সুনানে ইবনে মাজাহ > বাধাগ্রস্ত হলে তার ফিদ্‌য়া

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮০

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا عبد الله بن نافع، عن أسامة بن زيد، عن محمد بن كعب، عن كعب بن عجرة، قال أمرني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ حين آذاني القمل أن أحلق رأسي وأصوم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين وقد علم أن ليس عندي ما أنسك ‏.‏

কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উকুন আমাকে কষ্ট দিতে থাকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মাথা কামানোর নির্দেশ দেন এবং তিনি দিন রোযা রাখতে অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাতে বলেন। তিনি জানতেন যে আমার নিকট কোরবানী করার মত কিছু ছিলো না। [৩০৮০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ

কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উকুন আমাকে কষ্ট দিতে থাকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মাথা কামানোর নির্দেশ দেন এবং তিনি দিন রোযা রাখতে অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাতে বলেন। তিনি জানতেন যে আমার নিকট কোরবানী করার মত কিছু ছিলো না। [৩০৮০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا عبد الله بن نافع، عن أسامة بن زيد، عن محمد بن كعب، عن كعب بن عجرة، قال أمرني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ حين آذاني القمل أن أحلق رأسي وأصوم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين وقد علم أن ليس عندي ما أنسك ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৭৯

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن الوليد، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن عبد الله بن معقل، قال قعدت إلى كعب بن عجرة في المسجد فسألته عن هذه الآية، ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال كعب في أنزلت كان بي أذى من رأسي فحملت إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والقمل يتناثر على وجهي فقال ‏"‏ ما كنت أرى الجهد بلغ منك ما أرى أتجد شاة ‏"‏ ‏.‏ قلت لا ‏.‏ قال فنزلت هذه الآية ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال فالصوم ثلاثة أيام والصدقة على ستة مساكين لكل مسكين نصف صاع من طعام والنسك شاة ‏.‏

আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

আমি মসজিদের মধ্যে কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। আমি তার নিকট নিম্নোক্ত আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম (অনুবাদ) : “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে” (সূরা বাকারাঃ ১৯৬) কা’ব (রাঃ) বলেন, এ আয়াত আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল। আমার মাথার অসুখ ছিল। আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাওয়া হলো। উকুন আমার মুখমণ্ডলে ছড়িয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে যে কষ্ট ভোগ করতে দেখছি তেমনটি আর কখনও দেখিনি। তুমি কি একট বকরী সংগ্রহ করতে পারবে? আমি বললাম, না। রাবী বলেন, তখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিন দিন রোযা রাখতে হবে, আর সদাকার ক্ষেত্রে ছয়জন মিসকীনকে খাদ্যদ্রব্য দিতে হবে, মাথাপিছা অর্ধ সা’ (এক কেজি দু’শ পঞ্চাশ গ্রাম) এবং কোরবানীর ক্ষেত্রে একটি বকরী। [৩০৭৯]

আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

আমি মসজিদের মধ্যে কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। আমি তার নিকট নিম্নোক্ত আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম (অনুবাদ) : “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে” (সূরা বাকারাঃ ১৯৬) কা’ব (রাঃ) বলেন, এ আয়াত আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল। আমার মাথার অসুখ ছিল। আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাওয়া হলো। উকুন আমার মুখমণ্ডলে ছড়িয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে যে কষ্ট ভোগ করতে দেখছি তেমনটি আর কখনও দেখিনি। তুমি কি একট বকরী সংগ্রহ করতে পারবে? আমি বললাম, না। রাবী বলেন, তখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিন দিন রোযা রাখতে হবে, আর সদাকার ক্ষেত্রে ছয়জন মিসকীনকে খাদ্যদ্রব্য দিতে হবে, মাথাপিছা অর্ধ সা’ (এক কেজি দু’শ পঞ্চাশ গ্রাম) এবং কোরবানীর ক্ষেত্রে একটি বকরী। [৩০৭৯]

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن الوليد، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن عبد الله بن معقل، قال قعدت إلى كعب بن عجرة في المسجد فسألته عن هذه الآية، ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال كعب في أنزلت كان بي أذى من رأسي فحملت إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والقمل يتناثر على وجهي فقال ‏"‏ ما كنت أرى الجهد بلغ منك ما أرى أتجد شاة ‏"‏ ‏.‏ قلت لا ‏.‏ قال فنزلت هذه الآية ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال فالصوم ثلاثة أيام والصدقة على ستة مساكين لكل مسكين نصف صاع من طعام والنسك شاة ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইহরাম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করানো

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮১

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن يزيد بن أبي زياد، عن مقسم، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو صائم محرم ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ও রোযা অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ও রোযা অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن يزيد بن أبي زياد، عن مقسم، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو صائم محرم ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮২

حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا محمد بن أبي الضيف، عن ابن خثيم، عن أبي الزبير، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو محرم من رهصة أخذته ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একটি কঠিন ব্যথার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একটি কঠিন ব্যথার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا محمد بن أبي الضيف، عن ابن خثيم، عن أبي الزبير، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو محرم من رهصة أخذته ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইহরামধারী ব্যক্তি কী ধরনের তৈল মাখতে পারে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮৩

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا حماد بن سلمة، عن فرقد السبخي، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يدهن رأسه بالزيت وهو محرم غير المقتت ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ঘ্রাণহীন যায়তুনের তৈল মাথায় মাখতেন। [৩০৮৩] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দূর্বল।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ঘ্রাণহীন যায়তুনের তৈল মাথায় মাখতেন। [৩০৮৩] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দূর্বল।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا حماد بن سلمة، عن فرقد السبخي، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يدهن رأسه بالزيت وهو محرم غير المقتت ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কেউ ইহরাম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮৪

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن رجلا، أوقصته راحلته وهو محرم فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ اغسلوه بماء وسدر وكفنوه في ثوبيه ولا تخمروا وجهه ولا رأسه فإنه يبعث يوم القيامة ملبيا ‏"‏ ‏.‏ حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، مثله إلا أنه قال أعقصته راحلته ‏.‏ وقال ‏ "‏ لا تقربوه طيبا فإنه يبعث يوم القيامة ملبيا ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইহরামধারী ব্যক্তিকে তার জন্তুযান নিচে ফেলে দিলে তার ঘাড় ভেঙ্গে সে মারা যায়। মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তাকে কুলপাতা মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল দাও, তার পরনের বস্ত্রদ্বয় দিয়ে তাকে কাফন দাও এবং তার মুখমণ্ডল ও মাথা ঢেকো না। কারণ তাকে কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠানো হবে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলো:] ২/ ৩০৮৪ (১) . ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি বলেন, তার জন্তুযান তার ঘাড় মটকে দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেনঃ তাকে সুগন্ধি মাখিয়া না। কারণ তাকে কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠানো হবে। [৩০৮৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইহরামধারী ব্যক্তিকে তার জন্তুযান নিচে ফেলে দিলে তার ঘাড় ভেঙ্গে সে মারা যায়। মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তাকে কুলপাতা মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল দাও, তার পরনের বস্ত্রদ্বয় দিয়ে তাকে কাফন দাও এবং তার মুখমণ্ডল ও মাথা ঢেকো না। কারণ তাকে কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠানো হবে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলো:] ২/ ৩০৮৪ (১) . ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি বলেন, তার জন্তুযান তার ঘাড় মটকে দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেনঃ তাকে সুগন্ধি মাখিয়া না। কারণ তাকে কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠানো হবে। [৩০৮৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن رجلا، أوقصته راحلته وهو محرم فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ اغسلوه بماء وسدر وكفنوه في ثوبيه ولا تخمروا وجهه ولا رأسه فإنه يبعث يوم القيامة ملبيا ‏"‏ ‏.‏ حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، مثله إلا أنه قال أعقصته راحلته ‏.‏ وقال ‏ "‏ لا تقربوه طيبا فإنه يبعث يوم القيامة ملبيا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00