সুনানে ইবনে মাজাহ > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাহাবীগণের জীবন-জীবিকা।
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৫৫
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، عن الأعمش، عن شقيق، عن أبي مسعود، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يأمر بالصدقة فينطلق أحدنا يتحامل حتى يجيء بالمد وإن لأحدهم اليوم مائة ألف . قال شقيق كأنه يعرض بنفسه .
আবূ মাসঊদ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দান-খয়রাত করার নির্দেশ দিতেন। তাই আমাদের কেউ শ্রমিকের কাজ করতে যেতেন এবং এক মুদ্দ উপার্জন করে নিয়ে আসতেন (অতঃপর তা থেকে দান-খয়রাত করতেন)। আর আজকের দিনে তাদের কেউ কেউ লাখো দিরহামের মালিক। শাকীক (রাঃ) বলেন, তিনি উক্ত কথা দ্বারা নিজের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।[৩৪৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ মাসঊদ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দান-খয়রাত করার নির্দেশ দিতেন। তাই আমাদের কেউ শ্রমিকের কাজ করতে যেতেন এবং এক মুদ্দ উপার্জন করে নিয়ে আসতেন (অতঃপর তা থেকে দান-খয়রাত করতেন)। আর আজকের দিনে তাদের কেউ কেউ লাখো দিরহামের মালিক। শাকীক (রাঃ) বলেন, তিনি উক্ত কথা দ্বারা নিজের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।[৩৪৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، عن الأعمش، عن شقيق، عن أبي مسعود، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يأمر بالصدقة فينطلق أحدنا يتحامل حتى يجيء بالمد وإن لأحدهم اليوم مائة ألف . قال شقيق كأنه يعرض بنفسه .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৫৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن أبي نعامة، سمعه من، خالد بن عمير قال خطبنا عتبة بن غزوان على المنبر فقال لقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما لنا طعام نأكله إلا ورق الشجر حتى قرحت أشداقنا .
খালিদ বিন উমায়র (মাকবূল) থেকে বর্নিতঃ
উতবাহ বিন গায্ওয়ান (রাঃ) মিম্বারে দাঁড়িয়ে আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সাতজনের মধ্যে সপ্তমজন ছিলাম। গাছের পাতা ছাড়া আমাদের আহারের জন্য আমাদের সাথে আর কিছু ছিলো না। শেষে আমাদের মাড়ির ছাল উঠে গিয়েছিলো।[৩৪৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
খালিদ বিন উমায়র (মাকবূল) থেকে বর্নিতঃ
উতবাহ বিন গায্ওয়ান (রাঃ) মিম্বারে দাঁড়িয়ে আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সাতজনের মধ্যে সপ্তমজন ছিলাম। গাছের পাতা ছাড়া আমাদের আহারের জন্য আমাদের সাথে আর কিছু ছিলো না। শেষে আমাদের মাড়ির ছাল উঠে গিয়েছিলো।[৩৪৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن أبي نعامة، سمعه من، خالد بن عمير قال خطبنا عتبة بن غزوان على المنبر فقال لقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما لنا طعام نأكله إلا ورق الشجر حتى قرحت أشداقنا .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৫৮
حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر العدني، حدثنا سفيان بن عيينة، عن محمد بن عمرو، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الله بن الزبير بن العوام، عن أبيه، قال لما نزلت {ثم لتسألن يومئذ عن النعيم} قال الزبير وأى نعيم نسأل عنه وإنما هو الأسودان التمر والماء . قال " أما إنه سيكون "
যুবায়র ইবনুল আওওয়াম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন "এরপর অবশ্যই সেদিন তোমাদেরকে নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে" (সূরা তাকাসুরঃ ৮) শীর্ষক আয়াত নাযিল হলো, তখন যুবাইর (রাঃ) বলেন, আমাদের নিকট এমন কী নিআমাত আছে যে সম্পর্কে আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে? আমাদের নিকট দু’টি কালো জিনিস অর্থাৎ খেজুর ও পানি আছে। তিনি বলেনঃ তা অচিরেই (তোমাদের হস্তগত) হবে।[৩৪৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
যুবায়র ইবনুল আওওয়াম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন "এরপর অবশ্যই সেদিন তোমাদেরকে নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে" (সূরা তাকাসুরঃ ৮) শীর্ষক আয়াত নাযিল হলো, তখন যুবাইর (রাঃ) বলেন, আমাদের নিকট এমন কী নিআমাত আছে যে সম্পর্কে আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে? আমাদের নিকট দু’টি কালো জিনিস অর্থাৎ খেজুর ও পানি আছে। তিনি বলেনঃ তা অচিরেই (তোমাদের হস্তগত) হবে।[৩৪৯০] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر العدني، حدثنا سفيان بن عيينة، عن محمد بن عمرو، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الله بن الزبير بن العوام، عن أبيه، قال لما نزلت {ثم لتسألن يومئذ عن النعيم} قال الزبير وأى نعيم نسأل عنه وإنما هو الأسودان التمر والماء . قال " أما إنه سيكون "
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৫৯
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال بعثنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ونحن ثلاثمائة نحمل أزوادنا على رقابنا ففني أزوادنا حتى كان يكون للرجل منا تمرة . فقيل يا أبا عبد الله وأين تقع التمرة من الرجل فقال لقد وجدنا فقدها حين فقدناها وأتينا البحر فإذا نحن بحوت قد قذفه البحر فأكلنا منه ثمانية عشر يوما .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশত লোককে (এক সামরিক অভিযানে) পাঠান। আমরা আমাদের রসদপত্র নিজ নিজ কাঁধে বহন করেছিলাম। আমাদের খাদ্য প্রায় ফুরিয়ে এলো। আমাদের মাথাপিছু একটি করে খেজুর থাকলো। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আবূ আবদুল্লাহ! একটি মাত্র খেজুরে একজন লোকের কি হতো? তিনি বলেন, যখন মাথাপিছু একটি করে খেজুরও শেষ হয়ে গেলো, তখন আমরা এর কদর বুঝতে পারলাম। আমরা সমুদ্র তীরে উপনীত হয়ে তথায় একটি বিরাটাকায় মাছ দেখতে পেলাম, যেটিকে সমুদ্র তরঙ্গ তীরে নিক্ষেপ করেছিল। আমরা আঠারো দিন ধরে সেই মাছটি আহার করলাম।[৩৪৯১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশত লোককে (এক সামরিক অভিযানে) পাঠান। আমরা আমাদের রসদপত্র নিজ নিজ কাঁধে বহন করেছিলাম। আমাদের খাদ্য প্রায় ফুরিয়ে এলো। আমাদের মাথাপিছু একটি করে খেজুর থাকলো। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আবূ আবদুল্লাহ! একটি মাত্র খেজুরে একজন লোকের কি হতো? তিনি বলেন, যখন মাথাপিছু একটি করে খেজুরও শেষ হয়ে গেলো, তখন আমরা এর কদর বুঝতে পারলাম। আমরা সমুদ্র তীরে উপনীত হয়ে তথায় একটি বিরাটাকায় মাছ দেখতে পেলাম, যেটিকে সমুদ্র তরঙ্গ তীরে নিক্ষেপ করেছিল। আমরা আঠারো দিন ধরে সেই মাছটি আহার করলাম।[৩৪৯১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال بعثنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ونحن ثلاثمائة نحمل أزوادنا على رقابنا ففني أزوادنا حتى كان يكون للرجل منا تمرة . فقيل يا أبا عبد الله وأين تقع التمرة من الرجل فقال لقد وجدنا فقدها حين فقدناها وأتينا البحر فإذا نحن بحوت قد قذفه البحر فأكلنا منه ثمانية عشر يوما .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৫৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، عن عباس الجريري، قال سمعت أبا عثمان، يحدث عن أبي هريرة، أنهم أصابهم جوع وهم سبعة قال فأعطاني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ سبع تمرات لكل إنسان تمرة .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা সাতজন চরম অনাহারের শিকার হলেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক ব্যক্তিকে একটি করে খেজুর দেয়ার জন্য আমাকে মোট সাতটি খেজুর দিলেন।[৩৪৮৯] তাহকীক আলবানীঃ (আরবী) বাক্যটি ব্যতীত সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা সাতজন চরম অনাহারের শিকার হলেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক ব্যক্তিকে একটি করে খেজুর দেয়ার জন্য আমাকে মোট সাতটি খেজুর দিলেন।[৩৪৮৯] তাহকীক আলবানীঃ (আরবী) বাক্যটি ব্যতীত সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، عن عباس الجريري، قال سمعت أبا عثمان، يحدث عن أبي هريرة، أنهم أصابهم جوع وهم سبعة قال فأعطاني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ سبع تمرات لكل إنسان تمرة .
সুনানে ইবনে মাজাহ > ইমারত নির্মাণ ও ধ্বংস
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬০
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي السفر، عن عبد الله بن عمرو، قال مر علينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ونحن نعالج خصا لنا فقال " ما هذا " . فقلت خص لنا وهى نحن نصلحه . فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما أرى الأمر إلا أعجل من ذلك " .
আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আমরা আমাদের একটি কুঁড়েঘর মেরামত করছিলাম। তিনি বলেনঃ এটা কী? আমি বললাম, আমাদের কুঁড়েঘর। সেটি আমরা মেরামত করছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তো দেখছি মৃত্যু তার চেয়েও দ্রুত এসে যাচ্ছে।[৩৪৯২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আমরা আমাদের একটি কুঁড়েঘর মেরামত করছিলাম। তিনি বলেনঃ এটা কী? আমি বললাম, আমাদের কুঁড়েঘর। সেটি আমরা মেরামত করছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তো দেখছি মৃত্যু তার চেয়েও দ্রুত এসে যাচ্ছে।[৩৪৯২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي السفر، عن عبد الله بن عمرو، قال مر علينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ونحن نعالج خصا لنا فقال " ما هذا " . فقلت خص لنا وهى نحن نصلحه . فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما أرى الأمر إلا أعجل من ذلك " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬২
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا إسحاق بن سعيد بن عمرو بن سعيد بن العاص، عن أبيه، سعيد عن ابن عمر، قال لقد رأيتني مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بنيت بيتا يكنني من المطر ويكنني من الشمس ما أعانني عليه خلق الله تعالى .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নিজেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে (স্বপ্নে) দেখতে পেলাম যে, আমি রোদ-বৃষ্টি থেকে আশ্রয়ের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করছি। কিন্তু মহান আল্লাহর সৃষ্টির কেউ আমাকে সহযোগিতা করেনি।[৩৪৯৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নিজেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে (স্বপ্নে) দেখতে পেলাম যে, আমি রোদ-বৃষ্টি থেকে আশ্রয়ের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করছি। কিন্তু মহান আল্লাহর সৃষ্টির কেউ আমাকে সহযোগিতা করেনি।[৩৪৯৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا إسحاق بن سعيد بن عمرو بن سعيد بن العاص، عن أبيه، سعيد عن ابن عمر، قال لقد رأيتني مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بنيت بيتا يكنني من المطر ويكنني من الشمس ما أعانني عليه خلق الله تعالى .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬৩
حدثنا إسماعيل بن موسى، حدثنا شريك، عن أبي إسحاق، عن حارثة بن مضرب، قال أتينا خبابا نعوده فقال لقد طال سقمي ولولا أني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " لا تتمنوا الموت " . لتمنيته وقال " إن العبد ليؤجر في نفقته كلها إلا في التراب " . أو قال " في البناء " .
খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা অসুস্থ খাব্বাব (রাঃ) কে দেখতে এলাম। তখন তিনি বলেন, আমার অসুস্থাবস্থা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। যদি আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে না শুনতামঃ "তোমরা মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করো না", তাহলে অবশ্যই আমি মৃত্যু কামনা করতাম। তিনি বলেছেনঃ নিশ্চয় বান্দা তার প্রতিটি ব্যয়ের জন্য প্রতিদান পাবে, মাটিতে ব্যয় করার বা ইমারত নির্মাণ ব্যয় ব্যতীত।[৩৪৯৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা অসুস্থ খাব্বাব (রাঃ) কে দেখতে এলাম। তখন তিনি বলেন, আমার অসুস্থাবস্থা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। যদি আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে না শুনতামঃ "তোমরা মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করো না", তাহলে অবশ্যই আমি মৃত্যু কামনা করতাম। তিনি বলেছেনঃ নিশ্চয় বান্দা তার প্রতিটি ব্যয়ের জন্য প্রতিদান পাবে, মাটিতে ব্যয় করার বা ইমারত নির্মাণ ব্যয় ব্যতীত।[৩৪৯৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا إسماعيل بن موسى، حدثنا شريك، عن أبي إسحاق، عن حارثة بن مضرب، قال أتينا خبابا نعوده فقال لقد طال سقمي ولولا أني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " لا تتمنوا الموت " . لتمنيته وقال " إن العبد ليؤجر في نفقته كلها إلا في التراب " . أو قال " في البناء " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬১
حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عيسى بن عبد الأعلى بن أبي فروة، حدثني إسحاق بن أبي طلحة، عن أنس، قال مر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بقبة على باب رجل من الأنصار فقال " ما هذه " . قالوا قبة بناها فلان . قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كل مال يكون هكذا فهو وبال على صاحبه يوم القيامة " . فبلغ الأنصاري ذلك فوضعها فمر النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بعد فلم يرها فسأل عنها فأخبر أنه وضعها لما بلغه عنك فقال " يرحمه الله يرحمه الله " .
আনাস (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারীর গোলাকার ঘরের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এটা কী? তারা বলেন, এটা অমুকের তৈরি একটি গোলাকার ঘর। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এরূপ যেকোনো সম্পদ কিয়ামতের দিন তার মালিকের জন্য বিপদের কারণ হবে। এ কথা আনসারীর নিকট পৌঁছলে তিনি ঘরখানি ভেঙ্গে ফেলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই পথে যেতে ঘরটি না দেখতে পেয়ে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তাঁকে জানানো হলো, আপনার কথা তার কানে পৌঁছার পর সে তা ভেঙ্গে ফেলেছে। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন, আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন।[৩৪৯৩] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আনাস (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারীর গোলাকার ঘরের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এটা কী? তারা বলেন, এটা অমুকের তৈরি একটি গোলাকার ঘর। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এরূপ যেকোনো সম্পদ কিয়ামতের দিন তার মালিকের জন্য বিপদের কারণ হবে। এ কথা আনসারীর নিকট পৌঁছলে তিনি ঘরখানি ভেঙ্গে ফেলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই পথে যেতে ঘরটি না দেখতে পেয়ে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তাঁকে জানানো হলো, আপনার কথা তার কানে পৌঁছার পর সে তা ভেঙ্গে ফেলেছে। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন, আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন।[৩৪৯৩] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عيسى بن عبد الأعلى بن أبي فروة، حدثني إسحاق بن أبي طلحة، عن أنس، قال مر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بقبة على باب رجل من الأنصار فقال " ما هذه " . قالوا قبة بناها فلان . قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كل مال يكون هكذا فهو وبال على صاحبه يوم القيامة " . فبلغ الأنصاري ذلك فوضعها فمر النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بعد فلم يرها فسأل عنها فأخبر أنه وضعها لما بلغه عنك فقال " يرحمه الله يرحمه الله " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > তাওয়াক্কুল (আল্লাহ ভরসা) ও ইয়াকীন (দৃঢ় প্রত্যয়)
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬৪
حدثنا حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني ابن لهيعة، عن ابن هبيرة، عن أبي تميم الجيشاني، قال سمعت عمر، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " لو أنكم توكلتم على الله حق توكله لرزقكم كما يرزق الطير تغدو خماصا وتروح بطانا " .
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যদি তোমারা যথার্থই আল্লাহর উপর ভরসা করতে, তাহলে তিনি অবশ্যই তোমাদেরকে পাখির মত রিযিক দান করতেন। ভোরবেলা পাখিরা খালিপেটে (বাসা থেকে) বের হয়ে যায় এবং সন্ধ্যাবেলা উদর পূর্তি করে (বাসায়) ফিরে আসে।[৩৪৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যদি তোমারা যথার্থই আল্লাহর উপর ভরসা করতে, তাহলে তিনি অবশ্যই তোমাদেরকে পাখির মত রিযিক দান করতেন। ভোরবেলা পাখিরা খালিপেটে (বাসা থেকে) বের হয়ে যায় এবং সন্ধ্যাবেলা উদর পূর্তি করে (বাসায়) ফিরে আসে।[৩৪৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني ابن لهيعة، عن ابن هبيرة، عن أبي تميم الجيشاني، قال سمعت عمر، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " لو أنكم توكلتم على الله حق توكله لرزقكم كما يرزق الطير تغدو خماصا وتروح بطانا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن سلام بن شرحبيل أبي شرحبيل، عن حبة، وسواء، ابنى خالد قالا دخلنا على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو يعالج شيئا فأعناه عليه فقال " لا تيأسا من الرزق ما تهززت رءوسكما فإن الإنسان تلده أمه أحمر ليس عليه قشر ثم يرزقه الله عز وجل " .
খালিদের পুত্রদ্বয় হাব্বাহ ও সাওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি কিছু মেরামত করছিলেন। আমরা তাঁকে তাতে সহায়তা করলাম। তিনি বলেনঃ যতক্ষন তোমাদের মাথা সুস্থ থাকবে (তোমরা জীবিত থাকবে) , তোমরা রিযিকের ব্যাপারে নিরাশ হয়ো না। মানুষকে তো তার মা রক্তাপ্লুত ও ক্ষীণ চামড়াযুক্ত অবস্থায় প্রসব করে, সেই অবস্থায়ও মহান আল্লাহ তাকে রিযিক দান করেন।[৩৪৯৭] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
খালিদের পুত্রদ্বয় হাব্বাহ ও সাওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি কিছু মেরামত করছিলেন। আমরা তাঁকে তাতে সহায়তা করলাম। তিনি বলেনঃ যতক্ষন তোমাদের মাথা সুস্থ থাকবে (তোমরা জীবিত থাকবে) , তোমরা রিযিকের ব্যাপারে নিরাশ হয়ো না। মানুষকে তো তার মা রক্তাপ্লুত ও ক্ষীণ চামড়াযুক্ত অবস্থায় প্রসব করে, সেই অবস্থায়ও মহান আল্লাহ তাকে রিযিক দান করেন।[৩৪৯৭] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن سلام بن شرحبيل أبي شرحبيل، عن حبة، وسواء، ابنى خالد قالا دخلنا على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو يعالج شيئا فأعناه عليه فقال " لا تيأسا من الرزق ما تهززت رءوسكما فإن الإنسان تلده أمه أحمر ليس عليه قشر ثم يرزقه الله عز وجل " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬৬
حدثنا إسحاق بن منصور، أنبأنا أبو شعيب، صالح بن رزيق العطار حدثنا سعيد بن عبد الرحمن الجمحي، عن موسى بن على بن رباح، عن أبيه، عن عمرو بن العاص، قال قال رسول ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن من قلب ابن آدم بكل واد شعبة فمن اتبع قلبه الشعب كلها لم يبال الله بأى واد أهلكه ومن توكل على الله كفاه التشعب " .
আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদম সন্তানের অন্তরের প্রতিটি ময়দানে অনেক পথ রয়েছে। যে ব্যক্তি তার অন্তরের প্রতিটি ময়দানের সকল পথ অনুসরণ করে, আল্লাহ তাকে যে কোন ময়দানে ধ্বংস করতে পরোয়া করেন না। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, সে সর্বপ্রকার পথ থেকে মুক্তি পায়।[৩৪৯৮] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদম সন্তানের অন্তরের প্রতিটি ময়দানে অনেক পথ রয়েছে। যে ব্যক্তি তার অন্তরের প্রতিটি ময়দানের সকল পথ অনুসরণ করে, আল্লাহ তাকে যে কোন ময়দানে ধ্বংস করতে পরোয়া করেন না। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, সে সর্বপ্রকার পথ থেকে মুক্তি পায়।[৩৪৯৮] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا إسحاق بن منصور، أنبأنا أبو شعيب، صالح بن رزيق العطار حدثنا سعيد بن عبد الرحمن الجمحي، عن موسى بن على بن رباح، عن أبيه، عن عمرو بن العاص، قال قال رسول ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن من قلب ابن آدم بكل واد شعبة فمن اتبع قلبه الشعب كلها لم يبال الله بأى واد أهلكه ومن توكل على الله كفاه التشعب " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬৭
حدثنا محمد بن طريف، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " لا يموتن أحد منكم إلا وهو يحسن الظن بالله " .
জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করা ব্যতিরেকে মারা না যায়।[৩৪৯৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জাবির (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করা ব্যতিরেকে মারা না যায়।[৩৪৯৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن طريف، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " لا يموتن أحد منكم إلا وهو يحسن الظن بالله " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬৮
حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن ابن عجلان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " المؤمن القوي خير وأحب إلى الله من المؤمن الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك ولا تعجز فإن غلبك أمر فقل قدر الله وما شاء فعل وإياك واللو فإن اللو تفتح عمل الشيطان " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ শক্তিমান মুমিন ব্যক্তি দুর্বল মুমিন ব্যক্তির তুলনায় উত্তম এবং আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যে কল্যাণ আছে। তোমাদের জন্য উপকারী প্রতিটি উত্তম কাজের প্রতি আগ্রহী হও এবং অলস বা গাফিল হয়ো না। কোন কাজ তোমাকে পরাভূত করলে তুমি বলো, আল্লাহ নির্দ্ধারণ করেছেন এবং নিজ মর্জি মাফিক করে রেখেছেন। “যদি” শব্দ সম্পর্কে সাবধান থাকো। কেননা “যদি” শয়তানের কর্মের পথ উম্মুক্ত করে।[৩৫০০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ শক্তিমান মুমিন ব্যক্তি দুর্বল মুমিন ব্যক্তির তুলনায় উত্তম এবং আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যে কল্যাণ আছে। তোমাদের জন্য উপকারী প্রতিটি উত্তম কাজের প্রতি আগ্রহী হও এবং অলস বা গাফিল হয়ো না। কোন কাজ তোমাকে পরাভূত করলে তুমি বলো, আল্লাহ নির্দ্ধারণ করেছেন এবং নিজ মর্জি মাফিক করে রেখেছেন। “যদি” শব্দ সম্পর্কে সাবধান থাকো। কেননা “যদি” শয়তানের কর্মের পথ উম্মুক্ত করে।[৩৫০০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن ابن عجلان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " المؤمن القوي خير وأحب إلى الله من المؤمن الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك ولا تعجز فإن غلبك أمر فقل قدر الله وما شاء فعل وإياك واللو فإن اللو تفتح عمل الشيطان " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > হিকমত ( প্রজ্ঞা)
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৬৯
حدثنا عبد الرحمن بن عبد الوهاب، حدثنا عبد الله بن نمير، عن إبراهيم بن الفضل، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الكلمة الحكمة ضالة المؤمن حيثما وجدها فهو أحق بها " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা মু‘মিনের হারানো ধন। সুতরাং সে যেখানেই তা পাবে, সে-ই হবে তার অধিকারী।[৩৫০১] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা মু‘মিনের হারানো ধন। সুতরাং সে যেখানেই তা পাবে, সে-ই হবে তার অধিকারী।[৩৫০১] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
حدثنا عبد الرحمن بن عبد الوهاب، حدثنا عبد الله بن نمير، عن إبراهيم بن الفضل، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الكلمة الحكمة ضالة المؤمن حيثما وجدها فهو أحق بها " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৭০
حدثنا العباس بن عبد العظيم العنبري، حدثنا صفوان بن عيسى، عن عبد الله بن سعيد بن أبي هند، عن أبيه، قال سمعت ابن عباس، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " نعمتان مغبون فيهما كثير من الناس الصحة والفراغ " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এমন দু’টি নিয়ামত আছে যে ব্যাপারে অধিকাংশ লোক ধোঁকায় পতিতঃ সুস্বাস্থ্য ও সুসময় বা অবসর।[৩৫০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এমন দু’টি নিয়ামত আছে যে ব্যাপারে অধিকাংশ লোক ধোঁকায় পতিতঃ সুস্বাস্থ্য ও সুসময় বা অবসর।[৩৫০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا العباس بن عبد العظيم العنبري، حدثنا صفوان بن عيسى، عن عبد الله بن سعيد بن أبي هند، عن أبيه، قال سمعت ابن عباس، يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " نعمتان مغبون فيهما كثير من الناس الصحة والفراغ " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৭১
حدثنا محمد بن زياد، حدثنا الفضيل بن سليمان، حدثنا عبد الله بن عثمان بن خثيم، حدثني عثمان بن جبير، - مولى أبي أيوب - عن أبي أيوب، قال جاء رجل إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله علمني وأوجز . قال " إذا قمت في صلاتك فصل صلاة مودع ولا تكلم بكلام تعتذر منه وأجمع اليأس عما في أيدي الناس " .
আবূ আয়্যূব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে সংক্ষেপে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ যখন তুমি তোমার নামাযে দাঁড়াবে, তখন এমনভাবে নামায পড়ো, যেন এটাই তোমার শেষ নামায। তুমি এমন কথা বলো না, যার জন্য তোমাকে কৈফিয়ত দিতে হবে। আর মানুষের হাতে যা আছে তা থেকে নিরাশ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতজ্ঞ হও।[৩৫০৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
আবূ আয়্যূব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে সংক্ষেপে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ যখন তুমি তোমার নামাযে দাঁড়াবে, তখন এমনভাবে নামায পড়ো, যেন এটাই তোমার শেষ নামায। তুমি এমন কথা বলো না, যার জন্য তোমাকে কৈফিয়ত দিতে হবে। আর মানুষের হাতে যা আছে তা থেকে নিরাশ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতজ্ঞ হও।[৩৫০৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا محمد بن زياد، حدثنا الفضيل بن سليمان، حدثنا عبد الله بن عثمان بن خثيم، حدثني عثمان بن جبير، - مولى أبي أيوب - عن أبي أيوب، قال جاء رجل إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله علمني وأوجز . قال " إذا قمت في صلاتك فصل صلاة مودع ولا تكلم بكلام تعتذر منه وأجمع اليأس عما في أيدي الناس " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১৭২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، عن حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن أوس بن خالد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مثل الذي يجلس يسمع الحكمة ثم لا يحدث عن صاحبه إلا بشر ما يسمع كمثل رجل أتى راعيا فقال يا راعي أجزرني شاة من غنمك . قال اذهب فخذ بأذن خيرها . فذهب فأخذ بأذن كلب الغنم " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মজলিসে বসে প্রজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো গোপন রাখলো, সে এমন এক ব্যক্তির সাথে তুলনীয় যে কোন রাখালের নিকট গিয়ে বললো, হে রাখাল! তোমার পাল থেকে আমাকে একটি বকরী দাও। রাখাল বললো, তুমি যাও এবং তোমার পছন্দমত পালের মধ্যকার উত্তম বকরীটি নাও। কিন্তু সে গিয়ে বকরীর পালের (পাহারারত) কুকুরের কান ধরে নিয়ে এল।[৩৫০৪] [উপরক্ত হাদীসের মোট দুটি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সনদ টি হলোঃ] ৫/৪১৭২ (১) আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , সূত্রে সামান্য শাব্দিক পার্থক্যসহ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[৩৫০৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মজলিসে বসে প্রজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো গোপন রাখলো, সে এমন এক ব্যক্তির সাথে তুলনীয় যে কোন রাখালের নিকট গিয়ে বললো, হে রাখাল! তোমার পাল থেকে আমাকে একটি বকরী দাও। রাখাল বললো, তুমি যাও এবং তোমার পছন্দমত পালের মধ্যকার উত্তম বকরীটি নাও। কিন্তু সে গিয়ে বকরীর পালের (পাহারারত) কুকুরের কান ধরে নিয়ে এল।[৩৫০৪] [উপরক্ত হাদীসের মোট দুটি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সনদ টি হলোঃ] ৫/৪১৭২ (১) আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , সূত্রে সামান্য শাব্দিক পার্থক্যসহ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[৩৫০৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، عن حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن أوس بن خالد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مثل الذي يجلس يسمع الحكمة ثم لا يحدث عن صاحبه إلا بشر ما يسمع كمثل رجل أتى راعيا فقال يا راعي أجزرني شاة من غنمك . قال اذهب فخذ بأذن خيرها . فذهب فأخذ بأذن كلب الغنم " .