সহিহ বুখারী > সর্বাবস্থায়, এমনকি সহবাসের সময়েও বিস্মিল্লাহ্ বলা।
সহিহ বুখারী ১৪১
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " لو أن أحدكم إذا أتى أهله قال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا. فقضي بينهما ولد، لم يضره بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا ".
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলনের পূর্বে যদি বলে, بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا (আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং যা আমাদেরকে দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখ)- তারপর (এ মিলনের দ্বারা) তাদের কিসমতে কোন সন্তান থাকলে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (৩২৭১, ৩২৮৩, ৫১৬৫, ৬৩৮৮, ৭৩৯৬; মুসলিম ত্বলাক অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ১৭ হাঃ ১৪৩৪, আহমাদ ১৯০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলনের পূর্বে যদি বলে, بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا (আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং যা আমাদেরকে দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখ)- তারপর (এ মিলনের দ্বারা) তাদের কিসমতে কোন সন্তান থাকলে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (৩২৭১, ৩২৮৩, ৫১৬৫, ৬৩৮৮, ৭৩৯৬; মুসলিম ত্বলাক অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ১৭ হাঃ ১৪৩৪, আহমাদ ১৯০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৩)
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " لو أن أحدكم إذا أتى أهله قال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا. فقضي بينهما ولد، لم يضره بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا ".
সহিহ বুখারী > শৌচাগারে যাওয়ার সময় কী বলতে হয়?
সহিহ বুখারী ১৪২
حدثنا آدم، قال حدثنا شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنسا، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء قال " اللهم إني أعوذ بك من الخبث والخبائث ". تابعه ابن عرعرة عن شعبة. وقال غندر عن شعبة إذا أتى الخلاء. وقال موسى عن حماد إذا دخل. وقال سعيد بن زيد حدثنا عبد العزيز إذا أراد أن يدخل.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন প্রকৃতির ডাকে শৌচাগারে যেতেন তখন বলতেন, اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ (“হে আল্লাহ্ ! আমি মন্দ কাজ ও শয়তান থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।”) ইব্ন ‘আর‘আরা (রহঃ) শুবা (রহঃ) সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা করেন। গুনদার (রহঃ) শুবা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا أَتَى الْخَلاَءَ (যখন শৌচাগারে যেতেন)। মূসা (রহঃ) হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا دَخَلَ (যখন প্রবেশ করতেন)। সা‘ঈদ ইব্ন যায়দ (রহঃ) ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, ‘যখন প্রবেশ করার ইচ্ছা করতেন।’ (৬৩২২; মুসলিম ৩/৪২, হাঃ ৩৭৫, আহমাদ ১১৯৪৭, ১১৯৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন প্রকৃতির ডাকে শৌচাগারে যেতেন তখন বলতেন, اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ (“হে আল্লাহ্ ! আমি মন্দ কাজ ও শয়তান থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।”) ইব্ন ‘আর‘আরা (রহঃ) শুবা (রহঃ) সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা করেন। গুনদার (রহঃ) শুবা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا أَتَى الْخَلاَءَ (যখন শৌচাগারে যেতেন)। মূসা (রহঃ) হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا دَخَلَ (যখন প্রবেশ করতেন)। সা‘ঈদ ইব্ন যায়দ (রহঃ) ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, ‘যখন প্রবেশ করার ইচ্ছা করতেন।’ (৬৩২২; মুসলিম ৩/৪২, হাঃ ৩৭৫, আহমাদ ১১৯৪৭, ১১৯৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪)
حدثنا آدم، قال حدثنا شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنسا، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء قال " اللهم إني أعوذ بك من الخبث والخبائث ". تابعه ابن عرعرة عن شعبة. وقال غندر عن شعبة إذا أتى الخلاء. وقال موسى عن حماد إذا دخل. وقال سعيد بن زيد حدثنا عبد العزيز إذا أراد أن يدخل.
সহিহ বুখারী > শৌচাগারের কাছে পানি রাখা।
সহিহ বুখারী ১৪৩
حدثنا عبد الله بن محمد، قال حدثنا هاشم بن القاسم، قال حدثنا ورقاء، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل الخلاء، فوضعت له وضوءا قال " من وضع هذا ". فأخبر فقال " اللهم فقهه في الدين
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শৌচাগারে গেলেন, তখন আমি তাঁর জন্য উযূর পানি রাখলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ ‘এটা কে রেখেছে?’ তাঁকে জানানো হলে তিনি বললেনঃ ‘ইয়া আল্লাহ! আপনি তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করুন।’ (৭৫; মুসলিম ৪৪/৩০, হাঃ ২৪৭৭, আহমাদ ২৩৯৭, ২৮৮১, ৩০২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৫)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শৌচাগারে গেলেন, তখন আমি তাঁর জন্য উযূর পানি রাখলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ ‘এটা কে রেখেছে?’ তাঁকে জানানো হলে তিনি বললেনঃ ‘ইয়া আল্লাহ! আপনি তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করুন।’ (৭৫; মুসলিম ৪৪/৩০, হাঃ ২৪৭৭, আহমাদ ২৩৯৭, ২৮৮১, ৩০২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৫)
حدثنا عبد الله بن محمد، قال حدثنا هاشم بن القاسم، قال حدثنا ورقاء، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل الخلاء، فوضعت له وضوءا قال " من وضع هذا ". فأخبر فقال " اللهم فقهه في الدين
সহিহ বুখারী > পেশাব পায়খানা করার সময় ক্বিবলামুখী হবে না, তবে দেয়াল অথবা কোন আড় থাকলে ভিন্ন কথা।
সহিহ বুখারী ১৪৪
حدثنا آدم، قال حدثنا ابن أبي ذئب، قال حدثنا الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي أيوب الأنصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أتى أحدكم الغائط فلا يستقبل القبلة ولا يولها ظهره، شرقوا أو غربوا
আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যায়, তখন সে যেন ক্বিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না করে, বরং তোমরা পূর্ব দিক এবং পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে (এই নির্দেশ মদীনার বাসিন্দাদের জন্য) [১]। ৩৯৪; মুসলিম ২/১৭, হাঃ ২৬৪, আহমাদ ২৩৫৮৩, ২৩৫৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬)
আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যায়, তখন সে যেন ক্বিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না করে, বরং তোমরা পূর্ব দিক এবং পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে (এই নির্দেশ মদীনার বাসিন্দাদের জন্য) [১]। ৩৯৪; মুসলিম ২/১৭, হাঃ ২৬৪, আহমাদ ২৩৫৮৩, ২৩৫৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬)
حدثنا آدم، قال حدثنا ابن أبي ذئب، قال حدثنا الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي أيوب الأنصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أتى أحدكم الغائط فلا يستقبل القبلة ولا يولها ظهره، شرقوا أو غربوا