সুনানে ইবনে মাজাহ > দুআ’কারী প্রথমে নিজের জন্য দুআ’ করবে
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫২
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يرحمنا الله وأخا عاد " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘‘আল্লাহ্ আমাদেরকে এবং আদ জাতির ভাই (হূদ (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম))-কে দয়া করুন।’’ [৩১৮৪]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘‘আল্লাহ্ আমাদেরকে এবং আদ জাতির ভাই (হূদ (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম))-কে দয়া করুন।’’ [৩১৮৪]
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يرحمنا الله وأخا عاد " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > তোমাদের কেউ তাড়াহুড়া না করলে তার দুআ’ কবুল হয়
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৩
حدثنا علي بن محمد، حدثنا إسحاق بن سليمان، عن مالك بن أنس، عن الزهري، عن أبي عبيد، مولى عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " يستجاب لأحدكم ما لم يعجل " . قيل وكيف يعجل يا رسول الله قال " يقول قد دعوت الله فلم يستجب الله لي " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের যে কোন লোকের দুআ’ই কবুল হয়ে থাকে, যাবত না সে তাড়াহুড়া করে। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকে তাড়াহুড়া কিভাবে করে? তিনি বলেনঃ দুআ’কারী বলে, আমি আল্লাহ্র নিকট দুআ’ করলাম কিন্তু আল্লাহ্ আমার দুআ’ কবুল করেননি। [৩১৮৫]
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের যে কোন লোকের দুআ’ই কবুল হয়ে থাকে, যাবত না সে তাড়াহুড়া করে। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকে তাড়াহুড়া কিভাবে করে? তিনি বলেনঃ দুআ’কারী বলে, আমি আল্লাহ্র নিকট দুআ’ করলাম কিন্তু আল্লাহ্ আমার দুআ’ কবুল করেননি। [৩১৮৫]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا إسحاق بن سليمان، عن مالك بن أنس، عن الزهري، عن أبي عبيد، مولى عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " يستجاب لأحدكم ما لم يعجل " . قيل وكيف يعجل يا رسول الله قال " يقول قد دعوت الله فلم يستجب الله لي " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > কোন ব্যক্তি এভাবে বলবে না, হে আল্লাহ্! তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৪
حدثنا أبو بكر، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ابن عجلان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لا يقولن أحدكم اللهم اغفر لي إن شئت وليعزم في المسألة فإن الله لا مكره له " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এভাবে না বলে : ‘‘হে আল্লাহ্ তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো’’, বরং সে যেন পূর্ণ দৃঢ়তা সহকারে কামনা করে। কেননা কোন কাজই আল্লাহ্র জন্য বাধ্যতামূলক নয়। [৩১৮৬]
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এভাবে না বলে : ‘‘হে আল্লাহ্ তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো’’, বরং সে যেন পূর্ণ দৃঢ়তা সহকারে কামনা করে। কেননা কোন কাজই আল্লাহ্র জন্য বাধ্যতামূলক নয়। [৩১৮৬]
حدثنا أبو بكر، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ابن عجلان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لا يقولن أحدكم اللهم اغفر لي إن شئت وليعزم في المسألة فإن الله لا مكره له " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > আল্লাহ্র মহান নাম (ইসমে আযম)
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৫
حدثنا أبو بكر، حدثنا عيسى بن يونس، عن عبيد الله بن أبي زياد، عن شهر بن حوشب، عن أسماء بنت يزيد، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اسم الله الأعظم في هاتين الآيتين {وإلهكم إله واحد لا إله إلا هو الرحمن الرحيم} وفاتحة سورة آل عمران " .
আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্র মহান নাম (ইসমে আযম) এই দু’ আয়াতের মধ্যে নিহিত আছে (অনুবাদ) : ‘‘আর তোমাদের ইলাহ একমাত্র ইলাহ। তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নাই। তিনি দয়াময় অতি দয়ালু ’’ (২ : ১৬৩) এবং সূরা আল ইমরানের প্রথম আয়াত। [৩১৮৭]
আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্র মহান নাম (ইসমে আযম) এই দু’ আয়াতের মধ্যে নিহিত আছে (অনুবাদ) : ‘‘আর তোমাদের ইলাহ একমাত্র ইলাহ। তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নাই। তিনি দয়াময় অতি দয়ালু ’’ (২ : ১৬৩) এবং সূরা আল ইমরানের প্রথম আয়াত। [৩১৮৭]
حدثنا أبو بكر، حدثنا عيسى بن يونس، عن عبيد الله بن أبي زياد، عن شهر بن حوشب، عن أسماء بنت يزيد، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اسم الله الأعظم في هاتين الآيتين {وإلهكم إله واحد لا إله إلا هو الرحمن الرحيم} وفاتحة سورة آل عمران " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৬
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن عبد الله بن العلاء، عن القاسم، قال اسم الله الأعظم الذي إذا دعي به أجاب في سور ثلاث البقرة وآل عمران وطه . حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، قال ذكرت ذلك لعيسى بن موسى فحدثني أنه، سمع غيلان بن أنس، يحدث عن القاسم، عن أبي أمامة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه .
কাসিম (রাঃ) (তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় অপরিচিত) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র ইসমে আযম, যার উল্লেখ করে দুআ’ করলে তা কবুল হয়, তা তিনটি সূরায় রয়েছেঃ সূরা বাকারা, সূরা আল ইমরান ও সূরা তাহা। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ৩/৩৮৫৬ (১). আবূ উমামাহ (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। [৩১৮৮]
কাসিম (রাঃ) (তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় অপরিচিত) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র ইসমে আযম, যার উল্লেখ করে দুআ’ করলে তা কবুল হয়, তা তিনটি সূরায় রয়েছেঃ সূরা বাকারা, সূরা আল ইমরান ও সূরা তাহা। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ৩/৩৮৫৬ (১). আবূ উমামাহ (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। [৩১৮৮]
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن عبد الله بن العلاء، عن القاسم، قال اسم الله الأعظم الذي إذا دعي به أجاب في سور ثلاث البقرة وآل عمران وطه . حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، قال ذكرت ذلك لعيسى بن موسى فحدثني أنه، سمع غيلان بن أنس، يحدث عن القاسم، عن أبي أمامة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৭
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن مالك بن مغول، أنه سمعه من عبد الله بن بريدة، عن أبيه، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأنك أنت الله الأحد الصمد الذي لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفوا أحد . فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب " .
বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট এই বিশ্বাসে প্রার্থনা করছি যে, তুমিই একমাত্র আল্লাহ্, তুমি একক সত্তা, স্বয়ংসম্পূর্ণ, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই’’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ নিশ্চয় এ ব্যক্তি আল্লাহ্র নিকট তাঁর মহান নামের ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি অবশ্যই দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি অবশ্যই কবুল করেন। [৩১৮৯]
বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট এই বিশ্বাসে প্রার্থনা করছি যে, তুমিই একমাত্র আল্লাহ্, তুমি একক সত্তা, স্বয়ংসম্পূর্ণ, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই’’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ নিশ্চয় এ ব্যক্তি আল্লাহ্র নিকট তাঁর মহান নামের ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি অবশ্যই দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি অবশ্যই কবুল করেন। [৩১৮৯]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن مالك بن مغول، أنه سمعه من عبد الله بن بريدة، عن أبيه، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأنك أنت الله الأحد الصمد الذي لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفوا أحد . فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৮
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبو خزيمة، عن أنس بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأن لك الحمد لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك المنان بديع السموات والأرض ذو الجلال والإكرام فقال " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب "
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, কেননা সমস্ত প্রশংসা তোমার, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তুমি একক সত্তা, তোমার কোন শরীক নেই, তুমি অনুগ্রহকারী, আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবনকারী, মহা শক্তি ও সম্মানের অধিকারী, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে আল্লাহ্র নিকট তাঁর ইসমে আযমের (মহান নামের) ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি কবুল করেন। [৩১৯০]
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, কেননা সমস্ত প্রশংসা তোমার, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তুমি একক সত্তা, তোমার কোন শরীক নেই, তুমি অনুগ্রহকারী, আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবনকারী, মহা শক্তি ও সম্মানের অধিকারী, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে আল্লাহ্র নিকট তাঁর ইসমে আযমের (মহান নামের) ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি কবুল করেন। [৩১৯০]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبو خزيمة، عن أنس بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأن لك الحمد لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك المنان بديع السموات والأرض ذو الجلال والإكرام فقال " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب "
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৮
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبو خزيمة، عن أنس بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأن لك الحمد لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك المنان بديع السموات والأرض ذو الجلال والإكرام فقال " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب "
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, কেননা সমস্ত প্রশংসা তোমার, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তুমি একক সত্তা, তোমার কোন শরীক নেই, তুমি অনুগ্রহকারী, আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবনকারী, মহা শক্তি ও সম্মানের অধিকারী, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে আল্লাহ্র নিকট তাঁর ইসমে আযমের (মহান নামের) ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি কবুল করেন। [৩১৯০]
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, কেননা সমস্ত প্রশংসা তোমার, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তুমি একক সত্তা, তোমার কোন শরীক নেই, তুমি অনুগ্রহকারী, আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবনকারী, মহা শক্তি ও সম্মানের অধিকারী, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে আল্লাহ্র নিকট তাঁর ইসমে আযমের (মহান নামের) ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি কবুল করেন। [৩১৯০]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبو خزيمة، عن أنس بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأن لك الحمد لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك المنان بديع السموات والأرض ذو الجلال والإكرام فقال " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب "
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৮
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبو خزيمة، عن أنس بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأن لك الحمد لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك المنان بديع السموات والأرض ذو الجلال والإكرام فقال " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب "
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, কেননা সমস্ত প্রশংসা তোমার, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তুমি একক সত্তা, তোমার কোন শরীক নেই, তুমি অনুগ্রহকারী, আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবনকারী, মহা শক্তি ও সম্মানের অধিকারী, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে আল্লাহ্র নিকট তাঁর ইসমে আযমের (মহান নামের) ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি কবুল করেন। [৩১৯০]
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, কেননা সমস্ত প্রশংসা তোমার, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তুমি একক সত্তা, তোমার কোন শরীক নেই, তুমি অনুগ্রহকারী, আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবনকারী, মহা শক্তি ও সম্মানের অধিকারী, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে আল্লাহ্র নিকট তাঁর ইসমে আযমের (মহান নামের) ওয়াসীলায় প্রার্থনা করেছে, যার ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন এবং যার ওয়াসীলায় দুআ’ করলে তিনি কবুল করেন। [৩১৯০]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبو خزيمة، عن أنس بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يقول اللهم إني أسألك بأن لك الحمد لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك المنان بديع السموات والأرض ذو الجلال والإكرام فقال " لقد سأل الله باسمه الأعظم الذي إذا سئل به أعطى وإذا دعي به أجاب "
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫৯
حدثنا أبو يوسف الصيدلاني، محمد بن أحمد الرقي حدثنا محمد بن سلمة، عن الفزاري، عن أبي شيبة، عن عبد الله بن عكيم الجهني، عن عائشة، قالت سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " اللهم إني أسألك باسمك الطاهر الطيب المبارك الأحب إليك الذي إذا دعيت به أجبت وإذا سئلت به أعطيت وإذا استرحمت به رحمت وإذا استفرجت به فرجت " . قالت وقال ذات يوم " يا عائشة هل علمت أن الله قد دلني على الاسم الذي إذا دعي به أجاب " . قالت فقلت يا رسول الله بأبي أنت وأمي فعلمنيه . قال " إنه لا ينبغي لك يا عائشة " . قالت فتنحيت وجلست ساعة ثم قمت فقبلت رأسه ثم قلت يا رسول الله علمنيه . قال " إنه لا ينبغي لك يا عائشة أن أعلمك إنه لا ينبغي لك أن تسألي به شيئا من الدنيا " . قالت فقمت فتوضأت ثم صليت ركعتين ثم قلت اللهم إني أدعوك الله وأدعوك الرحمن وأدعوك البر الرحيم وأدعوك بأسمائك الحسنى كلها ما علمت منها وما لم أعلم أن تغفر لي وترحمني . قالت فاستضحك رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثم قال " إنه لفي الأسماء التي دعوت بها " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট আপনার পবিত্র, উত্তম, বরকতপূর্ণ এবং আপনার অধিক প্রিয় নামের ওয়াসীলায় আপনার নিকট প্রার্থনা করছি, যে নামের ওয়াসীলায় আপনাকে ডাকলে আপনি সাড়া দেন, যে নামের ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে আপনি দান করেন, যে নামের ওয়াসীলায় রহমত প্রার্থনা করা হলে আপনি রহমত নাযিল করেন এবং যে নামের ওয়াসীলায় বিপদমুক্তি কামনা করা হলে আপনি বিপদমুক্ত করেন’’। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, একদিন তিনি বললেনঃ হে আয়িশাহ! তুমি কি জানো, আল্লাহ্ আমাকে সেই নামটি বলে দিয়েছেন, যে নামের ওয়াসীলায় ডাকলে তিনি সাড়া দেন? আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, তা আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! তা তোমার পক্ষে সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, তখন আমি সরে গিয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম, অতঃপর উঠে দাঁড়িয়ে তাঁর মাথায় চুমা দিয়ে বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! তা আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! তা তোমার পক্ষে সম্ভব হবে না। আমি যদি তোমাকে শিখিয়ে দেই তবে সেই নামের ওয়াসীলায় পার্থিব জগতের কিছু প্রার্থনা করা তোমার জন্য সংগত হবে না। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমি উঠে গিয়ে উযু করার এবং দু’ রাক’আত নামায পড়ার পর বললাম, ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমাকে ‘আল্লাহ্’ নামে ডাকছি, আমি তোমাকে রহমান নামে ডাকছি, আমি তোমাকে ‘বাররুর রহীম’ নামে ডাকছি এবং আমি তোমাকে আমার জানা-অজানা তোমার যাবতীয় সর্বোত্তম নামে ডাকছি, তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি দয়া করো। ’’ আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অকৃত্রিম হাসি দিলেন, অতঃপর বললেনঃ তুমি যেসব নামে ডাকলে, সেই নামটি অবশ্যই এগুলোর মধ্যে আছে। [৩১৯১]
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট আপনার পবিত্র, উত্তম, বরকতপূর্ণ এবং আপনার অধিক প্রিয় নামের ওয়াসীলায় আপনার নিকট প্রার্থনা করছি, যে নামের ওয়াসীলায় আপনাকে ডাকলে আপনি সাড়া দেন, যে নামের ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে আপনি দান করেন, যে নামের ওয়াসীলায় রহমত প্রার্থনা করা হলে আপনি রহমত নাযিল করেন এবং যে নামের ওয়াসীলায় বিপদমুক্তি কামনা করা হলে আপনি বিপদমুক্ত করেন’’। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, একদিন তিনি বললেনঃ হে আয়িশাহ! তুমি কি জানো, আল্লাহ্ আমাকে সেই নামটি বলে দিয়েছেন, যে নামের ওয়াসীলায় ডাকলে তিনি সাড়া দেন? আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, তা আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! তা তোমার পক্ষে সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, তখন আমি সরে গিয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম, অতঃপর উঠে দাঁড়িয়ে তাঁর মাথায় চুমা দিয়ে বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! তা আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! তা তোমার পক্ষে সম্ভব হবে না। আমি যদি তোমাকে শিখিয়ে দেই তবে সেই নামের ওয়াসীলায় পার্থিব জগতের কিছু প্রার্থনা করা তোমার জন্য সংগত হবে না। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমি উঠে গিয়ে উযু করার এবং দু’ রাক’আত নামায পড়ার পর বললাম, ‘‘হে আল্লাহ্! আমি তোমাকে ‘আল্লাহ্’ নামে ডাকছি, আমি তোমাকে রহমান নামে ডাকছি, আমি তোমাকে ‘বাররুর রহীম’ নামে ডাকছি এবং আমি তোমাকে আমার জানা-অজানা তোমার যাবতীয় সর্বোত্তম নামে ডাকছি, তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি দয়া করো। ’’ আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অকৃত্রিম হাসি দিলেন, অতঃপর বললেনঃ তুমি যেসব নামে ডাকলে, সেই নামটি অবশ্যই এগুলোর মধ্যে আছে। [৩১৯১]
حدثنا أبو يوسف الصيدلاني، محمد بن أحمد الرقي حدثنا محمد بن سلمة، عن الفزاري، عن أبي شيبة، عن عبد الله بن عكيم الجهني، عن عائشة، قالت سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " اللهم إني أسألك باسمك الطاهر الطيب المبارك الأحب إليك الذي إذا دعيت به أجبت وإذا سئلت به أعطيت وإذا استرحمت به رحمت وإذا استفرجت به فرجت " . قالت وقال ذات يوم " يا عائشة هل علمت أن الله قد دلني على الاسم الذي إذا دعي به أجاب " . قالت فقلت يا رسول الله بأبي أنت وأمي فعلمنيه . قال " إنه لا ينبغي لك يا عائشة " . قالت فتنحيت وجلست ساعة ثم قمت فقبلت رأسه ثم قلت يا رسول الله علمنيه . قال " إنه لا ينبغي لك يا عائشة أن أعلمك إنه لا ينبغي لك أن تسألي به شيئا من الدنيا " . قالت فقمت فتوضأت ثم صليت ركعتين ثم قلت اللهم إني أدعوك الله وأدعوك الرحمن وأدعوك البر الرحيم وأدعوك بأسمائك الحسنى كلها ما علمت منها وما لم أعلم أن تغفر لي وترحمني . قالت فاستضحك رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثم قال " إنه لفي الأسماء التي دعوت بها " .