সুনানে ইবনে মাজাহ > পাপের স্মরণ

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪২

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، وأبي، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قلنا ‏:‏ يا رسول الله أنؤاخذ بما كنا نفعل في الجاهلية فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ من أحسن في الإسلام لم يؤاخذ بما كان في الجاهلية ومن أساء أخذ بالأول والآخر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি, সে সম্পর্কে কি আমাদের জবাবদিহি করতে হবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যারা ইসলাম গ্রহনের পর ভাল কাজ করেছে তাদেরকে জাহিলী যুগের কৃতকর্ম সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে, তাকে পূর্বাপর সকল কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। [৩৫৭৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি, সে সম্পর্কে কি আমাদের জবাবদিহি করতে হবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যারা ইসলাম গ্রহনের পর ভাল কাজ করেছে তাদেরকে জাহিলী যুগের কৃতকর্ম সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে, তাকে পূর্বাপর সকল কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। [৩৫৭৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، وأبي، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قلنا ‏:‏ يا رسول الله أنؤاخذ بما كنا نفعل في الجاهلية فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ من أحسن في الإسلام لم يؤاخذ بما كان في الجاهلية ومن أساء أخذ بالأول والآخر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سعيد بن مسلم بن بانك، قال سمعت عامر بن عبد الله بن الزبير، يقول ‏:‏ حدثني عوف بن الحارث، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ يا عائشة إياك ومحقرات الأعمال فإن لها من الله طالبا ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আয়িশাহ! ক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও সাবধান হও। কারণ সেগুলোর জন্যও আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে।[৩৫৭৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আয়িশাহ! ক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও সাবধান হও। কারণ সেগুলোর জন্যও আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে।[৩৫৭৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سعيد بن مسلم بن بانك، قال سمعت عامر بن عبد الله بن الزبير، يقول ‏:‏ حدثني عوف بن الحارث، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ يا عائشة إياك ومحقرات الأعمال فإن لها من الله طالبا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৪

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حاتم بن إسماعيل، والوليد بن مسلم، قالا حدثنا محمد بن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ إن المؤمن إذا أذنب كانت نكتة سوداء في قلبه فإن تاب ونزع واستغفر صقل قلبه فإن زاد زادت فذلك الران الذي ذكره الله في كتابه ‏{كلا بل ران على قلوبهم ما كانوا يكسبون}‏ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মুমিন ব্যক্তি যখন গুনাহ করে তখন তার কলবে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর সে তওবা করলে, পাপ কাজ ত্যাগ করলে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করলে তার কলব পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। সে আরও গুনাহ করলে সেই কালো দাগ বেড়ে যায়। এই সেই মরিচা যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন (অনুবাদ) : “কক্ষনো নয়, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং (মরিচা) ধরিয়েছে” (সূরা আল-মুতাফফিফীনঃ ১৪)।[৩৫৭৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মুমিন ব্যক্তি যখন গুনাহ করে তখন তার কলবে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর সে তওবা করলে, পাপ কাজ ত্যাগ করলে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করলে তার কলব পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। সে আরও গুনাহ করলে সেই কালো দাগ বেড়ে যায়। এই সেই মরিচা যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন (অনুবাদ) : “কক্ষনো নয়, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং (মরিচা) ধরিয়েছে” (সূরা আল-মুতাফফিফীনঃ ১৪)।[৩৫৭৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حاتم بن إسماعيل، والوليد بن مسلم، قالا حدثنا محمد بن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ إن المؤمن إذا أذنب كانت نكتة سوداء في قلبه فإن تاب ونزع واستغفر صقل قلبه فإن زاد زادت فذلك الران الذي ذكره الله في كتابه ‏{كلا بل ران على قلوبهم ما كانوا يكسبون}‏ ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৬

حدثنا هارون بن إسحاق، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن أبيه، وعمه، عن جده، عن أبي هريرة، قال ‏:‏ سئل النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ما أكثر ما يدخل الجنة قال ‏:‏ ‏"‏ التقوى وحسن الخلق ‏"‏ ‏.‏ وسئل ‏:‏ ما أكثر ما يدخل النار قال ‏:‏ ‏"‏ الأجوفان ‏:‏ الفم والفرج ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هارون بن إسحاق، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن أبيه، وعمه، عن جده، عن أبي هريرة، قال ‏:‏ سئل النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ما أكثر ما يدخل الجنة قال ‏:‏ ‏"‏ التقوى وحسن الخلق ‏"‏ ‏.‏ وسئل ‏:‏ ما أكثر ما يدخل النار قال ‏:‏ ‏"‏ الأجوفان ‏:‏ الفم والفرج ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৫

حدثنا عيسى بن يونس الرملي، حدثنا عقبة بن علقمة بن حديج المعافري، عن أرطاة بن المنذر، عن أبي عامر الألهاني، عن ثوبان، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏:‏ ‏"‏ لأعلمن أقواما من أمتي يأتون يوم القيامة بحسنات أمثال جبال تهامة بيضا فيجعلها الله عز وجل هباء منثورا ‏"‏ ‏.‏ قال ثوبان ‏:‏ يا رسول الله صفهم لنا جلهم لنا أن لا نكون منهم ونحن لا نعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أما إنهم إخوانكم ومن جلدتكم ويأخذون من الليل كما تأخذون ولكنهم أقوام إذا خلوا بمحارم الله انتهكوها ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি আমার উম্মাতের কতক দল সম্পর্কে অবশ্যই জানি যারা কিয়ামতের দ্বীন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমল সহ উপস্থিত হবে। মহামহিম আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূকিকণায় পরিণত করবেন। সাওবান (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় পরিস্কারভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করুন, যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বলেনঃ তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক যে, একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হবে। [৩৫৭৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি আমার উম্মাতের কতক দল সম্পর্কে অবশ্যই জানি যারা কিয়ামতের দ্বীন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমল সহ উপস্থিত হবে। মহামহিম আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূকিকণায় পরিণত করবেন। সাওবান (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় পরিস্কারভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করুন, যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বলেনঃ তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক যে, একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হবে। [৩৫৭৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا عيسى بن يونس الرملي، حدثنا عقبة بن علقمة بن حديج المعافري، عن أرطاة بن المنذر، عن أبي عامر الألهاني، عن ثوبان، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏:‏ ‏"‏ لأعلمن أقواما من أمتي يأتون يوم القيامة بحسنات أمثال جبال تهامة بيضا فيجعلها الله عز وجل هباء منثورا ‏"‏ ‏.‏ قال ثوبان ‏:‏ يا رسول الله صفهم لنا جلهم لنا أن لا نكون منهم ونحن لا نعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أما إنهم إخوانكم ومن جلدتكم ويأخذون من الليل كما تأخذون ولكنهم أقوام إذا خلوا بمحارم الله انتهكوها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > তওবা সম্পর্কে আলোচনা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل أفرح بتوبة أحدكم منه بضالته إذا وجدها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার হারানো উট প্রাপ্তিতে যতো আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো তওবায় মহান আল্লাহ ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৭৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার হারানো উট প্রাপ্তিতে যতো আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো তওবায় মহান আল্লাহ ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৭৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل أفرح بتوبة أحدكم منه بضالته إذا وجدها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৮

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৮

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৮

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৯

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ لله أفرح بتوبة عبده من رجل أضل راحلته بفلاة من الأرض فالتمسها حتى إذا أعيى تسجى بثوبه فبينا هو كذلك إذ سمع وجبة الراحلة حيث فقدها فكشف الثوب عن وجهه فإذا هو براحلته ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দা বিজন প্রান্তরে তার বাহনের উট হারিয়ে ফেললো, অতঃপর তার অনুসন্ধান করতে করতে শেষে নিরাশ ও অবসন্ন হয়ে তার কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লো। এ অবস্থায় হঠাৎ সে তার হারিয়ে যাওয়া বাহনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে নিজের মুখমণ্ডল থেকে তার কাপড় সরিয়ে তার উট তার সামনে উপস্থিত দেখতে পেয়ে যতো আনন্দিত হয়, আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৮১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

আবূ সাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দা বিজন প্রান্তরে তার বাহনের উট হারিয়ে ফেললো, অতঃপর তার অনুসন্ধান করতে করতে শেষে নিরাশ ও অবসন্ন হয়ে তার কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লো। এ অবস্থায় হঠাৎ সে তার হারিয়ে যাওয়া বাহনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে নিজের মুখমণ্ডল থেকে তার কাপড় সরিয়ে তার উট তার সামনে উপস্থিত দেখতে পেয়ে যতো আনন্দিত হয়, আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৮১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ لله أفرح بتوبة عبده من رجل أضل راحلته بفلاة من الأرض فالتمسها حتى إذا أعيى تسجى بثوبه فبينا هو كذلك إذ سمع وجبة الراحلة حيث فقدها فكشف الثوب عن وجهه فإذا هو براحلته ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫০

حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا محمد بن عبد الله الرقاشي، حدثنا وهيب بن خالد، حدثنا معمر، عن عبد الكريم، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ التائب من الذنب كمن لا ذنب له ‏"‏ ‏.‏

(আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহ থেকে তওবাকারী নিষ্পাপ ব্যক্তিতুল্য। [৩৫৮২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

(আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহ থেকে তওবাকারী নিষ্পাপ ব্যক্তিতুল্য। [৩৫৮২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا محمد بن عبد الله الرقاشي، حدثنا وهيب بن خالد، حدثنا معمر، عن عبد الكريم، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ التائب من الذنب كمن لا ذنب له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫১

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا علي بن مسعدة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ كل بني آدم خطاء وخير الخطائين التوابون ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম। [৩৫৮৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আনাস (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম। [৩৫৮৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا علي بن مسعدة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ كل بني آدم خطاء وخير الخطائين التوابون ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫২

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان، عن عبد الكريم الجزري، عن زياد بن أبي مريم، عن ابن معقل، قال ‏:‏ دخلت مع أبي على عبد الله فسمعته يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ فقال له أبي ‏:‏ أنت سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ نعم ‏.‏

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতার সাথে আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমি তাকে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”। আমার পিতা তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি নিজে কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”? তিনি বলেন, হাঁ।[৩৫৮৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতার সাথে আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমি তাকে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”। আমার পিতা তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি নিজে কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”? তিনি বলেন, হাঁ।[৩৫৮৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان، عن عبد الكريم الجزري، عن زياد بن أبي مريم، عن ابن معقل، قال ‏:‏ دخلت مع أبي على عبد الله فسمعته يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ فقال له أبي ‏:‏ أنت سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ نعم ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৩

حدثنا راشد بن سعيد الرملي، أنبأنا الوليد بن مسلم، عن ابن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل ليقبل توبة العبد ما لم يغرغر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ রূহ কণ্ঠাগত না হওয়া (মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত) পর্যন্ত মহামহিম আল্লাহ বান্দার তওবা কবুল করেন। [৩৫৮৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ রূহ কণ্ঠাগত না হওয়া (মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত) পর্যন্ত মহামহিম আল্লাহ বান্দার তওবা কবুল করেন। [৩৫৮৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا راشد بن سعيد الرملي، أنبأنا الوليد بن مسلم، عن ابن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل ليقبل توبة العبد ما لم يغرغر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৪

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن حبيب، حدثنا المعتمر، سمعت أبي، حدثنا أبو عثمان، عن ابن مسعود، ‏:‏ أن رجلا، أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر أنه أصاب من امرأة قبلة فجعل يسأل عن كفارتها فلم يقل له شيئا فأنزل الله عز وجل {وأقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل إن الحسنات يذهبن السيئات ذلك ذكرى للذاكرين}‏ فقال الرجل ‏:‏ يا رسول الله ألي هذه فقال ‏:‏ ‏ "‏ هي لمن عمل بها من أمتي ‏"‏ ‏.‏

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো যে, সে এক বেগানা মহিলাকে চুমা দিয়েছে। সে এর কাফ্‌ফারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে থাকলো। কিন্তু তিনি তাকে কোন উত্তর দিলেন না। তখন মহামহিম আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন (অনুবাদ) : “দিনের দু’ প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে নামায কায়েম করো। নিশ্চয় সৎকাজ অসৎ কাজকে দূরীভূত করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে, এটা তাদের জন্য উপদেশ” (সূরা হূদঃ ১১৪)। লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! এ নির্দেশ কি কেবল আমার জন্য সীমিত? তিনি বলেনঃ আমার উম্মাতের যে কেউ এর উপর আমল করবে, তার জন্যই। [৩৫৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো যে, সে এক বেগানা মহিলাকে চুমা দিয়েছে। সে এর কাফ্‌ফারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে থাকলো। কিন্তু তিনি তাকে কোন উত্তর দিলেন না। তখন মহামহিম আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন (অনুবাদ) : “দিনের দু’ প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে নামায কায়েম করো। নিশ্চয় সৎকাজ অসৎ কাজকে দূরীভূত করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে, এটা তাদের জন্য উপদেশ” (সূরা হূদঃ ১১৪)। লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! এ নির্দেশ কি কেবল আমার জন্য সীমিত? তিনি বলেনঃ আমার উম্মাতের যে কেউ এর উপর আমল করবে, তার জন্যই। [৩৫৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن حبيب، حدثنا المعتمر، سمعت أبي، حدثنا أبو عثمان، عن ابن مسعود، ‏:‏ أن رجلا، أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر أنه أصاب من امرأة قبلة فجعل يسأل عن كفارتها فلم يقل له شيئا فأنزل الله عز وجل {وأقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل إن الحسنات يذهبن السيئات ذلك ذكرى للذاكرين}‏ فقال الرجل ‏:‏ يا رسول الله ألي هذه فقال ‏:‏ ‏ "‏ هي لمن عمل بها من أمتي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৫

حدثنا محمد بن يحيى، وإسحاق بن منصور، قالا حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، قال قال الزهري ‏:‏ ألا أحدثك بحديثين عجيبين ‏:‏ أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال ‏:‏ إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم ذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه أحدا ‏.‏ قال ‏:‏ ففعلوا به ذلك فقال للأرض ‏:‏ أدي ما أخذت ‏.‏ فإذا هو قائم فقال له ‏:‏ ما حملك على ما صنعت قال ‏:‏ خشيتك - أو مخافتك - يا رب ‏.‏ فغفر له لذلك ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি নিজের উপর যুলুম (পাপাচার) করলো। তার মৃত্যু উপস্থিত হলে সে তার পুত্রদের ওসিয়ত করে বললো, আমি মারা যাওয়ার পর তোমরা আমাকে আগুনে ভস্মীভূত করবে, অতঃপর ছাই পিষে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে, তারপর সমুদ্রে প্রবল বায়ুর মধ্যে সেগুলো নিক্ষেপ করবে। আল্লাহর শপথ! যদি আমার রব আমাকে পাকড়াও করতে পারেন তাহলে আমাকে এমন ভয়াবহ শাস্তি দিবেন যা অন্য কাউকে দেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তার পুত্ররা তার ওসিয়ত মত কাজ করলো। আল্লাহ তাআলা জমীনকে বলেন, তুমি তার দেহ থেকে যা গ্রহন করেছো, তা ফেরত দাও। ফলে সে সোজা দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কাজ করতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করেছে? সে বলল, হে প্রভু! আপনার ভয়। এজন্য আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।[৩৫৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি নিজের উপর যুলুম (পাপাচার) করলো। তার মৃত্যু উপস্থিত হলে সে তার পুত্রদের ওসিয়ত করে বললো, আমি মারা যাওয়ার পর তোমরা আমাকে আগুনে ভস্মীভূত করবে, অতঃপর ছাই পিষে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে, তারপর সমুদ্রে প্রবল বায়ুর মধ্যে সেগুলো নিক্ষেপ করবে। আল্লাহর শপথ! যদি আমার রব আমাকে পাকড়াও করতে পারেন তাহলে আমাকে এমন ভয়াবহ শাস্তি দিবেন যা অন্য কাউকে দেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তার পুত্ররা তার ওসিয়ত মত কাজ করলো। আল্লাহ তাআলা জমীনকে বলেন, তুমি তার দেহ থেকে যা গ্রহন করেছো, তা ফেরত দাও। ফলে সে সোজা দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কাজ করতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করেছে? সে বলল, হে প্রভু! আপনার ভয়। এজন্য আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।[৩৫৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، وإسحاق بن منصور، قالا حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، قال قال الزهري ‏:‏ ألا أحدثك بحديثين عجيبين ‏:‏ أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال ‏:‏ إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم ذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه أحدا ‏.‏ قال ‏:‏ ففعلوا به ذلك فقال للأرض ‏:‏ أدي ما أخذت ‏.‏ فإذا هو قائم فقال له ‏:‏ ما حملك على ما صنعت قال ‏:‏ خشيتك - أو مخافتك - يا رب ‏.‏ فغفر له لذلك ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৬

قال الزهري وحدثني حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت ‏"‏ ‏.‏ قال الزهري ‏:‏ لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক নারী একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে গেছে। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল, এমতাবস্থায় তাকে আহারও করায়নি এবং একে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে কীট-পতঙ্গ খেতে পারতো। ফলে সেটি অনাহারে মারা গেলো। যুহরী (রাঃ) বলেন, মানুষকে (নিজের আমলের উপর) ভরসা করাও উচিত নয় এবং (আল্লাহর রহমাত থেকে) নিরাশ হওয়াও উচিত নয়। [৩৫৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক নারী একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে গেছে। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল, এমতাবস্থায় তাকে আহারও করায়নি এবং একে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে কীট-পতঙ্গ খেতে পারতো। ফলে সেটি অনাহারে মারা গেলো। যুহরী (রাঃ) বলেন, মানুষকে (নিজের আমলের উপর) ভরসা করাও উচিত নয় এবং (আল্লাহর রহমাত থেকে) নিরাশ হওয়াও উচিত নয়। [৩৫৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

قال الزهري وحدثني حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت ‏"‏ ‏.‏ قال الزهري ‏:‏ لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৭

حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن موسى بن المسيب الثقفي، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن أبي ذر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ إن الله تبارك وتعالى يقول يا عبادي كلكم مذنب إلا من عافيت فسلوني المغفرة فأغفر لكم ومن علم منكم أني ذو قدرة على المغفرة فاستغفرني بقدرتي غفرت له، وكلكم ضال إلا من هديت فسلوني الهدى أهدكم، وكلكم فقير إلا من أغنيت فسلوني أرزقكم، ولو أن حيكم وميتكم وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا فكانوا على قلب أتقى عبد من عبادي - لم يزد في ملكي جناح بعوضة، ولو اجتمعوا فكانوا على قلب أشقى عبد من عبادي لم ينقص من ملكي جناح بعوضة ولو أن حيكم وميتكم، وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا، فسأل كل سائل منهم ما بلغت أمنيته - ما نقص من ملكي إلا كما لو أن أحدكم مر بشفة البحر فغمس فيها إبرة ثم نزعها، ذلك بأني جواد ماجد عطائي كلام إذا أردت شيئا فإنما أقول له ‏:‏ كن فيكون ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রাচুর্যময় মহান আল্লাহ বলেন, হে আমার বান্দাগণ! আমি যাদের ক্ষমা করেছি তারা ব্যতিত তোমাদের সকলেই গুনাহগার। অতএব তোমরা আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করবো। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জানে যে, আমি ক্ষমা করার ক্ষমতা রাখি, অতঃপর সে আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই। আমি যাদের হেদায়াত করেছি তারা ব্যতীত তোমরা সকলেই পথভ্রষ্ট। অতএব তোমরা আমার নিকট সৎপথ প্রার্থনা করো। আমি তোমাদের সৎপথ প্রদর্শন করবো। আমি যাদের ধনবান করেছি তারা ব্যতিত তোমরা সকলেই দরিদ্র। তোমরা আমার নিকট প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের রিযিক দান করবো। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক (সচ্ছল-অসচ্ছল) নির্বিশেষে সকলেই যদি আমার বান্দাদের মধ্যে সর্বাধিক তাক্বওয়ার অধিকারী ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয়ে যায়, তাহলে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে না। পক্ষান্তরে তারা সকলে যদি একত্রে আমার বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্নক পাপী বান্দার মত হয়ে যায়, তবুও তাতে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের সৌন্দর্যহানি ঘটবে না। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক সকলে যদি একত্র হয়ে প্রত্যেকে তার পূর্ণ চাহিদামত আমার নিকট প্রার্থনা করে এবং আমি তাদের চাহিদা মত সবকিছু দান করি, তবুও আমার রাজত্বের কিছুই কমবে না, তবে এতটুকু পরিমাণ যে, তোমাদের কেউ সমুদ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রমকালে তাতে একটিঁ সুঁই ডুবিয়ে তা তুলে নিলে তাতে সমুদ্রের পানি যতটুকু হ্রাস পাবে। কারণ আমি হলাম দাতা, দয়ালু ও মহান। আমি যা চাই তাই করি। আমার দান হলো আমার কথা (এবং আমার আযাব হলো আমার নির্দেশ)। আমার ব্যাপার এই যে, আমি যখন কিছু ইচ্ছা করি তখন বলি, “হয়ে যাও”, অমনি তা হয়ে যায়।[৩৫৮৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রাচুর্যময় মহান আল্লাহ বলেন, হে আমার বান্দাগণ! আমি যাদের ক্ষমা করেছি তারা ব্যতিত তোমাদের সকলেই গুনাহগার। অতএব তোমরা আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করবো। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জানে যে, আমি ক্ষমা করার ক্ষমতা রাখি, অতঃপর সে আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই। আমি যাদের হেদায়াত করেছি তারা ব্যতীত তোমরা সকলেই পথভ্রষ্ট। অতএব তোমরা আমার নিকট সৎপথ প্রার্থনা করো। আমি তোমাদের সৎপথ প্রদর্শন করবো। আমি যাদের ধনবান করেছি তারা ব্যতিত তোমরা সকলেই দরিদ্র। তোমরা আমার নিকট প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের রিযিক দান করবো। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক (সচ্ছল-অসচ্ছল) নির্বিশেষে সকলেই যদি আমার বান্দাদের মধ্যে সর্বাধিক তাক্বওয়ার অধিকারী ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয়ে যায়, তাহলে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে না। পক্ষান্তরে তারা সকলে যদি একত্রে আমার বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্নক পাপী বান্দার মত হয়ে যায়, তবুও তাতে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের সৌন্দর্যহানি ঘটবে না। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক সকলে যদি একত্র হয়ে প্রত্যেকে তার পূর্ণ চাহিদামত আমার নিকট প্রার্থনা করে এবং আমি তাদের চাহিদা মত সবকিছু দান করি, তবুও আমার রাজত্বের কিছুই কমবে না, তবে এতটুকু পরিমাণ যে, তোমাদের কেউ সমুদ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রমকালে তাতে একটিঁ সুঁই ডুবিয়ে তা তুলে নিলে তাতে সমুদ্রের পানি যতটুকু হ্রাস পাবে। কারণ আমি হলাম দাতা, দয়ালু ও মহান। আমি যা চাই তাই করি। আমার দান হলো আমার কথা (এবং আমার আযাব হলো আমার নির্দেশ)। আমার ব্যাপার এই যে, আমি যখন কিছু ইচ্ছা করি তখন বলি, “হয়ে যাও”, অমনি তা হয়ে যায়।[৩৫৮৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن موسى بن المسيب الثقفي، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن أبي ذر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ إن الله تبارك وتعالى يقول يا عبادي كلكم مذنب إلا من عافيت فسلوني المغفرة فأغفر لكم ومن علم منكم أني ذو قدرة على المغفرة فاستغفرني بقدرتي غفرت له، وكلكم ضال إلا من هديت فسلوني الهدى أهدكم، وكلكم فقير إلا من أغنيت فسلوني أرزقكم، ولو أن حيكم وميتكم وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا فكانوا على قلب أتقى عبد من عبادي - لم يزد في ملكي جناح بعوضة، ولو اجتمعوا فكانوا على قلب أشقى عبد من عبادي لم ينقص من ملكي جناح بعوضة ولو أن حيكم وميتكم، وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا، فسأل كل سائل منهم ما بلغت أمنيته - ما نقص من ملكي إلا كما لو أن أحدكم مر بشفة البحر فغمس فيها إبرة ثم نزعها، ذلك بأني جواد ماجد عطائي كلام إذا أردت شيئا فإنما أقول له ‏:‏ كن فيكون ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > মৃত্যুকে স্মরণ এবং তার প্রস্তুতি

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৮

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ أكثروا ذكر هاذم اللذات ‏"‏ ‏.‏ يعني الموت ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারী অর্থাৎ মৃত্যুকে স্মরণ করো।[৩৫৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারী অর্থাৎ মৃত্যুকে স্মরণ করো।[৩৫৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ أكثروا ذكر هاذم اللذات ‏"‏ ‏.‏ يعني الموت ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৮

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ أكثروا ذكر هاذم اللذات ‏"‏ ‏.‏ يعني الموت ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারী অর্থাৎ মৃত্যুকে স্মরণ করো।[৩৫৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারী অর্থাৎ মৃত্যুকে স্মরণ করো।[৩৫৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ أكثروا ذكر هاذم اللذات ‏"‏ ‏.‏ يعني الموت ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৮

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ أكثروا ذكر هاذم اللذات ‏"‏ ‏.‏ يعني الموت ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারী অর্থাৎ মৃত্যুকে স্মরণ করো।[৩৫৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারী অর্থাৎ মৃত্যুকে স্মরণ করো।[৩৫৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ أكثروا ذكر هاذم اللذات ‏"‏ ‏.‏ يعني الموت ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬০

حدثنا هشام بن عبد الملك الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، حدثني ابن أبي مريم، عن ضمرة بن حبيب، عن أبي يعلى، شداد بن أوس قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ الكيس من دان نفسه وعمل لما بعد الموت والعاجز من أتبع نفسه هواها ثم تمنى على الله ‏"‏ ‏.‏

আবূ ইয়া‘লা শাদ্দাদ বিন আওস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি যে নিজের নফস কে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের জন্য কাজ করে। আর নির্বোধ ও অকর্মন্য সেই ব্যক্তি যে তার নফসের দাবির অনুসরণ করে এবং আল্লাহর নিকট বৃথা আশা করে।[৩৫৯২] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

আবূ ইয়া‘লা শাদ্দাদ বিন আওস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি যে নিজের নফস কে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের জন্য কাজ করে। আর নির্বোধ ও অকর্মন্য সেই ব্যক্তি যে তার নফসের দাবির অনুসরণ করে এবং আল্লাহর নিকট বৃথা আশা করে।[৩৫৯২] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

حدثنا هشام بن عبد الملك الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، حدثني ابن أبي مريم، عن ضمرة بن حبيب، عن أبي يعلى، شداد بن أوس قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ الكيس من دان نفسه وعمل لما بعد الموت والعاجز من أتبع نفسه هواها ثم تمنى على الله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬১

حدثنا عبد الله بن الحكم بن أبي زياد، حدثنا سيار، حدثنا جعفر، عن ثابت، عن أنس، ‏:‏ أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ دخل على شاب وهو في الموت فقال ‏:‏ ‏"‏ كيف تجدك ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ أرجو الله يا رسول الله وأخاف ذنوبي ‏.‏ فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ لا يجتمعان في قلب عبد في مثل هذا الموطن إلا أعطاه الله ما يرجو وآمنه مما يخاف ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মুমূর্ষু যুবকের নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার কেমন লাগছে? সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার গুনাহ সম্পর্কে আল্লাহর কাছে (ক্ষমার) আশাবাদী ও ভীত-শংকিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ দু’টি জিনিস (আশা ও শংকা) যে বান্দার অন্তরেই একত্র হয়, সে যা আশা করে, আল্লাহ তাকে তা দান করবেন এবং সে যা আশংকা করে তা থেকে তাকে নিরাপদ রাখবেন।[৩৫৯৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মুমূর্ষু যুবকের নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার কেমন লাগছে? সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার গুনাহ সম্পর্কে আল্লাহর কাছে (ক্ষমার) আশাবাদী ও ভীত-শংকিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ দু’টি জিনিস (আশা ও শংকা) যে বান্দার অন্তরেই একত্র হয়, সে যা আশা করে, আল্লাহ তাকে তা দান করবেন এবং সে যা আশংকা করে তা থেকে তাকে নিরাপদ রাখবেন।[৩৫৯৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا عبد الله بن الحكم بن أبي زياد، حدثنا سيار، حدثنا جعفر، عن ثابت، عن أنس، ‏:‏ أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ دخل على شاب وهو في الموت فقال ‏:‏ ‏"‏ كيف تجدك ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ أرجو الله يا رسول الله وأخاف ذنوبي ‏.‏ فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ لا يجتمعان في قلب عبد في مثل هذا الموطن إلا أعطاه الله ما يرجو وآمنه مما يخاف ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৩

حدثنا أحمد بن ثابت الجحدري، وعمر بن شبة بن عبيدة، قالا حدثنا عمر بن علي، أخبرني إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إذا كان أجل أحدكم بأرض أوثبته إليها الحاجة فإذا بلغ أقصى أثره قبضه الله سبحانه فتقول الأرض يوم القيامة ‏:‏ رب هذا ما استودعتني ‏"‏ ‏.

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন তোমাদের কারো মৃত্যু কোন এলাকায় নির্ধারিত হয়, তখন কোন প্রয়োজন তাকে সেখানে যেতে বাধ্য করে। সে যখন উক্ত এলাকায় নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে যায় তখন মহা আল্লাহ তার জান কবয করেন। কিয়ামতের দিন জমীন বলবে, হে প্রভু! এই তোমার আমানত যা আমার নিকট গচ্ছিত রেখেছিলে। [৩৫৯৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন তোমাদের কারো মৃত্যু কোন এলাকায় নির্ধারিত হয়, তখন কোন প্রয়োজন তাকে সেখানে যেতে বাধ্য করে। সে যখন উক্ত এলাকায় নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে যায় তখন মহা আল্লাহ তার জান কবয করেন। কিয়ামতের দিন জমীন বলবে, হে প্রভু! এই তোমার আমানত যা আমার নিকট গচ্ছিত রেখেছিলে। [৩৫৯৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أحمد بن ثابت الجحدري، وعمر بن شبة بن عبيدة، قالا حدثنا عمر بن علي، أخبرني إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إذا كان أجل أحدكم بأرض أوثبته إليها الحاجة فإذا بلغ أقصى أثره قبضه الله سبحانه فتقول الأرض يوم القيامة ‏:‏ رب هذا ما استودعتني ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৯

حدثنا الزبير بن بكار، حدثنا أنس بن عياض، حدثنا نافع بن عبد الله، عن فروة بن قيس، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عمر، أنه قال ‏:‏ كنت مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فجاءه رجل من الأنصار فسلم على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثم قال ‏:‏ يا رسول الله أى المؤمنين أفضل قال ‏:‏ ‏"‏ أحسنهم خلقا ‏"‏ ‏.‏ قال فأى المؤمنين أكيس قال ‏:‏ ‏"‏ أكثرهم للموت ذكرا وأحسنهم لما بعده استعدادا أولئك الأكياس ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় এক আনসারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে তাকে সালাম দিলো। অতঃপর বললো, হে আল্লাহর রাসূল! মুমিনদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম কে? তিনি বলেনঃ স্বভাব–চরিত্রে তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অধিক উত্তম। সে পুনরায় জিজ্ঞেস করলো, মুমিনদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান কে? তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে যারা মৃত্যুকে অধিক স্মরণ করে এবং মৃত্যু পরবর্তী জীবনের জন্য উত্তমরূপে প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তারাই সর্বাধিক বুদ্ধিমান।[৩৫৯১] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় এক আনসারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে তাকে সালাম দিলো। অতঃপর বললো, হে আল্লাহর রাসূল! মুমিনদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম কে? তিনি বলেনঃ স্বভাব–চরিত্রে তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অধিক উত্তম। সে পুনরায় জিজ্ঞেস করলো, মুমিনদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান কে? তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে যারা মৃত্যুকে অধিক স্মরণ করে এবং মৃত্যু পরবর্তী জীবনের জন্য উত্তমরূপে প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তারাই সর্বাধিক বুদ্ধিমান।[৩৫৯১] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا الزبير بن بكار، حدثنا أنس بن عياض، حدثنا نافع بن عبد الله، عن فروة بن قيس، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عمر، أنه قال ‏:‏ كنت مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فجاءه رجل من الأنصار فسلم على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثم قال ‏:‏ يا رسول الله أى المؤمنين أفضل قال ‏:‏ ‏"‏ أحسنهم خلقا ‏"‏ ‏.‏ قال فأى المؤمنين أكيس قال ‏:‏ ‏"‏ أكثرهم للموت ذكرا وأحسنهم لما بعده استعدادا أولئك الأكياس ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৪

حدثنا يحيى بن خلف أبو سلمة، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن سعد بن هشام، عن عائشة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ من أحب لقاء الله أحب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه ‏"‏ ‏.‏ فقيل له ‏:‏ يا رسول الله كراهية لقاء الله في كراهية لقاء الموت فكلنا يكره الموت قال ‏:‏ ‏"‏ لا إنما ذاك عند موته إذا بشر برحمة الله ومغفرته أحب لقاء الله فأحب الله لقاءه وإذا بشر بعذاب الله كره لقاء الله وكره الله لقاءه ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত পছন্দ করে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত পছন্দ করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত অপছন্দ করেন। বলা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহর সাথে সাক্ষাত অপছন্দ করা তো মৃত্যুকে অপছন্দ করা। অতএব আমাদের সকলেই তো মৃত্যুকে অপছন্দ করে। তিনি বলেনঃ তা নয়, এটা মৃত্যুর সময়ের ব্যাপার। যখন কোন বান্দাকে আল্লাহর রহমাত ও ক্ষমার সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাত লাভকে পছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাত পছন্দ করেন। আর যখন কোন বান্দাকে কঠিন শাস্তির দুঃসংবাদ দেয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাত অপছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাত অপছন্দ করেন।[৩৫৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত পছন্দ করে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত পছন্দ করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত অপছন্দ করেন। বলা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহর সাথে সাক্ষাত অপছন্দ করা তো মৃত্যুকে অপছন্দ করা। অতএব আমাদের সকলেই তো মৃত্যুকে অপছন্দ করে। তিনি বলেনঃ তা নয়, এটা মৃত্যুর সময়ের ব্যাপার। যখন কোন বান্দাকে আল্লাহর রহমাত ও ক্ষমার সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাত লাভকে পছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাত পছন্দ করেন। আর যখন কোন বান্দাকে কঠিন শাস্তির দুঃসংবাদ দেয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাত অপছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাত অপছন্দ করেন।[৩৫৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا يحيى بن خلف أبو سلمة، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن سعد بن هشام، عن عائشة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ من أحب لقاء الله أحب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه ‏"‏ ‏.‏ فقيل له ‏:‏ يا رسول الله كراهية لقاء الله في كراهية لقاء الموت فكلنا يكره الموت قال ‏:‏ ‏"‏ لا إنما ذاك عند موته إذا بشر برحمة الله ومغفرته أحب لقاء الله فأحب الله لقاءه وإذا بشر بعذاب الله كره لقاء الله وكره الله لقاءه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ الميت تحضره الملائكة فإذا كان الرجل صالحا قالوا ‏:‏ اخرجي أيتها النفس الطيبة كانت في الجسد الطيب اخرجي حميدة وأبشري بروح وريحان ورب غير غضبان فلا يزال يقال لها ذلك حتى تخرج ثم يعرج بها إلى السماء فيفتح لها فيقال ‏:‏ من هذا فيقولون ‏:‏ فلان ‏.‏ فيقال ‏:‏ مرحبا بالنفس الطيبة، كانت في الجسد الطيب ادخلي حميدة، وأبشري بروح وريحان ورب غير غضبان ‏.‏ فلا يزال يقال لها ذلك حتى ينتهى بها إلى السماء التي فيها الله عز وجل وإذا كان الرجل السوء قال اخرجي أيتها النفس الخبيثة كانت في الجسد الخبيث اخرجي ذميمة وأبشري بحميم وغساق ‏.‏ وآخر من شكله أزواج ‏.‏ فلا يزال يقال لها ذلك حتى تخرج ثم يعرج بها إلى السماء فلا يفتح لها فيقال ‏:‏ من هذا فيقال ‏:‏ فلان ‏.‏ فيقال ‏:‏ لا مرحبا بالنفس الخبيثة كانت في الجسد الخبيث ارجعي ذميمة فإنها لا تفتح لك أبواب السماء فيرسل بها من السماء ثم تصير إلى القبر ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر ال

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মৃত্যুর সময় মানুষের নিকট ফেরেশতা আগমন করেন। অতএব মুমূর্ষু ব্যক্তি উত্তম লোক হলে তারা বলেন, হে পবিত্র আত্মা! পবিত্র দেহ থেকে প্রশংসিত অবস্থায় বের হয়ে এসো এবং আল্লাহর রহমত ও সুঘ্রাণের সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমার রব তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট নন। রূহ বের হয়ে আসা পর্যন্ত তারা এভাবে আহবান জানাতে থাকে। অতঃপর রূহ বের হয়ে আসলে তারা তা নিয়ে আসমানে আরোহণ করেন। এ রূহের জন্যে আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়। জিজ্ঞেস করা হয়, সে কে? ফেরেশতাগণ বলেন, অমুক ব্যক্তি। তখন বলা হয়, পবিত্র আত্মাকে স্বাগতম, যা ছিল পবিত্র দেহে। প্রশংসিত অবস্থায় তুমি প্রবেশ করো। আল্লাহর রহমাত ও সুঘ্রানের সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমার রব তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট নন। তাকে অবিরতভাবে এ সংবাদ প্রদান করা হয় যাবত না তা মহামহিম আল্লাহ যে আসমানে অবস্থান করেন সেখানে পৌঁছে যায়। মুমূর্ষু ব্যক্তি পাপাচারী হলে ফেরেশতা বলেন, হে নিকৃষ্ট দেহের নিকৃষ্ট আত্মা! নিন্দিত অবস্থায় বের হয়ে আয় এবং উত্তপ্ত গরম পানি ও রক্ত-পুঁজের দুঃসংবাদ গ্রহণ কর এবং অনুরূপ বহু বিষাক্ত বস্তুর। রূহ বের হয়ে আসা পর্যন্ত তারা এভাবে আহবান জানাতে থাকেন। অতঃপর তারা রূহসহ উর্দ্ধাকাশে আরোহণ করেন। কিন্তু তার জন্য দরজা খোলা হয় না। জিজ্ঞেস করা হয়, এ ব্যক্তি কে? বলা হয়, অমুক। তখন বলা হয়, নিকৃষ্ট দেহের নিকৃষ্ট আত্মার জন্য নাই কোন সাদর সম্ভাষণ। তুই নিন্দিত অবস্থায় ফিরে যা। কারণ তোর জন্য আকাশের দ্বারসমূহ খোলা হবে না। অতঃপর একে আসমান থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয় এবং তা কবরে ফিরে আসে।[৩৫৯৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মৃত্যুর সময় মানুষের নিকট ফেরেশতা আগমন করেন। অতএব মুমূর্ষু ব্যক্তি উত্তম লোক হলে তারা বলেন, হে পবিত্র আত্মা! পবিত্র দেহ থেকে প্রশংসিত অবস্থায় বের হয়ে এসো এবং আল্লাহর রহমত ও সুঘ্রাণের সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমার রব তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট নন। রূহ বের হয়ে আসা পর্যন্ত তারা এভাবে আহবান জানাতে থাকে। অতঃপর রূহ বের হয়ে আসলে তারা তা নিয়ে আসমানে আরোহণ করেন। এ রূহের জন্যে আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়। জিজ্ঞেস করা হয়, সে কে? ফেরেশতাগণ বলেন, অমুক ব্যক্তি। তখন বলা হয়, পবিত্র আত্মাকে স্বাগতম, যা ছিল পবিত্র দেহে। প্রশংসিত অবস্থায় তুমি প্রবেশ করো। আল্লাহর রহমাত ও সুঘ্রানের সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমার রব তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট নন। তাকে অবিরতভাবে এ সংবাদ প্রদান করা হয় যাবত না তা মহামহিম আল্লাহ যে আসমানে অবস্থান করেন সেখানে পৌঁছে যায়। মুমূর্ষু ব্যক্তি পাপাচারী হলে ফেরেশতা বলেন, হে নিকৃষ্ট দেহের নিকৃষ্ট আত্মা! নিন্দিত অবস্থায় বের হয়ে আয় এবং উত্তপ্ত গরম পানি ও রক্ত-পুঁজের দুঃসংবাদ গ্রহণ কর এবং অনুরূপ বহু বিষাক্ত বস্তুর। রূহ বের হয়ে আসা পর্যন্ত তারা এভাবে আহবান জানাতে থাকেন। অতঃপর তারা রূহসহ উর্দ্ধাকাশে আরোহণ করেন। কিন্তু তার জন্য দরজা খোলা হয় না। জিজ্ঞেস করা হয়, এ ব্যক্তি কে? বলা হয়, অমুক। তখন বলা হয়, নিকৃষ্ট দেহের নিকৃষ্ট আত্মার জন্য নাই কোন সাদর সম্ভাষণ। তুই নিন্দিত অবস্থায় ফিরে যা। কারণ তোর জন্য আকাশের দ্বারসমূহ খোলা হবে না। অতঃপর একে আসমান থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয় এবং তা কবরে ফিরে আসে।[৩৫৯৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ الميت تحضره الملائكة فإذا كان الرجل صالحا قالوا ‏:‏ اخرجي أيتها النفس الطيبة كانت في الجسد الطيب اخرجي حميدة وأبشري بروح وريحان ورب غير غضبان فلا يزال يقال لها ذلك حتى تخرج ثم يعرج بها إلى السماء فيفتح لها فيقال ‏:‏ من هذا فيقولون ‏:‏ فلان ‏.‏ فيقال ‏:‏ مرحبا بالنفس الطيبة، كانت في الجسد الطيب ادخلي حميدة، وأبشري بروح وريحان ورب غير غضبان ‏.‏ فلا يزال يقال لها ذلك حتى ينتهى بها إلى السماء التي فيها الله عز وجل وإذا كان الرجل السوء قال اخرجي أيتها النفس الخبيثة كانت في الجسد الخبيث اخرجي ذميمة وأبشري بحميم وغساق ‏.‏ وآخر من شكله أزواج ‏.‏ فلا يزال يقال لها ذلك حتى تخرج ثم يعرج بها إلى السماء فلا يفتح لها فيقال ‏:‏ من هذا فيقال ‏:‏ فلان ‏.‏ فيقال ‏:‏ لا مرحبا بالنفس الخبيثة كانت في الجسد الخبيث ارجعي ذميمة فإنها لا تفتح لك أبواب السماء فيرسل بها من السماء ثم تصير إلى القبر ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر ال


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৫

حدثنا عمران بن موسى الليثي، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ لا يتمنى أحدكم الموت لضر نزل به فإن كان لا بد متمنيا الموت فليقل ‏:‏ اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার উপর পতিত বিপদাপদের কারণে মৃত্যু কামনা না করে। অবশ্যই কেউ যদি মৃত্যু কামনা করতেই চায়, তবে সে যেন বলে, “হে আল্লাহ! যাবৎ জীবিত থাকা আমার জন্যে কল্যাণকর, তাবৎ আমাকে জীবিত রাখুন এবং যখন মৃত্যুই আমার জন্যে কল্যাণকর হবে তখন আমাকে মৃত্যুদান করুন”।[৩৫৯৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার উপর পতিত বিপদাপদের কারণে মৃত্যু কামনা না করে। অবশ্যই কেউ যদি মৃত্যু কামনা করতেই চায়, তবে সে যেন বলে, “হে আল্লাহ! যাবৎ জীবিত থাকা আমার জন্যে কল্যাণকর, তাবৎ আমাকে জীবিত রাখুন এবং যখন মৃত্যুই আমার জন্যে কল্যাণকর হবে তখন আমাকে মৃত্যুদান করুন”।[৩৫৯৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا عمران بن موسى الليثي، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ لا يتمنى أحدكم الموت لضر نزل به فإن كان لا بد متمنيا الموت فليقل ‏:‏ اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কবর ও তার বিপর্যয়কর পরিস্থিতি

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ ليس شىء من الإنسان إلا يبلى إلا عظما واحدا وهو عجب الذنب ومنه يركب الخلق يوم القيامة ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একটি হাড় ব্যতিত গোটা মানবদেহ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে। সেটা হলো পাছার হাড় এবং এই হাড় থেকেই কিয়ামতের দিন সৃষ্টির দৈহিক কাঠামো পুনর্গঠিত করা হবে।[৩৫৯৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একটি হাড় ব্যতিত গোটা মানবদেহ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে। সেটা হলো পাছার হাড় এবং এই হাড় থেকেই কিয়ামতের দিন সৃষ্টির দৈহিক কাঠামো পুনর্গঠিত করা হবে।[৩৫৯৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ ليس شىء من الإنسان إلا يبلى إلا عظما واحدا وهو عجب الذنب ومنه يركب الخلق يوم القيامة ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৯

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ ‏{يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت }‏ قال ‏:‏ نزلت في عذاب القبر يقال له ‏:‏ من ربك فيقول ‏:‏ ربي الله ونبيي محمد فذلك قوله ‏{يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت في الحياة الدنيا وفي الآخرة}‏ ‏"‏ ‏.‏

বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবে” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। তিনি বলেন যে, এ আয়াত কবর আযাব সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কবরস্থ ব্যক্তিকে বলা হবে, তোমার রব কে? সে বলবে, আমার রব আল্লাহ এবং আমার নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এই হচ্ছে আল্লাহর নিম্নোক্ত আয়াতের তাৎপর্য (অনুবাদ) : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদের পার্থিব জীবনে এবং আখেরাতে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। [৩৬০১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবে” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। তিনি বলেন যে, এ আয়াত কবর আযাব সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কবরস্থ ব্যক্তিকে বলা হবে, তোমার রব কে? সে বলবে, আমার রব আল্লাহ এবং আমার নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এই হচ্ছে আল্লাহর নিম্নোক্ত আয়াতের তাৎপর্য (অনুবাদ) : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদের পার্থিব জীবনে এবং আখেরাতে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)। [৩৬০১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ ‏{يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت }‏ قال ‏:‏ نزلت في عذاب القبر يقال له ‏:‏ من ربك فيقول ‏:‏ ربي الله ونبيي محمد فذلك قوله ‏{يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت في الحياة الدنيا وفي الآخرة}‏ ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إذا مات أحدكم عرض على مقعده بالغداة والعشي إن كان من أهل الجنة فمن أهل الجنة، وإن كان من أهل النار فمن أهل النار يقال هذا مقعدك حتى تبعث يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের যে কেউ মারা যাওয়ার পর তার সামনে সকাল-সন্ধ্যায় তার বসবাসের ঠিকানা তুলে ধরা হয়। সে জান্নাতি হয়ে থাকলে জান্নাতীদের অবস্থান দেখানো হয় এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামীদের অবস্থান দেখানো হয়। তাকে বলা হয়, কিয়ামতের দিন তোমাকে উঠানোর পর থেকে এটাই হবে তোমার আবাস।[৩৬০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের যে কেউ মারা যাওয়ার পর তার সামনে সকাল-সন্ধ্যায় তার বসবাসের ঠিকানা তুলে ধরা হয়। সে জান্নাতি হয়ে থাকলে জান্নাতীদের অবস্থান দেখানো হয় এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামীদের অবস্থান দেখানো হয়। তাকে বলা হয়, কিয়ামতের দিন তোমাকে উঠানোর পর থেকে এটাই হবে তোমার আবাস।[৩৬০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إذا مات أحدكم عرض على مقعده بالغداة والعشي إن كان من أهل الجنة فمن أهل الجنة، وإن كان من أهل النار فمن أهل النار يقال هذا مقعدك حتى تبعث يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭১

حدثنا سويد بن سعيد، أنبأنا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب الأنصاري، أنه أخبره أن أباه كان يحدث أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إنما نسمة المؤمن طائر يعلق في شجر الجنة حتى يرجع إلى جسده يوم يبعث ‏"‏ ‏.‏

কা‘ব বিন মালিক আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুমিন ব্যক্তির রূহ একটি পাখির আকৃতিতে জান্নাতের বৃক্ষে যুক্ত থাকবে। শেষে উত্থিত হওয়ার দিন তার রূহ তার দেহে ফিরে আসবে।[৩৬০৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

কা‘ব বিন মালিক আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুমিন ব্যক্তির রূহ একটি পাখির আকৃতিতে জান্নাতের বৃক্ষে যুক্ত থাকবে। শেষে উত্থিত হওয়ার দিন তার রূহ তার দেহে ফিরে আসবে।[৩৬০৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا سويد بن سعيد، أنبأنا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب الأنصاري، أنه أخبره أن أباه كان يحدث أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إنما نسمة المؤمن طائر يعلق في شجر الجنة حتى يرجع إلى جسده يوم يبعث ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৭

حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني يحيى بن معين، حدثنا هشام بن يوسف، عن عبد الله بن بحير، عن هانئ، - مولى عثمان - قال ‏:‏ كان عثمان بن عفان إذا وقف على قبر يبكي حتى يبل لحيته فقيل له ‏:‏ تذكر الجنة والنار ولا تبكي وتبكي من هذا قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ إن القبر أول منازل الآخرة فإن نجا منه فما بعده أيسر منه وإن لم ينج منه، فما بعده أشد منه ‏"‏ ‏.‏ قال وقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ ما رأيت منظرا قط إلا والقبر أفظع منه ‏"‏ ‏.‏

উসমান (রাঃ) এর মুক্তদাস হানী থেকে বর্নিতঃ

উসমান বিন আফফান (রাঃ) যখন কোন কবরের পাশে দাঁড়াতেন তখন এতো কাঁদতেন যে, তার দাড়ি ভিজে যেত। তাকে বলা হলো, আপনি জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করেন তখন তো এভাবে কান্নাকাটি করেন না ,অথচ কবর দেখলেই কাঁদেন! তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় কবর হলো আখেরাতের মনযিলসমূহের মধ্যকার সর্বপ্রথম মনযিল। কেউ যদি এখান থেকে রেহাই পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিল গুলো কবরের চেয়েও সহজতর হবে। আর সে যদি এখান থেকে রেহাই না পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো ভয়াভহ হবে। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কখনও এমন কোন দৃশ্য অবলোকন করিনি যার তুলনায় কবর অধিক ভয়ংকর নয়।[৩৫৯৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

উসমান (রাঃ) এর মুক্তদাস হানী থেকে বর্নিতঃ

উসমান বিন আফফান (রাঃ) যখন কোন কবরের পাশে দাঁড়াতেন তখন এতো কাঁদতেন যে, তার দাড়ি ভিজে যেত। তাকে বলা হলো, আপনি জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করেন তখন তো এভাবে কান্নাকাটি করেন না ,অথচ কবর দেখলেই কাঁদেন! তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় কবর হলো আখেরাতের মনযিলসমূহের মধ্যকার সর্বপ্রথম মনযিল। কেউ যদি এখান থেকে রেহাই পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিল গুলো কবরের চেয়েও সহজতর হবে। আর সে যদি এখান থেকে রেহাই না পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো ভয়াভহ হবে। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কখনও এমন কোন দৃশ্য অবলোকন করিনি যার তুলনায় কবর অধিক ভয়ংকর নয়।[৩৫৯৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني يحيى بن معين، حدثنا هشام بن يوسف، عن عبد الله بن بحير، عن هانئ، - مولى عثمان - قال ‏:‏ كان عثمان بن عفان إذا وقف على قبر يبكي حتى يبل لحيته فقيل له ‏:‏ تذكر الجنة والنار ولا تبكي وتبكي من هذا قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ إن القبر أول منازل الآخرة فإن نجا منه فما بعده أيسر منه وإن لم ينج منه، فما بعده أشد منه ‏"‏ ‏.‏ قال وقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ ما رأيت منظرا قط إلا والقبر أفظع منه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৬৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الميت يصير إلى القبر فيجلس الرجل الصالح في قبره غير فزع ولا مشعوف ثم يقال له ‏:‏ فيم كنت فيقول ‏:‏ كنت في الإسلام ‏.‏ فيقال له ‏:‏ ما هذا الرجل فيقول ‏:‏ محمد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ جاءنا بالبينات من عند الله فصدقناه ‏.‏ فيقال له ‏:‏ هل رأيت الله فيقول ‏:‏ ما ينبغي لأحد أن يرى الله ‏.‏ فيفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له ‏:‏ انظر إلى ما وقاك الله ‏.‏ ثم يفرج له فرجة قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له ‏:‏ هذا مقعدك ‏.‏ ويقال له ‏:‏ على اليقين كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله ‏.‏ ويجلس الرجل السوء في قبره فزعا مشعوفا فيقال له ‏:‏ فيم كنت فيقول ‏:‏ لا أدري ‏.‏ فيقال له ‏:‏ ما هذا الرجل فيقول ‏:‏ سمعت الناس يقولون قولا فقلته ‏.‏ فيفرج له قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له ‏:‏ انظر إلى ما صرف الله عنك ‏.‏ ثم يفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له ‏:‏ هذا مقعدك على الشك كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله تعالى ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে এবং সে সৎকর্মপরায়ণ লোক হলে তাকে ভীতিশূন্য ও দুশ্চিন্তামুক্ত অবস্থায় তার কবরে বসানো হয়। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি ইসলামের অনুসারী ছিলাম। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দলীল-প্রমাণসহ আমাদের নিকট এসেছিলেন এবং আমরা তাকে সত্য নবী বলে স্বীকার করেছি। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কি আল্লাহকে দেখেছিলে? সে বলবে, আল্লাহকে দেখা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, তার এক অংশ অপর অংশকে গ্রাস করছে। তাকে বলা হবে, দেখে নাও, যা থেকে আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করেছেন। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, এই হলো তোমার স্থায়ী বাসস্থান। তাকে আরো বলা হবে, তুমি ঈমানের উপর দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত ছিলে, ঈমানসহ মৃত্যুবরণ করেছ এবং ইনশাল্লাহ ঈমানসহ হাশরের ময়দানে উত্থিত হবে। পক্ষান্তরে দুষ্কর্মপরায়ণ লোককে ভীতিকর ও দুশ্চিন্তাগ্রস্থ অবস্থায় উঠিয়ে তার কবরে বসানো হবে। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি জানি না। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আমি লোকজনকে একটা কথা বলতে শুনেছি, আমিও তাই বলেছি। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, দেখ যা থেকে আল্লাহ তোকে বঞ্চিত করেছেন। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, জাহান্নামের এক অংশ অপর অংশ কে গ্রাস করছে। অতঃপর তাকে বলা হবে, এটা হলো তোর স্থায়ী আবাসস্থল। তুই সংশয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলি, সংশয়ী অবস্থায় মরেছিস এবং আল্লাহর মর্জি সংশয়ী অবস্থায় তোকে উঠানো হবে।[৩৬০০] তাওকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে এবং সে সৎকর্মপরায়ণ লোক হলে তাকে ভীতিশূন্য ও দুশ্চিন্তামুক্ত অবস্থায় তার কবরে বসানো হয়। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি ইসলামের অনুসারী ছিলাম। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দলীল-প্রমাণসহ আমাদের নিকট এসেছিলেন এবং আমরা তাকে সত্য নবী বলে স্বীকার করেছি। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কি আল্লাহকে দেখেছিলে? সে বলবে, আল্লাহকে দেখা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, তার এক অংশ অপর অংশকে গ্রাস করছে। তাকে বলা হবে, দেখে নাও, যা থেকে আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করেছেন। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, এই হলো তোমার স্থায়ী বাসস্থান। তাকে আরো বলা হবে, তুমি ঈমানের উপর দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত ছিলে, ঈমানসহ মৃত্যুবরণ করেছ এবং ইনশাল্লাহ ঈমানসহ হাশরের ময়দানে উত্থিত হবে। পক্ষান্তরে দুষ্কর্মপরায়ণ লোককে ভীতিকর ও দুশ্চিন্তাগ্রস্থ অবস্থায় উঠিয়ে তার কবরে বসানো হবে। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কিসের অনুসারী ছিলে? সে বলবে, আমি জানি না। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, এই ব্যক্তি কে? সে বলবে, আমি লোকজনকে একটা কথা বলতে শুনেছি, আমিও তাই বলেছি। অতঃপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে তথাকার পুষ্প উদ্যান ও অন্যান্য সবকিছু দেখতে পাবে। তাকে বলা হবে, দেখ যা থেকে আল্লাহ তোকে বঞ্চিত করেছেন। অতঃপর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটি সুড়ঙ্গ পথ খুলে দেয়া হবে। সে সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে যে, জাহান্নামের এক অংশ অপর অংশ কে গ্রাস করছে। অতঃপর তাকে বলা হবে, এটা হলো তোর স্থায়ী আবাসস্থল। তুই সংশয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলি, সংশয়ী অবস্থায় মরেছিস এবং আল্লাহর মর্জি সংশয়ী অবস্থায় তোকে উঠানো হবে।[৩৬০০] তাওকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الميت يصير إلى القبر فيجلس الرجل الصالح في قبره غير فزع ولا مشعوف ثم يقال له ‏:‏ فيم كنت فيقول ‏:‏ كنت في الإسلام ‏.‏ فيقال له ‏:‏ ما هذا الرجل فيقول ‏:‏ محمد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ جاءنا بالبينات من عند الله فصدقناه ‏.‏ فيقال له ‏:‏ هل رأيت الله فيقول ‏:‏ ما ينبغي لأحد أن يرى الله ‏.‏ فيفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له ‏:‏ انظر إلى ما وقاك الله ‏.‏ ثم يفرج له فرجة قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له ‏:‏ هذا مقعدك ‏.‏ ويقال له ‏:‏ على اليقين كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله ‏.‏ ويجلس الرجل السوء في قبره فزعا مشعوفا فيقال له ‏:‏ فيم كنت فيقول ‏:‏ لا أدري ‏.‏ فيقال له ‏:‏ ما هذا الرجل فيقول ‏:‏ سمعت الناس يقولون قولا فقلته ‏.‏ فيفرج له قبل الجنة فينظر إلى زهرتها وما فيها فيقال له ‏:‏ انظر إلى ما صرف الله عنك ‏.‏ ثم يفرج له فرجة قبل النار فينظر إليها يحطم بعضها بعضا فيقال له ‏:‏ هذا مقعدك على الشك كنت وعليه مت وعليه تبعث إن شاء الله تعالى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৭২

حدثنا إسماعيل بن حفص الأبلي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إذا أدخل الميت القبر مثلت الشمس له عند غروبها فيجلس يمسح عينيه ويقول ‏:‏ دعوني أصلي ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে সে সূর্যকে অস্তমিত দেখতে পায়। তখন সে উঠে বসে এবং তার চক্ষুদ্বয় মলতে মলতে বলে, আমাকে ছেড়ে দাও, আমি নামাজ পড়বো।[৩৬০৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে সে সূর্যকে অস্তমিত দেখতে পায়। তখন সে উঠে বসে এবং তার চক্ষুদ্বয় মলতে মলতে বলে, আমাকে ছেড়ে দাও, আমি নামাজ পড়বো।[৩৬০৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا إسماعيل بن حفص الأبلي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إذا أدخل الميت القبر مثلت الشمس له عند غروبها فيجلس يمسح عينيه ويقول ‏:‏ دعوني أصلي ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00