সুনানে ইবনে মাজাহ > লোকে যাকে গুরুত্ব দেয় না
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১১৫
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سويد بن عبد العزيز، عن زيد بن واقد، عن بسر بن عبيد الله، عن أبي إدريس الخولاني، عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ألا أخبرك عن ملوك الجنة " . قلت بلى . قال " رجل ضعيف مستضعف ذو طمرين لا يؤبه له لو أقسم على الله لأبره " .
মুআয বিন জাবাল (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কি তোমাকে জান্নাতের বাদশাহ্দের সম্পর্কে অবহিত করবো না। আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ দু’টি ছিন্নবস্ত্র পরিহিত দুর্বল ও অনাহারী ব্যক্তি যাকে ধর্তব্যে আনা হয় না। কিন্তু সে কোন বিষয়ে আল্লাহর নামে শপথ করলে তিনি তা অবশ্যই পূর্ণ করেন (সে হবে জান্নাতের বাদশাহ্)। [৩৪৪৭] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
মুআয বিন জাবাল (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কি তোমাকে জান্নাতের বাদশাহ্দের সম্পর্কে অবহিত করবো না। আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ দু’টি ছিন্নবস্ত্র পরিহিত দুর্বল ও অনাহারী ব্যক্তি যাকে ধর্তব্যে আনা হয় না। কিন্তু সে কোন বিষয়ে আল্লাহর নামে শপথ করলে তিনি তা অবশ্যই পূর্ণ করেন (সে হবে জান্নাতের বাদশাহ্)। [৩৪৪৭] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سويد بن عبد العزيز، عن زيد بن واقد، عن بسر بن عبيد الله، عن أبي إدريس الخولاني، عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ألا أخبرك عن ملوك الجنة " . قلت بلى . قال " رجل ضعيف مستضعف ذو طمرين لا يؤبه له لو أقسم على الله لأبره " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১১৬
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن معبد بن خالد، قال سمعت حارثة بن وهب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ألا أنبئكم بأهل الجنة كل ضعيف متضعف ألا أنبئكم بأهل النار كل عتل جواظ مستكبر " .
হারিসাহ বিন ওয়াহব (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কি তোমাদেরকে অবহিত করবো না যে, কারা জান্নাতী হবে? যারা দুর্বল এবং যাদেরকে দুর্বল মনে করা হয়। আমি কি তোমাদেরকে অবহিত করবো না যে, কারা জাহান্নামী হবে? প্রত্যেক অবাধ্য, আহাম্মক ও দাম্ভিক ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে। [৩৪৪৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
হারিসাহ বিন ওয়াহব (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কি তোমাদেরকে অবহিত করবো না যে, কারা জান্নাতী হবে? যারা দুর্বল এবং যাদেরকে দুর্বল মনে করা হয়। আমি কি তোমাদেরকে অবহিত করবো না যে, কারা জাহান্নামী হবে? প্রত্যেক অবাধ্য, আহাম্মক ও দাম্ভিক ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে। [৩৪৪৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن معبد بن خالد، قال سمعت حارثة بن وهب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ألا أنبئكم بأهل الجنة كل ضعيف متضعف ألا أنبئكم بأهل النار كل عتل جواظ مستكبر " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১১৭
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن صدقة بن عبد الله، عن إبراهيم بن مرة، عن أيوب بن سليمان، عن أبي أمامة، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن أغبط الناس عندي مؤمن خفيف الحاذ ذو حظ من صلاة غامض في الناس لا يؤبه له كان رزقه كفافا وصبر عليه عجلت منيته وقل تراثه وقلت بواكيه " .
আবূ উমামাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ লোকেদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা ঈর্ষণীয় হলো সেই মুমিন ব্যক্তি যার অবস্থা খুবই হালকা (স্বল্প সম্পদ ও ক্ষুদ্র পরিবার) এবং যে নামাযে মনোযোগী, মানুষের মাঝে অখ্যাত, তার কোন গুরুত্ব দেয়া হয় না,আর নূন্যতম প্রয়োজন মাফিক তার রিযিক এবং তাতেই ধৈর্য ধারণকারী। অচিরেই তার মৃত্যু হয়, তার পরিত্যক্ত সম্পদও কম এবং তার জন্য বিলাপকারীর সংখ্যাও কম। [৩৪৪৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আবূ উমামাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ লোকেদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা ঈর্ষণীয় হলো সেই মুমিন ব্যক্তি যার অবস্থা খুবই হালকা (স্বল্প সম্পদ ও ক্ষুদ্র পরিবার) এবং যে নামাযে মনোযোগী, মানুষের মাঝে অখ্যাত, তার কোন গুরুত্ব দেয়া হয় না,আর নূন্যতম প্রয়োজন মাফিক তার রিযিক এবং তাতেই ধৈর্য ধারণকারী। অচিরেই তার মৃত্যু হয়, তার পরিত্যক্ত সম্পদও কম এবং তার জন্য বিলাপকারীর সংখ্যাও কম। [৩৪৪৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن صدقة بن عبد الله، عن إبراهيم بن مرة، عن أيوب بن سليمان، عن أبي أمامة، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن أغبط الناس عندي مؤمن خفيف الحاذ ذو حظ من صلاة غامض في الناس لا يؤبه له كان رزقه كفافا وصبر عليه عجلت منيته وقل تراثه وقلت بواكيه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১১৮
حدثنا كثير بن عبيد الحمصي، حدثنا أيوب بن سويد، عن أسامة بن زيد، عن عبد الله بن أبي أمامة الحارثي، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " البذاذة من الإيمان " . قال البذاذة القشافة يعني التقشف .
আবূ উমামাহ আল-হারিসী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অনাড়ম্বর জীবন যাপনই ঈমান। রাবী বলেন, ‘বাযাযাহ’-এর অর্থ কাশাফাহ অর্থাৎ বিলাস-বাসনা ত্যাগ করা, সা‘দামাটা জীবন নির্বাহ করা। [৩৪৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ উমামাহ আল-হারিসী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অনাড়ম্বর জীবন যাপনই ঈমান। রাবী বলেন, ‘বাযাযাহ’-এর অর্থ কাশাফাহ অর্থাৎ বিলাস-বাসনা ত্যাগ করা, সা‘দামাটা জীবন নির্বাহ করা। [৩৪৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا كثير بن عبيد الحمصي، حدثنا أيوب بن سويد، عن أسامة بن زيد، عن عبد الله بن أبي أمامة الحارثي، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " البذاذة من الإيمان " . قال البذاذة القشافة يعني التقشف .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১১৯
حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا يحيى بن سليم، عن ابن خثيم، عن شهر بن حوشب، عن أسماء بنت يزيد، أنها سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " ألا أنبئكم بخياركم " . قالوا بلى يا رسول الله . قال " خياركم الذين إذا رءوا ذكر الله عز وجل " .
আসমা’ বিনতূ ইয়াযীদ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ আমি কি তোমাদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের কথা জানিয়ে দিবো না? তারা বলেন, হাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে তারাই শ্রেষ্ঠ যাদের দেখলে মহান আল্লাহর স্মরণ হয়। [৩৪৫১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আসমা’ বিনতূ ইয়াযীদ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ আমি কি তোমাদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের কথা জানিয়ে দিবো না? তারা বলেন, হাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে তারাই শ্রেষ্ঠ যাদের দেখলে মহান আল্লাহর স্মরণ হয়। [৩৪৫১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا يحيى بن سليم، عن ابن خثيم، عن شهر بن حوشب، عن أسماء بنت يزيد، أنها سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " ألا أنبئكم بخياركم " . قالوا بلى يا رسول الله . قال " خياركم الذين إذا رءوا ذكر الله عز وجل " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > গরীবদের ফাদীলাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২১
حدثنا عبيد الله بن يوسف الجبيري، حدثنا حماد بن عيسى، حدثنا موسى بن عبيدة، أخبرني القاسم بن مهران، عن عمران بن حصين، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن الله يحب عبده المؤمن الفقير المتعفف أبا العيال " .
ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর যে মুমিন বান্দা দরিদ্র ও অধিক সন্তানের পিতা হওয়া সত্ত্বেও যাচঞা করা থেকে বিরত থাকে, তিনি তাকে ভালোবাসেন। [৩৪৫৩] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর যে মুমিন বান্দা দরিদ্র ও অধিক সন্তানের পিতা হওয়া সত্ত্বেও যাচঞা করা থেকে বিরত থাকে, তিনি তাকে ভালোবাসেন। [৩৪৫৩] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا عبيد الله بن يوسف الجبيري، حدثنا حماد بن عيسى، حدثنا موسى بن عبيدة، أخبرني القاسم بن مهران، عن عمران بن حصين، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن الله يحب عبده المؤمن الفقير المتعفف أبا العيال " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২০
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، حدثني أبي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال مر على رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجل فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما تقولون في هذا الرجل قالوا رأيك في . هذا نقول هذا من أشراف الناس هذا حري إن خطب أن يخطب وإن شفع أن يشفع وإن قال أن يسمع لقوله . فسكت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ومر رجل آخر فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما تقولون في هذا " . قالوا نقول والله يا رسول الله هذا من فقراء المسلمين هذا حري إن خطب لم ينكح وإن شفع لا يشفع وإن قال لا يسمع لقوله فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لهذا خير من ملء الأرض مثل هذا " .
সাহল বিন সা‘দ আল-সাইদী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা এ লোকটি সম্পর্কে কী বলো? সাহাবীগণ বলেন, তার সম্পর্কে আপনার অভিমত হবে যথার্থ। আমরা বলি, সে সুপারিশ করলে তা মঞ্জুর করা হয়। সে কথা বললে তা শোনা হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকলেন। ইত্যবসরে আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে অতিক্রম করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমরা কী বলো? সাহাবীগণ বলেন, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা বলি যে, এ ব্যক্তি তো দীনহীন মুসলমানদের অন্তভূক্ত। সে এতই যোগ্য যে, সে বিবাহের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়, সুপারিশ করলে তা মঞ্জুর করা হয় না এবং কথা বললে তার কথায় কেউ কর্ণপাত করে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রথমোক্ত শ্রেণীর লোকের দ্বারা পৃথিবী ভরে গেলেও শেষোক্ত ব্যক্তি তাদের চেয়ে উত্তম। [৩৪৫২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
সাহল বিন সা‘দ আল-সাইদী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা এ লোকটি সম্পর্কে কী বলো? সাহাবীগণ বলেন, তার সম্পর্কে আপনার অভিমত হবে যথার্থ। আমরা বলি, সে সুপারিশ করলে তা মঞ্জুর করা হয়। সে কথা বললে তা শোনা হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকলেন। ইত্যবসরে আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে অতিক্রম করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমরা কী বলো? সাহাবীগণ বলেন, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা বলি যে, এ ব্যক্তি তো দীনহীন মুসলমানদের অন্তভূক্ত। সে এতই যোগ্য যে, সে বিবাহের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়, সুপারিশ করলে তা মঞ্জুর করা হয় না এবং কথা বললে তার কথায় কেউ কর্ণপাত করে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রথমোক্ত শ্রেণীর লোকের দ্বারা পৃথিবী ভরে গেলেও শেষোক্ত ব্যক্তি তাদের চেয়ে উত্তম। [৩৪৫২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، حدثني أبي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال مر على رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجل فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما تقولون في هذا الرجل قالوا رأيك في . هذا نقول هذا من أشراف الناس هذا حري إن خطب أن يخطب وإن شفع أن يشفع وإن قال أن يسمع لقوله . فسكت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ومر رجل آخر فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما تقولون في هذا " . قالوا نقول والله يا رسول الله هذا من فقراء المسلمين هذا حري إن خطب لم ينكح وإن شفع لا يشفع وإن قال لا يسمع لقوله فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لهذا خير من ملء الأرض مثل هذا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > দরিদ্রদের মর্যাদা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يدخل فقراء المؤمنين الجنة قبل الأغنياء بنصف يوم خمسمائة عام " .
আবূ হূরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দরিদ্র মুমিনগণ ধনীদের তুলনায় অর্ধদিন আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর অর্ধ দিনের পরিমাণ হবে পাঁচশত বছর। [৩৪৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হূরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দরিদ্র মুমিনগণ ধনীদের তুলনায় অর্ধদিন আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর অর্ধ দিনের পরিমাণ হবে পাঁচশত বছর। [৩৪৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يدخل فقراء المؤمنين الجنة قبل الأغنياء بنصف يوم خمسمائة عام " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يدخل فقراء المؤمنين الجنة قبل الأغنياء بنصف يوم خمسمائة عام " .
আবূ হূরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দরিদ্র মুমিনগণ ধনীদের তুলনায় অর্ধদিন আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর অর্ধ দিনের পরিমাণ হবে পাঁচশত বছর। [৩৪৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হূরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দরিদ্র মুমিনগণ ধনীদের তুলনায় অর্ধদিন আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর অর্ধ দিনের পরিমাণ হবে পাঁচশত বছর। [৩৪৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يدخل فقراء المؤمنين الجنة قبل الأغنياء بنصف يوم خمسمائة عام " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يدخل فقراء المؤمنين الجنة قبل الأغنياء بنصف يوم خمسمائة عام " .
আবূ হূরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দরিদ্র মুমিনগণ ধনীদের তুলনায় অর্ধদিন আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর অর্ধ দিনের পরিমাণ হবে পাঁচশত বছর। [৩৪৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
আবূ হূরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দরিদ্র মুমিনগণ ধনীদের তুলনায় অর্ধদিন আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর অর্ধ দিনের পরিমাণ হবে পাঁচশত বছর। [৩৪৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يدخل فقراء المؤمنين الجنة قبل الأغنياء بنصف يوم خمسمائة عام " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا بكر بن عبد الرحمن، حدثنا عيسى بن المختار، عن محمد بن أبي ليلى، عن عطية العوفي، عن أبي سعيد الخدري، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن فقراء المهاجرين يدخلون الجنة قبل أغنيائهم بمقدار خمسمائة سنة " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দরিদ্র মুহাজিরগণ তাদের বিত্তবানদের তুলনায় পাঁচ শত বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [৩৪৫৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দরিদ্র মুহাজিরগণ তাদের বিত্তবানদের তুলনায় পাঁচ শত বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [৩৪৫৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا بكر بن عبد الرحمن، حدثنا عيسى بن المختار، عن محمد بن أبي ليلى، عن عطية العوفي، عن أبي سعيد الخدري، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن فقراء المهاجرين يدخلون الجنة قبل أغنيائهم بمقدار خمسمائة سنة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২৪
حدثنا إسحاق بن منصور، أنبأنا أبو غسان، بهلول حدثنا موسى بن عبيدة، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، قال اشتكى فقراء المهاجرين إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما فضل الله به عليهم أغنياءهم فقال " يا معشر الفقراء ألا أبشركم أن فقراء المؤمنين يدخلون الجنة قبل أغنيائهم بنصف يوم خمسمائة عام " . ثم تلا موسى هذه الآية {وإن يوما عند ربك كألف سنة مما تعدون }
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তাআলা দরিদ্র মুহাজিরদের উপর তাদের ধনীদের যে মর্যাদা (সম্পদের প্রাচুর্য) দান করেছেন, তারা সে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আক্ষেপ প্রকাশ করেন। এতে তিনি বলেনঃ হে অভাবী সমাজ! আমি কি তোমাদেরকে এ সুসংবাদ দিবো না যে, দরিদ্র মুমিনগণ তাদের ধনীদের তুলনায় অর্ধ দিন অর্থাৎ পাঁচ শত বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে? অতঃপর মূসা বিন উবায়দা (রাঃ) এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) “তোমার প্রতিপালকের একদিন তোমাদের গণনার হাজার বছরের সমান" (সূরা হাজঃ ৪৭)। [৩৪৫৬] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তাআলা দরিদ্র মুহাজিরদের উপর তাদের ধনীদের যে মর্যাদা (সম্পদের প্রাচুর্য) দান করেছেন, তারা সে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আক্ষেপ প্রকাশ করেন। এতে তিনি বলেনঃ হে অভাবী সমাজ! আমি কি তোমাদেরকে এ সুসংবাদ দিবো না যে, দরিদ্র মুমিনগণ তাদের ধনীদের তুলনায় অর্ধ দিন অর্থাৎ পাঁচ শত বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে? অতঃপর মূসা বিন উবায়দা (রাঃ) এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) “তোমার প্রতিপালকের একদিন তোমাদের গণনার হাজার বছরের সমান" (সূরা হাজঃ ৪৭)। [৩৪৫৬] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا إسحاق بن منصور، أنبأنا أبو غسان، بهلول حدثنا موسى بن عبيدة، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، قال اشتكى فقراء المهاجرين إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما فضل الله به عليهم أغنياءهم فقال " يا معشر الفقراء ألا أبشركم أن فقراء المؤمنين يدخلون الجنة قبل أغنيائهم بنصف يوم خمسمائة عام " . ثم تلا موسى هذه الآية {وإن يوما عند ربك كألف سنة مما تعدون }
সুনানে ইবনে মাজাহ > দরিদ্রদের সাথে মেলামেশা করা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২৫
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم التيمي أبو يحيى، حدثنا إبراهيم أبو إسحاق المخزومي، عن المقبري، عن أبي هريرة، قال كان جعفر بن أبي طالب يحب المساكين ويجلس إليهم ويحدثهم ويحدثونه وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يكنيه أبا المساكين .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাফর বিন আবূ তালিব (রাঃ) ফকীর-মিসকীনদের মহব্বত করতেন, তাদের সাথে ওঠাবসা করতেন এবং তাদের সাথে আলাপ করতেন। আর তারাও তার সাথে আলাপ-আলোচনা করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আবুল মাসাকীন (দরিদ্রদের পিতা) উপাধি দেন। [৩৪৫৭] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাফর বিন আবূ তালিব (রাঃ) ফকীর-মিসকীনদের মহব্বত করতেন, তাদের সাথে ওঠাবসা করতেন এবং তাদের সাথে আলাপ করতেন। আর তারাও তার সাথে আলাপ-আলোচনা করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আবুল মাসাকীন (দরিদ্রদের পিতা) উপাধি দেন। [৩৪৫৭] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم التيمي أبو يحيى، حدثنا إبراهيم أبو إسحاق المخزومي، عن المقبري، عن أبي هريرة، قال كان جعفر بن أبي طالب يحب المساكين ويجلس إليهم ويحدثهم ويحدثونه وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يكنيه أبا المساكين .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن يزيد بن سنان، عن أبي المبارك، عن عطاء، عن أبي سعيد الخدري، قال أحبوا المساكين فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول في دعائه " اللهم أحيني مسكينا وأمتني مسكينا واحشرني في زمرة المساكين " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
তোমরা মিসকীনদের মহব্বত করবে। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তার দুআ’য় বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মিসকীনরূপে জীবিত রাখো, মিসকীনরূপে মৃত্যুদান করো এবং মিসকীনদের দলভুক্ত করে হাশরের ময়দানে উত্থিত করো ”। [৩৪৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
তোমরা মিসকীনদের মহব্বত করবে। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তার দুআ’য় বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মিসকীনরূপে জীবিত রাখো, মিসকীনরূপে মৃত্যুদান করো এবং মিসকীনদের দলভুক্ত করে হাশরের ময়দানে উত্থিত করো ”। [৩৪৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن يزيد بن سنان، عن أبي المبارك، عن عطاء، عن أبي سعيد الخدري، قال أحبوا المساكين فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول في دعائه " اللهم أحيني مسكينا وأمتني مسكينا واحشرني في زمرة المساكين " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২৮
حدثنا يحيى بن حكيم، حدثنا أبو داود، حدثنا قيس بن الربيع، عن المقدام بن شريح، عن أبيه، عن سعد، قال نزلت هذه الآية فينا ستة في وفي ابن مسعود وصهيب وعمار والمقداد وبلال . قال قالت قريش لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إنا لا نرضى أن نكون أتباعا لهم فاطردهم عنك . قال فدخل قلب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من ذلك ما شاء الله أن يدخل فأنزل الله عز وجل {ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه} الآية .
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এ আয়াত আমাদের ছ’জন সম্পর্কে নাজিল হয়েছেঃ আমি, বিন মাসঊদ, সুহাইব, আম্মার, মিকদাদ ও বিলাল (রাঃ)। কুরাইশরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললো, আমরা এসব লোকের সাথে বসতে সম্মত নই। আপনি এদেরকে আপনার নিকট থেকে তাড়িয়ে দিন। রাবী বলেন, এ কথা শোনার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অন্তরে আল্লাহর মর্জি একটা ধারণার উদয় হলো। তখন মহান আল্লাহ এই আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) : “যারা তাদের রবকে সকাল-সন্ধ্যায় ডাকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের জন্য তাদের তুমি তাড়িয়ে দিও না। তাদের কাজের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কাজের জবাবদিহির দায়িত্বও তাদের নয় যে, তুমি তাদের বিতাড়িত করবে, করলে তুমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে" (সূরা আনআমঃ ৫২)। [৩৪৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এ আয়াত আমাদের ছ’জন সম্পর্কে নাজিল হয়েছেঃ আমি, বিন মাসঊদ, সুহাইব, আম্মার, মিকদাদ ও বিলাল (রাঃ)। কুরাইশরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললো, আমরা এসব লোকের সাথে বসতে সম্মত নই। আপনি এদেরকে আপনার নিকট থেকে তাড়িয়ে দিন। রাবী বলেন, এ কথা শোনার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অন্তরে আল্লাহর মর্জি একটা ধারণার উদয় হলো। তখন মহান আল্লাহ এই আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) : “যারা তাদের রবকে সকাল-সন্ধ্যায় ডাকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের জন্য তাদের তুমি তাড়িয়ে দিও না। তাদের কাজের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কাজের জবাবদিহির দায়িত্বও তাদের নয় যে, তুমি তাদের বিতাড়িত করবে, করলে তুমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে" (সূরা আনআমঃ ৫২)। [৩৪৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا يحيى بن حكيم، حدثنا أبو داود، حدثنا قيس بن الربيع، عن المقدام بن شريح، عن أبيه، عن سعد، قال نزلت هذه الآية فينا ستة في وفي ابن مسعود وصهيب وعمار والمقداد وبلال . قال قالت قريش لرسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إنا لا نرضى أن نكون أتباعا لهم فاطردهم عنك . قال فدخل قلب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من ذلك ما شاء الله أن يدخل فأنزل الله عز وجل {ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه} الآية .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪১২৭
حدثنا أحمد بن محمد بن يحيى بن سعيد القطان، حدثنا عمرو بن محمد العنقزي، حدثنا أسباط بن نصر، عن السدي، عن أبي سعد الأزدي، وكان، قارئ الأزد عن أبي الكنود، عن خباب، في قوله تعالى {ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي} إلى قوله {فتكون من الظالمين} قال جاء الأقرع بن حابس التميمي وعيينة بن حصن الفزاري فوجدوا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ مع صهيب وبلال وعمار وخباب قاعدا في ناس من الضعفاء من المؤمنين فلما رأوهم حول النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ حقروهم فأتوه فخلوا به وقالوا إنا نريد أن تجعل لنا منك مجلسا تعرف لنا به العرب فضلنا فإن وفود العرب تأتيك فنستحيي أن ترانا العرب مع هذه الأعبد فإذا نحن جئناك فأقمهم عنك فإذا نحن فرغنا فاقعد معهم إن شئت . قال " نعم " . قالوا فاكتب لنا عليك كتابا . قال فدعا بصحيفة ودعا عليا ليكتب ونحن قعود في ناحية فنزل جبرائيل عليه السلام فقال {ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه ما عليك من حسابهم من شىء وما من حسابك عليهم من شىء فتطردهم فتكون من الظالمين} ثم ذكر الأقرع بن حابس وعيينة بن حصن فقال {وكذلك فتنا بعضهم ببعض ليقولوا أهؤلاء من الله عليهم من بيننا أليس الله بأعلم بالشاكرين} . ثم قال {وإذا جاءك الذين يؤمنون بآياتنا فقل سلام عليكم كتب ربكم على نفسه الرحمة } . قال فدنونا منه حتى وضعنا ركبنا على ركبته وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يجلس معنا فإذا أراد أن يقوم قام وتركنا فأنزل الله {واصبر نفسك مع الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه ولا تعد عيناك عنهم} ولا تجالس الأشراف {تريد زينة الحياة الدنيا ولا تطع من أغفلنا قلبه عن ذكرنا} - يعني عيينة والأقرع - {واتبع هواه وكان أمره فرطا } - قال هلاكا - قال أمر عيينة والأقرع . ثم ضرب لهم مثل الرجلين ومثل الحياة الدنيا . قال خباب فكنا نقعد مع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فإذا بلغنا الساعة التي يقوم فيها قمنا وتركناه حتى يقوم .
খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর বাণী (অনুবাদ) “যারা তাদের প্রতিপালককে সকালে ও সন্ধ্যায় তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ডাকে তাদেরকে তুমি তাড়িয়ে দিও না। তাদের কাজের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কোন কাজের জবাবদিহির দায়িত্বও তাদের নয় যে, তুমি তাদের বিতাড়িত করবে, করলে তুমি যালেমদের অন্তর্ভূক্ত হবে” (সূরা আনআমঃ ৫২)। তিনি উক্ত আয়াত সম্পর্কে বলেন, আকরা বিন হাবিস আত-তামীমী ও উইয়ায়নাহ বিন হিসন আল-ফাযারী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলো। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সুহায়ব, বিলাল, আম্মার ও খাব্বাব ( প্রমুখ দরিদ্র অসহায় মুমিনদের সাথে বসা দেখলো। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চারপাশে তাদের উপবিষ্ট দেখে তাদেরকে হেয় জ্ঞান করলো। তারা তাঁর সান্নিধ্যে এসে একান্তে তাকে বললো, আমরা চাই যে, আপনি আপনার সাথে আমাদের বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করবেন, যাতে আরবরা আমাদের মর্যাদা উপলব্ধি করতে পারে। কেননা আপনার নিকট আরবের প্রতিনিধিদলসমূহ আসে। এই দাসদের সাথে আরবরা আমাদেরকে উপবিষ্ট দেখলে তাতে আমরা লজ্জাবোধ করি। অতএব আমরা যখন আপনার নিকট আসবো তখন আপনি এদেরকে আপনার নিকট থেকে উঠিয়ে দিবেন। আমরা আপনার নিকট থেকে বিদায় নেয়ার পর আপনি ইচ্ছা করলে তাদের সাথে বসুন। তিনি বলেনঃ আচ্ছা! দেখা যাক। তারা বললো, আপনি আমাদের জন্য একটি চুক্তিপত্র লিখিয়ে দিন। রাবী বলেন, তিনি কাগজ আনালেন এবং আলী (রাঃ) কে লেখার জন্য ডাকলেন। আমরা এক পাশে বসা ছিলাম। ইত্যবসরে জিবরীল (আ.) এই আয়াত নিয়ে অবতরণ করলেন (অনুবাদ) “যারা তাদের রবকে সকাল-সন্ধ্যায় ডাকে তার সন্তুষ্টি লাভের জন্য তাদের তুমি তাড়িয়ে দিও না। তাদের কাজের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কাজের জবাবদিহির দায়িত্বও তাদের নয় যে, তুমি তাদের বিতাড়িত করবে। করলে তুমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে “(সূরা আনআমঃ ৫২)। অতঃপর আল্লাহ তাআলা আকরা বিন হাবেস ও উয়াইনা বিন হিসন-এর সম্পর্কে নাযিল করেন (অনুবাদ) “এভাবেই আমি তাদের এক দলকে অন্য দল দ্বারা পরীক্ষা করেছি, যেন তারা বলে, আমাদের মধ্যে কি এদের প্রতিই আল্লাহ অনুগ্রহ করলেন? আল্লাহ কি কৃতজ্ঞ লোকেদের সম্পর্কে বিশেষ অবহিত নন?" (সূরা আনআমঃ ৫৩) অতঃপর আল্লাহ বলেন, “যারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে তারা যখন তোমার নিকট আসে, তখন তুমি তাদের বলোঃ তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। তোমাদের প্রতিপালক দয়া করা তার কর্তব্য বলে স্থির করেছেন" (সূরা আনআমঃ ৫৪)। রাবী বলেন, এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর আমরা তাঁর এতো নিকটবতী হলাম যে, আমাদের হাঁটু তাঁর হাঁটুর সাথে লাগিয়ে বসলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে বসতেন এবং যখন উঠে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন আমাদের ছেড়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। তখন আল্লাহ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) “তুমি নিজেকে ধৈর্য সহকারে রাখবে তাদের সংসর্গে যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের প্রতিপালককে ডাকে তাঁর সন্তোষ লাভের আশায় এবং তুমি পার্থিব জীবনের শোভা কামনা করে তাদের থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না” (সূরা কাহ্ফঃ ২৮) আর তুমি অভিজাতদের সাথে বসো না এবং যার চিত্তকে আমি আমার স্মরণে অমনোযোগী করে দিয়েছি তার অনুসরণ করো না। যে নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং কাজেকর্মে সীমা অতিক্রম করে (অর্থাৎ উয়াইনা ও আকরা) তার কৃতকর্ম বরবাদ হয়েছে। অতঃপর তিনি তাদের সামনে দু ব্যক্তির দৃষ্টান্ত ও পার্থিব জীবনের উপমা পেশ করেন (সূরা কাহফের ৩২ নং ও ৪৫ নং আয়াত দ্রঃ) খাব্বাব (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বসতাম। যখন তাঁর উঠার সময় হতো তখন আমরা তাঁর আগে উঠে যেতাম, অতঃপর তিনি উঠতেন। [৩৪৫৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর বাণী (অনুবাদ) “যারা তাদের প্রতিপালককে সকালে ও সন্ধ্যায় তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ডাকে তাদেরকে তুমি তাড়িয়ে দিও না। তাদের কাজের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কোন কাজের জবাবদিহির দায়িত্বও তাদের নয় যে, তুমি তাদের বিতাড়িত করবে, করলে তুমি যালেমদের অন্তর্ভূক্ত হবে” (সূরা আনআমঃ ৫২)। তিনি উক্ত আয়াত সম্পর্কে বলেন, আকরা বিন হাবিস আত-তামীমী ও উইয়ায়নাহ বিন হিসন আল-ফাযারী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলো। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সুহায়ব, বিলাল, আম্মার ও খাব্বাব ( প্রমুখ দরিদ্র অসহায় মুমিনদের সাথে বসা দেখলো। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চারপাশে তাদের উপবিষ্ট দেখে তাদেরকে হেয় জ্ঞান করলো। তারা তাঁর সান্নিধ্যে এসে একান্তে তাকে বললো, আমরা চাই যে, আপনি আপনার সাথে আমাদের বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করবেন, যাতে আরবরা আমাদের মর্যাদা উপলব্ধি করতে পারে। কেননা আপনার নিকট আরবের প্রতিনিধিদলসমূহ আসে। এই দাসদের সাথে আরবরা আমাদেরকে উপবিষ্ট দেখলে তাতে আমরা লজ্জাবোধ করি। অতএব আমরা যখন আপনার নিকট আসবো তখন আপনি এদেরকে আপনার নিকট থেকে উঠিয়ে দিবেন। আমরা আপনার নিকট থেকে বিদায় নেয়ার পর আপনি ইচ্ছা করলে তাদের সাথে বসুন। তিনি বলেনঃ আচ্ছা! দেখা যাক। তারা বললো, আপনি আমাদের জন্য একটি চুক্তিপত্র লিখিয়ে দিন। রাবী বলেন, তিনি কাগজ আনালেন এবং আলী (রাঃ) কে লেখার জন্য ডাকলেন। আমরা এক পাশে বসা ছিলাম। ইত্যবসরে জিবরীল (আ.) এই আয়াত নিয়ে অবতরণ করলেন (অনুবাদ) “যারা তাদের রবকে সকাল-সন্ধ্যায় ডাকে তার সন্তুষ্টি লাভের জন্য তাদের তুমি তাড়িয়ে দিও না। তাদের কাজের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কাজের জবাবদিহির দায়িত্বও তাদের নয় যে, তুমি তাদের বিতাড়িত করবে। করলে তুমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে “(সূরা আনআমঃ ৫২)। অতঃপর আল্লাহ তাআলা আকরা বিন হাবেস ও উয়াইনা বিন হিসন-এর সম্পর্কে নাযিল করেন (অনুবাদ) “এভাবেই আমি তাদের এক দলকে অন্য দল দ্বারা পরীক্ষা করেছি, যেন তারা বলে, আমাদের মধ্যে কি এদের প্রতিই আল্লাহ অনুগ্রহ করলেন? আল্লাহ কি কৃতজ্ঞ লোকেদের সম্পর্কে বিশেষ অবহিত নন?" (সূরা আনআমঃ ৫৩) অতঃপর আল্লাহ বলেন, “যারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে তারা যখন তোমার নিকট আসে, তখন তুমি তাদের বলোঃ তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। তোমাদের প্রতিপালক দয়া করা তার কর্তব্য বলে স্থির করেছেন" (সূরা আনআমঃ ৫৪)। রাবী বলেন, এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর আমরা তাঁর এতো নিকটবতী হলাম যে, আমাদের হাঁটু তাঁর হাঁটুর সাথে লাগিয়ে বসলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে বসতেন এবং যখন উঠে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন আমাদের ছেড়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। তখন আল্লাহ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) “তুমি নিজেকে ধৈর্য সহকারে রাখবে তাদের সংসর্গে যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের প্রতিপালককে ডাকে তাঁর সন্তোষ লাভের আশায় এবং তুমি পার্থিব জীবনের শোভা কামনা করে তাদের থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না” (সূরা কাহ্ফঃ ২৮) আর তুমি অভিজাতদের সাথে বসো না এবং যার চিত্তকে আমি আমার স্মরণে অমনোযোগী করে দিয়েছি তার অনুসরণ করো না। যে নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং কাজেকর্মে সীমা অতিক্রম করে (অর্থাৎ উয়াইনা ও আকরা) তার কৃতকর্ম বরবাদ হয়েছে। অতঃপর তিনি তাদের সামনে দু ব্যক্তির দৃষ্টান্ত ও পার্থিব জীবনের উপমা পেশ করেন (সূরা কাহফের ৩২ নং ও ৪৫ নং আয়াত দ্রঃ) খাব্বাব (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বসতাম। যখন তাঁর উঠার সময় হতো তখন আমরা তাঁর আগে উঠে যেতাম, অতঃপর তিনি উঠতেন। [৩৪৫৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أحمد بن محمد بن يحيى بن سعيد القطان، حدثنا عمرو بن محمد العنقزي، حدثنا أسباط بن نصر، عن السدي، عن أبي سعد الأزدي، وكان، قارئ الأزد عن أبي الكنود، عن خباب، في قوله تعالى {ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي} إلى قوله {فتكون من الظالمين} قال جاء الأقرع بن حابس التميمي وعيينة بن حصن الفزاري فوجدوا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ مع صهيب وبلال وعمار وخباب قاعدا في ناس من الضعفاء من المؤمنين فلما رأوهم حول النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ حقروهم فأتوه فخلوا به وقالوا إنا نريد أن تجعل لنا منك مجلسا تعرف لنا به العرب فضلنا فإن وفود العرب تأتيك فنستحيي أن ترانا العرب مع هذه الأعبد فإذا نحن جئناك فأقمهم عنك فإذا نحن فرغنا فاقعد معهم إن شئت . قال " نعم " . قالوا فاكتب لنا عليك كتابا . قال فدعا بصحيفة ودعا عليا ليكتب ونحن قعود في ناحية فنزل جبرائيل عليه السلام فقال {ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه ما عليك من حسابهم من شىء وما من حسابك عليهم من شىء فتطردهم فتكون من الظالمين} ثم ذكر الأقرع بن حابس وعيينة بن حصن فقال {وكذلك فتنا بعضهم ببعض ليقولوا أهؤلاء من الله عليهم من بيننا أليس الله بأعلم بالشاكرين} . ثم قال {وإذا جاءك الذين يؤمنون بآياتنا فقل سلام عليكم كتب ربكم على نفسه الرحمة } . قال فدنونا منه حتى وضعنا ركبنا على ركبته وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يجلس معنا فإذا أراد أن يقوم قام وتركنا فأنزل الله {واصبر نفسك مع الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه ولا تعد عيناك عنهم} ولا تجالس الأشراف {تريد زينة الحياة الدنيا ولا تطع من أغفلنا قلبه عن ذكرنا} - يعني عيينة والأقرع - {واتبع هواه وكان أمره فرطا } - قال هلاكا - قال أمر عيينة والأقرع . ثم ضرب لهم مثل الرجلين ومثل الحياة الدنيا . قال خباب فكنا نقعد مع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فإذا بلغنا الساعة التي يقوم فيها قمنا وتركناه حتى يقوم .