সহিহ বুখারী > কীভাবে (দ্বীনী) জ্ঞান তুলে নেয়া হবে।
সহিহ বুখারী ১০০
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الله لا يقبض العلم انتزاعا، ينتزعه من العباد، ولكن يقبض العلم بقبض العلماء، حتى إذا لم يبق عالما، اتخذ الناس رءوسا جهالا فسئلوا، فأفتوا بغير علم، فضلوا وأضلوا ". قال الفربري حدثنا عباس قال حدثنا قتيبة حدثنا جرير عن هشام نحوه.
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আমর ইব্নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তর থেকে ‘ইলম উঠিয়ে নেন না, কিন্তু দ্বীনের আলিমদের উঠিয়ে নেয়ার ভয় করি। যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন লোকেরা মূর্খদেরকেই নেতা বানিয়ে নিবে। তাঁদের জিজ্ঞেসা করা হলে না জানলেও ফতোয়া প্রদান করবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে , এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করবে। ফিরাবরী বলেন, ............ জরীর হিশামের নিকট হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (৭৩০৭; মুসলিম ৪৭/৪, হাঃ ২৬৭৩, আহমাদ ৬৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০১)
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আমর ইব্নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তর থেকে ‘ইলম উঠিয়ে নেন না, কিন্তু দ্বীনের আলিমদের উঠিয়ে নেয়ার ভয় করি। যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন লোকেরা মূর্খদেরকেই নেতা বানিয়ে নিবে। তাঁদের জিজ্ঞেসা করা হলে না জানলেও ফতোয়া প্রদান করবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে , এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করবে। ফিরাবরী বলেন, ............ জরীর হিশামের নিকট হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (৭৩০৭; মুসলিম ৪৭/৪, হাঃ ২৬৭৩, আহমাদ ৬৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০১)
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الله لا يقبض العلم انتزاعا، ينتزعه من العباد، ولكن يقبض العلم بقبض العلماء، حتى إذا لم يبق عالما، اتخذ الناس رءوسا جهالا فسئلوا، فأفتوا بغير علم، فضلوا وأضلوا ". قال الفربري حدثنا عباس قال حدثنا قتيبة حدثنا جرير عن هشام نحوه.
সহিহ বুখারী > নারীদের জ্ঞান লাভের জন্য আলাদাভাবে দিন নির্ধারণ করা যায় কি?
সহিহ বুখারী ১০১
حدثنا آدم، قال حدثنا شعبة، قال حدثني ابن الأصبهاني، قال سمعت أبا صالح، ذكوان يحدث عن أبي سعيد الخدري،. قالت النساء للنبي صلى الله عليه وسلم غلبنا عليك الرجال، فاجعل لنا يوما من نفسك. فوعدهن يوما لقيهن فيه، فوعظهن وأمرهن، فكان فيما قال لهن " ما منكن امرأة تقدم ثلاثة من ولدها إلا كان لها حجابا من النار ". فقالت امرأة واثنين فقال " واثنين
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নারীরা একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, পুরুষেরা আপনার নিকট আমাদের চেয়ে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। তাই আপনি নিজে আমাদের জন্য একটি দিন নির্ধারিত করে দিন। তিনি তাদের বিশেষ একটি দিনের অঙ্গীকার করলেন; সে দিন তিনি তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এবং তাদের নাসীহাত করলেন ও নির্দেশ দিলেন। তিনি তাদের যা যা বলেছিলেন, তাঁর মধ্যে একথাও ছিল যে, তোমাদের মধ্যে যে স্ত্রীলোক তিনটি সন্তান পূর্বেই পাঠাবে [১] , তারা তার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। তখন জনৈক স্ত্রীলোক বলল , আর দু’টি পাঠালে? তিনি বললেনঃ দু’টি পাঠালেও। (১২৪৯,৭৩১০; মুসলিম ৪৫/৪৭, হাঃ ২৬৩৩, আহমাদ ১১২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০২)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নারীরা একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, পুরুষেরা আপনার নিকট আমাদের চেয়ে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। তাই আপনি নিজে আমাদের জন্য একটি দিন নির্ধারিত করে দিন। তিনি তাদের বিশেষ একটি দিনের অঙ্গীকার করলেন; সে দিন তিনি তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এবং তাদের নাসীহাত করলেন ও নির্দেশ দিলেন। তিনি তাদের যা যা বলেছিলেন, তাঁর মধ্যে একথাও ছিল যে, তোমাদের মধ্যে যে স্ত্রীলোক তিনটি সন্তান পূর্বেই পাঠাবে [১] , তারা তার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। তখন জনৈক স্ত্রীলোক বলল , আর দু’টি পাঠালে? তিনি বললেনঃ দু’টি পাঠালেও। (১২৪৯,৭৩১০; মুসলিম ৪৫/৪৭, হাঃ ২৬৩৩, আহমাদ ১১২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০২)
حدثنا آدم، قال حدثنا شعبة، قال حدثني ابن الأصبهاني، قال سمعت أبا صالح، ذكوان يحدث عن أبي سعيد الخدري،. قالت النساء للنبي صلى الله عليه وسلم غلبنا عليك الرجال، فاجعل لنا يوما من نفسك. فوعدهن يوما لقيهن فيه، فوعظهن وأمرهن، فكان فيما قال لهن " ما منكن امرأة تقدم ثلاثة من ولدها إلا كان لها حجابا من النار ". فقالت امرأة واثنين فقال " واثنين
সহিহ বুখারী ১০২
حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا غندر، قال حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن ذكوان، عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا. وعن عبد الرحمن بن الأصبهاني، قال سمعت أبا حازم، عن أبي هريرة، قال " ثلاثة لم يبلغوا الحنث
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান আল-আসবাহানী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এমন তিনজন , যারা সাবালকত্বে পৌছেনি। (১২৫০ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০০ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৩)
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান আল-আসবাহানী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এমন তিনজন , যারা সাবালকত্বে পৌছেনি। (১২৫০ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০০ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৩)
حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا غندر، قال حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن ذكوان، عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا. وعن عبد الرحمن بن الأصبهاني، قال سمعت أبا حازم، عن أبي هريرة، قال " ثلاثة لم يبلغوا الحنث
সহিহ বুখারী > কোন কথা শুনে না বুঝলে জানার জন্য পুনরাবৃত্তি করা।
সহিহ বুখারী ১০৩
حدثنا سعيد بن أبي مريم، قال أخبرنا نافع بن عمر، قال حدثني ابن أبي مليكة، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت لا تسمع شيئا لا تعرفه إلا راجعت فيه حتى تعرفه، وأن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حوسب عذب ". قالت عائشة فقلت أو ليس يقول الله تعالى {فسوف يحاسب حسابا يسيرا} قالت فقال " إنما ذلك العرض، ولكن من نوقش الحساب يهلك
ইব্নু আবূ মুলাইকা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) কোন কথা শুনে না বুঝলে বার বার প্রশ্ন করতেন। একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “(কিয়ামতের দিন ) যার কাছ থেকে হিসেব নেয়া হবে তাঁকে শাস্তি দেয়া হবে।” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ তা’আলা কি ইরশাদ করেননি, فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا “তার হিসাব নিকাশ সহজেই নেয়া হবে” (সূরা ইনশিক্বাক ৮৪/৮)। তখন তিনি বললেনঃ তা কেবল হিসেব প্রকাশ করা। কিন্তু যারা হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে নেয়া হবে সে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। (৪৯৩৯, ৬৫৩৬, ৬৫৩৭; মুসলিম ৫১/১৮, হাঃ ২৮৭৬, আহমাদ ২৪২৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৪)
ইব্নু আবূ মুলাইকা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) কোন কথা শুনে না বুঝলে বার বার প্রশ্ন করতেন। একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “(কিয়ামতের দিন ) যার কাছ থেকে হিসেব নেয়া হবে তাঁকে শাস্তি দেয়া হবে।” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ তা’আলা কি ইরশাদ করেননি, فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا “তার হিসাব নিকাশ সহজেই নেয়া হবে” (সূরা ইনশিক্বাক ৮৪/৮)। তখন তিনি বললেনঃ তা কেবল হিসেব প্রকাশ করা। কিন্তু যারা হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে নেয়া হবে সে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। (৪৯৩৯, ৬৫৩৬, ৬৫৩৭; মুসলিম ৫১/১৮, হাঃ ২৮৭৬, আহমাদ ২৪২৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৪)
حدثنا سعيد بن أبي مريم، قال أخبرنا نافع بن عمر، قال حدثني ابن أبي مليكة، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت لا تسمع شيئا لا تعرفه إلا راجعت فيه حتى تعرفه، وأن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حوسب عذب ". قالت عائشة فقلت أو ليس يقول الله تعالى {فسوف يحاسب حسابا يسيرا} قالت فقال " إنما ذلك العرض، ولكن من نوقش الحساب يهلك
সহিহ বুখারী > উপস্থিত ব্যাক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট ইলম পৌঁছে দেয়
সহিহ বুখারী ১০৪
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال حدثني الليث، قال حدثني سعيد، عن أبي شريح، أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به النبي صلى الله عليه وسلم الغد من يوم الفتح، سمعته أذناى ووعاه قلبي، وأبصرته عيناى، حين تكلم به، حمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن مكة حرمها الله، ولم يحرمها الناس، فلا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما، ولا يعضد بها شجرة، فإن أحد ترخص لقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا إن الله قد أذن لرسوله، ولم يأذن لكم. وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار، ثم عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس، وليبلغ الشاهد الغائب ". فقيل لأبي شريح ما قال عمرو قال أنا أعلم منك يا أبا شريح، لا يعيذ عاصيا، ولا فارا بدم، ولا فارا بخربة.
আবূ শুরায়হ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আমর ইব্নু সা’ঈদ (মদীনার গভর্নর )–কে বললেন, যখন তিনি মক্কায় সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলেন – ‘হে আমাদের নেতা ! আমাকে অনুমতি দিলে আপনাকে এমন একটি হাদীস শুনাতে পারি যেটা মক্কা বিজয়ের পরের দিন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন। আমার দু’কান তা শ্রবণ করেছে, আমার হৃদয় তা আয়ত্ত রেখেছে, আর আমার চোখ দু’টো তা দেখেছে। তিনি আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করে বললেনঃ মক্কাকে আল্লাহ হারাম করেছেন, কোন মানুষ তাকে হারাম করেনি। তাই যে ব্যক্তি আল্লাহয় ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তাঁর জন্য সেখানে রক্তপাত করা, সেখানকার গাছ কাটা বৈধ নয়। কেউ যদি আল্লাহর রসূলের (সেখানকার) লড়াইকে দলীল হিসেবে পেশ করে তবে তোমরা বলে দাও, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলকে এর অনুমতি দিয়েছিলেন; কিন্তু তোমাদেরকে তা দেননি। আমাকেও সে দিনের কিছু সময়ের জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন। অতঃপর পূর্বের মতই আজ আবার একে তাঁর নিষিদ্ধ হবার মর্যাদা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। উপস্থিতগণ যেন অনুপস্থিতদের নিকট (এ বাণী ) পৌঁছে দেয়।’ অতঃপর আবূ শুরায়হ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল, ‘আপনার এ হাদীস শুনে ‘আম্র কী বললেন?’ [আবূ শুরায়হ (রাঃ) উত্তর দিলেন ] তিনি বললেনঃ ‘হে আবূ শুরায়হ ! (এ বিষয়ে ) আমি তোমার চেয়ে অধিক জানি। মক্কা কোন বিদ্রোহীকে , কোন খুনের পলাতক আসামীকে এবং চোরকে আশ্রয় দেয় না।’ (১৮৩২,৪২৯৫; মুসলিম ১৫/৮২, হাঃ ১৩৫৪, আহমাদ ১৬৩৭৩, ২৭২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৫)
আবূ শুরায়হ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আমর ইব্নু সা’ঈদ (মদীনার গভর্নর )–কে বললেন, যখন তিনি মক্কায় সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলেন – ‘হে আমাদের নেতা ! আমাকে অনুমতি দিলে আপনাকে এমন একটি হাদীস শুনাতে পারি যেটা মক্কা বিজয়ের পরের দিন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন। আমার দু’কান তা শ্রবণ করেছে, আমার হৃদয় তা আয়ত্ত রেখেছে, আর আমার চোখ দু’টো তা দেখেছে। তিনি আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করে বললেনঃ মক্কাকে আল্লাহ হারাম করেছেন, কোন মানুষ তাকে হারাম করেনি। তাই যে ব্যক্তি আল্লাহয় ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তাঁর জন্য সেখানে রক্তপাত করা, সেখানকার গাছ কাটা বৈধ নয়। কেউ যদি আল্লাহর রসূলের (সেখানকার) লড়াইকে দলীল হিসেবে পেশ করে তবে তোমরা বলে দাও, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলকে এর অনুমতি দিয়েছিলেন; কিন্তু তোমাদেরকে তা দেননি। আমাকেও সে দিনের কিছু সময়ের জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন। অতঃপর পূর্বের মতই আজ আবার একে তাঁর নিষিদ্ধ হবার মর্যাদা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। উপস্থিতগণ যেন অনুপস্থিতদের নিকট (এ বাণী ) পৌঁছে দেয়।’ অতঃপর আবূ শুরায়হ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল, ‘আপনার এ হাদীস শুনে ‘আম্র কী বললেন?’ [আবূ শুরায়হ (রাঃ) উত্তর দিলেন ] তিনি বললেনঃ ‘হে আবূ শুরায়হ ! (এ বিষয়ে ) আমি তোমার চেয়ে অধিক জানি। মক্কা কোন বিদ্রোহীকে , কোন খুনের পলাতক আসামীকে এবং চোরকে আশ্রয় দেয় না।’ (১৮৩২,৪২৯৫; মুসলিম ১৫/৮২, হাঃ ১৩৫৪, আহমাদ ১৬৩৭৩, ২৭২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৫)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال حدثني الليث، قال حدثني سعيد، عن أبي شريح، أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به النبي صلى الله عليه وسلم الغد من يوم الفتح، سمعته أذناى ووعاه قلبي، وأبصرته عيناى، حين تكلم به، حمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن مكة حرمها الله، ولم يحرمها الناس، فلا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما، ولا يعضد بها شجرة، فإن أحد ترخص لقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا إن الله قد أذن لرسوله، ولم يأذن لكم. وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار، ثم عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس، وليبلغ الشاهد الغائب ". فقيل لأبي شريح ما قال عمرو قال أنا أعلم منك يا أبا شريح، لا يعيذ عاصيا، ولا فارا بدم، ولا فارا بخربة.
সহিহ বুখারী ১০৫
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، قال حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، عن ابن أبي بكرة، عن أبي بكرة، ذكر النبي صلى الله عليه وسلم قال " فإن دماءكم وأموالكم ـ قال محمد وأحسبه قال وأعراضكم ـ عليكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا، ألا ليبلغ الشاهد منكم الغائب ". وكان محمد يقول صدق رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ذلك " ألا هل بلغت " مرتين
আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কথা উল্লেখ করে বলেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের জান তোমাদের মাল; বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি বলেছিলেনঃ এবং তোমাদের মান-সম্মান (অন্য মুসলমানদের জন্য) এ শহরে এ দিনের মতই মর্যাদা সম্পন্ন। শোন, (আমার এ বাণী যেন) তোমাদের মধ্যে উপস্থিত ব্যাক্তি অনুপস্থিত ব্যাক্তির নিকট পৌঁছে দেয়। বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্য বলেছেন, তা-ই হয়েছে। তারপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ দু’বার করে বললেন, হে লোক সকল! ‘আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?’ (৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৬)
আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কথা উল্লেখ করে বলেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের জান তোমাদের মাল; বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি বলেছিলেনঃ এবং তোমাদের মান-সম্মান (অন্য মুসলমানদের জন্য) এ শহরে এ দিনের মতই মর্যাদা সম্পন্ন। শোন, (আমার এ বাণী যেন) তোমাদের মধ্যে উপস্থিত ব্যাক্তি অনুপস্থিত ব্যাক্তির নিকট পৌঁছে দেয়। বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্য বলেছেন, তা-ই হয়েছে। তারপর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ দু’বার করে বললেন, হে লোক সকল! ‘আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?’ (৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০৬)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، قال حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، عن ابن أبي بكرة، عن أبي بكرة، ذكر النبي صلى الله عليه وسلم قال " فإن دماءكم وأموالكم ـ قال محمد وأحسبه قال وأعراضكم ـ عليكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا، ألا ليبلغ الشاهد منكم الغائب ". وكان محمد يقول صدق رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ذلك " ألا هل بلغت " مرتين