সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ” বলে, তার উপর হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯২৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، وحفص بن غياث، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا قالوها عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله عز وجل ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যাবত না তারা বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই)। তারা এটা বললে আমার থেকে তাদের জানমালের নিরাপত্তা লাভ করলো। কিন্তু দ্বীন ইসলামের অধিকারের বিষয়টি স্বতন্ত্র। তাদের চূড়ান্ত হিসাব গ্রহণের ভার আল্লাহর উপর ন্যস্ত। [৩২৫৯]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যাবত না তারা বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই)। তারা এটা বললে আমার থেকে তাদের জানমালের নিরাপত্তা লাভ করলো। কিন্তু দ্বীন ইসলামের অধিকারের বিষয়টি স্বতন্ত্র। তাদের চূড়ান্ত হিসাব গ্রহণের ভার আল্লাহর উপর ন্যস্ত। [৩২৫৯]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، وحفص بن غياث، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا قالوها عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله عز وجل ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯২৮

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا قالوا لا إله إلا الله عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” না বলা পর্যন্ত আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। তারা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বললে আমার থেকে তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করলো। কিন্তু দ্বীন ইসলামের অধিকারের বিষয়টি স্বতন্ত্র। তাদের চূড়ান্ত হিসাব গ্রহণের বিষয়টি আল্লাহর উপর ন্যস্ত। [৩২৬০]

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” না বলা পর্যন্ত আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। তারা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বললে আমার থেকে তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করলো। কিন্তু দ্বীন ইসলামের অধিকারের বিষয়টি স্বতন্ত্র। তাদের চূড়ান্ত হিসাব গ্রহণের বিষয়টি আল্লাহর উপর ন্যস্ত। [৩২৬০]

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا قالوا لا إله إلا الله عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯২৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن بكر السهمي، حدثنا حاتم بن أبي صغيرة، عن النعمان بن سالم، أن عمرو بن أوس، أخبره أن أباه أوسا أخبره قال إنا لقعود عند النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو يقص علينا ويذكرنا إذ أتاه رجل فساره فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ اذهبوا به فاقتلوه ‏"‏ ‏.‏ فلما ولى الرجل دعاه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ هل تشهد أن لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏ قال نعم قال ‏"‏ اذهبوا فخلوا سبيله فإنما أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا فعلوا ذلك حرم على دماؤهم وأموالهم ‏"‏ ‏.‏

আওস বিন হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি আমাদেরকে (অতীতের) ঘটনাবলী উল্লেখপূর্বক উপদেশ দিচ্ছিলেন। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁর সাথে একান্তে কিছু বললো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা তাকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করো। লোকটি ফিরে গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, "আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই”? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ যাও, তোমরা তাকে তার পথে ছেড়ে দাও। কারণ লোকেরা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” না বলা পর্যন্ত আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা তাই করলে তাদের জান-মালে হস্তক্ষেপ আমার জন্য হারাম হয়ে গেলো। [৩২৬১]

আওস বিন হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি আমাদেরকে (অতীতের) ঘটনাবলী উল্লেখপূর্বক উপদেশ দিচ্ছিলেন। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁর সাথে একান্তে কিছু বললো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা তাকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করো। লোকটি ফিরে গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, "আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই”? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ যাও, তোমরা তাকে তার পথে ছেড়ে দাও। কারণ লোকেরা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” না বলা পর্যন্ত আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা তাই করলে তাদের জান-মালে হস্তক্ষেপ আমার জন্য হারাম হয়ে গেলো। [৩২৬১]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن بكر السهمي، حدثنا حاتم بن أبي صغيرة، عن النعمان بن سالم، أن عمرو بن أوس، أخبره أن أباه أوسا أخبره قال إنا لقعود عند النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو يقص علينا ويذكرنا إذ أتاه رجل فساره فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ اذهبوا به فاقتلوه ‏"‏ ‏.‏ فلما ولى الرجل دعاه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ هل تشهد أن لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏ قال نعم قال ‏"‏ اذهبوا فخلوا سبيله فإنما أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا فعلوا ذلك حرم على دماؤهم وأموالهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩০

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن عاصم، عن السميط بن السمير، عن عمران بن الحصين، قال أتى نافع بن الأزرق وأصحابه فقالوا هلكت يا عمران ‏.‏ قال ما هلكت ‏.‏ قالوا بلى ‏.‏ قال ما الذي أهلكني قالوا قال الله ‏{وقاتلوهم حتى لا تكون فتنة ويكون الدين كله لله}‏ ‏.‏ قال قد قاتلناهم حتى نفيناهم فكان الدين كله لله إن شئتم حدثتكم حديثا سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ قالوا وأنت سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ قال نعم شهدت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وقد بعث جيشا من المسلمين إلى المشركين فلما لقوهم قاتلوهم قتالا شديدا فمنحوهم أكتافهم فحمل رجل من لحمتي على رجل من المشركين بالرمح فلما غشيه قال أشهد أن لا إله إلا الله إني مسلم فطعنه فقتله فأتى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله هلكت قال ‏"‏ وما الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ مرة أو مرتين فأخبره بالذي صنع فقال له رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ فهلا شققت عن بطنه فعلمت ما في قلبه ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله لو شققت بطنه أكنت أعلم ما في قلبه قال ‏"‏ فلا أنت قبلت ما تكلم به ولا أنت تعلم ما في قلبه ‏"‏ ‏.‏ قال فسكت عنه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فلم يلبث إلا يسيرا حتى مات فدفناه فأصبح على ظهر الأرض فقالوا لعل عدوا نبشه فدفناه ثم أمرنا غلماننا يحرسونه فأصبح على ظهر الأرض فقلنا لعل الغلمان نعسوا فدفناه ثم حرسناه بأنفسنا فأصبح على ظهر الأرض فألقيناه في بعض تلك الشعاب ‏.‏

ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাফে ইবনুল আযরাক (রাঃ) ও তার সাথীরা (আমার নিকট) এসে বললো, হে ইমরান! তুমি ধ্বংস হয়ে গেছো। তিনি বলেন, আমি ধ্বংস হইনি। তারা বলেন, আল্লাহ বলেছেনঃ “তোমরা তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে থাকো যতক্ষণ না ফেতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়” (৮:৩৯)। তিনি বলেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে এতটা যুদ্ধ করেছি যে, তাদেরকে নির্বাসিত করেছি। ফলে আল্লাহর দ্বীন সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তোমরা চাইলে আমি তোমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করতে পারি, যা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি। তারা বলেন, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা শুনেছেন? তিনি বলেন, হা, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি একটি সামরিক বাহিনী মুশরিকদের বিরুদ্ধে পাঠালেন। মুসলমানরা তাদের মোকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে ঘোরতর যুদ্ধে লিপ্ত হলো। মুশরিকরা পরাজিত হয়ে আত্মসমর্পণ করলো। আমার এক বন্ধু যুদ্ধে লিপ্ত হলো। মুশরিকের উপর বর্শা দ্বারা হামলা করলো, তিনি তাকে পাকড়াও করলে সে বলতে লাগলো, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ। নিশ্চয় আমি একজন মুসলিম। তিনি তাকে ভৎসনা করলেন এবং তাকে হত্যা করলেন। অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে একবার বা দু’বার বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। অতঃপর তিনি যা করেছেন তা তার নিকট বর্ণনা করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেনঃ তুমি তার পেট চিরে দেখলে না কেন? তাহলে তো তুমি তার অন্তরের খবর জানতে পারতে তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তার পেট চিরে ফেললেও তার অন্তরের খবর জানতে পারতাম না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি তার উচ্চারিত স্বীকারোক্তি কেন কবুল করলে না, অথচ তুমি তার অন্তরের খবর জানতে না? ইমরান (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ নীরব থাকলেন। অবশেষে লোকটি মারা গেলে আমরা তাকে দাফন করলাম। ভোরে উঠে আমরা দেখলাম যে, তার লাশ কবরের বাইরে যমীনের উপরে পড়ে আছে। তারা বললেন, হয়ত কোন শক্র কবর খুঁড়ে একে বের করে তুলে রেখেছে। অতঃপর আমরা তাকে আবার দাফন করলাম এবং আমাদের যুবকদের তার কবর পাহারা দিতে নির্দেশ দিলাম। আমরা পরদিন ভোরবেলা দেখতে পেলাম যে, তার লাশ কবরের বাইরে যমীনের উপর পড়ে আছে। আমরা বললাম, হয়ত প্রহরীরা তন্দ্রাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। আমরা পুনরায় তাকে দাফন করলাম এবং নিজেরাই প্রহরায় রত হলাম। প্রত্যুষে আমরা দেখলাম, সে কবরের বাইরে যমীনের উপর পড়ে আছে। অবশেষে আমরা তাকে এক গিরিসংকটে নিক্ষেপ করলাম। উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ ৫/৩৯৩০(১) ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ) তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এক ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তাতে এক মুসলমান এক মুশরিকের উপর চড়াও হলো। অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন ..। এ বর্ণনায় আরো আছেঃ যমীন তাকে উৎক্ষিপ্ত করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খবর দেয়া হলো। তিনি বলেনঃ যমীন তো অবশ্যি তার চেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তিকেও গ্রহণ করে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তোমাদের দেখাতে চান যে, "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর মর্যাদা ও মাহাত্ন্য কত বেশী।[৩২৬২] তাহকীক আলবানীঃ ইমরান এর [আরবী] কথাটি হাসান; যা পরবর্তী হাদীস ৩৯৩১ নং এর মাঝে আসবে। এবং ইমরান এর [আরবী] এ কথাটি ও হাসান যা পূর্ববর্তী হাদীস ৩৯২৯ নং হাদীসে অতিবাহিত হয়েছে।

ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাফে ইবনুল আযরাক (রাঃ) ও তার সাথীরা (আমার নিকট) এসে বললো, হে ইমরান! তুমি ধ্বংস হয়ে গেছো। তিনি বলেন, আমি ধ্বংস হইনি। তারা বলেন, আল্লাহ বলেছেনঃ “তোমরা তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে থাকো যতক্ষণ না ফেতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়” (৮:৩৯)। তিনি বলেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে এতটা যুদ্ধ করেছি যে, তাদেরকে নির্বাসিত করেছি। ফলে আল্লাহর দ্বীন সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তোমরা চাইলে আমি তোমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করতে পারি, যা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি। তারা বলেন, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা শুনেছেন? তিনি বলেন, হা, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি একটি সামরিক বাহিনী মুশরিকদের বিরুদ্ধে পাঠালেন। মুসলমানরা তাদের মোকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে ঘোরতর যুদ্ধে লিপ্ত হলো। মুশরিকরা পরাজিত হয়ে আত্মসমর্পণ করলো। আমার এক বন্ধু যুদ্ধে লিপ্ত হলো। মুশরিকের উপর বর্শা দ্বারা হামলা করলো, তিনি তাকে পাকড়াও করলে সে বলতে লাগলো, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ। নিশ্চয় আমি একজন মুসলিম। তিনি তাকে ভৎসনা করলেন এবং তাকে হত্যা করলেন। অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে একবার বা দু’বার বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। অতঃপর তিনি যা করেছেন তা তার নিকট বর্ণনা করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেনঃ তুমি তার পেট চিরে দেখলে না কেন? তাহলে তো তুমি তার অন্তরের খবর জানতে পারতে তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তার পেট চিরে ফেললেও তার অন্তরের খবর জানতে পারতাম না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি তার উচ্চারিত স্বীকারোক্তি কেন কবুল করলে না, অথচ তুমি তার অন্তরের খবর জানতে না? ইমরান (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ নীরব থাকলেন। অবশেষে লোকটি মারা গেলে আমরা তাকে দাফন করলাম। ভোরে উঠে আমরা দেখলাম যে, তার লাশ কবরের বাইরে যমীনের উপরে পড়ে আছে। তারা বললেন, হয়ত কোন শক্র কবর খুঁড়ে একে বের করে তুলে রেখেছে। অতঃপর আমরা তাকে আবার দাফন করলাম এবং আমাদের যুবকদের তার কবর পাহারা দিতে নির্দেশ দিলাম। আমরা পরদিন ভোরবেলা দেখতে পেলাম যে, তার লাশ কবরের বাইরে যমীনের উপর পড়ে আছে। আমরা বললাম, হয়ত প্রহরীরা তন্দ্রাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। আমরা পুনরায় তাকে দাফন করলাম এবং নিজেরাই প্রহরায় রত হলাম। প্রত্যুষে আমরা দেখলাম, সে কবরের বাইরে যমীনের উপর পড়ে আছে। অবশেষে আমরা তাকে এক গিরিসংকটে নিক্ষেপ করলাম। উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ ৫/৩৯৩০(১) ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ) তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এক ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তাতে এক মুসলমান এক মুশরিকের উপর চড়াও হলো। অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন ..। এ বর্ণনায় আরো আছেঃ যমীন তাকে উৎক্ষিপ্ত করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খবর দেয়া হলো। তিনি বলেনঃ যমীন তো অবশ্যি তার চেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তিকেও গ্রহণ করে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তোমাদের দেখাতে চান যে, "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর মর্যাদা ও মাহাত্ন্য কত বেশী।[৩২৬২] তাহকীক আলবানীঃ ইমরান এর [আরবী] কথাটি হাসান; যা পরবর্তী হাদীস ৩৯৩১ নং এর মাঝে আসবে। এবং ইমরান এর [আরবী] এ কথাটি ও হাসান যা পূর্ববর্তী হাদীস ৩৯২৯ নং হাদীসে অতিবাহিত হয়েছে।

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن عاصم، عن السميط بن السمير، عن عمران بن الحصين، قال أتى نافع بن الأزرق وأصحابه فقالوا هلكت يا عمران ‏.‏ قال ما هلكت ‏.‏ قالوا بلى ‏.‏ قال ما الذي أهلكني قالوا قال الله ‏{وقاتلوهم حتى لا تكون فتنة ويكون الدين كله لله}‏ ‏.‏ قال قد قاتلناهم حتى نفيناهم فكان الدين كله لله إن شئتم حدثتكم حديثا سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ قالوا وأنت سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ قال نعم شهدت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وقد بعث جيشا من المسلمين إلى المشركين فلما لقوهم قاتلوهم قتالا شديدا فمنحوهم أكتافهم فحمل رجل من لحمتي على رجل من المشركين بالرمح فلما غشيه قال أشهد أن لا إله إلا الله إني مسلم فطعنه فقتله فأتى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله هلكت قال ‏"‏ وما الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ مرة أو مرتين فأخبره بالذي صنع فقال له رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ فهلا شققت عن بطنه فعلمت ما في قلبه ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله لو شققت بطنه أكنت أعلم ما في قلبه قال ‏"‏ فلا أنت قبلت ما تكلم به ولا أنت تعلم ما في قلبه ‏"‏ ‏.‏ قال فسكت عنه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فلم يلبث إلا يسيرا حتى مات فدفناه فأصبح على ظهر الأرض فقالوا لعل عدوا نبشه فدفناه ثم أمرنا غلماننا يحرسونه فأصبح على ظهر الأرض فقلنا لعل الغلمان نعسوا فدفناه ثم حرسناه بأنفسنا فأصبح على ظهر الأرض فألقيناه في بعض تلك الشعاب ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > মুমিন ব্যক্তির জান-মালের নিরাপত্তা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩২

حدثنا أبو القاسم بن أبي ضمرة، نصر بن محمد بن سليمان الحمصي حدثنا أبي، حدثنا عبد الله بن أبي قيس النصري، حدثنا عبد الله بن عمر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يطوف بالكعبة ويقول ‏ "‏ ما أطيبك وأطيب ريحك ما أعظمك وأعظم حرمتك والذي نفس محمد بيده لحرمة المؤمن أعظم عند الله حرمة منك ماله ودمه وأن نظن به إلا خيرا ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে কাবা ঘর তাওয়াফ করতে দেখলাম এবং তিনি বলছিলেনঃ কত উত্তম তুমি হে কাবা! আকর্ষণীয় তোমার খোশবু, কত উচ্চ মর্যাদা তোমার (হে কাবা)! কত মহান সম্মান তোমার। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! আল্লাহর নিকট মুমিন ব্যক্তির জান-মাল ও ইজ্জতের মর্যাদা তোমার চেয়ে অনেক বেশী। আমরা মুমিন ব্যক্তি সম্পর্কে সুধারণাই পোষণ করি। [৩২৬৪]

আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে কাবা ঘর তাওয়াফ করতে দেখলাম এবং তিনি বলছিলেনঃ কত উত্তম তুমি হে কাবা! আকর্ষণীয় তোমার খোশবু, কত উচ্চ মর্যাদা তোমার (হে কাবা)! কত মহান সম্মান তোমার। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! আল্লাহর নিকট মুমিন ব্যক্তির জান-মাল ও ইজ্জতের মর্যাদা তোমার চেয়ে অনেক বেশী। আমরা মুমিন ব্যক্তি সম্পর্কে সুধারণাই পোষণ করি। [৩২৬৪]

حدثنا أبو القاسم بن أبي ضمرة، نصر بن محمد بن سليمان الحمصي حدثنا أبي، حدثنا عبد الله بن أبي قيس النصري، حدثنا عبد الله بن عمر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يطوف بالكعبة ويقول ‏ "‏ ما أطيبك وأطيب ريحك ما أعظمك وأعظم حرمتك والذي نفس محمد بيده لحرمة المؤمن أعظم عند الله حرمة منك ماله ودمه وأن نظن به إلا خيرا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩১

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في حجة الوداع ‏"‏ ألا إن أحرم الأيام يومكم هذا ألا وإن أحرم الشهور شهركم هذا ألا وإن أحرم البلد بلدكم هذا ألا وإن دماءكم وأموالكم عليكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ألا هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اللهم اشهد ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজে বলেছেনঃ সাবধান! তোমাদের এই দিন সর্বাপেক্ষা সম্মানিত দিন। সাবধান! তোমাদের এই মাস সর্বাপেক্ষা সম্মানিত মাস। সাবধান! তোমাদের এই শহর সর্বাপেক্ষা সম্মানিত শহর। সাবধান তোমাদের জীবন, তোমাদের ধনসম্পদ ও তোমাদের উজ্জত-আবরু তোমাদের পরস্পরের জন্য পবিত্র, যেমন এই দিন, এই মাস ও এই শহর। শোন! আমি কি (আল্লাহর পয়গাম) পৌছে দিয়েছি? সমবেত জনমণ্ডলী বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো। [৩২৬৩]

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজে বলেছেনঃ সাবধান! তোমাদের এই দিন সর্বাপেক্ষা সম্মানিত দিন। সাবধান! তোমাদের এই মাস সর্বাপেক্ষা সম্মানিত মাস। সাবধান! তোমাদের এই শহর সর্বাপেক্ষা সম্মানিত শহর। সাবধান তোমাদের জীবন, তোমাদের ধনসম্পদ ও তোমাদের উজ্জত-আবরু তোমাদের পরস্পরের জন্য পবিত্র, যেমন এই দিন, এই মাস ও এই শহর। শোন! আমি কি (আল্লাহর পয়গাম) পৌছে দিয়েছি? সমবেত জনমণ্ডলী বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো। [৩২৬৩]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في حجة الوداع ‏"‏ ألا إن أحرم الأيام يومكم هذا ألا وإن أحرم الشهور شهركم هذا ألا وإن أحرم البلد بلدكم هذا ألا وإن دماءكم وأموالكم عليكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ألا هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اللهم اشهد ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩৪

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، عن أبي هانئ، عن عمرو بن مالك الجنبي، أن فضالة بن عبيد، حدثه أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ المؤمن من أمنه الناس على أموالهم وأنفسهم والمهاجر من هجر الخطايا والذنوب ‏"‏ ‏.‏

ফাদালাহ বিন উবায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুমিন সেই ব্যক্তি যার হস্তক্ষেপ থেকে মানুষের জান-মাল নিরাপদ থাকে এবং মুহাজির সেই ব্যক্তি, যে মন্দ কাজ ও গুনাহ ত্যাগ করেছে। [৩২৬৬]

ফাদালাহ বিন উবায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুমিন সেই ব্যক্তি যার হস্তক্ষেপ থেকে মানুষের জান-মাল নিরাপদ থাকে এবং মুহাজির সেই ব্যক্তি, যে মন্দ কাজ ও গুনাহ ত্যাগ করেছে। [৩২৬৬]

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، عن أبي هانئ، عن عمرو بن مالك الجنبي، أن فضالة بن عبيد، حدثه أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ المؤمن من أمنه الناس على أموالهم وأنفسهم والمهاجر من هجر الخطايا والذنوب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩৩

حدثنا بكر بن عبد الوهاب، حدثنا عبد الله بن نافع، ويونس بن يحيى، جميعا عن داود بن قيس، عن أبي سعيد، مولى عبد الله بن عامر بن كريز عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ كل المسلم على المسلم حرام دمه وماله وعرضه ‏"‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেনঃ প্রত্যেক মুসলামনের জান-মাল ও মান-সম্মানে হস্তক্ষেপ করা অপর মুসলামনের জন্য হারাম। [৩২৬৫]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেনঃ প্রত্যেক মুসলামনের জান-মাল ও মান-সম্মানে হস্তক্ষেপ করা অপর মুসলামনের জন্য হারাম। [৩২৬৫]

حدثنا بكر بن عبد الوهاب، حدثنا عبد الله بن نافع، ويونس بن يحيى، جميعا عن داود بن قيس، عن أبي سعيد، مولى عبد الله بن عامر بن كريز عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ كل المسلم على المسلم حرام دمه وماله وعرضه ‏"‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > লুট-তরাজ ও ছিনতাই নিষিদ্ধ

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩৫

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من انتهب نهبة مشهورة فليس منا ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটতরাজ ও ছিনতাই করলো সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। [৩২৬৭]

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটতরাজ ও ছিনতাই করলো সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। [৩২৬৭]

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من انتهب نهبة مشهورة فليس منا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩৬

حدثنا عيسى بن حماد، أنبأنا الليث بن سعد، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا يزني الزاني حين يزني وهو مؤمن ولا يشرب الخمر حين يشربها وهو مؤمن ولا يسرق السارق حين يسرق وهو مؤمن ولا ينتهب نهبة يرفع الناس إليه أبصارهم حين ينتهبها وهو مؤمن ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যেনাকারী যখন যেনায় লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। মদ্যপ যখন মদ পানে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। চোর যখন চৌর্যবৃত্তিতে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। আর লুটতরাজ ও ছিনতাইকারী যখন লুটতরাজ ও ছিনতাই করে এবং লোকজন তার দিকে চোখ তুলে তাকায়, তখন সে মুমিন থাকে না। [৩২৬৮]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যেনাকারী যখন যেনায় লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। মদ্যপ যখন মদ পানে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। চোর যখন চৌর্যবৃত্তিতে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। আর লুটতরাজ ও ছিনতাইকারী যখন লুটতরাজ ও ছিনতাই করে এবং লোকজন তার দিকে চোখ তুলে তাকায়, তখন সে মুমিন থাকে না। [৩২৬৮]

حدثنا عيسى بن حماد، أنبأنا الليث بن سعد، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا يزني الزاني حين يزني وهو مؤمن ولا يشرب الخمر حين يشربها وهو مؤمن ولا يسرق السارق حين يسرق وهو مؤمن ولا ينتهب نهبة يرفع الناس إليه أبصارهم حين ينتهبها وهو مؤمن ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩৭

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا حميد، حدثنا الحسن، عن عمران بن الحصين، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ من انتهب نهبة فليس منا ‏"‏ ‏.‏

ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি ছিনতাই ও লুটতরাজ করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। [৩২৬৯]

ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি ছিনতাই ও লুটতরাজ করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। [৩২৬৯]

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا حميد، حدثنا الحسن، عن عمران بن الحصين، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ من انتهب نهبة فليس منا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، عن ثعلبة بن الحكم، قال أصبنا غنما للعدو فانتهبناها فنصبنا قدورنا فمر النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالقدور فأمر بها فأكفئت ثم قال ‏ "‏ إن النهبة لا تحل ‏"‏ ‏.‏

সা‘লাবাহ ইবনুল হাকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা শক্রপক্ষের মেষপালের নাগাল পেয়ে তা লুট করলাম। অতঃপর আমরা সেগুলোর গোশত পাতিলে করে রান্না করছিলাম। এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাতিলগুলো অতিক্রমকালে (সেগুলো উল্টে) ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিলে তা উল্টে ফেলে দেয়া হলো। অতঃপর তিনি বলেনঃ লুটতরাজ করা হালাল নয়। [৩২৭০]

সা‘লাবাহ ইবনুল হাকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা শক্রপক্ষের মেষপালের নাগাল পেয়ে তা লুট করলাম। অতঃপর আমরা সেগুলোর গোশত পাতিলে করে রান্না করছিলাম। এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাতিলগুলো অতিক্রমকালে (সেগুলো উল্টে) ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিলে তা উল্টে ফেলে দেয়া হলো। অতঃপর তিনি বলেনঃ লুটতরাজ করা হালাল নয়। [৩২৭০]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، عن ثعلبة بن الحكم، قال أصبنا غنما للعدو فانتهبناها فنصبنا قدورنا فمر النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالقدور فأمر بها فأكفئت ثم قال ‏ "‏ إن النهبة لا تحل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৪০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبو هلال، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭২]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبو هلال، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৪০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبو هلال، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭২]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبو هلال، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৪০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبو هلال، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭২]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن الحسن الأسدي، حدثنا أبو هلال، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৩৯

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭১]

আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭১]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৯৪১

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن شريك، عن أبي إسحاق، عن محمد بن سعد، عن سعد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏

সা’দ (বিন আবূ ওয়াক্কাস) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭৩]

সা’দ (বিন আবূ ওয়াক্কাস) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী। [৩২৭৩]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن شريك، عن أبي إسحاق، عن محمد بن سعد، عن سعد، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00