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما حلق رأسه كان أبو طلحة أول من أخذ من شعره‏.‏


সহিহ বুখারী > কুকুর যদি পাত্র হতে পানি পান করে ।

সহিহ বুখারী ১৭২

حدثنا عبد الله بن يوسف، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا شرب الكلب في إناء أحدكم فليغسله سبعا ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কারো পাত্রে যদি কুকুর পান করে তা যেন সাতবার ধুয়ে নেয়। (মুসলিম ২/২৭, হাঃ ২৭৯, আহমাদ ৭৩৫০, ৭৩৫১,৭৪৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কারো পাত্রে যদি কুকুর পান করে তা যেন সাতবার ধুয়ে নেয়। (মুসলিম ২/২৭, হাঃ ২৭৯, আহমাদ ৭৩৫০, ৭৩৫১,৭৪৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৩)

حدثنا عبد الله بن يوسف، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا شرب الكلب في إناء أحدكم فليغسله سبعا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৩

حدثنا إسحاق، أخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، سمعت أبي، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أن رجلا رأى كلبا يأكل الثرى من العطش، فأخذ الرجل خفه فجعل يغرف له به حتى أرواه، فشكر الله له فأدخله الجنة ‏"

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (পূর্ব যুগে) জনৈক ব্যক্তি একটি কুকুরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ভিজা মাটি চাটতে দেখতে পেয়ে তার মোজা নিল এবং কুকুরটির জন্য কুয়া হতে পানি এনে দিতে লাগল যতক্ষণ না সে ওর তৃষ্ণা মিটাল। আল্লাহ্‌ এর বিনিময় দিলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন। (২৩৬৩, ২৪৬৬, ৬০০৯ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (পূর্ব যুগে) জনৈক ব্যক্তি একটি কুকুরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ভিজা মাটি চাটতে দেখতে পেয়ে তার মোজা নিল এবং কুকুরটির জন্য কুয়া হতে পানি এনে দিতে লাগল যতক্ষণ না সে ওর তৃষ্ণা মিটাল। আল্লাহ্‌ এর বিনিময় দিলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন। (২৩৬৩, ২৪৬৬, ৬০০৯ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৪)

حدثنا إسحاق، أخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، سمعت أبي، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أن رجلا رأى كلبا يأكل الثرى من العطش، فأخذ الرجل خفه فجعل يغرف له به حتى أرواه، فشكر الله له فأدخله الجنة ‏"


সহিহ বুখারী ১৭৪

وقال أحمد بن شبيب حدثنا أبي، عن يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني حمزة بن عبد الله، عن أبيه، قال كانت الكلاب تبول وتقبل وتدبر في المسجد في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يكونوا يرشون شيئا من ذلك‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যামানায় কুকুর মসজিদের ভিতর দিয়ে আসা-যাওয়া করত অথচ এজন্য তাঁরা কোথাও পানি ছিটিয়ে দিতেন না। (আ.প্র. ১৬৯ শেষাংশ, ই.ফা. ১৭৪ শেষাংশ)

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যামানায় কুকুর মসজিদের ভিতর দিয়ে আসা-যাওয়া করত অথচ এজন্য তাঁরা কোথাও পানি ছিটিয়ে দিতেন না। (আ.প্র. ১৬৯ শেষাংশ, ই.ফা. ১৭৪ শেষাংশ)

وقال أحمد بن شبيب حدثنا أبي، عن يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني حمزة بن عبد الله، عن أبيه، قال كانت الكلاب تبول وتقبل وتدبر في المسجد في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يكونوا يرشون شيئا من ذلك‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৫

حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، عن ابن أبي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم، قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إذا أرسلت كلبك المعلم فقتل فكل، وإذا أكل فلا تأكل، فإنما أمسكه على نفسه ‏"‏‏.‏ قلت أرسل كلبي فأجد معه كلبا آخر قال ‏"‏ فلا تأكل، فإنما سميت على كلبك، ولم تسم على كلب آخر

‘আদী ইব্‌নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর সম্পর্কে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ তুমি যখন তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকার ধরতে ছেড়ে দাও, তখন সে হত্যা করলে তা তুমি খেতে পার। আর সে তার অংশবিশেষ খেয়ে ফেললে তুমি তা খাবে না। কারণ সে তা নিজের জন্যই শিকার করেছে। আমি বললামঃ কখনো কখনো আমি আমার কুকুর (শিকারে) পাঠিয়ে দেই, অতঃপর তার সঙ্গে অন্য এক কুকুরও দেখতে পাই (এমতাবস্থায় শিকারকৃত প্রাণীর কী হুকুম)? তিনি বললেনঃ তবে খেও না। কারণ তুমি বিসমিল্লাহ্‌ বলেছ কেবল তোমার কুকুরের বেলায়, অন্য কুকুরের বেলায় বিসমিল্লাহ্‌ বলনি। (২০৫৪, ৫৪৭৫, ৫৪৭৬, ৫৪৭৭, ৫৪৮৩ হতে ৫৪৮৭,৭৩৯৭ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৫)

‘আদী ইব্‌নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর সম্পর্কে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ তুমি যখন তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকার ধরতে ছেড়ে দাও, তখন সে হত্যা করলে তা তুমি খেতে পার। আর সে তার অংশবিশেষ খেয়ে ফেললে তুমি তা খাবে না। কারণ সে তা নিজের জন্যই শিকার করেছে। আমি বললামঃ কখনো কখনো আমি আমার কুকুর (শিকারে) পাঠিয়ে দেই, অতঃপর তার সঙ্গে অন্য এক কুকুরও দেখতে পাই (এমতাবস্থায় শিকারকৃত প্রাণীর কী হুকুম)? তিনি বললেনঃ তবে খেও না। কারণ তুমি বিসমিল্লাহ্‌ বলেছ কেবল তোমার কুকুরের বেলায়, অন্য কুকুরের বেলায় বিসমিল্লাহ্‌ বলনি। (২০৫৪, ৫৪৭৫, ৫৪৭৬, ৫৪৭৭, ৫৪৮৩ হতে ৫৪৮৭,৭৩৯৭ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৫)

حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، عن ابن أبي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم، قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إذا أرسلت كلبك المعلم فقتل فكل، وإذا أكل فلا تأكل، فإنما أمسكه على نفسه ‏"‏‏.‏ قلت أرسل كلبي فأجد معه كلبا آخر قال ‏"‏ فلا تأكل، فإنما سميت على كلبك، ولم تسم على كلب آخر


সহিহ বুখারী > সামনের এবং পেছনের রাস্তা দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া ব্যতীত অন্য কারণে যিনি উযূর প্রয়োজন মনে করেন না।

সহিহ বুখারী ১৭৬

حدثنا آدم بن أبي إياس، قال حدثنا ابن أبي ذئب، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يزال العبد في صلاة ما كان في المسجد ينتظر الصلاة، ما لم يحدث ‏"‏‏.‏ فقال رجل أعجمي ما الحدث يا أبا هريرة قال الصوت‏.‏ يعني الضرطة‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা যে সময়টা মসজিদে সালাতের অপেক্ষায় থাকে, তার সে পুরো সময়টাই সালাতের মধ্যে গণ্য হয় যতক্ষণ না সে হাদাস করে। জনৈক অনারব বলল, হে আবূ হুরায়রা ! ‘হাদাস কি?’ তিনি বললেন, ‘শব্দ করে বায়ু বের হওয়া।’ (৪৪৫, ৪৭৭, ৬৪৭, ৬৪৮, ৬৫৯, ২১১৯, ৩২২৯, ৪৭১৭ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা যে সময়টা মসজিদে সালাতের অপেক্ষায় থাকে, তার সে পুরো সময়টাই সালাতের মধ্যে গণ্য হয় যতক্ষণ না সে হাদাস করে। জনৈক অনারব বলল, হে আবূ হুরায়রা ! ‘হাদাস কি?’ তিনি বললেন, ‘শব্দ করে বায়ু বের হওয়া।’ (৪৪৫, ৪৭৭, ৬৪৭, ৬৪৮, ৬৫৯, ২১১৯, ৩২২৯, ৪৭১৭ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬)

حدثنا آدم بن أبي إياس، قال حدثنا ابن أبي ذئب، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يزال العبد في صلاة ما كان في المسجد ينتظر الصلاة، ما لم يحدث ‏"‏‏.‏ فقال رجل أعجمي ما الحدث يا أبا هريرة قال الصوت‏.‏ يعني الضرطة‏.‏


সহিহ বুখারী ১৭৭

حدثنا أبو الوليد، قال حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا ينصرف حتى يسمع صوتا أو يجد ريحا ‏"‏‏.

‘আব্বাস ইব্‌নু তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর চাচার সূত্রে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (কোন মুসল্লী) সালাত থেকে সরে থাকবে না যতক্ষণ না সে শব্দ শুনতে পায় কিংবা গন্ধ পায়। (১৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭)

‘আব্বাস ইব্‌নু তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর চাচার সূত্রে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (কোন মুসল্লী) সালাত থেকে সরে থাকবে না যতক্ষণ না সে শব্দ শুনতে পায় কিংবা গন্ধ পায়। (১৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭)

حدثنا أبو الوليد، قال حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا ينصرف حتى يسمع صوتا أو يجد ريحا ‏"‏‏.


সহিহ বুখারী ১৭৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا جرير، عن الأعمش، عن منذر أبي يعلى الثوري، عن محمد ابن الحنفية، قال قال علي كنت رجلا مذاء، فاستحييت أن أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرت المقداد بن الأسود فسأله فقال ‏ "‏ فيه الوضوء ‏"‏‏.‏ ورواه شعبة عن الأعمش‏.

মুহাম্মাদ ইব্‌নুল হানাফিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আলী (রাঃ) বলেছেন, আমার অধিক পরিমাণে মযী বের হতো। কিন্তু আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছিলাম। তাই আমি মিকদাদ ইব্‌নু আসওয়াদ (রাঃ) কে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-নিকট জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেনঃ এতে শুধু উযূ করতে হয়। হাদীসটি শু’বাহ (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (১৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮)

মুহাম্মাদ ইব্‌নুল হানাফিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আলী (রাঃ) বলেছেন, আমার অধিক পরিমাণে মযী বের হতো। কিন্তু আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছিলাম। তাই আমি মিকদাদ ইব্‌নু আসওয়াদ (রাঃ) কে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-নিকট জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেনঃ এতে শুধু উযূ করতে হয়। হাদীসটি শু’বাহ (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (১৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮)

حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا جرير، عن الأعمش، عن منذر أبي يعلى الثوري، عن محمد ابن الحنفية، قال قال علي كنت رجلا مذاء، فاستحييت أن أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرت المقداد بن الأسود فسأله فقال ‏ "‏ فيه الوضوء ‏"‏‏.‏ ورواه شعبة عن الأعمش‏.


সহিহ বুখারী ১৭৯

حدثنا سعد بن حفص، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي سلمة، أن عطاء بن يسار، أخبره أن زيد بن خالد أخبره أنه، سأل عثمان بن عفان ـ رضى الله عنه ـ قلت أرأيت إذا جامع فلم يمن قال عثمان يتوضأ كما يتوضأ للصلاة، ويغسل ذكره‏.‏ قال عثمان سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فسألت عن ذلك عليا، والزبير، وطلحة، وأبى بن كعب ـ رضى الله عنهم ـ فأمروه بذلك‏.‏

যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উসমান ইব্‌নু আফফান (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ কেউ যদি স্ত্রী সহবাস করে, কিন্তু মনী (বীর্য) বের না হয় (তবে তার হুকুম কী)? ‘উসমান (রাঃ) বললেনঃ ‘সে সালাতের ন্যায় উযূ করে নেবে এবং তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে। উসমান (রাঃ) বলেন, আমি এ কথা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। (যায়দ বলেন) তারপর আমি এ সম্পর্কে আলী (রাঃ), যুবায়র (রাঃ), তালহা (রাঃ) ও উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছি। তাঁরা আমাকে এ নির্দেশেই দিয়েছেন। [১] (২৯২; মুসলিম ৩/২১, হাঃ ৩৪৭, আহমাদ ৪৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৯)

যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উসমান ইব্‌নু আফফান (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ কেউ যদি স্ত্রী সহবাস করে, কিন্তু মনী (বীর্য) বের না হয় (তবে তার হুকুম কী)? ‘উসমান (রাঃ) বললেনঃ ‘সে সালাতের ন্যায় উযূ করে নেবে এবং তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে। উসমান (রাঃ) বলেন, আমি এ কথা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। (যায়দ বলেন) তারপর আমি এ সম্পর্কে আলী (রাঃ), যুবায়র (রাঃ), তালহা (রাঃ) ও উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছি। তাঁরা আমাকে এ নির্দেশেই দিয়েছেন। [১] (২৯২; মুসলিম ৩/২১, হাঃ ৩৪৭, আহমাদ ৪৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৯)

حدثنا سعد بن حفص، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي سلمة، أن عطاء بن يسار، أخبره أن زيد بن خالد أخبره أنه، سأل عثمان بن عفان ـ رضى الله عنه ـ قلت أرأيت إذا جامع فلم يمن قال عثمان يتوضأ كما يتوضأ للصلاة، ويغسل ذكره‏.‏ قال عثمان سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فسألت عن ذلك عليا، والزبير، وطلحة، وأبى بن كعب ـ رضى الله عنهم ـ فأمروه بذلك‏.‏


সহিহ বুখারী ১৮০

حدثنا إسحاق، قال أخبرنا النضر، قال أخبرنا شعبة، عن الحكم، عن ذكوان أبي صالح، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسل إلى رجل من الأنصار فجاء ورأسه يقطر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لعلنا أعجلناك ‏"‏‏.‏ فقال نعم‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا أعجلت أو قحطت، فعليك الوضوء ‏"‏‏.‏ تابعه وهب قال حدثنا شعبة‏.‏ قال أبو عبد الله ولم يقل غندر ويحيى عن شعبة الوضوء‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক আনসারীর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি আসলেন। তখন তাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করেছি।’ তিনি বললেন, ‘জী’। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তাড়াহুড়ার কারণে মনী বের না হবে (অথবা বললেন), মনীর অভাবজনিত কারণে তা বের না হবে তখন উযূ করে নিবে। ওয়াহ্‌ব (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে এ রকমই বর্ণনা করেন। তিনি [ শু’বাহ (রহঃ)] বলেন, আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেছেনঃ গুনদার (রহঃ) ও ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ)- এর সূত্রে বর্ণনায় উযূর কথা উল্লেখ করেন নি। [২] (মুসলিম ৩/২১, হাঃ ৩৪৫, আহমাদ ১১১৬২, ১১২০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৮০)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক আনসারীর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি আসলেন। তখন তাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করেছি।’ তিনি বললেন, ‘জী’। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তাড়াহুড়ার কারণে মনী বের না হবে (অথবা বললেন), মনীর অভাবজনিত কারণে তা বের না হবে তখন উযূ করে নিবে। ওয়াহ্‌ব (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে এ রকমই বর্ণনা করেন। তিনি [ শু’বাহ (রহঃ)] বলেন, আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেছেনঃ গুনদার (রহঃ) ও ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ)- এর সূত্রে বর্ণনায় উযূর কথা উল্লেখ করেন নি। [২] (মুসলিম ৩/২১, হাঃ ৩৪৫, আহমাদ ১১১৬২, ১১২০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৮০)

حدثنا إسحاق، قال أخبرنا النضر، قال أخبرنا شعبة، عن الحكم، عن ذكوان أبي صالح، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسل إلى رجل من الأنصار فجاء ورأسه يقطر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لعلنا أعجلناك ‏"‏‏.‏ فقال نعم‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا أعجلت أو قحطت، فعليك الوضوء ‏"‏‏.‏ تابعه وهب قال حدثنا شعبة‏.‏ قال أبو عبد الله ولم يقل غندر ويحيى عن شعبة الوضوء‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00