সুনানে ইবনে মাজাহ > দুআ’য় অতিরঞ্জন নিষিদ্ধ

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৬৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، أنبأنا سعيد الجريري، عن أبي نعامة، أن عبد الله بن مغفل، سمع ابنه، يقول اللهم إني أسألك القصر الأبيض عن يمين الجنة، إذا دخلتها ‏.‏ فقال أى بنى سل الله الجنة وعذ به من النار فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ سيكون قوم يعتدون في الدعاء ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার ছেলেকে বলতে শুনলেন, ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমি জান্নাতে প্রবেশ করে আপনার নিকট জান্নাতের ডান দিকের শ্বেত প্রাসাদ প্রার্থনা করি’’। তখন তিনি বলেন, হে বৎস! আল্লাহ্‌র নিকট জান্নাত প্রার্থনা করো এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে যারা দুআ’য় অতিরঞ্জন করবে। [৩১৯৬]

আবদুল্লাহ বিন মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার ছেলেকে বলতে শুনলেন, ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমি জান্নাতে প্রবেশ করে আপনার নিকট জান্নাতের ডান দিকের শ্বেত প্রাসাদ প্রার্থনা করি’’। তখন তিনি বলেন, হে বৎস! আল্লাহ্‌র নিকট জান্নাত প্রার্থনা করো এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে যারা দুআ’য় অতিরঞ্জন করবে। [৩১৯৬]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، أنبأنا سعيد الجريري، عن أبي نعامة، أن عبد الله بن مغفل، سمع ابنه، يقول اللهم إني أسألك القصر الأبيض عن يمين الجنة، إذا دخلتها ‏.‏ فقال أى بنى سل الله الجنة وعذ به من النار فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ سيكون قوم يعتدون في الدعاء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > দুআ’ করতে দু’ হাত তোলা।

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৬৫

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا ابن أبي عدي، عن جعفر بن ميمون، عن أبي عثمان، عن سلمان، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن ربكم حيي كريم يستحيي من عبده أن يرفع إليه يديه فيردهما صفرا - أو قال خائبتين ‏"‏ ‏.‏

সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক চিরঞ্জীব, দানশীল। তাঁর কোন বান্দা নিজের দু’হাত তুলে তাঁর নিকট দুআ’ করলে তিনি তার শূন্যহাত বা তাকে নিরাশ করে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। [৩১৯৭]

সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক চিরঞ্জীব, দানশীল। তাঁর কোন বান্দা নিজের দু’হাত তুলে তাঁর নিকট দুআ’ করলে তিনি তার শূন্যহাত বা তাকে নিরাশ করে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। [৩১৯৭]

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا ابن أبي عدي، عن جعفر بن ميمون، عن أبي عثمان، عن سلمان، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن ربكم حيي كريم يستحيي من عبده أن يرفع إليه يديه فيردهما صفرا - أو قال خائبتين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৬৬

حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا عائذ بن حبيب، عن صالح بن حسان، عن محمد بن كعب القرظي، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا دعوت الله فادع ببطون كفيك ولا تدع بظهورهما فإذا فرغت فامسح بهما وجهك ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যখন আল্লাহ্‌র নিকট দুআ’ করবে, তখন তোমার দু’ হাতের তালু উপর দিকে রেখে দুআ’ করবে, দু’ হাতের পিঠ উপর দিকে রেখে দুআ’ করবে না। তুমি দুআ’ শেষ করে হাতের তালুদ্বয় তোমার মুখমন্ডলে মাসেহ করবে। [৩১৯৮]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যখন আল্লাহ্‌র নিকট দুআ’ করবে, তখন তোমার দু’ হাতের তালু উপর দিকে রেখে দুআ’ করবে, দু’ হাতের পিঠ উপর দিকে রেখে দুআ’ করবে না। তুমি দুআ’ শেষ করে হাতের তালুদ্বয় তোমার মুখমন্ডলে মাসেহ করবে। [৩১৯৮]

حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا عائذ بن حبيب، عن صالح بن حسان، عن محمد بن كعب القرظي، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا دعوت الله فادع ببطون كفيك ولا تدع بظهورهما فإذا فرغت فامسح بهما وجهك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কেউ সকাল ও সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে যে দুআ’ পড়বে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا مسعر، حدثنا أبو عقيل، عن سابق، عن أبي سلام، خادم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ ما من مسلم أو إنسان أو عبد يقول حين يمسي وحين يصبح رضيت بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد نبيا - إلا كان حقا على الله أن يرضيه يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খাদেম (ইসমু মুবহাম বা নাম অজ্ঞাত) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন মুসলমান বা কোন মানুষ বা কোন বান্দা সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে ‘‘আল্লাহ্‌ আমার প্রভু, ইসলাম আমার দ্বীন এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার রাসূল হওয়ায় আমি সর্বান্তঃকরণে সন্তুষ্ট আছি’’ এ কথা বললে, কিয়ামতের দিন তার উপর সন্তুষ্ট হওয়া আল্লাহ্‌র কর্তব্য হয়ে যায়। [৩২০২]

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খাদেম (ইসমু মুবহাম বা নাম অজ্ঞাত) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন মুসলমান বা কোন মানুষ বা কোন বান্দা সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে ‘‘আল্লাহ্‌ আমার প্রভু, ইসলাম আমার দ্বীন এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার রাসূল হওয়ায় আমি সর্বান্তঃকরণে সন্তুষ্ট আছি’’ এ কথা বললে, কিয়ামতের দিন তার উপর সন্তুষ্ট হওয়া আল্লাহ্‌র কর্তব্য হয়ে যায়। [৩২০২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا مسعر، حدثنا أبو عقيل، عن سابق، عن أبي سلام، خادم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ ما من مسلم أو إنسان أو عبد يقول حين يمسي وحين يصبح رضيت بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد نبيا - إلا كان حقا على الله أن يرضيه يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৬৭

حدثنا أبو بكر، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا حماد بن سلمة، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي عياش الزرقي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ من قال حين يصبح لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير - كان له عدل رقبة من ولد إسماعيل وحط عنه عشر خطيئات ورفع له عشر درجات وكان في حرز من الشيطان حتى يمسي وإذا أمسى فمثل ذلك حتى يصبح ‏"‏ ‏.‏ قال فرأى رجل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فيما يرى النائم فقال يا رسول الله إن أبا عياش يروي عنك كذا وكذا ‏.‏ فقال ‏"‏ صدق أبو عياش ‏"‏ ‏.‏

আবূ আয়্যাশ আয যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ভোরে উপনীত হয়ে বলেঃ ‘‘আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নাই, রাজত্ব-সার্বভৌমত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসা তাঁর জন্য, তিনি সর্ববিষয়ে শক্তিমান’’, সে ইসমাঈল (আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশের একটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য সওয়াব পাবে, তার দশটি গুনাহ মোচন হবে, তার মর্যাদা দশ গুণ বৃদ্ধি করা হবে এবং সে সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে। সে সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে অনুরূপ দুআ’ করলে ভোর হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ নিরাপদ থাকবে। সে সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে অনুরূপ দুআ’ করলে ভোর হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ প্রতিদান পাবে। রাবী বলেন, এক ব্যক্তি স্বপ্নে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দর্শনলাভ করে তাকে জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আবূ আইয়াশ আপনার নামে এ ধরনের হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ আবূ আইয়াশ সত্য বলেছে। [৩১৯৯]

আবূ আয়্যাশ আয যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ভোরে উপনীত হয়ে বলেঃ ‘‘আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নাই, রাজত্ব-সার্বভৌমত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসা তাঁর জন্য, তিনি সর্ববিষয়ে শক্তিমান’’, সে ইসমাঈল (আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশের একটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য সওয়াব পাবে, তার দশটি গুনাহ মোচন হবে, তার মর্যাদা দশ গুণ বৃদ্ধি করা হবে এবং সে সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে। সে সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে অনুরূপ দুআ’ করলে ভোর হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ নিরাপদ থাকবে। সে সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে অনুরূপ দুআ’ করলে ভোর হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ প্রতিদান পাবে। রাবী বলেন, এক ব্যক্তি স্বপ্নে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দর্শনলাভ করে তাকে জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আবূ আইয়াশ আপনার নামে এ ধরনের হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ আবূ আইয়াশ সত্য বলেছে। [৩১৯৯]

حدثنا أبو بكر، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا حماد بن سلمة، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي عياش الزرقي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ من قال حين يصبح لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير - كان له عدل رقبة من ولد إسماعيل وحط عنه عشر خطيئات ورفع له عشر درجات وكان في حرز من الشيطان حتى يمسي وإذا أمسى فمثل ذلك حتى يصبح ‏"‏ ‏.‏ قال فرأى رجل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فيما يرى النائم فقال يا رسول الله إن أبا عياش يروي عنك كذا وكذا ‏.‏ فقال ‏"‏ صدق أبو عياش ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৬৮

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا أصبحتم فقولوا اللهم بك أصبحنا وبك أمسينا وبك نحيى وبك نموت وإذا أمسيتم فقولوا اللهم بك أمسينا وبك أصبحنا وبك نحيى وبك نموت وإليك المصير ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ভোরে উপনীত হয়ে বলবে, ‘‘হে আল্লাহ্‌! তোমার হুকুমেই আমরা প্রভাতে উপনীত হই এবং তোমার হুকুমেই আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই, তোমার হুকুমেই আমরা জীবন ধারণ করি, এবং তোমার হুকুমেই আমরা মৃত্যুবরণ করি’’। আর তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলবে, ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার হুকুমেই সন্ধ্যায় উপনীত হই, তোমার হুকুমেই আমরা ভোরে উপনীত হই, তোমার হুকুমেই আমরা জীবন ধারণ করি এবং তোমার হুকুমেই আমরা মৃত্যুবরণ করি। তোমার নিকটই আমাদের প্রত্যাবর্তন।’’ [৩২০০]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ভোরে উপনীত হয়ে বলবে, ‘‘হে আল্লাহ্‌! তোমার হুকুমেই আমরা প্রভাতে উপনীত হই এবং তোমার হুকুমেই আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই, তোমার হুকুমেই আমরা জীবন ধারণ করি, এবং তোমার হুকুমেই আমরা মৃত্যুবরণ করি’’। আর তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলবে, ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার হুকুমেই সন্ধ্যায় উপনীত হই, তোমার হুকুমেই আমরা ভোরে উপনীত হই, তোমার হুকুমেই আমরা জীবন ধারণ করি এবং তোমার হুকুমেই আমরা মৃত্যুবরণ করি। তোমার নিকটই আমাদের প্রত্যাবর্তন।’’ [৩২০০]

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا أصبحتم فقولوا اللهم بك أصبحنا وبك أمسينا وبك نحيى وبك نموت وإذا أمسيتم فقولوا اللهم بك أمسينا وبك أصبحنا وبك نحيى وبك نموت وإليك المصير ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৬৯

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، حدثنا ابن أبي الزناد، عن أبيه، عن أبان بن عثمان، قال سمعت عثمان بن عفان، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ ما من عبد يقول في صباح كل يوم ومساء كل ليلة بسم الله الذي لا يضر مع اسمه شىء في الأرض ولا في السماء وهو السميع العليم ثلاث مرات - فيضره شىء ‏"‏ ‏.‏ قال وكان أبان قد أصابه طرف من الفالج فجعل الرجل ينظر إليه فقال له أبان ما تنظر إلى أما إن الحديث كما قد حدثتك ولكني لم أقله يومئذ ليمضي الله على قدره ‏.‏

উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে কোন বান্দা প্রতিদিন সকালে ও প্রতি রাতে সন্ধ্যায় তিনবার করে এ দুআ’টি পড়লে কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না : ‘‘আল্লাহ্‌র নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান ও যমীনের কোন কিছুই কোন ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা সর্বোজ্ঞ’’। অধস্তন রাবী বলেন, আবান (রাঃ)-এর দেহের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। (উক্ত হাদীস বর্ণনাকালে) এক ব্যক্তি (অধস্তন রাবী) তার দিকে তাকাতে থাকলে তিনি তাকে বলেন, তুমি কি দেখছো? শোন! আমি তোমার নিকট যে হাদীস বর্ণনা করছি তা হুবহু বর্ণনা করেছি। তবে যেদিন আমি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়েছি সেদিন ঐ দুআ’ পড়িনি এবং আল্লাহ্‌ তায়ালা তাকদীরের লিখন আমার উপর কার্যকর করেছেন। [৩২০১]

উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে কোন বান্দা প্রতিদিন সকালে ও প্রতি রাতে সন্ধ্যায় তিনবার করে এ দুআ’টি পড়লে কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না : ‘‘আল্লাহ্‌র নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান ও যমীনের কোন কিছুই কোন ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা সর্বোজ্ঞ’’। অধস্তন রাবী বলেন, আবান (রাঃ)-এর দেহের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। (উক্ত হাদীস বর্ণনাকালে) এক ব্যক্তি (অধস্তন রাবী) তার দিকে তাকাতে থাকলে তিনি তাকে বলেন, তুমি কি দেখছো? শোন! আমি তোমার নিকট যে হাদীস বর্ণনা করছি তা হুবহু বর্ণনা করেছি। তবে যেদিন আমি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়েছি সেদিন ঐ দুআ’ পড়িনি এবং আল্লাহ্‌ তায়ালা তাকদীরের লিখন আমার উপর কার্যকর করেছেন। [৩২০১]

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، حدثنا ابن أبي الزناد، عن أبيه، عن أبان بن عثمان، قال سمعت عثمان بن عفان، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ ما من عبد يقول في صباح كل يوم ومساء كل ليلة بسم الله الذي لا يضر مع اسمه شىء في الأرض ولا في السماء وهو السميع العليم ثلاث مرات - فيضره شىء ‏"‏ ‏.‏ قال وكان أبان قد أصابه طرف من الفالج فجعل الرجل ينظر إليه فقال له أبان ما تنظر إلى أما إن الحديث كما قد حدثتك ولكني لم أقله يومئذ ليمضي الله على قدره ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭২

حدثنا علي بن محمد، حدثنا إبراهيم بن عيينة، حدثنا الوليد بن ثعلبة، عن عبد الله ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت أعوذ بك من شر ما صنعت أبوء بنعمتك وأبوء بذنبي فاغفر لي فإنه لا يغفر الذنوب إلا أنت ‏"‏ ‏.‏ قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ من قالها في يومه وليلته فمات في ذلك اليوم أو تلك الليلة دخل الجنة إن شاء الله تعالى ‏"‏ ‏.‏

বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দুআ’ পড়েছেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার প্রভু, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো, আমি তোমার বান্দা, আমি তোমার প্রতিশ্রুতিতে যথাসাধ্য প্রতিষ্ঠিত থাকবো। আমি আমার কৃতকর্মের ক্ষতি থেকে তোমার আশ্রয় চাই, আমি তোমার নিয়ামতসমূহ স্বীকার করছি, আমি আমার অপরাধ স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমার অপরাধসমূহ মাফ করে দাও। কারণ তুমি ছাড়া গুনাহ মাফ করার আর কেউ নাই।’’ রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি দিনে ও রাতে এ দুআ’ পড়লে এবং সেই দিনে বা রাতে মারা গেলে ইনশাআল্লাহ্‌ জান্নাতে দাখিল হবে। [৩২০৪]

বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দুআ’ পড়েছেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার প্রভু, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো, আমি তোমার বান্দা, আমি তোমার প্রতিশ্রুতিতে যথাসাধ্য প্রতিষ্ঠিত থাকবো। আমি আমার কৃতকর্মের ক্ষতি থেকে তোমার আশ্রয় চাই, আমি তোমার নিয়ামতসমূহ স্বীকার করছি, আমি আমার অপরাধ স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমার অপরাধসমূহ মাফ করে দাও। কারণ তুমি ছাড়া গুনাহ মাফ করার আর কেউ নাই।’’ রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি দিনে ও রাতে এ দুআ’ পড়লে এবং সেই দিনে বা রাতে মারা গেলে ইনশাআল্লাহ্‌ জান্নাতে দাখিল হবে। [৩২০৪]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا إبراهيم بن عيينة، حدثنا الوليد بن ثعلبة، عن عبد الله ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت أعوذ بك من شر ما صنعت أبوء بنعمتك وأبوء بذنبي فاغفر لي فإنه لا يغفر الذنوب إلا أنت ‏"‏ ‏.‏ قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ من قالها في يومه وليلته فمات في ذلك اليوم أو تلك الليلة دخل الجنة إن شاء الله تعالى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭১

حدثنا علي بن محمد الطنافسي، حدثنا وكيع، حدثنا عبادة بن مسلم، حدثنا جبير بن أبي سليمان بن جبير بن مطعم، قال سمعت ابن عمر، يقول لم يكن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يدع هؤلاء الدعوات حين يمسي وحين يصبح ‏ "‏ اللهم إني أسألك العفو والعافية في الدنيا والآخرة اللهم إني أسألك العفو والعافية في ديني ودنياى وأهلي ومالي اللهم استر عوراتي وآمن روعاتي واحفظني من بين يدى ومن خلفي وعن يميني وعن شمالي ومن فوقي وأعوذ بك أن أغتال من تحتي ‏"‏ ‏.‏ قال وكيع يعني الخسف ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে নিম্নোক্ত দুআ’ পড়তেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট আমার দীন, আমার দুনিয়া, আমার পরিবার ও আমার সম্পদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌! আমার লজ্জাস্থানকে গোপন রাখো, আমার ভয়কে শান্তিতে পরিণত করো এবং আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে ও আমার উপরের দিক থেকে আমাকে হেফাজত করো। আমি তোমার নিকট আমার নিচের দিক দিয়ে আমাকে ধ্বসিয়ে দেয়া থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।’’ [৩২০৩]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে নিম্নোক্ত দুআ’ পড়তেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট আমার দীন, আমার দুনিয়া, আমার পরিবার ও আমার সম্পদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌! আমার লজ্জাস্থানকে গোপন রাখো, আমার ভয়কে শান্তিতে পরিণত করো এবং আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে ও আমার উপরের দিক থেকে আমাকে হেফাজত করো। আমি তোমার নিকট আমার নিচের দিক দিয়ে আমাকে ধ্বসিয়ে দেয়া থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।’’ [৩২০৩]

حدثنا علي بن محمد الطنافسي، حدثنا وكيع، حدثنا عبادة بن مسلم، حدثنا جبير بن أبي سليمان بن جبير بن مطعم، قال سمعت ابن عمر، يقول لم يكن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يدع هؤلاء الدعوات حين يمسي وحين يصبح ‏ "‏ اللهم إني أسألك العفو والعافية في الدنيا والآخرة اللهم إني أسألك العفو والعافية في ديني ودنياى وأهلي ومالي اللهم استر عوراتي وآمن روعاتي واحفظني من بين يدى ومن خلفي وعن يميني وعن شمالي ومن فوقي وأعوذ بك أن أغتال من تحتي ‏"‏ ‏.‏ قال وكيع يعني الخسف ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > যে কোন ব্যক্তি শয্যা গ্রহণকালে যে দুআ’ পড়বে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭৫

حدثنا أبو بكر، حدثنا يونس بن محمد، وسعيد بن شرحبيل، أنبأنا الليث بن سعد، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن عروة بن الزبير، أخبره عن عائشة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا أخذ مضجعه نفث في يديه وقرأ بالمعوذتين ومسح بهما جسده ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন, তখন সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে তাঁর দু’ হাতে ফুঁ দিয়ে তা তাঁর সমস্ত শরীর মলতেন। [৩২০৭]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন, তখন সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে তাঁর দু’ হাতে ফুঁ দিয়ে তা তাঁর সমস্ত শরীর মলতেন। [৩২০৭]

حدثنا أبو بكر، حدثنا يونس بن محمد، وسعيد بن شرحبيل، أنبأنا الليث بن سعد، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن عروة بن الزبير، أخبره عن عائشة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا أخذ مضجعه نفث في يديه وقرأ بالمعوذتين ومسح بهما جسده ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭৩

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه كان يقول إذا أوى إلى فراشه ‏ "‏ اللهم رب السموات ورب الأرض ورب كل شىء فالق الحب والنوى منزل التوراة والإنجيل والقرآن العظيم أعوذ بك من شر كل دابة أنت آخذ بناصيتها أنت الأول فليس قبلك شىء وأنت الآخر فليس بعدك شىء وأنت الظاهر فليس فوقك شىء وأنت الباطن فليس دونك شىء اقض عني الدين وأغنني من الفقر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন তখন বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্‌! আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর প্রভু, প্রতিটি জিনিসের প্রভু, শস্যবীজ ও আঁটির অংকুর উদগমকারী, তাওরাত, ইনজীল ও মহান কুরআন নাযিলকারী! আমি প্রত্যেক প্রাণীর অনিষ্ট থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। এগুলো তোমার আয়ত্তাধীন। তুমিই আদি, তোমার পূর্বে কিছুই নাই। তুমিই গুপ্ত, তোমার থেকে কিছুই গোপন নয়। সুতরাং তুমি আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দাও এবং আমাকে দারিদ্র থেকে স্বাবলম্বী করো’’। [৩২০৫]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন তখন বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্‌! আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর প্রভু, প্রতিটি জিনিসের প্রভু, শস্যবীজ ও আঁটির অংকুর উদগমকারী, তাওরাত, ইনজীল ও মহান কুরআন নাযিলকারী! আমি প্রত্যেক প্রাণীর অনিষ্ট থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। এগুলো তোমার আয়ত্তাধীন। তুমিই আদি, তোমার পূর্বে কিছুই নাই। তুমিই গুপ্ত, তোমার থেকে কিছুই গোপন নয়। সুতরাং তুমি আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দাও এবং আমাকে দারিদ্র থেকে স্বাবলম্বী করো’’। [৩২০৫]

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه كان يقول إذا أوى إلى فراشه ‏ "‏ اللهم رب السموات ورب الأرض ورب كل شىء فالق الحب والنوى منزل التوراة والإنجيل والقرآن العظيم أعوذ بك من شر كل دابة أنت آخذ بناصيتها أنت الأول فليس قبلك شىء وأنت الآخر فليس بعدك شىء وأنت الظاهر فليس فوقك شىء وأنت الباطن فليس دونك شىء اقض عني الدين وأغنني من الفقر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭৪

حدثنا أبو بكر، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إذا أراد أحدكم أن يضطجع على فراشه فلينزع داخلة إزاره ثم لينفض بها فراشه فإنه لا يدري ما خلفه عليه ثم ليضطجع على شقه الأيمن ثم ليقل رب بك وضعت جنبي وبك أرفعه فإن أمسكت نفسي فارحمها وإن أرسلتها فاحفظها بما حفظت به عبادك الصالحين ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন শয্যা গ্রহণের ইচ্ছা করে, তখন সে যেন তার লুঙ্গীর ভেতরাংশ ঝেড়ে নেয়, অতঃপর তা দিয়ে তার বিছানা ঝেড়ে ফেলে। কেননা সে জানে না যে তার অনুপস্থিতিতে বিছানায় কি পতিত হয়েছে। অতঃপর সে যেন ডান কাতে শোয়, অতঃপর বলে, ‘‘হে আমার রব! তোমার নামে আমি আমার পার্শ্বদেশ বিছানায় এলিয়ে দিলাম এবং তোমার নামেই আবার তা উঠাবো। যদি তুমি আমার জান রেখে দাও (মৃত্যু দান করো) তবে তার প্রতি দয়া করো, আর যদি তাকে ছেড়ে দাও তবে তার সেইভাবে হেফাজত করো যেভাবে তুমি তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের হেফাজত করো।’’ [৩২০৬]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন শয্যা গ্রহণের ইচ্ছা করে, তখন সে যেন তার লুঙ্গীর ভেতরাংশ ঝেড়ে নেয়, অতঃপর তা দিয়ে তার বিছানা ঝেড়ে ফেলে। কেননা সে জানে না যে তার অনুপস্থিতিতে বিছানায় কি পতিত হয়েছে। অতঃপর সে যেন ডান কাতে শোয়, অতঃপর বলে, ‘‘হে আমার রব! তোমার নামে আমি আমার পার্শ্বদেশ বিছানায় এলিয়ে দিলাম এবং তোমার নামেই আবার তা উঠাবো। যদি তুমি আমার জান রেখে দাও (মৃত্যু দান করো) তবে তার প্রতি দয়া করো, আর যদি তাকে ছেড়ে দাও তবে তার সেইভাবে হেফাজত করো যেভাবে তুমি তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের হেফাজত করো।’’ [৩২০৬]

حدثنا أبو بكر، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إذا أراد أحدكم أن يضطجع على فراشه فلينزع داخلة إزاره ثم لينفض بها فراشه فإنه لا يدري ما خلفه عليه ثم ليضطجع على شقه الأيمن ثم ليقل رب بك وضعت جنبي وبك أرفعه فإن أمسكت نفسي فارحمها وإن أرسلتها فاحفظها بما حفظت به عبادك الصالحين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭৭

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن أبي عبيدة، عن عبد الله، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا أوى إلى فراشه وضع يده - يعني اليمنى - تحت خده ثم قال ‏ "‏ اللهم قني عذابك يوم تبعث - أو تجمع - عبادك ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন তখন তাঁর ডান হাত তাঁর গণ্ডদেশের নিচে স্থাপন করে বলতেনঃ “হে আল্লাহ্‌! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থিত করবে এবং সমবেত করবে, সেদিন আমাকে তোমার শাস্তি থেকে রক্ষা করো”। [৩২০৯]

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন তখন তাঁর ডান হাত তাঁর গণ্ডদেশের নিচে স্থাপন করে বলতেনঃ “হে আল্লাহ্‌! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থিত করবে এবং সমবেত করবে, সেদিন আমাকে তোমার শাস্তি থেকে রক্ষা করো”। [৩২০৯]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن أبي عبيدة، عن عبد الله، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا أوى إلى فراشه وضع يده - يعني اليمنى - تحت خده ثم قال ‏ "‏ اللهم قني عذابك يوم تبعث - أو تجمع - عبادك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৭৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال لرجل ‏ "‏ إذا أخذت مضجعك أو أويت إلى فراشك فقل اللهم أسلمت وجهي إليك وألجأت ظهري إليك وفوضت أمري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجى منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت ونبيك الذي أرسلت فإن مت من ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبحت وقد أصبت خيرا كثيرا ‏"‏ ‏.‏

আল-বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেনঃ যখন তুমি শয্যা গ্রহণ করবে বা বিছানাগত হবে তখন বলবে, ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমি আমার মুখমন্ডল তোমার দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আমার পিঠ তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করলাম, তোমার রহমতের আশা ও তোমার আযাবের ভয় সহকারে আমার যাবতীয় বিষয় তোমার উপর সোপর্দ করলাম। তোমার থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেয়ার এবং নাজাত পাওয়ার তুমি ভিন্ন আর কোন ঠিকানা নাই। তুমি যে কিতাব নাযিল করেছো এবং যে নবী পাঠিয়েছ আমি তার উপর ঈমান এনেছি’’। তুমি যদি সে রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের (ইসলামের) উপর মৃত্যুবরণ করবে। আর তুমি যদি সকালে উপনীত হও তবে পর্যাপ্ত কল্যাণ প্রাপ্ত হয়ে সকালে উপনীত হবে। [৩২০৮]

আল-বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেনঃ যখন তুমি শয্যা গ্রহণ করবে বা বিছানাগত হবে তখন বলবে, ‘‘হে আল্লাহ্‌! আমি আমার মুখমন্ডল তোমার দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আমার পিঠ তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করলাম, তোমার রহমতের আশা ও তোমার আযাবের ভয় সহকারে আমার যাবতীয় বিষয় তোমার উপর সোপর্দ করলাম। তোমার থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেয়ার এবং নাজাত পাওয়ার তুমি ভিন্ন আর কোন ঠিকানা নাই। তুমি যে কিতাব নাযিল করেছো এবং যে নবী পাঠিয়েছ আমি তার উপর ঈমান এনেছি’’। তুমি যদি সে রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের (ইসলামের) উপর মৃত্যুবরণ করবে। আর তুমি যদি সকালে উপনীত হও তবে পর্যাপ্ত কল্যাণ প্রাপ্ত হয়ে সকালে উপনীত হবে। [৩২০৮]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال لرجل ‏ "‏ إذا أخذت مضجعك أو أويت إلى فراشك فقل اللهم أسلمت وجهي إليك وألجأت ظهري إليك وفوضت أمري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجى منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت ونبيك الذي أرسلت فإن مت من ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبحت وقد أصبت خيرا كثيرا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00