সুনানে ইবনে মাজাহ > কবর ও তার বিপর্যয়কর পরিস্থিতি
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " ليس شىء من الإنسان إلا يبلى إلا عظما واحدا وهو عجب الذنب ومنه يركب الخلق يوم القيامة " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একটি হাড় ব্যতিত গোটা মানবদেহ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে। সেটা হলো পাছার হাড় এবং এই হাড় থেকেই কিয়ামতের দিন সৃষ্টির দৈহিক কাঠামো পুনর্গঠিত করা হবে।[৩৫৯৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একটি হাড় ব্যতিত গোটা মানবদেহ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে। সেটা হলো পাছার হাড় এবং এই হাড় থেকেই কিয়ামতের দিন সৃষ্টির দৈহিক কাঠামো পুনর্গঠিত করা হবে।[৩৫৯৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " ليس شىء من الإنسان إلا يبلى إلا عظما واحدا وهو عجب الذنب ومنه يركب الخلق يوم القيامة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৯
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " {يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت } قال : نزلت في عذاب القبر يقال له : من ربك فيقول : ربي الله ونبيي محمد فذلك قوله {يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت في الحياة الدنيا وفي الآخرة} " .
বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবে” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। তিনি বলেন যে, এ আয়াত কবর আযাব সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কবরস্থ ব্যক্তিকে বলা হবে, তোমার রব কে? সে বলবে, আমার রব আল্লাহ এবং আমার নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এই হচ্ছে আল্লাহর নিম্নোক্ত আয়াতের তাৎপর্য (অনুবাদ) : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদের পার্থিব জীবনে এবং আখেরাতে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। [৩৬০১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবে” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। তিনি বলেন যে, এ আয়াত কবর আযাব সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কবরস্থ ব্যক্তিকে বলা হবে, তোমার রব কে? সে বলবে, আমার রব আল্লাহ এবং আমার নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এই হচ্ছে আল্লাহর নিম্নোক্ত আয়াতের তাৎপর্য (অনুবাদ) : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদের পার্থিব জীবনে এবং আখেরাতে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। [৩৬০১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " {يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت } قال : نزلت في عذاب القبر يقال له : من ربك فيقول : ربي الله ونبيي محمد فذلك قوله {يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت في الحياة الدنيا وفي الآخرة} " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إذا مات أحدكم عرض على مقعده بالغداة والعشي إن كان من أهل الجنة فمن أهل الجنة، وإن كان من أهل النار فمن أهل النار يقال هذا مقعدك حتى تبعث يوم القيامة " .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের যে কেউ মারা যাওয়ার পর তার সামনে সকাল-সন্ধ্যায় তার বসবাসের ঠিকানা তুলে ধরা হয়। সে জান্নাতি হয়ে থাকলে জান্নাতীদের অবস্থান দেখানো হয় এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামীদের অবস্থান দেখানো হয়। তাকে বলা হয়, কিয়ামতের দিন তোমাকে উঠানোর পর থেকে এটাই হবে তোমার আবাস।[৩৬০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের যে কেউ মারা যাওয়ার পর তার সামনে সকাল-সন্ধ্যায় তার বসবাসের ঠিকানা তুলে ধরা হয়। সে জান্নাতি হয়ে থাকলে জান্নাতীদের অবস্থান দেখানো হয় এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামীদের অবস্থান দেখানো হয়। তাকে বলা হয়, কিয়ামতের দিন তোমাকে উঠানোর পর থেকে এটাই হবে তোমার আবাস।[৩৬০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إذا مات أحدكم عرض على مقعده بالغداة والعشي إن كان من أهل الجنة فمن أهل الجنة، وإن كان من أهل النار فمن أهل النار يقال هذا مقعدك حتى تبعث يوم القيامة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭১
حدثنا سويد بن سعيد، أنبأنا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب الأنصاري، أنه أخبره أن أباه كان يحدث أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إنما نسمة المؤمن طائر يعلق في شجر الجنة حتى يرجع إلى جسده يوم يبعث " .
কা‘ব বিন মালিক আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুমিন ব্যক্তির রূহ একটি পাখির আকৃতিতে জান্নাতের বৃক্ষে যুক্ত থাকবে। শেষে উত্থিত হওয়ার দিন তার রূহ তার দেহে ফিরে আসবে।[৩৬০৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
কা‘ব বিন মালিক আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুমিন ব্যক্তির রূহ একটি পাখির আকৃতিতে জান্নাতের বৃক্ষে যুক্ত থাকবে। শেষে উত্থিত হওয়ার দিন তার রূহ তার দেহে ফিরে আসবে।[৩৬০৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا سويد بن سعيد، أنبأنا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب الأنصاري، أنه أخبره أن أباه كان يحدث أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إنما نسمة المؤمن طائر يعلق في شجر الجنة حتى يرجع إلى جسده يوم يبعث " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৭
حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني يحيى بن معين، حدثنا هشام بن يوسف، عن عبد الله بن بحير، عن هانئ، - مولى عثمان - قال : كان عثمان بن عفان إذا وقف على قبر يبكي حتى يبل لحيته فقيل له : تذكر الجنة والنار ولا تبكي وتبكي من هذا قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إن القبر أول منازل الآخرة فإن نجا منه فما بعده أيسر منه وإن لم ينج منه، فما بعده أشد منه " . قال وقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " ما رأيت منظرا قط إلا والقبر أفظع منه " .
উসমান (রাঃ) এর মুক্তদাস হানী থেকে বর্নিতঃ
উসমান বিন আফফান (রাঃ) যখন কোন কবরের পাশে দাঁড়াতেন তখন এতো কাঁদতেন যে, তার দাড়ি ভিজে যেত। তাকে বলা হলো, আপনি জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করেন তখন তো এভাবে কান্নাকাটি করেন না ,অথচ কবর দেখলেই কাঁদেন! তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় কবর হলো আখেরাতের মনযিলসমূহের মধ্যকার সর্বপ্রথম মনযিল। কেউ যদি এখান থেকে রেহাই পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিল গুলো কবরের চেয়েও সহজতর হবে। আর সে যদি এখান থেকে রেহাই না পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো ভয়াভহ হবে। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কখনও এমন কোন দৃশ্য অবলোকন করিনি যার তুলনায় কবর অধিক ভয়ংকর নয়।[৩৫৯৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
উসমান (রাঃ) এর মুক্তদাস হানী থেকে বর্নিতঃ
উসমান বিন আফফান (রাঃ) যখন কোন কবরের পাশে দাঁড়াতেন তখন এতো কাঁদতেন যে, তার দাড়ি ভিজে যেত। তাকে বলা হলো, আপনি জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করেন তখন তো এভাবে কান্নাকাটি করেন না ,অথচ কবর দেখলেই কাঁদেন! তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় কবর হলো আখেরাতের মনযিলসমূহের মধ্যকার সর্বপ্রথম মনযিল। কেউ যদি এখান থেকে রেহাই পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিল গুলো কবরের চেয়েও সহজতর হবে। আর সে যদি এখান থেকে রেহাই না পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো ভয়াভহ হবে। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কখনও এমন কোন দৃশ্য অবলোকন করিনি যার তুলনায় কবর অধিক ভয়ংকর নয়।[৩৫৯৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني يحيى بن معين، حدثنا هشام بن يوسف، عن عبد الله بن بحير، عن هانئ، - مولى عثمان - قال : كان عثمان بن عفان إذا وقف على قبر يبكي حتى يبل لحيته فقيل له : تذكر الجنة والنار ولا تبكي وتبكي من هذا قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إن القبر أول منازل الآخرة فإن نجا منه فما بعده أيسر منه وإن لم ينج منه، فما بعده أشد منه " . قال وقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " ما رأيت منظرا قط إلا والقبر أفظع منه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إن الميت يصير إلى القبر فيجلس الرجل الصالح في قبره غير فزع ولا مشعوف ثم يقال له : فيم كنت فيقول : كنت في الإسلام . فيقال له : ما هذا الرجل فيقول : محمد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ جاءنا بالبينات من عند الله فصدقناه . فيقال له : هل رأيت الله فيقول : ما ينبغي لأحد أن يرى الله . فيفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له : انظر إلى ما وقاك الله . ثم يفرج له فرجة قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له : هذا مقعدك . ويقال له : على اليقين كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله . ويجلس الرجل السوء في قبره فزعا مشعوفا فيقال له : فيم كنت فيقول : لا أدري . فيقال له : ما هذا الرجل فيقول : سمعت الناس يقولون قولا فقلته . فيفرج له قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له : انظر إلى ما صرف الله عنك . ثم يفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له : هذا مقعدك على الشك كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله تعالى " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে এবং সে সৎকর্মপরায়ণ লোক হলে তাকে ভীতিশূন্য ও দুশ্চিন্তামুক্ত অবস্থায় তার কবরে বসানো হয়। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি ইসলামের অনুসারী ছিলাম। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দলীল-প্রমাণসহ আমাদের নিকট এসেছিলেন এবং আমরা তাকে সত্য নবী বলে স্বীকার করেছি। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কি আল্লাহকে দেখেছিলে? সে বলবে, আল্লাহকে দেখা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, তার এক অংশ অপর অংশকে গ্রাস করছে। তাকে বলা হবে, দেখে নাও, যা থেকে আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করেছেন। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, এই হলো তোমার স্থায়ী বাসস্থান। তাকে আরো বলা হবে, তুমি ঈমানের উপর দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত ছিলে, ঈমানসহ মৃত্যুবরণ করেছ এবং ইনশাল্লাহ ঈমানসহ হাশরের ময়দানে উত্থিত হবে। পক্ষান্তরে দুষ্কর্মপরায়ণ লোককে ভীতিকর ও দুশ্চিন্তাগ্রস্থ অবস্থায় উঠিয়ে তার কবরে বসানো হবে। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি জানি না। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আমি লোকজনকে একটা কথা বলতে শুনেছি, আমিও তাই বলেছি। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, দেখ যা থেকে আল্লাহ তোকে বঞ্চিত করেছেন। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, জাহান্নামের এক অংশ অপর অংশ কে গ্রাস করছে। অতঃপর তাকে বলা হবে, এটা হলো তোর স্থায়ী আবাসস্থল। তুই সংশয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলি, সংশয়ী অবস্থায় মরেছিস এবং আল্লাহর মর্জি সংশয়ী অবস্থায় তোকে উঠানো হবে।[৩৬০০] তাওকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে এবং সে সৎকর্মপরায়ণ লোক হলে তাকে ভীতিশূন্য ও দুশ্চিন্তামুক্ত অবস্থায় তার কবরে বসানো হয়। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি ইসলামের অনুসারী ছিলাম। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দলীল-প্রমাণসহ আমাদের নিকট এসেছিলেন এবং আমরা তাকে সত্য নবী বলে স্বীকার করেছি। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কি আল্লাহকে দেখেছিলে? সে বলবে, আল্লাহকে দেখা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, তার এক অংশ অপর অংশকে গ্রাস করছে। তাকে বলা হবে, দেখে নাও, যা থেকে আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করেছেন। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, এই হলো তোমার স্থায়ী বাসস্থান। তাকে আরো বলা হবে, তুমি ঈমানের উপর দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত ছিলে, ঈমানসহ মৃত্যুবরণ করেছ এবং ইনশাল্লাহ ঈমানসহ হাশরের ময়দানে উত্থিত হবে। পক্ষান্তরে দুষ্কর্মপরায়ণ লোককে ভীতিকর ও দুশ্চিন্তাগ্রস্থ অবস্থায় উঠিয়ে তার কবরে বসানো হবে। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি জানি না। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আমি লোকজনকে একটা কথা বলতে শুনেছি, আমিও তাই বলেছি। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, দেখ যা থেকে আল্লাহ তোকে বঞ্চিত করেছেন। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, জাহান্নামের এক অংশ অপর অংশ কে গ্রাস করছে। অতঃপর তাকে বলা হবে, এটা হলো তোর স্থায়ী আবাসস্থল। তুই সংশয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলি, সংশয়ী অবস্থায় মরেছিস এবং আল্লাহর মর্জি সংশয়ী অবস্থায় তোকে উঠানো হবে।[৩৬০০] তাওকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إن الميت يصير إلى القبر فيجلس الرجل الصالح في قبره غير فزع ولا مشعوف ثم يقال له : فيم كنت فيقول : كنت في الإسلام . فيقال له : ما هذا الرجل فيقول : محمد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ جاءنا بالبينات من عند الله فصدقناه . فيقال له : هل رأيت الله فيقول : ما ينبغي لأحد أن يرى الله . فيفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له : انظر إلى ما وقاك الله . ثم يفرج له فرجة قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له : هذا مقعدك . ويقال له : على اليقين كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله . ويجلس الرجل السوء في قبره فزعا مشعوفا فيقال له : فيم كنت فيقول : لا أدري . فيقال له : ما هذا الرجل فيقول : سمعت الناس يقولون قولا فقلته . فيفرج له قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له : انظر إلى ما صرف الله عنك . ثم يفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له : هذا مقعدك على الشك كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله تعالى " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭২
حدثنا إسماعيل بن حفص الأبلي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إذا أدخل الميت القبر مثلت الشمس له عند غروبها فيجلس يمسح عينيه ويقول : دعوني أصلي " .
জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে সে সূর্যকে অস্তমিত দেখতে পায়। তখন সে উঠে বসে এবং তার চক্ষুদ্বয় মলতে মলতে বলে, আমাকে ছেড়ে দাও, আমি নামাজ পড়বো।[৩৬০৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে সে সূর্যকে অস্তমিত দেখতে পায়। তখন সে উঠে বসে এবং তার চক্ষুদ্বয় মলতে মলতে বলে, আমাকে ছেড়ে দাও, আমি নামাজ পড়বো।[৩৬০৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا إسماعيل بن حفص الأبلي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " إذا أدخل الميت القبر مثلت الشمس له عند غروبها فيجلس يمسح عينيه ويقول : دعوني أصلي " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > পুনরুত্থানের আলোচনা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن حاتم بن أبي صغيرة، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم، قال قالت عائشة قلت يا رسول الله كيف يحشر الناس يوم القيامة قال " حفاة عراة " . قلت والنساء قال " والنساء " . قلت يا رسول الله فما يستحيى قال " يا عائشة الأمر أشد من أن ينظر بعضهم إلى بعض " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে মানবজাতিকে কী অবস্থায় সমবেত করা হবে? তিনি বলেনঃ নগ্নপদে উলংগ বদনে। আমি বললাম, নারীরাও? তিনি বলেনঃ নারীরাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এতে কি আমরা লজ্জিত হবো না? তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! তখনকার অবস্থা হবে খুবই ভয়ংকর। কেউ কারো প্রতি দৃষ্টিপাত করার মত অবস্থায় থাকবে না। [৩৬০৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে মানবজাতিকে কী অবস্থায় সমবেত করা হবে? তিনি বলেনঃ নগ্নপদে উলংগ বদনে। আমি বললাম, নারীরাও? তিনি বলেনঃ নারীরাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এতে কি আমরা লজ্জিত হবো না? তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! তখনকার অবস্থা হবে খুবই ভয়ংকর। কেউ কারো প্রতি দৃষ্টিপাত করার মত অবস্থায় থাকবে না। [৩৬০৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن حاتم بن أبي صغيرة، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم، قال قالت عائشة قلت يا رسول الله كيف يحشر الناس يوم القيامة قال " حفاة عراة " . قلت والنساء قال " والنساء " . قلت يا رسول الله فما يستحيى قال " يا عائشة الأمر أشد من أن ينظر بعضهم إلى بعض " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৭
حدثنا أبو بكر، حدثنا وكيع، عن علي بن علي بن رفاعة، عن الحسن، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يعرض الناس يوم القيامة ثلاث عرضات فأما عرضتان فجدال ومعاذير وأما الثالثة فعند ذلك تطير الصحف في الأيدي فآخذ بيمينه وآخذ بشماله " .
আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন মানুষকে তিনবার পেশ করা হবে। প্রথম দু’বার বাক-বিতন্ডা ও ওজর-আপত্তি পেশের জন্য। তৃতীয়বারে প্রত্যেকের আমলনামা উড়ে এসে হাতের নাগালে পৌঁছবে এবং কেউ তা ডান হাতে, কেউ তা বাম হাতে গ্রহণ করবে।[৩৬০৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন মানুষকে তিনবার পেশ করা হবে। প্রথম দু’বার বাক-বিতন্ডা ও ওজর-আপত্তি পেশের জন্য। তৃতীয়বারে প্রত্যেকের আমলনামা উড়ে এসে হাতের নাগালে পৌঁছবে এবং কেউ তা ডান হাতে, কেউ তা বাম হাতে গ্রহণ করবে।[৩৬০৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا أبو بكر، حدثنا وكيع، عن علي بن علي بن رفاعة، عن الحسن، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يعرض الناس يوم القيامة ثلاث عرضات فأما عرضتان فجدال ومعاذير وأما الثالثة فعند ذلك تطير الصحف في الأيدي فآخذ بيمينه وآخذ بشماله " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عيسى بن يونس، وأبو خالد الأحمر عن ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ {يوم يقوم الناس لرب العالمين} قال " يقوم أحدهم في رشحه إلى أنصاف أذنيه " .
ইবনু উমার (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “যেদিন মানবজাতি জগতসমূহের প্রতিপালকের সম্মুখে দাঁড়াবে” (সূরা মুতাফফিফীনঃ ৬) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে বলেনঃ তাদের এক একজন নিজ দেহ নিঃসৃত ঘামের মধ্যে দু’ কান বরাবর ডুবন্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে।[৩৬১০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “যেদিন মানবজাতি জগতসমূহের প্রতিপালকের সম্মুখে দাঁড়াবে” (সূরা মুতাফফিফীনঃ ৬) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে বলেনঃ তাদের এক একজন নিজ দেহ নিঃসৃত ঘামের মধ্যে দু’ কান বরাবর ডুবন্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে।[৩৬১০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عيسى بن يونس، وأبو خالد الأحمر عن ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ {يوم يقوم الناس لرب العالمين} قال " يقوم أحدهم في رشحه إلى أنصاف أذنيه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن داود، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، قالت سألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن قوله {يوم تبدل الأرض غير الأرض والسموات } فأين تكون الناس يومئذ قال " على الصراط " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট “যেদিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে অন্য পৃথিবী হবে এবং আকাশমন্ডলীও” (সূরা ইবরাহীমঃ ৪৮) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, সেদিন মানুষ কোথায় থাকবে? তিনি বলেনঃ পুলসিরাতের উপর।[৩৬১১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট “যেদিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে অন্য পৃথিবী হবে এবং আকাশমন্ডলীও” (সূরা ইবরাহীমঃ ৪৮) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, সেদিন মানুষ কোথায় থাকবে? তিনি বলেনঃ পুলসিরাতের উপর।[৩৬১১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن داود، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، قالت سألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن قوله {يوم تبدل الأرض غير الأرض والسموات } فأين تكون الناس يومئذ قال " على الصراط " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رجل من اليهود بسوق المدينة والذي اصطفى موسى على البشر . فرفع رجل من الأنصار يده فلطمه قال تقول هذا وفينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر ذلك لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " قال الله عز وجل {ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون} فأكون أول من رفع رأسه فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله عز وجل . ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মদীনার বাজারে এক ইহূদী বললো, সেই সত্তার শপথ যিনি মূসা (আঃ) কে সমগ্র মানবজাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এক আনসারী তার হাত তুলে তাকে সজোরে চড় মেরে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তুমি একথা বলছো! বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করবেন তারা ব্যতিত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মুর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর পুনরায় শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমারঃ ৬৮)। আমি হবো মাথা উত্তোলনকারী প্রথম ব্যক্তি। আমি মূসা আলাইহিস সালামকে আরশের একটি পায়া ধরে আঁকরে ধরা অবস্থায় দেখতে পাবো। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে তাঁর মাথা তুলেছেন, না আল্লাহ তাআলা তাকে অজ্ঞান হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। আর যে ব্যক্তি বলে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা আলাইহিস সালাম অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলে।[৩৬০৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মদীনার বাজারে এক ইহূদী বললো, সেই সত্তার শপথ যিনি মূসা (আঃ) কে সমগ্র মানবজাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এক আনসারী তার হাত তুলে তাকে সজোরে চড় মেরে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তুমি একথা বলছো! বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করবেন তারা ব্যতিত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মুর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর পুনরায় শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমারঃ ৬৮)। আমি হবো মাথা উত্তোলনকারী প্রথম ব্যক্তি। আমি মূসা আলাইহিস সালামকে আরশের একটি পায়া ধরে আঁকরে ধরা অবস্থায় দেখতে পাবো। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে তাঁর মাথা তুলেছেন, না আল্লাহ তাআলা তাকে অজ্ঞান হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। আর যে ব্যক্তি বলে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা আলাইহিস সালাম অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলে।[৩৬০৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رجل من اليهود بسوق المدينة والذي اصطفى موسى على البشر . فرفع رجل من الأنصار يده فلطمه قال تقول هذا وفينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر ذلك لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " قال الله عز وجل {ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون} فأكون أول من رفع رأسه فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله عز وجل . ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رجل من اليهود بسوق المدينة والذي اصطفى موسى على البشر . فرفع رجل من الأنصار يده فلطمه قال تقول هذا وفينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر ذلك لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " قال الله عز وجل {ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون} فأكون أول من رفع رأسه فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله عز وجل . ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মদীনার বাজারে এক ইহূদী বললো, সেই সত্তার শপথ যিনি মূসা (আঃ) কে সমগ্র মানবজাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এক আনসারী তার হাত তুলে তাকে সজোরে চড় মেরে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তুমি একথা বলছো! বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করবেন তারা ব্যতিত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মুর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর পুনরায় শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমারঃ ৬৮)। আমি হবো মাথা উত্তোলনকারী প্রথম ব্যক্তি। আমি মূসা আলাইহিস সালামকে আরশের একটি পায়া ধরে আঁকরে ধরা অবস্থায় দেখতে পাবো। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে তাঁর মাথা তুলেছেন, না আল্লাহ তাআলা তাকে অজ্ঞান হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। আর যে ব্যক্তি বলে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা আলাইহিস সালাম অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলে।[৩৬০৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মদীনার বাজারে এক ইহূদী বললো, সেই সত্তার শপথ যিনি মূসা (আঃ) কে সমগ্র মানবজাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এক আনসারী তার হাত তুলে তাকে সজোরে চড় মেরে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তুমি একথা বলছো! বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করবেন তারা ব্যতিত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মুর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর পুনরায় শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমারঃ ৬৮)। আমি হবো মাথা উত্তোলনকারী প্রথম ব্যক্তি। আমি মূসা আলাইহিস সালামকে আরশের একটি পায়া ধরে আঁকরে ধরা অবস্থায় দেখতে পাবো। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে তাঁর মাথা তুলেছেন, না আল্লাহ তাআলা তাকে অজ্ঞান হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। আর যে ব্যক্তি বলে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা আলাইহিস সালাম অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলে।[৩৬০৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رجل من اليهود بسوق المدينة والذي اصطفى موسى على البشر . فرفع رجل من الأنصار يده فلطمه قال تقول هذا وفينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر ذلك لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " قال الله عز وجل {ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون} فأكون أول من رفع رأسه فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله عز وجل . ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رجل من اليهود بسوق المدينة والذي اصطفى موسى على البشر . فرفع رجل من الأنصار يده فلطمه قال تقول هذا وفينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر ذلك لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " قال الله عز وجل {ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون} فأكون أول من رفع رأسه فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله عز وجل . ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মদীনার বাজারে এক ইহূদী বললো, সেই সত্তার শপথ যিনি মূসা (আঃ) কে সমগ্র মানবজাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এক আনসারী তার হাত তুলে তাকে সজোরে চড় মেরে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তুমি একথা বলছো! বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করবেন তারা ব্যতিত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মুর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর পুনরায় শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমারঃ ৬৮)। আমি হবো মাথা উত্তোলনকারী প্রথম ব্যক্তি। আমি মূসা আলাইহিস সালামকে আরশের একটি পায়া ধরে আঁকরে ধরা অবস্থায় দেখতে পাবো। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে তাঁর মাথা তুলেছেন, না আল্লাহ তাআলা তাকে অজ্ঞান হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। আর যে ব্যক্তি বলে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা আলাইহিস সালাম অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলে।[৩৬০৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মদীনার বাজারে এক ইহূদী বললো, সেই সত্তার শপথ যিনি মূসা (আঃ) কে সমগ্র মানবজাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এক আনসারী তার হাত তুলে তাকে সজোরে চড় মেরে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তুমি একথা বলছো! বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করবেন তারা ব্যতিত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মুর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর পুনরায় শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমারঃ ৬৮)। আমি হবো মাথা উত্তোলনকারী প্রথম ব্যক্তি। আমি মূসা আলাইহিস সালামকে আরশের একটি পায়া ধরে আঁকরে ধরা অবস্থায় দেখতে পাবো। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে তাঁর মাথা তুলেছেন, না আল্লাহ তাআলা তাকে অজ্ঞান হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। আর যে ব্যক্তি বলে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা আলাইহিস সালাম অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলে।[৩৬০৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رجل من اليهود بسوق المدينة والذي اصطفى موسى على البشر . فرفع رجل من الأنصار يده فلطمه قال تقول هذا وفينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر ذلك لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " قال الله عز وجل {ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون} فأكون أول من رفع رأسه فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله عز وجل . ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৫
حدثنا هشام بن عمار، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، حدثني أبي، عن عبيد الله بن مقسم، عن عبد الله بن عمر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على المنبر يقول " يأخذ الجبار سمواته وأرضيه بيده - وقبض يده فجعل يقبضها ويبسطها - ثم يقول أنا الجبار أنا الملك أين الجبارون أين المتكبرون " . قال ويتمايل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن يمينه وعن شماله حتى نظرت إلى المنبر يتحرك من أسفل شىء منه حتى إني لأقول أساقط هو برسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ মহাপ্রতাপশালী আল্লাহ তাঁর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে তাঁর হাতের মুঠোয় পুরে নিয়ে তা মুষ্টিবদ্ধ করবেন, অতঃপর তা সংকুচিত ও প্রসারিত করতে থাকবেন, অতঃপর বলবেন, আমিই মহাপ্রতাপশালী, আমিই রাজাধিরাজ। প্রতাপশালী দাম্ভিকেরা কোথায়? রাবী বলেন, এ কথা বলতে বলতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডানে বামে ঝুঁকছিলেন। শেষে আমি লক্ষ্য করলাম যে, মিম্বারের নিম্নাংশ তাকে নিয়ে দুলছে, এমনকি আমি বলতে লাগলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বার থেকে নিচে পড়ে যান কিনা।[৩৬০৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ মহাপ্রতাপশালী আল্লাহ তাঁর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে তাঁর হাতের মুঠোয় পুরে নিয়ে তা মুষ্টিবদ্ধ করবেন, অতঃপর তা সংকুচিত ও প্রসারিত করতে থাকবেন, অতঃপর বলবেন, আমিই মহাপ্রতাপশালী, আমিই রাজাধিরাজ। প্রতাপশালী দাম্ভিকেরা কোথায়? রাবী বলেন, এ কথা বলতে বলতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডানে বামে ঝুঁকছিলেন। শেষে আমি লক্ষ্য করলাম যে, মিম্বারের নিম্নাংশ তাকে নিয়ে দুলছে, এমনকি আমি বলতে লাগলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বার থেকে নিচে পড়ে যান কিনা।[৩৬০৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا هشام بن عمار، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، حدثني أبي، عن عبيد الله بن مقسم، عن عبد الله بن عمر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على المنبر يقول " يأخذ الجبار سمواته وأرضيه بيده - وقبض يده فجعل يقبضها ويبسطها - ثم يقول أنا الجبار أنا الملك أين الجبارون أين المتكبرون " . قال ويتمايل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن يمينه وعن شماله حتى نظرت إلى المنبر يتحرك من أسفل شىء منه حتى إني لأقول أساقط هو برسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮০
حدثنا أبو بكر، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، حدثني عبيد الله بن المغيرة، عن سليمان بن عمرو بن عبد العتواري، أحد بني ليث - قال - وكان في حجر أبي سعيد قال سمعته - يعني أبا سعيد، - يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " يوضع الصراط بين ظهرانى جهنم على حسك كحسك السعدان ثم يستجيز الناس فناج مسلم ومخدوج به ثم ناج ومحتبس به ومنكوس فيها " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুলসিরাত জাহান্নামের দু’ তীরের সাথে যুক্ত থাকবে। তাতে থাকবে সাদান বৃক্ষের কাঁটা সদৃশ কাঁটাসমূহ। লোকজন তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে। কতক মুসলমান নিরাপদে তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে, কতক কাঁটার আঁচড় খেয়ে, কতক কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে থাকার পর নাজাত পাবে এবং কতক মুখ থুবড়ে জাহান্নামের তলদেশে নিক্ষিপ্ত হবে।[৩৬১২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুলসিরাত জাহান্নামের দু’ তীরের সাথে যুক্ত থাকবে। তাতে থাকবে সাদান বৃক্ষের কাঁটা সদৃশ কাঁটাসমূহ। লোকজন তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে। কতক মুসলমান নিরাপদে তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে, কতক কাঁটার আঁচড় খেয়ে, কতক কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে থাকার পর নাজাত পাবে এবং কতক মুখ থুবড়ে জাহান্নামের তলদেশে নিক্ষিপ্ত হবে।[৩৬১২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، حدثني عبيد الله بن المغيرة، عن سليمان بن عمرو بن عبد العتواري، أحد بني ليث - قال - وكان في حجر أبي سعيد قال سمعته - يعني أبا سعيد، - يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " يوضع الصراط بين ظهرانى جهنم على حسك كحسك السعدان ثم يستجيز الناس فناج مسلم ومخدوج به ثم ناج ومحتبس به ومنكوس فيها " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن أم مبشر، عن حفصة، قالت قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إني لأرجو ألا يدخل النار أحد إن شاء الله تعالى ممن شهد بدرا والحديبية " . قالت قلت يا رسول الله أليس قد قال الله {وإن منكم إلا واردها كان على ربك حتما مقضيا} قال " ألم تسمعيه يقول {ثم ننجي الذين اتقوا ونذر الظالمين فيها جثيا} .
হাফসাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি অবশ্যই আশা করি আল্লাহর মর্জি যারা বদর ও হুদায়বিয়ার প্রান্তরে উপস্থিত ছিল তাদের কেউ জাহান্নামে যাবে না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা কি বলেননিঃ “এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে, এটা তোমার প্রভুর অনিবার্য সিদ্ধান্ত” (সূরা মরিয়মঃ ৭১)? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি কি শোননি যে, আল্লাহ বলেছেনঃ “পরে আমি মোত্তাকীদের উদ্ধার করবো এবং যালেমদের সেথায় নতজানু অবস্থায় রেখে দিবো” (সূরা মরিয়মঃ ৭২)।[৩৬১৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
হাফসাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি অবশ্যই আশা করি আল্লাহর মর্জি যারা বদর ও হুদায়বিয়ার প্রান্তরে উপস্থিত ছিল তাদের কেউ জাহান্নামে যাবে না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা কি বলেননিঃ “এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে, এটা তোমার প্রভুর অনিবার্য সিদ্ধান্ত” (সূরা মরিয়মঃ ৭১)? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি কি শোননি যে, আল্লাহ বলেছেনঃ “পরে আমি মোত্তাকীদের উদ্ধার করবো এবং যালেমদের সেথায় নতজানু অবস্থায় রেখে দিবো” (সূরা মরিয়মঃ ৭২)।[৩৬১৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن أم مبشر، عن حفصة، قالت قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إني لأرجو ألا يدخل النار أحد إن شاء الله تعالى ممن شهد بدرا والحديبية " . قالت قلت يا رسول الله أليس قد قال الله {وإن منكم إلا واردها كان على ربك حتما مقضيا} قال " ألم تسمعيه يقول {ثم ننجي الذين اتقوا ونذر الظالمين فيها جثيا} .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن حجاج، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن صاحبى الصور بأيديهما - أو في أيديهما - قرنان يلاحظان النظر متى يؤمران " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শিংগাধারী দু’ ফেরেশতা তাদের দু’ হাতে দু’টি শিংগা নিয়ে অপেক্ষায় আছেন, কখন তাদের প্রতি (ফুৎকারের) নির্দেশ আসে। [৩৬০৫] তাহকীক আলবানীঃ মুনকার তবে (আরবি) শব্দে মাহফূয।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শিংগাধারী দু’ ফেরেশতা তাদের দু’ হাতে দু’টি শিংগা নিয়ে অপেক্ষায় আছেন, কখন তাদের প্রতি (ফুৎকারের) নির্দেশ আসে। [৩৬০৫] তাহকীক আলবানীঃ মুনকার তবে (আরবি) শব্দে মাহফূয।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن حجاج، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن صاحبى الصور بأيديهما - أو في أيديهما - قرنان يلاحظان النظر متى يؤمران " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > মু হাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উম্মাতের বৈশিষ্ট্য
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮২
حدثنا أبو بكر، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن أبي مالك الأشجعي، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " تردون على غرا محجلين من الوضوء سيماء أمتي ليس لأحد غيرها " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন তারা (আমার উম্মাত) শুভ্র হস্তপদ ও উজ্জ্বল চেহারায় আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে। এটা হবে আমার উম্মাতের নিদর্শন, অন্য কোন উম্মাতের নয়।[৩৬১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন তারা (আমার উম্মাত) শুভ্র হস্তপদ ও উজ্জ্বল চেহারায় আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে। এটা হবে আমার উম্মাতের নিদর্শন, অন্য কোন উম্মাতের নয়।[৩৬১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن أبي مالك الأشجعي، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " تردون على غرا محجلين من الوضوء سيماء أمتي ليس لأحد غيرها " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن مصعب، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن رفاعة الجهني، قال صدرنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " والذي نفس محمد بيده ما من عبد يؤمن ثم يسدد إلا سلك به في الجنة وأرجو ألا يدخلوها حتى تبوءوا أنتم ومن صلح من ذراريكم مساكن في الجنة ولقد وعدني ربي عز وجل أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا بغير حساب " .
রিফা‘আহ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা (সফর থেকে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ফিরে এলে তিনি বলেনঃ সেই মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এমন কোন বান্দা নেই যে ঈমান আনার পর তার উপর অবিচল থেকেও জান্নাতের দিকে পরিচালিত হবে না। আমি আশা করি যে, তোমরা ও তোমাদের সৎ কর্মপরায়ণ সন্তানেরা জান্নাতে নিজ নিজ স্থানে না পৌঁছানো পর্যন্ত অন্য লোকেরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আমার মহান প্রভু আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।[৩৬১৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
রিফা‘আহ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা (সফর থেকে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ফিরে এলে তিনি বলেনঃ সেই মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এমন কোন বান্দা নেই যে ঈমান আনার পর তার উপর অবিচল থেকেও জান্নাতের দিকে পরিচালিত হবে না। আমি আশা করি যে, তোমরা ও তোমাদের সৎ কর্মপরায়ণ সন্তানেরা জান্নাতে নিজ নিজ স্থানে না পৌঁছানো পর্যন্ত অন্য লোকেরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আমার মহান প্রভু আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।[৩৬১৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن مصعب، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن رفاعة الجهني، قال صدرنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " والذي نفس محمد بيده ما من عبد يؤمن ثم يسدد إلا سلك به في الجنة وأرجو ألا يدخلوها حتى تبوءوا أنتم ومن صلح من ذراريكم مساكن في الجنة ولقد وعدني ربي عز وجل أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا بغير حساب " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৬
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا محمد بن زياد الألهاني، قال سمعت أبا أمامة الباهلي، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول وعدني ربي سبحانه أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا لا حساب عليهم ولا عذاب مع كل ألف سبعون ألفا وثلاث حثيات من حثيات ربي عز وجل " .
আবূ উমামাহ আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আমার মহান প্রতিপালক আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে দাখিল করবেন এবং তাদের কোনরূপ শাস্তিও হবেনা। প্রতি হাজারের সাথে থাকবে আরও সত্তর হাজার করে এবং আরো থাকবে আমার মহান প্রতিপালকের তিন মুঠো পরিমাণ।[৩৬১৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ উমামাহ আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আমার মহান প্রতিপালক আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে জান্নাতে দাখিল করবেন এবং তাদের কোনরূপ শাস্তিও হবেনা। প্রতি হাজারের সাথে থাকবে আরও সত্তর হাজার করে এবং আরো থাকবে আমার মহান প্রতিপালকের তিন মুঠো পরিমাণ।[৩৬১৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا محمد بن زياد الألهاني، قال سمعت أبا أمامة الباهلي، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول وعدني ربي سبحانه أن يدخل الجنة من أمتي سبعين ألفا لا حساب عليهم ولا عذاب مع كل ألف سبعون ألفا وثلاث حثيات من حثيات ربي عز وجل " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৭
حدثنا عيسى بن محمد بن النحاس الرملي، وأيوب بن محمد الرقي، قالا حدثنا ضمرة بن ربيعة، عن ابن شوذب، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " نكمل يوم القيامة سبعين أمة نحن آخرها وخيرها " .
মু‘আবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আমার উম্মাত সত্তর সংখ্যা পূর্ণ করবে। আমরা হবো এর সর্বশেষ ও সর্বোত্তম উম্মাত।[৩৬১৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান
মু‘আবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আমার উম্মাত সত্তর সংখ্যা পূর্ণ করবে। আমরা হবো এর সর্বশেষ ও সর্বোত্তম উম্মাত।[৩৬১৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান
حدثنا عيسى بن محمد بن النحاس الرملي، وأيوب بن محمد الرقي، قالا حدثنا ضمرة بن ربيعة، عن ابن شوذب، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " نكمل يوم القيامة سبعين أمة نحن آخرها وخيرها " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৩
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في قبة فقال " أترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة " . قلنا بلى . قال " أترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة " . قلنا نعم . قال " والذي نفسي بيده إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة وذلك أن الجنة لا يدخلها إلا نفس مسلمة وما أنتم في أهل الشرك إلا كالشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في جلد الثور الأحمر " .
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে একটি তাঁবুর মধ্যে ছিলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি আবার বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ জান্নাতীদের অর্ধেক হবে তোমরা। এজন্য যে, জান্নাতে কেবল মুসলিম ব্যক্তিই প্রবেশ করবে। তোমরা মুশরিকদের তুলনায় কালো ষাঁড়ের চামড়ায় সাদা লোম সদৃশ অথবা লাল ষাঁড়ের চামড়ায় কালো লোম সদৃশ।[৩৬১৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে একটি তাঁবুর মধ্যে ছিলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি আবার বলেনঃ তোমরা কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, তোমরা জান্নাতীদের সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ জান্নাতীদের অর্ধেক হবে তোমরা। এজন্য যে, জান্নাতে কেবল মুসলিম ব্যক্তিই প্রবেশ করবে। তোমরা মুশরিকদের তুলনায় কালো ষাঁড়ের চামড়ায় সাদা লোম সদৃশ অথবা লাল ষাঁড়ের চামড়ায় কালো লোম সদৃশ।[৩৬১৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في قبة فقال " أترضون أن تكونوا ربع أهل الجنة " . قلنا بلى . قال " أترضون أن تكونوا ثلث أهل الجنة " . قلنا نعم . قال " والذي نفسي بيده إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة وذلك أن الجنة لا يدخلها إلا نفس مسلمة وما أنتم في أهل الشرك إلا كالشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو كالشعرة السوداء في جلد الثور الأحمر " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৪
حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يجيء النبي يوم القيامة ومعه الرجل ويجيء النبي ومعه الرجلان ويجيء النبي ومعه الثلاثة وأكثر من ذلك وأقل فيقال له هل بلغت قومك فيقول نعم . فيدعى قومه فيقال هل بلغكم فيقولون لا . فيقال من شهد لك فيقول محمد وأمته . فتدعى أمة محمد فيقال هل بلغ هذا فيقولون نعم . فيقول وما علمكم بذلك فيقولون أخبرنا نبينا بذلك أن الرسل قد بلغوا فصدقناه . قال فذلكم قوله تعالى {وكذلك جعلناكم أمة وسطا لتكونوا شهداء على الناس ويكون الرسول عليكم شهيدا} .
আবূ সাঈদ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (কিয়ামতের দিন) একজন নবী আসবেন, তাঁর সাথে থাকবে একজন মাত্র অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে দু’জন অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে তিনজন বা তার কম-বেশী অনুসারী। তাঁকে বলা হবে, তুমি কি তোমার জাতির নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলে? তিনি বলবেনঃ হাঁ। তার জাতিকে ডাকা হবে এবং বলা হবে, তিনি কি তোমাদের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, না। তাঁকে বলা হবে, তোমার সাক্ষী কারা? তিনি বলবেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর উম্মাত। তখন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উম্মাতকে ডাকা হবে এবং জিজ্ঞেস করা হবে, নবী কি (তাঁর উম্মাতের নিকট আল্লাহর বাণী) পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, হাঁ। তাদের আবার জিজ্ঞেস করা হবে, তোমরা তা জানলে কিভাবে? তারা বলবে, আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অবহিত করেছিলেন যে, নিশ্চয় রাসূলগণ আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা তাঁর কথা সত্য বলে স্বীকার করেছি। তোমাদের জন্য এ কথার প্রমাণ হলো মহান আল্লাহর বাণী (অনুবাদ) : “এভাবে আমি তোমাদেরকে এক ন্যায়নিষ্ঠ জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের সাক্ষীস্বরূপ হতে পারে।” (সূরা বাকারাঃ ১৪৩)।[৩৬১৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ সাঈদ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (কিয়ামতের দিন) একজন নবী আসবেন, তাঁর সাথে থাকবে একজন মাত্র অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে দু’জন অনুসারী। আবার কোন নবীর সাথে থাকবে তিনজন বা তার কম-বেশী অনুসারী। তাঁকে বলা হবে, তুমি কি তোমার জাতির নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলে? তিনি বলবেনঃ হাঁ। তার জাতিকে ডাকা হবে এবং বলা হবে, তিনি কি তোমাদের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, না। তাঁকে বলা হবে, তোমার সাক্ষী কারা? তিনি বলবেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর উম্মাত। তখন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উম্মাতকে ডাকা হবে এবং জিজ্ঞেস করা হবে, নবী কি (তাঁর উম্মাতের নিকট আল্লাহর বাণী) পৌঁছিয়েছিলেন? তারা বলবে, হাঁ। তাদের আবার জিজ্ঞেস করা হবে, তোমরা তা জানলে কিভাবে? তারা বলবে, আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অবহিত করেছিলেন যে, নিশ্চয় রাসূলগণ আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা তাঁর কথা সত্য বলে স্বীকার করেছি। তোমাদের জন্য এ কথার প্রমাণ হলো মহান আল্লাহর বাণী (অনুবাদ) : “এভাবে আমি তোমাদেরকে এক ন্যায়নিষ্ঠ জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের সাক্ষীস্বরূপ হতে পারে।” (সূরা বাকারাঃ ১৪৩)।[৩৬১৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يجيء النبي يوم القيامة ومعه الرجل ويجيء النبي ومعه الرجلان ويجيء النبي ومعه الثلاثة وأكثر من ذلك وأقل فيقال له هل بلغت قومك فيقول نعم . فيدعى قومه فيقال هل بلغكم فيقولون لا . فيقال من شهد لك فيقول محمد وأمته . فتدعى أمة محمد فيقال هل بلغ هذا فيقولون نعم . فيقول وما علمكم بذلك فيقولون أخبرنا نبينا بذلك أن الرسل قد بلغوا فصدقناه . قال فذلكم قوله تعالى {وكذلك جعلناكم أمة وسطا لتكونوا شهداء على الناس ويكون الرسول عليكم شهيدا} .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৮
حدثنا محمد بن خالد بن خداش، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " إنكم وفيتم سبعين أمة أنتم خيرها وأكرمها على الله " .
মুআবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় তোমরা উম্মাতের সংখ্যা সত্তরে পূর্ণ করেছো। এদের মধ্যে তোমরাই আল্লাহর নিকট অধিক উত্তম ও মর্যাদাবান উম্মাত।[৩৬২০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
মুআবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় তোমরা উম্মাতের সংখ্যা সত্তরে পূর্ণ করেছো। এদের মধ্যে তোমরাই আল্লাহর নিকট অধিক উত্তম ও মর্যাদাবান উম্মাত।[৩৬২০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا محمد بن خالد بن خداش، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " إنكم وفيتم سبعين أمة أنتم خيرها وأكرمها على الله " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৮৯
حدثنا عبد الله بن إسحاق الجوهري، حدثنا حسين بن حفص الأصبهاني، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " أهل الجنة عشرون ومائة صف ثمانون من هذه الأمة وأربعون من سائر الأمم " .
বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতীদের একশত বিশটি কাতার হবে। তন্মধ্যে এই উম্মাতের হবে আশিটি কাতার এবং অন্যান্য উম্মাতের হবে চল্লিশটি।[৩৬২১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতীদের একশত বিশটি কাতার হবে। তন্মধ্যে এই উম্মাতের হবে আশিটি কাতার এবং অন্যান্য উম্মাতের হবে চল্লিশটি।[৩৬২১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا عبد الله بن إسحاق الجوهري، حدثنا حسين بن حفص الأصبهاني، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " أهل الجنة عشرون ومائة صف ثمانون من هذه الأمة وأربعون من سائر الأمم " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯০
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو سلمة، حدثنا حماد بن سلمة، عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال نحن آخر الأمم وأول من يحاسب يقال أين الأمة الأمية ونبيها فنحن الآخرون الأولون " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত এবং সর্বপ্রথম আমাদের হিসাব গ্রহণ করা হবে। বলা হবে, উম্মী (নিরক্ষর) নবীর উম্মাত এবং তাদের নবী কোথায়? সুতরাং আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত (দুনিয়াতে আগমনের দিক থেকে) এবং সর্বপ্রথম উম্মাত (জান্নাতে প্রবেশের দিক থেকে)।[৩৬২২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত এবং সর্বপ্রথম আমাদের হিসাব গ্রহণ করা হবে। বলা হবে, উম্মী (নিরক্ষর) নবীর উম্মাত এবং তাদের নবী কোথায়? সুতরাং আমরা হলাম সর্বশেষ উম্মাত (দুনিয়াতে আগমনের দিক থেকে) এবং সর্বপ্রথম উম্মাত (জান্নাতে প্রবেশের দিক থেকে)।[৩৬২২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو سلمة، حدثنا حماد بن سلمة، عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال نحن آخر الأمم وأول من يحاسب يقال أين الأمة الأمية ونبيها فنحن الآخرون الأولون " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯১
حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا عبد الأعلى بن أبي المساور، عن أبي بردة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إذا جمع الله الخلائق يوم القيامة أذن لأمة محمد بالسجود فيسجدون له طويلا ثم يقال ارفعوا رءوسكم قد جعلنا عدتكم فداءكم من النار " .
আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ কিয়ামতের দিন সমগ্র সৃষ্টিকে একত্র করার পর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উম্মাতকে সিজদারত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। তারা দীর্ঘক্ষণ তাঁর উদ্দেশে সিজদারত থাকবে। অতঃপর বলা হবে, তোমরা মাথা উঠাও। আমি তোমাদের সমসংখ্যককে (কাফেরকে) জাহান্নামের ফিদয়া স্বরূপ দিয়েছি।[৩৬২৩] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ কিয়ামতের দিন সমগ্র সৃষ্টিকে একত্র করার পর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উম্মাতকে সিজদারত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। তারা দীর্ঘক্ষণ তাঁর উদ্দেশে সিজদারত থাকবে। অতঃপর বলা হবে, তোমরা মাথা উঠাও। আমি তোমাদের সমসংখ্যককে (কাফেরকে) জাহান্নামের ফিদয়া স্বরূপ দিয়েছি।[৩৬২৩] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا عبد الأعلى بن أبي المساور، عن أبي بردة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إذا جمع الله الخلائق يوم القيامة أذن لأمة محمد بالسجود فيسجدون له طويلا ثم يقال ارفعوا رءوسكم قد جعلنا عدتكم فداءكم من النار " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯২
حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا كثير بن سليم، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن هذه أمة مرحومة عذابها بأيديها فإذا كان يوم القيامة دفع إلى كل رجل من المسلمين رجل من المشركين فيقال هذا فداؤك من النار " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই উম্মাত হলো অনুগ্রহপ্রাপ্ত। এদের দ্বারাই এদের শাস্তি হবে (পারষ্পরিক হানাহানির মাধ্যমে)। কিয়ামতের দিন প্রত্যেক মুসলমানকে একজন করে মুশরিক সোপর্দ করার হবে এবং বলা হবে, জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এই হলো তোমার ফিদ্য়া।[৩৬২৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই উম্মাত হলো অনুগ্রহপ্রাপ্ত। এদের দ্বারাই এদের শাস্তি হবে (পারষ্পরিক হানাহানির মাধ্যমে)। কিয়ামতের দিন প্রত্যেক মুসলমানকে একজন করে মুশরিক সোপর্দ করার হবে এবং বলা হবে, জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এই হলো তোমার ফিদ্য়া।[৩৬২৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا كثير بن سليم، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن هذه أمة مرحومة عذابها بأيديها فإذا كان يوم القيامة دفع إلى كل رجل من المسلمين رجل من المشركين فيقال هذا فداؤك من النار " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > কিয়ামতের দিন আল্লাহর রহমাত লাভের আশা করা যায়
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن لله مائة رحمة قسم منها رحمة بين جميع الخلائق فبها يتراحمون وبها يتعاطفون وبها تعطف الوحش على أولادها وأخر تسعة وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তাআলার একশত রহমাত রয়েছে। তন্মধ্যে একটি রহমাত তিনি সারা সৃষ্টির মধ্যে বণ্টন করেছেন। এই একটি রহমাতের কারণেই তারা একে অপরের প্রতি দয়াপরবশ হয়, পরষ্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। এর দ্বারা জীব-জন্তু তার বাচ্চার প্রতি মমতায় উদ্বুদ্ধ হয়। তিনি অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমত কিয়ামতের দিন তাঁর বান্দাদের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শনের জন্য রেখেছে।[৩৬২৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তাআলার একশত রহমাত রয়েছে। তন্মধ্যে একটি রহমাত তিনি সারা সৃষ্টির মধ্যে বণ্টন করেছেন। এই একটি রহমাতের কারণেই তারা একে অপরের প্রতি দয়াপরবশ হয়, পরষ্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। এর দ্বারা জীব-জন্তু তার বাচ্চার প্রতি মমতায় উদ্বুদ্ধ হয়। তিনি অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমত কিয়ামতের দিন তাঁর বান্দাদের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শনের জন্য রেখেছে।[৩৬২৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن لله مائة رحمة قسم منها رحمة بين جميع الخلائق فبها يتراحمون وبها يتعاطفون وبها تعطف الوحش على أولادها وأخر تسعة وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৪
حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خلق الله عز وجل يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة فجعل في الأرض منها رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والبهائم بعضها على بعض والطير وأخر تسعة وتسعين إلى يوم القيامة فإذا كان يوم القيامة أكملها الله بهذه الرحمة " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন এক শত রহমাত সৃষ্টি করেছেন। তার মধ্যে থেকে তিনি মাত্র একটি রহমাত পৃথিবীতে বিতরণ করেছেন। এর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে মা তার সন্তানের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শন করে এবং জীবজন্তু, পক্ষীকুল ইত্যাদিও পরষ্পরের প্রতি সহানুভুতি প্রদর্শন করে। অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমাত তিনি কিয়ামতের দিনের জন্য রেখে দিয়েছেন। যেদিন কিয়ামত হবে সেদিন তিনি এটি দ্বারা একশত রহমাত পূর্ণ করবেন।[৩৬২৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন এক শত রহমাত সৃষ্টি করেছেন। তার মধ্যে থেকে তিনি মাত্র একটি রহমাত পৃথিবীতে বিতরণ করেছেন। এর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে মা তার সন্তানের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শন করে এবং জীবজন্তু, পক্ষীকুল ইত্যাদিও পরষ্পরের প্রতি সহানুভুতি প্রদর্শন করে। অবশিষ্ট নিরানব্বইটি রহমাত তিনি কিয়ামতের দিনের জন্য রেখে দিয়েছেন। যেদিন কিয়ামত হবে সেদিন তিনি এটি দ্বারা একশত রহমাত পূর্ণ করবেন।[৩৬২৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو كريب، وأحمد بن سنان، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خلق الله عز وجل يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة فجعل في الأرض منها رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والبهائم بعضها على بعض والطير وأخر تسعة وتسعين إلى يوم القيامة فإذا كان يوم القيامة أكملها الله بهذه الرحمة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৫
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن الله عز وجل لما خلق الخلق كتب بيده على نفسه إن رحمتي تغلب غضبي " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ যখন সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেছেন তখন নিজ হাতে নিজের ব্যাপারে লিখেছেনঃ “আমার রহমাত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী থাকবে”।[৩৬২৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ যখন সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেছেন তখন নিজ হাতে নিজের ব্যাপারে লিখেছেনঃ “আমার রহমাত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী থাকবে”।[৩৬২৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن الله عز وجل لما خلق الخلق كتب بيده على نفسه إن رحمتي تغلب غضبي " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৮
حدثنا العباس بن الوليد الدمشقي، حدثنا عمرو بن هاشم، حدثنا ابن لهيعة، عن عبد ربه بن سعيد، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لا يدخل النار إلا شقي " . قيل يا رسول الله ومن الشقي قال " من لم يعمل لله بطاعة ولم يترك له معصية " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুর্ভাগা হতভাগা ব্যতীত কেউ জাহান্নামে যাবে না। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! হতভাগা কে? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যমূলক কাজ করেনি এবং তাঁর অবাধ্যচারিতা ত্যাগ করেনি।[৩৬৩০] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুর্ভাগা হতভাগা ব্যতীত কেউ জাহান্নামে যাবে না। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! হতভাগা কে? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যমূলক কাজ করেনি এবং তাঁর অবাধ্যচারিতা ত্যাগ করেনি।[৩৬৩০] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا العباس بن الوليد الدمشقي، حدثنا عمرو بن هاشم، حدثنا ابن لهيعة، عن عبد ربه بن سعيد، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لا يدخل النار إلا شقي " . قيل يا رسول الله ومن الشقي قال " من لم يعمل لله بطاعة ولم يترك له معصية " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৬
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن ابن أبي ليلى، عن معاذ بن جبل، قال مر بي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأنا على حمار فقال " يا معاذ هل تدري ما حق الله على العباد وما حق العباد على الله " . قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإن حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا . وحق العباد على الله إذا فعلوا ذلك أن لا يعذبهم " .
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তখন একটি গাধার পিঠে আরোহিত ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে মুআয! তুমি কি জানো, বান্দার উপর আল্লাহর কী অধিকার রয়েছে এবং আল্লাহর উপর বান্দার কী অধিকার রয়েছে? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তিনি বলেনঃ বান্দার উপর আল্লাহর অধিকার এই যে, বান্দাহ তাঁরই ইবাদাত করবে এবং তাঁর সাথে অন্য কিছু শরীক করবে না। আর আল্লাহর উপর বান্দার অধিকার এই যে, তারা (বান্দা) তদনুযায়ী আচরণ করলে তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তখন একটি গাধার পিঠে আরোহিত ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে মুআয! তুমি কি জানো, বান্দার উপর আল্লাহর কী অধিকার রয়েছে এবং আল্লাহর উপর বান্দার কী অধিকার রয়েছে? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তিনি বলেনঃ বান্দার উপর আল্লাহর অধিকার এই যে, বান্দাহ তাঁরই ইবাদাত করবে এবং তাঁর সাথে অন্য কিছু শরীক করবে না। আর আল্লাহর উপর বান্দার অধিকার এই যে, তারা (বান্দা) তদনুযায়ী আচরণ করলে তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن ابن أبي ليلى، عن معاذ بن جبل، قال مر بي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأنا على حمار فقال " يا معاذ هل تدري ما حق الله على العباد وما حق العباد على الله " . قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإن حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا . وحق العباد على الله إذا فعلوا ذلك أن لا يعذبهم " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৩০০
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا الليث، حدثني عامر بن يحيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، قال سمعت عبد الله بن عمرو، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يصاح برجل من أمتي يوم القيامة على رءوس الخلائق فينشر له تسعة وتسعون سجلا كل سجل مد البصر ثم يقول الله عز وجل هل تنكر من هذا شيئا فيقول لا يا رب فيقول أظلمتك كتبتي الحافظون ثم يقول ألك عذر ألك حسنة فيهاب الرجل فيقول لا . فيقول بلى إن لك عندنا حسنات وإنه لا ظلم عليك اليوم فتخرج له بطاقة فيها أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله قال فيقول يا رب ما هذه البطاقة مع هذه السجلات فيقول إنك لا تظلم . فتوضع السجلات في كفة والبطاقة في كفة فطاشت السجلات وثقلت البطاقة " . قال محمد بن يحيى البطاقة الرقعة وأهل مصر يقولون للرقعة بطاقة
আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টির সামনে আমার এক উম্মাতকে ডাকা হবে, অতঃপর তার সামনে নিরানব্বইটি দফতর পেশ করা হবে। প্রতিটি দফতর দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত দীর্ঘ হবে। মহান আল্লাহ বলবেন, তুমি কি এর কোন কিছু অস্বীকার করো? সে বলবে, না, হে আমার প্রভু! আল্লাহ বলবেন, তোমার উপর আমলনামা লেখক আমার ফেরেশতাগণ কি জুলুম করেছে? অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তোমার নিকট কি কোন নেকী আছে? সে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে এবং বলবে, না। তখন আল্লাহ বলবেন, হাঁ, আমার নিকট তোমার কিছু নেকী জমা আছে। আজ তোমার উপর জুলুম করা হবে না। অতঃপর তার সামনে একটি চিরকুট তুলে ধরা হবে, যাতে লিপিবদ্ধ থাকবেঃ "আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দাহ ও রাসূল।" তখন সে বলবে, হে আমার রব! এতো বৃহৎ দফতরসমূহের তুলনায় এই ক্ষুদ্র চিরকুট আর কি উপকারে আসবে! তিনি বলবেন, তোমার প্রতি অন্যায় করা হবে না। অতঃপর সেই বৃহদাকার দফতরসমূহ এক পাল্লায় এবং সেই ক্ষুদ্র চিরকূটটি আরেক পাল্লায় রাখা হবে। এতে বৃহদাকার দফতরসমূহের পাল্লা হালকা হয়ে উপরে উঠে যাবে এবং ক্ষুদ্র চিরকুটের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বলেন, বিতাকা (চিরকুট) অর্থ রুক্আ (টুকরা) , মিসরবাসী রুক্আকে বিতাকা বলে।[৩৬৩২] তাহকীক আলবানীঃসহীহ।
আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টির সামনে আমার এক উম্মাতকে ডাকা হবে, অতঃপর তার সামনে নিরানব্বইটি দফতর পেশ করা হবে। প্রতিটি দফতর দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত দীর্ঘ হবে। মহান আল্লাহ বলবেন, তুমি কি এর কোন কিছু অস্বীকার করো? সে বলবে, না, হে আমার প্রভু! আল্লাহ বলবেন, তোমার উপর আমলনামা লেখক আমার ফেরেশতাগণ কি জুলুম করেছে? অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তোমার নিকট কি কোন নেকী আছে? সে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে এবং বলবে, না। তখন আল্লাহ বলবেন, হাঁ, আমার নিকট তোমার কিছু নেকী জমা আছে। আজ তোমার উপর জুলুম করা হবে না। অতঃপর তার সামনে একটি চিরকুট তুলে ধরা হবে, যাতে লিপিবদ্ধ থাকবেঃ "আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দাহ ও রাসূল।" তখন সে বলবে, হে আমার রব! এতো বৃহৎ দফতরসমূহের তুলনায় এই ক্ষুদ্র চিরকুট আর কি উপকারে আসবে! তিনি বলবেন, তোমার প্রতি অন্যায় করা হবে না। অতঃপর সেই বৃহদাকার দফতরসমূহ এক পাল্লায় এবং সেই ক্ষুদ্র চিরকূটটি আরেক পাল্লায় রাখা হবে। এতে বৃহদাকার দফতরসমূহের পাল্লা হালকা হয়ে উপরে উঠে যাবে এবং ক্ষুদ্র চিরকুটের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বলেন, বিতাকা (চিরকুট) অর্থ রুক্আ (টুকরা) , মিসরবাসী রুক্আকে বিতাকা বলে।[৩৬৩২] তাহকীক আলবানীঃসহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا الليث، حدثني عامر بن يحيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، قال سمعت عبد الله بن عمرو، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يصاح برجل من أمتي يوم القيامة على رءوس الخلائق فينشر له تسعة وتسعون سجلا كل سجل مد البصر ثم يقول الله عز وجل هل تنكر من هذا شيئا فيقول لا يا رب فيقول أظلمتك كتبتي الحافظون ثم يقول ألك عذر ألك حسنة فيهاب الرجل فيقول لا . فيقول بلى إن لك عندنا حسنات وإنه لا ظلم عليك اليوم فتخرج له بطاقة فيها أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله قال فيقول يا رب ما هذه البطاقة مع هذه السجلات فيقول إنك لا تظلم . فتوضع السجلات في كفة والبطاقة في كفة فطاشت السجلات وثقلت البطاقة " . قال محمد بن يحيى البطاقة الرقعة وأهل مصر يقولون للرقعة بطاقة
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৭
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إبراهيم بن أعين، حدثنا إسماعيل بن يحيى الشيباني، عن عبد الله بن عمر بن حفص، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في بعض غزواته فمر بقوم فقال من القوم فقالوا نحن المسلمون . وامرأة تحصب تنورها ومعها ابن لها فإذا ارتفع وهج التنور تنحت به فأتت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت أنت رسول الله قال " نعم " . قالت بأبي أنت وأمي أليس الله بأرحم الراحمين قال " بلى " . قالت أوليس الله بأرحم بعباده من الأم بولدها قال " بلى " . قالت فإن الأم لا تلقي ولدها في النار . فأكب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يبكي ثم رفع رأسه إليها فقال " إن الله لا يعذب من عباده إلا المارد المتمرد الذي يتمرد على الله وأبى أن يقول لا إله إلا الله " .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কোন এক জিহাদে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তিনি এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কারা এই সম্প্রদায়? তারা বলেন, আমরা মুসলমান। এক স্ত্রীলোক তার চুলার আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলে সে তার পুত্রকে সরিয়ে নিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, আপনি কি আল্লাহর রাসূল? তিনি বলেন, হাঁ। সে বললো, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক। আল্লাহ তাআলা কি দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। স্ত্রীলোকটি বললো, সন্তানের প্রতি মা যতোটা দয়াপরবশ, আল্লাহ কি তাঁর বান্দাদের প্রতি তার চেয়ে অধিক দয়াপরবশ নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। সে বললো, নিশ্চয়ই মা তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করে না। একথায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা অবনত করে কেঁদে দিলেন, অতঃপর মাথা তুলে তাকে বলেন, যে ব্যক্তি অবাধ্য, উদ্ধত, বিদ্রোহী, যে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলতে অস্বীকার করে, সে ব্যতীত আল্লাহ তার অপরাপর বান্দাদের শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৯] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কোন এক জিহাদে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তিনি এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কারা এই সম্প্রদায়? তারা বলেন, আমরা মুসলমান। এক স্ত্রীলোক তার চুলার আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলে সে তার পুত্রকে সরিয়ে নিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, আপনি কি আল্লাহর রাসূল? তিনি বলেন, হাঁ। সে বললো, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক। আল্লাহ তাআলা কি দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। স্ত্রীলোকটি বললো, সন্তানের প্রতি মা যতোটা দয়াপরবশ, আল্লাহ কি তাঁর বান্দাদের প্রতি তার চেয়ে অধিক দয়াপরবশ নন? তিনি বলেন, অবশ্যই। সে বললো, নিশ্চয়ই মা তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করে না। একথায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা অবনত করে কেঁদে দিলেন, অতঃপর মাথা তুলে তাকে বলেন, যে ব্যক্তি অবাধ্য, উদ্ধত, বিদ্রোহী, যে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলতে অস্বীকার করে, সে ব্যতীত আল্লাহ তার অপরাপর বান্দাদের শাস্তি দিবেন না।[৩৬২৯] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إبراهيم بن أعين، حدثنا إسماعيل بن يحيى الشيباني، عن عبد الله بن عمر بن حفص، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في بعض غزواته فمر بقوم فقال من القوم فقالوا نحن المسلمون . وامرأة تحصب تنورها ومعها ابن لها فإذا ارتفع وهج التنور تنحت به فأتت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت أنت رسول الله قال " نعم " . قالت بأبي أنت وأمي أليس الله بأرحم الراحمين قال " بلى " . قالت أوليس الله بأرحم بعباده من الأم بولدها قال " بلى " . قالت فإن الأم لا تلقي ولدها في النار . فأكب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يبكي ثم رفع رأسه إليها فقال " إن الله لا يعذب من عباده إلا المارد المتمرد الذي يتمرد على الله وأبى أن يقول لا إله إلا الله " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৯৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا سهيل بن عبد الله، - أخو حزم القطعي - حدثنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قرأ - أو تلا - هذه الآية {هو أهل التقوى وأهل المغفرة} فقال " قال الله عز وجل أنا أهل أن أتقى فلا يجعل معي إله آخر فمن اتقى أن يجعل معي إلها آخر فأنا أهل أن أغفر له " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত পাঠ বা তিলাওয়াত করলেন (অনুবাদ) : "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসিরঃ ৫৬) , অতঃপর বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, কেবল আমাকেই ভয় করতে হবে। অতএব আমার সাথে যেন অন্য ইলাহ যোগ না করা হয়। যে ব্যক্তি আমার সাথে অন্য কোন ইলাহ যোগ করা পরিহার করবে, আমি তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ৮/৪২৯৯ (১) . আনাস (রাঃ) , "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসির) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, আমাকেই ভয় করতে হবে, আমার সাথে অন্যকে শরীক করা যাবে না। আর যে ব্যক্তি আমার সাথে শরীক করা পরিহার করেছে আমিই তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [৩৬৩১] তাহকীক আলবানীঃ দূর্বল।
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত পাঠ বা তিলাওয়াত করলেন (অনুবাদ) : "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসিরঃ ৫৬) , অতঃপর বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, কেবল আমাকেই ভয় করতে হবে। অতএব আমার সাথে যেন অন্য ইলাহ যোগ না করা হয়। যে ব্যক্তি আমার সাথে অন্য কোন ইলাহ যোগ করা পরিহার করবে, আমি তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ৮/৪২৯৯ (১) . আনাস (রাঃ) , "একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী" (সূরা মুদ্দাসসির) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, আমিই উপযুক্ত যে, আমাকেই ভয় করতে হবে, আমার সাথে অন্যকে শরীক করা যাবে না। আর যে ব্যক্তি আমার সাথে শরীক করা পরিহার করেছে আমিই তাকে ক্ষমা করার অধিকারী। [৩৬৩১] তাহকীক আলবানীঃ দূর্বল।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا سهيل بن عبد الله، - أخو حزم القطعي - حدثنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قرأ - أو تلا - هذه الآية {هو أهل التقوى وأهل المغفرة} فقال " قال الله عز وجل أنا أهل أن أتقى فلا يجعل معي إله آخر فمن اتقى أن يجعل معي إلها آخر فأنا أهل أن أغفر له " .