সুনানে ইবনে মাজাহ > আশা-আকাঙ্ক্ষা ও মৃত্যু

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩২

حدثنا إسحاق بن منصور، حدثنا النضر بن شميل، أنبأنا حماد بن سلمة، عن عبيد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ هذا ابن آدم وهذا أجله عند قفاه ‏"‏ ‏.‏ وبسط يده أمامه ثم قال ‏:‏ ‏"‏ وثم أمله ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই হলো আদম সন্তান এবং এই হলো তার মৃত্যু, তার ঘাড়ের নিকট। তিনি তাঁর হাত তাঁর সামনের দিকে প্রসারিত করে বললেনঃ এই পর্যন্ত (হায়াতের চেয়েও বেশী) তার আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।[৩৫৬৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই হলো আদম সন্তান এবং এই হলো তার মৃত্যু, তার ঘাড়ের নিকট। তিনি তাঁর হাত তাঁর সামনের দিকে প্রসারিত করে বললেনঃ এই পর্যন্ত (হায়াতের চেয়েও বেশী) তার আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।[৩৫৬৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا إسحاق بن منصور، حدثنا النضر بن شميل، أنبأنا حماد بن سلمة، عن عبيد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ هذا ابن آدم وهذا أجله عند قفاه ‏"‏ ‏.‏ وبسط يده أمامه ثم قال ‏:‏ ‏"‏ وثم أمله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৩

حدثنا أبو مروان، ‏:‏ محمد بن عثمان العثماني حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ قلب الشيخ شاب في اثنتين ‏:‏ في حب الحياة وكثرة المال ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি জিনিসের ভালোবাসায় বৃদ্ধের মন যুবকই থেকে যায়। বেঁচে থাকার লালসা ও সম্পদের প্রাচুর্য।[৩৫৬৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি জিনিসের ভালোবাসায় বৃদ্ধের মন যুবকই থেকে যায়। বেঁচে থাকার লালসা ও সম্পদের প্রাচুর্য।[৩৫৬৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو مروان، ‏:‏ محمد بن عثمان العثماني حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ قلب الشيخ شاب في اثنتين ‏:‏ في حب الحياة وكثرة المال ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৪

حدثنا بشر بن معاذ الضرير، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ يهرم ابن آدم ويشب منه اثنتان ‏:‏ الحرص على المال والحرص على العمر ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান বৃদ্ধ হয়ে গেলেও তার দু’টি স্বভাব যুবকই থেকে যায়ঃ সম্পদের লোভ ও বেঁচে থাকার লালসা।[৩৫৬৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান বৃদ্ধ হয়ে গেলেও তার দু’টি স্বভাব যুবকই থেকে যায়ঃ সম্পদের লোভ ও বেঁচে থাকার লালসা।[৩৫৬৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا بشر بن معاذ الضرير، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ يهرم ابن آدم ويشب منه اثنتان ‏:‏ الحرص على المال والحرص على العمر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৬

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثني عبد الرحمن بن محمد المحاربي، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের (গড়) আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছর। তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকই এ বয়স অতিক্রম করবে।[৩৫৬৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের (গড়) আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছর। তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকই এ বয়স অতিক্রম করবে।[৩৫৬৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثني عبد الرحمن بن محمد المحاربي، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৫

حدثنا أبو مروان العثماني، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أن لابن آدم واديين من مال لأحب أن يكون معهما ثالث ولا يملأ نفسه إلا التراب ويتوب الله على من تاب ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তান দু’ উপত্যকা ভর্তি সম্পদের অধিকারী হলেও সে এর সাথে তৃতীয়টি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। মাটি ছাড়া অন্য কিছু তার দেহ ভর্তি করতে পারে না। কোন ব্যক্তি তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন।[৩৫৬৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তান দু’ উপত্যকা ভর্তি সম্পদের অধিকারী হলেও সে এর সাথে তৃতীয়টি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। মাটি ছাড়া অন্য কিছু তার দেহ ভর্তি করতে পারে না। কোন ব্যক্তি তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন।[৩৫৬৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو مروان العثماني، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أن لابن آدم واديين من مال لأحب أن يكون معهما ثالث ولا يملأ نفسه إلا التراب ويتوب الله على من تاب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩১

حدثنا أبو بشر، ‏:‏ بكر بن خلف وأبو بكر بن خلاد الباهلي قالا حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني أبي، عن أبي يعلى، عن الربيع بن خثيم، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ أنه خط خطا مربعا وخطا وسط الخط المربع وخطوطا إلى جانب الخط الذي وسط الخط المربع وخطا خارجا من الخط المربع فقال ‏:‏ ‏"‏ أتدرون ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ هذا الإنسان الخط الأوسط وهذه الخطوط إلى جنبه الأعراض تنهشه أو تنهسه من كل مكان فإن أخطأه هذا أصابه هذا والخط المربع الأجل المحيط والخط الخارج الأمل ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বর্গাকৃতির চতুর্ভুজ আঁকলেন, এর মধ্যভাগে একটি সরল রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের মধ্যবর্তী এ রেখার দু’দিকে অনেকগুলো ক্ষুদ্র রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের বহির্ভাগে একটি সরলরেখা টানলেন যা বর্গক্ষেত্রকে ছেদ করে অন্য প্রান্ত ভেদ করেছে। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা কি জানো, এটা কি? তারা বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেনঃ এই মধ্যবর্তী রেখাটি হলো মানুষ। আর সরলরেখার দু’ দিকে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রেখা আছে, এগুলো হলো বিপদাপদ, যা তাকে অহরহ দংশন করে। সে একটি বিপদ থেকে মুক্তি পেলে আরেকটি বিপদ তার উপর পতিত হয়। বর্গক্ষেত্রটি হলো তার জীবনকালের সীমা, যা তাকে বেষ্টন করে রেখেছে। আর (বর্গক্ষেত্র ভেদ করে) বাইরে আসা রেখাটি হলো তার কামনা-বাসনা।[৩৫৬৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বর্গাকৃতির চতুর্ভুজ আঁকলেন, এর মধ্যভাগে একটি সরল রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের মধ্যবর্তী এ রেখার দু’দিকে অনেকগুলো ক্ষুদ্র রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের বহির্ভাগে একটি সরলরেখা টানলেন যা বর্গক্ষেত্রকে ছেদ করে অন্য প্রান্ত ভেদ করেছে। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা কি জানো, এটা কি? তারা বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেনঃ এই মধ্যবর্তী রেখাটি হলো মানুষ। আর সরলরেখার দু’ দিকে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রেখা আছে, এগুলো হলো বিপদাপদ, যা তাকে অহরহ দংশন করে। সে একটি বিপদ থেকে মুক্তি পেলে আরেকটি বিপদ তার উপর পতিত হয়। বর্গক্ষেত্রটি হলো তার জীবনকালের সীমা, যা তাকে বেষ্টন করে রেখেছে। আর (বর্গক্ষেত্র ভেদ করে) বাইরে আসা রেখাটি হলো তার কামনা-বাসনা।[৩৫৬৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بشر، ‏:‏ بكر بن خلف وأبو بكر بن خلاد الباهلي قالا حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني أبي، عن أبي يعلى، عن الربيع بن خثيم، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ أنه خط خطا مربعا وخطا وسط الخط المربع وخطوطا إلى جانب الخط الذي وسط الخط المربع وخطا خارجا من الخط المربع فقال ‏:‏ ‏"‏ أتدرون ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ هذا الإنسان الخط الأوسط وهذه الخطوط إلى جنبه الأعراض تنهشه أو تنهسه من كل مكان فإن أخطأه هذا أصابه هذا والخط المربع الأجل المحيط والخط الخارج الأمل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > নিয়মিত আমল পছন্দনীয়

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت ‏:‏ والذي ذهب بنفسه ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما مات حتى كان أكثر صلاته وهو جالس وكان أحب الأعمال إليه، العمل الصالح الذي يدوم عليه العبد وإن كان يسيرا ‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সেই মহান সত্ত্বার শপথ, যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিয়ে গেছেন, তিনি ইন্তিকালের আগ পর্যন্ত অধিকাংশ সময় (নফল) নামায বসে পরতেন। বান্দা যে নেক আমল নিয়মিত করে তার অল্প হলেও তাঁর নিকট পছন্দনীয় ছিল।[৩৫৬৯] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সেই মহান সত্ত্বার শপথ, যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিয়ে গেছেন, তিনি ইন্তিকালের আগ পর্যন্ত অধিকাংশ সময় (নফল) নামায বসে পরতেন। বান্দা যে নেক আমল নিয়মিত করে তার অল্প হলেও তাঁর নিকট পছন্দনীয় ছিল।[৩৫৬৯] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت ‏:‏ والذي ذهب بنفسه ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما مات حتى كان أكثر صلاته وهو جالس وكان أحب الأعمال إليه، العمل الصالح الذي يدوم عليه العبد وإن كان يسيرا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪১

حدثنا عمرو بن رافع، حدثنا يعقوب بن عبد الله الأشعري، عن عيسى بن جارية، عن جابر بن عبد الله، قال ‏:‏ مر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على رجل يصلي على صخرة فأتى ناحية مكة فمكث مليا ثم انصرف فوجد الرجل يصلي على حاله فقام فجمع يديه ثم قال ‏:‏ ‏"‏ يا أيها الناس عليكم بالقصد ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏:‏ ‏"‏ فإن الله لا يمل حتى تملوا ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক খন্ড পাথরের উপর নামাযরত এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। তিনি মক্কার এক প্রান্তে পৌঁছে সেখানে কিছুক্ষণ কাটালেন। অতঃপর তিনি ফেরার পথে ঐ লোকটিকে পূর্বাবস্থায় নামাযরত দেখতে পেলেন। তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তাঁর দু’ হাত একত্র করে বলেনঃ হে লোকসকল! তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন করো। কথাটা তিনি তিনবার বলেন। কেননা তোমরা অবসাদগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ প্রতিদান দিতে ক্ষান্ত হন না। [৩৫৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক খন্ড পাথরের উপর নামাযরত এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। তিনি মক্কার এক প্রান্তে পৌঁছে সেখানে কিছুক্ষণ কাটালেন। অতঃপর তিনি ফেরার পথে ঐ লোকটিকে পূর্বাবস্থায় নামাযরত দেখতে পেলেন। তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তাঁর দু’ হাত একত্র করে বলেনঃ হে লোকসকল! তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন করো। কথাটা তিনি তিনবার বলেন। কেননা তোমরা অবসাদগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ প্রতিদান দিতে ক্ষান্ত হন না। [৩৫৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا عمرو بن رافع، حدثنا يعقوب بن عبد الله الأشعري، عن عيسى بن جارية، عن جابر بن عبد الله، قال ‏:‏ مر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على رجل يصلي على صخرة فأتى ناحية مكة فمكث مليا ثم انصرف فوجد الرجل يصلي على حاله فقام فجمع يديه ثم قال ‏:‏ ‏"‏ يا أيها الناس عليكم بالقصد ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏:‏ ‏"‏ فإن الله لا يمل حتى تملوا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن سفيان، عن الجريري، عن أبي عثمان، عن حنظلة الكاتب التميمي الأسيدي، قال ‏:‏ كنا عند رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكرنا الجنة والنار حتى كأنا رأى العين فقمت إلى أهلي وولدي فضحكت ولعبت ‏.‏ قال ‏:‏ فذكرت الذي كنا فيه فخرجت فلقيت أبا بكر فقلت ‏:‏ نافقت، نافقت ‏.‏ فقال أبو بكر ‏:‏ إنا لنفعله ‏.‏ فذهب حنظلة فذكره للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏:‏ ‏ "‏ يا حنظلة لو كنتم كما تكونون عندي لصافحتكم الملائكة على فرشكم - أو على طرقكم - يا حنظلة ساعة وساعة ‏"‏ ‏.‏

হানযালা আল-কাতিব আত-তামীমী আল-উসায়্যিদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এমনভাবে নসীহত করলেন, যেন আমরা তা চাক্ষুস দেখতে পাচ্ছি। তারপর আমি উঠে পরিবার ও সন্তানদের নিকট ফিরে আসি এবং আনন্দ স্ফুর্তি করি। রাবী বলেন, আমি আমাদের এ অবস্থার কথা স্মরণ করছিলাম, অতঃপর (ঘর থেকে) বের হয়ে গিয়ে আবূ বাক্‌র সিদ্দিক (রাঃ) -এর সাথে সাক্ষাত করলাম এবং তাকে বললাম, আমি মোনাফেক হয়ে গেছি, মোনাফেক হয়ে গেছি। আবূ বকর (রাঃ) বলেন, আমরাও তো তাই করি। অতঃপর হানযালা (রাঃ) গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হে হানযালা! তোমরা আমার নিকট উপস্থিত থাকলে যেরূপ থাকো, সর্বদা তদ্রূপ থাকলে অবশ্যই ফেরেশতাগণ তোমাদের বিছানায় অথবা পথিমধ্যে তোমার সাথে মোসাফাহা করতো। হে হানযালা! সেই অবস্থা সময় সময় হয়ে থাকে। [৩৫৭১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

হানযালা আল-কাতিব আত-তামীমী আল-উসায়্যিদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এমনভাবে নসীহত করলেন, যেন আমরা তা চাক্ষুস দেখতে পাচ্ছি। তারপর আমি উঠে পরিবার ও সন্তানদের নিকট ফিরে আসি এবং আনন্দ স্ফুর্তি করি। রাবী বলেন, আমি আমাদের এ অবস্থার কথা স্মরণ করছিলাম, অতঃপর (ঘর থেকে) বের হয়ে গিয়ে আবূ বাক্‌র সিদ্দিক (রাঃ) -এর সাথে সাক্ষাত করলাম এবং তাকে বললাম, আমি মোনাফেক হয়ে গেছি, মোনাফেক হয়ে গেছি। আবূ বকর (রাঃ) বলেন, আমরাও তো তাই করি। অতঃপর হানযালা (রাঃ) গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হে হানযালা! তোমরা আমার নিকট উপস্থিত থাকলে যেরূপ থাকো, সর্বদা তদ্রূপ থাকলে অবশ্যই ফেরেশতাগণ তোমাদের বিছানায় অথবা পথিমধ্যে তোমার সাথে মোসাফাহা করতো। হে হানযালা! সেই অবস্থা সময় সময় হয়ে থাকে। [৩৫৭১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن سفيان، عن الجريري، عن أبي عثمان، عن حنظلة الكاتب التميمي الأسيدي، قال ‏:‏ كنا عند رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكرنا الجنة والنار حتى كأنا رأى العين فقمت إلى أهلي وولدي فضحكت ولعبت ‏.‏ قال ‏:‏ فذكرت الذي كنا فيه فخرجت فلقيت أبا بكر فقلت ‏:‏ نافقت، نافقت ‏.‏ فقال أبو بكر ‏:‏ إنا لنفعله ‏.‏ فذهب حنظلة فذكره للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏:‏ ‏ "‏ يا حنظلة لو كنتم كما تكونون عندي لصافحتكم الملائكة على فرشكم - أو على طرقكم - يا حنظلة ساعة وساعة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ‏:‏ كانت عندي امرأة فدخل على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏:‏ ‏"‏ من هذه ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فلانة ‏.‏ لا تنام - تذكر من صلاحها - فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ مه عليكم بما تطيقون فوالله لا يمل الله حتى تملوا ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ وكان أحب الدين إليه الذي يدوم عليه صاحبه ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট এক মহিলা উপস্থিত থাকা অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এ মহিলা কে? আমি বললাম, অমুক মহিলা, সে রাতে ঘুমায় না। তিনি তার সলাতের কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আরে থামো! তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমল করা তোমাদের কর্তব্য। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ (পুরস্কার প্রদানে) অবসন্ন হন না, যতক্ষণ না তোমরা অবসন্ন হয়ে পড়। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তির নিয়মিত আমলই তাঁর নিকট সর্বাধিক প্রিয় দ্বীন ছিল। [৩৫৭০] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট এক মহিলা উপস্থিত থাকা অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এ মহিলা কে? আমি বললাম, অমুক মহিলা, সে রাতে ঘুমায় না। তিনি তার সলাতের কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আরে থামো! তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমল করা তোমাদের কর্তব্য। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ (পুরস্কার প্রদানে) অবসন্ন হন না, যতক্ষণ না তোমরা অবসন্ন হয়ে পড়। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তির নিয়মিত আমলই তাঁর নিকট সর্বাধিক প্রিয় দ্বীন ছিল। [৩৫৭০] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ‏:‏ كانت عندي امرأة فدخل على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏:‏ ‏"‏ من هذه ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فلانة ‏.‏ لا تنام - تذكر من صلاحها - فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ مه عليكم بما تطيقون فوالله لا يمل الله حتى تملوا ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ وكان أحب الدين إليه الذي يدوم عليه صاحبه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪০

حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ابن لهيعة، حدثنا عبد الرحمن الأعرج، سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ اكلفوا من العمل ما تطيقون فإن خير العمل أدومه وإن قل ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যথাসাধ্য আমল করো। কেননা সেই আমলই উত্তম যা নিয়মিত করা যায়, তা পরিমাণে কম হলেও। [৩৫৭২]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যথাসাধ্য আমল করো। কেননা সেই আমলই উত্তম যা নিয়মিত করা যায়, তা পরিমাণে কম হলেও। [৩৫৭২]

حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ابن لهيعة، حدثنا عبد الرحمن الأعرج، سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ اكلفوا من العمل ما تطيقون فإن خير العمل أدومه وإن قل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > পাপের স্মরণ

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪২

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، وأبي، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قلنا ‏:‏ يا رسول الله أنؤاخذ بما كنا نفعل في الجاهلية فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ من أحسن في الإسلام لم يؤاخذ بما كان في الجاهلية ومن أساء أخذ بالأول والآخر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি, সে সম্পর্কে কি আমাদের জবাবদিহি করতে হবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যারা ইসলাম গ্রহনের পর ভাল কাজ করেছে তাদেরকে জাহিলী যুগের কৃতকর্ম সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে, তাকে পূর্বাপর সকল কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। [৩৫৭৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি, সে সম্পর্কে কি আমাদের জবাবদিহি করতে হবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যারা ইসলাম গ্রহনের পর ভাল কাজ করেছে তাদেরকে জাহিলী যুগের কৃতকর্ম সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে, তাকে পূর্বাপর সকল কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। [৩৫৭৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، وأبي، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قلنا ‏:‏ يا رسول الله أنؤاخذ بما كنا نفعل في الجاهلية فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ من أحسن في الإسلام لم يؤاخذ بما كان في الجاهلية ومن أساء أخذ بالأول والآخر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سعيد بن مسلم بن بانك، قال سمعت عامر بن عبد الله بن الزبير، يقول ‏:‏ حدثني عوف بن الحارث، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ يا عائشة إياك ومحقرات الأعمال فإن لها من الله طالبا ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আয়িশাহ! ক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও সাবধান হও। কারণ সেগুলোর জন্যও আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে।[৩৫৭৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আয়িশাহ! ক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও সাবধান হও। কারণ সেগুলোর জন্যও আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে।[৩৫৭৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سعيد بن مسلم بن بانك، قال سمعت عامر بن عبد الله بن الزبير، يقول ‏:‏ حدثني عوف بن الحارث، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ يا عائشة إياك ومحقرات الأعمال فإن لها من الله طالبا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৪

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حاتم بن إسماعيل، والوليد بن مسلم، قالا حدثنا محمد بن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ إن المؤمن إذا أذنب كانت نكتة سوداء في قلبه فإن تاب ونزع واستغفر صقل قلبه فإن زاد زادت فذلك الران الذي ذكره الله في كتابه ‏{كلا بل ران على قلوبهم ما كانوا يكسبون}‏ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মুমিন ব্যক্তি যখন গুনাহ করে তখন তার কলবে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর সে তওবা করলে, পাপ কাজ ত্যাগ করলে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করলে তার কলব পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। সে আরও গুনাহ করলে সেই কালো দাগ বেড়ে যায়। এই সেই মরিচা যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন (অনুবাদ) : “কক্ষনো নয়, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং (মরিচা) ধরিয়েছে” (সূরা আল-মুতাফফিফীনঃ ১৪)।[৩৫৭৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মুমিন ব্যক্তি যখন গুনাহ করে তখন তার কলবে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর সে তওবা করলে, পাপ কাজ ত্যাগ করলে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করলে তার কলব পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। সে আরও গুনাহ করলে সেই কালো দাগ বেড়ে যায়। এই সেই মরিচা যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন (অনুবাদ) : “কক্ষনো নয়, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং (মরিচা) ধরিয়েছে” (সূরা আল-মুতাফফিফীনঃ ১৪)।[৩৫৭৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حاتم بن إسماعيل، والوليد بن مسلم، قالا حدثنا محمد بن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏"‏ إن المؤمن إذا أذنب كانت نكتة سوداء في قلبه فإن تاب ونزع واستغفر صقل قلبه فإن زاد زادت فذلك الران الذي ذكره الله في كتابه ‏{كلا بل ران على قلوبهم ما كانوا يكسبون}‏ ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৬

حدثنا هارون بن إسحاق، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن أبيه، وعمه، عن جده، عن أبي هريرة، قال ‏:‏ سئل النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ما أكثر ما يدخل الجنة قال ‏:‏ ‏"‏ التقوى وحسن الخلق ‏"‏ ‏.‏ وسئل ‏:‏ ما أكثر ما يدخل النار قال ‏:‏ ‏"‏ الأجوفان ‏:‏ الفم والفرج ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هارون بن إسحاق، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن أبيه، وعمه، عن جده، عن أبي هريرة، قال ‏:‏ سئل النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ما أكثر ما يدخل الجنة قال ‏:‏ ‏"‏ التقوى وحسن الخلق ‏"‏ ‏.‏ وسئل ‏:‏ ما أكثر ما يدخل النار قال ‏:‏ ‏"‏ الأجوفان ‏:‏ الفم والفرج ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৫

حدثنا عيسى بن يونس الرملي، حدثنا عقبة بن علقمة بن حديج المعافري، عن أرطاة بن المنذر، عن أبي عامر الألهاني، عن ثوبان، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏:‏ ‏"‏ لأعلمن أقواما من أمتي يأتون يوم القيامة بحسنات أمثال جبال تهامة بيضا فيجعلها الله عز وجل هباء منثورا ‏"‏ ‏.‏ قال ثوبان ‏:‏ يا رسول الله صفهم لنا جلهم لنا أن لا نكون منهم ونحن لا نعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أما إنهم إخوانكم ومن جلدتكم ويأخذون من الليل كما تأخذون ولكنهم أقوام إذا خلوا بمحارم الله انتهكوها ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি আমার উম্মাতের কতক দল সম্পর্কে অবশ্যই জানি যারা কিয়ামতের দ্বীন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমল সহ উপস্থিত হবে। মহামহিম আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূকিকণায় পরিণত করবেন। সাওবান (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় পরিস্কারভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করুন, যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বলেনঃ তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক যে, একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হবে। [৩৫৭৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি আমার উম্মাতের কতক দল সম্পর্কে অবশ্যই জানি যারা কিয়ামতের দ্বীন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমল সহ উপস্থিত হবে। মহামহিম আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূকিকণায় পরিণত করবেন। সাওবান (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় পরিস্কারভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করুন, যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বলেনঃ তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক যে, একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হবে। [৩৫৭৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا عيسى بن يونس الرملي، حدثنا عقبة بن علقمة بن حديج المعافري، عن أرطاة بن المنذر، عن أبي عامر الألهاني، عن ثوبان، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏:‏ ‏"‏ لأعلمن أقواما من أمتي يأتون يوم القيامة بحسنات أمثال جبال تهامة بيضا فيجعلها الله عز وجل هباء منثورا ‏"‏ ‏.‏ قال ثوبان ‏:‏ يا رسول الله صفهم لنا جلهم لنا أن لا نكون منهم ونحن لا نعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أما إنهم إخوانكم ومن جلدتكم ويأخذون من الليل كما تأخذون ولكنهم أقوام إذا خلوا بمحارم الله انتهكوها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > তওবা সম্পর্কে আলোচনা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل أفرح بتوبة أحدكم منه بضالته إذا وجدها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার হারানো উট প্রাপ্তিতে যতো আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো তওবায় মহান আল্লাহ ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৭৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার হারানো উট প্রাপ্তিতে যতো আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো তওবায় মহান আল্লাহ ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৭৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل أفرح بتوبة أحدكم منه بضالته إذا وجدها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৮

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৮

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৮

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌছে যেতো, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করতেন। [৩৫৮০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب المدني، حدثنا أبو معاوية، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ لو أخطأتم حتى تبلغ خطاياكم السماء ثم تبتم لتاب عليكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৯

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ لله أفرح بتوبة عبده من رجل أضل راحلته بفلاة من الأرض فالتمسها حتى إذا أعيى تسجى بثوبه فبينا هو كذلك إذ سمع وجبة الراحلة حيث فقدها فكشف الثوب عن وجهه فإذا هو براحلته ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দা বিজন প্রান্তরে তার বাহনের উট হারিয়ে ফেললো, অতঃপর তার অনুসন্ধান করতে করতে শেষে নিরাশ ও অবসন্ন হয়ে তার কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লো। এ অবস্থায় হঠাৎ সে তার হারিয়ে যাওয়া বাহনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে নিজের মুখমণ্ডল থেকে তার কাপড় সরিয়ে তার উট তার সামনে উপস্থিত দেখতে পেয়ে যতো আনন্দিত হয়, আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৮১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

আবূ সাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দা বিজন প্রান্তরে তার বাহনের উট হারিয়ে ফেললো, অতঃপর তার অনুসন্ধান করতে করতে শেষে নিরাশ ও অবসন্ন হয়ে তার কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লো। এ অবস্থায় হঠাৎ সে তার হারিয়ে যাওয়া বাহনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে নিজের মুখমণ্ডল থেকে তার কাপড় সরিয়ে তার উট তার সামনে উপস্থিত দেখতে পেয়ে যতো আনন্দিত হয়, আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় ততোধিক আনন্দিত হন। [৩৫৮১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ لله أفرح بتوبة عبده من رجل أضل راحلته بفلاة من الأرض فالتمسها حتى إذا أعيى تسجى بثوبه فبينا هو كذلك إذ سمع وجبة الراحلة حيث فقدها فكشف الثوب عن وجهه فإذا هو براحلته ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫০

حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا محمد بن عبد الله الرقاشي، حدثنا وهيب بن خالد، حدثنا معمر، عن عبد الكريم، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ التائب من الذنب كمن لا ذنب له ‏"‏ ‏.‏

(আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহ থেকে তওবাকারী নিষ্পাপ ব্যক্তিতুল্য। [৩৫৮২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

(আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহ থেকে তওবাকারী নিষ্পাপ ব্যক্তিতুল্য। [৩৫৮২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا محمد بن عبد الله الرقاشي، حدثنا وهيب بن خالد، حدثنا معمر، عن عبد الكريم، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ التائب من الذنب كمن لا ذنب له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫১

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا علي بن مسعدة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ كل بني آدم خطاء وخير الخطائين التوابون ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম। [৩৫৮৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আনাস (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম। [৩৫৮৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا علي بن مسعدة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ كل بني آدم خطاء وخير الخطائين التوابون ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫২

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان، عن عبد الكريم الجزري، عن زياد بن أبي مريم، عن ابن معقل، قال ‏:‏ دخلت مع أبي على عبد الله فسمعته يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ فقال له أبي ‏:‏ أنت سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ نعم ‏.‏

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতার সাথে আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমি তাকে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”। আমার পিতা তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি নিজে কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”? তিনি বলেন, হাঁ।[৩৫৮৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতার সাথে আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমি তাকে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”। আমার পিতা তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি নিজে কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, “অনুতপ্ত হওয়াই তওবা”? তিনি বলেন, হাঁ।[৩৫৮৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان، عن عبد الكريم الجزري، عن زياد بن أبي مريم، عن ابن معقل، قال ‏:‏ دخلت مع أبي على عبد الله فسمعته يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ فقال له أبي ‏:‏ أنت سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏:‏ ‏"‏ الندم توبة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ نعم ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৩

حدثنا راشد بن سعيد الرملي، أنبأنا الوليد بن مسلم، عن ابن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل ليقبل توبة العبد ما لم يغرغر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ রূহ কণ্ঠাগত না হওয়া (মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত) পর্যন্ত মহামহিম আল্লাহ বান্দার তওবা কবুল করেন। [৩৫৮৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ রূহ কণ্ঠাগত না হওয়া (মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত) পর্যন্ত মহামহিম আল্লাহ বান্দার তওবা কবুল করেন। [৩৫৮৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا راشد بن سعيد الرملي، أنبأنا الوليد بن مسلم، عن ابن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ إن الله عز وجل ليقبل توبة العبد ما لم يغرغر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৪

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن حبيب، حدثنا المعتمر، سمعت أبي، حدثنا أبو عثمان، عن ابن مسعود، ‏:‏ أن رجلا، أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر أنه أصاب من امرأة قبلة فجعل يسأل عن كفارتها فلم يقل له شيئا فأنزل الله عز وجل {وأقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل إن الحسنات يذهبن السيئات ذلك ذكرى للذاكرين}‏ فقال الرجل ‏:‏ يا رسول الله ألي هذه فقال ‏:‏ ‏ "‏ هي لمن عمل بها من أمتي ‏"‏ ‏.‏

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো যে, সে এক বেগানা মহিলাকে চুমা দিয়েছে। সে এর কাফ্‌ফারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে থাকলো। কিন্তু তিনি তাকে কোন উত্তর দিলেন না। তখন মহামহিম আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন (অনুবাদ) : “দিনের দু’ প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে নামায কায়েম করো। নিশ্চয় সৎকাজ অসৎ কাজকে দূরীভূত করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে, এটা তাদের জন্য উপদেশ” (সূরা হূদঃ ১১৪)। লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! এ নির্দেশ কি কেবল আমার জন্য সীমিত? তিনি বলেনঃ আমার উম্মাতের যে কেউ এর উপর আমল করবে, তার জন্যই। [৩৫৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো যে, সে এক বেগানা মহিলাকে চুমা দিয়েছে। সে এর কাফ্‌ফারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে থাকলো। কিন্তু তিনি তাকে কোন উত্তর দিলেন না। তখন মহামহিম আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন (অনুবাদ) : “দিনের দু’ প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে নামায কায়েম করো। নিশ্চয় সৎকাজ অসৎ কাজকে দূরীভূত করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে, এটা তাদের জন্য উপদেশ” (সূরা হূদঃ ১১৪)। লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! এ নির্দেশ কি কেবল আমার জন্য সীমিত? তিনি বলেনঃ আমার উম্মাতের যে কেউ এর উপর আমল করবে, তার জন্যই। [৩৫৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن حبيب، حدثنا المعتمر، سمعت أبي، حدثنا أبو عثمان، عن ابن مسعود، ‏:‏ أن رجلا، أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكر أنه أصاب من امرأة قبلة فجعل يسأل عن كفارتها فلم يقل له شيئا فأنزل الله عز وجل {وأقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل إن الحسنات يذهبن السيئات ذلك ذكرى للذاكرين}‏ فقال الرجل ‏:‏ يا رسول الله ألي هذه فقال ‏:‏ ‏ "‏ هي لمن عمل بها من أمتي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৫

حدثنا محمد بن يحيى، وإسحاق بن منصور، قالا حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، قال قال الزهري ‏:‏ ألا أحدثك بحديثين عجيبين ‏:‏ أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال ‏:‏ إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم ذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه أحدا ‏.‏ قال ‏:‏ ففعلوا به ذلك فقال للأرض ‏:‏ أدي ما أخذت ‏.‏ فإذا هو قائم فقال له ‏:‏ ما حملك على ما صنعت قال ‏:‏ خشيتك - أو مخافتك - يا رب ‏.‏ فغفر له لذلك ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি নিজের উপর যুলুম (পাপাচার) করলো। তার মৃত্যু উপস্থিত হলে সে তার পুত্রদের ওসিয়ত করে বললো, আমি মারা যাওয়ার পর তোমরা আমাকে আগুনে ভস্মীভূত করবে, অতঃপর ছাই পিষে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে, তারপর সমুদ্রে প্রবল বায়ুর মধ্যে সেগুলো নিক্ষেপ করবে। আল্লাহর শপথ! যদি আমার রব আমাকে পাকড়াও করতে পারেন তাহলে আমাকে এমন ভয়াবহ শাস্তি দিবেন যা অন্য কাউকে দেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তার পুত্ররা তার ওসিয়ত মত কাজ করলো। আল্লাহ তাআলা জমীনকে বলেন, তুমি তার দেহ থেকে যা গ্রহন করেছো, তা ফেরত দাও। ফলে সে সোজা দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কাজ করতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করেছে? সে বলল, হে প্রভু! আপনার ভয়। এজন্য আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।[৩৫৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি নিজের উপর যুলুম (পাপাচার) করলো। তার মৃত্যু উপস্থিত হলে সে তার পুত্রদের ওসিয়ত করে বললো, আমি মারা যাওয়ার পর তোমরা আমাকে আগুনে ভস্মীভূত করবে, অতঃপর ছাই পিষে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে, তারপর সমুদ্রে প্রবল বায়ুর মধ্যে সেগুলো নিক্ষেপ করবে। আল্লাহর শপথ! যদি আমার রব আমাকে পাকড়াও করতে পারেন তাহলে আমাকে এমন ভয়াবহ শাস্তি দিবেন যা অন্য কাউকে দেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তার পুত্ররা তার ওসিয়ত মত কাজ করলো। আল্লাহ তাআলা জমীনকে বলেন, তুমি তার দেহ থেকে যা গ্রহন করেছো, তা ফেরত দাও। ফলে সে সোজা দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কাজ করতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করেছে? সে বলল, হে প্রভু! আপনার ভয়। এজন্য আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।[৩৫৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، وإسحاق بن منصور، قالا حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، قال قال الزهري ‏:‏ ألا أحدثك بحديثين عجيبين ‏:‏ أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال ‏:‏ إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم ذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه أحدا ‏.‏ قال ‏:‏ ففعلوا به ذلك فقال للأرض ‏:‏ أدي ما أخذت ‏.‏ فإذا هو قائم فقال له ‏:‏ ما حملك على ما صنعت قال ‏:‏ خشيتك - أو مخافتك - يا رب ‏.‏ فغفر له لذلك ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৬

قال الزهري وحدثني حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت ‏"‏ ‏.‏ قال الزهري ‏:‏ لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক নারী একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে গেছে। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল, এমতাবস্থায় তাকে আহারও করায়নি এবং একে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে কীট-পতঙ্গ খেতে পারতো। ফলে সেটি অনাহারে মারা গেলো। যুহরী (রাঃ) বলেন, মানুষকে (নিজের আমলের উপর) ভরসা করাও উচিত নয় এবং (আল্লাহর রহমাত থেকে) নিরাশ হওয়াও উচিত নয়। [৩৫৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক নারী একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে গেছে। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল, এমতাবস্থায় তাকে আহারও করায়নি এবং একে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে কীট-পতঙ্গ খেতে পারতো। ফলে সেটি অনাহারে মারা গেলো। যুহরী (রাঃ) বলেন, মানুষকে (নিজের আমলের উপর) ভরসা করাও উচিত নয় এবং (আল্লাহর রহমাত থেকে) নিরাশ হওয়াও উচিত নয়। [৩৫৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

قال الزهري وحدثني حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏:‏ ‏ "‏ دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت ‏"‏ ‏.‏ قال الزهري ‏:‏ لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৫৭

حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن موسى بن المسيب الثقفي، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن أبي ذر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ إن الله تبارك وتعالى يقول يا عبادي كلكم مذنب إلا من عافيت فسلوني المغفرة فأغفر لكم ومن علم منكم أني ذو قدرة على المغفرة فاستغفرني بقدرتي غفرت له، وكلكم ضال إلا من هديت فسلوني الهدى أهدكم، وكلكم فقير إلا من أغنيت فسلوني أرزقكم، ولو أن حيكم وميتكم وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا فكانوا على قلب أتقى عبد من عبادي - لم يزد في ملكي جناح بعوضة، ولو اجتمعوا فكانوا على قلب أشقى عبد من عبادي لم ينقص من ملكي جناح بعوضة ولو أن حيكم وميتكم، وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا، فسأل كل سائل منهم ما بلغت أمنيته - ما نقص من ملكي إلا كما لو أن أحدكم مر بشفة البحر فغمس فيها إبرة ثم نزعها، ذلك بأني جواد ماجد عطائي كلام إذا أردت شيئا فإنما أقول له ‏:‏ كن فيكون ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রাচুর্যময় মহান আল্লাহ বলেন, হে আমার বান্দাগণ! আমি যাদের ক্ষমা করেছি তারা ব্যতিত তোমাদের সকলেই গুনাহগার। অতএব তোমরা আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করবো। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জানে যে, আমি ক্ষমা করার ক্ষমতা রাখি, অতঃপর সে আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই। আমি যাদের হেদায়াত করেছি তারা ব্যতীত তোমরা সকলেই পথভ্রষ্ট। অতএব তোমরা আমার নিকট সৎপথ প্রার্থনা করো। আমি তোমাদের সৎপথ প্রদর্শন করবো। আমি যাদের ধনবান করেছি তারা ব্যতিত তোমরা সকলেই দরিদ্র। তোমরা আমার নিকট প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের রিযিক দান করবো। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক (সচ্ছল-অসচ্ছল) নির্বিশেষে সকলেই যদি আমার বান্দাদের মধ্যে সর্বাধিক তাক্বওয়ার অধিকারী ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয়ে যায়, তাহলে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে না। পক্ষান্তরে তারা সকলে যদি একত্রে আমার বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্নক পাপী বান্দার মত হয়ে যায়, তবুও তাতে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের সৌন্দর্যহানি ঘটবে না। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক সকলে যদি একত্র হয়ে প্রত্যেকে তার পূর্ণ চাহিদামত আমার নিকট প্রার্থনা করে এবং আমি তাদের চাহিদা মত সবকিছু দান করি, তবুও আমার রাজত্বের কিছুই কমবে না, তবে এতটুকু পরিমাণ যে, তোমাদের কেউ সমুদ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রমকালে তাতে একটিঁ সুঁই ডুবিয়ে তা তুলে নিলে তাতে সমুদ্রের পানি যতটুকু হ্রাস পাবে। কারণ আমি হলাম দাতা, দয়ালু ও মহান। আমি যা চাই তাই করি। আমার দান হলো আমার কথা (এবং আমার আযাব হলো আমার নির্দেশ)। আমার ব্যাপার এই যে, আমি যখন কিছু ইচ্ছা করি তখন বলি, “হয়ে যাও”, অমনি তা হয়ে যায়।[৩৫৮৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রাচুর্যময় মহান আল্লাহ বলেন, হে আমার বান্দাগণ! আমি যাদের ক্ষমা করেছি তারা ব্যতিত তোমাদের সকলেই গুনাহগার। অতএব তোমরা আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করবো। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জানে যে, আমি ক্ষমা করার ক্ষমতা রাখি, অতঃপর সে আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই। আমি যাদের হেদায়াত করেছি তারা ব্যতীত তোমরা সকলেই পথভ্রষ্ট। অতএব তোমরা আমার নিকট সৎপথ প্রার্থনা করো। আমি তোমাদের সৎপথ প্রদর্শন করবো। আমি যাদের ধনবান করেছি তারা ব্যতিত তোমরা সকলেই দরিদ্র। তোমরা আমার নিকট প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের রিযিক দান করবো। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক (সচ্ছল-অসচ্ছল) নির্বিশেষে সকলেই যদি আমার বান্দাদের মধ্যে সর্বাধিক তাক্বওয়ার অধিকারী ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয়ে যায়, তাহলে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে না। পক্ষান্তরে তারা সকলে যদি একত্রে আমার বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্নক পাপী বান্দার মত হয়ে যায়, তবুও তাতে একটি মশার পাখার সম-পরিমাণও আমার রাজত্বের সৌন্দর্যহানি ঘটবে না। তোমাদের জীবিত, মৃত, আগের ও পরের, সিক্ত ও শুষ্ক সকলে যদি একত্র হয়ে প্রত্যেকে তার পূর্ণ চাহিদামত আমার নিকট প্রার্থনা করে এবং আমি তাদের চাহিদা মত সবকিছু দান করি, তবুও আমার রাজত্বের কিছুই কমবে না, তবে এতটুকু পরিমাণ যে, তোমাদের কেউ সমুদ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রমকালে তাতে একটিঁ সুঁই ডুবিয়ে তা তুলে নিলে তাতে সমুদ্রের পানি যতটুকু হ্রাস পাবে। কারণ আমি হলাম দাতা, দয়ালু ও মহান। আমি যা চাই তাই করি। আমার দান হলো আমার কথা (এবং আমার আযাব হলো আমার নির্দেশ)। আমার ব্যাপার এই যে, আমি যখন কিছু ইচ্ছা করি তখন বলি, “হয়ে যাও”, অমনি তা হয়ে যায়।[৩৫৮৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن موسى بن المسيب الثقفي، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن أبي ذر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏:‏ ‏ "‏ إن الله تبارك وتعالى يقول يا عبادي كلكم مذنب إلا من عافيت فسلوني المغفرة فأغفر لكم ومن علم منكم أني ذو قدرة على المغفرة فاستغفرني بقدرتي غفرت له، وكلكم ضال إلا من هديت فسلوني الهدى أهدكم، وكلكم فقير إلا من أغنيت فسلوني أرزقكم، ولو أن حيكم وميتكم وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا فكانوا على قلب أتقى عبد من عبادي - لم يزد في ملكي جناح بعوضة، ولو اجتمعوا فكانوا على قلب أشقى عبد من عبادي لم ينقص من ملكي جناح بعوضة ولو أن حيكم وميتكم، وأولكم وآخركم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا، فسأل كل سائل منهم ما بلغت أمنيته - ما نقص من ملكي إلا كما لو أن أحدكم مر بشفة البحر فغمس فيها إبرة ثم نزعها، ذلك بأني جواد ماجد عطائي كلام إذا أردت شيئا فإنما أقول له ‏:‏ كن فيكون ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00