সুনানে ইবনে মাজাহ > মু হাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উম্মাতের বৈশিষ্ট্য

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮২

حدثنا أبو بكر، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن أبي مالك الأشجعي، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ تردون على غرا محجلين من الوضوء سيماء أمتي ليس لأحد غيرها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন তারা (আমার উম্মাত) শুভ্র হস্তপদ ও উজ্জ্বল চেহারায় আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে। এটা হবে আমার উম্মাতের নিদর্শন, অন্য কোন উম্মাতের নয়।[৩৬১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন তারা (আমার উম্মাত) শুভ্র হস্তপদ ও উজ্জ্বল চেহারায় আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে। এটা হবে আমার উম্মাতের নিদর্শন, অন্য কোন উম্মাতের নয়।[৩৬১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن أبي مالك الأشجعي، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ تردون على غرا محجلين من الوضوء سيماء أمتي ليس لأحد غيرها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن مصعب، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن رفاعة الجهني، قال صدرنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏ "‏ والذي نفس محمد بيده ما من عبد يؤمن ثم يسدد إلا سلك به في الجنة وأرجو ألا يدخلوها حتى تبوءوا أنتم ومن صلح من ذراريكم مساكن في الجنة ولقد وعدني ربي عز وجل أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏

রিফা‘আহ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা (সফর থেকে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ফিরে এলে তিনি বলেনঃ সেই মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এমন কোন বান্দা নেই যে ঈমান আনার পর তার উপর অবিচল থেকেও জান্নাতের দিকে পরিচালিত হবে না। আমি আশা করি যে, তোমরা ও তোমাদের সৎ কর্মপরায়ণ সন্তানেরা জান্নাতে নিজ নিজ স্থানে না পৌঁছানো পর্যন্ত অন্য লোকেরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আমার মহান প্রভু আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।[৩৬১৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

রিফা‘আহ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা (সফর থেকে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ফিরে এলে তিনি বলেনঃ সেই মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এমন কোন বান্দা নেই যে ঈমান আনার পর তার উপর অবিচল থেকেও জান্নাতের দিকে পরিচালিত হবে না। আমি আশা করি যে, তোমরা ও তোমাদের সৎ কর্মপরায়ণ সন্তানেরা জান্নাতে নিজ নিজ স্থানে না পৌঁছানো পর্যন্ত অন্য লোকেরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আমার মহান প্রভু আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।[৩৬১৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن مصعب، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن رفاعة الجهني، قال صدرنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏ "‏ والذي نفس محمد بيده ما من عبد يؤمن ثم يسدد إلا سلك به في الجنة وأرجو ألا يدخلوها حتى تبوءوا أنتم ومن صلح من ذراريكم مساكن في الجنة ولقد وعدني ربي عز وجل أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا بغير حساب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৬

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا محمد بن زياد الألهاني، قال سمعت أبا أمامة الباهلي، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول وعدني ربي سبحانه أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا لا حساب عليهم ولا عذاب مع كل ألف سبعون ألفا وثلاث حثيات من حثيات ربي عز وجل ‏"‏ ‏.‏

আবূ উমামাহ আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আমার মহান প্রতিপালক আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে দাখিল করবেন এবং তাদের কোনরূপ শাস্তিও হবেনা। প্রতি হাজারের সাথে থাকবে আরও সত্তর হাজার করে এবং আরো থাকবে আমার মহান প্রতিপালকের তিন মুঠো পরিমাণ।[৩৬১৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ উমামাহ আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আমার মহান প্রতিপালক আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে দাখিল করবেন এবং তাদের কোনরূপ শাস্তিও হবেনা। প্রতি হাজারের সাথে থাকবে আরও সত্তর হাজার করে এবং আরো থাকবে আমার মহান প্রতিপালকের তিন মুঠো পরিমাণ।[৩৬১৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا محمد بن زياد الألهاني، قال سمعت أبا أمامة الباهلي، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول وعدني ربي سبحانه أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا لا حساب عليهم ولا عذاب مع كل ألف سبعون ألفا وثلاث حثيات من حثيات ربي عز وجل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৭

حدثنا عيسى بن محمد بن النحاس الرملي، وأيوب بن محمد الرقي، قالا حدثنا ضمرة بن ربيعة، عن ابن شوذب، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ نكمل يوم القيامة سبعين أمة نحن آخرها وخيرها ‏"‏ ‏.‏

মু‘আবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আমার উম্মাত সত্তর সংখ্যা পূর্ণ করবে। আমরা হবো এর সর্বশেষ ও সর্বোত্তম উম্মাত।[৩৬১৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান

মু‘আবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আমার উম্মাত সত্তর সংখ্যা পূর্ণ করবে। আমরা হবো এর সর্বশেষ ও সর্বোত্তম উম্মাত।[৩৬১৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান

حدثنا عيسى بن محمد بن النحاس الرملي، وأيوب بن محمد الرقي، قالا حدثنا ضمرة بن ربيعة، عن ابن شوذب، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ نكمل يوم القيامة سبعين أمة نحن آخرها وخيرها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৩

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في قبة فقال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قلنا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة وذلك أن الجنة لا يدخلها إلا نفس مسلمة وما أنتم في أهل الشرك إلا كالشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في جلد الثور الأحمر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে একটি তাঁবুর মধ্যে ছিলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি আবার বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ জান্নাতীদের অর্ধেক হবে তোমরা। এজন্য যে, জান্নাতে কেবল মুসলিম ব্যক্তিই প্রবেশ করবে। তোমরা মুশরিকদের তুলনায় কালো ষাঁড়ের চামড়ায় সাদা লোম সদৃশ অথবা লাল ষাঁড়ের চামড়ায় কালো লোম সদৃশ।[৩৬১৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে একটি তাঁবুর মধ্যে ছিলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি আবার বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ জান্নাতীদের অর্ধেক হবে তোমরা। এজন্য যে, জান্নাতে কেবল মুসলিম ব্যক্তিই প্রবেশ করবে। তোমরা মুশরিকদের তুলনায় কালো ষাঁড়ের চামড়ায় সাদা লোম সদৃশ অথবা লাল ষাঁড়ের চামড়ায় কালো লোম সদৃশ।[৩৬১৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في قبة فقال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ أترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قلنا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ والذي نفسي بيده إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة وذلك أن الجنة لا يدخلها إلا نفس مسلمة وما أنتم في أهل الشرك إلا كالشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في جلد الثور الأحمر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৪

حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ يجيء النبي يوم القيامة ومعه الرجل ويجيء النبي ومعه الرجلان ويجيء النبي ومعه الثلاثة وأكثر من ذلك وأقل فيقال له هل بلغت قومك فيقول نعم ‏.‏ فيدعى قومه فيقال هل بلغكم فيقولون لا ‏.‏ فيقال من شهد لك فيقول محمد وأمته ‏.‏ فتدعى أمة محمد فيقال هل بلغ هذا فيقولون نعم ‏.‏ فيقول وما علمكم بذلك فيقولون أخبرنا نبينا بذلك أن الرسل قد بلغوا فصدقناه ‏.‏ قال فذلكم قوله تعالى ‏{وكذلك جعلناكم أمة وسطا لتكونوا شهداء على الناس ويكون الرسول عليكم شهيدا}‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (কিয়ামতের দিন) একজন নবী আসবেন, তাঁর সাথে থাকবে একজন মাত্র অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে দু’জন অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে তিনজন বা তার কম-বেশী অনুসারী। তাঁকে বলা হবে, তুমি কি তোমার জাতির নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলে? তিনি বলবেনঃ হাঁ। তার জাতিকে ডাকা হবে এবং বলা হবে, তিনি কি তোমাদের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, না। তাঁকে বলা হবে, তোমার সাক্ষী কারা? তিনি বলবেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর উম্মাত। তখন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উম্মাতকে ডাকা হবে এবং জিজ্ঞেস করা হবে, নবী কি (তাঁর উম্মাতের নিকট আল্লাহর বাণী) পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, হাঁ। তাদের আবার জিজ্ঞেস করা হবে, তোমরা তা জানলে কিভাবে? তারা বলবে, আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অবহিত করেছিলেন যে, নিশ্চয় রাসূলগণ আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা তাঁর কথা সত্য বলে স্বীকার করেছি। তোমাদের জন্য এ কথার প্রমাণ হলো মহান আল্লাহর বাণী (অনুবাদ) : “এভাবে আমি তোমাদেরকে এক ন্যায়নিষ্ঠ জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের সাক্ষীস্বরূপ হতে পারে।” (সূরা বাকারাঃ ১৪৩)।[৩৬১৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ সাঈদ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (কিয়ামতের দিন) একজন নবী আসবেন, তাঁর সাথে থাকবে একজন মাত্র অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে দু’জন অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে তিনজন বা তার কম-বেশী অনুসারী। তাঁকে বলা হবে, তুমি কি তোমার জাতির নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলে? তিনি বলবেনঃ হাঁ। তার জাতিকে ডাকা হবে এবং বলা হবে, তিনি কি তোমাদের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, না। তাঁকে বলা হবে, তোমার সাক্ষী কারা? তিনি বলবেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর উম্মাত। তখন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উম্মাতকে ডাকা হবে এবং জিজ্ঞেস করা হবে, নবী কি (তাঁর উম্মাতের নিকট আল্লাহর বাণী) পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, হাঁ। তাদের আবার জিজ্ঞেস করা হবে, তোমরা তা জানলে কিভাবে? তারা বলবে, আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অবহিত করেছিলেন যে, নিশ্চয় রাসূলগণ আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা তাঁর কথা সত্য বলে স্বীকার করেছি। তোমাদের জন্য এ কথার প্রমাণ হলো মহান আল্লাহর বাণী (অনুবাদ) : “এভাবে আমি তোমাদেরকে এক ন্যায়নিষ্ঠ জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের সাক্ষীস্বরূপ হতে পারে।” (সূরা বাকারাঃ ১৪৩)।[৩৬১৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ يجيء النبي يوم القيامة ومعه الرجل ويجيء النبي ومعه الرجلان ويجيء النبي ومعه الثلاثة وأكثر من ذلك وأقل فيقال له هل بلغت قومك فيقول نعم ‏.‏ فيدعى قومه فيقال هل بلغكم فيقولون لا ‏.‏ فيقال من شهد لك فيقول محمد وأمته ‏.‏ فتدعى أمة محمد فيقال هل بلغ هذا فيقولون نعم ‏.‏ فيقول وما علمكم بذلك فيقولون أخبرنا نبينا بذلك أن الرسل قد بلغوا فصدقناه ‏.‏ قال فذلكم قوله تعالى ‏{وكذلك جعلناكم أمة وسطا لتكونوا شهداء على الناس ويكون الرسول عليكم شهيدا}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৮

حدثنا محمد بن خالد بن خداش، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ إنكم وفيتم سبعين أمة أنتم خيرها وأكرمها على الله ‏"‏ ‏.‏

মুআবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় তোমরা উম্মাতের সংখ্যা সত্তরে পূর্ণ করেছো। এদের মধ্যে তোমরাই আল্লাহর নিকট অধিক উত্তম ও মর্যাদাবান উম্মাত।[৩৬২০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

মুআবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় তোমরা উম্মাতের সংখ্যা সত্তরে পূর্ণ করেছো। এদের মধ্যে তোমরাই আল্লাহর নিকট অধিক উত্তম ও মর্যাদাবান উম্মাত।[৩৬২০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا محمد بن خالد بن خداش، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ إنكم وفيتم سبعين أمة أنتم خيرها وأكرمها على الله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৯

حدثنا عبد الله بن إسحاق الجوهري، حدثنا حسين بن حفص الأصبهاني، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ أهل الجنة عشرون ومائة صف ثمانون من هذه الأمة وأربعون من سائر الأمم ‏"‏ ‏.‏

বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতীদের একশত বিশটি কাতার হবে। তন্মধ্যে এই উম্মাতের হবে আশিটি কাতার এবং অন্যান্য উম্মাতের হবে চল্লিশটি।[৩৬২১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতীদের একশত বিশটি কাতার হবে। তন্মধ্যে এই উম্মাতের হবে আশিটি কাতার এবং অন্যান্য উম্মাতের হবে চল্লিশটি।[৩৬২১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا عبد الله بن إسحاق الجوهري، حدثنا حسين بن حفص الأصبهاني، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ أهل الجنة عشرون ومائة صف ثمانون من هذه الأمة وأربعون من سائر الأمم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯০

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو سلمة، حدثنا حماد بن سلمة، عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال نحن آخر الأمم وأول من يحاسب يقال أين الأمة الأمية ونبيها فنحن الآخرون الأولون ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত এবং সর্বপ্রথম আমাদের হিসাব গ্রহণ করা হবে। বলা হবে, উম্মী (নিরক্ষর) নবীর উম্মাত এবং তাদের নবী কোথায়? সুতরাং আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত (দুনিয়াতে আগমনের দিক থেকে) এবং সর্বপ্রথম উম্মাত (জান্নাতে প্রবেশের দিক থেকে)।[৩৬২২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত এবং সর্বপ্রথম আমাদের হিসাব গ্রহণ করা হবে। বলা হবে, উম্মী (নিরক্ষর) নবীর উম্মাত এবং তাদের নবী কোথায়? সুতরাং আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত (দুনিয়াতে আগমনের দিক থেকে) এবং সর্বপ্রথম উম্মাত (জান্নাতে প্রবেশের দিক থেকে)।[৩৬২২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو سلمة، حدثنا حماد بن سلمة، عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال نحن آخر الأمم وأول من يحاسب يقال أين الأمة الأمية ونبيها فنحن الآخرون الأولون ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯১

حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا عبد الأعلى بن أبي المساور، عن أبي بردة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا جمع الله الخلائق يوم القيامة أذن لأمة محمد بالسجود فيسجدون له طويلا ثم يقال ارفعوا رءوسكم قد جعلنا عدتكم فداءكم من النار ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ কিয়ামতের দিন সমগ্র সৃষ্টিকে একত্র করার পর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উম্মাতকে সিজদারত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। তারা দীর্ঘক্ষণ তাঁর উদ্দেশে সিজদারত থাকবে। অতঃপর বলা হবে, তোমরা মাথা উঠাও। আমি তোমাদের সমসংখ্যককে (কাফেরকে) জাহান্নামের ফিদয়া স্বরূপ দিয়েছি।[৩৬২৩] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।

আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ কিয়ামতের দিন সমগ্র সৃষ্টিকে একত্র করার পর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উম্মাতকে সিজদারত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। তারা দীর্ঘক্ষণ তাঁর উদ্দেশে সিজদারত থাকবে। অতঃপর বলা হবে, তোমরা মাথা উঠাও। আমি তোমাদের সমসংখ্যককে (কাফেরকে) জাহান্নামের ফিদয়া স্বরূপ দিয়েছি।[৩৬২৩] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।

حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا عبد الأعلى بن أبي المساور، عن أبي بردة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا جمع الله الخلائق يوم القيامة أذن لأمة محمد بالسجود فيسجدون له طويلا ثم يقال ارفعوا رءوسكم قد جعلنا عدتكم فداءكم من النار ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯২

حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا كثير بن سليم، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن هذه أمة مرحومة عذابها بأيديها فإذا كان يوم القيامة دفع إلى كل رجل من المسلمين رجل من المشركين فيقال هذا فداؤك من النار ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই উম্মাত হলো অনুগ্রহপ্রাপ্ত। এদের দ্বারাই এদের শাস্তি হবে (পারষ্পরিক হানাহানির মাধ্যমে)। কিয়ামতের দিন প্রত্যেক মুসলমানকে একজন করে মুশরিক সোপর্দ করার হবে এবং বলা হবে, জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এই হলো তোমার ফিদ্‌য়া।[৩৬২৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই উম্মাত হলো অনুগ্রহপ্রাপ্ত। এদের দ্বারাই এদের শাস্তি হবে (পারষ্পরিক হানাহানির মাধ্যমে)। কিয়ামতের দিন প্রত্যেক মুসলমানকে একজন করে মুশরিক সোপর্দ করার হবে এবং বলা হবে, জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এই হলো তোমার ফিদ্‌য়া।[৩৬২৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا كثير بن سليم، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن هذه أمة مرحومة عذابها بأيديها فإذا كان يوم القيامة دفع إلى كل رجل من المسلمين رجل من المشركين فيقال هذا فداؤك من النار ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কিয়ামতের দিন আল্লাহর রহমাত লাভের আশা করা যায়

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن لله مائة رحمة قسم منها رحمة بين جميع الخلائق فبها يتراحمون وبها يتعاطفون وبها تعطف الوحش على أولادها وأخر تسعة وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তাআলার একশত রহমাত রয়েছে। তন্মধ্যে একটি রহমাত তিনি সারা সৃষ্টির মধ্যে বণ্টন করেছেন। এই একটি রহমাতের কারণেই তারা একে অপরের প্রতি দয়াপরবশ হয়, পরষ্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। এর দ্বারা জীব-জন্তু তার বাচ্চার প্রতি মমতায় উদ্বুদ্ধ হয়। তিনি অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমত কিয়ামতের দিন তাঁর বান্দাদের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শনের জন্য রেখেছে।[৩৬২৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তাআলার একশত রহমাত রয়েছে। তন্মধ্যে একটি রহমাত তিনি সারা সৃষ্টির মধ্যে বণ্টন করেছেন। এই একটি রহমাতের কারণেই তারা একে অপরের প্রতি দয়াপরবশ হয়, পরষ্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। এর দ্বারা জীব-জন্তু তার বাচ্চার প্রতি মমতায় উদ্বুদ্ধ হয়। তিনি অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমত কিয়ামতের দিন তাঁর বান্দাদের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শনের জন্য রেখেছে।[৩৬২৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن لله مائة رحمة قسم منها رحمة بين جميع الخلائق فبها يتراحمون وبها يتعاطفون وبها تعطف الوحش على أولادها وأخر تسعة وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৪

حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ خلق الله عز وجل يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة فجعل في الأرض منها رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والبهائم بعضها على بعض والطير وأخر تسعة وتسعين إلى يوم القيامة فإذا كان يوم القيامة أكملها الله بهذه الرحمة ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন এক শত রহমাত সৃষ্টি করেছেন। তার মধ্যে থেকে তিনি মাত্র একটি রহমাত পৃথিবীতে বিতরণ করেছেন। এর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে মা তার সন্তানের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শন করে এবং জীবজন্তু, পক্ষীকুল ইত্যাদিও পরষ্পরের প্রতি সহানুভুতি প্রদর্শন করে। অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমাত তিনি কিয়ামতের দিনের জন্য রেখে দিয়েছেন। যেদিন কিয়ামত হবে সেদিন তিনি এটি দ্বারা একশত রহমাত পূর্ণ করবেন।[৩৬২৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন এক শত রহমাত সৃষ্টি করেছেন। তার মধ্যে থেকে তিনি মাত্র একটি রহমাত পৃথিবীতে বিতরণ করেছেন। এর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে মা তার সন্তানের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শন করে এবং জীবজন্তু, পক্ষীকুল ইত্যাদিও পরষ্পরের প্রতি সহানুভুতি প্রদর্শন করে। অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমাত তিনি কিয়ামতের দিনের জন্য রেখে দিয়েছেন। যেদিন কিয়ামত হবে সেদিন তিনি এটি দ্বারা একশত রহমাত পূর্ণ করবেন।[৩৬২৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ خلق الله عز وجل يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة فجعل في الأرض منها رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والبهائم بعضها على بعض والطير وأخر تسعة وتسعين إلى يوم القيامة فإذا كان يوم القيامة أكملها الله بهذه الرحمة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৫

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن الله عز وجل لما خلق الخلق كتب بيده على نفسه إن رحمتي تغلب غضبي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ যখন সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেছেন তখন নিজ হাতে নিজের ব্যাপারে লিখেছেনঃ “আমার রহমাত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী থাকবে”।[৩৬২৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ যখন সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেছেন তখন নিজ হাতে নিজের ব্যাপারে লিখেছেনঃ “আমার রহমাত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী থাকবে”।[৩৬২৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن الله عز وجل لما خلق الخلق كتب بيده على نفسه إن رحمتي تغلب غضبي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৮

حدثنا العباس بن الوليد الدمشقي، حدثنا عمرو بن هاشم، حدثنا ابن لهيعة، عن عبد ربه بن سعيد، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ لا يدخل النار إلا شقي ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله ومن الشقي قال ‏"‏ من لم يعمل لله بطاعة ولم يترك له معصية ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুর্ভাগা হতভাগা ব্যতীত কেউ জাহান্নামে যাবে না। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! হতভাগা কে? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যমূলক কাজ করেনি এবং তাঁর অবাধ্যচারিতা ত্যাগ করেনি।[৩৬৩০] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুর্ভাগা হতভাগা ব্যতীত কেউ জাহান্নামে যাবে না। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! হতভাগা কে? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যমূলক কাজ করেনি এবং তাঁর অবাধ্যচারিতা ত্যাগ করেনি।[৩৬৩০] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

حدثنا العباس بن الوليد الدمشقي، حدثنا عمرو بن هاشم، حدثنا ابن لهيعة، عن عبد ربه بن سعيد، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ لا يدخل النار إلا شقي ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله ومن الشقي قال ‏"‏ من لم يعمل لله بطاعة ولم يترك له معصية ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৬

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن ابن أبي ليلى، عن معاذ بن جبل، قال مر بي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأنا على حمار فقال ‏"‏ يا معاذ هل تدري ما حق الله على العباد وما حق العباد على الله ‏"‏ ‏.‏ قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإن حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا ‏.‏ وحق العباد على الله إذا فعلوا ذلك أن لا يعذبهم ‏"‏ ‏.‏

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তখন একটি গাধার পিঠে আরোহিত ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে মুআয! তুমি কি জানো, বান্দার উপর আল্লাহর কী অধিকার রয়েছে এবং আল্লাহর উপর বান্দার কী অধিকার রয়েছে? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তিনি বলেনঃ বান্দার উপর আল্লাহর অধিকার এই যে, বান্দাহ তাঁরই ইবাদাত করবে এবং তাঁর সাথে অন্য কিছু শরীক করবে না। আর আল্লাহর উপর বান্দার অধিকার এই যে, তারা (বান্দা) তদনুযায়ী আচরণ করলে তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তখন একটি গাধার পিঠে আরোহিত ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে মুআয! তুমি কি জানো, বান্দার উপর আল্লাহর কী অধিকার রয়েছে এবং আল্লাহর উপর বান্দার কী অধিকার রয়েছে? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তিনি বলেনঃ বান্দার উপর আল্লাহর অধিকার এই যে, বান্দাহ তাঁরই ইবাদাত করবে এবং তাঁর সাথে অন্য কিছু শরীক করবে না। আর আল্লাহর উপর বান্দার অধিকার এই যে, তারা (বান্দা) তদনুযায়ী আচরণ করলে তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن ابن أبي ليلى، عن معاذ بن جبل، قال مر بي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأنا على حمار فقال ‏"‏ يا معاذ هل تدري ما حق الله على العباد وما حق العباد على الله ‏"‏ ‏.‏ قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإن حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا ‏.‏ وحق العباد على الله إذا فعلوا ذلك أن لا يعذبهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০০

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا الليث، حدثني عامر بن يحيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، قال سمعت عبد الله بن عمرو، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يصاح برجل من أمتي يوم القيامة على رءوس الخلائق فينشر له تسعة وتسعون سجلا كل سجل مد البصر ثم يقول الله عز وجل هل تنكر من هذا شيئا فيقول لا يا رب فيقول أظلمتك كتبتي الحافظون ثم يقول ألك عذر ألك حسنة فيهاب الرجل فيقول لا ‏.‏ فيقول بلى إن لك عندنا حسنات وإنه لا ظلم عليك اليوم فتخرج له بطاقة فيها أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله قال فيقول يا رب ما هذه البطاقة مع هذه السجلات فيقول إنك لا تظلم ‏.‏ فتوضع السجلات في كفة والبطاقة في كفة فطاشت السجلات وثقلت البطاقة ‏"‏ ‏.‏ قال محمد بن يحيى البطاقة الرقعة وأهل مصر يقولون للرقعة بطاقة

আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টির সামনে আমার এক উম্মাতকে ডাকা হবে, অতঃপর তার সামনে নিরানব্বইটি দফতর পেশ করা হবে। প্রতিটি দফতর দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত দীর্ঘ হবে। মহান আল্লাহ বলবেন, তুমি কি এর কোন কিছু অস্বীকার করো? সে বলবে, না, হে আমার প্রভু! আল্লাহ বলবেন, তোমার উপর আমলনামা লেখক আমার ফেরেশতাগণ কি জুলুম করেছে? অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তোমার নিকট কি কোন নেকী আছে? সে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে এবং বলবে, না। তখন আল্লাহ বলবেন, হাঁ, আমার নিকট তোমার কিছু নেকী জমা আছে। আজ তোমার উপর জুলুম করা হবে না। অতঃপর তার সামনে একটি চিরকুট তুলে ধরা হবে, যাতে লিপিবদ্ধ থাকবেঃ "আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দাহ ও রাসূল।" তখন সে বলবে, হে আমার রব! এতো বৃহৎ দফতরসমূহের তুলনায় এই ক্ষুদ্র চিরকুট আর কি উপকারে আসবে! তিনি বলবেন, তোমার প্রতি অন্যায় করা হবে না। অতঃপর সেই বৃহদাকার দফতরসমূহ এক পাল্লায় এবং সেই ক্ষুদ্র চিরকূটটি আরেক পাল্লায় রাখা হবে। এতে বৃহদাকার দফতরসমূহের পাল্লা হালকা হয়ে উপরে উঠে যাবে এবং ক্ষুদ্র চিরকুটের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বলেন, বিতাকা (চিরকুট) অর্থ রুক্‌আ (টুকরা) , মিসরবাসী রুক্‌আকে বিতাকা বলে।[৩৬৩২] তাহকীক আলবানীঃসহীহ।

আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টির সামনে আমার এক উম্মাতকে ডাকা হবে, অতঃপর তার সামনে নিরানব্বইটি দফতর পেশ করা হবে। প্রতিটি দফতর দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত দীর্ঘ হবে। মহান আল্লাহ বলবেন, তুমি কি এর কোন কিছু অস্বীকার করো? সে বলবে, না, হে আমার প্রভু! আল্লাহ বলবেন, তোমার উপর আমলনামা লেখক আমার ফেরেশতাগণ কি জুলুম করেছে? অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তোমার নিকট কি কোন নেকী আছে? সে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে এবং বলবে, না। তখন আল্লাহ বলবেন, হাঁ, আমার নিকট তোমার কিছু নেকী জমা আছে। আজ তোমার উপর জুলুম করা হবে না। অতঃপর তার সামনে একটি চিরকুট তুলে ধরা হবে, যাতে লিপিবদ্ধ থাকবেঃ "আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দাহ ও রাসূল।" তখন সে বলবে, হে আমার রব! এতো বৃহৎ দফতরসমূহের তুলনায় এই ক্ষুদ্র চিরকুট আর কি উপকারে আসবে! তিনি বলবেন, তোমার প্রতি অন্যায় করা হবে না। অতঃপর সেই বৃহদাকার দফতরসমূহ এক পাল্লায় এবং সেই ক্ষুদ্র চিরকূটটি আরেক পাল্লায় রাখা হবে। এতে বৃহদাকার দফতরসমূহের পাল্লা হালকা হয়ে উপরে উঠে যাবে এবং ক্ষুদ্র চিরকুটের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বলেন, বিতাকা (চিরকুট) অর্থ রুক্‌আ (টুকরা) , মিসরবাসী রুক্‌আকে বিতাকা বলে।[৩৬৩২] তাহকীক আলবানীঃসহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا الليث، حدثني عامر بن يحيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، قال سمعت عبد الله بن عمرو، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يصاح برجل من أمتي يوم القيامة على رءوس الخلائق فينشر له تسعة وتسعون سجلا كل سجل مد البصر ثم يقول الله عز وجل هل تنكر من هذا شيئا فيقول لا يا رب فيقول أظلمتك كتبتي الحافظون ثم يقول ألك عذر ألك حسنة فيهاب الرجل فيقول لا ‏.‏ فيقول بلى إن لك عندنا حسنات وإنه لا ظلم عليك اليوم فتخرج له بطاقة فيها أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله قال فيقول يا رب ما هذه البطاقة مع هذه السجلات فيقول إنك لا تظلم ‏.‏ فتوضع السجلات في كفة والبطاقة في كفة فطاشت السجلات وثقلت البطاقة ‏"‏ ‏.‏ قال محمد بن يحيى البطاقة الرقعة وأهل مصر يقولون للرقعة بطاقة


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৭

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إبراهيم بن أعين، حدثنا إسماعيل بن يحيى الشيباني، عن عبد الله بن عمر بن حفص، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في بعض غزواته فمر بقوم فقال من القوم فقالوا نحن المسلمون ‏.‏ وامرأة تحصب تنورها ومعها ابن لها فإذا ارتفع وهج التنور تنحت به فأتت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت أنت رسول الله قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قالت بأبي أنت وأمي أليس الله بأرحم الراحمين قال ‏"‏ بلى ‏"‏ ‏.‏ قالت أوليس الله بأرحم بعباده من الأم بولدها قال ‏"‏ بلى ‏"‏ ‏.‏ قالت فإن الأم لا تلقي ولدها في النار ‏.‏ فأكب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يبكي ثم رفع رأسه إليها فقال ‏"‏ إن الله لا يعذب من عباده إلا المارد المتمرد الذي يتمرد على الله وأبى أن يقول لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কোন এক জিহাদে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তিনি এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কারা এই সম্প্রদায়? তারা বলেন, আমরা মুসলমান। এক স্ত্রীলোক তার চুলার আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলে সে তার পুত্রকে সরিয়ে নিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, আপনি কি আল্লাহর রাসূল? তিনি বলেন, হাঁ। সে বললো, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক। আল্লাহ তাআলা কি দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। স্ত্রীলোকটি বললো, সন্তানের প্রতি মা যতোটা দয়াপরবশ, আল্লাহ কি তাঁর বান্দাদের প্রতি তার চেয়ে অধিক দয়াপরবশ নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। সে বললো, নিশ্চয়ই মা তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করে না। একথায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা অবনত করে কেঁদে দিলেন, অতঃপর মাথা তুলে তাকে বলেন, যে ব্যক্তি অবাধ্য, উদ্ধত, বিদ্রোহী, যে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলতে অস্বীকার করে, সে ব্যতীত আল্লাহ তার অপরাপর বান্দাদের শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৯] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কোন এক জিহাদে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তিনি এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কারা এই সম্প্রদায়? তারা বলেন, আমরা মুসলমান। এক স্ত্রীলোক তার চুলার আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলে সে তার পুত্রকে সরিয়ে নিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, আপনি কি আল্লাহর রাসূল? তিনি বলেন, হাঁ। সে বললো, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক। আল্লাহ তাআলা কি দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। স্ত্রীলোকটি বললো, সন্তানের প্রতি মা যতোটা দয়াপরবশ, আল্লাহ কি তাঁর বান্দাদের প্রতি তার চেয়ে অধিক দয়াপরবশ নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। সে বললো, নিশ্চয়ই মা তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করে না। একথায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা অবনত করে কেঁদে দিলেন, অতঃপর মাথা তুলে তাকে বলেন, যে ব্যক্তি অবাধ্য, উদ্ধত, বিদ্রোহী, যে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলতে অস্বীকার করে, সে ব্যতীত আল্লাহ তার অপরাপর বান্দাদের শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৯] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إبراهيم بن أعين، حدثنا إسماعيل بن يحيى الشيباني، عن عبد الله بن عمر بن حفص، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في بعض غزواته فمر بقوم فقال من القوم فقالوا نحن المسلمون ‏.‏ وامرأة تحصب تنورها ومعها ابن لها فإذا ارتفع وهج التنور تنحت به فأتت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت أنت رسول الله قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قالت بأبي أنت وأمي أليس الله بأرحم الراحمين قال ‏"‏ بلى ‏"‏ ‏.‏ قالت أوليس الله بأرحم بعباده من الأم بولدها قال ‏"‏ بلى ‏"‏ ‏.‏ قالت فإن الأم لا تلقي ولدها في النار ‏.‏ فأكب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يبكي ثم رفع رأسه إليها فقال ‏"‏ إن الله لا يعذب من عباده إلا المارد المتمرد الذي يتمرد على الله وأبى أن يقول لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا سهيل بن عبد الله، - أخو حزم القطعي - حدثنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قرأ - أو تلا - هذه الآية ‏{هو أهل التقوى وأهل المغفرة}‏ فقال ‏"‏ قال الله عز وجل أنا أهل أن أتقى فلا يجعل معي إله آخر فمن اتقى أن يجعل معي إلها آخر فأنا أهل أن أغفر له ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত পাঠ বা তিলাওয়াত করলেন (অনুবাদ) : "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসিরঃ ৫৬) , অতঃপর বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, কেবল আমাকেই ভয় করতে হবে। অতএব আমার সাথে যেন অন্য ইলাহ যোগ না করা হয়। যে ব্যক্তি আমার সাথে অন্য কোন ইলাহ যোগ করা পরিহার করবে, আমি তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ৮/৪২৯৯ (১) . আনাস (রাঃ) , "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসির) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, আমাকেই ভয় করতে হবে, আমার সাথে অন্যকে শরীক করা যাবে না। আর যে ব্যক্তি আমার সাথে শরীক করা পরিহার করেছে আমিই তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [৩৬৩১] তাহকীক আলবানীঃ দূর্বল।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত পাঠ বা তিলাওয়াত করলেন (অনুবাদ) : "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসিরঃ ৫৬) , অতঃপর বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, কেবল আমাকেই ভয় করতে হবে। অতএব আমার সাথে যেন অন্য ইলাহ যোগ না করা হয়। যে ব্যক্তি আমার সাথে অন্য কোন ইলাহ যোগ করা পরিহার করবে, আমি তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ৮/৪২৯৯ (১) . আনাস (রাঃ) , "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসির) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, আমাকেই ভয় করতে হবে, আমার সাথে অন্যকে শরীক করা যাবে না। আর যে ব্যক্তি আমার সাথে শরীক করা পরিহার করেছে আমিই তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [৩৬৩১] তাহকীক আলবানীঃ দূর্বল।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا سهيل بن عبد الله، - أخو حزم القطعي - حدثنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قرأ - أو تلا - هذه الآية ‏{هو أهل التقوى وأهل المغفرة}‏ فقال ‏"‏ قال الله عز وجل أنا أهل أن أتقى فلا يجعل معي إله آخر فمن اتقى أن يجعل معي إلها آخر فأنا أهل أن أغفر له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > হাওদ কাওসারের আলোচনা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا زكريا، حدثنا عطية، عن أبي سعيد الخدري، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن لي حوضا ما بين الكعبة وبيت المقدس أبيض مثل اللبن آنيته عدد النجوم وإني لأكثر الأنبياء تبعا يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার জন্য বায়তুল্লাহ থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ঝর্ণা আছে। এর পানি দুধের ন্যায় সাদা এবং এর পানপাত্র তারকাপুঞ্জের ন্যায় অসংখ্য। কিয়ামতের দিন অন্য সকল নবী-রাসূলের অনুসারীর চেয়ে আমার অনুসারীর সংখ্যা হবে অনেক বেশী।[৩৬৩৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার জন্য বায়তুল্লাহ থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ঝর্ণা আছে। এর পানি দুধের ন্যায় সাদা এবং এর পানপাত্র তারকাপুঞ্জের ন্যায় অসংখ্য। কিয়ামতের দিন অন্য সকল নবী-রাসূলের অনুসারীর চেয়ে আমার অনুসারীর সংখ্যা হবে অনেক বেশী।[৩৬৩৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا زكريا، حدثنا عطية، عن أبي سعيد الخدري، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن لي حوضا ما بين الكعبة وبيت المقدس أبيض مثل اللبن آنيته عدد النجوم وإني لأكثر الأنبياء تبعا يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০৪

حدثنا نصر بن علي، حدثنا أبي، حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ما بين ناحيتى حوضي كما بين صنعاء والمدينة أو كما بين المدينة وعمان ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার হাওদের দু' তীরের ব্যবধান (ইয়ামানের রাজধানী) সানআ' ও মদীনার মধ্যকার দূরত্বের সমান অথবা মদীনা ও আম্মানের মধ্যকার দূরত্বের সমান।[৩৬৩৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার হাওদের দু' তীরের ব্যবধান (ইয়ামানের রাজধানী) সানআ' ও মদীনার মধ্যকার দূরত্বের সমান অথবা মদীনা ও আম্মানের মধ্যকার দূরত্বের সমান।[৩৬৩৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا نصر بن علي، حدثنا أبي، حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ما بين ناحيتى حوضي كما بين صنعاء والمدينة أو كما بين المدينة وعمان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০৫

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، قال قال أنس بن مالك قال نبي الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يرى فيه أباريق الذهب والفضة كعدد نجوم السماء ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সেখানে (হাওয কাওসারের তীরে) আকাশের নক্ষত্রপুঞ্জের সমান সংখ্যক স্বর্ণ ও রৌপ্য নির্মিত পানপাত্রসমূহ দৃশ্যমান থাকবে।[৩৬৩৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সেখানে (হাওয কাওসারের তীরে) আকাশের নক্ষত্রপুঞ্জের সমান সংখ্যক স্বর্ণ ও রৌপ্য নির্মিত পানপাত্রসমূহ দৃশ্যমান থাকবে।[৩৬৩৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، قال قال أنس بن مالك قال نبي الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يرى فيه أباريق الذهب والفضة كعدد نجوم السماء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০২

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن أبي مالك، سعد بن طارق عن ربعي، عن حذيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إن حوضي لأبعد من أيلة إلى عدن والذي نفسي بيده لآنيته أكثر من عدد النجوم ولهو أشد بياضا من اللبن وأحلى من العسل والذي نفسي بيده إني لأذود عنه الرجال كما يذود الرجل الإبل الغريبة عن حوضه ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله أتعرفنا قال ‏"‏ نعم تردون على غرا محجلين من أثر الوضوء ليست لأحد غيركم ‏"‏ ‏.‏

হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার হাওদে কাওসারের পরিধি আয়লা থেকে এডেন পর্যন্ত বিস্তৃত। সেই মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! এই হাওযের পানপাত্রের সংখ্যা হবে নক্ষত্ররাজির চেয়েও অধিক। এর পানি হবে দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি। সেই মহান সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় আমি এই হাওযের তীর থেকে একদল লোককে তাড়িয়ে দিবো, যেমন কোন লোক অপরিচিত উটকে তার কূপ থেকে তাড়িয়ে দেয়। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাদের চিনতে পারবেন? তিনি বলেন, হাঁ, তোমরা উযু করার কারণে তোমাদের উযুর অঙ্গসমূহ উজ্জ্বল অবস্থায় আমার নিকট উপস্থিত হবে। তোমাদের ব্যতীত অন্য কারো এরূপ হবে না।[৩৬৩৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার হাওদে কাওসারের পরিধি আয়লা থেকে এডেন পর্যন্ত বিস্তৃত। সেই মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! এই হাওযের পানপাত্রের সংখ্যা হবে নক্ষত্ররাজির চেয়েও অধিক। এর পানি হবে দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি। সেই মহান সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় আমি এই হাওযের তীর থেকে একদল লোককে তাড়িয়ে দিবো, যেমন কোন লোক অপরিচিত উটকে তার কূপ থেকে তাড়িয়ে দেয়। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাদের চিনতে পারবেন? তিনি বলেন, হাঁ, তোমরা উযু করার কারণে তোমাদের উযুর অঙ্গসমূহ উজ্জ্বল অবস্থায় আমার নিকট উপস্থিত হবে। তোমাদের ব্যতীত অন্য কারো এরূপ হবে না।[৩৬৩৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن أبي مالك، سعد بن طارق عن ربعي، عن حذيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إن حوضي لأبعد من أيلة إلى عدن والذي نفسي بيده لآنيته أكثر من عدد النجوم ولهو أشد بياضا من اللبن وأحلى من العسل والذي نفسي بيده إني لأذود عنه الرجال كما يذود الرجل الإبل الغريبة عن حوضه ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله أتعرفنا قال ‏"‏ نعم تردون على غرا محجلين من أثر الوضوء ليست لأحد غيركم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০৩

حدثنا محمود بن خالد الدمشقي، حدثنا مروان بن محمد، حدثنا محمد بن مهاجر، حدثني العباس بن سالم الدمشقي، نبئت عن أبي سلام الحبشي، قال بعث إلى عمر بن عبد العزيز فأتيته على بريد فلما قدمت عليه قال لقد شققنا عليك يا أبا سلام في مركبك ‏.‏ قال أجل والله يا أمير المؤمنين ‏.‏ قال والله ما أردت المشقة عليك ولكن حديث بلغني أنك تحدث به عن ثوبان مولى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الحوض فأحببت أن تشافهني به ‏.‏ قال فقلت حدثني ثوبان مولى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن حوضي ما بين عدن إلى أيلة أشد بياضا من اللبن وأحلى من العسل أوانيه كعدد نجوم السماء من شرب منه شربة لم يظمأ بعدها أبدا وأول من يرده على فقراء المهاجرين الدنس ثيابا والشعث رءوسا الذين لا ينكحون المنعمات ولا يفتح لهم السدد ‏"‏ ‏.‏ قال فبكى عمر حتى اخضلت لحيته ثم قال لكني قد نكحت المنعمات وفتحت لي السدد لا جرم أني لا أغسل ثوبي الذي على جسدي حتى يتسخ ولا أدهن رأسي حتى يشعث ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আবু সাল্লাম) বলেন, উমার বিন আবদুল আযীয (রাঃ) আমাকে ডেকে পাঠান। আমি একটি খচ্চরের পিঠে সাওয়ার হয়ে তার নিকট আসি। আমি তার নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, হে আবূ সাল্লাম! আমি আপনার বাহনের ব্যাপারে আপনাকে কষ্ট দিয়েছি। তিনি বলেন, হাঁ, আল্লাহর শপথ! হে আমিরুল মুমিনীন। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আপনাকে কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছা আমার ছিলো না। আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি হাওয কাওসার সম্পর্কিত একটি হাদীস রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মুক্তদাস সাওবান (রাঃ) -র সূত্রে বর্ণনা করেন। আমি সেই হাদীসখানি আপনার মুখে শুনতে আগ্রহী। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মুক্তদাস সাওবান (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার হাওয এডেন থেকে আয়লা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এর পানি দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি। এর পাত্র সংখ্যা আকাশের তারকারাজির সমান। যে কেউ এই হাওয থেকে এক ঢোক পানি পান করতে পারবে, সে আর কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না। দরিদ্র মুহাজিরগণ সর্বপ্রথম এর পানি পানের সৌভাগ্য লাভ করবে, যাদের মাথার চুল উস্কখুষ্ক, পোষাক ধুলি মলিন, যারা ধনবান পরিবারের মেয়েদের বিবাহ করতে পারেনি এবং যাদের আপ্যায়নের জন্য ঘরের দরজাসমূহ খোলা হয়নি। রাবী বলেন, (এ হাদীস শুনে) উমার (রাঃ) কেঁদে দিলেন, এমনকি তার দাড়ি অশ্রুসিক্ত হয়ে গেলো। তিনি বলেন, আমি তো ধনীর দুলালী বিবাহ করেছি এবং আমার জন্য সব দরজাই তো উন্মুক্ত। এখন থেকে আমি আমার পরিধেয় বস্ত্র ময়লাযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ধৌত করব না এবং মাথার চুল উষ্কখুষ্ক না হওয়া পর্যন্ত তৈল ব্যাবহার করবো না।[৩৬৩৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আবু সাল্লাম) বলেন, উমার বিন আবদুল আযীয (রাঃ) আমাকে ডেকে পাঠান। আমি একটি খচ্চরের পিঠে সাওয়ার হয়ে তার নিকট আসি। আমি তার নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, হে আবূ সাল্লাম! আমি আপনার বাহনের ব্যাপারে আপনাকে কষ্ট দিয়েছি। তিনি বলেন, হাঁ, আল্লাহর শপথ! হে আমিরুল মুমিনীন। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আপনাকে কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছা আমার ছিলো না। আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি হাওয কাওসার সম্পর্কিত একটি হাদীস রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মুক্তদাস সাওবান (রাঃ) -র সূত্রে বর্ণনা করেন। আমি সেই হাদীসখানি আপনার মুখে শুনতে আগ্রহী। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মুক্তদাস সাওবান (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার হাওয এডেন থেকে আয়লা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এর পানি দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি। এর পাত্র সংখ্যা আকাশের তারকারাজির সমান। যে কেউ এই হাওয থেকে এক ঢোক পানি পান করতে পারবে, সে আর কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না। দরিদ্র মুহাজিরগণ সর্বপ্রথম এর পানি পানের সৌভাগ্য লাভ করবে, যাদের মাথার চুল উস্কখুষ্ক, পোষাক ধুলি মলিন, যারা ধনবান পরিবারের মেয়েদের বিবাহ করতে পারেনি এবং যাদের আপ্যায়নের জন্য ঘরের দরজাসমূহ খোলা হয়নি। রাবী বলেন, (এ হাদীস শুনে) উমার (রাঃ) কেঁদে দিলেন, এমনকি তার দাড়ি অশ্রুসিক্ত হয়ে গেলো। তিনি বলেন, আমি তো ধনীর দুলালী বিবাহ করেছি এবং আমার জন্য সব দরজাই তো উন্মুক্ত। এখন থেকে আমি আমার পরিধেয় বস্ত্র ময়লাযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ধৌত করব না এবং মাথার চুল উষ্কখুষ্ক না হওয়া পর্যন্ত তৈল ব্যাবহার করবো না।[৩৬৩৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمود بن خالد الدمشقي، حدثنا مروان بن محمد، حدثنا محمد بن مهاجر، حدثني العباس بن سالم الدمشقي، نبئت عن أبي سلام الحبشي، قال بعث إلى عمر بن عبد العزيز فأتيته على بريد فلما قدمت عليه قال لقد شققنا عليك يا أبا سلام في مركبك ‏.‏ قال أجل والله يا أمير المؤمنين ‏.‏ قال والله ما أردت المشقة عليك ولكن حديث بلغني أنك تحدث به عن ثوبان مولى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الحوض فأحببت أن تشافهني به ‏.‏ قال فقلت حدثني ثوبان مولى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن حوضي ما بين عدن إلى أيلة أشد بياضا من اللبن وأحلى من العسل أوانيه كعدد نجوم السماء من شرب منه شربة لم يظمأ بعدها أبدا وأول من يرده على فقراء المهاجرين الدنس ثيابا والشعث رءوسا الذين لا ينكحون المنعمات ولا يفتح لهم السدد ‏"‏ ‏.‏ قال فبكى عمر حتى اخضلت لحيته ثم قال لكني قد نكحت المنعمات وفتحت لي السدد لا جرم أني لا أغسل ثوبي الذي على جسدي حتى يتسخ ولا أدهن رأسي حتى يشعث ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০৬

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه أتى المقبرة فسلم على المقبرة فقال ‏"‏ السلام عليكم دار قوم مؤمنين وإنا إن شاء الله تعالى بكم لاحقون ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ وددت أنا قد رأينا إخواننا ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله أولسنا إخوانك قال ‏"‏ أنتم أصحابي وإخواني الذين يأتون من بعدي وأنا فرطكم على الحوض ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله كيف تعرف من لم يأت من أمتك قال ‏"‏ أرأيتم لو أن رجلا له خيل غر محجلة بين ظهرانى خيل دهم بهم ألم يكن يعرفها ‏"‏ ‏.‏ قالوا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فإنهم يأتون يوم القيامة غرا محجلين من آثار الوضوء ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ أنا فرطهم على الحوض ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ألا ليذادن رجال عن حوضي كما يذاد البعير الضال فأناديهم ألا هلموا ‏.‏ فيقال إنهم قد بدلوا بعدك ولم يزالوا يرجعون على أعقابهم ‏.‏ فأقول ألا سحقا سحقا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কবরস্থানে এসে কবরবাসীদের সালাম দিলেন এবং বললেন, "আসসালামু আলায়কুম দারা কাওমীম মু‘মিনীন ওয়াইন্না ইনশাআল্লাহ তাআলা বিকুম লাহিকূন" (ঈমানদার কবরবাসীরা! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। অচিরেই আল্লাহর মর্জি আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হবো)। অতঃপর তিনি বলেনঃ নিশ্চয় আমাদের আকাঙ্ক্ষা এই যে, আমরা আমাদের ভাইদের দেখতে পাবো। তারা বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আপনার ভাই নই? তিনি বলেনঃ তোমরা আমার সাহাবী। আর যারা আমাদের পরে আসবে তারা আমার ভাই। আমি তোমাদের আগেই হাওযের নিকট উপস্থিত হবো। তারা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এমন লোকদের আপনার উম্মাতরূপে কিভাবে চিনবেন, যারা এখনো জন্মলাভ করেনি? তিনি বলেনঃ তোমরা কি দেখো না, যদি কোন ব্যক্তির একটি সাদা পা ও সাদা পেশানীযুক্ত ঘোড়া অপর ব্যক্তির কালো ঘোড়ার পালে মিশে যায়, তবে সে কি তার ঘোড়াটি চিনতে পারবে না? তারা বলেন, হাঁ, নিশ্চয় চিনতে পারবে। তিনি বলেনঃ তারা কিয়ামতের দিন উযুর বদৌলতে সাদা পেশানী ও সাদা হাত-পা বিশিষ্ট অবস্থায় আসবে। তিনি আরো বলেনঃ আমি তোমাদের আগেই হাওয কাওছারে উপস্থিত হবো। একদল লোক আমার হাওয থেকে বিতাড়িত হবে, যেমন পথভোলা উট বিতাড়িত হয়। আমি তাদেরকে ডেকে বলবোঃ তোমরা এদিকে এসো তোমরা এদিকে এসো। তখন বলা হবে, এসব লোক আপনার পর (দীনকে) পরিবর্তন করেছে এবং অবিরত তারা তাদের পশ্চাতে ফিরে গেছে। তখন আমি বলবোঃ সাবধান! দূর হও দূর হও।[৩৬৩৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কবরস্থানে এসে কবরবাসীদের সালাম দিলেন এবং বললেন, "আসসালামু আলায়কুম দারা কাওমীম মু‘মিনীন ওয়াইন্না ইনশাআল্লাহ তাআলা বিকুম লাহিকূন" (ঈমানদার কবরবাসীরা! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। অচিরেই আল্লাহর মর্জি আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হবো)। অতঃপর তিনি বলেনঃ নিশ্চয় আমাদের আকাঙ্ক্ষা এই যে, আমরা আমাদের ভাইদের দেখতে পাবো। তারা বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আপনার ভাই নই? তিনি বলেনঃ তোমরা আমার সাহাবী। আর যারা আমাদের পরে আসবে তারা আমার ভাই। আমি তোমাদের আগেই হাওযের নিকট উপস্থিত হবো। তারা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এমন লোকদের আপনার উম্মাতরূপে কিভাবে চিনবেন, যারা এখনো জন্মলাভ করেনি? তিনি বলেনঃ তোমরা কি দেখো না, যদি কোন ব্যক্তির একটি সাদা পা ও সাদা পেশানীযুক্ত ঘোড়া অপর ব্যক্তির কালো ঘোড়ার পালে মিশে যায়, তবে সে কি তার ঘোড়াটি চিনতে পারবে না? তারা বলেন, হাঁ, নিশ্চয় চিনতে পারবে। তিনি বলেনঃ তারা কিয়ামতের দিন উযুর বদৌলতে সাদা পেশানী ও সাদা হাত-পা বিশিষ্ট অবস্থায় আসবে। তিনি আরো বলেনঃ আমি তোমাদের আগেই হাওয কাওছারে উপস্থিত হবো। একদল লোক আমার হাওয থেকে বিতাড়িত হবে, যেমন পথভোলা উট বিতাড়িত হয়। আমি তাদেরকে ডেকে বলবোঃ তোমরা এদিকে এসো তোমরা এদিকে এসো। তখন বলা হবে, এসব লোক আপনার পর (দীনকে) পরিবর্তন করেছে এবং অবিরত তারা তাদের পশ্চাতে ফিরে গেছে। তখন আমি বলবোঃ সাবধান! দূর হও দূর হও।[৩৬৩৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه أتى المقبرة فسلم على المقبرة فقال ‏"‏ السلام عليكم دار قوم مؤمنين وإنا إن شاء الله تعالى بكم لاحقون ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ وددت أنا قد رأينا إخواننا ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله أولسنا إخوانك قال ‏"‏ أنتم أصحابي وإخواني الذين يأتون من بعدي وأنا فرطكم على الحوض ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله كيف تعرف من لم يأت من أمتك قال ‏"‏ أرأيتم لو أن رجلا له خيل غر محجلة بين ظهرانى خيل دهم بهم ألم يكن يعرفها ‏"‏ ‏.‏ قالوا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فإنهم يأتون يوم القيامة غرا محجلين من آثار الوضوء ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ أنا فرطهم على الحوض ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ألا ليذادن رجال عن حوضي كما يذاد البعير الضال فأناديهم ألا هلموا ‏.‏ فيقال إنهم قد بدلوا بعدك ولم يزالوا يرجعون على أعقابهم ‏.‏ فأقول ألا سحقا سحقا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > শাফা‘আতের আলোচনা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لكل نبي دعوة مستجابة فتعجل كل نبي دعوته وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي فهي نائلة من مات منهم لا يشرك بالله شيئا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর জন্য একটি করে দু‘আ আছে যা কবুল করা হয়। আর প্রত্যেক নবী তাঁর দু‘আর ব্যাপারে তাড়াহুড়া করেছেন আর আমি আমার দু‘আ আমার উম্মাতের শাফা‘আতের জন্য জমা রেখেছি। অতএব আমার উম্মাতের মধ্যে যারা আল্লাহর সাথে শিরক না করে মারা যাবে তারা আমার শাফাআতপ্রাপ্ত হবে।[৩৬৩৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর জন্য একটি করে দু‘আ আছে যা কবুল করা হয়। আর প্রত্যেক নবী তাঁর দু‘আর ব্যাপারে তাড়াহুড়া করেছেন আর আমি আমার দু‘আ আমার উম্মাতের শাফা‘আতের জন্য জমা রেখেছি। অতএব আমার উম্মাতের মধ্যে যারা আল্লাহর সাথে শিরক না করে মারা যাবে তারা আমার শাফাআতপ্রাপ্ত হবে।[৩৬৩৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لكل نبي دعوة مستجابة فتعجل كل نبي دعوته وإني اختبأت دعوتي شفاعة لأمتي فهي نائلة من مات منهم لا يشرك بالله شيئا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০৮

حدثنا مجاهد بن موسى، وأبو إسحاق الهروي إبراهيم بن عبد الله بن حاتم قالا حدثنا هشيم، أنبأنا علي بن زيد بن جدعان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أنا سيد ولد آدم ولا فخر وأنا أول من تنشق الأرض عنه يوم القيامة ولا فخر وأنا أول شافع وأول مشفع ولا فخر ولواء الحمد بيدي يوم القيامة ولا فخر ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আদম সন্তানদের সরদার, তাতে গর্বের কিছু নেই। কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আমার জন্য জমীন বিদীর্ণ হবে (কবর থেকে সর্বপ্রথম আমিই উঠবো) , এতে গর্বের কিছু নাই। আমিই হবো সর্বপ্রথম শাফাআতকারী এবং সর্বাগ্রে আমার শাফাআতকবুল করা হবে। এতেও কোন গর্ব নেই। কিয়ামতের দিন আল্লাহর প্রশংসার পতাকা আমার হাতে থাকবে। এতেও গর্বের কিছু নেই।[৩৬৪০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আদম সন্তানদের সরদার, তাতে গর্বের কিছু নেই। কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আমার জন্য জমীন বিদীর্ণ হবে (কবর থেকে সর্বপ্রথম আমিই উঠবো) , এতে গর্বের কিছু নাই। আমিই হবো সর্বপ্রথম শাফাআতকারী এবং সর্বাগ্রে আমার শাফাআতকবুল করা হবে। এতেও কোন গর্ব নেই। কিয়ামতের দিন আল্লাহর প্রশংসার পতাকা আমার হাতে থাকবে। এতেও গর্বের কিছু নেই।[৩৬৪০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا مجاهد بن موسى، وأبو إسحاق الهروي إبراهيم بن عبد الله بن حاتم قالا حدثنا هشيم، أنبأنا علي بن زيد بن جدعان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أنا سيد ولد آدم ولا فخر وأنا أول من تنشق الأرض عنه يوم القيامة ولا فخر وأنا أول شافع وأول مشفع ولا فخر ولواء الحمد بيدي يوم القيامة ولا فخر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১০

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا زهير بن محمد، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ إن شفاعتي يوم القيامة لأهل الكبائر من أمتي ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন আমার শাফাআত হবে আমার উম্মাতের কবীরা গুনাহগারদের জন্যই।[৩৬৪২] তাহকী আলবানীঃ সহীহ।

জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন আমার শাফাআত হবে আমার উম্মাতের কবীরা গুনাহগারদের জন্যই।[৩৬৪২] তাহকী আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا زهير بن محمد، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ إن شفاعتي يوم القيامة لأهل الكبائر من أمتي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১৪

حدثنا إسماعيل بن عبد الله الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الطفيل بن أبى بن كعب، عن أبيه، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إذا كان يوم القيامة كنت إمام النبيين وخطيبهم وصاحب شفاعتهم غير فخر ‏"‏ ‏.

উবায় বিন ক’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাতের দিন আমি হবো নবীগণের ইমাম, তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য পেশকারী এবং তাদের প্রধান সুপারিশকারী, তাতে কোন গর্ব নেই। [৩৬৪৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

উবায় বিন ক’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাতের দিন আমি হবো নবীগণের ইমাম, তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য পেশকারী এবং তাদের প্রধান সুপারিশকারী, তাতে কোন গর্ব নেই। [৩৬৪৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا إسماعيل بن عبد الله الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الطفيل بن أبى بن كعب، عن أبيه، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إذا كان يوم القيامة كنت إمام النبيين وخطيبهم وصاحب شفاعتهم غير فخر ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০৯

حدثنا نصر بن علي، وإسحاق بن إبراهيم بن حبيب، قالا حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سعيد بن يزيد، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أما أهل النار الذين هم أهلها فإنهم لا يموتون فيها ولا يحيون ولكن ناس أصابتهم النار بذنوبهم أو بخطاياهم فأماتتهم إماتة حتى إذا كانوا فحما أذن لهم في الشفاعة فجيء بهم ضبائر ضبائر فبثوا على أنهار الجنة فقيل يا أهل الجنة أفيضوا عليهم فينبتون نبات الحبة تكون في حميل السيل ‏"‏ ‏.‏ قال فقال رجل من القوم كأن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قد كان في البادية ‏.‏

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আহা দোযখবাসী, যারা জাহান্নামবাসী তারা সেখানে মরবেও না, বাঁচবেও না। তবে কতক লোক তাদের ভুলত্রুটি ও গুনাহের কারণে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। আগুন তাদের দগ্ধীভূত করবে, ফলে তারা কয়লাবৎ হয়ে যাবে। তখন তাদের শাফাআতের অনুমতি দেয়া হবে। তাদের দলে দলে জাহান্নাম থেকে বের করে আনা হবে এবং জান্নাতের ঝরণার নিকট ছড়িয়ে রাখা হবে। তখন বলা হবে, হে জান্নাতবাসীরা! তোমরা তাদের উপর পানি ছিটিয়ে দাও। ফলে তারা প্লাবনের পর উর্বর মাটিতে চারাগাছ গজানোর মত গজিয়ে উঠবে। রাবী বলেন, উপস্থিত এক ব্যক্তি বললো, মনে হয় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন বন-বাদাড়ে বসবাস করতেন।[৩৬৪১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আহা দোযখবাসী, যারা জাহান্নামবাসী তারা সেখানে মরবেও না, বাঁচবেও না। তবে কতক লোক তাদের ভুলত্রুটি ও গুনাহের কারণে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। আগুন তাদের দগ্ধীভূত করবে, ফলে তারা কয়লাবৎ হয়ে যাবে। তখন তাদের শাফাআতের অনুমতি দেয়া হবে। তাদের দলে দলে জাহান্নাম থেকে বের করে আনা হবে এবং জান্নাতের ঝরণার নিকট ছড়িয়ে রাখা হবে। তখন বলা হবে, হে জান্নাতবাসীরা! তোমরা তাদের উপর পানি ছিটিয়ে দাও। ফলে তারা প্লাবনের পর উর্বর মাটিতে চারাগাছ গজানোর মত গজিয়ে উঠবে। রাবী বলেন, উপস্থিত এক ব্যক্তি বললো, মনে হয় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন বন-বাদাড়ে বসবাস করতেন।[৩৬৪১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا نصر بن علي، وإسحاق بن إبراهيم بن حبيب، قالا حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سعيد بن يزيد، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أما أهل النار الذين هم أهلها فإنهم لا يموتون فيها ولا يحيون ولكن ناس أصابتهم النار بذنوبهم أو بخطاياهم فأماتتهم إماتة حتى إذا كانوا فحما أذن لهم في الشفاعة فجيء بهم ضبائر ضبائر فبثوا على أنهار الجنة فقيل يا أهل الجنة أفيضوا عليهم فينبتون نبات الحبة تكون في حميل السيل ‏"‏ ‏.‏ قال فقال رجل من القوم كأن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قد كان في البادية ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১২

حدثنا نصر بن علي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ يجتمع المؤمنون يوم القيامة يلهمون - أو يهمون شك سعيد - فيقولون لو تشفعنا إلى ربنا فأراحنا من مكاننا فيأتون آدم فيقولون أنت آدم أبو الناس خلقك الله بيده وأسجد لك ملائكته فاشفع لنا عند ربك يرحنا من مكاننا هذا ‏.‏ فيقول لست هناكم - ويذكر ويشكو إليهم ذنبه الذي أصاب فيستحيي من ذلك - ولكن ائتوا نوحا فإنه أول رسول بعثه الله إلى أهل الأرض فيأتونه فيقول لست هناكم - ويذكر سؤاله ربه ما ليس له به علم ويستحيي من ذلك - ولكن ائتوا خليل الرحمن إبراهيم فيأتونه فيقول لست هناكم ولكن ائتوا موسى عبدا كلمه الله وأعطاه التوراة ‏.‏ فيأتونه فيقول لست هناكم - ويذكر قتله النفس بغير النفس - ولكن ائتوا عيسى عبد الله ورسوله وكلمة الله وروحه ‏.‏ فيأتونه فيقول لست هناكم ولكن ائتوا محمدا عبدا غفر الله له ما تقدم من ذنبه وما تأخر ‏.‏ قال فيأتوني فأنطلق - قال فذكر هذا الحرف عن الحسن ‏.‏ قال فأمشي بين السماطين من المؤمنين ‏.‏ قال ثم عاد إلى حديث أنس - قال ‏"‏ فأستأذن على ربي فيؤذن لي فإذا رأيته وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع يا محمد وقل تسمع وسل تعطه واشفع تشفع فأحمده بتحميد يعلمنيه ثم أشفع فيحد لي حدا فيدخلهم الجنة ثم أعود الثانية فإذا رأيته وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال لي ارفع محمد قل تسمع وسل تعطه واشفع تشفع فأرفع رأسي فأحمده بتحميد يعلمنيه ثم أشفع فيحد لي حدا فيدخلهم الجنة ثم أعود الثالثة فإذا رأيت ربي وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع محمد قل تسمع وسل تعطه واشفع تشفع فأرفع رأسي فأحمده بتحميد يعلمنيه ثم أشفع فيحد لي حدا فيدخلهم الجنة ثم أعود الرابعة فأقول يا رب ما بقي إلا من حبسه القرآن ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামতের দিন ঈমানদার বান্দারা সমবেত হবে। তখন তাদের অন্তরে ইলহাম করা হবে এবং তারা বলবে, কেউ যদি আমাদের প্রভুর নিকট আমাদের জন্য শাফাআত করতো তাহলে তিনি আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে শান্তি দিতে পারতেন। অতএব তারা আদাম (আঃ) এর নিকট এসে বলবে, আপনি আদম, মানবজাতির পিতা। আল্লাহ নিজ হাতে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর ফেরেশতাদের দ্বারা আপনাকে সিজদা করিয়েছেন। আপনি আমাদের এ অবস্থা থেকে নাজাতের জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট শাফাআত করুন। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি তাদের নিকট নিজের কৃত গুনাহের কথা উল্লেখ করে আক্ষেপ করবেন এবং এতে লজ্জিত হবেন। বরং তোমরা নূহ আলাইহিস সালামের নিকট যাও। কেননা তিনি ছিলেন পৃথিবীবাসীর প্রতি আল্লাহর প্রেরিত প্রথম রাসূল। অতএব তারা তাঁর নিকট উপস্থিত হবে। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি অজ্ঞাতে আল্লাহর নিকট যে নিবেদন করেছিলেন, তা স্মরণ করে লজ্জিত হবেন। বরং তোমরা দয়াময় রহমানের প্রিয় বান্দা ইবরাহীম আলাইহিস সালামের নিকট যাও। অতএব তারা তাঁর নিকট আসলে তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। বরং তোমরা মূসা আলাইহিস সালামের নিকট যাও। তিনি ছিলের আল্লাহর প্রিয় বান্দা, তাঁর সাথে আল্লাহ বাক্যালাপ করেছেন এবং তাঁকে তাওরাত কিতাব দান করেছেন। অতএব তারা তাঁর নিকট উপস্থিত হবে। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তিনি একটি অন্যায় হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করবেন। তোমরা বরং আল্লাহর বান্দা ও রাসূল, তাঁর বাক্য, তাঁর দেয়া রূহ ঈসা আলাইহিস সালামের নিকট যাও। অতএব লোকেরা তাঁর নিকট এসে উপস্থিত হবে। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। বরং তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট যাও, যাঁর পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তখন তারা আমার নিকট আসবে এবং আমি রওয়ানা হবো। রাবী বলেন, হাসান (রাঃ) -এর সনদে এই শব্দাবলী বর্ণিত আছেঃ তিনি বলেন, আমি মুমিনদের দু'টি সারির মাঝখান দিয়ে অগ্রসর হতে থাকবো। কাতাদা (রাঃ) বলেনঃ তারপর রাবী আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের শব্দাবলীতে বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি আমার প্রভুর নিকট (শাফাআতের) অনুমতি প্রার্থনা করবো এবং আমাকে অনুমতি দেয়া হবে। আমি তাঁকে দেখামাত্র সিজদায় লুটিয়ে পড়বো। আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদাবনত অবস্থায় রাখবেন। অতঃপর নির্দেশ দেওয়া হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও, বলো, শোনা হবে এবং চাও, দেয়া হবে, শাফাআত করো, কবুল করা হবে। অতএব তিনি যা আমাকে শিখিয়ে দিবেন সেই বাক্যে আমি তাঁর প্রশংসা করবো। অতঃপর আমি শাফাআত করবো। তবে আমার জন্য শাফাআতের একটি সীমা বেঁধে দেয়া হবে। আল্লাহ শাফাআত প্রাপ্তদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমি পুনরায় আমার প্রভুর নিকট ফিরে আসবো এবং তাঁকে দেখামাত্র সিজদায় লুটিয়ে পড়বো। আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদাবনত রাখবেন। অতঃপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও, বলো, শোনা হবে; চাও, দেয়া হবে; শাফাআত করো, কবুল করা হবে। তিনি আমাকে যে বাক্য শিখিয়ে দিবেন, আমি সেই বাক্যে তাঁর প্রশংসা করবো, অতঃপর শাফাআত করবো। আমাকে একটি সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। আল্লাহ শাফাআত প্রাপ্তদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমি তৃতীয় বারের মত ফিরে যাবো এবং আমার প্রভুকে দেখামাত্র সিজদায় পতিত হবো। আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদাবনত রাখবেন। অতঃপর বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও; বলো, শোনা হবে; প্রার্থনা করো, কবুল করা হবে; শাফাআত করো, মঞ্জুর করা হবে। আমি আমার মাথা উঠাবো এবং তাঁর শিখানো বাক্যে তাঁর প্রশংসা করবো এবং তারপর আমি শাফাআত করবো এবং আমাকে একটা সীমা বেঁধে দেয়া হবে। আল্লাহ শাফাআত কৃতদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমি চতুর্থবার গিয়ে বলবো, হে প্রভু! কুরআন যাদের আটক করে রেখেছে তারা ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট নেই। রাবী বলেন, কাতাদা (রাঃ) এই হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন, আনাস বিন মালিক (রাঃ) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শেষে এমন ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে শুধু বলেছে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই) এবং যার অন্তরে একটি গমের দানা পরিমাণ নেক আমল থাকবে। আর এমন ব্যক্তিকেও জাহান্নাম থেকে বের করে আনা হবে যে বলেছে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এবং যার অন্তরে থাকবে বার্লির দানা পরিমাণ নেক আমল (ঈমান)। এমন ব্যক্তিকেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে বলেছেঃ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এবং যার অন্তরে অণু পরিমাণ নেক আমল থাকবে।[৩৬৪৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামতের দিন ঈমানদার বান্দারা সমবেত হবে। তখন তাদের অন্তরে ইলহাম করা হবে এবং তারা বলবে, কেউ যদি আমাদের প্রভুর নিকট আমাদের জন্য শাফাআত করতো তাহলে তিনি আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে শান্তি দিতে পারতেন। অতএব তারা আদাম (আঃ) এর নিকট এসে বলবে, আপনি আদম, মানবজাতির পিতা। আল্লাহ নিজ হাতে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর ফেরেশতাদের দ্বারা আপনাকে সিজদা করিয়েছেন। আপনি আমাদের এ অবস্থা থেকে নাজাতের জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট শাফাআত করুন। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি তাদের নিকট নিজের কৃত গুনাহের কথা উল্লেখ করে আক্ষেপ করবেন এবং এতে লজ্জিত হবেন। বরং তোমরা নূহ আলাইহিস সালামের নিকট যাও। কেননা তিনি ছিলেন পৃথিবীবাসীর প্রতি আল্লাহর প্রেরিত প্রথম রাসূল। অতএব তারা তাঁর নিকট উপস্থিত হবে। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি অজ্ঞাতে আল্লাহর নিকট যে নিবেদন করেছিলেন, তা স্মরণ করে লজ্জিত হবেন। বরং তোমরা দয়াময় রহমানের প্রিয় বান্দা ইবরাহীম আলাইহিস সালামের নিকট যাও। অতএব তারা তাঁর নিকট আসলে তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। বরং তোমরা মূসা আলাইহিস সালামের নিকট যাও। তিনি ছিলের আল্লাহর প্রিয় বান্দা, তাঁর সাথে আল্লাহ বাক্যালাপ করেছেন এবং তাঁকে তাওরাত কিতাব দান করেছেন। অতএব তারা তাঁর নিকট উপস্থিত হবে। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তিনি একটি অন্যায় হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করবেন। তোমরা বরং আল্লাহর বান্দা ও রাসূল, তাঁর বাক্য, তাঁর দেয়া রূহ ঈসা আলাইহিস সালামের নিকট যাও। অতএব লোকেরা তাঁর নিকট এসে উপস্থিত হবে। তিনি বলবেনঃ আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। বরং তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট যাও, যাঁর পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তখন তারা আমার নিকট আসবে এবং আমি রওয়ানা হবো। রাবী বলেন, হাসান (রাঃ) -এর সনদে এই শব্দাবলী বর্ণিত আছেঃ তিনি বলেন, আমি মুমিনদের দু'টি সারির মাঝখান দিয়ে অগ্রসর হতে থাকবো। কাতাদা (রাঃ) বলেনঃ তারপর রাবী আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের শব্দাবলীতে বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি আমার প্রভুর নিকট (শাফাআতের) অনুমতি প্রার্থনা করবো এবং আমাকে অনুমতি দেয়া হবে। আমি তাঁকে দেখামাত্র সিজদায় লুটিয়ে পড়বো। আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদাবনত অবস্থায় রাখবেন। অতঃপর নির্দেশ দেওয়া হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও, বলো, শোনা হবে এবং চাও, দেয়া হবে, শাফাআত করো, কবুল করা হবে। অতএব তিনি যা আমাকে শিখিয়ে দিবেন সেই বাক্যে আমি তাঁর প্রশংসা করবো। অতঃপর আমি শাফাআত করবো। তবে আমার জন্য শাফাআতের একটি সীমা বেঁধে দেয়া হবে। আল্লাহ শাফাআত প্রাপ্তদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমি পুনরায় আমার প্রভুর নিকট ফিরে আসবো এবং তাঁকে দেখামাত্র সিজদায় লুটিয়ে পড়বো। আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদাবনত রাখবেন। অতঃপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও, বলো, শোনা হবে; চাও, দেয়া হবে; শাফাআত করো, কবুল করা হবে। তিনি আমাকে যে বাক্য শিখিয়ে দিবেন, আমি সেই বাক্যে তাঁর প্রশংসা করবো, অতঃপর শাফাআত করবো। আমাকে একটি সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। আল্লাহ শাফাআত প্রাপ্তদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমি তৃতীয় বারের মত ফিরে যাবো এবং আমার প্রভুকে দেখামাত্র সিজদায় পতিত হবো। আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সিজদাবনত রাখবেন। অতঃপর বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও; বলো, শোনা হবে; প্রার্থনা করো, কবুল করা হবে; শাফাআত করো, মঞ্জুর করা হবে। আমি আমার মাথা উঠাবো এবং তাঁর শিখানো বাক্যে তাঁর প্রশংসা করবো এবং তারপর আমি শাফাআত করবো এবং আমাকে একটা সীমা বেঁধে দেয়া হবে। আল্লাহ শাফাআত কৃতদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমি চতুর্থবার গিয়ে বলবো, হে প্রভু! কুরআন যাদের আটক করে রেখেছে তারা ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট নেই। রাবী বলেন, কাতাদা (রাঃ) এই হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন, আনাস বিন মালিক (রাঃ) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শেষে এমন ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে শুধু বলেছে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই) এবং যার অন্তরে একটি গমের দানা পরিমাণ নেক আমল থাকবে। আর এমন ব্যক্তিকেও জাহান্নাম থেকে বের করে আনা হবে যে বলেছে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এবং যার অন্তরে থাকবে বার্লির দানা পরিমাণ নেক আমল (ঈমান)। এমন ব্যক্তিকেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে বলেছেঃ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এবং যার অন্তরে অণু পরিমাণ নেক আমল থাকবে।[৩৬৪৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا نصر بن علي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ يجتمع المؤمنون يوم القيامة يلهمون - أو يهمون شك سعيد - فيقولون لو تشفعنا إلى ربنا فأراحنا من مكاننا فيأتون آدم فيقولون أنت آدم أبو الناس خلقك الله بيده وأسجد لك ملائكته فاشفع لنا عند ربك يرحنا من مكاننا هذا ‏.‏ فيقول لست هناكم - ويذكر ويشكو إليهم ذنبه الذي أصاب فيستحيي من ذلك - ولكن ائتوا نوحا فإنه أول رسول بعثه الله إلى أهل الأرض فيأتونه فيقول لست هناكم - ويذكر سؤاله ربه ما ليس له به علم ويستحيي من ذلك - ولكن ائتوا خليل الرحمن إبراهيم فيأتونه فيقول لست هناكم ولكن ائتوا موسى عبدا كلمه الله وأعطاه التوراة ‏.‏ فيأتونه فيقول لست هناكم - ويذكر قتله النفس بغير النفس - ولكن ائتوا عيسى عبد الله ورسوله وكلمة الله وروحه ‏.‏ فيأتونه فيقول لست هناكم ولكن ائتوا محمدا عبدا غفر الله له ما تقدم من ذنبه وما تأخر ‏.‏ قال فيأتوني فأنطلق - قال فذكر هذا الحرف عن الحسن ‏.‏ قال فأمشي بين السماطين من المؤمنين ‏.‏ قال ثم عاد إلى حديث أنس - قال ‏"‏ فأستأذن على ربي فيؤذن لي فإذا رأيته وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع يا محمد وقل تسمع وسل تعطه واشفع تشفع فأحمده بتحميد يعلمنيه ثم أشفع فيحد لي حدا فيدخلهم الجنة ثم أعود الثانية فإذا رأيته وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال لي ارفع محمد قل تسمع وسل تعطه واشفع تشفع فأرفع رأسي فأحمده بتحميد يعلمنيه ثم أشفع فيحد لي حدا فيدخلهم الجنة ثم أعود الثالثة فإذا رأيت ربي وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع محمد قل تسمع وسل تعطه واشفع تشفع فأرفع رأسي فأحمده بتحميد يعلمنيه ثم أشفع فيحد لي حدا فيدخلهم الجنة ثم أعود الرابعة فأقول يا رب ما بقي إلا من حبسه القرآن ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১৫

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا الحسين بن ذكوان، عن أبي رجاء العطاردي، عن عمران بن الحصين، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ ليخرجن قوم من النار بشفاعتي يسمون الجهنميين ‏"‏ ‏.‏

ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার শাফাআতের বদৌলতে “জাহান্নামী” নামের একদল জাহান্নাম থেকে নাজাত পাবে।[৩৬৪৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার শাফাআতের বদৌলতে “জাহান্নামী” নামের একদল জাহান্নাম থেকে নাজাত পাবে।[৩৬৪৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا الحسين بن ذكوان، عن أبي رجاء العطاردي، عن عمران بن الحصين، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ ليخرجن قوم من النار بشفاعتي يسمون الجهنميين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১৭

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا ابن جابر، قال سمعت سليم بن عامر، يقول سمعت عوف بن مالك الأشجعي، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ أتدرون ما خيرني ربي الليلة ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم قال ‏"‏ فإنه خيرني بين أن يدخل نصف أمتي الجنة وبين الشفاعة فاخترت الشفاعة ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله ادع الله أن يجعلنا من أهلها ‏.‏ قال ‏"‏ هي لكل مسلم ‏"‏ ‏.‏

আওফ বিন মালিক আল-আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কি জানো, আমার প্রভু আজ রাতে আমাকে কোন্‌ বিষয়ে অবকাশ দিয়েছেন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক অবগত। তিনি বলেনঃ তিনি (আল্লাহ) আমাকে এই অবকাশ দিয়েছেন যে, আমার উম্মাতের অর্ধেক সংখ্যক জান্নাতে প্রবেশ করবে অথবা তাদের নাজাতের জন্য শাফা‘আতের অনুমতি থাকবে। আমি শাফা‘আতের অবকাশ গ্রহণ করলাম। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর কাছে দুআ’ করুন যেন তিনি আমাদেরকে শাফাআত লাভের যোগ্য বানান। তিনি বলেনঃ এই শাফাআত প্রত্যেক মুসলমানের জন্য।[৩৬৪৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আওফ বিন মালিক আল-আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কি জানো, আমার প্রভু আজ রাতে আমাকে কোন্‌ বিষয়ে অবকাশ দিয়েছেন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক অবগত। তিনি বলেনঃ তিনি (আল্লাহ) আমাকে এই অবকাশ দিয়েছেন যে, আমার উম্মাতের অর্ধেক সংখ্যক জান্নাতে প্রবেশ করবে অথবা তাদের নাজাতের জন্য শাফা‘আতের অনুমতি থাকবে। আমি শাফা‘আতের অবকাশ গ্রহণ করলাম। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর কাছে দুআ’ করুন যেন তিনি আমাদেরকে শাফাআত লাভের যোগ্য বানান। তিনি বলেনঃ এই শাফাআত প্রত্যেক মুসলমানের জন্য।[৩৬৪৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا ابن جابر، قال سمعت سليم بن عامر، يقول سمعت عوف بن مالك الأشجعي، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ أتدرون ما خيرني ربي الليلة ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم قال ‏"‏ فإنه خيرني بين أن يدخل نصف أمتي الجنة وبين الشفاعة فاخترت الشفاعة ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله ادع الله أن يجعلنا من أهلها ‏.‏ قال ‏"‏ هي لكل مسلم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১১

حدثنا إسماعيل بن أسد، حدثنا أبو بدر، حدثنا زياد بن خيثمة، عن نعيم بن أبي هند، عن ربعي بن حراش، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ خيرت بين الشفاعة وبين أن يدخل نصف أمتي الجنة فاخترت الشفاعة لأنها أعم وأكفى أترونها للمتقين لا ولكنها للمذنبين الخطائين المتلوثين ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে শাফাআত করার অথবা আমার উম্মাতের অর্ধেক জান্নাতী হওয়ার মধ্যে যে কোন একটি গ্রহণ করার অবকাশ দেয়া হয়েছিলো। আমি শাফাআতকে গ্রহণ করেছি। কেননা তা ব্যাপক বিস্তৃত এবং অধিক ফলপ্রসূ। তোমরা কি মনে করো যে, শাফাআত মুত্তাকীদের জন্য? না, বরং তা গুনাহগার, অপরাধে অভিযুক্ত এবং সত্য-মিথ্যার মধ্যে মিশ্রণকারীদের জন্য।[৩৬৪৩] তাহকীক আলবানীঃ “لأ نها ...” বাক্যটি ব্যতীত সহীহ।

আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে শাফাআত করার অথবা আমার উম্মাতের অর্ধেক জান্নাতী হওয়ার মধ্যে যে কোন একটি গ্রহণ করার অবকাশ দেয়া হয়েছিলো। আমি শাফাআতকে গ্রহণ করেছি। কেননা তা ব্যাপক বিস্তৃত এবং অধিক ফলপ্রসূ। তোমরা কি মনে করো যে, শাফাআত মুত্তাকীদের জন্য? না, বরং তা গুনাহগার, অপরাধে অভিযুক্ত এবং সত্য-মিথ্যার মধ্যে মিশ্রণকারীদের জন্য।[৩৬৪৩] তাহকীক আলবানীঃ “لأ نها ...” বাক্যটি ব্যতীত সহীহ।

حدثنا إسماعيل بن أسد، حدثنا أبو بدر، حدثنا زياد بن خيثمة، عن نعيم بن أبي هند، عن ربعي بن حراش، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ خيرت بين الشفاعة وبين أن يدخل نصف أمتي الجنة فاخترت الشفاعة لأنها أعم وأكفى أترونها للمتقين لا ولكنها للمذنبين الخطائين المتلوثين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১৩

حدثنا سعيد بن مروان، حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عنبسة بن عبد الرحمن، عن علاق بن أبي مسلم، عن أبان بن عثمان، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يشفع يوم القيامة ثلاثة الأنبياء ثم العلماء ثم الشهداء ‏"‏ ‏.‏

উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণির লোক শাফাআত করবে। নবীগণ, অতঃপর আলিমগণ, অতঃপর শহীদগণ।[৩৬৪৫] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।

উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণির লোক শাফাআত করবে। নবীগণ, অতঃপর আলিমগণ, অতঃপর শহীদগণ।[৩৬৪৫] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।

حدثنا سعيد بن مروان، حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عنبسة بن عبد الرحمن، عن علاق بن أبي مسلم، عن أبان بن عثمان، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يشفع يوم القيامة ثلاثة الأنبياء ثم العلماء ثم الشهداء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩১৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا وهيب، حدثنا خالد، عن عبد الله بن شقيق، عن عبد الله بن أبي الجذعاء، أنه سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ ليدخلن الجنة بشفاعة رجل من أمتي أكثر من بني تميم ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله سواك قال ‏"‏ سواى ‏"‏ ‏.‏ قلت أنت سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال أنا سمعته ‏.

আবদুল্লাহ বিন আবুল জাদআ’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ আমার উম্মাতের এক ব্যক্তির শাফাআতে তামীম গোত্রের জনসংখ্যার চেয়েও অধিক লোক জান্নাতে যাবে। তারা জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেই ব্যক্তি কি আপনি ব্যতীত অন্য কেউ? তিনি বলেনঃ আমি ব্যতীত। আমি (আবদুল্লাহ বিন আবুল জাদআ’) জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি এটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তাঁর নিকট শুনেছি। [৩৬৪৮]

আবদুল্লাহ বিন আবুল জাদআ’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ আমার উম্মাতের এক ব্যক্তির শাফাআতে তামীম গোত্রের জনসংখ্যার চেয়েও অধিক লোক জান্নাতে যাবে। তারা জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেই ব্যক্তি কি আপনি ব্যতীত অন্য কেউ? তিনি বলেনঃ আমি ব্যতীত। আমি (আবদুল্লাহ বিন আবুল জাদআ’) জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি এটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তাঁর নিকট শুনেছি। [৩৬৪৮]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا وهيب، حدثنا خالد، عن عبد الله بن شقيق، عن عبد الله بن أبي الجذعاء، أنه سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ ليدخلن الجنة بشفاعة رجل من أمتي أكثر من بني تميم ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله سواك قال ‏"‏ سواى ‏"‏ ‏.‏ قلت أنت سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال أنا سمعته ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00