সুনানে ইবনে মাজাহ > জায়েয ঝাড়ফুঁক সম্পর্কে ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫১৩
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا إسحاق بن سليمان، عن أبي جعفر الرازي، عن حصين، عن الشعبي، عن بريدة بن الحصيب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لا رقية إلا من عين أو حمة " .
বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বদনজর ও বিষাক্ত প্রাণীর দংশন ছাড়া অন্য কিছুতে ঝাড়ফুঁক বৈধ নয়। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
বুরায়দাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বদনজর ও বিষাক্ত প্রাণীর দংশন ছাড়া অন্য কিছুতে ঝাড়ফুঁক বৈধ নয়। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا إسحاق بن سليمان، عن أبي جعفر الرازي، عن حصين، عن الشعبي، عن بريدة بن الحصيب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لا رقية إلا من عين أو حمة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫১৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن محمد بن عمارة، عن أبي بكر بن محمد، أن خالدة بنت أنس أم بني حزم الساعدية، جاءت إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فعرضت عليه الرقى فأمرها بها .
আনাস এর কন্যা উম্মু বানী হাযম খালিদাহ আস-সাইদিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসেন এবং ঝাড়ফুঁক করার মন্ত্র পেশ করেন। তিনি তাকে তা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন। [৩৫১৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আনাস এর কন্যা উম্মু বানী হাযম খালিদাহ আস-সাইদিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসেন এবং ঝাড়ফুঁক করার মন্ত্র পেশ করেন। তিনি তাকে তা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন। [৩৫১৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن محمد بن عمارة، عن أبي بكر بن محمد، أن خالدة بنت أنس أم بني حزم الساعدية، جاءت إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فعرضت عليه الرقى فأمرها بها .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫১৫
حدثنا علي بن أبي الخصيب، حدثنا يحيى بن عيسى، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كان أهل بيت من الأنصار يقال لهم آل عمرو بن حزم يرقون من الحمة وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قد نهى عن الرقى فأتوه فقالوا يا رسول الله إنك قد نهيت عن الرقى وإنا نرقي من الحمة . فقال لهم " اعرضوا على " . فعرضوها عليه فقال " لا بأس بهذه هذه مواثيق " .
জাবির (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত আমর বিন হাযম নামক পরিবার বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁক করতো। অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঝাড়ফুঁক করতে নিষেধ করেছেন। তারা তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো ঝাড়ফুঁক করতে নিষেধ করেছেন, অথচ আমরা বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁক করি। তিনি তাদের বলেনঃ সেগুলো আমার সামনে পেশ করো। তারা তা তাঁর নিকট পেশ করেন। তিনি বলেনঃ এগুলো দোষের কিছু নেই। এগুলো নির্ভরযোগ্য। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জাবির (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত আমর বিন হাযম নামক পরিবার বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁক করতো। অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঝাড়ফুঁক করতে নিষেধ করেছেন। তারা তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো ঝাড়ফুঁক করতে নিষেধ করেছেন, অথচ আমরা বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁক করি। তিনি তাদের বলেনঃ সেগুলো আমার সামনে পেশ করো। তারা তা তাঁর নিকট পেশ করেন। তিনি বলেনঃ এগুলো দোষের কিছু নেই। এগুলো নির্ভরযোগ্য। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا علي بن أبي الخصيب، حدثنا يحيى بن عيسى، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كان أهل بيت من الأنصار يقال لهم آل عمرو بن حزم يرقون من الحمة وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قد نهى عن الرقى فأتوه فقالوا يا رسول الله إنك قد نهيت عن الرقى وإنا نرقي من الحمة . فقال لهم " اعرضوا على " . فعرضوها عليه فقال " لا بأس بهذه هذه مواثيق " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫১৬
حدثنا عبدة بن عبد الله، حدثنا معاوية بن هشام، حدثنا سفيان، عن عاصم، عن يوسف بن عبد الله بن الحارث، عن أنس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رخص في الرقية من الحمة والعين والنملة .
আনাস (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিষাক্ত প্রাণীর দংশন, বদনজর ও ব্রণ-ফুসকুড়ি (pimple) সারাতে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আনাস (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিষাক্ত প্রাণীর দংশন, বদনজর ও ব্রণ-ফুসকুড়ি (pimple) সারাতে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا عبدة بن عبد الله، حدثنا معاوية بن هشام، حدثنا سفيان، عن عاصم، عن يوسف بن عبد الله بن الحارث، عن أنس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رخص في الرقية من الحمة والعين والنملة .
সুনানে ইবনে মাজাহ > সাপ, বিছা ইত্যাদির দংশনে ঝাড়ফুঁক
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫১৭
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت رخص رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الرقية من الحية والعقرب .
আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাপ ও বিছার দংশনে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। তাহকীক আলবানীঃ সনদ সহীহ
আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাপ ও বিছার দংশনে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। তাহকীক আলবানীঃ সনদ সহীহ
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت رخص رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الرقية من الحية والعقرب .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫১৮
حدثنا إسماعيل بن بهرام، حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال لدغت عقرب رجلا فلم ينم ليلته فقيل للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ إن فلانا لدغته عقرب فلم ينم ليلته . فقال " أما إنه لو قال حين أمسى أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق - ما ضره لدغ عقرب حتى يصبح " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
একটি বিছা এক ব্যক্তিকে দংশন করলে ঐ রাতে সে আর ঘুমাতে পারেনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলা হলো, অমুক ব্যক্তিকে বিছায় দংশন করায় সে গত রাতে ঘুমাতে পারেনি। তিনি বলেনঃ আহা, সে যদি সন্ধ্যায় উপনিত হয়ে বলতো, “আউযূ বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক” (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের ওয়াসিলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই), তাহলে বিছার দংশন সকাল পর্যন্ত তার কোন ক্ষতি করতে পারতো না। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
একটি বিছা এক ব্যক্তিকে দংশন করলে ঐ রাতে সে আর ঘুমাতে পারেনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলা হলো, অমুক ব্যক্তিকে বিছায় দংশন করায় সে গত রাতে ঘুমাতে পারেনি। তিনি বলেনঃ আহা, সে যদি সন্ধ্যায় উপনিত হয়ে বলতো, “আউযূ বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক” (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের ওয়াসিলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই), তাহলে বিছার দংশন সকাল পর্যন্ত তার কোন ক্ষতি করতে পারতো না। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا إسماعيل بن بهرام، حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال لدغت عقرب رجلا فلم ينم ليلته فقيل للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ إن فلانا لدغته عقرب فلم ينم ليلته . فقال " أما إنه لو قال حين أمسى أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق - ما ضره لدغ عقرب حتى يصبح " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫১৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عثمان بن حكيم، حدثني أبو بكر بن عمرو بن حزم، عن عمرو بن حزم، قال عرضت النهشة من الحية على رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فأمر بها .
আমর বিন হাযম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে আমি সর্পদংশনের ঝাড়ফুঁকের দুআ’ পেশ করলে তিনি আমাকে এর অনুমতি দেন। [৩৫১৯] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দুর্বল।
আমর বিন হাযম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে আমি সর্পদংশনের ঝাড়ফুঁকের দুআ’ পেশ করলে তিনি আমাকে এর অনুমতি দেন। [৩৫১৯] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দুর্বল।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عثمان بن حكيم، حدثني أبو بكر بن عمرو بن حزم، عن عمرو بن حزم، قال عرضت النهشة من الحية على رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فأمر بها .
সুনানে ইবনে মাজাহ > মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে দুআ’ পড়ে ঝাড়ফুঁক করেছেন এবং তাঁকে যে দুআ’ পড়ে ঝাড়ফুঁক করা হয়েছে
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة، قالت كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا أتى المريض فدعا له قال " أذهب الباس رب الناس واشف أنت الشافي لا شفاء إلا شفاؤك شفاء لا يغادر سقما " .
আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন রোগীর নিকট এলে তিনি এই দুআ’ করতেনঃ “আযহিবিল বাসা রব্বানা নাস ওয়াশফে আনতাশ শাফী লা শিফাউকা শিফাআন লা ইউগাদিরু সাকামান” (হে মানুষের প্রভু! ব্যাধি ও কষ্ট দূর করে দাও, রোগমুক্তি দান করো তুমিই আরোগ্য দানকারী, তোমার আরোগ্য দানই আসল, যা কোন রোগকেই ছাড়ে না)। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন রোগীর নিকট এলে তিনি এই দুআ’ করতেনঃ “আযহিবিল বাসা রব্বানা নাস ওয়াশফে আনতাশ শাফী লা শিফাউকা শিফাআন লা ইউগাদিরু সাকামান” (হে মানুষের প্রভু! ব্যাধি ও কষ্ট দূর করে দাও, রোগমুক্তি দান করো তুমিই আরোগ্য দানকারী, তোমার আরোগ্য দানই আসল, যা কোন রোগকেই ছাড়ে না)। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة، قالت كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا أتى المريض فدعا له قال " أذهب الباس رب الناس واشف أنت الشافي لا شفاء إلا شفاؤك شفاء لا يغادر سقما " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان، عن عبد ربه، عن عمرة، عن عائشة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان مما يقول للمريض ببزاقه بإصبعه " بسم الله بتربة أرضنا بريقة بعضنا ليشفى سقيمنا بإذن ربنا " .
আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর আংগুলে লালা লাগিয়ে রোগীর জন্য এই বলে দুআ’ করতেনঃ “বিসমিল্লাহ তুরবাতু আরদিনা বিরীকাতি বা’দিনা লিয়ুশফা সাকীমুনা বিইযনি রব্বিনা” (আল্লাহর নামে আমাদের এ যমীনের মাটি আমাদের কারো লালার সাথে মিশিয়ে দিলাম, যেন তাতে আমাদের প্রভুর নির্দেশে আমাদের রোগী আরোগ্য লাভ করে) তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর আংগুলে লালা লাগিয়ে রোগীর জন্য এই বলে দুআ’ করতেনঃ “বিসমিল্লাহ তুরবাতু আরদিনা বিরীকাতি বা’দিনা লিয়ুশফা সাকীমুনা বিইযনি রব্বিনা” (আল্লাহর নামে আমাদের এ যমীনের মাটি আমাদের কারো লালার সাথে মিশিয়ে দিলাম, যেন তাতে আমাদের প্রভুর নির্দেশে আমাদের রোগী আরোগ্য লাভ করে) তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان، عن عبد ربه، عن عمرة، عن عائشة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان مما يقول للمريض ببزاقه بإصبعه " بسم الله بتربة أرضنا بريقة بعضنا ليشفى سقيمنا بإذن ربنا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২৩
حدثنا بشر بن هلال الصواف، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن جبرائيل، أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا محمد اشتكيت قال " نعم " . قال بسم الله أرقيك من كل شىء يؤذيك من شر كل نفس أو عين أو حاسد الله يشفيك بسم الله أرقيك .
আবূ সাঈদ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
জিবরাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেনঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি কি রোগাক্রান্ত হয়েছেন? তিনি বলেনঃ হাঁ। জিবরাঈল (আঃ) বলেন, “বিসমিল্লাহি আরকীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইউযিকা মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আয়নিন আও হাসিদিন, আল্লাহু ইয়াশফীকা বিসমিল্লাহি আরকীকা” (আমি আল্লাহর নামে এমন প্রতিটি জিনিস থেকে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি যা আপনাকে কষ্ট দেয়, প্রতিটি সৃষ্টিজীবের এবং প্রতিটি চোখের এবং প্রতিটি হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি। আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুন। আমি আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি)। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আবূ সাঈদ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
জিবরাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেনঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি কি রোগাক্রান্ত হয়েছেন? তিনি বলেনঃ হাঁ। জিবরাঈল (আঃ) বলেন, “বিসমিল্লাহি আরকীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইউযিকা মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আয়নিন আও হাসিদিন, আল্লাহু ইয়াশফীকা বিসমিল্লাহি আরকীকা” (আমি আল্লাহর নামে এমন প্রতিটি জিনিস থেকে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি যা আপনাকে কষ্ট দেয়, প্রতিটি সৃষ্টিজীবের এবং প্রতিটি চোখের এবং প্রতিটি হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি। আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুন। আমি আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি)। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا بشر بن هلال الصواف، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن جبرائيل، أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا محمد اشتكيت قال " نعم " . قال بسم الله أرقيك من كل شىء يؤذيك من شر كل نفس أو عين أو حاسد الله يشفيك بسم الله أرقيك .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২৫
حدثنا محمد بن سليمان بن هشام البغدادي، حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا أبو عامر، قالا حدثنا سفيان، عن منصور، عن منهال، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كان النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يعوذ الحسن والحسين يقول " أعوذ بكلمات الله التامة من كل شيطان وهامة ومن كل عين لامة " . قال " وكان أبونا إبراهيم يعوذ بها إسماعيل وإسحاق " . أو قال " إسماعيل ويعقوب " . وهذا حديث وكيع .
ইবনু আব্বাস (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে ঝাড়ফুঁক করে বলতেনঃ “আউযু বিকালিমা তিল্লাহি তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়তানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আয়নিল লাম্মাতিন” (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কল্যাণময় বাক্যাবলির ওয়াসীলায় প্রতিটি শয়তান, প্রাণনাশী বিষাক্ত জীব ও অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি)। তিনি বলতেনঃ আমাদের পিতা ইসমাইল (আঃ) ও ইয়া’কূব (আঃ)-কে এই দুআ’ পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন অথবা রাবী বলেছেন, ইসমাইল (আঃ) ও ইয়া’কূব (আঃ)-কে ঝাড়ফুঁক করতেন। শেষোক্ত বর্ণনা ওয়াকী’ (রহঃ)-এর। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে ঝাড়ফুঁক করে বলতেনঃ “আউযু বিকালিমা তিল্লাহি তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়তানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আয়নিল লাম্মাতিন” (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কল্যাণময় বাক্যাবলির ওয়াসীলায় প্রতিটি শয়তান, প্রাণনাশী বিষাক্ত জীব ও অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি)। তিনি বলতেনঃ আমাদের পিতা ইসমাইল (আঃ) ও ইয়া’কূব (আঃ)-কে এই দুআ’ পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন অথবা রাবী বলেছেন, ইসমাইল (আঃ) ও ইয়া’কূব (আঃ)-কে ঝাড়ফুঁক করতেন। শেষোক্ত বর্ণনা ওয়াকী’ (রহঃ)-এর। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن سليمان بن هشام البغدادي، حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا أبو عامر، قالا حدثنا سفيان، عن منصور، عن منهال، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كان النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يعوذ الحسن والحسين يقول " أعوذ بكلمات الله التامة من كل شيطان وهامة ومن كل عين لامة " . قال " وكان أبونا إبراهيم يعوذ بها إسماعيل وإسحاق " . أو قال " إسماعيل ويعقوب " . وهذا حديث وكيع .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২৪
حدثنا محمد بن بشار، وحفص بن عمر، قالا حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن عاصم بن عبيد الله، عن زياد بن ثويب، عن أبي هريرة، قال جاء النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يعودني فقال لي " ألا أرقيك برقية جاءني بها جبرائيل " . قلت بأبي وأمي بلى يا رسول الله . قال " بسم الله أرقيك والله يشفيك من كل داء فيك من شر النفاثات في العقد ومن شر حاسد إذا حسد " . ثلاث مرات .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে এসে বলেনঃ জিবরাঈল (আঃ) ঝাড়ফুঁকের যে দুআ’ সহ আমার নিকট এসেছিলেন, সেই দুআ’ দিয়ে আমি কি তোমাকে ঝাড়ফুঁক করবো না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক! হাঁ ঝাড়ফুঁক করুন। তিনি তিনবার বললেনঃ “বিসমিল্লাহি আরকীকা ওয়াল্লাহু ইয়াশফীকা মিন কুল্লি দাইন ফীকা মিন শাররিন নাফ্ফাছাত ফিল উকাদ ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ” (আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়ছি, আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করুন, তোমার ভেতরের সমস্ত রোগ থেকে, সমস্ত নারীর অনিষ্ট থেকে যারা গ্রন্থিতে ফুৎকার দেয় এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে)। [৩৫২৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে এসে বলেনঃ জিবরাঈল (আঃ) ঝাড়ফুঁকের যে দুআ’ সহ আমার নিকট এসেছিলেন, সেই দুআ’ দিয়ে আমি কি তোমাকে ঝাড়ফুঁক করবো না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক! হাঁ ঝাড়ফুঁক করুন। তিনি তিনবার বললেনঃ “বিসমিল্লাহি আরকীকা ওয়াল্লাহু ইয়াশফীকা মিন কুল্লি দাইন ফীকা মিন শাররিন নাফ্ফাছাত ফিল উকাদ ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ” (আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়ছি, আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করুন, তোমার ভেতরের সমস্ত রোগ থেকে, সমস্ত নারীর অনিষ্ট থেকে যারা গ্রন্থিতে ফুৎকার দেয় এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে)। [৩৫২৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا محمد بن بشار، وحفص بن عمر، قالا حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن عاصم بن عبيد الله، عن زياد بن ثويب، عن أبي هريرة، قال جاء النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يعودني فقال لي " ألا أرقيك برقية جاءني بها جبرائيل " . قلت بأبي وأمي بلى يا رسول الله . قال " بسم الله أرقيك والله يشفيك من كل داء فيك من شر النفاثات في العقد ومن شر حاسد إذا حسد " . ثلاث مرات .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২২
حدثنا أبو بكر، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا زهير بن محمد، عن يزيد بن خصيفة، عن عمرو بن عبد الله بن كعب، عن نافع بن جبير، عن عثمان بن أبي العاص الثقفي، أنه قال قدمت على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وبي وجع قد كاد يبطلني فقال لي النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اجعل يدك اليمنى عليه وقل بسم الله أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد وأحاذر سبع مرات " . فقلت ذلك فشفاني الله .
উসমান বিন আবুল আস আস-সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মারাত্মক ব্যথা নিয়ে উপস্থিত হলাম, যা আমাকে অকেজো প্রায় করেছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ তুমি তোমার বাম হাত ব্যথার স্থানে রেখে সাতবার বলোঃ “আউযু বি-ইজ্জাতিল্লাহি ওয়া কুদরাতিহী মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহাযিরু” (আল্লাহর নামে আমি আল্লাহর অসীম সম্মান ও তাঁর বিশাল ক্ষমতার ওয়াসিলায় আমার অনুভূত এই ব্যথার ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি)। [৩৫২২]
উসমান বিন আবুল আস আস-সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মারাত্মক ব্যথা নিয়ে উপস্থিত হলাম, যা আমাকে অকেজো প্রায় করেছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ তুমি তোমার বাম হাত ব্যথার স্থানে রেখে সাতবার বলোঃ “আউযু বি-ইজ্জাতিল্লাহি ওয়া কুদরাতিহী মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহাযিরু” (আল্লাহর নামে আমি আল্লাহর অসীম সম্মান ও তাঁর বিশাল ক্ষমতার ওয়াসিলায় আমার অনুভূত এই ব্যথার ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি)। [৩৫২২]
حدثنا أبو بكر، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا زهير بن محمد، عن يزيد بن خصيفة، عن عمرو بن عبد الله بن كعب، عن نافع بن جبير، عن عثمان بن أبي العاص الثقفي، أنه قال قدمت على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وبي وجع قد كاد يبطلني فقال لي النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اجعل يدك اليمنى عليه وقل بسم الله أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد وأحاذر سبع مرات " . فقلت ذلك فشفاني الله .
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে দুআ’ পড়ে জ্বরের ঝাড়ফুঁক করা হয়
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২৭
حدثنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا أبي، عن ابن ثوبان، عن عمير، أنه سمع جنادة بن أبي أمية، قال سمعت عبادة بن الصامت، يقول أتى جبرائيل عليه السلام النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو يوعك فقال بسم الله أرقيك من كل شىء يؤذيك من حسد حاسد ومن كل عين الله يشفيك .
উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
জিবরাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জ্বরাক্রান্ত অবস্থায় তাঁর নিকট আসেন। তিনি তাকে ঝাড়ফুঁক করে বলেনঃ “বিসমিল্লাহি আরকীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইয়ুযীকা মিন হাসাদি হাসিদিন ওয়া মিন কুল্লি আয়নিন আল্লাহু ইয়াশফীকা” (আমি আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি এমন প্রতিটি জিনিস থেকে যা আপনাকে কষ্ট দেয়, হিংসুকের হিংসা থেকে এবং সকল বদনযর থেকে, আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুন)। [৩৫২৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
জিবরাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জ্বরাক্রান্ত অবস্থায় তাঁর নিকট আসেন। তিনি তাকে ঝাড়ফুঁক করে বলেনঃ “বিসমিল্লাহি আরকীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইয়ুযীকা মিন হাসাদি হাসিদিন ওয়া মিন কুল্লি আয়নিন আল্লাহু ইয়াশফীকা” (আমি আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি এমন প্রতিটি জিনিস থেকে যা আপনাকে কষ্ট দেয়, হিংসুকের হিংসা থেকে এবং সকল বদনযর থেকে, আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুন)। [৩৫২৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا أبي، عن ابن ثوبان، عن عمير، أنه سمع جنادة بن أبي أمية، قال سمعت عبادة بن الصامت، يقول أتى جبرائيل عليه السلام النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو يوعك فقال بسم الله أرقيك من كل شىء يؤذيك من حسد حاسد ومن كل عين الله يشفيك .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫২৬
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عامر، حدثنا إبراهيم الأشهلي، عن داود بن حصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يعلمهم من الحمى ومن الأوجاع كلها أن يقولوا " بسم الله الكبير أعوذ بالله العظيم من شر عرق نعار ومن شر حر النار " . قال أبو عامر أنا أخالف الناس في هذا أقول يعار . حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا ابن أبي فديك، أخبرني إبراهيم بن إسماعيل بن أبي حبيبة الأشهلي، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه وقال " من شر عرق نعار " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে জ্বর ও যাবতীয় ব্যথার ঝাড়ফুঁকের জন্য এ দুআ’ শিক্ষা দিতেনঃ “বিসমিল্লাহিল কাবীর আউযু বিল্লাহিল আযীম মিন শাররি ইরকিন না’আরিন ওয়া মিন শাররি হাররিন নার” (মহামহিম আল্লাহর নামে মহান আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি, রক্তচাপে ফুলে উঠা শিরার অনিষ্ট থেকে এবং আগুনের তাপের অনিষ্ট থেকে)। আবূ আমির (রাঃ) বলেন, সবার বিপরীতে আমি ‘ইয়াআর’ শব্দটি বলে থাকি। উপরোক্ত হাদীসে মোট ২ টি সানাদের ১ টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ ২/৩৫২৬(১). ইবনু আব্বাস (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তার শব্দ হলোঃ “মিন শাররি ইরকিন ইয়া’আর”। [৩৫২৬] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে জ্বর ও যাবতীয় ব্যথার ঝাড়ফুঁকের জন্য এ দুআ’ শিক্ষা দিতেনঃ “বিসমিল্লাহিল কাবীর আউযু বিল্লাহিল আযীম মিন শাররি ইরকিন না’আরিন ওয়া মিন শাররি হাররিন নার” (মহামহিম আল্লাহর নামে মহান আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি, রক্তচাপে ফুলে উঠা শিরার অনিষ্ট থেকে এবং আগুনের তাপের অনিষ্ট থেকে)। আবূ আমির (রাঃ) বলেন, সবার বিপরীতে আমি ‘ইয়াআর’ শব্দটি বলে থাকি। উপরোক্ত হাদীসে মোট ২ টি সানাদের ১ টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ ২/৩৫২৬(১). ইবনু আব্বাস (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তার শব্দ হলোঃ “মিন শাররি ইরকিন ইয়া’আর”। [৩৫২৬] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عامر، حدثنا إبراهيم الأشهلي، عن داود بن حصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يعلمهم من الحمى ومن الأوجاع كلها أن يقولوا " بسم الله الكبير أعوذ بالله العظيم من شر عرق نعار ومن شر حر النار " . قال أبو عامر أنا أخالف الناس في هذا أقول يعار . حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا ابن أبي فديك، أخبرني إبراهيم بن إسماعيل بن أبي حبيبة الأشهلي، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه وقال " من شر عرق نعار " .