সুনানে ইবনে মাজাহ > হজ্জের উদ্দেশে যাওয়ার পথে বাধাগ্রস্ত হলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৭৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يحيى بن سعيد وابن علية عن حجاج بن أبي عثمان حدثني يحيى بن أبي كثير حدثني عكرمة حدثني الحجاج بن عمرو الأنصاري قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من كسر أو عرج فقد حل وعليه حجة أخرى فحدثت به ابن عباس وأبا هريرة فقالا صدق

আল-হাজ্জাক বিন আমর আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি : যার হাড় ভেঙ্গে গেলো অথবা যে লেংড়া হয়ে গেলো। ইহরাম বাঁধার পর) , সে ইহরামমুক্ত হয়ে গেলো। সে পুনর্বার হজ্জ করবে। (আবূ বাক্‌র বিন আবূ শায়বাহ, ইয়াহইয়অ বিন সাঈদ ও ইবনু উলায়্যাহ, হাজ্জাজ বিন আবূ উসমান, ইয়াহইয়া বিন আবূ কাসীর, ইকরামাহ, ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , (ইকরিমাহ বলেন) , আমি এ হাদীস বিন আব্বাস (রাঃ) ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) -র নিকট বর্ণনা করলে তারা উভয়ে বলেন, তিনি (হাজ্জাজ) সত্য বলেছেন। [৩০৭৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আল-হাজ্জাক বিন আমর আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি : যার হাড় ভেঙ্গে গেলো অথবা যে লেংড়া হয়ে গেলো। ইহরাম বাঁধার পর) , সে ইহরামমুক্ত হয়ে গেলো। সে পুনর্বার হজ্জ করবে। (আবূ বাক্‌র বিন আবূ শায়বাহ, ইয়াহইয়অ বিন সাঈদ ও ইবনু উলায়্যাহ, হাজ্জাজ বিন আবূ উসমান, ইয়াহইয়া বিন আবূ কাসীর, ইকরামাহ, ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , (ইকরিমাহ বলেন) , আমি এ হাদীস বিন আব্বাস (রাঃ) ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) -র নিকট বর্ণনা করলে তারা উভয়ে বলেন, তিনি (হাজ্জাজ) সত্য বলেছেন। [৩০৭৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يحيى بن سعيد وابن علية عن حجاج بن أبي عثمان حدثني يحيى بن أبي كثير حدثني عكرمة حدثني الحجاج بن عمرو الأنصاري قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من كسر أو عرج فقد حل وعليه حجة أخرى فحدثت به ابن عباس وأبا هريرة فقالا صدق


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৭৮

حدثنا سلمة بن شبيب حدثنا عبد الرزاق أنبأنا معمر عن يحيى بن أبي كثير عن عكرمة عن عبد الله بن رافع مولى أم سلمة قال سألت الحجاج بن عمرو عن حبس المحرم فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كسر أو مرض أو عرج فقد حل وعليه الحج من قابل قال عكرمة فحدثت به ابن عباس وأبا هريرة فقالا صدق قال عبد الرزاق فوجدته في جزء هشام صاحب الدستوائي فأتيت به معمرا فقرأ علي أو قرأت عليه

আল-হাজ্জাজ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির হাড় ভেঙ্গে গেলে বা সে পঙ্গু হয়ে গেলে বা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লে অথবা বাধাগ্রস্ত হলে সে হালাল হয়ে যাবে। তাকে পরবর্তী বছর হজ্জ করতে হবে। সালামাহ বিন শাবীব, আবদুর রায্‌যাক, মা’মার, ইয়াহইয়া বিন আবূ কাসীর, ইকরিমাহ, ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , (ইকরিমাহ) বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) এর নিকট বর্ণনা করলে তারা উভয়ে বলেন, তিনি সত্য বলেছেন। আবদুর রাযযাক বলেন, আমি এ হাদীস হিশাম আদ-দাসতাওয়াঈর কিতাবে লিপিবদ্ধ পেয়েছে। আমি তা নিয়ে মামার-এর নিকট এলে তিনি আমার সামনে তা পাঠ করেন অথবা আমি তার সামনে তা পাঠ করি। [৩০৭৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আল-হাজ্জাজ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির হাড় ভেঙ্গে গেলে বা সে পঙ্গু হয়ে গেলে বা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লে অথবা বাধাগ্রস্ত হলে সে হালাল হয়ে যাবে। তাকে পরবর্তী বছর হজ্জ করতে হবে। সালামাহ বিন শাবীব, আবদুর রায্‌যাক, মা’মার, ইয়াহইয়া বিন আবূ কাসীর, ইকরিমাহ, ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) , (ইকরিমাহ) বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) এর নিকট বর্ণনা করলে তারা উভয়ে বলেন, তিনি সত্য বলেছেন। আবদুর রাযযাক বলেন, আমি এ হাদীস হিশাম আদ-দাসতাওয়াঈর কিতাবে লিপিবদ্ধ পেয়েছে। আমি তা নিয়ে মামার-এর নিকট এলে তিনি আমার সামনে তা পাঠ করেন অথবা আমি তার সামনে তা পাঠ করি। [৩০৭৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا سلمة بن شبيب حدثنا عبد الرزاق أنبأنا معمر عن يحيى بن أبي كثير عن عكرمة عن عبد الله بن رافع مولى أم سلمة قال سألت الحجاج بن عمرو عن حبس المحرم فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كسر أو مرض أو عرج فقد حل وعليه الحج من قابل قال عكرمة فحدثت به ابن عباس وأبا هريرة فقالا صدق قال عبد الرزاق فوجدته في جزء هشام صاحب الدستوائي فأتيت به معمرا فقرأ علي أو قرأت عليه


সুনানে ইবনে মাজাহ > বাধাগ্রস্ত হলে তার ফিদ্‌য়া

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮০

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا عبد الله بن نافع، عن أسامة بن زيد، عن محمد بن كعب، عن كعب بن عجرة، قال أمرني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ حين آذاني القمل أن أحلق رأسي وأصوم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين وقد علم أن ليس عندي ما أنسك ‏.‏

কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উকুন আমাকে কষ্ট দিতে থাকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মাথা কামানোর নির্দেশ দেন এবং তিনি দিন রোযা রাখতে অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাতে বলেন। তিনি জানতেন যে আমার নিকট কোরবানী করার মত কিছু ছিলো না। [৩০৮০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ

কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উকুন আমাকে কষ্ট দিতে থাকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মাথা কামানোর নির্দেশ দেন এবং তিনি দিন রোযা রাখতে অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাতে বলেন। তিনি জানতেন যে আমার নিকট কোরবানী করার মত কিছু ছিলো না। [৩০৮০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا عبد الله بن نافع، عن أسامة بن زيد، عن محمد بن كعب، عن كعب بن عجرة، قال أمرني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ حين آذاني القمل أن أحلق رأسي وأصوم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين وقد علم أن ليس عندي ما أنسك ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৭৯

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن الوليد، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن عبد الله بن معقل، قال قعدت إلى كعب بن عجرة في المسجد فسألته عن هذه الآية، ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال كعب في أنزلت كان بي أذى من رأسي فحملت إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والقمل يتناثر على وجهي فقال ‏"‏ ما كنت أرى الجهد بلغ منك ما أرى أتجد شاة ‏"‏ ‏.‏ قلت لا ‏.‏ قال فنزلت هذه الآية ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال فالصوم ثلاثة أيام والصدقة على ستة مساكين لكل مسكين نصف صاع من طعام والنسك شاة ‏.‏

আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

আমি মসজিদের মধ্যে কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। আমি তার নিকট নিম্নোক্ত আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম (অনুবাদ) : “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে” (সূরা বাকারাঃ ১৯৬) কা’ব (রাঃ) বলেন, এ আয়াত আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল। আমার মাথার অসুখ ছিল। আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাওয়া হলো। উকুন আমার মুখমণ্ডলে ছড়িয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে যে কষ্ট ভোগ করতে দেখছি তেমনটি আর কখনও দেখিনি। তুমি কি একট বকরী সংগ্রহ করতে পারবে? আমি বললাম, না। রাবী বলেন, তখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিন দিন রোযা রাখতে হবে, আর সদাকার ক্ষেত্রে ছয়জন মিসকীনকে খাদ্যদ্রব্য দিতে হবে, মাথাপিছা অর্ধ সা’ (এক কেজি দু’শ পঞ্চাশ গ্রাম) এবং কোরবানীর ক্ষেত্রে একটি বকরী। [৩০৭৯]

আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

আমি মসজিদের মধ্যে কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। আমি তার নিকট নিম্নোক্ত আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম (অনুবাদ) : “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে” (সূরা বাকারাঃ ১৯৬) কা’ব (রাঃ) বলেন, এ আয়াত আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল। আমার মাথার অসুখ ছিল। আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাওয়া হলো। উকুন আমার মুখমণ্ডলে ছড়িয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে যে কষ্ট ভোগ করতে দেখছি তেমনটি আর কখনও দেখিনি। তুমি কি একট বকরী সংগ্রহ করতে পারবে? আমি বললাম, না। রাবী বলেন, তখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফিদ্‌য়া দিবে”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিন দিন রোযা রাখতে হবে, আর সদাকার ক্ষেত্রে ছয়জন মিসকীনকে খাদ্যদ্রব্য দিতে হবে, মাথাপিছা অর্ধ সা’ (এক কেজি দু’শ পঞ্চাশ গ্রাম) এবং কোরবানীর ক্ষেত্রে একটি বকরী। [৩০৭৯]

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن الوليد، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن عبد الله بن معقل، قال قعدت إلى كعب بن عجرة في المسجد فسألته عن هذه الآية، ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال كعب في أنزلت كان بي أذى من رأسي فحملت إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والقمل يتناثر على وجهي فقال ‏"‏ ما كنت أرى الجهد بلغ منك ما أرى أتجد شاة ‏"‏ ‏.‏ قلت لا ‏.‏ قال فنزلت هذه الآية ‏{ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}‏ ‏.‏ قال فالصوم ثلاثة أيام والصدقة على ستة مساكين لكل مسكين نصف صاع من طعام والنسك شاة ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইহরাম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করানো

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮১

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن يزيد بن أبي زياد، عن مقسم، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو صائم محرم ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ও রোযা অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ও রোযা অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن يزيد بن أبي زياد، عن مقسم، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو صائم محرم ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮২

حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا محمد بن أبي الضيف، عن ابن خثيم، عن أبي الزبير، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو محرم من رهصة أخذته ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একটি কঠিন ব্যথার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একটি কঠিন ব্যথার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। [৩০৮২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا محمد بن أبي الضيف، عن ابن خثيم، عن أبي الزبير، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ احتجم وهو محرم من رهصة أخذته ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইহরামধারী ব্যক্তি কী ধরনের তৈল মাখতে পারে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৮৩

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا حماد بن سلمة، عن فرقد السبخي، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يدهن رأسه بالزيت وهو محرم غير المقتت ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ঘ্রাণহীন যায়তুনের তৈল মাথায় মাখতেন। [৩০৮৩] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দূর্বল।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় ঘ্রাণহীন যায়তুনের তৈল মাথায় মাখতেন। [৩০৮৩] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দূর্বল।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا حماد بن سلمة، عن فرقد السبخي، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يدهن رأسه بالزيت وهو محرم غير المقتت ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00