সুনানে ইবনে মাজাহ > সুধারণা ও সুপ্রশংসা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن جامع بن شداد، عن كلثوم الخزاعي، قال أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجل فقال يا رسول الله كيف لي أن أعلم إذا أحسنت أني قد أحسنت وإذا أسأت أني قد أسأت فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إذا قال جيرانك إنك قد أحسنت فقد أحسنت وإذا قالوا إنك قد أسأت فقد أسأت " .
কুলসূম আল-খুযাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ভালো কাজ করলে কিভাবে জানতে পারবো যে, আমি ভালো কাজ করেছি এবং মন্দ কাজ করলেই বা কিভাবে বুঝবো যে, আমি মন্দ কাজ করেছি? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন তোমার প্রতিবেশী বলে যে, তুমি ভালো কাজ করেছো, তবেই তুমি ভালো কাজ করেছো এবং যখন তারা বলে যে, তুমি মন্দ করেছো তবেই তুমি মন্দ কাজ করেছো।[৩৫৫৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
কুলসূম আল-খুযাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ভালো কাজ করলে কিভাবে জানতে পারবো যে, আমি ভালো কাজ করেছি এবং মন্দ কাজ করলেই বা কিভাবে বুঝবো যে, আমি মন্দ কাজ করেছি? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন তোমার প্রতিবেশী বলে যে, তুমি ভালো কাজ করেছো, তবেই তুমি ভালো কাজ করেছো এবং যখন তারা বলে যে, তুমি মন্দ করেছো তবেই তুমি মন্দ কাজ করেছো।[৩৫৫৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن جامع بن شداد، عن كلثوم الخزاعي، قال أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجل فقال يا رسول الله كيف لي أن أعلم إذا أحسنت أني قد أحسنت وإذا أسأت أني قد أسأت فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إذا قال جيرانك إنك قد أحسنت فقد أحسنت وإذا قالوا إنك قد أسأت فقد أسأت " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৩
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رجل لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : كيف لي أن أعلم إذا أحسنت وإذا أسأت قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " إذا سمعت جيرانك يقولون قد أحسنت فقد أحسنت وإذا سمعتهم يقولون : قد أسأت فقد أسأت " .
আবদুল্লাহ (বিন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললো, আমি কিভাবে জানবো, যখন আমি ভালো কাজ করি এবং যখন আমি মন্দ কাজ করি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীদের বলতে শুনবে যে, তুমি ভালো কাজ করেছো, তবেই তুমি ভালো কাজ করেছো। আর যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীদের বলতে শুনবে যে, তুমি মন্দ কাজ করেছো, তবেই তুমি মন্দ কাজ করেছো।[৩৫৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আবদুল্লাহ (বিন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললো, আমি কিভাবে জানবো, যখন আমি ভালো কাজ করি এবং যখন আমি মন্দ কাজ করি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীদের বলতে শুনবে যে, তুমি ভালো কাজ করেছো, তবেই তুমি ভালো কাজ করেছো। আর যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীদের বলতে শুনবে যে, তুমি মন্দ কাজ করেছো, তবেই তুমি মন্দ কাজ করেছো।[৩৫৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رجل لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : كيف لي أن أعلم إذا أحسنت وإذا أسأت قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " إذا سمعت جيرانك يقولون قد أحسنت فقد أحسنت وإذا سمعتهم يقولون : قد أسأت فقد أسأت " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৪
حدثنا محمد بن يحيى، وزيد بن أخزم، قالا حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبو هلال، حدثنا عقبة بن أبي ثبيت، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " أهل الجنة من ملأ الله أذنيه من ثناء الناس خيرا وهو يسمع، وأهل النار من ملأ أذنيه من ثناء الناس شرا وهو يسمع " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ মানুষের উত্তম প্রশংসায় যার দু’ কান পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জান্নাতের অধিকারী। তিনি যার কান মানুষের দুর্নামে পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জাহান্নামী।[৩৫৫৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ মানুষের উত্তম প্রশংসায় যার দু’ কান পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জান্নাতের অধিকারী। তিনি যার কান মানুষের দুর্নামে পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জাহান্নামী।[৩৫৫৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى، وزيد بن أخزم، قالا حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبو هلال، حدثنا عقبة بن أبي ثبيت، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " أهل الجنة من ملأ الله أذنيه من ثناء الناس خيرا وهو يسمع، وأهل النار من ملأ أذنيه من ثناء الناس شرا وهو يسمع " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৪
حدثنا محمد بن يحيى، وزيد بن أخزم، قالا حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبو هلال، حدثنا عقبة بن أبي ثبيت، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " أهل الجنة من ملأ الله أذنيه من ثناء الناس خيرا وهو يسمع، وأهل النار من ملأ أذنيه من ثناء الناس شرا وهو يسمع " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ মানুষের উত্তম প্রশংসায় যার দু’ কান পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জান্নাতের অধিকারী। তিনি যার কান মানুষের দুর্নামে পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জাহান্নামী।[৩৫৫৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ মানুষের উত্তম প্রশংসায় যার দু’ কান পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জান্নাতের অধিকারী। তিনি যার কান মানুষের দুর্নামে পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জাহান্নামী।[৩৫৫৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى، وزيد بن أخزم، قالا حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبو هلال، حدثنا عقبة بن أبي ثبيت، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " أهل الجنة من ملأ الله أذنيه من ثناء الناس خيرا وهو يسمع، وأهل النار من ملأ أذنيه من ثناء الناس شرا وهو يسمع " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৪
حدثنا محمد بن يحيى، وزيد بن أخزم، قالا حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبو هلال، حدثنا عقبة بن أبي ثبيت، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " أهل الجنة من ملأ الله أذنيه من ثناء الناس خيرا وهو يسمع، وأهل النار من ملأ أذنيه من ثناء الناس شرا وهو يسمع " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ মানুষের উত্তম প্রশংসায় যার দু’ কান পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জান্নাতের অধিকারী। তিনি যার কান মানুষের দুর্নামে পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জাহান্নামী।[৩৫৫৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ মানুষের উত্তম প্রশংসায় যার দু’ কান পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জান্নাতের অধিকারী। তিনি যার কান মানুষের দুর্নামে পূর্ণ করেছেন এবং সেও তা শুনতে পেয়েছে, এমন ব্যক্তিই জাহান্নামী।[৩৫৫৬] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى، وزيد بن أخزم، قالا حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبو هلال، حدثنا عقبة بن أبي ثبيت، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " أهل الجنة من ملأ الله أذنيه من ثناء الناس خيرا وهو يسمع، وأهل النار من ملأ أذنيه من ثناء الناس شرا وهو يسمع " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৫
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال قلت له : الرجل يعمل العمل لله فيحبه الناس عليه قال : " ذلك عاجل بشرى المؤمن " .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললাম, কোন ব্যক্তি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজ করে এবং লোকজন তার সেই কাজের জন্য তাকে ভালোবাসে। তিনি বলেনঃ এটা তো ঈমানদার ব্যক্তির জন্য আগাম সুসংবাদ।[৩৫৫৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললাম, কোন ব্যক্তি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজ করে এবং লোকজন তার সেই কাজের জন্য তাকে ভালোবাসে। তিনি বলেনঃ এটা তো ঈমানদার ব্যক্তির জন্য আগাম সুসংবাদ।[৩৫৫৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال قلت له : الرجل يعمل العمل لله فيحبه الناس عليه قال : " ذلك عاجل بشرى المؤمن " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৬
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، حدثنا سعيد بن سنان أبو سنان الشيباني، عن حبيب بن أبي ثابت، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رجل : يا رسول الله إني أعمل العمل فيطلع عليه فيعجبني قال : " لك أجران : أجر السر وأجر العلانية " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোন কাজ করি, তা লোকের গোচরীভূত হয়ে যায়, তাতে আমি আনন্দবোধ করি। তিনি বলেনঃ তোমার জন্য দ্বিগুণ সাওয়াব। গোপনে করার সাওয়াব এবং প্রকাশ হয়ে পড়ার সাওয়াব।[৩৫৫৮] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোন কাজ করি, তা লোকের গোচরীভূত হয়ে যায়, তাতে আমি আনন্দবোধ করি। তিনি বলেনঃ তোমার জন্য দ্বিগুণ সাওয়াব। গোপনে করার সাওয়াব এবং প্রকাশ হয়ে পড়ার সাওয়াব।[৩৫৫৮] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، حدثنا سعيد بن سنان أبو سنان الشيباني، عن حبيب بن أبي ثابت، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رجل : يا رسول الله إني أعمل العمل فيطلع عليه فيعجبني قال : " لك أجران : أجر السر وأجر العلانية " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا نافع بن عمر الجمحي، عن أمية بن صفوان، عن أبي بكر بن أبي زهير الثقفي، عن أبيه، قال خطبنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالنبا أو النباوة - قال والنباوة من الطائف - قال " يوشك أن تعرفوا أهل الجنة من أهل النار " . قالوا بم ذاك يا رسول الله . قال " بالثناء الحسن والثناء السيئ أنتم شهداء الله بعضكم على بعض " .
আবূ যুহায়র আস সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাবাওয়াহ বা বানাওয়াহ নামক স্হানে আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। রাবী বলেন, নাবাওয়াহ তায়েফের একটি স্হানের নাম। তিনি বলেনঃ অচিরেই তোমরা জান্নাতী লোকদেরকে জাহান্নামীদের থেকে পৃথকভাবে চিনতে পারবে। তারা বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কিভাবে? তিনি বলেনঃ সুপ্রশংসা ও কুপ্রশংসা দ্বারা। তোমরা যে মৃতের প্রশংসা করবে সে জান্নাতী এবং যে মৃতের দুর্নাম করবে সে জাহান্নামী। তোমরা (পৃথিবীতে) পরস্পরের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাক্ষী।[৩৫৫৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আবূ যুহায়র আস সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাবাওয়াহ বা বানাওয়াহ নামক স্হানে আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। রাবী বলেন, নাবাওয়াহ তায়েফের একটি স্হানের নাম। তিনি বলেনঃ অচিরেই তোমরা জান্নাতী লোকদেরকে জাহান্নামীদের থেকে পৃথকভাবে চিনতে পারবে। তারা বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কিভাবে? তিনি বলেনঃ সুপ্রশংসা ও কুপ্রশংসা দ্বারা। তোমরা যে মৃতের প্রশংসা করবে সে জান্নাতী এবং যে মৃতের দুর্নাম করবে সে জাহান্নামী। তোমরা (পৃথিবীতে) পরস্পরের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাক্ষী।[৩৫৫৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا نافع بن عمر الجمحي، عن أمية بن صفوان، عن أبي بكر بن أبي زهير الثقفي، عن أبيه، قال خطبنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالنبا أو النباوة - قال والنباوة من الطائف - قال " يوشك أن تعرفوا أهل الجنة من أهل النار " . قالوا بم ذاك يا رسول الله . قال " بالثناء الحسن والثناء السيئ أنتم شهداء الله بعضكم على بعض " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > নিয়্যাত (অভিপ্রায়)
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৯
حدثنا أحمد بن سنان، ومحمد بن يحيى، قالا حدثنا يزيد بن هارون، عن شريك، عن ليث، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " إنما يبعث الناس على نياتهم " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকদের (হাশরের দিন) তাদের নিয়্যাত (অভিপ্রায়) অনুসারে উঠানো হবে।[৩৫৬১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকদের (হাশরের দিন) তাদের নিয়্যাত (অভিপ্রায়) অনুসারে উঠানো হবে।[৩৫৬১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أحمد بن سنان، ومحمد بن يحيى، قالا حدثنا يزيد بن هارون، عن شريك، عن ليث، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " إنما يبعث الناس على نياتهم " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩০
حدثنا زهير بن محمد، أنبأنا زكريا بن عدي، أنبأنا شريك، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " يحشر الناس على نياتهم "
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকজনকে তাদের নিয়াত (উদ্দেশ্য) অনুসারে হাশরের ময়দানে একত্র করা হবে।[৩৫৬২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকজনকে তাদের নিয়াত (উদ্দেশ্য) অনুসারে হাশরের ময়দানে একত্র করা হবে।[৩৫৬২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا زهير بن محمد، أنبأنا زكريا بن عدي، أنبأنا شريك، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " يحشر الناس على نياتهم "
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، ح وحدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، قالا أنبأنا يحيى بن سعيد، أن محمد بن إبراهيم التيمي، أخبره أنه، سمع علقمة بن وقاص، أنه سمع عمر بن الخطاب، وهو يخطب الناس فقال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول : " إنما الأعمال بالنيات ولكل امرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله وإلى رسوله فهجرته إلى الله وإلى رسوله ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها، فهجرته إلى ما هاجر إليه " .
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যাবতীয় কাজের ফল নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক মানুষের জন্য তার নিয়্যাত (অভিপ্রায়) অনুযায়ী ফলাফল রয়েছে। অতএব যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্যই গণ্য হয়। আর যার হিজরত পার্থিব স্বার্থ লাভের জন্য, সে তাই লাভ করবে অথবা তার হিজরত কোন নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হলে সে যে উদ্দেশ্যে হিজরত করেছে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যের জন্য গণ্য হবে।[৩৫৫৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যাবতীয় কাজের ফল নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক মানুষের জন্য তার নিয়্যাত (অভিপ্রায়) অনুযায়ী ফলাফল রয়েছে। অতএব যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্যই গণ্য হয়। আর যার হিজরত পার্থিব স্বার্থ লাভের জন্য, সে তাই লাভ করবে অথবা তার হিজরত কোন নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হলে সে যে উদ্দেশ্যে হিজরত করেছে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যের জন্য গণ্য হবে।[৩৫৫৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، ح وحدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، قالا أنبأنا يحيى بن سعيد، أن محمد بن إبراهيم التيمي، أخبره أنه، سمع علقمة بن وقاص، أنه سمع عمر بن الخطاب، وهو يخطب الناس فقال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول : " إنما الأعمال بالنيات ولكل امرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله وإلى رسوله فهجرته إلى الله وإلى رسوله ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها، فهجرته إلى ما هاجر إليه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২২৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن أبي كبشة الأنماري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " مثل هذه الأمة كمثل أربعة نفر : رجل آتاه الله مالا وعلما فهو يعمل بعلمه في ماله ينفقه في حقه ورجل آتاه الله علما ولم يؤته مالا فهو يقول : لو كان لي مثل هذا عملت فيه مثل الذي يعمل " . قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " فهما في الأجر سواء ورجل آتاه الله مالا ولم يؤته علما فهو يخبط في ماله ينفقه في غير حقه ورجل لم يؤته الله علما ولا مالا فهو يقول : لو كان لي مثل مال هذا عملت فيه مثل الذي يعمل " . قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " فهما في الوزر سواء " .
আবূ কাবশা আল-আনমারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ উম্মাতের দৃষ্টান্ত চার ব্যক্তি সদৃশ। (এক) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ ধন-সম্পদ ও জ্ঞান দান করেছেন এবং সে তার জ্ঞান দ্বারা তার মাল ব্যবহার করে, যথার্থ খাতে তা ব্যয় করে। (দুই) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন কিন্তু সম্পদ দান করেননি। সে বলে, ঐ ব্যক্তির অনুরূপ আমার সম্পদ থাকলে আমি তার মত তা কাজে লাগাতাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ দু’জন সমান পুরস্কার লাভের অধিকারী। (তিন) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু জ্ঞান দান করেননি। সে তার মালে ভ্রষ্টনীতি গ্রহণ করে, তা অন্যায় পথে ব্যয় করে। (চার) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান ও সম্পদ কোনটাই দান করেননি। সে বলে, তার অনুরুপ আমার সম্পদ থাকলে তার মত (ভ্রষ্ট) কাজে লাগাতাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এই দু’ব্যক্তি সমান অপরাধী। [উপরোক্ত হাদীসের মোট ৪ টি সানাদের ২টি সানাদ বর্ণিত হয়েছে, অপর ২টি সানাদ হলোঃ] ৩/৪২২৮ (১) . ইসহাক বিন মানসূর আল-মারওয়াযী, আবদুর রাযযাক, মা'মার, মানসূর, সালিম বিন আবুল জা'দ, ইবনু আবূ কাবশাহ (মাকবূল) , তার পিতা (আবূ কাবশাহ) (রাঃ) ; মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন সামুরাহ, আবূ উসামাহ, মুফাদদাল, মানসূর (ইবনুল মু'তামির, সালিম বিন আবুল জা'দ, ইবনু আবূ কাবশাহ (মাকবূর) , তার পিতা (আবূ কাবশাহ) (রাঃ)। [৩৫৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ কাবশা আল-আনমারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ উম্মাতের দৃষ্টান্ত চার ব্যক্তি সদৃশ। (এক) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ ধন-সম্পদ ও জ্ঞান দান করেছেন এবং সে তার জ্ঞান দ্বারা তার মাল ব্যবহার করে, যথার্থ খাতে তা ব্যয় করে। (দুই) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন কিন্তু সম্পদ দান করেননি। সে বলে, ঐ ব্যক্তির অনুরূপ আমার সম্পদ থাকলে আমি তার মত তা কাজে লাগাতাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ দু’জন সমান পুরস্কার লাভের অধিকারী। (তিন) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু জ্ঞান দান করেননি। সে তার মালে ভ্রষ্টনীতি গ্রহণ করে, তা অন্যায় পথে ব্যয় করে। (চার) এক ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞান ও সম্পদ কোনটাই দান করেননি। সে বলে, তার অনুরুপ আমার সম্পদ থাকলে তার মত (ভ্রষ্ট) কাজে লাগাতাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এই দু’ব্যক্তি সমান অপরাধী। [উপরোক্ত হাদীসের মোট ৪ টি সানাদের ২টি সানাদ বর্ণিত হয়েছে, অপর ২টি সানাদ হলোঃ] ৩/৪২২৮ (১) . ইসহাক বিন মানসূর আল-মারওয়াযী, আবদুর রাযযাক, মা'মার, মানসূর, সালিম বিন আবুল জা'দ, ইবনু আবূ কাবশাহ (মাকবূল) , তার পিতা (আবূ কাবশাহ) (রাঃ) ; মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন সামুরাহ, আবূ উসামাহ, মুফাদদাল, মানসূর (ইবনুল মু'তামির, সালিম বিন আবুল জা'দ, ইবনু আবূ কাবশাহ (মাকবূর) , তার পিতা (আবূ কাবশাহ) (রাঃ)। [৩৫৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن أبي كبشة الأنماري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " مثل هذه الأمة كمثل أربعة نفر : رجل آتاه الله مالا وعلما فهو يعمل بعلمه في ماله ينفقه في حقه ورجل آتاه الله علما ولم يؤته مالا فهو يقول : لو كان لي مثل هذا عملت فيه مثل الذي يعمل " . قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " فهما في الأجر سواء ورجل آتاه الله مالا ولم يؤته علما فهو يخبط في ماله ينفقه في غير حقه ورجل لم يؤته الله علما ولا مالا فهو يقول : لو كان لي مثل مال هذا عملت فيه مثل الذي يعمل " . قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " فهما في الوزر سواء " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > আশা-আকাঙ্ক্ষা ও মৃত্যু
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩২
حدثنا إسحاق بن منصور، حدثنا النضر بن شميل، أنبأنا حماد بن سلمة، عن عبيد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " هذا ابن آدم وهذا أجله عند قفاه " . وبسط يده أمامه ثم قال : " وثم أمله " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই হলো আদম সন্তান এবং এই হলো তার মৃত্যু, তার ঘাড়ের নিকট। তিনি তাঁর হাত তাঁর সামনের দিকে প্রসারিত করে বললেনঃ এই পর্যন্ত (হায়াতের চেয়েও বেশী) তার আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।[৩৫৬৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই হলো আদম সন্তান এবং এই হলো তার মৃত্যু, তার ঘাড়ের নিকট। তিনি তাঁর হাত তাঁর সামনের দিকে প্রসারিত করে বললেনঃ এই পর্যন্ত (হায়াতের চেয়েও বেশী) তার আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।[৩৫৬৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا إسحاق بن منصور، حدثنا النضر بن شميل، أنبأنا حماد بن سلمة، عن عبيد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " هذا ابن آدم وهذا أجله عند قفاه " . وبسط يده أمامه ثم قال : " وثم أمله " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৩
حدثنا أبو مروان، : محمد بن عثمان العثماني حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " قلب الشيخ شاب في اثنتين : في حب الحياة وكثرة المال " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি জিনিসের ভালোবাসায় বৃদ্ধের মন যুবকই থেকে যায়। বেঁচে থাকার লালসা ও সম্পদের প্রাচুর্য।[৩৫৬৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি জিনিসের ভালোবাসায় বৃদ্ধের মন যুবকই থেকে যায়। বেঁচে থাকার লালসা ও সম্পদের প্রাচুর্য।[৩৫৬৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو مروان، : محمد بن عثمان العثماني حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " قلب الشيخ شاب في اثنتين : في حب الحياة وكثرة المال " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৪
حدثنا بشر بن معاذ الضرير، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " يهرم ابن آدم ويشب منه اثنتان : الحرص على المال والحرص على العمر " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান বৃদ্ধ হয়ে গেলেও তার দু’টি স্বভাব যুবকই থেকে যায়ঃ সম্পদের লোভ ও বেঁচে থাকার লালসা।[৩৫৬৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান বৃদ্ধ হয়ে গেলেও তার দু’টি স্বভাব যুবকই থেকে যায়ঃ সম্পদের লোভ ও বেঁচে থাকার লালসা।[৩৫৬৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا بشر بن معاذ الضرير، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " يهرم ابن آدم ويشب منه اثنتان : الحرص على المال والحرص على العمر " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৬
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثني عبد الرحمن بن محمد المحاربي، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের (গড়) আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছর। তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকই এ বয়স অতিক্রম করবে।[৩৫৬৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের (গড়) আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছর। তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকই এ বয়স অতিক্রম করবে।[৩৫৬৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثني عبد الرحمن بن محمد المحاربي، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৫
حدثنا أبو مروان العثماني، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " لو أن لابن آدم واديين من مال لأحب أن يكون معهما ثالث ولا يملأ نفسه إلا التراب ويتوب الله على من تاب " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তান দু’ উপত্যকা ভর্তি সম্পদের অধিকারী হলেও সে এর সাথে তৃতীয়টি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। মাটি ছাড়া অন্য কিছু তার দেহ ভর্তি করতে পারে না। কোন ব্যক্তি তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন।[৩৫৬৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তান দু’ উপত্যকা ভর্তি সম্পদের অধিকারী হলেও সে এর সাথে তৃতীয়টি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। মাটি ছাড়া অন্য কিছু তার দেহ ভর্তি করতে পারে না। কোন ব্যক্তি তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন।[৩৫৬৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو مروان العثماني، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال : " لو أن لابن آدم واديين من مال لأحب أن يكون معهما ثالث ولا يملأ نفسه إلا التراب ويتوب الله على من تاب " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩১
حدثنا أبو بشر، : بكر بن خلف وأبو بكر بن خلاد الباهلي قالا حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني أبي، عن أبي يعلى، عن الربيع بن خثيم، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ : أنه خط خطا مربعا وخطا وسط الخط المربع وخطوطا إلى جانب الخط الذي وسط الخط المربع وخطا خارجا من الخط المربع فقال : " أتدرون ما هذا " . قالوا : الله ورسوله أعلم . قال : " هذا الإنسان الخط الأوسط وهذه الخطوط إلى جنبه الأعراض تنهشه أو تنهسه من كل مكان فإن أخطأه هذا أصابه هذا والخط المربع الأجل المحيط والخط الخارج الأمل " .
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বর্গাকৃতির চতুর্ভুজ আঁকলেন, এর মধ্যভাগে একটি সরল রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের মধ্যবর্তী এ রেখার দু’দিকে অনেকগুলো ক্ষুদ্র রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের বহির্ভাগে একটি সরলরেখা টানলেন যা বর্গক্ষেত্রকে ছেদ করে অন্য প্রান্ত ভেদ করেছে। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা কি জানো, এটা কি? তারা বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেনঃ এই মধ্যবর্তী রেখাটি হলো মানুষ। আর সরলরেখার দু’ দিকে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রেখা আছে, এগুলো হলো বিপদাপদ, যা তাকে অহরহ দংশন করে। সে একটি বিপদ থেকে মুক্তি পেলে আরেকটি বিপদ তার উপর পতিত হয়। বর্গক্ষেত্রটি হলো তার জীবনকালের সীমা, যা তাকে বেষ্টন করে রেখেছে। আর (বর্গক্ষেত্র ভেদ করে) বাইরে আসা রেখাটি হলো তার কামনা-বাসনা।[৩৫৬৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বর্গাকৃতির চতুর্ভুজ আঁকলেন, এর মধ্যভাগে একটি সরল রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের মধ্যবর্তী এ রেখার দু’দিকে অনেকগুলো ক্ষুদ্র রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের বহির্ভাগে একটি সরলরেখা টানলেন যা বর্গক্ষেত্রকে ছেদ করে অন্য প্রান্ত ভেদ করেছে। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা কি জানো, এটা কি? তারা বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেনঃ এই মধ্যবর্তী রেখাটি হলো মানুষ। আর সরলরেখার দু’ দিকে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রেখা আছে, এগুলো হলো বিপদাপদ, যা তাকে অহরহ দংশন করে। সে একটি বিপদ থেকে মুক্তি পেলে আরেকটি বিপদ তার উপর পতিত হয়। বর্গক্ষেত্রটি হলো তার জীবনকালের সীমা, যা তাকে বেষ্টন করে রেখেছে। আর (বর্গক্ষেত্র ভেদ করে) বাইরে আসা রেখাটি হলো তার কামনা-বাসনা।[৩৫৬৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بشر، : بكر بن خلف وأبو بكر بن خلاد الباهلي قالا حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني أبي، عن أبي يعلى، عن الربيع بن خثيم، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ : أنه خط خطا مربعا وخطا وسط الخط المربع وخطوطا إلى جانب الخط الذي وسط الخط المربع وخطا خارجا من الخط المربع فقال : " أتدرون ما هذا " . قالوا : الله ورسوله أعلم . قال : " هذا الإنسان الخط الأوسط وهذه الخطوط إلى جنبه الأعراض تنهشه أو تنهسه من كل مكان فإن أخطأه هذا أصابه هذا والخط المربع الأجل المحيط والخط الخارج الأمل " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > নিয়মিত আমল পছন্দনীয়
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت : والذي ذهب بنفسه ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما مات حتى كان أكثر صلاته وهو جالس وكان أحب الأعمال إليه، العمل الصالح الذي يدوم عليه العبد وإن كان يسيرا .
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সেই মহান সত্ত্বার শপথ, যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিয়ে গেছেন, তিনি ইন্তিকালের আগ পর্যন্ত অধিকাংশ সময় (নফল) নামায বসে পরতেন। বান্দা যে নেক আমল নিয়মিত করে তার অল্প হলেও তাঁর নিকট পছন্দনীয় ছিল।[৩৫৬৯] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সেই মহান সত্ত্বার শপথ, যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিয়ে গেছেন, তিনি ইন্তিকালের আগ পর্যন্ত অধিকাংশ সময় (নফল) নামায বসে পরতেন। বান্দা যে নেক আমল নিয়মিত করে তার অল্প হলেও তাঁর নিকট পছন্দনীয় ছিল।[৩৫৬৯] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت : والذي ذهب بنفسه ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما مات حتى كان أكثر صلاته وهو جالس وكان أحب الأعمال إليه، العمل الصالح الذي يدوم عليه العبد وإن كان يسيرا .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪১
حدثنا عمرو بن رافع، حدثنا يعقوب بن عبد الله الأشعري، عن عيسى بن جارية، عن جابر بن عبد الله، قال : مر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على رجل يصلي على صخرة فأتى ناحية مكة فمكث مليا ثم انصرف فوجد الرجل يصلي على حاله فقام فجمع يديه ثم قال : " يا أيها الناس عليكم بالقصد " . ثلاثا : " فإن الله لا يمل حتى تملوا " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক খন্ড পাথরের উপর নামাযরত এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। তিনি মক্কার এক প্রান্তে পৌঁছে সেখানে কিছুক্ষণ কাটালেন। অতঃপর তিনি ফেরার পথে ঐ লোকটিকে পূর্বাবস্থায় নামাযরত দেখতে পেলেন। তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তাঁর দু’ হাত একত্র করে বলেনঃ হে লোকসকল! তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন করো। কথাটা তিনি তিনবার বলেন। কেননা তোমরা অবসাদগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ প্রতিদান দিতে ক্ষান্ত হন না। [৩৫৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক খন্ড পাথরের উপর নামাযরত এক ব্যক্তিকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। তিনি মক্কার এক প্রান্তে পৌঁছে সেখানে কিছুক্ষণ কাটালেন। অতঃপর তিনি ফেরার পথে ঐ লোকটিকে পূর্বাবস্থায় নামাযরত দেখতে পেলেন। তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তাঁর দু’ হাত একত্র করে বলেনঃ হে লোকসকল! তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন করো। কথাটা তিনি তিনবার বলেন। কেননা তোমরা অবসাদগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ প্রতিদান দিতে ক্ষান্ত হন না। [৩৫৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا عمرو بن رافع، حدثنا يعقوب بن عبد الله الأشعري، عن عيسى بن جارية، عن جابر بن عبد الله، قال : مر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على رجل يصلي على صخرة فأتى ناحية مكة فمكث مليا ثم انصرف فوجد الرجل يصلي على حاله فقام فجمع يديه ثم قال : " يا أيها الناس عليكم بالقصد " . ثلاثا : " فإن الله لا يمل حتى تملوا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن سفيان، عن الجريري، عن أبي عثمان، عن حنظلة الكاتب التميمي الأسيدي، قال : كنا عند رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكرنا الجنة والنار حتى كأنا رأى العين فقمت إلى أهلي وولدي فضحكت ولعبت . قال : فذكرت الذي كنا فيه فخرجت فلقيت أبا بكر فقلت : نافقت، نافقت . فقال أبو بكر : إنا لنفعله . فذهب حنظلة فذكره للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال : " يا حنظلة لو كنتم كما تكونون عندي لصافحتكم الملائكة على فرشكم - أو على طرقكم - يا حنظلة ساعة وساعة " .
হানযালা আল-কাতিব আত-তামীমী আল-উসায়্যিদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এমনভাবে নসীহত করলেন, যেন আমরা তা চাক্ষুস দেখতে পাচ্ছি। তারপর আমি উঠে পরিবার ও সন্তানদের নিকট ফিরে আসি এবং আনন্দ স্ফুর্তি করি। রাবী বলেন, আমি আমাদের এ অবস্থার কথা স্মরণ করছিলাম, অতঃপর (ঘর থেকে) বের হয়ে গিয়ে আবূ বাক্র সিদ্দিক (রাঃ) -এর সাথে সাক্ষাত করলাম এবং তাকে বললাম, আমি মোনাফেক হয়ে গেছি, মোনাফেক হয়ে গেছি। আবূ বকর (রাঃ) বলেন, আমরাও তো তাই করি। অতঃপর হানযালা (রাঃ) গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হে হানযালা! তোমরা আমার নিকট উপস্থিত থাকলে যেরূপ থাকো, সর্বদা তদ্রূপ থাকলে অবশ্যই ফেরেশতাগণ তোমাদের বিছানায় অথবা পথিমধ্যে তোমার সাথে মোসাফাহা করতো। হে হানযালা! সেই অবস্থা সময় সময় হয়ে থাকে। [৩৫৭১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
হানযালা আল-কাতিব আত-তামীমী আল-উসায়্যিদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এমনভাবে নসীহত করলেন, যেন আমরা তা চাক্ষুস দেখতে পাচ্ছি। তারপর আমি উঠে পরিবার ও সন্তানদের নিকট ফিরে আসি এবং আনন্দ স্ফুর্তি করি। রাবী বলেন, আমি আমাদের এ অবস্থার কথা স্মরণ করছিলাম, অতঃপর (ঘর থেকে) বের হয়ে গিয়ে আবূ বাক্র সিদ্দিক (রাঃ) -এর সাথে সাক্ষাত করলাম এবং তাকে বললাম, আমি মোনাফেক হয়ে গেছি, মোনাফেক হয়ে গেছি। আবূ বকর (রাঃ) বলেন, আমরাও তো তাই করি। অতঃপর হানযালা (রাঃ) গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হে হানযালা! তোমরা আমার নিকট উপস্থিত থাকলে যেরূপ থাকো, সর্বদা তদ্রূপ থাকলে অবশ্যই ফেরেশতাগণ তোমাদের বিছানায় অথবা পথিমধ্যে তোমার সাথে মোসাফাহা করতো। হে হানযালা! সেই অবস্থা সময় সময় হয়ে থাকে। [৩৫৭১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن سفيان، عن الجريري، عن أبي عثمان، عن حنظلة الكاتب التميمي الأسيدي، قال : كنا عند رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فذكرنا الجنة والنار حتى كأنا رأى العين فقمت إلى أهلي وولدي فضحكت ولعبت . قال : فذكرت الذي كنا فيه فخرجت فلقيت أبا بكر فقلت : نافقت، نافقت . فقال أبو بكر : إنا لنفعله . فذهب حنظلة فذكره للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال : " يا حنظلة لو كنتم كما تكونون عندي لصافحتكم الملائكة على فرشكم - أو على طرقكم - يا حنظلة ساعة وساعة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৩৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت : كانت عندي امرأة فدخل على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال : " من هذه " . قلت : فلانة . لا تنام - تذكر من صلاحها - فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " مه عليكم بما تطيقون فوالله لا يمل الله حتى تملوا " . قالت : وكان أحب الدين إليه الذي يدوم عليه صاحبه .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট এক মহিলা উপস্থিত থাকা অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এ মহিলা কে? আমি বললাম, অমুক মহিলা, সে রাতে ঘুমায় না। তিনি তার সলাতের কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আরে থামো! তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমল করা তোমাদের কর্তব্য। আল্লাহ্র শপথ! আল্লাহ (পুরস্কার প্রদানে) অবসন্ন হন না, যতক্ষণ না তোমরা অবসন্ন হয়ে পড়। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তির নিয়মিত আমলই তাঁর নিকট সর্বাধিক প্রিয় দ্বীন ছিল। [৩৫৭০] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট এক মহিলা উপস্থিত থাকা অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এ মহিলা কে? আমি বললাম, অমুক মহিলা, সে রাতে ঘুমায় না। তিনি তার সলাতের কথা উল্লেখ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আরে থামো! তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমল করা তোমাদের কর্তব্য। আল্লাহ্র শপথ! আল্লাহ (পুরস্কার প্রদানে) অবসন্ন হন না, যতক্ষণ না তোমরা অবসন্ন হয়ে পড়। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তির নিয়মিত আমলই তাঁর নিকট সর্বাধিক প্রিয় দ্বীন ছিল। [৩৫৭০] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت : كانت عندي امرأة فدخل على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال : " من هذه " . قلت : فلانة . لا تنام - تذكر من صلاحها - فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " مه عليكم بما تطيقون فوالله لا يمل الله حتى تملوا " . قالت : وكان أحب الدين إليه الذي يدوم عليه صاحبه .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪০
حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ابن لهيعة، حدثنا عبد الرحمن الأعرج، سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " اكلفوا من العمل ما تطيقون فإن خير العمل أدومه وإن قل " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যথাসাধ্য আমল করো। কেননা সেই আমলই উত্তম যা নিয়মিত করা যায়, তা পরিমাণে কম হলেও। [৩৫৭২]
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যথাসাধ্য আমল করো। কেননা সেই আমলই উত্তম যা নিয়মিত করা যায়, তা পরিমাণে কম হলেও। [৩৫৭২]
حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ابن لهيعة، حدثنا عبد الرحمن الأعرج، سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " اكلفوا من العمل ما تطيقون فإن خير العمل أدومه وإن قل " .