সুনানে ইবনে মাজাহ > যে কেউ নিজ সহযোগীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭১৬
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن أبي يحيى الطويل، - رجل من أهل الكوفة - عن زيد العمي، عن أنس بن مالك، قال كان النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا لقي الرجل فكلمه لم يصرف وجهه عنه حتى يكون هو الذي ينصرف وإذا صافحه لم ينزع يده من يده حتى يكون هو الذي ينزعها ولم ير متقدما بركبتيه جليسا له قط .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন ব্যক্তির সাথে সাক্ষাত করতেন এবং কথা বলতেন, তখন সে মুখ ফিরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত তিনি তাঁর মুখ ফিরিয়ে নিতেন না এবং যখন কারো সাথে মুসাফাহা করতেন, তখন সে তার হাত সরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত তিনি তার থেকে নিজের হাত সরিয়ে নিতেন না। তাঁর সাথে উপবিষ্ট লোকেদের দিকে পা ছড়িয়ে দিয়ে তাঁকে কখনো বসতে দেখা যায় নি। [৩০৪৮] তাহকীক আলবানী : মুসাফাহার কথা ব্যতীত দুর্বল। কেননা মুসাফাহার কথাটি প্রমাণিত।
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন ব্যক্তির সাথে সাক্ষাত করতেন এবং কথা বলতেন, তখন সে মুখ ফিরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত তিনি তাঁর মুখ ফিরিয়ে নিতেন না এবং যখন কারো সাথে মুসাফাহা করতেন, তখন সে তার হাত সরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত তিনি তার থেকে নিজের হাত সরিয়ে নিতেন না। তাঁর সাথে উপবিষ্ট লোকেদের দিকে পা ছড়িয়ে দিয়ে তাঁকে কখনো বসতে দেখা যায় নি। [৩০৪৮] তাহকীক আলবানী : মুসাফাহার কথা ব্যতীত দুর্বল। কেননা মুসাফাহার কথাটি প্রমাণিত।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن أبي يحيى الطويل، - رجل من أهل الكوفة - عن زيد العمي، عن أنس بن مالك، قال كان النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا لقي الرجل فكلمه لم يصرف وجهه عنه حتى يكون هو الذي ينصرف وإذا صافحه لم ينزع يده من يده حتى يكون هو الذي ينزعها ولم ير متقدما بركبتيه جليسا له قط .
সুনানে ইবনে মাজাহ > কোন ব্যক্তি মজলিসে নিজ স্থান থেকে উঠে গিয়ে আবার ফিরে এলে সে-ই উক্ত স্থানের অধিক হকদার
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭১৭
حدثنا عمرو بن رافع، حدثنا جرير، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إذا قام أحدكم عن مجلسه ثم رجع فهو أحق به " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ তার বসার স্থান থেকে উঠে গিয়ে আবার ফিরে এলে সে-ই উক্ত স্থানের অধিক হকদার। [৩০৪৯]
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ তার বসার স্থান থেকে উঠে গিয়ে আবার ফিরে এলে সে-ই উক্ত স্থানের অধিক হকদার। [৩০৪৯]
حدثنا عمرو بن رافع، حدثنا جرير، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إذا قام أحدكم عن مجلسه ثم رجع فهو أحق به " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > ওযর বা অপারগতা প্রকাশ
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭১৮
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن ابن ميناء، عن جودان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من اعتذر إلى أخيه بمعذرة فلم يقبلها كان عليه مثل خطيئة صاحب مكس " .
জূওদান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের নিকট ওযর বা অপারগতা প্রকাশ করলে এবং সে তা গ্রহণ না করলে, সে কর আদায়কারীর অপরাধের সমান অপরাধী গণ্য হবে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ২/৩৭১৮ (১). জূওদান (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [৩০৫০]
জূওদান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের নিকট ওযর বা অপারগতা প্রকাশ করলে এবং সে তা গ্রহণ না করলে, সে কর আদায়কারীর অপরাধের সমান অপরাধী গণ্য হবে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ২/৩৭১৮ (১). জূওদান (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [৩০৫০]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن ابن ميناء، عن جودان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من اعتذر إلى أخيه بمعذرة فلم يقبلها كان عليه مثل خطيئة صاحب مكس " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > রসিকতা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭২০
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن أبي التياح، قال سمعت أنس بن مالك، يقول كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يخالطنا حتى يقول لأخ لي صغير " يا أبا عمير ما فعل النغير " . قال وكيع يعني طيرا كان يلعب به .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে মেলামেশা করতেন, এমনকি তিনি আমার এক ছোট ভাইকে বলতেন : হে আবূ উমায়র! কী করেছে নুগায়র? ওয়াকী’ (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ যে পাখিটি নিয়ে আবূ উমাইর খেলা করতো। [৩০৫২]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে মেলামেশা করতেন, এমনকি তিনি আমার এক ছোট ভাইকে বলতেন : হে আবূ উমায়র! কী করেছে নুগায়র? ওয়াকী’ (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ যে পাখিটি নিয়ে আবূ উমাইর খেলা করতো। [৩০৫২]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن أبي التياح، قال سمعت أنس بن مالك، يقول كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يخالطنا حتى يقول لأخ لي صغير " يا أبا عمير ما فعل النغير " . قال وكيع يعني طيرا كان يلعب به .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭১৯
حدثنا أبو بكر، حدثنا وكيع، عن زمعة بن صالح، عن الزهري، عن وهب بن عبد بن زمعة، عن أم سلمة، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا زمعة بن صالح، عن الزهري، عن عبد الله بن وهب بن زمعة، عن أم سلمة، قالت خرج أبو بكر في تجارة إلى بصرى قبل موت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بعام ومعه نعيمان وسويبط بن حرملة وكانا شهدا بدرا وكان نعيمان على الزاد وكان سويبط رجلا مزاحا فقال لنعيمان أطعمني . قال حتى يجيء أبو بكر . قال فلأغيظنك . قال فمروا بقوم فقال لهم سويبط تشترون مني عبدا لي قالوا نعم . قال إنه عبد له كلام وهو قائل لكم إني حر . فإن كنتم إذا قال لكم هذه المقالة تركتموه فلا تفسدوا على عبدي . قالوا لا بل نشتريه منك . فاشتروه منه بعشر قلائص ثم أتوه فوضعوا في عنقه عمامة أو حبلا . فقال نعيمان إن هذا يستهزئ بكم وإني حر لست بعبد . فقالوا قد أخبرنا خبرك . فانطلقوا به فجاء أبو بكر فأخبروه بذلك . قال فاتبع القوم ورد عليهم القلائص وأخذ نعيمان . قال فلما قدموا على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأخبروه . قال فضحك النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأصحابه منه حولا .
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের এক বছর পূর্বে আবূ বকর (রাঃ) ব্যবসা উপলক্ষে বুসরা যান। নুআয়মান (রাঃ) এবং হারমালাহ’র পুত্র সুয়ায়বিত (রাঃ) তার সাথে ছিলেন। তারা উভয়ে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। নুআয়মান (রাঃ) রসদপত্রের দায়িত্বে ছিলেন। সুয়ায়বিত (রাঃ) ছিলেন কৌতুকপ্রিয়। তিনি নুআয়মান (রাঃ) কে বলেন, আমাকে কিছু আহার দিন। তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তিনি বলেন, না, আমি আপনাকে পেরেশান করে ছাড়বো। রাবী বলেন, অতঃপর তারা একদল লোককে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন। সুয়ায়বিত (রাঃ) তাদের বলেন, তোমরা কি আমার নিকট থেকে আমার একটি গোলাম খরিদ করবে? তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, সে এমন গোলাম যার একটা কথা আছে। সে তোমাদের বলবে, আমি স্বাধীন। তোমরা তার এ কথায় বিশ্বাস করে তাকে ছেড়ে দিয়ে আমাকে কিন্তু আমার এ গোলামের ব্যাপারে ফ্যাসাদে ফেলো না যেন। তারা বললো, না, আমরা বরং তাকে তোমার থেকে ক্রয় করবো। তারা তার থেকে তাকে দশটি উটের বিনিময়ে ক্রয় করে তার নিকট এলো। তারা তার গলায় পাগড়ি অথবা রশি বাঁধলো। নুআয়মান (রাঃ) বলেন, এই লোক কিন্তু তোমাদের সাথে উপহাস করেছে, সত্যি আমি স্বাধীন, গোলাম নই। তারা বললো, তোমার ব্যাপারটা আমাদের অবহিত করা হয়েছে। তারা তাঁকে নিয়ে চলে গেল। ইতোমধ্যে আবূ বকর (রাঃ) এসে গেলে তাঁর সঙ্গীরা তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলেন। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি তাদের নিকট গেলেন এবং তাদের উট তাদেরকে ফেরত দিয়ে নুআয়মান (রাঃ) কে ছাড়িয়ে আনলেন। রাবী বলেন, তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে বিষয়টি তাঁকে অবহিত করেন। রাবী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ তাকে নিয়ে (এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে) প্রায় এক বছর হাসি-তামাশা করেন। [৩০৫১]
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের এক বছর পূর্বে আবূ বকর (রাঃ) ব্যবসা উপলক্ষে বুসরা যান। নুআয়মান (রাঃ) এবং হারমালাহ’র পুত্র সুয়ায়বিত (রাঃ) তার সাথে ছিলেন। তারা উভয়ে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। নুআয়মান (রাঃ) রসদপত্রের দায়িত্বে ছিলেন। সুয়ায়বিত (রাঃ) ছিলেন কৌতুকপ্রিয়। তিনি নুআয়মান (রাঃ) কে বলেন, আমাকে কিছু আহার দিন। তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তিনি বলেন, না, আমি আপনাকে পেরেশান করে ছাড়বো। রাবী বলেন, অতঃপর তারা একদল লোককে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন। সুয়ায়বিত (রাঃ) তাদের বলেন, তোমরা কি আমার নিকট থেকে আমার একটি গোলাম খরিদ করবে? তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, সে এমন গোলাম যার একটা কথা আছে। সে তোমাদের বলবে, আমি স্বাধীন। তোমরা তার এ কথায় বিশ্বাস করে তাকে ছেড়ে দিয়ে আমাকে কিন্তু আমার এ গোলামের ব্যাপারে ফ্যাসাদে ফেলো না যেন। তারা বললো, না, আমরা বরং তাকে তোমার থেকে ক্রয় করবো। তারা তার থেকে তাকে দশটি উটের বিনিময়ে ক্রয় করে তার নিকট এলো। তারা তার গলায় পাগড়ি অথবা রশি বাঁধলো। নুআয়মান (রাঃ) বলেন, এই লোক কিন্তু তোমাদের সাথে উপহাস করেছে, সত্যি আমি স্বাধীন, গোলাম নই। তারা বললো, তোমার ব্যাপারটা আমাদের অবহিত করা হয়েছে। তারা তাঁকে নিয়ে চলে গেল। ইতোমধ্যে আবূ বকর (রাঃ) এসে গেলে তাঁর সঙ্গীরা তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলেন। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি তাদের নিকট গেলেন এবং তাদের উট তাদেরকে ফেরত দিয়ে নুআয়মান (রাঃ) কে ছাড়িয়ে আনলেন। রাবী বলেন, তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে বিষয়টি তাঁকে অবহিত করেন। রাবী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ তাকে নিয়ে (এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে) প্রায় এক বছর হাসি-তামাশা করেন। [৩০৫১]
حدثنا أبو بكر، حدثنا وكيع، عن زمعة بن صالح، عن الزهري، عن وهب بن عبد بن زمعة، عن أم سلمة، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا زمعة بن صالح، عن الزهري، عن عبد الله بن وهب بن زمعة، عن أم سلمة، قالت خرج أبو بكر في تجارة إلى بصرى قبل موت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بعام ومعه نعيمان وسويبط بن حرملة وكانا شهدا بدرا وكان نعيمان على الزاد وكان سويبط رجلا مزاحا فقال لنعيمان أطعمني . قال حتى يجيء أبو بكر . قال فلأغيظنك . قال فمروا بقوم فقال لهم سويبط تشترون مني عبدا لي قالوا نعم . قال إنه عبد له كلام وهو قائل لكم إني حر . فإن كنتم إذا قال لكم هذه المقالة تركتموه فلا تفسدوا على عبدي . قالوا لا بل نشتريه منك . فاشتروه منه بعشر قلائص ثم أتوه فوضعوا في عنقه عمامة أو حبلا . فقال نعيمان إن هذا يستهزئ بكم وإني حر لست بعبد . فقالوا قد أخبرنا خبرك . فانطلقوا به فجاء أبو بكر فأخبروه بذلك . قال فاتبع القوم ورد عليهم القلائص وأخذ نعيمان . قال فلما قدموا على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأخبروه . قال فضحك النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأصحابه منه حولا .